× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

google_news print-icon

নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের পথচলা শুরু

নিউজবাংলা-টোয়েন্টিফোর-ডটকমের-পথচলা-শুরু
নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের উদ্বোধন উপলক্ষে সংবাদ মাধ্যমটির কার্যালয়ে কেক কাটছেন সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, সম্পাদক স্বদেশ রায় ও প্রকাশক শাহনুল হাসান খান। ছবি: সাইফুল ইসলাম

তথ্য প্রযুক্তি বিকাশের যুগে সাংবাদিকতাও পাল্টে যাচ্ছে। আর সেই পরিবর্তনকে ধারণ করে যাত্রা শুরু করল অনলাইন সংবাদ মাধ্যম নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকম।

বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর বীর উত্তম রফিকুল ইসলাম অ্যাভেনিউয়ের নিজস্ব কার্যালয়ে সংবাদ মাধ্যমটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর সম্পাদক স্বদেশ রায় এবং প্রকাশক শাহনুল হাসান খান।

নিউজবাংলা স্ট্র্যাটেজিক হোল্ডিংসের একটি নতুন উদ্যোগ। উদ্যোক্তারা জানান, অনলাইনের পাশাপাশি সংবাদপত্র, টেলিভিশন চালু করবেন তারা।

নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের পথচলা শুরু

চৌধুরী নাফিজ সরাফাত জোর দেন বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ওপর। তিনি বলেন, ‘আমরা খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে পুরো বাংলাদেশকে জানাব যে, একটা শক্তিশালী সংবাদ মাধ্যম আছে, যাদের ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখা যায়।’

নিউজবাংলার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি বলেন, ‘একটা স্বপ্ন ছিল আমরা মানুষের কথা বলব এবং আমরা সংবাদ মাধ্যমে আসব। এটা আমাদের প্রথম পদক্ষেপ। এই যাত্রার শুরু আজকে। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্ব দেখবে এই যাত্রাটা খুবই প্রাণবন্ত হয়েছে। আমরা সবাই মিলে এই যাত্রাকে আকর্ষণীয় করব।’

নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের পথচলা শুরু

সম্পাদক স্বদেশ রায় বলেন, ‘উদ্বোধন সহজ, সামনের দিকে পথচলাটাই মূল কথা। সামনে চলতে দরকার সাংবাদিকদের মেধা।… সবাই একটা কথা বলে, মিডিয়ার অবস্থা খুব খারাপ। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি এটা মোটেও বিশ্বাস করি না। আমি মনে করি, আমরা সঠিক সাংবাদিকতা করতে পারছি না বলেই মানুষের কাছে যেতে পারছি না।’

নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের পথচলা শুরু

প্রকাশক শাহনুল হাসান খান বলেন, ‘আমরা ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান। তবে এর পাশাপাশি আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতাও আছে। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা, মানুষের কথা বলার যে মাধ্যম, সেই মাধ্যম হিসেবে আমরা নিজেদের দেখতে চাই।’

বার্তা প্রধান সঞ্জয় দে বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে আজকের এই জায়গায় পৌঁছেছি। আজকে এমন একটা মুহূর্ত যেটা সন্তানের জন্ম দেয়ার মতো ঘটনা। আজকের এই অবস্থায় আসতে নাফিজ সরাফাত আমাদের পাশে ছিলেন। সাংবাদিকতাকে পেশাদারত্বের জায়গা থেকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষুধা তার মধ্যে রয়েছে। সেই জায়গা থেকে আমরা এখানে যুক্ত হয়েছি। এর মধ্য দিয়ে আমরা একটা জায়গায় পৌঁছব বলে আমি আশা করি।’

নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের পথচলা শুরু

নিউজবাংলার যাত্রা উপলক্ষে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে অব্যক্তদের পক্ষে কথা বলবে, ক্ষমতাহীনদের ক্ষমতাবান করতে ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশা করি।’

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকম আমাদের সম্ভাবনাময় বিষয় নিয়ে এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যাওয়ার গল্প নিয়ে সব সময় এগিয়ে আসবে এবং অবশ্যই বিপদগ্রস্ত, অসহায় মানুষের পাশে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকম সবসময় থাকবে। আমরা তাদের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।’

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘আমরা আমাদের সাফল্যের কথাগুলো শুনি সব সময় বাইরের মিডিয়া থেকে। আমরা দেশের মিডিয়ার কাছ থেকে আমাদের সাফল্যের গল্প শুনতে চাই। আশা করি নিউজবাংলা আমাদেরকে সাফল্যের খবর দেবে।’

নিউজবাংলার পথচলায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, দাবার গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান, ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল, ফুটবলার মামুনুল ইসলাম, জাতীয় হকি দলের অধিনায়ক রাসেল মাহমুদ জিমি, বাংলাদেশের দ্রুততম নারী শিরীন আক্তার ও স্বর্ণজয়ী ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্ত।

আরও পড়ুন

জাতীয়
A smiling selfie is the lively presence of the Prime Minister in Dham

হাসিমুখে সেলফি, ঢামেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রাণবন্ত উপস্থিতি

হাসিমুখে সেলফি, ঢামেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রাণবন্ত উপস্থিতি ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের (ঢামেক) গৌরবময় ৮০ বছর পূর্তি এবং ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১১ জুলাই) সকালে উৎসবমুখর পরিবেশে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে তিনি এই বর্ণাঢ্য আয়োজনের উদ্বোধন করেন।

শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী ঢামেক চত্বরে পৌঁছালে সেখানে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তিনি উপস্থিত ছাত্র-শিক্ষক ও সুধীজনের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং এই মিলনমেলার মুহূর্তে তাঁকে অনেকের সঙ্গে সেলফিতেও অংশ নিতে দেখা যায়। এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল এবং প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরই সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

উদ্বোধনী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তিনি সেখানে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় নির্মিতব্য দুটি অত্যাধুনিক ছাত্রী হোস্টেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এছাড়া তিনি শহীদ ডা. মিলন অডিটোরিয়াম সংলগ্ন লনে আয়োজিত বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশগ্রহণ করেন।

ঐতিহাসিকভাবে সমৃদ্ধ এই বিদ্যাপীঠের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

মন্তব্য

জাতীয়
Government is working to increase the capacity of district and upazila hospitals Prime Minister

জেলা-উপজেলার হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

জেলা-উপজেলার হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮০ বছর পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে আয়োজিত একটি উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে চিকিৎসকরা স্বাস্থ্যখাতের বিদ্যমান সমস্যা ও সমসাময়িক চ্যালেঞ্জসমূহ প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন আধুনিক পরিকল্পনার কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি রাজধানী কেন্দ্রিক চিকিৎসাসেবার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলেন, শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও সমান গুরুত্ব দিয়ে সাধারণ মানুষকে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে হবে।

এর আগে সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কলেজ প্রাঙ্গণে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। তাঁর এই বিশেষ সফরে সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও সঙ্গে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে সকাল থেকেই এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে দেখছেন।

মন্তব্য

জাতীয়
The Prime Minister attended the 80th anniversary function of Dhaka Medical

ঢাকা মেডিকেলের ৮০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা মেডিকেলের ৮০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০ বছর পূর্তি এবং ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে তিনি কলেজ প্রাঙ্গণে পৌঁছান। তাঁর এই সফরকে কেন্দ্র করে ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যাপীঠের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

সফরের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী কলেজ ক্যাম্পাসে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মাহেন্দ্রক্ষণে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর অধীনে দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং পরে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।

শনিবার সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও আশপাশের এলাকায় ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ঢল নামে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়ে স্লোগান ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। ভিড়ের কারণে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরের গতি কিছুটা কমে গেলে তিনি হাত নেড়ে উপস্থিত সবার শুভেচ্ছার জবাব দেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে কলেজ ও হাসপাতাল সংলগ্ন ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা ও অস্থায়ী দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ায় দীর্ঘদিনের যানজট থেকে মুক্তি মিলেছে, যা সাধারণ পথচারী ও রোগীদের স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি এনেছে।

সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা এই সফরকে একটি ঐতিহাসিক মিলনমেলা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই সরাসরি উপস্থিতির মাধ্যমে হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান হবে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অবিস্মরণীয়।” তিনি আরও যোগ করেন যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই পদচারণা অত্যন্ত আবেগঘন একটি মুহূর্ত।

১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ ৮ দশক ধরে দেশের চিকিৎসা শিক্ষায় পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সকলে আশা করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে নতুন মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে।

মন্তব্য

জাতীয়
Digital quota system for hiring foreign workers in Malaysia

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগে ডিজিটাল কোটা ব্যবস্থা চালু

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগে ডিজিটাল কোটা ব্যবস্থা চালু ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটা আবেদন এখন থেকে পুরোপুরি অনলাইনে করা যাবে। সরকারের এই নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থাকে স্বাগত জানিয়েছে মালয় চেম্বার অব কমার্স মালয়েশিয়া (ডিপিএমএম)।

সংগঠনটির সভাপতি নরসিয়ারিন হামিদন বলেন, নতুন এই ব্যবস্থা বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করবে। এতে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কমবে এবং সব নিয়োগকর্তা সমান সুযোগ পাবেন।

গত ৬ জুলাই দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি আর. রামানান জানান, বিদেশি কর্মী কোটা সংক্রান্ত সব আবেদন এখন থেকে ফরেন ওয়ার্কার সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এফডব্লিসিএমএস)-এর ই-কোটা মডিউলের মাধ্যমে করা হবে। এর ফলে আগের মতো আলাদা বা কেসভিত্তিক অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না।

ডিপিএমএম বলেছে, নতুন ব্যবস্থা চালুর পরও এর কার্যকারিতা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত। আবেদন নিষ্পত্তির সময়, সিস্টেমের কার্যকারিতা এবং নিয়োগকর্তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকারকে কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

সংগঠনটি আরও বলেছে, যেসব খাতে শ্রমিকের সংকট রয়েছে সেখানে বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্রয়োজন। তবে একই সঙ্গে স্থানীয় নাগরিকদের জন্য কর্মসংস্থান, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর উদ্যোগও অব্যাহত রাখতে হবে।

মালয়েশিয়ায় বর্তমানে বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটা শুধু উৎপাদন, নির্মাণ, কৃষি, প্ল্যান্টেশন এবং সেবা—এই পাঁচটি খাতের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্তব্য

জাতীয়
Merit based new Bangladesh Garai government pledge Mahdi Amin

মেধাভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়াই সরকারের অঙ্গীকার: মাহদী আমিন

মেধাভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়াই সরকারের অঙ্গীকার: মাহদী আমিন ছবি: সংগৃহীত

মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়তে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি বলেন, ‘অতীতের মেধাহীন বাংলাদেশ থেকে বেরিয়ে এসে নতুনভাবে মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে দেশের নিরাপত্তা ও সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর সরকারি বাঙলা কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চলমান বন্যা পরিস্থিতি ও সরকারের দুর্যোগ মোকাবিলা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘সারাদেশে বৈরী আবহাওয়ার কারণে চলমান দুর্যোগে বিভিন্ন জায়গায় প্রাণহানির ঘটনা আমাদের গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। জনগণের নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী এই পরিস্থিতি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে তদারকি করছেন। দুর্গত মানুষের পাশে থাকতে তিনি প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে নির্দেশ দিয়েছেন।’

তিনি চলমান ত্রাণ কার্যক্রমের তথ্য তুলে ধরে জানান, প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছেন। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি এই পাঁচ জেলায় ১ হাজারের বেশি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে, যেখানে ইতোমধ্যে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। এ ছাড়া দুর্গতদের মাঝে ৩ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চাল সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

মাহদী আমিন আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকা দল বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। দুর্গত এলাকায় খাদ্য, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং যেখানে প্রয়োজন সেখানে সেনাবাহিনী একযোগে নিরলসভাবে কাজ করছে।’

শিক্ষাব্যবস্থা ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তরুণদের উদ্দেশে উপদেষ্টা বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের বাংলাদেশের কান্ডারি হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ঢেলে সাজানো হচ্ছে। সারাদেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং সাবেক শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণসহ স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের জাতীয়তাবাদী আদর্শ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং দেশপ্রেম ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আসুন, আমরা সবাই মিলে নির্বাচিত সরকারের হাতকে শক্তিশালী করি এবং সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে এই বাংলাদেশকে একসাথে গড়ে তুলি।’

মন্তব্য

জাতীয়
Prime Ministers 10 instructions to deal with disaster in Chittagong region

চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ নির্দেশনা

চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ নির্দেশনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

বিগত কয়েকদিনের নিরবচ্ছিন্ন ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের ফলে চট্টগ্রাম অঞ্চলে সৃষ্ট ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১০টি বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এই নির্দেশনাসমূহ বাস্তবায়নের বিষয়ে অবহিত করেছেন।

তিনি বলেন, সংকটের এই সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এক ফেসবুক পোস্টে ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ১০টি উদ্যোগ’ শিরোনামে এই পদক্ষেপগুলোর কথা বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় দুর্যোগকবলিত এলাকার পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে। দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীকে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বোচ্চ সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, দ্রুত উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সংসদ সদস্যদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত ১০টি প্রধান উদ্যোগ হলো-

১. প্রধানমন্ত্রী নিজে সার্বক্ষণিকভাবে দুর্যোগকবলিত এলাকার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন এবং মনিটরিং করাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নিয়মিতভাবে ডিসি, ইউএনও এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সবার সাথে যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

২. চট্টগ্রাম বিভাগের দুর্যোগকবলিত এলাকায় ইতোমধ্যে ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে, যেখানে ১২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।

৩. জেনারেল রিলিফ (জিআর) কর্মসূচির আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান- এই ৫টি জেলার জন্য ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা নগদ অনুদান এবং ৩ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চাল দুর্গতদের কাছে দ্রুততম সময়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

৪. সরকারের নির্দেশনায় দুর্গত এলাকায় নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা, শিশুখাদ্য এবং তিন বেলা খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

৫. জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম গতিশীল করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজনবোধে সেনাবাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে।

৬. প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সহায়তার বার্তা পৌঁছে দিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিবৃন্দ প্লাবিত অঞ্চল পরিদর্শন করছেন এবং সশরীরে দুর্গত এলাকায় অবস্থান নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।

৭. দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে রাষ্ট্র পরিচালনাকারী দল বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সহযোগী সংগঠনগুলো মাঠে নেমেছে। একই সাথে সরকারের প্রশাসন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সেনাবাহিনী এবং কোস্টগার্ড মাঠপর্যায় থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত একযোগে কাজ করছে।

৮. ভারী বর্ষণ, বন্যা ও ভূমিধস পরিস্থিতির কারণে দুর্গত এলাকার চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

৯. এই দুর্যোগে হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়ি বাড়ি পরিদর্শন করছেন।

১০. টানা ভারী বর্ষণে পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথের জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমাতে সেটি ৫ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ৪৭ কিলোমিটার রেলপথের উচ্চতা বৃদ্ধির কাজের দরপত্র প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের জন্য নিরাপদ স্থানে স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করবে সরকার।

ফেসবুক পোস্টের শেষে মাহদী আমিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্ত, মানবিক প্রয়াস ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা খুব দ্রুত এই দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হব, ইনশাআল্লাহ। প্রধানমন্ত্রী এই সংকটে গভীর ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে আছেন এবং জনগণের সরকার সবসময় আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রয়েছে।’

মন্তব্য

জাতীয়
AKM Wahiduzzaman is the Deputy Permanent Representative of the Bangladesh Mission to the United Nations

জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি হলেন এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান

জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি হলেন এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে শিক্ষাবিদ, গবেষক অধ্যাপক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এক বছর মেয়াদে রাষ্ট্রদূত পদমর্যাদায় (গ্রেড-১) চুক্তিভিত্তিক এই নিয়োগ দেওয়া হয়।

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কার্যক্রম সুচারু ও গতিশীল রাখতে; বিশেষ করে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকসমূহে যথাযথ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত এবং বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার লক্ষ্যে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এই নিয়োগের অন্যান্য শর্তাবলি চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

অধ্যাপক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন:

অধ্যাপক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান শিক্ষা, ব্যাংকিং, জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেম (জিআইএস), রিমোট সেন্সিং এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত। তিনি ১৯৯১ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ থেকে স্নাতক এবং ১৯৯২ সালে একই বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

বর্তমানে তিনি জুনিভান হোল্ডিং ইনস ডট-এ ডিজিটাল মার্কেটিং পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ব্যাংকিং ও রিমোট সেন্সিংয়ের পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, অভিবাসন, পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গবেষণা ও প্রকল্পে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। এসব বিষয়ে তার একাধিক গবেষণা নিবন্ধও প্রকাশিত হয়েছে।

পেশাজীবনের শুরুতে একটি ব্যাংকে সহকারী প্রোগ্রামার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন ওয়াহিদুজ্জামান। পরে ২০০২ সালে বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডারে যোগ দিয়ে আজিজুল হক কলেজ ও ঢাকা কলেজে প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেন।

জাতিসংঘে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব:

নতুন দায়িত্বে অধ্যাপক ওয়াহিদুজ্জামান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ, বিভিন্ন অঙ্গসংস্থা ও কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। পাশাপাশি বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক আলোচনায় বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা, আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং জলবায়ু, টেকসই উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে দেশের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

মন্তব্য

p
উপরে