করোনা শনাক্তের হার কমেছে

করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দিচ্ছেন এক নারী। ছবি: সাইফুল ইসলাম

করোনা শনাক্তের হার কমেছে

নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার কমে আসছে। শনিবার রোগী শনাক্তের হার ছিল ১২.৩৭ শতাংশ ছিল; যা গত ২৪ ঘণ্টায় কমে ১.৪১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়েছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ১২৫ জন।

২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৫৮৭ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থের সংখ্যা দাঁড়াল ২ লাখ ৮১ হাজার ৬৫৬ জনে।

এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৮.৫৩ শতাংশ; সুস্থতার হার ৭৬.৩৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১.৪৫ শতাংশ।

অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৯টি পরীক্ষাগারে ৯ হাজার ৭৩৯টি নমুনা সংগ্রহ ও ৯ হাজার ৮৫৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

এতে শনাক্ত হয় ১ হাজার ১২৫ জন। ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৬৯০ জনে। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৮৯ হাজার ৬৬৪টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১৭ জন ও নারী ছয়জন। সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ হাজার ৩৪৮ জনে।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ২৩ জনের মধ্যে দশোর্ধ্ব একজন, বিশোর্ধ্ব একজন, ত্রিশোর্ধ্ব একজন, চল্লিশোর্ধ্ব তিনজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব পাঁচজন এবং ষাটোর্ধ্ব ১২ জন।

বিভাগ অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টায় মৃত ২৩ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৭ জন, চট্টগ্রামে একজন, রাজশাহীতে একজন, খুলনায় একজন, সিলেট একজন ও রংপুর দুইজন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, এ পর্যন্ত যারা মারা গেছে এর মধ্যে ৭৭.৩৭ শতাংশ পুরুষ এবং ২২.৬৩ শতাংশ নারী।

করোনা ভাইরাসে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৫ হাজার ৩৪৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এরমধ্যে পুরুষ ৪ হাজার ১৩৮ এবং নারী ১ হাজার ২১০ জন।

এ পর্যন্ত যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ৫০.৩৪ শতাংশ রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা। চট্টগ্রামে মৃত্যুর হার ২০.৩৪ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬.৬২ শতাংশ, খুলনায় ৮.১৭ শতাংশ এবং বরিশালে ৩.৫২ শতাংশ।

করোনাভাইরাসে সবচেয়ে কম মৃত্যু হয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগে ১২০ জন, যা শতাংশ হিসাবে ২.৯।

এএসজে

শেয়ার করুন