20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
‘লালনের তিরোধানে সাধুসঙ্গ না হলে অধর্ম হবে’

‘লালনের তিরোধানে সাধুসঙ্গ না হলে অধর্ম হবে’

ফকির লালন শাহের তিরোধান দিবস পালন না করার সিদ্ধান্তে হতাশ লালন ভক্তরা। তারা বলছেন, ‘১৩০ বছর ধরে চলা রেওয়াজ ভাঙলে অমঙ্গল হবে।’

করোনার কারণে ছেউড়িয়ায় ফকির লালনের আখড়াবাড়ি বন্ধ রয়েছে। তারপরও তিরোধান দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়ায় আসতে শুরু করেছেন বাউল-ফকির, ভক্ত ও দর্শনার্থীরা। আখড়াবাড়িতে ঢুকতে না পেরে লালন একাডেমির বিশাল মাঠে জড়ো হচ্ছেন তারা।

সেখানে কথা হয় সাধু ফকির মো. আশরাফুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এখানে আসি সাঁইজিকে স্মরণ করতে। আমাদের ধর্মনীতি পালন করতে দেয়া হোক। না হলে অধর্ম হবে।

রংপুর থেকে আসা বাউল মালেক পাগল ওরফে কালু পাগল বলেন, ‘লালনকে ভালোবাসি বলে এত দূর থেকে আসি। আমরা কারও কাছে ভাত-পানি চাই না। এই তীর্থধামে গাছতলায় থাকব, এতেই আমাদের শান্তি।’

স্থানীয় শেখ মাসুদ ফকির বলেন, ‘করোনার কারণে মেলা না হোক, লালনের মৃত্যুবার্ষিকী পালন করতেই হবে।’

লালন একাডেমির সভাপতি ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন জানান, করোনায় কুষ্টিয়ায় ৭১ জন মারা গেছেন। দূর-দুরান্ত থেকে আসা বাউল ও ভক্তরা একসঙ্গে হলে সংক্রমণ বাড়ার শঙ্কা রয়েছে।

রেওয়াজ মোতাবেক, পহেলা কার্তিক লালনের তিরোধান দিবসে মাজার পরিষ্কার করেন বাউল-ফকিররা। দিনটিতে অধিবাস, বাল্যসেবা ও পূর্ণসেবাসহ নানা আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয়।

শেয়ার করুন