20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
নোয়াখালীতে পাশবিকতার ভিডিও প্রকাশের পর আটক ১

নোয়াখালীতে পাশবিকতার ভিডিও প্রকাশের পর আটক ১

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে বিবস্ত্রের পর নির্যাতন করে ভিডিও ধারণ এবং তা ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনার ৩২ দিন পর রোববার দুপুরের দিকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ পায়।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করেছে। তবে মূল অভিযুক্তরা আত্মগোপনে গেছে। পরিবারটিও এলাকা ছেড়েছে।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) বিষয়টি জানতে পেরে অভিযুক্তদের আটক করতে পাঁচটি দল গঠন করে দিয়েছেন।

এসপির নির্দেশে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ রোববার বিকেল ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে যায়। তখন ভুক্তভোগী পরিবারের বাড়িতে তালা ঝুলছিল।

ঘটনায় নাম এসেছে দেলোয়ার, বাদল, কালামসহ কয়েকজনের। এদের মধ্যে দেলোয়ার একটি মামলায় কারাগারে ছিলেন। বর্তমানে জামিনে আছেন।

এক মিনিট ৩৮ সেকেন্ডের এই ভিডিওতে দেখা যায়, ভুক্তভোগী নারীটি নিজেকে রক্ষার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। তবে তাকে ঘিরে রেখে কয়েকজন পুরুষ ক্রমাগত মারধর করছেন।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয়রা জানান, গত এক মাস ধরে পরিবারটিকে এক ধরনের অবরুদ্ধ করে রেখেছিল অভিযুক্তরা। তাদের ভয়ে নির্যাতিতের পরিবার এ নিয়ে অন্য কাউকে দিয়েও থানায় অভিযোগ দেয়নি।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হারুন উর রশীদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘‌পুলিশ সুপারের নির্দেশের সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। স্থানীয়দের কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ শুনেছি। যারা প্রথম ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের এক সহযোগীকে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আটক করি।’

আটক আব্দুর রহীম প্রধান অভিযুক্ত দেলোয়ারের সহযোগী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।

পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‌‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে সংশ্লিষ্ট থানাকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেয়া হয়। নির্যাতিত পরিবারটিকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পাঁচটি টিম কাজ করছে।’

যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদেরকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে- বলেন পুলিশ সুপার।

শেয়ার করুন