× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
The photo of a polar bear sleeping on an iceberg won the title
google_news print-icon

শিরোপা জিতল হিমশৈলে ঘুমন্ত মেরু ভল্লুকের ছবি

শিরোপা-জিতল-হিমশৈলে-ঘুমন্ত-মেরু-ভল্লুকের-ছবি
শিরোপা জেতা এই ছবি বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং প্রাণীদের প্রাকৃতিক বাসস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রভাবকে প্রতিফলিত করে।
বিশ্বজুড়ে বন্যপ্রাণী ফটোগ্রাফির অনুরাগী এবং প্রকৃতিপ্রেমীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ২৫টি নির্বাচিত তালিকা থেকে তাদের পছন্দের চিত্রকে ভোট দেয়ার জন্য। চূড়ান্ত প্রতিযোগীদের মধ্যে একজন সেরা এবং অন্য চারজন ‘অত্যন্ত প্রশংসিত’ হন।

সাগরে ভেসে চলা হিমশৈলের ওপর ঘুমন্ত এক মেরু ভল্লুকের দৃশ্য। আর এই অত্যাশ্চর্য সুন্দর দৃশ্য ধরা পড়ে ব্রিটিশ ফটোগ্রাফার নিমা সারিখানির ক্যামেরায়।

অপেশাদার এই আলোকচিত্রগ্রাহকের ক্যামেরার ওই ক্লিকই বাজিমাৎ করেছে। ছবিটি জিতে নিয়েছে ‘ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার অফ দ্য ইয়ার পিপলস চয়েস অ্যাওয়ার্ড’।

নরওয়ের স্যালবার্ড দ্বীপপুঞ্জে ঘন কুয়াশার মধ্যে মেরু ভল্লুকের তিন দিন ধরে খোঁজ চালানোর পর সারিখানি ছবিটি তুলেছেন।

ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের পরিচালক ড. ডগলাস গুর বলেন, ‘অপেশাদার আলোকচিত্রী সারিখানির তোলা এই মর্মস্পর্শী এবং শ্বাসরুদ্ধ করা অপরূপ চিত্র আমাদের এই গ্রহের সৌন্দর্য এবং ভঙ্গুরতাকে একসঙ্গে তুলে ধরেছে।’

তিনি বলেন, ‘সারিখানির এই ছবি আমাদের চিন্তাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। ভাবতে বাধ্য করে, উষ্ণায়ন আর বাসস্থানের ক্ষতি কীভাবে একটি প্রাণীর সঙ্গে তার প্রাকৃতিক আবাসস্থলের মধ্যে অবিচ্ছেদ্য বন্ধনে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে।’

বিশ্বজুড়ে বন্যপ্রাণী ফটোগ্রাফির অনুরাগী এবং প্রকৃতিপ্রেমীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ২৫টি নির্বাচিত তালিকা থেকে তাদের পছন্দের চিত্রকে ভোট দেয়ার জন্য।

চূড়ান্ত প্রতিযোগীদের মধ্যে চারজন ‘অত্যন্ত প্রশংসিত’ হয়েছিলেন। দেখে নেয়া যাক তাদের সেই সেরা চারটি ছবিও।

শিরোপা জিতল হিমশৈলে ঘুমন্ত মেরু ভল্লুকের ছবি
‘দ্য হ্যাপি টার্টল’: হাসি-খুশি এই কচ্ছপকে ক্যামেরাবন্দি করতে আলোকচিত্রগ্রাহককে দীর্ঘক্ষণ লুকিয়ে থাকতে হয়েছে।

‘দ্য হ্যাপি টার্টল’:

সাহি ফিঙ্কেলস্টেইন তীরের পাখির ছবি তোলার জন্য আড়ালে লুকিয়ে ছিলেন। সে সময় লক্ষ্য করেন একটি বলকান পুকুরের কচ্ছপ অগভীর পানির ওপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। অপ্রত্যাশিতভাবে কচ্ছপের নাকের ওপর এসে পড়ে একটি ড্রাগনফ্লাই। সেই ছবি ধরা পড়েছে সাহি ফিঙ্কেলস্টেইনের ক্যামেরায়।

শিরোপা জিতল হিমশৈলে ঘুমন্ত মেরু ভল্লুকের ছবি
‘স্টারলিং মার্মারেশন’: রোমের শহরতলিতে এই এক ঝাঁক স্টারলিংকে ধাওয়া করতে হয়েছিল চিত্রগ্রাহক ড্যানিয়েল ডেনসেস্কুকে।

‘স্টারলিং মার্মারেশন’

ড্যানিয়েল ডেনসেস্কু ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে এক ঝাঁক স্টারলিংয়ের (এক বিশেষ প্রজাতির পাখি) পিছু করছিলেন। তাদের ধাওয়া করে ইতালির রোমের শহর আর শহরতলি ঘুরে বেড়ান তিনি। শেষ পর্যন্ত একটি বিশালাকৃতি পাখির আকার নেয় ওই এক ঝাঁক স্টারলিং, যা মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দি করেন ওই চিত্রগ্রাহক।

শিরোপা জিতল হিমশৈলে ঘুমন্ত মেরু ভল্লুকের ছবি
‘শেয়ার্ড প্যারেন্টিং’: কেনিয়ার মাসাই মারাতে শাবককে আদর করছে দুই সিংহী।

‘শেয়ার্ড প্যারেন্টিং’

আফ্রিকার কেনিয়ার মাসাই মারায় একটি ঘন ঝোপের মধ্যে পাঁচ শাবককে রেখে রাতে শিকারে বেরিয়েছিল দুই সিংহী। সেখান থেকে খালি হাতে ফেরার পর শাবকদের তৃণভূমিতে ডেকে নিয়ে যত্ন করতে থাকে দুই মা। আর সেই চিত্র ধরা পড়ে মার্ক বয়েডের ক্যামেরায়।

শিরোপা জিতল হিমশৈলে ঘুমন্ত মেরু ভল্লুকের ছবি
‘অরোরা জেলিস’: উত্তর নরওয়েতে তোলা এই ছবিতে ধরা পড়েছে এক বিশেষ প্রজাতির জেলিফিসের ঝাঁক।

‘অরোরা জেলিস’

ওউডুন রিকার্ডসেন তার সরঞ্জামগুলো রাখতে নিজেই একটি জলরোধী আস্তানা তৈরি করেছিলেন। ছবি তোলার জন্য ব্যবহার করেছিলেন সিঙ্গেল এক্সপোজারের সময় ফোকাস এবং অ্যাপারচার সামঞ্জস্য করার জন্য তার নিজস্ব সিস্টেম।

উত্তর নরওয়ের ট্রমসোর বাইরে একটি খাঁড়িতে শরতের শীতল পানিতে ঝাঁক বেঁধেছিল মুন জেলিফিস। আর তাদের আলোকিত করে তুলেছিল অরোরা বোরিয়ালিস। সেই ছবি তুলে ধরেছেন ওউডুন রিকার্ডসেন।

এই সেরা পাঁচটি ছবি অনলাইনে এবং লন্ডনের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে ৩০ জুন পর্যন্ত প্রদর্শিত হবে।

ছবিগুলোর কপিরাইট: ‘ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার অফ দ্য ইয়ার’-এর।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Dhakas air is unhealthy low mean fifth

ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, নিম্ন মানে পঞ্চম

ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, নিম্ন মানে পঞ্চম অস্বাস্থ্যকর বাতাসে ঢাকায় মানুষের চলাচল। ফাইল ছবি
আইকিউ এয়ারের ডেটা অনুযায়ী, সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১১টায় ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১২ দশমিক ৫ গুণ বেশি।

বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে আইকিউ এয়ারের তালিকায় নিয়মিত ওপরে থাকা ঢাকা শীর্ষে না থাকলেও রয়েছে প্রথম পাঁচে।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১১টায় ১৫৫ স্কোর নিয়ে বায়ুর নিম্ন মানে ১০০টি শহরের মধ্যে পঞ্চম অবস্থানে ছিল ঢাকা।

একই সময় এ তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল ভারতের দিল্লি, পাকিস্তানের লাহোর ও উজবেকিস্তানের তাসখন্দ।

আইকিউ এয়ারের ডেটা অনুযায়ী, সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবারের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১২ দশমিক ৫ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউ এয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ দিনের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৫৫। এর মানে হলো ওই সময়টাতে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাসের মধ্যে বসবাস করতে হয় রাজধানীবাসীকে।

আরও পড়ুন:
আজও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
অস্বাস্থ্যকর বাতাসের চক্রে ঢাকা
ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’, নিম্ন মানে চতুর্থ
ছুটির দিনে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
বায়ুদূষণে বদলাচ্ছে ফুলের গন্ধ

মন্তব্য

জীবনযাপন
A dead dolphin washed up on the beach

সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন

সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন কুয়াকাটা সৈকতে বুধবার সকালের জোয়ারে ভেসে আসা মৃত ডলফিন উদ্ধারে তৎপরতা। ছবি: নিউজবাংলা
ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি বলেন, ‘বেশ দীর্ঘ সময় পর কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন। এমন ঘটনা চলতি বছরে এটাই প্রথম। এটি ইরাবতী প্রজাতির পুরুষ ডলফিন।’

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে ভেসে এসেছে একটি মৃত ডলফিন। ৫ ফুট লম্বা ইরাবতী ডলফিনটির মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশের চামড়া উঠানো।

বুধবার সকালে কুয়াকাটা সৈকতের গঙ্গামতি এলাকায় ৩৩ কানি পয়েন্টে ডলফিনটি দেখতে পান পর্যটকরা। খবর পেয়ে কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করেন।

ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্য আবুল হোসেন রাজু বলেন, ‘স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি যে সকালের দিকে জোয়ারে পানিতে এটি ভেসে এসেছে সৈকতে। পরে আমাদের কমিটির টিম লিডারকে বিষয়টি অবহিত করি।’

সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন
কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে আসা মৃত ডলফিন ঘিরে একদল পর্যটক। ছবি: নিউজবাংলা

সমুদ্রের নীল অর্থনীতি, উপকূলের পরিবেশ-প্রতিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি বলেন, ‘বেশ দীর্ঘ সময় পর কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন। এমন ঘটনা চলতি বছরে এটাই প্রথম। এটি ইরাবতী প্রজাতির পুরুষ ডলফিন।’

কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, ‘বিষয়টি বন বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে। আমাদের সদস্যরা এটিকে নিরাপদ স্থানে মাটিচাপা দেয়ার ব্যবস্থা করছেন।

‘আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, এভাবে ডলফিন মারা যাওয়ার নেপথ্যের কারণগুলো খুঁজে বের করতে যেন উদ্যোগ নেয়া হয়।’

আরও পড়ুন:
খরা ও তীব্র গরমে ১২০ অ্যামাজন ডলফিনের মৃত্যু
কুয়াকাটা সৈকতে অর্ধগলিত ডলফিন
৭ দিনের ব্যবধানে হালদায় আরও দুটি মৃত ডলফিন
হালদার বুকে আরও একটি মৃত ডলফিন

মন্তব্য

জীবনযাপন
Even today the air in Dhaka is unhealthy

আজও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’

আজও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ মানে সামান্য হেরফের হলেও অস্বাস্থ্যকর বাতাসের চক্রে ঘুরপাক খাচ্ছে ঢাকা। ছবি: পনির হোসেন/রয়টার্স
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানি আইকিউ এয়ারের তালিকায় গত চার দিন ধরে শীর্ষ দশে অবস্থান করছে ঢাকা। শুক্রবার রাজধানী শহরের বাতাস ছিল ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত ছিল ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে।

বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে আইকিউ এয়ারের তালিকায় আজ সকালে ঢাকার অবস্থান পঞ্চম।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ১৭০ স্কোর নিয়ে বাতাসের নিম্ন মানে ১১০টি শহরের মধ্যে পঞ্চম অবস্থানে ছিল ঢাকা।

একই সময় এ তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে ছিল চীনের চেংডু, পাকিস্তানের লাহোর ও ভারতের দিল্লি।

আইকিউ এয়ারের তালিকা অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১৮ দশমিক ৪ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউ এয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ ওই সময়ে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৭০। এর মানে হলো ওই সময়টাতে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাসের মধ্যে বসবাস করতে হয় রাজধানীবাসীকে।

মানে সামান্য হেরফের হলেও অস্বাস্থ্যকর বাতাসের চক্রে ঘুরপাক খাচ্ছে ঢাকা।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানি আইকিউ এয়ারের তালিকায় গত চার দিন ধরে শীর্ষ দশে অবস্থান করছে ঢাকা। শুক্রবার রাজধানী শহরের বাতাস ছিল ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত ছিল ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে।

আরও পড়ুন:
‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে তালিকায় তৃতীয় ঢাকা
‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় ঢাকা
মানের অবনতি, দূষিত বাতাসে ফের শীর্ষে ঢাকা
ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে নিম্ন মানে ফের শীর্ষে ঢাকা

মন্তব্য

জীবনযাপন
Two wild elephants attack youth in Banglabandha fear

বাংলাবান্ধায় দুই বন্যহাতি, আক্রমণে যুবক নিহত

বাংলাবান্ধায় দুই বন্যহাতি, আক্রমণে যুবক নিহত ভারত থেকে সীমান্ত পেরিয়ে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা এলাকায় প্রবেশ করেছে দুটি বন্যহাতি। ছবি: নিউজবাংলা
স্থানীয়রা জানান, সকালে দুটি বন্য হাতি রওশনপুর হয়ে দৌলতপাড়া দিয়ে দক্ষিণ কাশিমগঞ্জে প্রবেশ করে। আসার পথে এগুলো কৃষকের গৃহপালিত পশুকে আক্রমণ করে। পরে কাশিমগঞ্জের গ্রামে বেশকিছু বাড়িতে ঢুকে ভাংচুর, পেঁয়াজ ও ভুট্টা ক্ষেতের ক্ষতিসাধন করে। হাতির আক্রমণে নুরজামান নামে এক যুবক প্রাণ হারান।

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া রওশনপুর সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে আসা দুটি বন্য হাতির আতঙ্কে বাংলাবান্ধার মানুষ। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নের ইসলামবাগে প্রবেশ করে বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের দক্ষিণ কাশিমগঞ্জের একটি ভুট্টা ক্ষেতে অবস্থান করছে হাতি দুটি। ইতোমধ্যে হাতির আক্রমণে এক যুবক প্রাণ হারিয়েছেন।

সকালে গ্রামের ভেতর দিয়ে হাতি প্রবেশ করার খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে সেগুলো দেখতে ভিড় জমায় শত শত মানুষ। হাতি দুটিকে ফিরিয়ে নিতে বিজিবি ও বিএসএফ পতাকা বৈঠকে বসেছে। বৈঠকের পর ভারত থেকে বন্যপ্রাণি উদ্ধারকারী দল এসে হাতি দুটিকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। উদ্ধারকারী দলটি বাংলাবান্ধার পাশে ফুলবাড়িতে অবস্থান করছে।

বাংলাবান্ধায় দুই বন্যহাতি, আক্রমণে যুবক নিহত
বন্যহাতি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে এলাকাবাসীকে সতর্ক করছে প্রশাসন। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয়রা জানান, সকালে দুটি বন্য হাতি রওশনপুর হয়ে দৌলতপাড়া দিয়ে দক্ষিণ কাশিমগঞ্জে প্রবেশ করে। আসার পথে এগুলো কৃষকের গৃহপালিত পশুকে আক্রমণ করে। পরে কাশিমগঞ্জের গ্রামে বেশ কিছু বাড়িতে ঢুকে বৈদ্যুতিক তার, মোটরের তার, টয়লেট, বেড়া, পেঁয়াজ ও ভুট্টা ক্ষেতের ক্ষতিসাধন করে। খবর পেয়ে বিজিবি, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। ইতোমধ্যে হাতির আক্রমণে নুরজামান নামে স্থানীয় এক যুবক প্রাণ হারিয়েছেন।

গ্রামের কয়েক ব্যক্তি জানান, বন্য হাতি প্রবেশ করায় তারা আতঙ্কের মধ্যে আছেন।

রাতে এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত হাতি দুটি নিরাপত্তা ঘেরাওয়ের মধ্যে রয়েছে।

স্থানীয় বনবিভাগের বিট অফিসার নুরুল হুদা বলেন, ‘বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের কাশিমগঞ্জে দুটি বন্য হাতির খবর পেয়ে আমাদের বনবিভাগের কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এসেই হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে জনসাধারণকে হাতি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে বলা হয়েছে। গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। হাতি দুটি একটি ভুট্টা ক্ষেতে অবস্থান নিয়েছে।’

এদিকে হাতির আক্রমণে গুরুতর আহত হওয়ার পর নুরজামানকে তেঁতুলিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধা সাড়ে ৭টায় তিনি মারা যান।

তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি বলেন, ‘বন্য হাতি প্রবেশের খবর পেয়ে এলাকায় পুলিশ, বিজিবি, বনবিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কেউ যাতে হাতিগুলোকে বিরক্ত না করে সে বিষয়ে মাইকে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সবাইকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠকের পর করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

বন্যপ্রাণি আলোকচিত্রী ফিরোজ আল সাবাহ বলেন, ‘হাতিগুলো সম্ভবত খাদ্যের সন্ধানে সীমান্ত পেরিয়ে এসেছে। ওদের উত্তেজিত না করলে কাউকে আক্রমণ করবে না। দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। দুটির মধ্যে একটি মা অন্যটি শাবক হতে পারে।’

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ৬ জানুয়ারি সকালে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা সীমান্তে ভারতীয় বন্য হাতির আক্রমণে রুমা নামে অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়। আবার গভীর রাতে সেটি ভারতে ফিরে যায়।

মন্তব্য

জীবনযাপন
Covered in a cycle of unhealthy air

অস্বাস্থ্যকর বাতাসের চক্রে ঢাকা

অস্বাস্থ্যকর বাতাসের চক্রে ঢাকা রাজধানীতে ধুলায় আচ্ছন্ন সড়ক ধরে গন্তব্যে যাচ্ছেন যাত্রীরা। ছবি: গ্রিন ল্যাব
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানি আইকিউ এয়ারের তালিকায় গত চার দিন ধরে শীর্ষ দশে অবস্থান করছে ঢাকা। এ সময়ে রাজধানী শহরের বাতাস ছিল ‘অস্বাস্থ্যকর’ থেকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে।

মানে সামান্য হেরফের হলেও অস্বাস্থ্যকর বাতাসের চক্রে ঘুরপাক খাচ্ছে ঢাকা।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানি আইকিউ এয়ারের তালিকায় গত চার দিন ধরে শীর্ষ দশে অবস্থান করছে ঢাকা। এ সময়ে রাজধানী শহরের বাতাস ছিল ‘অস্বাস্থ্যকর’ থেকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে।

আইকিউ এয়ারের তালিকা অনুযায়ী, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার সরকারি ছুটির দিনে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ছিল ঢাকার বাতাস। ওই দিন বেলা ১১টা ৫১ মিনিটে ঢাকার বাতাসে মানব স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৩৪ দশমিক ৬ গুণ বেশি।

সরকারি ছুটির দিন শনিবার আইকিউ এয়ারের তালিকায় আগের দিন তুলনায় কিছুটা উন্নতি হলেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ছিল ঢাকার বাতাস। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকার বাতাসে মানব স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল ডব্লিউএইচওর আদর্শ মাত্রার চেয়ে ২৮ দশমিক ১ গুণ বেশি।

সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে আইকিউ এয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৭২ স্কোর নিয়ে বাতাসের নিম্ন মানে ১১১টি শহরের মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে ছিল ঢাকা। ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানব স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল ডব্লিউএইচওর আদর্শ মাত্রার চেয়ে ২০ দশমিক ৮ গুণ বেশি।

সপ্তাহের দ্বিতীয় কর্মদিবস সোমবার বেলা ১১টা ১২ মিনিটে বিশ্বের ১১১টি শহরের মধ্যে বাতাসের নিম্ন মানে তৃতীয় অবস্থানে ছিল ঢাকা। এ সময়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল ভারতের দিল্লি ও পাকিস্তানের লাহোর।

অস্বাস্থ্যকর বাতাসের চক্রে ঢাকা

আইকিউ এয়ারের ডেটা অনুযায়ী, সোমবারের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানব স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল ডব্লিউএইচওর আদর্শ মাত্রার চেয়ে ২৩ দশমিক ২ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউ এয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ বেলা ১১টা ১২ মিনিটে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৮৪। এর মানে হলো ওই সময়টাতে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাসের মধ্যে বসবাস করতে হয় রাজধানীবাসীকে।

আরও পড়ুন:
‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে তালিকায় তৃতীয় ঢাকা
‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় ঢাকা
মানের অবনতি, দূষিত বাতাসে ফের শীর্ষে ঢাকা
ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে নিম্ন মানে ফের শীর্ষে ঢাকা

মন্তব্য

জীবনযাপন
Dhakas air is unhealthful low mean fourth

ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’, নিম্ন মানে চতুর্থ

ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’, নিম্ন মানে চতুর্থ বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে আইকিউ এয়ারের তালিকায় ঢাকার অবস্থান চতুর্থ। ফাইল ছবি
আইকিউ এয়ারের তালিকা অনুযায়ী, রোববার দুপুরে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ২০ দশমিক ৮ গুণ বেশি।

বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে আইকিউ এয়ারের তালিকায় ঢাকার অবস্থান চতুর্থ।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে রোববার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে ১৭২ স্কোর নিয়ে বাতাসের নিম্ন মানে ১১১টি শহরের মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে ছিল ঢাকা।

এর আগে শনিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ১৯৫ স্কোর নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে ছিল ঢাকা।

একই সময় রোববার এ তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে ছিল পাকিস্তানের লাহোর, নেপালের কাঠমান্ডু ও কিরগিজস্তানের বিশকেক।

আইকিউ এয়ারের তালিকা অনুযায়ী, রোববার দুপুরে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ২০ দশমিক ৮ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউ এয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ দুপুরে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৭২। এর মানে হলো ওই সময়টাতে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাসের মধ্যে বসবাস করতে হয় রাজধানীবাসীকে।

আরও পড়ুন:
মানের অবনতি, দূষিত বাতাসে ফের শীর্ষে ঢাকা
ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে নিম্ন মানে ফের শীর্ষে ঢাকা
আজও ঢাকার বাতাস ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’
বাতাসের নিম্ন মানে ফের শীর্ষে ঢাকা

মন্তব্য

জীবনযাপন
Means improvement yet unhealthy Dhaka air

মানে উন্নতি, তবু ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস

মানে উন্নতি, তবু ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস রাজধানীতে ধুলায় আচ্ছন্ন সড়ক ধরে গন্তব্যে যাচ্ছেন যাত্রীরা। ছবি: গ্রিন ল্যাব
আইকিউ এয়ারের তালিকা অনুযায়ী, শনিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ২৮ দশমিক ১ গুণ বেশি।

বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে আইকিউ এয়ারের তালিকায় গতকাল তৃতীয় অবস্থানে থাকা ঢাকার বায়ুর মানের উন্নতি হয়েছে, তবে ‘অস্বাস্থ্যকরই’ রয়ে গেছে বাংলাদেশের রাজধানীর বাতাস।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে শনিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ১৯৫ স্কোর নিয়ে বাতাসের নিম্ন মানে ১১১টি শহরের মধ্যে ষষ্ঠ অবস্থানে ছিল ঢাকা।

এর আগে শুক্রবার বেলা ১১টা ৫১ মিনিটে কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে ছিল বাংলাদেশের রাজধানী।

একই সময় শনিবার এ তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে ছিল ভারতের কলকাতা, দিল্লি ও পাকিস্তানের লাহোর।

আইকিউ এয়ারের তালিকা অনুযায়ী, শনিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ২৮ দশমিক ১ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউ এয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ ওই সময়ে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৯৫। এর মানে হলো ওই সময়টাতে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাসের মধ্যে বসবাস করতে হয় রাজধানীবাসীকে।

আরও পড়ুন:
মানের অবনতি, দূষিত বাতাসে ফের শীর্ষে ঢাকা
ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে নিম্ন মানে ফের শীর্ষে ঢাকা
আজও ঢাকার বাতাস ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’
বাতাসের নিম্ন মানে ফের শীর্ষে ঢাকা

মন্তব্য

p
উপরে