× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
Special preparation orders in 6 districts to deal with Remal
google_news print-icon

‘রেমাল’ মোকাবিলায় ৬ জেলায় বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ

রেমাল-মোকাবিলায়-৬-জেলায়-বিশেষ-প্রস্তুতির-নির্দেশ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান শনিবার দুপুরে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন। ছবি: বাসস
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান বলেন, ‘উপকূলবর্তী সব জেলাকে ঘূর্ণিঝড়ের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলাকে বিশেষভাবে প্রস্তুত থাকার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এর সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় উপকূলীয় ছয়টি জেলার প্রশাসনকে বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এগুলো হলো সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও ভোলা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান শনিবার দুপুরে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান। সূত্র: বাসস

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উপকূলবর্তী সব জেলাকে ঘূর্ণিঝড়ের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলাকে বিশেষভাবে প্রস্তুত থাকার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পর্কে জানাতে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে মহিববুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের যে কোন ধরনের ধ্বংসলীলা থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে রক্ষা করতে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড়টি মোকাবেলায় সার্বক্ষণিক তথ্য বিনিময়ের লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের এনডিআরসিসি ২৪ ঘণ্টা খোলা রয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর উপকূলীয় জেলাগুলোতে মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রম পাঠানো শুরু করেছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘৭৮ হাজার স্বেচ্ছাসেবক কয়েকদিন ধরে মাঠে আগাম সতর্কবার্তা প্রচারসহ আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন ও প্রস্তুতের কাজ করছে। ওয়্যারলেসের মাধ্যমে সরাসরি ১৭৪টি মাঠ কার্যালয়কে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সাড়া বিশ্বের রোলমডেল। গত ১৫ বছরে ঘূর্ণিঝড়সহ সব দুর্যোগে তার নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনায় আমরা যথাসময়ে প্রস্তুতি নিয়ে মানুষের দুর্দশা লাঘব এবং জীবন ও সম্পদের ক্ষতি কমাতে সক্ষম হয়েছি।

‘ঘূর্ণিঝড় রেমালও যাতে একই ধারাবাহিকতায় সফলভাবে মোকাবেলা করতে পারি তার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।’

আরও পড়ুন:
ঝালকাঠিতে রেমালের প্রভাব শুরু, আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা
টেকনাফে তীব্রগতির বাতাস, শুরু হয়েছে ভারি বৃষ্টি
চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বেড়ে ৪১.৭ ডিগ্রি, বাড়ছে অস্বস্তি
বাগেরহাটে বৃষ্টি শুরু, প্রস্তুত ৩৫৯ আশ্রয়কেন্দ্র
বন্দরে বিভিন্ন সংকেতের কী অর্থ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Presidents call to stand by the underprivileged including Palestine

ফিলিস্তিনসহ সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ফিলিস্তিনসহ সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত
রাষ্ট্রপতি দেশের বিত্তবান ও সচ্ছল ব্যক্তিদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘কেউ যাতে ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয় সে লক্ষ্যে সমাজের দারিদ্র‍্যপীড়িত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের পাশে দাঁড়ান।’

সমাজের বিত্তশালীকে ফিলিস্তিনসহ দেশের দারিদ্র্যপীড়িত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

রাষ্ট্রপতি দেশের বিত্তবান ও সচ্ছল ব্যক্তিদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘কেউ যাতে ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয় সে লক্ষ্যে সমাজের দারিদ্র‍্যপীড়িত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের পাশে দাঁড়ান।’

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সোমবার বঙ্গভবনের ক্রিডেনশিয়াল হলে দেয়া এক শুভেচ্ছা ভাষণে রাষ্ট্রপ্রধান ধনী-গরিব নির্বিশেষে দেশের সবাইকে একসঙ্গে ঈদের আনন্দ উপভোগের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনের গাজাসহ বিশ্বের অনেক স্থানে মানুষ অনাহার-অর্ধাহারে, বিনা চিকিৎসায় ও স্বজনহারা বেদনায় চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তাদের কথাও আমাদের ভাবতে হবে।

‘সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় রিমেলের আঘাতে উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনেকেরই ইচ্ছা থাকলেও কোরবানি করতে পারছে না। ঘূর্ণিঝড়ে সহায়-সম্বল হারিয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে এবং ঈদের খুশিতে তারাও যাতে শরিক হতে পারে সে চেষ্টা চালাতে হবে।

মুসলমানদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা উপলক্ষে তিনি দেশ-বিদেশে বসবাসরত সব বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, ‘ঈদুল আজহা মানুষের মধ্যে আত্মদান ও আত্মত্যাগের মানসিকতা সঞ্চারিত করে এবং সহিষ্ণুতার শিক্ষা দেয়।

‘আসুন, হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে সবার মাঝে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দেই। পশু কোরবানির সঙ্গে সঙ্গে যাতে আমরা অন্তরের কলুষতা, হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করতে পারি- মহান আল্লাহর দরবারে এ প্রার্থনা করছি।’

মশা-মাছি ও বিভিন্ন রোগের প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে কোরবানির পর বাড়ির আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখারও তাগিদ দেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি কোরবানির বর্জ্য সময়মতো সরিয়ে নিতে সিটি করপোরেশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে সবার প্রতি অনুরোধ জানান।

এর আগে রাষ্ট্রপতি ও তার স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা ঈদুল আজহা উপলক্ষে বঙ্গভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্য, সিনিয়র রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিচারক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, কবি, লেখক, শিক্ষক এবং বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

আরও পড়ুন:
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি
চার দিনের সফরে পাবনায় রাষ্ট্রপতি

মন্তব্য

জীবনযাপন
Prime Minister exchanged Eid greetings with A League leaders at Ganabhaban

গণভবনে আ.লীগ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়

গণভবনে আ.লীগ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলের শীর্ষ নেতারা সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। ছবি: বাসস
প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সোমবার সকালে আওয়ামী লীগ ও দলটির সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঈদুল আজহা উপলক্ষে দলীয় নেতাদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।

সোমবার সকালে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগ ও দলটির সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলের শীর্ষ নেতারা সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এরপর ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর আওয়ামী লীগ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ ও ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

আরও পড়ুন:
ত্যাগের চেতনায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান
প্রধানমন্ত্রীকে ঈদের শুভেচ্ছা মোদির

মন্তব্য

জীবনযাপন
The main congregation of Eid ul Azha was held at the National Eidgah

জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সংগৃহীত
দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে সমগ্র মুসলিম উম্মাসহ দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় মোনাজাত করা হয়। বিশেষ করে ফিলিস্তিনের মুসলমানদের জন্য এ জামাতে মুসল্লিরা দোয়া করেন। এরপর রাষ্ট্রপতি সবার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান ঈদ জামাতে অংশ নেন। এ ছাড়া বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, রাজনৈতিক নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ জামাতে অংশ নেন বলে জানায় বার্তা সংস্থা বাসস।

ভোর থেকেই প্রধান জামাতে নামাজ আদায় করার জন্য মুসল্লিদের ঢল নামে। সকাল সাড়ে ৭টার আগেই ঈদগাহ ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন। বিকল্প ইমাম ছিলেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি মিজানুর রহমান।

দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে সমগ্র মুসলিম উম্মাসহ দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় মোনাজাত করা হয়। বিশেষ করে ফিলিস্তিনের মুসলমানদের জন্য এ জামাতে মুসল্লিরা দোয়া করেন। এরপর রাষ্ট্রপতি সবার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এবার জাতীয় ঈদগাহে প্যান্ডেলের অভ্যন্তরে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করেন।

আরও পড়ুন:
মাদারীপুরে ২৫ গ্রামে ঈদ উদযাপন
সৌদির সঙ্গে মিল রেখে মুন্সীগঞ্জের ১৫ গ্রামে ঈদ
ত্যাগের চেতনায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান
রাজধানীতে কোথায় কখন ঈদ জামাত
শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে শব্দমুখর কামার পল্লী

মন্তব্য

জীবনযাপন
Rumors spreading over St Martins security ISPR

সেন্টমার্টিনের নিরাপত্তা নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে: আইএসপিআর

সেন্টমার্টিনের নিরাপত্তা নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে: আইএসপিআর ছবি: সংগৃহীত
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী এবং আরাকান আর্মির এই সংঘর্ষের কারণে নাফ নদ ও নদ-সংলগ্ন মোহনা এলাকায় বাংলাদেশি বোটে অনাকাঙ্ক্ষিত গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটছে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেন্টমার্টিনের নিরাপত্তা নিয়ে কেউ কেউ গুজব ছড়াচ্ছেন।

মিয়ানমারে চলমান অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের জেরে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে যৌথ অপারেশন চালাচ্ছে। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী এবং আরাকান আর্মির এই সংঘর্ষের কারণে নাফ নদ ও নদ-সংলগ্ন মোহনা এলাকায় বাংলাদেশি বোটে অনাকাঙ্ক্ষিত গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটছে।

চলমান এই সংঘর্ষ সেন্টমার্টিন দ্বীপের কাছাকাছি স্থানে হওয়ায় ওই সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেন্টমার্টিনের নিরাপত্তা নিয়ে কেউ কেউ গুজব ছড়াচ্ছেন। এ ধরনের গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) ।

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর জানায়, এ বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ১২ জুন প্রতিবাদ জানায়।

এরই ধারাবাহিকতায় মিয়ানমার নৌবাহিনী সেন্টমার্টিন দ্বীপের অদূরে মিয়ানমারের সমুদ্রসীমায় এবং নাফ নদের মিয়ানমার সীমানায় অবস্থানকরত মিয়ানমারের দিকে আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ করছে। একইসঙ্গে আরাকান আর্মিও মিয়ানমার নৌবাহিনীর জাহাজ ও বোট লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ করছে।

বর্তমানে মিয়ানমার সীমান্তে মিয়ানমার নৌবাহিনীর একাধিক যুদ্ধজাহাজ ওই অপারেশন্স পরিচালনা করছে। মিয়ানমার নৌবাহিনী সেন্টমার্টিনের অদূরে মিয়ানমারের সমুদ্রসীমায় অবস্থানের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে অবহিত করছে।

মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ মিয়ানমারের মূল ভূখণ্ড এবং তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় চলমান। সেন্টমার্টিন দ্বীপের সন্নিকটে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের একাধিক জাহাজ মিয়ানমারের জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণসহ বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় থেকে নিয়মিত টহল দিচ্ছে।

আরও পড়ুন:
সেন্টমার্টিনের বাসিন্দাদের ঈদের আনন্দ ম্লান
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে তৎপর থাকার নির্দেশ বিজিবি প্রধানের
বিকল্প রুটে সেন্টমার্টিনে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন শুরু

মন্তব্য

জীবনযাপন
President congratulated the countrymen on Eid

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ফাইল ছবি
কেউ যাতে ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয় সে লক্ষ্যে সমাজের দারিদ্র্যপীড়িত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে এবং তাদের পাশে দাঁড়াতে রাষ্ট্রপতি সমাজের বিত্তবান ও সচ্ছল ব্যক্তিদেরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

সারা দেশে সোমবার অনুষ্ঠিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। এ উপলক্ষে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

রোববার দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘কুরবানি আমাদের মাঝে আত্মত্যাগ ও আত্মদানের মানসিকতা সঞ্চারিত করে, আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর সঙ্গে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেয়ার মনোভাব জাগ্রত করে এবং সহিষ্ণুতার শিক্ষা দেয়।’

কেউ যাতে ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয় সে লক্ষ্যে সমাজের দারিদ্র্যপীড়িত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে এবং তাদের পাশে দাঁড়াতে রাষ্ট্রপতি সমাজের বিত্তবান ও সচ্ছল ব্যক্তিদেরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

মন্তব্য

জীবনযাপন
BGB chief ordered to be active on Bangladesh Myanmar border

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে তৎপর থাকার নির্দেশ বিজিবি প্রধানের

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে তৎপর থাকার নির্দেশ বিজিবি প্রধানের বিজিবি মহাপরিচালক রোববার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনকালে সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ছবি: নিউজবাংলা
মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী রোববার সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও মিয়ানমার সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনকালে সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সাম্প্রতিক অস্থিরতার প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের তৎপর থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

রোববার সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও মিয়ানমার সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনকালে সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বিজিবি প্রধান দুর্গম দ্বীপে চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার জন্য বিজিবি সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এছাড়া বিজিবি মহাপরিচালক দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে অপারেশনাল, প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।

আরও পড়ুন:
সেন্টমার্টিনে নৌযান চলাচলে সংকটের নেপথ্যে দুটি ডুবোচর
সেন্টমার্টিনের পথে পণ্যবাহী জাহাজ
সেন্টমার্টিন থেকে এসেছে যাত্রী, টেকনাফ থেকে পণ্যবাহী ট্রলার যায়নি
বিকল্প রুটে সেন্টমার্টিনে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন শুরু
সেন্টমার্টিনে খাদ্য সংকট কেন

মন্তব্য

জীবনযাপন
Flood situation worsens in Sylhet due to heavy rains

ভারি বর্ষণ আর ঢলে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

ভারি বর্ষণ আর ঢলে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ছবি: সংগৃহীত
বাপাউবো সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, ভারতের চেরাপুঞ্জিতে অতি বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে সিলেটের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। উজানে এভাবে বৃষ্টিপাত অবিরাম চলতে থাকলে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।

টানা ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আাসা পাহাড়ি ঢলে সিলেট অঞ্চলে আবারও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। ভারতের চেরাপুঞ্জিতে প্রবল বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শনিবার থেকে রোববার পর্যন্ত সিলেটের অন্তত চারটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল নতুন করে তলিয়ে গেছে। উপজেলাগুলো হচ্ছে কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনগাট, কানাইঘাট ও ওসমানীনগর।

পুনরায় বাড়তে শুরু করেছে সিলেটের নদ-নদীর পানি। বর্ষণ আর ঢলের কারণে এই অঞ্চলে আবারও বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা সদর, রুস্তমপুর, লেংগুড়া, ডৌবাড়ি, নন্দীরগাঁও, পূর্ব ও পশ্চিম আলীরগাঁও, পশ্চিম জাফলং, মধ্য জাফলং ইউনিয়নের হাওড় ও নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করেছে। তলিয়ে গেছে উপজেলার সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়ক। ফলে ওই সড়ক দিয়ে যান চলাচল প্রায় বন্ধ রয়েছে। গোয়াইনঘাট-রাধানগর-জাফলং সড়কের শিমুলতলায় সড়কের ওপর দিয়েও পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ছনবাড়ি, চিকাডহর, শাহ-আরেফিন বাজার ও জালিয়ারপাড় গ্রাম ইতোমধ্যে বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। লোকজন বাড়িঘর থেকে বের হতে পারছে না। ছনবাড়ি-ভোলাগঞ্জ রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। অবশ্য উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলো আগে থেকেই বন্যার পানিতে নিমজ্জিত ছিল।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) সূত্রে জানা যায়, সিলেটে দুটি নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় কানাইঘাটে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার এবং ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ৫৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। সিলেটে সুরমা এবং মলসীদ ও শেওলায় কুশিয়ারা বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও দুটি নদীতেই পানি বাড়ছে।

বাপাউবো সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, ভারতের চেরাপুঞ্জিতে অতি বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে সিলেটের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। উজানে এভাবে বৃষ্টিপাত অবিরাম চলতে থাকলে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।

‘ভারতের চেরাপুঞ্জিতে যদি প্রতিদিন দুশ’ মিলিমিটারের অধিক বৃষ্টিপাত হয় তাহলে সিলেটে বড় বন্যার আশঙ্কা প্রবল।’

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব হোসাইন জানান, শনিবার সকাল ৬টা থেকে রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৬৬ দশমিক ৫ মিলিমিটার। আর রোববার সকাল ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় এখানে বৃষ্টি হয়েছে ২৮ মিলিমিটার।

এর আগের ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত) সিলেটে ৬২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আর শনিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। শনিবার রাতেও সিলেটে বৃষ্টি হয়েছে। রোববার সকাল থেকে ফের থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে।

সিলেটে সোমবার ঈদের দিনও মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত এবং বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, সিলেটে ২৭ মে থেকে আগাম বন্যা দেখা দেয়। দুই সপ্তাহব্যাপী চলমান এ বন্যায় আক্রান্ত হন ১২টি উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। সেই বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে যাওয়ার আগেই সিলেটে ফের দেখা দিয়েছে বন্যা।

এমন পরিস্থিতিতে ইতোমধ্যে সিলেটের জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান।

আরও পড়ুন:
পাহাড়ি ঢলে ভেঙেছে বাঁধ, সুনামগঞ্জের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত
৭২ ঘণ্টায় পানি বাড়তে পারে উত্তরাঞ্চল, সিলেটের বিভিন্ন নদীর
তিন আতঙ্কে সিলেটবাসী
টিলা ধসে ৩ জন নিহতের ঘটনায় মামলা, তদন্তে কমিটি
টিলার পাদদেশে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস, বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল

মন্তব্য

p
উপরে