× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
Heavy rain has started in Teknaf
google_news print-icon
নিম্নচাপের প্রভাব

টেকনাফে তীব্রগতির বাতাস, শুরু হয়েছে ভারি বৃষ্টি

টেকনাফে-তীব্রগতির-বাতাস-শুরু-হয়েছে-ভারি-বৃষ্টি
নিম্নচাপের প্রভাবে কক্সবাজারের টেকনাফ ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ ধেয়ে আসার শঙ্কার মাঝেও শনিবার সকাল থেকে কক্সবাজারের পরিবেশ-প্রকৃতিতে এর আলামত দেখা যায়নি। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে প্রকৃতির রূপ। টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপে তীব্র গতির বাতাস বইছে। শুরু হয়েছে অঝোর ধারার বৃষ্টি। উত্তাল হয়ে উঠেছে সাগর।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি শনিবার রাতেই ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এ রূপ নিতে পারে। এর আগেই শনিবার বিকেলে দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ ধেয়ে আসার শঙ্কার মাঝেও শনিবার সকাল থেকে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারের পরিবেশ-প্রকৃতিতে এর আলামত দেখা যায়নি। অন্যান্য দিনের মতোই ছিল শান্ত। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে এখানকার প্রকৃতির রূপ।

গভীর নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে উপকূলের দিকে এগুতে থাকায় কক্সবাজারের টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় তীব্র গতির বাতাস বইছে। একইসঙ্গে ঝরছে অঝোর ধারার বৃষ্টি। উত্তাল হয়ে উঠেছে সাগর।

শনিবার বিকেল ৪টা থেকে টেকনাফ, শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় ব্যাপক বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে বাতাসের গতি।

শনিবার সকাল থেকে টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন এলাকায় কিছুটা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়। মেরিন ড্রাইভ এলাকায় প্রচণ্ড গতির বাতাস থাকলেও বৃষ্টি খুব একটা ছিল না। বিকেল ৪টার দিকে মেরিন ড্রাইভ এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়।

টেকনাফেও বাতাস থাকলেও বৃষ্টি ছিল কম। দুপুর ১টার পর থেকে বৃষ্টির তীব্রতা যেমন বেড়ে যায় সে সঙ্গে বাড়ে বাতাসের গতিবেগও।

টেকনাফ সৈকত সংলগ্ন সব দোকান পাট বন্ধ হয়ে গেছে। খোলা জায়গায় অনেক স্থানে গরু বাঁধা থাকলেও মানুষজনের উপস্থিতি দেখা যায়নি। টেকনাফ সড়কের চেকপোস্টগুলো ফাঁকা দেখা গেছে। স্থানীয় পরিবহন চলাচলও বন্ধ রয়েছে।

খবর নিয়ে জানা গেছে, সেন্টমার্টিনেও বাতাসের গতিবেগ বেড়েছে, সঙ্গে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। আতঙ্কের মধ্যে আছেন দ্বীপে অবস্থানরত মানুষ।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, ‘দ্বীপে সাগর উত্তাল রয়েছে। সকাল থেকে আকাশে মেঘ থাকলেও বৃষ্টি ছিল না। বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাতাস শুরু হয়েছে। এ ছাড়া স্বাভাবিকের চেয়ে সাগরের পানির উচ্চতা বেড়েছে। তবে আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি।’

টেকনাফ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ সাফকাত আলী বলেন, ‘মেডিক্যাল টিমসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাছাড়া সাগর-নাফ নদের কারণে আমরা সেন্টমার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপকে গুরুত্ব দিচ্ছি বেশি।’

শনিবার আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নম্বর-৭) বলা হয়, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। দুপুর ১২টায় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৪৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।

আরও পড়ুন:
বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি এখন গভীর নিম্নচাপ
নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছের এলাকায় সাগর উত্তাল
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, সমুদ্রবন্দরগুলোতে সতর্ক সংকেত
লঘুচাপটি নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে
সাগরে গভীর নিম্নচাপ: ৩ নম্বর সংকেত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Sylhet city under water again after three hours of rain

তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতেই ফের পানির নিচে সিলেট নগর

তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতেই ফের পানির নিচে সিলেট নগর সোমবার সকালের তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতেই জলমগ্ন হয়ে পড়ে সিলেট নগর। ছবি: নিউজবাংলা
সিলেট সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর বলেন, ‘প্রচুর বৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় পানি জমেছে। এছাড়া পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় সুরমা নদীও টইটম্বুর। এতে নগরে প্রবাহিত ছড়া ও খাল দিয়ে পানি গিয়ে নদীতে মিশতে পারছে না। তাই বৃষ্টিতে নগরের নিচু এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ছে।’

সিলেট নগরের বিভিন্ন এলাকায় ফের জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। সোমবার সকাল থেকে শুরু হওয়া ভারী বৃষ্টিতে নগরজুড়ে জলজট লেগে যায়। এ নিয়ে আট দিনের ব্যবধানে তিনবার ডুবল নগরের অর্ধশতাধিক এলাকা।

আগের দুবার রাতের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেলেও এবার সকালের তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতেই জলমগ্ন হয়ে পড়ে নগর।

এর আগে, ২ জুন রাতে কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে নগরজুড়ে তীব্র জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। সেসময় অধিকাংশ এলাকার পানি নামতে পরদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। তবে অন্তত ১২টি এলাকার পানি নামতে বেশ কিছুদিন সময় লেগেছিল। এরপর শনিবার (৮ জুন) রাতে ভারী বৃষ্টি হলে নগরের শতাধিক এলাকা প্লাবিত হয়। সোমবার সকালের বৃষ্টিতে আবারও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।

সিলেট আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজীব হোসাইন জানান, সোমবার সকাল ছয়টা থেকে নয়টা পর্যন্ত সিলেটে ১৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়।

এদিন সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নগরের উপশহর, শিবগঞ্জ, আগপাড়া সোবহানীঘাট, তেরোরতন, মাছিমপুর, তালতলা ও শেখঘাট এলাকায় বৃষ্টির পানি জমেছে। এসব এলাকার কোথাও কোথাও হাঁটুসমান পানি। তবে দুপুরের মধ্যে অনেক এলাকা থেকে পানি নেমে যায়।

এ বিষয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর বলেন, ‘এটাকে ঠিক জলাবদ্ধতা বলা যাবে না। প্রচুর বৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় পানি জমেছে। এছাড়া পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় সুরমা নদীও টইটম্বুর। এতে নগরে প্রবাহিত ছড়া ও খাল দিয়ে পানি গিয়ে নদীতে মিশতে পারছে না। তাই বৃষ্টিতে নগরের নিচু এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ছে।’

আরও পড়ুন:
সিলেটে টিলা ধস: ছয় ঘণ্টা পর ৩ মরদেহ উদ্ধার
সিলেটে টিলা ধস: চাপা পড়েছেন একই পরিবারের তিনজন
এক সপ্তাহে দুবার তলিয়ে গেল সিলেট নগর
সিলেটের বন্যাকবলিত অঞ্চলে এইচএসসি পরীক্ষা পরে নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

জীবনযাপন
Jamalpur Yamuna severe erosion started sleepless local residents

জামালপুরে যমুনায় তীব্র ভাঙন শুরু, নির্ঘুমে এলাকাবাসী

জামালপুরে যমুনায় তীব্র ভাঙন শুরু, নির্ঘুমে এলাকাবাসী জামালপুরের মাদারগঞ্জে যমুনা নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে জনপদ। ছবি: নিউজবাংলা
মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের পাকরুল এলাকায় যমুনা নদীর ভাঙনে প্রায় তিন কিলোমিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদী-তীরবর্তী চরের কয়েক শ’ হেক্টর ফসলি জমি ফসলসহ চলে গেছে নদীতে।

জামালপুরের যমুনা নদীতে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। আশ্রয়হীনতার ভয় আর আতঙ্কে অনিশ্চিত দিন পার করছেন নদী পাড়ের মানুষ। তাদের রাত কাটছে নির্ঘুম। কোনো ত্রাণ নয়, স্থায়ী বাঁধের দাবি জানান ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষ।

জামালপুরের পাঁচটি উপজেলার সীমানা বেষ্টিত প্রবহমান যমুনা নদী। এই নদীকে কেন্দ্র করে এখানকার অনেক মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন। আবার এই নদীই বহু পরিবারকে নিঃস্ব করে পথের ফকির করেছে।

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের পাকরুল এলাকায় ১৫ দিন ধরে যমুনা নদীর তীব্র ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ফলে ভিটেমাটি হারিয়ে অনেক পরিবার গবাদি পশু নিয়ে আশ্রয় খুঁজছেন।

ভাঙনের কবলে পড়ে নদীর প্রায় তিন কিলোমিটার তীর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদী-তীরবর্তী চরের কয়েক শ’ হেক্টর ফসলি জমিতে আবাদ করা হয়েছিলো মরিচ, ঘাস, পাটসহ অন্যান্য মৌসুমী ফসল। কয়েক দিনের ভাঙনে তা চলে গেছে নদীগর্ভে।

স্থানীয় বাসিন্দা শরিফউদ্দিন জানান, নদী ভাঙনের শিকার বেশকিছু বাড়ি-ঘর কয়েক দিনে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে ফসলি জমি বিলীন হওয়ার পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়বে চর চরপাকেরদহ ইউনিয়নের পাকরুল গ্রামের যমুনা নদীর তীরবর্তী কয়েক হাজার বাসিন্দার ঘরবাড়ি।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসাসহ অন্যান্য স্থাপনাও ভাঙনের কবলে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এখনই ভাঙন রোধে কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে। তাতে করে নিঃস্ব হবে অনেক মানুষ। বাড়বে ক্ষতির পরিমাণ।

নদী তীরের বাসিন্দা আবু হাসেম বলেন, ‘ভাঙন আতঙ্কে আমরা রাতে ঘুমাতে পারছি না। নদীর পাড় ভেঙে পড়লে ভূমিকম্পের মতো মাটি কেঁপে ওঠে। আমরা খুব দুশ্চিন্তায় আছি। আমাদের দেখার কেউ নেই। সরকার যদি স্থায়ী বাঁধের ব্যবস্থা করে তাহলেই কেবল আমরা বাঁচতে পারব।’

একদিকে বস্তা দিয়ে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও অন্যদিকে আবার ভাঙন শুরু হচ্ছে। তাই স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় শাহিনুর বেগম জানান, ১০/১৫ দিন ধরে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে নদী-তীরবর্তী কয়েক শ’ হেক্টর ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এলাকার গাছপালা, ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ফসলের জমি হুমকির মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় তিন কিলোমিটার তীর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সরকারের কোনো ত্রাণ বা সাহায্য নয়, এখানে স্থায়ী বায়ধের দাবি জানান তিনি।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানান, ভাঙনকবলিত মাদারগঞ্জের চরপাকেরদহ ইউনিয়নের পাকরুল এলাকায় ৭০ মিটার ও ইসলামপুর উপজেলার কাটমা এলাকায় ৩০০ মিটার অংশে ভাঙন রোধে জরুরিভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম চলমান।

পাশাপাশি পাকরুল এলাকায় ১৫শ’ মিটারের স্থায়ী বাঁধের প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। এছাড়াও কাটমা এলাকায় সমীক্ষা প্রকল্পের প্রস্তাবনা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সুপারিশ অনুযায়ী প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন:
ভাঙন রোধে ফুলছড়িতে বাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর
অসময়ে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে দিশেহারা কুড়িগ্রামবাসী
ভাঙনের কবলে কুশিয়ারার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ
ভাঙনে যমুনায় মিশছে শাহজাদপুরের একের পর এক গ্রাম
যমুনার ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু

মন্তব্য

জীবনযাপন
13 feet long python in Srimangal cattle shed

শ্রীমঙ্গলে গোয়ালঘরে ১৩ ফুট লম্বা অজগর

শ্রীমঙ্গলে গোয়ালঘরে ১৩ ফুট লম্বা অজগর শ্রীমঙ্গলের কালাপুর ইউনিয়নে গোয়ালঘর থেকে রোববার ১৩ ফুট লম্বা অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল জানান, রোববার দুপুরে খবর আসে যে লামুয়া গ্রামে হাসান মিয়ার গরুর ঘরে একটি বড় অজগর সাপ দেখা গেছে। পরে অজগরটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় গোয়ালঘর থেকে ১৩ ফুট লম্বা একটি অজগর সাপ উদ্ধার হয়েছে। রোববার দুপুর ২টায় উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নের লামুয়া গ্রামে হাসান মিয়ার গোয়ালঘর থেকে অজগর সাপটি উদ্ধার করেন বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল।

তিনি জানান, দুপুরে আমাদের কাছে খবর আসে যে লামুয়া গ্রামের ছাদই মিয়ার বাড়িতে হাসান মিয়ার গরুর ঘরে একটি বড় অজগর সাপ দেখা গেছে। পরে অজগরটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করে বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।

লাউয়াছড়া বন রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, অজগরটি সুস্থ থাকায় লাউয়াছড়া বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
তেঁতুলিয়ায় প্রায় ৫ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার
চা বাগানে উদ্ধার ১৩ ফুট অজগর অবমুক্ত লাউয়াছড়ায়
১০ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধারের পর লাউয়াছড়ায় অবমুক্ত    
চবির জোবরা গ্রামে ১০ ফুট লম্বা অজগর
শিশুটিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল অজগর

মন্তব্য

জীবনযাপন
Lightning claimed 8 lives in three districts in one day

বজ্রপাতে এক দিনে তিন জেলায় গেল ৮ প্রাণ

বজ্রপাতে এক দিনে তিন জেলায় গেল ৮ প্রাণ ফাইল ছবি
নিউজবাংলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও নাটোর প্রতিনিধির পাঠানো তথ্যানুসারে, শুক্রবার দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে এ ঘটনাগুলো ঘটে।

বজ্রপাতে রাজশাহী বিভাগের তিন জেলায় এক দিনে আটজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তিনজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ ছাড়াও বজ্রপাতে দুটি ছাগলের মৃত্যু হয়েছে।

নিউজবাংলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও নাটোর প্রতিনিধির পাঠানো তথ্যানুসারে, শুক্রবার দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে এ ঘটনাগুলো ঘটে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিনজনের মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ ও ভোলাহাটে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে শিবগঞ্জ উপজেলায় শিশুসহ দুজন ও ভোলাহাটে একজন মারা যান।

শুক্রবার বেলা আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে ঝড়বৃষ্টির সময় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

শিবগঞ্জ থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন জানান, ঝড়বৃষ্টির সময় আম কুড়াতে গিয়ে শিবগঞ্জ পৌরসভার আলীডাঙ্গা মহল্লার সুভাস ভকতের স্ত্রী ৩২ বছর বয়সী ববি ভকত ও শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাঁকা নিশিপাড়ার এরশাদ আলীর মেয়ে ৮ বছরের কবিতা খাতুন টিউবয়েলে পানি আনতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন।

অন্যদিকে, ভোলাহাট থানার ওসি সুমন কুমার জানান, ভোলাহাট উপজেলার আন্দিপুরের হঠাৎপাড়া আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা ইসলাম আলীর মেয়ে ১০ বছরের আমেনা খাতুন বাড়ির পাশের আম বাগানে আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নাটোরে দুজন নিহত, আহত ১

নাটোরের নলডাঙ্গা ও গুরুদাসপুরে বজ্রপাতে দুজন নিহত হয়েছেন। ওই দুই ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার দুপুরে এই ঘটনাদুটি ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, দুপুর দেড়টার দিকে নলডাঙ্গা উপজেলার কোমরপুর এলাকায় বারনই নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে মো.কামরুল হোসেন নামে ৩৫ বছর বয়সী এক যুবক নিহত হয়েছেন। এসময় মো. মজনু নামে ৪০ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি আহত হন।

কামরুল হোসেন কোমরপুর গ্রামের মো. লুৎফর রহমানের ছেলে। আহত মজনু ওই গ্রামের আহমদ আলীর ছেলে।

ব্রহ্মপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান এসএম আশরাফুজ্জামান মিঠু জানান, দুপুরে মজনু ও কামরুল গ্রামের গোরস্থান-সংলগ্ন বারনই নদীতে জাল দিয়ে মাছ ধরছিলেন। এ সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই কামরুল নিহত আর আহত হন মজনু।

খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে কামরুলের মরদেহ এবং আহত মজনুকে হাসপাতালে নিয়েচিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

অপরদিকে, গুরুদাসপুর পৌর এলাকায় বজ্রপাতে আবেরা বেগম নামের এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে তিনি নিহত হন।

৪০ বছর বয়সী ওই গৃহবধূ দুই সন্তানের মা এবং আনন্দ নগর মহল্লার সাদ্দাদ হোসেনের স্ত্রী।

নিহতের স্বজনরা জানান, দুপুর ২টার দিকে আকাশে মেঘ দেখে আবেরা বেগম বাড়ির পাশে ডোবা থেকে হাঁস ফিরিয়ে আনতে যান। এসময় বৃষ্টি শুরু হলে তিনি একটি আম গাছের নিচে আশ্রয় নেন, কিন্তু তার পাশেই বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে তিনি সেখানেই লুটিয়ে পড়েন। পরে স্বজনরা তাকে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নওগাঁয় তিন প্রাণহানি, আহত ২

নওগাঁর মান্দা ও পত্নীতলা উপজেলায় বজ্রপাতে তিনজনের প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া বদলগাছী উপজেলায় দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শুক্রবার বিকেলে এসব ঘটনা ঘটে।

পত্নীতলা থানার ওসি মোজাফফর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বজ্রপাতে উপজেলার নাগরগোলা গ্রামের ৫০ বছর বয়সী খাদেমুল ও গাহন গ্রামের ৩৫ বছর বয়সী মনিকা নামের দুজন নিহত হয়েছেন।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, ঝড়বৃষ্টির সময় বাড়ির পাশে আম কুড়াতে যান খাদেমুল। এসময় বজ্রপাত হলে সেখানেই তিনি নিহত হন।

অন্যদিকে, মনিকা বাড়ির উঠানে ধানের খড় শুকাতে দিয়েছিলেন। মেঘ দেখে তা গোছানোর সময় বজ্রপাত হলে তিনি প্রাণ হারান।

মান্দা থানার ওসি মোজ্জামেল হক তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ ছাড়াও বদলগাছী উপজেলায় বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয়েছেন দুই ব্যক্তি। এসময় তাদের দুটি ছাগল মারা গেছে।

বদলগাছী থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার ঘাবনা গ্রামে মাঠে গবাদি পশুকে ঘাস খাওয়াচ্ছিলেন আব্দুল খালেক ও হবিবুর রহমান নামের দুই ব্যক্তি। হঠাৎ ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে তারা সড়কের পাশে একটি গাছের নিচে আশ্রয় নেন।

ওসি জানান, এসময় ওই গাছে বজ্রপাত হলে গাছের ডাল ভেঙে পড়ে তারা দুজন গুরুতর আহত হন। এছাড়া বজ্রপাতে তাদের দুটি ছাগল মারা যায়।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন।

মন্তব্য

জীবনযাপন
Three people died due to lightning in Chapainawabganj

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু ফাইল ছবি
নিহতদের দুজন ঝড়বৃষ্টির মধ্যে আম কুড়াতে গিয়ে এবং অপরজন টিউবওয়েল থেকে পানি আনার সময় বজ্রাঘাতের শিকার হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ ও ভোলাহাটে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে শিবগঞ্জ উপজেলায় শিশুসহ দুজন ও ভোলাহাটে একজন মারা যান।

শুক্রবার বেলা আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে ঝড়বৃষ্টির সময় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

শিবগঞ্জ থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন জানান, ঝড়বৃষ্টির সময় আম কুড়াতে গিয়ে শিবগঞ্জ পৌরসভার আলীডাঙ্গা মহল্লার সুভাস ভকতের স্ত্রী ৩২ বছর বয়সী ববি ভকত ও শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাঁকা নিশিপাড়ার এরশাদ আলীর মেয়ে ৮ বছরের কবিতা খাতুন টিউবয়েলে পানি আনতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন।

অন্যদিকে, ভোলাহাট থানার ওসি সুমন কুমার জানান, ভোলাহাট উপজেলার আন্দিপুরের হঠাৎপাড়া আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা ইসলাম আলীর মেয়ে ১০ বছরের আমেনা খাতুন বাড়ির পাশের আম বাগানে আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মন্তব্য

জীবনযাপন
HSC exam to be held later in Sylhets flood affected areas Education Minister

সিলেটের বন্যাকবলিত অঞ্চলে এইচএসসি পরীক্ষা পরে নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

সিলেটের বন্যাকবলিত অঞ্চলে এইচএসসি পরীক্ষা পরে নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী সিলেটের একটি সড়কে বন্যার পানি। ছবি: সংগৃহীত
মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘যে অঞ্চলগুলোতে বন্যা আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে, সেখানে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা নেয়া হবে না। পরবর্তী সময়ে সেই পরীক্ষা নেয়ার জন্য আমাদের যথাযথ প্রস্তুতি আছে।’

সিলেটের যেসব অঞ্চলে বন্যা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে, সেসব অঞ্চলে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পরে নেয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল একথা জানিয়েছেন।

সচিবালয়ে বুধবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও ইতিবাচক পরিবেশে সম্পন্ন করতে গঠিত জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে এ কথা বলেন তিনি।

সিলেটের বন্যা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী নওফেল বলেন, ‘যে অঞ্চলগুলোতে বন্যা আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে, সেখানে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা নেয়া হবে না। পরবর্তী সময়ে সেই পরীক্ষা নেয়ার জন্য আমাদের যথাযথ প্রস্তুতি আছে।’

তিনি বলেন, ‘যেসব কেন্দ্র ও অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে, শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এছাড়া আবহাওয়ার পূর্বাভাস আছে, সেখানে বিভিন্ন নদীর পানি ঊর্ধ্বমুখী ও বিপৎসীমা অতিক্রম করছে। বিষয়টি আমরা ইতোমধ্যে জানতে পেরেছি।

‘আমরা বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। আশা করছি আমাদের পক্ষে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হবে। আমরা চাই না পরীক্ষার্থীরা ভোগান্তির মধ্যে পড়ুক এবং তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হোক।’

আরও পড়ুন:
কোচিং সেন্টার বন্ধ ২৯ জুন থেকে ১১ আগস্ট
সিলেটে ওসমানী হাসপাতালে পানি ঢুকে চরম দুর্ভোগ
ভারি বৃষ্টিতে ডুবল সিলেট নগর
সিলেটে গ্রামাঞ্চলে কমছে পানি, বাড়ছে নগরে
এইচএসসি পরীক্ষা যথাসময়ে: ঢাকা বোর্ড

মন্তব্য

জীবনযাপন
Two children including a child were killed by lightning during a football match

ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে শিশুসহ দুজনের প্রাণহানি

ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে শিশুসহ দুজনের প্রাণহানি প্রতীকী ছবি।
এনায়েতপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বেতিল চরের একটি মাঠে শিশু-কিশোর ও এলাকার প্রাপ্তবয়স্করা মিলে ফুটবল খেলছিল। হঠাৎ বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি বজ্রপাতে শিশুসহ চারজন আহত হয়। তাদের মধ্যে দুজন মারা যায়।

ফুটবল খেলার সময় সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে বজ্রপাতে শিশুসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও দুই শিশু।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার এনায়েতপুর থানার বেতিল চরে এই ঘটনা ঘটে।

বজ্রপাতে যারা মারা গেছে তারা হলো- বেতিল চরের তারা মিয়ার ছেলে ২৭ বছর বয়সী আল-আমিন হোসেন ও আব্দুল হাকিমের ছেলে ১৩ বছরের মারুফ হোসেন। আর আহত হয়েছে একই গ্রামের ময়েন উদ্দিনের ছেলে সাত বছরের সিয়াম ও বেলাল হোসেনের ছেলে আট বছরের মেহেদি হাসান। তাদেরকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এনায়েতপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, বেতিল চরের একটি মাঠে শিশু-কিশোর ও এলাকার প্রাপ্তবয়স্করা মিলে ফুটবল খেলছিল। হঠাৎ বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি বজ্রপাতে শিশুসহ চারজন ঝলসে যায়। তাদেরকে স্থানীয় খাজা ইউনুস আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে এক শিশুসহ দুজনের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
ছাগলনাইয়ায় বজ্রপাতে প্রাণ গেল দুই শিক্ষার্থীর
নরসিংদীতে বজ্রপাতে মা-ছেলেসহ তিনজন নিহত
টাঙ্গাইলে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু
গাইবান্ধার দুই উপজেলায় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু
বজ্রপাত নিরোধ যন্ত্র স্থাপনে সহায়তা করতে চায় ফ্রান্স

মন্তব্য

p
উপরে