× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
The new Hajj law in Saudi Arabia is punishable by violation
google_news print-icon

সৌদিতে হজের নতুন আইন কার্যকর, ভাঙলেই সাজা

সৌদিতে-হজের-নতুন-আইন-কার্যকর-ভাঙলেই-সাজা
নতুন আইন অনুযায়ী, অনুমতি ছাড়া হজ করলে তাদের ১০ হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে। আর অনুমতি ছাড়া কেউ হজযাত্রী পরিবহন করলে ছয় মাসের জেল ও ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা করা হবে। উভয় ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিজ দেশে পাঠিয়ে দেয়া হবে।

সৌদি আরবে পবিত্র হজবিষয়ক নতুন আইন কার্যকর হয়েছে। সে অনুযায়ী হজের নতুন আইন ও নির্দেশনা ভঙ্গ করলে তাদেরকে কঠোর সাজার মুখোমুখি হতে হবে।

রোববার থেকে এই আইন কার্যকর হওয়ার কথা, যা চলবে ২০ জুন পর্যন্ত। যারা

নতুন আইন অনুযায়ী, যারা এ বছর অনুমতি ছাড়া হজ করবেন তাদের ১০ হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে, যা বাংলাদেশি অর্থে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা। অনুমতি ছাড়া হজযাত্রী পরিবহনের সাজা আরও কঠিন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা করা হবে, যা বাংলাদিশ অর্থে ১৫ লাখ টাকার বেশি।

সৌদি আরব ঘোষণা দিয়েছে, এবার অনুমতি ছাড়া কাউকে হজ করতে দেয়া হবে না। অনুমতি ছাড়া কেউ মক্কাসহ পবিত্র স্থান, হারামাইন ট্রেন স্টেশন, নিরাপত্তা চৌকি, স্ক্রিনিং সেন্টার এবং অস্থায়ী চেকপয়েন্টগুলোর কাছে যেতে পারবেন না।

সৌদিতে যেসব প্রবাসী বসবাস করেন তারা যদি অনুমতি ছাড়া হজ করতে যান এবং আটক হন তাহলে তাদেরকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। এমনকি নির্দিষ্ট একটি সময়ের জন্য তাদেরকে আর সৌদিতে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।

এ ছাড়া অনুমতি ব্যতীত যারা হজযাত্রীদের পরিবহন করবেন তাদেরকে প্রথমে জেলে পাঠানো হবে। সেখানে তাদের ছয় মাস আটক রাখার পর ফেরত পাঠানো হবে নিজ দেশে। তাদেরকেও একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আর সৌদি আরবে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।

ট্যুরিস্ট ভিসায় হজ নয়

ট্যুরিস্ট ভিসায় কেউ হজ করতে পারবেন না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছে সৌদি আরব। যাদের ট্যুরিস্ট ভিসা আছে তাদের ২ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত মক্কার বাইরে থাকতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২০ হাজার ব্যক্তিকে পাওয়া গেছে, যারা হজের আইন ভঙ্গ করেছেন।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ থেকে ৩৪,৭৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন
হজযাত্রীদের থেকে কোরবানির টাকা নিতে পারবে না এজেন্সি
হজ্ব ভিসায় মক্কা, মদিনা ও জেদ্দার বাইরে নয়: সৌদি আরব
হজে গিয়ে ভিক্ষা করলে ৭ বছরের কারাদণ্ড

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Fire service is ready for the safety of people at home on Eid

ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তায় প্রস্তুত ফায়ার সার্ভিস

ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তায় প্রস্তুত ফায়ার সার্ভিস রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে নিরাপত্তা সেবায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বিভিন্ন স্থানে রাখা হয়েছে ভ্রাম্যমাণ টহল ইউনিট। ১০ জুন শুরু হওয়া এই কার্যক্রম ২৩ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এসব অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু থাকবে।

ঈদে ঘরমুখো মানুষের অগ্নিকাণ্ড ও দুর্ঘটনা সংক্রান্ত নিরাপত্তায় সার্বিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। ঢাকা ও এর আশপাশে আটটি পয়েন্টে অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপনের মাধ্যমে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

বিভিন্ন স্থানে রাখা হয়েছে ভ্রাম্যমাণ টহল ইউনিট। ১০ জুন শুরু হওয়া এই কার্যক্রম ২৩ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এসব অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু থাকবে।

ঈদে বাড়ি যাওয়ার পথে এবং ঈদ উদযাপন শেষে বাড়ি থেকে ফেরার পথে অনাকাঙ্ক্ষিত যে কোনো পরিস্থিতি বা দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় দ্রুত বা তাৎক্ষণিক সাড়া প্রদানের মাধ্যমে সেবা নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ফায়ার সার্ভিস।

যেসব স্থানে অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে সেগুলো হলো : সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, বুড়িগঙ্গা নদীতে নৌটহল, মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল, মাওয়া ফেরি ঘাট, পাটুরিয়া ফেরি ঘাট, আরিচা লঞ্চ বা ফেরি ঘাট, নারায়ণগঞ্জের হাজিগঞ্জ-নবীগঞ্জ ঘাট, নারায়ণগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল ও বন্দর ঘাট।

এসব স্থানে প্রয়োজনীয়সংখ্যক জনবলসহ সাজ-সরঞ্জাম যেমন রেসকিউ বোট, ডুবুরি ইউনিট, বয়া, ফায়ার পাম্প, সেফটি ভেস্ট, থ্রোইং ব্যাগ, লাইফ জ্যাকেট, মেগা ফোন, ফোল্ডিং স্ট্রেচার, ফাস্ট এইড বক্স, রেইন কোট, উদ্ধার সরঞ্জাম ইত্যাদি মজুদ রাখা আছে। তবে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে প্রয়োজন অনুযায়ী জনবল ও সরঞ্জামের সংখ্যা কম-বেশি রয়েছে।

বিভিন্ন জোনের উপসহকারী পরিচালক ও সিনিয়র স্টেশন অফিসারগণ এসব অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কার্যক্রম তদারকি করবেন। আশপাশের ফায়ার স্টেশনগুলো এ সময় স্ট্যান্ডবাই ডিউটিরত থাকবে। এর পাশাপাশি সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনে সার্বক্ষণিক একটি রিজার্ভ টিম মোতায়েন থাকবে। এ সময় টহল ডিউটি নিয়োজিত থাকবে কমলাপুর, বিমানবন্দর ও ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশনে; ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, পাটুরিয়াঘাট রোড এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে। হাতির ঝিলেও ডুবুরিসহ একটি টহল ইউনিট নিয়োজিত থাকবে।

এছাড়া ঈদের দিন জাতীয় ঈদগাহ, বায়তুল মোকাররম, বঙ্গভবন ও গণভবনে অগ্নিনিরাপত্তা ইউনিট মোতায়েন থাকবে।

উল্লেখ্য, অগ্নিনিরাপত্তা জোরদার করতে ঢাকার পাশাপাশি একই ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে অন্যান্য বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতেও। ফায়ার সার্ভিসের যেকোনো সহযোগিতার জন্য এ সময় হটলাইন নম্বর ১০২ ও ১৬১৬৩, নিকটস্থ ফায়ার স্টেশন, কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ফোন নম্বর অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঢাকার কোথায় কোথায় বসছে কোরবানির পশুর হাট
গাবতলী পশুর হাটে ক্রেতার অপেক্ষায় বেপারিরা
পশুর হাট বসানো নিয়ে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে গুলি, আহত ১০
ম্যাংগো ট্রেনের সঙ্গে ক্যাটেল ট্রেনেরও যাত্রা শুরু
ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু

মন্তব্য

জীবনযাপন
Traffic is slow on the 14 km road till noon
ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক

১৪ কিলোমিটার সড়কে দুপুর পর্যন্ত যান চলাচলে ধীরগতি

১৪ কিলোমিটার সড়কে দুপুর পর্যন্ত যান চলাচলে ধীরগতি ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে বুধবার দুপুরের পর যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে। সল্লা এলাকা থেকে তোলা। ছবি: নিউজবাংলা
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মীর মো. সাজেদুর রহমান বলেন, ‘ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত গাড়ির অতিরিক্ত চাপ ও ধীরগতি ছিল। এছাড়া এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত মহাসড়কে চার লেনের কাজ ও সড়কে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর কারণে এমন যানজট সৃষ্টি হয়। তবে দুপুরের পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে।’

ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে ততই ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানবাহন চলাচলের সংখ্যা বাড়ছে। এর ফলে মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু সেতু টোল প্লাজা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ১৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি ও যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে।

এদিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত চার লেনের কাজ চলমান থাকা ও চালকদের এলোমেলো গাড়ি চালানোর কারণে এই অংশের কোথাও কোথাও থেমে থেমে যানজট, ধারগতিতে গাড়ি চলছে।

বুধবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত মহাসড়কের এলেঙ্গা, বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেল স্টেশন ও সেতু পূর্ব টোল প্লাজা এলাকা ঘুরে দেখা যায়- মহাসড়কের ১৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। যানবাহন চলাচলেও ধীরগতি ছিল। প্রায় ৮ ঘণ্টা পর বিশেষত বিকেলের দিকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাড় থেকে যানজট শুরু হয়। ধীরে ধীরে যানজট গিয়ে পৌঁছায় টাঙ্গাইলের রাবনা বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ১৪ কিলোমিটার সড়কে। তবে ঢাকা ও উত্তরবঙ্গগামী পরিবহনগুলো সেতু পার হয়ে ভূঞাপুর-এলেঙ্গা আঞ্চলিক সড়ক ব্যবহার করায় সকাল থেকে কমতে থাকে যানজট।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মীর মো. সাজেদুর রহমান বলেন, ‘ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত গাড়ির অতিরিক্ত চাপ ও ধীরগতি ছিল। এছাড়া এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত মহাসড়কে চার লেনের কাজ ও সড়কে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর কারণে এমন যানজট সৃষ্টি হয়। তবে দুপুরের পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে।’

রংপুর থেকে ছেড়ে আসা কোরবানির পশুবাহী ট্রাকের চালক ইদ্রিস আলী বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে রংপুর থেকে কোরবানির পশু নিয়ে ঢাকার গাবতলীতে যাচ্ছি। কিন্তু সেতু পার হয়ে এলেঙ্গা সড়কে প্রতিদিনই যানজটের কবলে পড়তে হচ্ছে। এতে নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যস্থলে পোঁছতে পারছি না। এখানেই দীর্ঘক্ষণ যানজটে আটকে থাকতে হচ্ছে।’

বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল বলেন, ‘সোমবার রাত ১২ টা থেকে মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত একদিনে অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় সেতুর উভয় টোল দিয়ে ২৮ হাজার ৪০১টি যানবাহন সেতু পারাপার হয়। এর বিপরীতে টোল আদায় হয় ২ কোটি ৬৮ লাখ ২০ হাজার ২৫০ টাকা।’

আরও পড়ুন:
বিআরটিসির ঈদ স্পেশাল বাস সার্ভিস ১৩ জুন থেকে
বঙ্গবন্ধু সেতুর টোলে ঈদযাত্রার হাওয়া
ঈদযাত্রায় ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু
ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট ২ জুন থেকে
শেষ কর্মদিবসে সদরঘাট ছেড়েছে যাত্রীভর্তি লঞ্চ

মন্তব্য

জীবনযাপন
There will be five Eid congregations at Baitul Mukarram

বায়তুল মুকাররমে ঈদের পাঁচটি জামাত হবে

বায়তুল মুকাররমে ঈদের পাঁচটি জামাত হবে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ। ফাইল ছবি
বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রথম জামাত সকাল ৭টায়, দ্বিতীয় ৮টা, তৃতীয় ৯টা, চতুর্থ ১০টা এবং পঞ্চম ও সবশেষ জামাত সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে আগামী ১৭ জুন সোমবার। আর বরাবরের মতো এবারও বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজের পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বায়তুল মুকাররমে প্রথম জামাত সকাল ৭টায়, দ্বিতীয় ৮টা, তৃতীয় ৯টা, চতুর্থ ১০টা এবং পঞ্চম ও সবশেষ জামাত সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, সকাল ৭টায় অনুষ্ঠেয় প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা এহসানুল হক। আর মুকাব্বির থাকবেন জাতীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন (অব.) হাফেজ ক্বারী মো. আতাউর রহমান।

দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মুকাররমের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহীউদ্দিন কাসেম। আর মুকাব্বির থাকবেন এই মসজিদের খাদেম আব্দুল হাদী।

তৃতীয় জামাতে ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফাসসির ড. মাওলানা আবু সালেহ পাটোয়ারী। এতে মুকাব্বির থাকবেন জাতীয় মসজিদের খাদেম মো. জসিম উদ্দিন।

সকাল ১০টায় অনুষ্ঠেয় চতুর্থ জামাতে ইমামতি করবেন জামেয়া আরাবিয়া মিরপুরের মুহতামিম মাওলানা সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান। এতে মুকাব্বির থাকবেন বায়তুল মুকাররমের খাদেম রুহুল আমিন।

পঞ্চম ও সবশেষ জামাতে ইমামতি করবেন ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। আর মুকাব্বির থাকবেন জাতীয় মসজিদের খাদেম মো. আক্তার মিয়া।

পাঁচটি জামাতের কোনো একটিতে ইমাম উপস্থিত না থাকলে বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন হাইকোর্ট মাজার মসজিদের ইমাম হাফেজ মো. আশরাফুল ইসলাম।

মন্তব্য

জীবনযাপন
BRTC Eid Special Bus Service from June 13

বিআরটিসির ঈদ স্পেশাল বাস সার্ভিস ১৩ জুন থেকে

বিআরটিসির ঈদ স্পেশাল বাস সার্ভিস ১৩ জুন থেকে
ঈদযাত্রায় স্পেশাল বাস সার্ভিসের অগ্রিম টিকিট সোমবার বিক্রি শুরু করেছে বিআরটিসি। ঢাকার মতিঝিল, জোয়ার সাহারা, কল্যাণপুর, গাবতলী, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ (চাষাঢ়া) বিআরটিসির বিভিন্ন ডিপো থেকে অগ্রিম টিকিট কেনা যাচ্ছে।

ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের আরামদায়ক ও নির্বিঘ্ন গন্তব্যে পৌঁছানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) ১৩ জুন বুধবার থেকে ঈদ স্পেশাল বাস সার্ভিস পরিচালনা করবে।

সে লক্ষ্যে সোমবার শুরু হয়েছে অগ্রিম টিকিট বিক্রি। এই টিকিট বিক্রি চলবে ১৮ জুন পর্যন্ত।

রাজধানী ঢাকার মতিঝিল, জোয়ার সাহারা, কল্যাণপুর, গাবতলী, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ বাস ডিপোসহ (চাষাঢ়া) বিআরটিসির বিভিন্ন ডিপো থেকে অগ্রিম টিকিট কিনতে পারবেন যাত্রীরা।

বিশেষ রুট এবং বাস ডিপোগুলো হলো-

মতিঝিল ডিপো: ঢাকা-রংপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নওগাঁ, কুষ্টিয়া, বরিশাল, গোপালগঞ্জ, জয়পুরহাট, জামালপুর ও কলমাকান্দা রুট।

কল্যাণপুর ডিপো: ঢাকা-রাজশাহী, নওগাঁ, নেত্রকোণা, সৈয়দপুর, ঠাকুরগাঁও, বরিশাল, গোপালগঞ্জ, গাইবান্ধা, বগুড়া, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, কুষ্টিয়া, নাগরপুর, পাটুরিয়া ও নালিতাবাড়ি রুট।

গাবতলী ডিপো: ঢাকা-রংপুর, ভাটিয়াপাড়া ও পাটুরিয়া রুট।

জোয়ারসাহারা ডিপো: ঢাকা-রংপুর, দিনাজপুর, নওগাঁ, ময়মনসিংহ; সিবিএস ২ (গুলিস্তান)-বরিশাল ও বগুড়া রুট।

মিরপুর ডিপো: ঢাকা-ঠাকুরগাঁও, রংপুর, পঞ্চগড়, স্বরূপকাঠি, গোপালগঞ্জ ও বগুড়া রুট।

মোহাম্মদপুর ডিপো: ঢাকা-রংপুর, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, বগুড়া, নওগাঁ, বরিশাল, খুলনা, গোপালগঞ্জ ও ময়মনসিংহ রুট।

গাজীপুর ডিপো: গাজীপুর-খুলনা, বরিশাল, রংপুর, বগুড়া ও ময়মনসিংহ রুট।

যাত্রাবাড়ী ডিপো: ঢাকা-রংপুর, দিনাজপুর, খুলনা, কুড়িগ্রাম, ভাঙ্গা ও বরিশাল রুট।

নারায়ণগঞ্জ ডিপো: ঢাকা-ভাঙ্গা (ফরিদপুর), বরিশাল, হবিগঞ্জ, রংপুর, লালমনিরহাট, নওগাঁ, নেত্রকোনা ও বগুড়া রুট।

কুমিল্লা ডিপো: কুমিল্লা-সিলেট ও সুনামগঞ্জ রুট।

নরসিংদী ডিপো: ঢাকা-পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, রংপুর, নওগাঁ ও বগুড়া রুট।

সিলেট ডিপো: সিলেট-চট্টগ্রাম, লক্ষীপুর, ময়মনসিংহ, রংপুর ও তারাকান্দি রুট।

দিনাজপুর ডিপো: দিনাজপুর-ঢাকা (গাবতলী) রুট।

সোনাপুর ডিপো: সোনাপুর-চট্টগ্রাম ও বরিশাল রুট।

বগুড়া ডিপো: বগুড়া-রংপুর রুট।

রংপুর ডিপো: রংপুর-মোংলা ও ঢাকা রুট।

খুলনা ডিপো: খুলনা-ঢাকা, শ্যামনগর-কিশোরগঞ্জ ও রংপুর রুট।

পাবনা ডিপো: পাবনা-গাজীপুর চৌরাস্তা রুট।

ময়মনসিংহ ডিপো: ঢাকা-ময়মনসিংহ, ফুলপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম রুট।

চট্টগ্রাম ডিপো: চট্টগ্রাম-রংপুর, বরিশাল, ভোলা (চরফ্যাশন), মজু চৌধুরীর হাট ও চাঁদপুর রুট।

টুঙ্গীপাড়া ডিপো: ঢাকা-পাটগাতি রুট।

বরিশাল ডিপো: বরিশাল-ঢাকা ও রংপুর রুট।

পাশাপাশি বিআরটিসির ঈদ স্পেশাল সার্ভিসের বাস রিজার্ভের জন্য যেসব নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে সেসব বাস ডিপোর ম্যানেজারের (অপারেশন) ফোন নম্বরগুলো হলো-

মতিঝিল: ০১৭১৮-১৮৩৫৮৯, কল্যাণপুর: ০১৭১৫-৬৫২৬৮৩, গাবতলী: ০১৭১৭-৭৬৩৮২০, জোয়ারসাহারা: ০১৭১৬-৬৮৪১৪৪, মিরপুর: ০১৭৪০-০৯৮৮৮৮, মোহাম্মদপুর: ০১৭১০-৮১৫৮৫৬, গাজীপুর: ০১৯৬৪-৩৭৭৯৭৫, যাত্রাবাড়ী: ০১৭১১-৩৯১৫১৪, নারায়ণগঞ্জ: ০১৯১৯-৪৬৫২৬৬, কুমিল্লা: ০১৭৩৬-৯৮৪৯৩৫, নরসিংদী: ০১৯১২-৭৭০৮৬৪, দিনাজপুর: ০১৭১২-৩৮২১৪৪, সোনাপুর: ০১৯১৬-৭২১০৪৪, বগুড়া: ০১৯১৩-৭৪১২৩৪, রংপুর: ০১৮১৪-৪৯৮৬৬১, খুলনা: ০১৭১৫-১০৩৪২৪, ময়মনসিংহ: ০১৭৫৮-৮৮০০১১, চট্টগ্রাম: ০১৭৯৮-১৩১৩১৩, টুঙ্গীপাড়া: ০১৭১২-১৮৭৭৯০, বরিশাল: ০১৭১১-৯৯৮৬৪২ ও ও সিলেট: ০১৭১০-৩৫৮১৪২।

মন্তব্য

জীবনযাপন
Cow smuggling has increased at the Myanmar border before the sacrifice

কোরবানির আগে মিয়ানমার সীমান্তে বেড়েছে গরু পাচার

কোরবানির আগে মিয়ানমার সীমান্তে বেড়েছে গরু পাচার নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমার থেকে পাচার হয়ে আসছে গরু-মহিষ। ছবি: নিউজবাংলা
খামারিদের অভিযোগ, সীমান্তের ওপারে উত্তেজনা চললেও অদৃশ্য কারণে নাইক্ষ্যংছড়ির বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট উন্মুক্ত রয়েছে। বিশেষ করে ঘুমধুম-বাইশফাড়ি, নিকুছড়ি, ফুলতলী, আশারতলী, কম্বনিয়া, ভাল্লুকখাইয়া, বামহাতির ছড়া, দোছড়ি সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ শতাধিক গরু আসছে।

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলছে সংঘাত-সংঘর্ষ। এপারে সীমান্ত পরিস্থিতিতে কড়া পাহারায় রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি। তারপরও থেমে নেই অবৈধভাবে গরু-মহিষ পাচার। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমার থেকে প্রতিদিন পাঁচ শতাধিক গরু-মহিষ ঢুকছে বাংলাদেশে।

অভিযোগ উঠেছে, বর্তমানে ওপারের নিয়ন্ত্রণে থাকা আরাকান আর্মির মদদে গরু-মহিষ ছাড়াও মাদকদ্রব্য পাচার করছে চোরাকারবারিরা। ঈদুল আজহা সামনে রেখে সীমান্ত দিয়ে এই পাচার ব্যাপক হারে বেড়েছে।

চোরা পথে অবাধে গবাদি পশু আসায় কপালে চিন্তার ভায়জ পড়েছে সীমান্ত এলাকার পশুর খামারিদের। অবৈধভাবে আনা এসব পশু বান্দরবান এবং কক্সবাজার জেলা ছাড়াও পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাজারে তোলা হচ্ছে। এতে দেশীয় গরুর খামারিদের ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

কোরবানির আগে মিয়ানমার সীমান্তে বেড়েছে গরু পাচার
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে দেদারসে আসছে পাচারের গরু। ছবি: নিউজবাংলা

খামারিদের অভিযোগ, সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে উত্তেজনা চললেও অদৃশ্য কারণে নাইক্ষ্যংছড়ির বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট উন্মুক্ত রয়েছে। বিশেষ করে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম-বাইশফাড়ি, নিকুছড়ি, ফুলতলী, আশারতলী, কম্বনিয়া, ভাল্লুকখাইয়া, বামহাতির ছড়া, দোছড়ি সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ শতাধিক গরু আসছে এপারে। আর এসব গরু পাচারকে কেন্দ্র করে পথে পথে চলছে চাঁদাবাজি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তি এমনকি সাদা পোশাকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও নেমে পড়েছেন এই চাঁদাবাজিতে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মিয়ানমার থেকে গরু পাচার নিয়ে সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে সক্রিয় সশস্ত্র চোরাকারবারিরা। এই গরু পাচার চক্রের হোতা প্রভাবশালী কয়েক ব্যক্তি। তবে তাদের হয়ে বিভিন্ন পয়েন্টে নেতৃত্ব দিচ্ছে চক্রের কয়েক শ’ সদস্য।

প্রভাবশালী এই গরু পাচার চক্র প্রতিদিন মিয়ানমার থেকে শত শত গরু-মহিষ সীমান্ত দিয়ে অবাধে এনে মজুত করছে গর্জনিয়া বাজার, চাকঢালা বাজার, ঈদগাঁও, ঈদগড় ও চকরিয়ায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিদিনি সন্ধ্যা নামলেই সীমান্ত দিয়ে চোরাই গরু আনার তৎপরতা শুরু হয়ে যায়। এরপর এশার নামাজের পর রাস্তাঘাটে লোকজন কমে গেলে গরুর পাল প্রশাসন ও বিজিবি টহল দলের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসে কারবারিরা।

স্থানীয় শ্রমিক ও খেটেখাওয়া লোকজনকে দিয়ে প্রতিটি গরু সীমান্ত থেকে পার করা হয় দু’হাজার টাকায়। এসব চোরাই গরু প্রথমে পাহাড়ে ও খামারে মজুদ করে চোরাকারবারিরা। পরবর্তী সময়ে গর্জনিয়া ও চাকঢালা বাজার ইজারাদার থেকে গরুপ্রতি দু’হাজার টাকা দিয়ে রসিদ সংগ্রহ করে খামারির গরু পরিচয় দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হচ্ছে। বাজারের রসিদ থাকায় এসব চোরাই গরু আটক করতে গিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকেও বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়।

অভিযোগ রয়েছে, বাজারগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু লোক থাকেন। তারা গরু প্রতি এক হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করে বিশেষ জায়গায় পৌঁছে দেন!

এদিকে গরু চোরা কারবারে মুনাফা বেশি হওয়ায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীও ছুটছে সীমান্তের চোরাই পথে। মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে কর্তব্যরত সদস্যদের মাথাপিছু ৫০০ টাকা দিয়ে গরু-মহিষ বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছে। আর এ কাজে একাধিক সিন্ডিকেটের সদস্যরা রাত-দিন কাজ করছে।

পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার বৃহত্তর বাজারগুলো চোরাকারবারীরা কৌশলে নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। সেখানে অবৈধ গরু বিক্রয় রসিদ দিয়ে বৈধ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়ামিন হোসেন বলেন, ‘চোরাকারবারিদের লাগাম টানতে চোরাচালানবিরোধী টাস্কফোর্স কাজ করছে। বিজিবি চেষ্টা করছে চোরাকারবারিদের রুখতে। এর পাশাপাশি ইউএনও এবং জনপ্রতিনিধিরা আমাদের সহায়তা করছেন। আমরা সবাই মিলে চোরাচালানবিরোধী টাস্কফোর্সের মাধ্যমে এটা বন্ধ করার চেষ্টা করছি।’

বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিএফএ) সভাপতি মো. ইমরান হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঈদুল আজহা সামনে রেখে পশু কোরবানি উপলক্ষে ভারত ও মিয়ানমার থেকে গরু আসছে। এ কারণে লোকসানের শঙ্কায় রয়েছেন হাজার হাজার খামারি। এমন পরিস্থিতিতে সীমান্ত পথে অবৈধভাবে গরু আনা বন্ধে কঠিন নজরদারির বিকল্প নেই।

আরও পড়ুন:
গরুর দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় মেহেরপুরের খামারিরা
সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে দুই বাংলাদেশি আহত
গরু পাচারকারী চক্র ও ডাকাতদলের গোলাগুলি, নিহত ১

মন্তব্য

জীবনযাপন
Holy Eid ul Azha on June 17

ঈদুল আজহা ১৭ জুন

ঈদুল আজহা ১৭ জুন ফাইল ছবি
বৃহস্পতিবার সৌদি আরবে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সাধারণত সৌদি আরবে যেদিন ঈদ উদযাপিত হয়, তার পরের দিন বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলে ঈদ উৎসব উদযাপিত হয়।

পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামী ১৭ জুন (সোমবার) দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।

জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের আকাশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। শনিবার থেকে জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে। আগামী ১৭ জুন সারাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।’

জিলহজ মাসের ১০ তারিখে মুসলমানরা তাদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা উদযাপন করেন। এই উৎসবে পশু কোরবানি দেয়া হয়, যার মধ্য দিয়ে নিজের ভেতরের কলুষতাকে বর্জন এবং সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি লাভের শিক্ষা দেয় ইসলাম।

অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সৌদি আরবে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামী ১৬ জুন (রোববার) দেশটিতে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। আর ১৫ জুন হবে আরাফার দিন।

সাধারণত সৌদি আরবে যেদিন ঈদ উদযাপিত হয়, তার পরের দিন বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলে ঈদ উৎসব উদযাপিত হয়।

আরও পড়ুন:
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ১৬ জুন
ঈদুল আজহা: চাঁদ দেখা কমিটির সভা শুক্রবার

মন্তব্য

জীবনযাপন
Moon sighted in Saudi on Eid ul Azha on June 16

চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ১৬ জুন

চাঁদ দেখা গেছে, সৌদিতে ঈদুল আজহা ১৬ জুন ফাইল ছবি
বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা কবে, তা জানা যাবে আগামীকাল। ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণ ও হিজরি ১৪৪৫ সনের জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনার জন্য এদিন জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা ডাকা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের আকাশে আজ বৃহস্পতিবার ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সেই হিসেবে দেশটিতে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে আগামী ১৬ জুন।

সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার এই ঘোষণা দিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সেই হিসেবে সৌদিতে শুক্রবার (৭ জুন) থেকে জিলহজ মাসের তারিখ গণনা শুরু হবে। জিলহজ মাসের ১০ তারিখ (১৬ জুন) দেশটিতে ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হবে।

বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা কবে, তা জানা যাবে আগামীকাল। ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণ ও হিজরি ১৪৪৫ সনের জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনার জন্য এদিন জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা ডাকা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঈদুল আজহা: চাঁদ দেখা কমিটির সভা শুক্রবার

মন্তব্য

p
উপরে