× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

hear-news
player
print-icon

জলবায়ু পরিবর্তন: পৃথিবী রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর চার প্রস্তাব

জলবায়ু-পরিবর্তন-পৃথিবী-রক্ষায়-প্রধানমন্ত্রীর-চার-প্রস্তাব

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে বিশ্বকে রক্ষায় জাতিসংঘকে চারটি প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এগুলো বাস্তবায়ন করলে ‘টেকসই ভবিষ্যৎ’ নিশ্চিত হবে বলে মনে করেন তিনি।

প্রস্তাবগুলো হলো বিনিয়োগের সময় টেকসই ভবিষ্যতের দিকে নজর দেয়া, শিক্ষা ও গবেষণায় সচেতনতা তৈরি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আইন প্রণয়ন, জেনেটিক রিসোর্সের বিশ্বব্যাপী ব্যবহার নিশ্চিত এবং প্যারিস সনদ বাস্তবায়ন।

বৃহস্পতিবার সকালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৫তম অধিবেশনের সাইডলাইনে ভার্চুয়াল জীববৈচিত্র্য সম্মেলনে দেয়া বিবৃতিতে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা।

সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ’।

পদক্ষেপগুলো জরুরি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা জলবায়ু পরিবর্তন ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষয়ক্ষতি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়িয়ে তুলছি এবং ফলস্বরূপ কোভিড-১৯ এর মতো ‘জুনোটিক’ (প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমিত) রোগের ঝুঁকি বেড়ে গেছে।”

‘আমাদের বর্তমান ক্রিয়াকলাপ অব্যাহত রাখা হলে আমরা কেবল অন্যান্য প্রজাতির বিলুপ্তির কারণই হচ্ছি না; মূলত আমরা মানবজাতিরও চূড়ান্ত বিলুপ্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।’

জৈববৈচিত্র্য সম্পর্কিত কনভেনশন বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকারের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘এ জন্য আইন-প্রণয়নকারী অল্প কয়েকটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।’

‘আমাদের সংসদ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি অ্যাক্ট ২০১৭ পাস করেছে। সরকার দেশের মোট স্থলভাগের পাঁচ শতাংশেরও বেশি এবং সামুদ্রিক জলভাগের প্রায় পাঁচ শতাংশ অঞ্চলকে সংরক্ষিত ও পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ঘোষণা করেছে।’

‘বাংলাদেশে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে সংবিধানে রাষ্ট্রের মৌলিক নীতি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের প্রথম দিকেই বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের আদেশ কার্যকর করেন’, বলেন শেখ হাসিনা।

জলবায়ু পরিবর্তন: পৃথিবী রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর চার প্রস্তাব


চার প্রস্তাব

# পৃথিবী এবং আমাদেরকে রক্ষার জন্য বিনিয়োগের সময় আমাদের টেকসই ভবিষ্যতের প্রতি মনোযোগী হতে হবে।

#শিক্ষা ব্যবস্থা এবং গবেষণার মাধ্যমে জনগণের মধ্যে বৃহত্তর গণসচেতনতা সৃষ্টি এবং জাতীয় পর্যায়ে আইন-কানুন জোরদার করা এবং নিরীক্ষণ প্রক্রিয়া জীববৈচিত্র্য রক্ষার মূল পদক্ষেপ।

#জেনেটিক রিসোর্স এবং ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানের প্রকৃত মালিকদের জন্য বিশ্বব্যাপী সুফল বাটোয়ারায় প্রবেশাধিকার অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।

#প্যারিসের (সনদ) লক্ষ্য অর্জন আমাদের বিলুপ্তি এবং টিকে থাকার মধ্যে পার্থক্য তৈরি করতে পারে। আমাদের অবশ্যই সেগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা একটি আন্তঃনির্ভরশীল বিশ্বে বাস করি যেখানে পৃথিবী গ্রহের প্রতিটি প্রজাতি আমাদের বাস্তুসংস্থানে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।’

ডব্লিউডব্লিউএফ ও লন্ডন জিওলজিক্যাল সোসাইটির তথ্য মতে, ১৯৭০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বিশ্বের বন্যপ্রাণীর সংখ্যা গড়ে ৬৮ শতাংশ কমেছে।

এই তথ্য ও মিঠা পানির ওপর বাংলাদেশের নির্ভরশীলতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মিঠা পানির জীববৈচিত্র্য বিশ্বে সবচেয়ে দ্রুত হারে হ্রাস পাচ্ছে; বৈশ্বিক জলাভূমির ৮৫ শতাংশ ইতোমধ্যে শিল্প বিপ্লবের পরে হারিয়ে গেছে।’

‘১৯৭০ সাল থেকে মিঠা পানির স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি, উভচর, সরীসৃপ ও মাছের সংখ্যা প্রতি বছর গড়ে চার শতাংশ হারে হ্রাস পেয়েছে।’

সূত্র: বাসস

আরও পড়ুন

জাতীয়
China finally opened its mouth on the Myanmar issue

মিয়ানমার ইস্যুতে অবশেষে মুখ খুলল চীন

মিয়ানমার ইস্যুতে অবশেষে মুখ খুলল চীন সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার সেনাদের টহল। ফাইল ছবি: নিউজবাংলা
সীমান্তে মিয়ানমারের সামরিক তৎপরতা সম্পর্কে অবহিত করতে ঢাকায় কর্মরত আশিয়ান বহির্ভূত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের ২০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ডেকেছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে তাতে অংশ নেননি চীনের রাষ্ট্রদূত লি জি মিং।

অবশেষে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলল মিয়ানমার সরকারের ঘনিষ্ঠ রাষ্ট্র চীন। ঢাকার দেশটির রাষ্ট্রদূত লি জিমিং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসে বলেছেন, ‘সীমান্তে যা হচ্ছে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আমি মনে করি এটি একটি আলোচনার বিষয়।’

সোমবার ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব খুরশীদ আলমের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এই প্রতিক্রিয়া জানান চীনা দূত।

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের আগে ডাকা কূটনৈতিক ব্রিফিংয়ে দেশটি অনুপস্থিতি থেকে এড়িয়ে দিয়েছিল।

সীমান্তে মিয়ানমারের সামরিক তৎপরতা সম্পর্কে অবহিত করতে ঢাকায় কর্মরত আশিয়ান বহির্ভূত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের ২০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ডেকেছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে তাতে অংশ নেননি চীনের রাষ্ট্রদূত লি জি মিং। চীনের এই সাড়া না দেয়ার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নেয়নি ঢাকা।

ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সীমান্তে যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি চলছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।’

ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘চীনা রাষ্ট্রদূত সৌজন্য সাক্ষাতে এসেছিলেন। আমি তাকে সীমান্ত পরিস্থিতি অবহিত করেছি। মিয়ানমার তাদের খুব কাছের বন্ধু। মিয়ানমারকে বোঝানোর জন্য তাকে বলেছি। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্পর্কেও তাকে বলা হয়েছে।’

গত এক মাসে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে মিয়ানমারের একাধিক গোলা এসে পড়েছে। এতে আহত হওয়ার ঘটনাও আছে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে চার দফা তলব করে প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা। তলবে দেশটি দাবি করছে, এই গোলা তাদের সেনাবাহিনী নিক্ষেপ করছে না, আরাকান রাজ্যকে স্বাধীন করতে লড়াই করা সশন্ত্র সংগঠন আরাকান আর্মি ও রোহিঙ্গাদের সংগঠন আরসার গোলা এসব।

তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সেটি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশে যেন এর প্রভাব না পড়ে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আলোচনার বিষয়ে লি জিমিং বলেন, ‘বন্ধুদের মধ্যে যে রকম কথা হয়, আমাদের মধ্যে সে রকম কথা হয়েছে। দ্রুত রো‌হিঙ্গা প্রত্যাবাসনসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সহযো‌গিতা নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে।’

মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে ডাকা বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে ব্যাখ্যাও চেন চীনা দূত। তিনি বলেন, চীনা জাতীয় দিবসের প্রস্তুতি নিয়ে দূতাবাস ব্যাস্ত থাকায় তারা দুর্ভাগ্যজনকভাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণ মেইল মিস করে। ফলে তারা ডাকে সাড়া দিতে পারেনি।

আরও পড়ুন:
মিয়ানমারের সঙ্গে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভুল করে গোলা ছুড়েছে মিয়ানমার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মিয়ানমারের সীমানা লঙ্ঘন: কোন পথে যাবে বাংলাদেশ?
চীনের সাড়া না পাওয়াকে স্বাভাবিক ভাবছে না ঢাকা
এবার কক্সবাজারের পালংখালী সীমান্তে গোলার শব্দ

মন্তব্য

জাতীয়
United Nations emphasis on nature conservation in tourism

পর্যটনে প্রকৃতি সংরক্ষণে জোর জাতিসংঘের

পর্যটনে প্রকৃতি সংরক্ষণে জোর জাতিসংঘের
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই পরিচ্ছন্ন ও টেকসই পর্যটনে বিনিয়োগ করতে হবে। এর মাধ্যমে এই খাতে জ্বালানি খরচ কমাতে হবে। কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার পথে হাঁটতে হবে। জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে।’

টেকসই উন্নয়নের শক্তিশালী মাধ্যম পর্যটন। তবে এই পর্যটনের বিকাশে প্রকৃতি সংরক্ষণ ও পর্যটন অঞ্চলের বিশেষ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে এক বিশেষ বাণীতে এমন অভিমত প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সোমবার জাতিসংঘ সদর দফতর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এমন অভিমত তুলে ধরা হয়।

বিশ্ব সংস্থাটির মহাপরিচালক অ্যান্তোনিও গুতেরেস বাণীতে বলেন, ‘বিশ্ব পর্যটন দিবসের অন্তর্ভুক্তি প্রকৃতি সংরক্ষণ ও সাংস্কৃতিক বোঝাপড়াকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে পর্যটনের ক্ষমতা তুলে ধরে।

‘টেকসই উন্নয়নের শক্তিশালী এক চালক হল পর্যটন। শিক্ষা, নারী ও তরুণ জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন এবং আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে পর্যটন অবদান রাখে। সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা পুনরুদ্ধার ও সমৃদ্ধির ভিত্তি গড়ে দেয়।’

গুতেরেস বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই পরিচ্ছন্ন ও টেকসই পর্যটনে বিনিয়োগ করতে হবে। এর মাধ্যমে এই খাতে জ্বালানি খরচ কমাতে হবে। কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার পথে হাঁটতে হবে। জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে।

‘মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পর্যটন রাষ্ট্র ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী যেন লাভবান হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। শিল্প যুগের আগের তুলনায় বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখতে এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের অবশ্যই পর্যটন অনুশীলন করতে হবে। এর ওপর এই শিল্প এবং স্মল আইল্যান্ড ডেভেলপিং স্টেটসের (উন্নয়নশীল ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র) মতো পর্যটন আকর্ষী ভূখণ্ডগুলোর টিকে থাকা নির্ভর করছে।’

বাণীতে জাতিসংঘ মহাসচিব আরও বলেন, ‘এ বছর জাতিসংঘ মহাসাগর সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এই সম্মেলনে বৈশ্বিক সম্প্রদায় ও পর্যটন খাত ২০২৪ সালের মধ্যে প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে আইনি কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে চুক্তির বিষয়ে একমত হয়েছে।

‘অপচয় করার মতো সময় নেই। আসুন, আমরা নতুন করে চিন্তা করি এবং পর্যটন খাতকে নতুন করে গড়ে তুলি। আমরা একসঙ্গে সবাইকে আরও বেশি টেকসই, সমৃদ্ধ ও স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ উপহার দেই।’

মন্তব্য

জাতীয়
Durga Puja will be rainy

দুর্গাপূজা হবে বৃষ্টিভেজা

দুর্গাপূজা হবে বৃষ্টিভেজা দুর্গাপূজায় হবে বৃষ্টি। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সারাদেশে কমবেশি বৃষ্টি হলেও দুর্গাপূজার সময়ে এর পরিমাণ বাড়বে। বৃষ্টি চলবে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত।

আর মাত্র চারদিন। এরপরই বাঙালি হিন্দুরা তাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা নিয়ে মেতে উঠবেন। তবে তাদের এ আনন্দে বাদ সাধতে পারে বৃষ্টি।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সারাদেশে কমবেশি বৃষ্টি হলেও দুর্গাপূজার সময়ে এর পরিমাণ বাড়বে। বৃষ্টি চলবে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত।

সোমবার সকাল ৯টায় দেয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্য জায়গায় দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষ উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

তবে এমন অবস্থা হলেও গত কয়েকদিন ধরে সারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টির হচ্ছে।

আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঢাকায় রোববার বৃষ্টি হয়েছে। তবে ঢাকার সব জায়গায় একসঙ্গে না হলেও প্রতিদিন বৃষ্টি হচ্ছে। সোমবার বৃষ্টি হয়েছে। যা চলবে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত।

দুর্গাপূজাতেও সারাদেশে বৃষ্টি থাকবে জানিয়ে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, ‘অক্টোবরের শুরুতে বৃষ্টি বাড়তে পারে। তখন মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হবে দেশের বিভিন্ন স্থানে।’

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে ঈশ্বরদীতে। এর পরিমাণ ছিল ২৯ মিলিমিটার। এ সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাজশাহী শহর ও সিরাজগঞ্জের তাড়াশে, ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কুড়িগ্রামের রাজারহাটে, ২২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সারাদেশে কমবেশি বৃষ্টি হলেও দেশে বন্যার পূর্বাভাস নেই বলে জানিয়েছে বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মার পানি সমতলে বাড়ছে, যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত চলবে। অন্যুদিকে মনু ব্যতিত দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সব প্রধান নদ-নদীর পানি সমতল হ্রাস পাচ্ছে যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত চলতে পারে।

আরও পড়ুন:
হালকা বৃষ্টি হতে পারে, গরম থাকবে এমনই
১ ঘণ্টার বৃষ্টিতে তলিয়েছে কুষ্টিয়া শহর
রেকর্ড বৃষ্টিতে ডুবল খুলনা
স্বস্তির বৃষ্টিতে ভোগান্তির শঙ্কা
বরিশালে রেকর্ড বৃষ্টি, অঝর ধারা আরও ২-৩ দিন

মন্তব্য

জাতীয়
Bangladesh wants the use of atoms in food security and medicine

খাদ্য নিরাপত্তা-চিকিৎসায় পরমাণুর ব্যবহার চায় বাংলাদেশ

খাদ্য নিরাপত্তা-চিকিৎসায় পরমাণুর ব্যবহার চায় বাংলাদেশ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সম্মেলনে বাংলােদশের স্টল। ছবি: নিউজবাংলা
অস্ট্রিয়ার ভিয়েনার ভিয়েনা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে আইএইএর ৬৬তম স্থানীয় সময় সোমবার সকালে সাধারণ সভাটি শুরু হয়। সংস্থাটির ১৭৫টি সদস্য রাষ্ট্র এতে অংশ নিচ্ছে। আছে বিশ্ব পরমাণু ক্লাবের ৩৩তম সদস্য রাষ্ট্র বাংলাদেশ।

করোনাভাইরাস মহামারির অভিঘাত ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জের ধরে বৈশ্বিক সংকটের সময় খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরমাণুর ব্যবহার বাড়ানোর ক্ষেত্র তৈরির প্রত্যাশা নিয়ে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ।

অস্ট্রিয়ার ভিয়েনার ভিয়েনা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে আইএইএর ৬৬তম স্থানীয় সময় সোমবার সকালে সাধারণ সভাটি শুরু হয়। সংস্থাটির ১৭৫টি সদস্য রাষ্ট্র এতে অংশ নিচ্ছে। আছে বিশ্ব পরমাণু ক্লাবের ৩৩তম সদস্য রাষ্ট্র বাংলাদেশ।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসামনের নেতৃত্বে এই সম্মেলনে আরও যোগ দিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জিয়াউল হাসান, নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক শৌকত আকবর।

এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে জাতিসংঘের এই আণবিক সংস্থাটির সঙ্গে বাংলাদেশ আরও নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তুলতে চায় বলে জানিয়েছেন অস্ট্রিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস ও জাতিসংঘের স্থায়ী মিশনের প্রধান চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স রাহাত বিন জামান।

খাদ্য নিরাপত্তা-চিকিৎসায় পরমাণুর ব্যবহার চায় বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সম্মেলনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান। ছবি: নিউজবাংলা

আইএইএর কারিগরি সহযোগিতাবিষয়ক কর্মসূচির আওতায় চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা, কৃষি উৎপাদন বাড়ানো ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত, শিক্ষা নিয়ে কাজ করতে চায় বাংলাদেশ।

রাহাত বিন জামান বলেন, ‘কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা, চিকিৎসা, ক্যানসারসহ নানা চিকিৎসাসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টে আইএইএ আমাদের সঙ্গে কাজ করে। জনবলকে প্রশিক্ষণ দেয়, নানা ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা করে থাকে। আমরা সেই জায়গাটিকে আরও জোরদার করতে চাই।’

বিশ্বজুড়ে পরমাণুর শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতেও আইএইএর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে বলে জানালেন ভিয়েনায় ভারপ্রাপ্ত এই রাষ্ট্রদূত।

তিনি বলেন, ‘রূপপুরে আমরা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট করছি। যেটির কাজ সফলতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে। সেই প্রকল্পের সেফটি, সিকিউরিটি ইস্যুতে আইএইএর সঙ্গে আমাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তারা আমাদেরর কারিগরি পরামর্শক হিসেবে সহযোগিতা করছে।’

এ ছাড়া প্রয়োজনীয় জনবলকে প্রশিক্ষণও দিচ্ছে বলে জানান ভিয়েনায় বাংলাদেশের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স।

রাহাত বিন জামান বলেন, ‘এই সহযোগিতা আরও বাড়িয়ে নিতে চাই। এবং প্ল্যান্টের কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর এই প্ল্যান্ট থেকে যখন বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে তখনও আমরা চাই এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকুক।’

আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর। পাঁচ দিনের এই সম্মেলনে পরমাণুর শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপরই জোর দিচ্ছেন সব রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা।

রাশিয়া-ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধ বিষয়টিকে আরও বেশি ভাবিয়ে তুলছে। তাই বিশ্বজোড়া শান্তি প্রতিষ্ঠায় পরমাণুর শান্তিপূর্ণ ব্যবহারকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানছেন সম্মেলনে যোগ দিতে আসা বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।

খাদ্য নিরাপত্তা-চিকিৎসায় পরমাণুর ব্যবহার চায় বাংলাদেশ
ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা। ছবি: নিউজবাংলা

তবে ক্যানসারের মতো দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসায় পরমাণুকে কীভাবে ব্যবহার করা যায় সে বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে উঠে এসেছে এই সম্মেলনে। পরমাণুর ব্যবহারের মধ্য দিয়ে ক্যানসার চিকিৎসায় ‘আশার আলো’ বা ‘রেইস অফ হোপ’ দেখতে চান পরমাণু বিজ্ঞানীরা। এবারের সাধারণ সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।

ভিয়েনায় এক টুকরো রূপপুর

নিজ নিজ দেশে পরমাণুর ব্যবহার নিয়ে ভিয়েনা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছে পরমাণু শক্তিধর দেশগুলো। রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সের পাশাপাশি আছে বাংলাদেশও।

বাংলাদেশের স্টলটিতে প্রতিনিধিত্ব করছেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভাগীয় প্রধান (অর্থ ও প্রশাসন) অলক চক্রবর্তী। তিনি বলেন, ‘এর উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশকে তুলে ধরা, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা, বাংলাদেশের পতাকাকে তুলে ধরা।’

এই স্টলের মধ্য দিয়ে পরমাণুর শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে বাংলাদেশের অবস্থানও তুলে ধরা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

অলক চক্রবর্তী বলেন, ‘অতি অল্প সময়েরে মধ্যে তেল-গ্যাসসহ অন্যান্য জ্বালানি নির্ভরতা কমিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের টেকসই জ্বালানি ও ১৯৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের যে স্বপ্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেখেছেন এ বিষয়টি সারা পৃথিবীর কাছে তুলে ধরার প্রয়াস এই স্টল।’

দেখা গেছে, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা ভিড় করছেন এক টুকরো বাংলাদেশে। তারা জানতে চান বাংলাদেশের পরমাণুর ব্যবহার নিয়ে, কেউ আবার খোঁজ রাখছেন বিদ্যুৎকেন্দ্রের অগ্রগতি নিয়ে। আন্তরিকভাবেই দর্শনার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন স্টলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা।

দর্শনার্থীদের জন্য শুভেচ্ছা উপহারও রেখেছে বাংলাদেশে। ‘সোনালি আঁশ’খ্যাত পাটের তৈরি ব্যাগ, কোর্টপিন, কলম, মাস্ক, চাবির রিং, চকোলেটসহ নানা সামগ্রীও শোভা পাচ্ছে স্টলটিতে।

থ্রিডি অ্যানিমেশনে রাশিয়া তুলে ধরেছে তুর্কিয়েতে তাদের নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আদ্যোপান্ত। সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে চারটি পারমাণবিক চুল্লি থাকবে নির্মিতব্য কেন্দ্রটিতে। প্রতিটি ইউনিট থেকে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
ইরানের পরমাণু চুক্তিতে ‘অভিযান’ বন্ধ হবে না: মোসাদ
রাশিয়া-আমেরিকা পরমাণু যুদ্ধে না খেয়ে মরবে ৫০০ কোটি
পরমাণু যুদ্ধ থেকে এক সুতা দূরে বিশ্ব
পরমাণু বোমা হামলা নিয়ে চিন্তিত ৭০ শতাংশ আমেরিকান
আরেকটি পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়াকে চায় বাংলাদেশ

মন্তব্য

জাতীয়
ACC case against former London manager of Biman

বিমানের সাবেক লন্ডন ম্যানেজারের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

বিমানের সাবেক লন্ডন ম্যানেজারের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিমানের প্রায় এক কোটি টাকা ক্ষতিসাধনের দায়ে দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক সোমবার এই মামলা করেন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের লন্ডন অফিসের সাবেক কান্ট্রি ম্যানেজার আকতার উদ্দীন আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন ( দুদক)।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিমানের প্রায় এক কোটি টাকা ক্ষতিসাধনের দায়ে দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক সোমবার এই মামলা করেন।

দুদকের উপ-পরিচালক আরিফ সাদেক নিউজবাংলাকে জানান, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা তৎসহ দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় মামলাটি করা হয়।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণীতে বলা হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের অভ্যন্তরীণ তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ হয়েছে যে মহাব্যবস্থাপক (বিপণন ও বিক্রয়) আখতার উদ্দিন আহমেদ বিমানের লন্ডন স্টেশনে কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত থাকাকালে (১৯৯৩-১৯৯৮) বিমানের সিটি অফিসের জন্য অফিস ইকুইপমেন্ট ও টেলিফোন সিস্টেমের জন্য ত্রৈমাসিক ২ হাজার ১২৫ পাউন্ড স্টারলিং ভাড়ার ভিত্তিতে তিনটি কোম্পানির সঙ্গে লিজ চুক্তি ছিল। এই চুক্তির মেয়াদ ছিল ২০০১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। কিন্তু তিনি এবি সার্ভিসেস-এর পক্ষে কেভিন লুইসের মাধ্যমে বিমানের প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন ছাড়াই বিরাজমান সব চুক্তি অবসান করে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

নতুন চুক্তিতে ত্রৈমাসিক ভাড়া ২ হাজার ১২৫ পাউন্ডের স্থলে ১০ হাজার ৫০৬ পাউন্ড করা হয় এবং ব্যাংক হিসাব খাত থেকে সরাসরি ডেবিট পদ্ধতিতে ভাড়া পরিশোধের শর্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা আগের চুক্তিতে ছিল না।

পরবর্তীতে আক্তার উদ্দিন আহমেদ বিমানের প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন না নিয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে কেবিন লুইসের বিরুদ্ধে মামলা করেন এবং ওই চুক্তির অধীনে ভাড়া পরিশোধ বন্ধ রাখেন। কিন্তু চুক্তিপত্রে আক্তার উদ্দিন আহমেদের স্বাক্ষর থাকায় সব পক্ষের সম্মতিতে Centre for Dispute Resolutions-এর মাধ্যমে প্রতি ত্রৈমাসিক ৭ হাজার ১৫৬ পাউন্ড ভাড়া পরিশোধ নিষ্পত্তি হয়।

বিমানের প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদনবহির্ভূত চুক্তিপত্রের ভিত্তিতে ২০০৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত লিজ রেন্ট বাবদ বিমানকে ১ লাখ ২০ হাজার ৭৪৪ পাউন্ড সমপরিমাণ ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৪৪০ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
দুই এয়ারক্রাফটে ১১শ কোটি গচ্ছা, দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ
বিমানের বিরুদ্ধে বেসরকারি এয়ারলাইনসের ক্ষোভ
গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং: আধিপত্য হারাতে পারে বিমান
শাহজালালে তৃতীয় টার্মিনালের কাজ শেষ ৪৪ শতাংশ
টরন্টো ফ্লাইটে আগ্রহ বিদেশি যাত্রীদের

মন্তব্য

জাতীয়
Sajeda Chowdhurys by election on November 5

সাজেদা চৌধুরীর আসনে উপনির্বাচন ৫ নভেম্বর

সাজেদা চৌধুরীর আসনে উপনির্বাচন ৫ নভেম্বর সোমবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ছবি: নিউজবাংলা
ইসি সচিব বলেন, ‘মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১০ অক্টোবর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১২ অক্টোবর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৯ অক্টোবর। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৫ নভেম্বর।’

আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সংসদীয় আসন ফরিদপুর-২-এর উপনির্বাচন হবে আগামী ৫ নভেম্বর।

ওই দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএমে) একটানা ভোটগ্রহণ চলবে।

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অষ্টম কমিশন বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার এ তফসিল ঘোষণা করেন।

গত ১১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর। পরে ১৩ সেপ্টেম্বর তার সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়।

ইসি সচিব বলেন, ‘মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১০ অক্টোবর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১২ অক্টোবর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৯ অক্টোবর। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৫ নভেম্বর।’

এই ভোটে খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাকে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সাজেদা চৌধুরীর আসন শূন্য ঘোষণা

মন্তব্য

জাতীয়
Patia Boalkhali road is now in Pritilatas name

পটিয়া-বোয়ালখালী সড়ক এখন প্রীতিলতার নামে

পটিয়া-বোয়ালখালী সড়ক এখন প্রীতিলতার নামে চট্টগ্রামের পটিয়া-বোয়ালখালী সড়কের নাম এখন প্রীতিলতা সড়ক।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের দোহাজারী সড়ক বিভাগের অধীনে পটিয়া-বোয়ালখালী (কানুনগোপাড়া) ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ জেলা মহাসড়ক ‘প্রীতিলতা সড়ক’ নামে নামকরণ করা হলো।

চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে বোয়ালখালী পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার জেলা মহাসড়কের নাম ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের কর্মী প্রীতিলতার নামে নামকরণ করেছে সরকার। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে নতুন নামকরণের কথা জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের দোহাজারী সড়ক বিভাগের অধীনে পটিয়া-বোয়ালখালী (কানুনগোপাড়া) ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ জেলা মহাসড়ক ‘প্রীতিলতা সড়ক’ নামে নামকরণ করা হলো।

জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয় প্রজ্ঞাপনে।

প্রীতিলতার পুরো নাম প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। তার জন্ম ১৯১১ সালের ৫ মে চট্টগ্রামে। প্রীতিলতা মাস্টারদা সূর্যসেনের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা ছিলেন। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে পরিচালিত সশস্ত্র সংগ্রামে প্রীতিলতাকে প্রথম আত্মোৎসর্গকারী নারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

১৯৩২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর প্রীতিলতা পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে নেতৃত্ব দেন। পরে অবশ্য ঔপনিবেশিক পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। পরের দিনই তিনি পটাশিয়াম সায়নাইড খেয়ে আত্মহত্যা করেন।

তাকে সম্মান জানাতেই সড়ক বিভাগ এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানায়।

আরও পড়ুন:
টিজারে ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’ রূপে দেখা দিলেন তিশা
কারামুক্তির পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে আসছেন পরীমনি
‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি ধর্ষকদের উৎসাহ দেয়’
প্রীতিলতা এবার নিজ শহর চট্টগ্রামে
‘প্রীতিলতার’ জন্য সব চেষ্টাই করছি: তিশা

মন্তব্য

p
উপরে