× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
What to do to protect pets health in severe winters
google_news print-icon

তীব্র শীতে পোষা প্রাণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয়

তীব্র-শীতে-পোষা-প্রাণীর-স্বাস্থ্য-সুরক্ষায়-করণীয়
পোষা প্রাণী। ছবি: সংগৃহীত
পশুপাখিদের অধিকাংশেরই প্রকৃতি প্রদত্ত লোমের আবরণ থাকলেও এটি কখনই মনে করা ঠিক নয় যে, তাদের ঠান্ডাতে কোনো সমস্যাই হবে না। পাতলা লোমযুক্ত পূর্ণ বয়স্ক পশু এমনকি অধিক লোমশ পশুগুলোর মধ্যে যারা বেশি সংবেদনশীল, তারা সঠিক সুরক্ষা ছাড়া বেশিক্ষণ বাইরে থাকলে হাইপোথার্মিয়াতে আক্রান্ত হতে পারে। শরীরের বেশিরভাগ অংশকে ঢেকে রাখা সুন্দর একটি সোয়েটার দিতে পারে এই সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী সমাধান।

তীব্র শীত গৃহপালিত পশুপাখির জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। এমনকি রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো পশুপাখিরাও পড়তে পারে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে। যারা পশুপাখি পালনে আগ্রহী তাদের শীতকালে নিজের পাশাপাশি তাদের পোষা প্রাণীটির দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। চলুন, জেনে নেই, কীভাবে শীতকালীন অসুস্থতা থেকে পোষা প্রাণীদের মুক্ত রাখবেন।

পোষা প্রাণীকে ঘরের ভেতরে রাখা

ঠান্ডা থেকে পোষা প্রাণীদের নিরাপদ রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হল দিনের বেশির ভাগ সময় এবং সারারাত ঘরের ভেতরে রাখা। কুকুর বা বিড়ালের রাতে বাইরে বের হবার প্রবণতা থাকে। তারা প্রায় সময়ই রাস্তার বেওয়ারিশ পশুগুলোর সংস্পর্শে যেয়ে নানা ধরনের জীবাণুবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়। বিশেষ করে খুব বেশি সংবেদনশীল বিড়াল এবং কুকুরের ক্ষেত্রে হাইপোথার্মিয়ার ভয় থাকে।

তাই পোষা পশুপাখিদের রাতের পুরোটা সময় ঘরের ভেতরে রেখে দিনের কিছুটা সময় সঙ্গে নিয়ে বের হওয়া যেতে পারে শারীরিক অনুশীলনের জন্য। কেননা শীতের সময় দৌড়ঝাপ, খেলাধুলা, বা কিছু সময় হেঁটে বেড়ানো এদের শরীর গরম রাখতে পারে।

থাকার জায়গাগুলোকে উষ্ণ রাখা

ঘরে উপযুক্ত উষ্ণতা না পেলে পোষা প্রাণীরা স্বাভাবিকভাবেই ঘরের ভেতর থাকতে চাইবে না। এ ছাড়া অনেক গৃহপালিত পশুপাখি আছে যারা বাড়ির বাইরেই রাখতে হয়। এদের থাকার জায়গাটিকে শুষ্ক রাখতে হবে এবং এমনভাবে মজবুত ঘেরযুক্ত করে দিতে হবে যাতে এরা ভালোভাবে বসতে এবং শুতে পারে।

বাড়ির ঠান্ডা মেঝে থেকে পোষা প্রাণীদের বাঁচানোর জন্য গরম মাদুর বিছিয়ে দেওয়া ভালো উপায়। আর ঘুমানোর জায়গাটিতে দেয়া যেতে পারে ছোট গরম বিছানা ও পশুদের জন্য নির্ধারিত কম্বল।

তবে খুব অল্প বয়স্ক অথবা অধিক বয়স্ক পশুগুলোর অতিরিক্ত গরম অনুভূত হতে পারে, তাই সতর্ক থাকতে হবে। এদের জন্য হিটিং প্যাড বেশ কাজে দিতে পারে। এগুলো মূলত প্রাণীদের জয়েন্টের ব্যথা হওয়া থেকে দূরে রাখে।

পোষা প্রাণীর শীতের পরিধেয়

পশুপাখিদের অধিকাংশেরই প্রকৃতি প্রদত্ত লোমের আবরণ থাকলেও এটি কখনই মনে করা ঠিক নয় যে, তাদের ঠান্ডাতে কোনো সমস্যাই হবে না। পাতলা লোমযুক্ত পূর্ণ বয়স্ক পশু এমনকি অধিক লোমশ পশুগুলোর মধ্যে যারা বেশি সংবেদনশীল, তারা সঠিক সুরক্ষা ছাড়া বেশিক্ষণ বাইরে থাকলে হাইপোথার্মিয়াতে আক্রান্ত হতে পারে। শরীরের বেশিরভাগ অংশকে ঢেকে রাখা সুন্দর একটি সোয়েটার দিতে পারে এই সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী সমাধান।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে লোমশ ছোট আকৃতির পশুগুলোর বেলায় এই পরিধেয়ের দরকার পড়ে না। ঠান্ডার মধ্যে শীত থেকে আপনার আদরের পোষ্যটির পা বাঁচাতে এক জোড়া বুটি হতে পারে দারুণ একটি উপায়। বুটিগুলো পশুর থাবাগুলোতে ময়লা জমা হওয়া থেকে রক্ষা করে।

তীব্র শীতে পোষা প্রাণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয়
পোষা প্রাণীর শীতের পরিধেয়। ছবি: সংগৃহীত

শরীরের উন্মুক্ত জায়গাগুলো পরিষ্কার রাখা

বাইরে থেকে ঘরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে নিজে পরিষ্কার হওয়ার পাশাপাশি পোষ্য প্রাণীটিকেও পরিষ্কার করা জরুরি। ঠান্ডার সময় বাইরে ধূলো-ময়লা পায়ের আঙুলগুলোর মাঝে ঢুকে জ্বালা করতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে সেগুলো জিহ্বা দিয়ে চাটতে দেখা যায়। এখানে ক্ষতিকর কোনো রাসায়নিক উপাদান থাকলে তা তাদের মুখে জ্বালা হওয়ার কারণ হতে পারে। তাই ঘরে ঢুকেই প্রথমে একটি আর্দ্র তোয়ালে দিয়ে পোষা প্রাণীটির পা মুছতে হবে। এ ছাড়া কুয়াশায় পশম ভিজে দীর্ঘক্ষণ স্যাঁতসেঁতে অবস্থায় রেখে দিলে শুষ্ক ত্বকসহ পোষা প্রাণীটির অন্যান্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ সময় হালকা গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে মৃদু শুকিয়ে পোষ্যটির শরীর মুছে দিয়ে শুকিয়ে নেওয়া উচিত।

সবচেয়ে ভালো বিকল্প হচ্ছে বুটি আর সোয়েটার থাকলে ব্যবহার করা। তাহলে পোষা প্রাণীদের কান, নাক, পা ও লেজ কুয়াশায় ভিজে যাওয়ার ভয় থাকবে না।

শীতে পোষা প্রাণীর ত্বকের যত্ন

ঠান্ডার তীব্রতা থেকে পোষা প্রাণীদের ত্বক বাঁচাতে ঘন ঘন গোসল করানো যাবে না। অতিরিক্ত আর্দ্রতা প্রদানের জন্য উপযুক্ত হচ্ছে খাদ্যে নারিকেল তেল ব্যবহার করা। শুধুমাত্র পোষ্য পশু-পাখিদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি কিছু নিরাময় মলম আছে, সেগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ছাড়াও পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করা যেতে পারে। এগুলো প্রয়োগ করতে হয় নাক ও পায়ের আঙুলের আশেপাশে লাল দাগযুক্ত জায়গাতে।

গাড়ি ছাড়ার সময় সতর্কতা

বিভিন্ন বয়সের কুকুর বা বিড়ালকে প্রায়শই গাড়ির আশেপাশে আড়াল নিয়ে বসে থাকতে বা ঘুমাতে দেখা যায়। শীত-গরম নির্বিশেষে সর্বদাই ইঞ্জিনের কারণে গাড়ি উত্তপ্ত থাকায় পশুগুলো সেই উষ্ণতা পোহাতে চায়। তাই গাড়ির ইঞ্জিন চালুর সময় আগেই চারপাশটা ভালো করে দেখে নিতে হবে। নতুবা মারাত্মক দুর্ঘটনার উপক্রম হতে পারে। দুর্ঘটনা এড়াতে গাড়ি ছাড়ার পূর্বে বোনেট, হুডের উপর আঘাত করা এবং হর্ন বাজানো যেতে পারে।

শীতকালে পোষা প্রাণীর খাবার

শীতের মাসগুলোতে যেকোনো প্রাণীর দেহ অন্যান্য সময় অপেক্ষা দ্রুত শক্তি ক্ষয় হয়, যা পুষিয়ে নিতে প্রয়োজন হয় অতিরিক্ত খাবারের। এ ছাড়া ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ সঠিক খাবার পশুগুলোর পশমের সঠিক বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। আর এ সময় ঘন পশম মানেই উষ্ণতা ধরে রাখার উপযোগী স্বাস্থ্যকর ত্বক।

গরম পানির ব্যবস্থা রাখা

যেসব পশুপাখি দ্রুত ক্যালরি খরচ করে, শীতকালে তাদের শরীরে পানি শূন্যতা তৈরি হয়। এ সময় শুষ্ক বাতাস পোষা প্রাণীদের তৃষ্ণা বাড়ায়। তাই পোষা পশুপাখিদের পানির পাত্রগুলো সর্বদা পূর্ণ রাখা জরুরি। এক্ষেত্রে চওড়া পাত্রের পরিবর্তে গভীর পাত্র ব্যবহার করতে হবে এবং দিনে দুইবার কুসুম গরম পানি পাল্টে দিতে হবে।

হাইপোথার্মিয়ার বিষয়ে সর্তক থাকা

শীতে পোষা প্রাণীদের সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্য ঝুঁকি হচ্ছে হাইপোথার্মিয়া। এই রোগের লক্ষণগুলো হলো ঘন ঘন তন্দ্রা, কাঁপুনি, দ্রুত হৃদস্পন্দন, ফ্যাকাশে মাড়ি, চোখের মণির কালো অংশ বড় হয়ে যাওয়া, এবং চেতনা হ্রাস পাওয়া।

এই লক্ষণগুলোর যে কোনোটি দেখা দিলে অবিলম্বে নিকটস্থ পশুচিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা আবশ্যক। এমতাবস্থায় বিশেষজ্ঞের নির্দেশনা পাওয়ার আগ পর্যন্ত তাৎক্ষণিকভাবে আক্রান্ত পোষ্যটিকে একটি উষ্ণ জায়গায় রাখা যেতে পারে।

তীব্র শীতে পোষা প্রাণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয়
হাইপোথার্মিয়ার বিষয়ে সর্তক থাকতে হবে। ছবি: সংগৃহীত

শীতের রাসায়নিক দ্রব্যগুলোকে তাদের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রাখা

প্রচণ্ড শীতের সময়ে প্রায় বাসায় বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিফ্রিজ সামগ্রী ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এগুলো পশুপাখিদের কিডনির কার্যকারিতা এবং স্নায়বিক অবস্থাকে ব্যাহত করে।

এগুলোর মধ্যে ইথিলিন গ্লাইকোল বিশেষ করে কুকুর এবং বিড়ালের জন্য ক্ষতিকর, কেননা পশুগুলো প্রায়ই এর মিষ্টি স্বাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়। রাসায়নিক বস্তুর কন্টেইনারগুলো খোলা থাকলে অথবা যেকোনোভাবে অ্যান্টিফ্রিজ সামগ্রী মেঝেতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তখন কুকুর বা বিড়াল এগুলোতে সরাসরি মুখ দিতে পারে বা পা ভেজানোর পর তা চেটে খেতে পারে। তাই কোনোভাবেই যেন এরকম অবস্থার সৃষ্টি না হয় সেদিকে কড়া নজর রাখা আবশ্যক।

প্রাথমিক চিকিৎসার কিট রাখা

শীতকালে পোষা পশুপাখিদের নিয়মিত যত্নের পাশাপাশি সেরা সংযোজন হতে পারে বাড়িতে সর্বদা এদের জন্য নির্ধারিত একটি প্রাথমিক চিকিৎসার কিট রাখা। আর ঠান্ডার এই সময়টাতে আপনার আদরের পোষ্যটির যেকোনো জরুরি অবস্থায় সঠিক থেরাপি বা ওষুধের জন্য একজন অভিজ্ঞ পশু চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হতে হবে।

সূত্র: ইউএনবি

আরও পড়ুন:
খাঁচা থেকে মুক্ত আকাশে তিন টিয়া
কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া বনে উল্টোলেজি বানর
বিলুপ্ত প্রজাতির গন্ধগোকুল উদ্ধার করে লাউয়াছড়ায় অবমুক্ত
বিশ্ব প্রাণী দিবস আজ: আসুন প্রাণিবন্ধু হই
চা বাগানে গাছ পোড়ানোয় ঝুঁকিতে বন্যপ্রাণী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
What to do to avoid fire in Dabdaha

দাবদাহে অগ্নিকাণ্ড থেকে বাঁচতে করণীয়

দাবদাহে অগ্নিকাণ্ড থেকে বাঁচতে করণীয় দাবদাহের মধ্যে আগুন থেকে বাঁচতে বেশ কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। ফাইল ছবি
ফায়ার সার্ভিস মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহজাহান শিকদার বলেন, ‘আপনার সতর্কতা এবং আপনার প্রতিবেশীকে সতর্ক করার মধ্য দিয়ে কিন্তু নিরাপদ থাকা সম্ভব। এ ছাড়া আপনার এবং আপনার পরিবারের সকল সদস্যের মোবাইলে নিকটস্থ ফায়ার স্টেশনের ফোন নম্বর সেভ করে রাখুন। যেকোনো সময় ফায়ার সার্ভিসকে দ্রুত রেসপন্স করার জন্য ১৬১৬৩ হটলাইন অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ কিংবা নিকটতম ফায়ার স্টেশনের ফোন নম্বরে দ্রুত কল করুন এবং ফায়ার সার্ভিসের সেবা গ্রহণ করুন।’

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে দাবদাহ। এ সময়ে অগ্নিকাণ্ড থেকে বাঁচতে করণীয় কী কী, তা জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহজাহান শিকদার।

এক ভিডিওবার্তায় তিনি বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন, যা তার ভাষায় তুলে ধরা হলো নিউজবাংলার পাঠকের জন্য।

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সতর্কতা

সম্মানিত দর্শকমণ্ডলী, প্রচণ্ড তাপদাহ চলছে এবং এটি আরও কিছুদিন ধরে কন্টিনিউ করতে পারে। এ সময় কিন্তু অগ্নিদুর্ঘটনার ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সে জন্য এই তাপদাহের সময় অগ্নিদুর্ঘটনা থেকে বেঁচে থাকার জন্য আমাদের আরও বেশি সতর্ক হওয়া লাগবে।

বিশেষ করে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অধিক সতর্ক হওয়া লাগবে। বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এবং যন্ত্রাংশ ব্যবহারের সময় এটি একটানা দীর্ঘসময় ব্যবহার না করে মাঝে মাঝে বিরতি দেয়া লাগবে এবং এগুলো যারা পরিচালনা করেন, শ্রমিক যারা তাদেরও কিন্তু দীর্ঘসময় ধরে একটানা কাজ না করিয়ে মাঝে মাঝে তাদেরকেও বিরতি দিতে হবে। তাহলে কিন্তু অগ্নিদুর্ঘটনার শঙ্কা হ্রাস পাবে এবং সীমিত থাকবে।

বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ত্রুটিমুক্ত রাখা

সকল ধরনের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ত্রুটিমুক্ত আছে কি না, এখনই চেক করতে হবে। ত্রুটিপূর্ণ থাকলে তা বদলে ফেলতে হবে। একটি বৈদ্যুতিক লাইন থেকে অথবা একটি মাল্টিপ্লাগ থেকে অতিরিক্ত সংযোগ নেয়া যাবে না। এই জাতীয় সংযোগ থেকে কিন্তু দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।

বৈদ্যুতিক লাইন ব্যবহারে সতর্কতা

বৈদ্যুতিক লাইন ব্যবহারের ক্ষেত্রে যখন ব্যবহার বন্ধ হয়ে যাবে, সব ধরনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে। অফ করে রাখতে হবে।

রান্নার ক্ষেত্রে সতর্কতা

এ ছাড়া আমরা আবাসিক ভবনে যারা রান্নার কাজ করি, রান্না রেখে দূরে সরে যাওয়া যাবে না। রান্না শেষে অবশ্যই চুলা পুরোপুরি নিভিয়ে ফেলতে হবে এবং গ্রামেগঞ্জে রান্না করছি যেখানে ছাই যেন উত্তপ্ত না থাকে, ছাইও নিশ্চিন্তভাবে নিভিয়ে ফেলতে হবে।

ধূমপান পরিহার

আবাসিক ভবন ও কারখানায় কোনোভাবেই কিন্তু ধূমপান করা যাবে না। অপরিহার্য ক্ষেত্রে বাইরে যারা ধূমপান করবেন, বিড়ি-সিগারেটের শেষ অংশ সতর্কভাবে, সচেতনভাবে নিভিয়ে ফেলতে হবে এবং গাড়িতে চলাচলের সময় ধূমপান করে যেখানে সেখানে কিন্তু সিগারেটের অংশ ফেলা যাবে না।

বারবিকিউ পার্টি না করা

বাড়ির ছাদে, বারান্দায় অথবা আশপাশে দাহ্য বস্তু আছে, এমন খোলা জায়গায় এ সময় বারবিকিউ পার্টি করবেন না। কারণ একটি স্ফূলিঙ্গ উড়ে গিয়ে ভয়াবহ অগ্নিদুর্ঘটনার সৃষ্টি করতে পারে। এই সময় ক্যাম্প ফায়ার, ফানুস ওড়ানো অথবা আতশবাজিকে পুরোপুরি না বলুন।

গাড়িতে অবস্থান ও পার্কিংয়ে সতর্কতা

ফিলিং স্টেশন থেকে তেল ও গ্যাস সংগ্রহের সময় অনুগ্রহপূর্বক কেউ গাড়িতে অবস্থান করবেন না। সবাই সচেতন থাকবেন। বিশেষ করে ফিলিং স্টেশনের মালিক এবং যারা কর্মরত আছেন, তাদের এ ব্যাপারে অধিক মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।

এ সময় সরাসরি রোদ পড়ে এমন জায়গায় গাড়ি পার্কিং করবেন না। গাড়ি ছায়ার মধ্যে পার্কিং করবেন বা যেখানে ছায়া আছে, এমন জায়গায় গাড়ি পার্ক করবেন।

আগুন নিয়ে খেলা পরিহার

এ সময় বাচ্চাদের আগুন নিয়ে খেলতে দেবেন না এবং আপনার হাতের কাছে অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম সংরক্ষণ করুন। সরঞ্জাম ত্রুটিমুক্ত আছে কি না, তা পরীক্ষা করুন এবং এগুলোর সামনে কোনো ব্যারিয়ার তৈরি করবেন না।

ফায়ার সার্ভিসের সহায়তা পেতে

আপনার সতর্কতা এবং আপনার প্রতিবেশীকে সতর্ক করার মধ্য দিয়ে কিন্তু নিরাপদ থাকা সম্ভব। এ ছাড়া আপনার এবং আপনার পরিবারের সকল সদস্যের মোবাইলে নিকটস্থ ফায়ার স্টেশনের ফোন নম্বর সেভ করে রাখুন। যেকোনো সময় ফায়ার সার্ভিসকে দ্রুত রেসপন্স করার জন্য ১৬১৬৩ হটলাইন অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ কিংবা নিকটতম ফায়ার স্টেশনের ফোন নম্বরে দ্রুত কল করুন এবং ফায়ার সার্ভিসের সেবা গ্রহণ করুন।

আরও পড়ুন:
কুমারগাঁও বিদ্যুৎকেন্দ্রে যে কারণে বার বার অগ্নিকাণ্ড
আগুনে পুড়ল ফিরিঙ্গি বাজারের বস্তির ২ শতাধিক ঘর
এক ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে ফিরিঙ্গি বাজার বস্তির আগুন
সিলেটের কুমারগাঁও বিদ্যুৎকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ড, সরবরাহ বিঘ্নিত
হাজারীবাগে বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড

মন্তব্য

জীবনযাপন
How to use gas cylinders safely in the kitchen

রান্নাঘরে নিরাপদে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারের উপায়

রান্নাঘরে নিরাপদে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারের উপায় রান্না শুরু করার আধঘণ্টা আগে থেকেই রান্নাঘরের দরজা-জানালা খুলে দিতে হবে। ছবি: সংগৃহীত
কোনো ধরনের দাহ্য বস্তু সিলিন্ডারের সংস্পর্শে আনা যাবে না। লম্বা পাইপের সাহায্যে চুলা থেকে অন্তত ৩ ফুট দূরত্বে সিলিন্ডারটিকে স্থাপন করতে হয়। যত বেশি দূরে রাখা যায় ততই নিরাপদ।

রাজধানীর পশ্চিম ভাষানটেকে সম্প্রতি সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় আগুনে দগ্ধ হন একই পরিবারের ছয়জন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন চারজন এবং বাকি দুজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

দেশের কোনো না কোনো জায়গায় এমন সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুন লাগার ঘটনা সংবাদের শিরোনাম হচ্ছে প্রায়ই। নানা ধরনের দুর্ঘটনার পরেও এলপিজি (লিকুইড পেট্রোলিয়ম গ্যাস) সিলিন্ডারগুলো বর্তমানে গ্যাস যোগানের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। সঠিক ব্যবহার না জানায় জীবনের জন্য এ প্রয়োজনীয় বস্তুটিই ভয়াবহ মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

দুর্ঘটনা এড়িয়ে বাড়িতে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারের নিরাপত্তামূলক কিছু পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি। জেনে নেয়া যাক গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারে ৮টি প্রয়োজনীয় সতর্কতা।

১. অনুমোদিত বিক্রেতা

এলপিজি সিলিন্ডারের সুষ্ঠু ব্যবহারের প্রথম শর্ত হচ্ছে সেটি কেনার জন্য সঠিক বিক্রেতাকে বাছাই করা। তাই সর্বপ্রথম কাজ হচ্ছে জাতীয়ভাবে স্বীকৃত একটি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান খুঁজে বের করা। তারপর তাদের সূত্র ধরে খুঁজে বের করতে হবে যে, নির্দিষ্ট এলাকায় তাদের অনুমোদিত বিক্রেতা আছে কিনা। এ ক্ষেত্রে তাদের বিক্রয় পরবর্তী সেবা এবং গ্যাস রিফিল সেবা সম্পর্কে ভালোভাবে যাচাই করতে হবে।

এ ছাড়া সিলিন্ডার কেনার মুহূর্তে প্রধান দুটি বিষয় দেখে নিতে হবে।

- সিলিন্ডারে সেই প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের সিল রয়েছে কি না

- সিলিন্ডারটির সেফটি ক্যাপ সুরক্ষিত ভাবে লাগানো রয়েছে কি না

২. মেয়াদ থাকা গ্যাস সিলিন্ডার

একজন অনুমোদিত সিলিন্ডার সরবরাহকারী কখনোই মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি করবেন না। গ্যাস সিলিন্ডার সাধারণত ন্যূনতম প্রতি ১০ বছরে প্রতিস্থাপন বা পুনরায় পরীক্ষা করা উচিত। অন্য তথ্যের সঙ্গে মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখটি সিলিন্ডারের বডিতেই লিপিবদ্ধ থাকে। প্রস্তুতের তারিখ থেকে ১০ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলে সিলিন্ডারের গুণগত মান হারাতে থাকে। ফলে সেটি পুনরায় গ্যাস রিফিলের জন্য উপযুক্ত থাকে না।

৩. সিলিন্ডারকে সর্বদা উপরের দিকে মুখ করে রাখা

স্পষ্ট করে ভিন্ন কোনো নির্দেশনা না থাকলে এলপিজি সিলিন্ডার ওপরের দিকে মুখ করে সোজা অবস্থায় রাখা উচিত। উল্টো করে কিংবা যে কোনো একদিকে কাত করে রাখা যাবে না। মোট কথা এমনভাবে রাখতে হবে যেন সেটি স্থিরভাবে এক জায়গায় থাকতে পারে। এ সময় আশেপাশের কোনো কিছুর সঙ্গে সিলিন্ডারের যেন কোনো ধাক্কা না লাগে। খালি বা গ্যাস ভরা সিলিন্ডার, উভয় ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য। এ অবস্থায় রাখলে তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস লিক করে আগুন লাগার ঝুঁকি থাকে না।

৪. সিলিন্ডার স্থাপনের জায়গায় সঠিক বাতাস চলাচল

বদ্ধ জায়গায় জমা হওয়া এলপিজি ধোঁয়া বিপদের লক্ষণ। তাই সিলিন্ডারের সুরক্ষার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হচ্ছে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল। এর জন্য সিলিন্ডারটি রাখার জন্য যতটা সম্ভব উন্মুক্ত পরিবেশের ব্যবস্থা করতে হবে। বাড়ির যে জায়গাটি বেশি খোলামেলা সেখানে মাটির ওপর সমতলে রাখা যেতে পারে, তবে সরাসরি সূর্যালোক পড়ে এমন জায়গা থেকে দূরে রাখাই ভালো।

৫. সিলিন্ডার স্থাপনের জায়গাটির সুরক্ষা

আবদ্ধ এবং স্যাঁতসেঁতে জায়গায় সিলিন্ডার রাখা ঠিক নয়। বরং যেখানে বিশৃঙ্খলা কম এমন খোলামেলা, বিচ্ছিন্ন এবং পরিষ্কার শুষ্ক জায়গা নির্বাচন করা জরুরি। চুলার খুব কাছাকাছি তো রাখা যাবেই না, বরং লম্বা পাইপের সাহায্যে চুলা থেকে অন্তত ৩ ফুট দূরত্বে সিলিন্ডারটিকে স্থাপন করতে হয়। যত বেশি দূরে রাখা যায় ততই নিরাপদ।

৬. কোনো ধরনের দাহ্য বস্তু সিলিন্ডারের সংস্পর্শে না আনা

কাগজ, অ্যারোসল, পেট্রল, পর্দা এবং রান্নার তেলের মতো দাহ্য বস্তু সর্বদা এলপিজি সিলিন্ডার থেকে দূরে রাখা উচিত। ছোট্ট আগুনের সূত্রপাত ঘটাতে পারে এমন সবকিছুই বর্জনীয়; এমনকি ধূমপানের জন্য ম্যাচের কাঠি বা দিয়াশলাইও।

৭. রান্নার সময় করণীয়

রান্না শুরু করার আধঘণ্টা আগে থেকেই রান্নাঘরের দরজা-জানালা খুলে দিতে হবে, এতে করে বাতাস চলাচল করতে পারবে। রান্নাঘর যথেষ্ট প্রশস্ত না হলে সিলিন্ডার রান্নাঘরে রাখা উচিত নয়। রান্না শেষে চুলার চাবি বন্ধ করতে কোনো মতেই ভুলে যাওয়া চলবে না। এ ছাড়া উচ্চ ভোল্টেজের ইলেক্ট্রনিক ও বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি সিলিন্ডারের আশেপাশে রাখা যাবে না।

৮. নিয়মিত পরিদর্শন ও রক্ষণাবেক্ষণ

এলপিজি সিলিন্ডারের সংযোগগুলো ক্ষয়ক্ষতি ও লিক জনিত যে কোনো লক্ষণের জন্য আগে থেকেই পরীক্ষা করে নেয়া উচিত। আর একটি নির্দিষ্ট রুটিন মেনে পরিদর্শন এ পরীক্ষার কাজে সহায়ক হবে।

এর বাইরেও অনেক সময় কোনো ফাটল চোখে পড়তে পারে বা গ্যাস লিকের মতো আশঙ্কাজনক কোনো শব্দ কানে আসতে পারে। এ সময় অবিলম্বে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে সিলিন্ডার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা আবশ্যক।

এ ছাড়া শুধু সিলিন্ডারই নয়, এর সঙ্গে ব্যবহৃত বিভিন্ন পার্টসগুলোর প্রতিও দৃষ্টি রাখা আবশ্যক। এগুলোর মধ্যে আছে সিলিন্ডার রেগুলেটর, সংযোগ পাইপ, ভাল্ভ ক্যাপসহ নানাবিধ ছোট ছোট যন্ত্রাংশ।

আরও পড়ুন:
তাপপ্রবাহে আমের গুটি টেকাতে যে পরামর্শ দিলেন বিশেষজ্ঞ
বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ
ফতুল্লায় চায়ের দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একজন দগ্ধ
সিলিন্ডার বিস্ফোরণে প্রাণ গেল যুবকের
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি

মন্তব্য

জীবনযাপন
What to do to avoid dehydration during fasting

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে করণীয়

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে করণীয় ইফতার ও সেহরির মধ্যবর্তী সময়ে আট থেকে ১২ কাপ পানি পান করুন। ছবি: সংগৃহীত
গবেষণায় দেখা যায়, প্রচুর চিনি থাকায় মিষ্টিজাতীয় খাবার খেলে তৃষ্ণা বাড়ে। এর পরিবর্তে ফল খেতে পারেন, যা দেহে তরলের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি তৃষ্ণাও মেটায়।

সিয়াম সাধনার মাস রমজানে ভোররাত থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাবারের পাশাপাশি পানি পান থেকে বিরত থাকেন মুসলিমরা। রোজায় দেহে পানিশূন্যতার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা থেকে হতে পারে অবসাদ ও বমি বমি ভাব।

কাতারের প্রধান অলাভজনক স্বাস্থ্যসেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হামাদ মেডিক্যাল করপোরেশন জানিয়েছে, সাধারণত শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক, ডায়াবেটিস, কিডনি বা অন্যান্য দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত কিংবা সূর্যের নিচে শারীরিক ব্যায়াম করা লোকজন পানিশূন্যতার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকেন।

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে ৭টি উপায়

হামাদ মেডিক্যাল করপোরেশন পানিশূন্যতা এড়াতে সাতটি পরামর্শ দিয়েছে।

১. ইফতার ও সেহরির মধ্যবর্তী সময়ে আট থেকে ১২ কাপ পানি পান করুন। ঠান্ডা পানির তুলনায় দ্রুত শোষণ হয় বলে কুসুম গরম পানি পান করা যেতে পারে।

২. রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে প্রতিদিন স্যুপ খেতে পারেন। শরীরে তরলের চাহিদা পূরণের ভালো উৎস হতে পারে খাবারটি।

৩. তরমুজ, টমেটো, শসা, আঙুরের মতো ফল ও সবজিতে অনেক পানি থাকে, যা তৃষ্ণা কমাতে সাহায্য করে।

৪. ইফতারে উচ্চ মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ এ ধরনের খাবার শরীরে পানির চাহিদা বাড়ায়। এ ছাড়া সালাদ ও তরকারিতে লবণ কম দেয়া উচিত। বেশি পরিমাণে লবণ খেলে বাড়তে পারে তৃষ্ণা।

৫. গবেষণায় দেখা যায়, প্রচুর চিনি থাকায় মিষ্টিজাতীয় খাবার খেলে তৃষ্ণা বাড়ে। এর পরিবর্তে ফল খেতে পারেন, যা দেহে তরলের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি তৃষ্ণাও মেটায়।

৬. ক্যাফেইন শরীরের তরল শুষে নিয়ে তৃষ্ণা বাড়ায়। এ কারণে রমজানে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলা উচিত। এ ধরনের পানীয়র মধ্যে এনার্জি ও কার্বনযুক্ত পানীয়, চা ও কফি রয়েছে। ধূমপান মুখকে শুষ্ক করে তৃষ্ণা বাড়ায়। এ কারণে ধূমপানও এড়িয়ে চলুন।

৭. গরমের দিনে সূর্যতাপে ব্যায়াম করলে প্রচুর পরিমাণে পানি পানের চাহিদা তৈরি হয়। এ কারণে রোজায় ব্যায়ামের সবচেয়ে ভালো সময় হলো ইফতারের পর। কারণ ইফতারের মধ্য দিয়ে শরীর পর্যাপ্ত খাদ্য ও পানীয়র মাধ্যমে শক্তি পায়। রোজা ভেঙে ব্যায়াম করলে শরীর থেকে ঝরে যাওয়া তরলের চাহিদা পূরণের জন্যও পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন:
রোজায় চোখের যত্ন, যা জানা দরকার
গর্ভবতী মায়েরা রোজার ক্ষেত্রে যেগুলো বিবেচনায় রাখবেন

মন্তব্য

জীবনযাপন
Some alternatives to gas stoves in the city

শহরে গ্যাসের চুলার কিছু বিকল্প

শহরে গ্যাসের চুলার কিছু বিকল্প ইন্ডাকশন চুলা। ছবি: সংগৃহীত
বাসা-বাড়িতে গ্যাস ছাড়া রান্নার করার উপযুক্ত কিছু উপায় সম্পর্কে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জাগায় বাসা-বাড়িতে দেখা দিচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংকট। বেশ কিছুদিন ধরে চলা এ সংকট দিন দিন আরও তীব্র হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে লাকড়ি বা মাটির চুলা ব্যবহার করা গেলেও শহরের বাসা-বাড়িতে গ্যাস ছাড়া রান্না করা দুরূহ।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন মাত্রায় পৌঁছেছে গ্যাস সরবরাহ। বর্তমানে যেখানে গ্যাসের প্রয়োজন ৩ হাজার ৮০০ এমএমসিএফডি (মিলিয়ন স্ট্যান্ডার্ড ঘনফুট পার ডে), সেখানে সরবরাহ রয়েছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ এমএমসিএফডি।

প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প হিসেবে অনেকেই এলপিজি (লিকুইড পেট্রলিয়াম গ্যাস) বা সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করছেন, কিন্তু এগুলোর দাম ও নিরাপত্তাজনিত কারণে অনেকেই থাকছেন শঙ্কায়।

এমন পরিস্থিতিতে জরুরি হয়ে পড়েছে রান্নার জন্য গ্যাসের বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থা।

বাসা-বাড়িতে গ্যাস ছাড়া রান্নার করার উপযুক্ত কিছু উপায় সম্পর্কে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

ইন্ডাকশন চুলা

তড়িৎ চৌম্বক শক্তিকে ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় তাপশক্তির জোগান দেয় ইন্ডাকশন চুলা। এর কাঁচ-সিরামিক প্লেটের নিচে থাকে তামার কয়েল। প্লেটের ওপর নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হয় রান্নার পাত্র।

বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকা অবস্থায় চৌম্বক পদার্থের তৈজসপত্র রাখা হলে চুলাটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। কাজ শেষে পাত্র সরিয়ে ফেলা হলে চুলা সঙ্গে সঙ্গেই তাপ উৎপাদন বন্ধ করে দেয়। এই পাত্রগুলোর মধ্যে অধিকাংশ স্টেইনলেস-স্টিল ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও রয়েছে কাস্ট আয়রন এবং এনামেল্ড ঢালাই লোহা।

এই চুলাগুলো সহজে পরিষ্কারযোগ্য এবং অল্প তাপেই গ্যাস ও অন্যান্য সাধারণ বৈদ্যুতিক চুলার থেকে দ্রুত রান্না করতে পারে। ইন্ডাকশন চুলা বিভিন্ন পাওয়ার রেটিংয়ের ভিত্তিতে ৩ থেকে ৯ হাজার টাকার হয়ে থাকে। বাজারে সাধারণত এক হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ২০০ ওয়াটের চুলাগুলো বেশি পাওয়া যায়। ৪ থেকে ৫ সদস্যের পরিবারের জন্য যাবতীয় রান্নার কাজ এই চুলা দিনে সর্বোচ্চ ৪ ঘণ্টায় সম্পন্ন করতে পারে। ফলে আবাসিক এলাকার সর্বোচ্চ ইউনিট রেট হিসেবে মাসে বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে ৯০০ থেকে ৯৬০ টাকা।

ইনফ্রারেড চুলা

বিদ্যুৎ প্রবাহ থেকে আভ্যন্তরীণ তামার কয়েলকে উত্তপ্ত করে রান্নার জন্য তাপ উৎপন্ন করে ইনফ্রারেড চুলা। এগুলো মূলত হ্যালোজেন লাইট (যা ইন্ডাকশন লাইট নামেও পরিচিত) ব্যবহার ইনফ্রারেড বিকিরণ প্রক্রিয়ায় পাত্র গরম করে। এগুলোতে ইন্ডাকশন চুলার মতো নির্দিষ্ট কোনো তৈজসপত্র ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা নেই। তবে চুলার পৃষ্ঠের সঙ্গে সমতলে থাকা অর্থাৎ ফ্ল্যাট পাত্রগুলোতে গরম করার ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়া যায়।

পাওয়ার রেটিং ইন্ডাকশন চুলার মতোই এক হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ২০০ ওয়াট। সেই সঙ্গে দামের পরিধিও ৩ থেকে ৯ হাজার টাকার মধ্যে। তবে একই রেটিং থাকা সত্ত্বেও ইনফ্রারেড চুলা রান্নার সময় ইন্ডাকশন কুকারের চেয়ে কিছুটা বেশি শক্তি খরচ করে। সর্বোচ্চ সাড়ে ৪ ঘণ্টা লাগতে পারে প্রতিদিনের রান্নায়, যেখানে মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল আসতে পারে এক হাজার টাকার কাছাকাছি।

শহরে গ্যাসের চুলার কিছু বিকল্প
ছবি: ইন্ডাকশন চুলা/সংগৃহীত

রাইস কুকার

সুনির্দিষ্টভাবে ভাত রান্না করার জন্য তৈরি রাইস কুকারের রয়েছে একটি হিট সোর্স, একটি রান্নার পাত্র এবং একটি থার্মোস্ট্যাট। থার্মোস্ট্যাট রান্নার পাত্রের তাপমাত্রা পরিমাপ করে এবং তাপ নিয়ন্ত্রণ করে। চাল ভর্তি পাত্রটি পানি দিয়ে ভরার পর সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় শুকিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই থার্মোস্ট্যাট স্বয়ংক্রিয়ভাবে কুকার বন্ধ করে দেয়। তাই এখানে পুড়ে যাওয়ার বা কোনো ক্ষতি হওয়ার ভয় থাকে না।

পাঁচ থেকে ছয় সদস্যের পরিবারের রান্নায় ৩ থেকে ৫ লিটারের কুকার যথেষ্ট। এগুলোর মূল্য সর্বনিম্ন দুই হাজার ৫০০ থেকে সর্বোচ্চ ৪ হাজার টাকা ছাড়াতে পারে।

রাইস কুকারের পাওয়ার রেটিং সাধারণত ইলেক্ট্রিক চুলার থেকে কম হয়ে থাকে; সাধারণত ৭০০ থেকে এক হাজার ২০০ ওয়াট। স্বভাবতই এগুলো কম বিদ্যুৎ শোষণ করে। সারা দিনের রান্নার কাজ সাড়ে তিন ঘণ্টার মধ্যেই করতে সক্ষম এই কুকারগুলো। ফলে সাশ্রয়ী এই কিচেন সামগ্রী ব্যবহারে মাসিক বিদ্যুৎ বিল হতে পারে প্রায় ৮০০ থেকে ৮৪০ টাকা।

শহরে গ্যাসের চুলার কিছু বিকল্প
ছবি: রাইস কুকার/সংগৃহীত

কারি/মাল্টি-কুকার

রাইস কুকারেরই উন্নত সংস্করণ হচ্ছে কারি কুকার, যেখানে ভাত ছাড়াও অন্যান্য নানা খাবার বিভিন্ন উপায়ে রান্না করার কার্যকারিতা আছে। তরকারি রান্নার জন্য এর সিরামিক বা স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি বাটিটি বেশ বড় থাকে। এই কুকারগুলো ফুটানো, বেকিং, সিদ্ধ, ভাজা, রোস্ট, প্রেসার কুকিং, স্লো কুকিং এবং খাবার গরম রাখার জন্য উপযোগী।

রাইস কুকারের মতো এগুলোর পাওয়ার রেটিংও ৭০০ থেকে এক হাজার ২০০ ওয়াটের হয়ে থাকে। প্রায় ৪ লিটার ক্ষমতার একটি মাল্টি-কুকার দিয়ে ৪ থেকে ৫ সদস্যের পরিবারের রান্নার কাজ বেশ ভালোভাবে চালিয়ে নেওয়া যায়। গুণগত মানের ভিত্তিতে এগুলোর দাম সাধারণত ৪ হাজার থেকে এক০ হাজার টাকা হয়ে থাকে। এগুলো মাত্র ৩ ঘণ্টার মধ্যে সারা দিনের রান্নার কাজ শেষ করতে সক্ষম। মাল্টি-কুকার ব্যবহারে মাস শেষে সম্ভাব্য বিদ্যুৎ খরচ আসতে পারে প্রায় ৭০০ থেকে ৭২০ টাকার মধ্যে।

শহরে গ্যাসের চুলার কিছু বিকল্প
ছবি: মাল্টি কুকার/সংগৃহীত

বৈদ্যুতিক প্রেসার কুকার
সাধারণ প্রেসার কুকারের সঙ্গে বৈদ্যুতিক প্রেসার কুকারের (ইপিসি) মূল পার্থক্য হচ্ছে ইপিসি গ্যাসের বদলে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। আর বাষ্প চাপের মাধ্যমে দ্রুত খাবার রান্নার বাকি প্রক্রিয়া সব একই। এর মজবুতভাবে বদ্ধ পাত্র তরলকে বাষ্পে পরিণত করে ভেতরে দ্রুত চাপ বাড়াতে পারে।

ইপিসির পাওয়ার রেটিং সাধারণত ৭০০ থেকে এক হাজার ২০০ ওয়াটের হয়ে থাকে। পাত্রের ধারণ ক্ষমতা নির্ধারণ করে এই পাওয়ার রেটিং। সাধারণত ৫ থেকে ৭ লিটারের একটি ইলেক্ট্রিক প্রেসার কুকার ৩ থেকে ৫ জনের রান্নার কাজ আঞ্জাম দিতে পারে। ইপিসিগুলোর দাম ৬ থেকে সর্বোচ্চ এক৭ হাজার টাকা। এগুলোর মাধ্যমে সারাদিনের রান্না শেষ করতে আড়াই ঘণ্টা বা তার খানিকটা বেশি সময় লাগতে পারে। এতে করে সারা মাসের বিদ্যুৎ বিল হতে পারে প্রায় ৭০০ টাকা।

গ্রাম বা শহরের বাসায় গ্যাস ছাড়া রান্নার কাজে ইতোমধ্যেই দেশবাসী এই বৈদ্যুতিক চুলাগুলোর সুফল ভোগ করা শুরু করেছে। এগুলোর মধ্যে রান্নাতে সর্বাধিক সময় বাঁচালেও বৈদ্যুতিক প্রেসার কুকারগুলোর দাম তুলনামূলকভাবে বেশি। কম খরচে বেশি সুবিধা পেতে ইন্ডাকশন চুলাগুলো পছন্দ করা যেতে পারে রান্নাঘরের নান্দনিক সামগ্রী হিসেবে।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট: গণপরিবহন নিয়ে ভোগান্তি
দুই-একদিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহে আরও উন্নতি: প্রতিমন্ত্রী
২ দিন পর গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক চট্টগ্রামে
চট্টগ্রামে গ্যাস সরববাহ: ১৪ ঘণ্টা পরও চাপ কম চুলায়
চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ শুরু

মন্তব্য

জীবনযাপন
Hair care in winter

শীতে চুলের যত্ন

শীতে চুলের যত্ন শীতে আপনার চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখতে তেল ব্যবহার করুন। ছবি: সংগৃহীত
গরম পানি আপনার চুলের আর্দ্রতা ছিনিয়ে নিতে পারে, এটি চুলকে ভঙ্গুর করে তোলে এবং ভেঙে পড়ার প্রবণতা তৈরি করতে পারে। তাই গরম পানি দিয়ে চুল ধোয়া উচিত নয়।

শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা আবহাওয়ায় চুল হয়ে পড়ে শুষ্ক ও প্রাণহীন। এমন আবহাওয়ায় চুল কোমল ও স্বাস্থ্যকর রাখতে ত্বকের মতোই চুলেরও যত্নের প্রয়োজন।

তীব্র ঠান্ডার মধ্যে চুল স্বাস্থ্যকর রাখতে ও শীতে চুলের যত্নের কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

টুপি বা স্কার্ফ দিয়ে আপনার মাথা ঢেকে রাখুন

শীতে টুপি ও স্কার্ফ দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন। ঠান্ডা বাতাস থেকে আপনার চুল রক্ষায় প্রথমে সিল্ক বা সাটিন স্কার্ফ দিয়ে এবং এর পরে তুলা বা পশমি কাপড় দিয়ে মাথা ঢাকুন। সে ক্ষেত্রে সিল্ক বা সাটিন হলো আপনার সেরা বিকল্প। কারণ সরাসরি তুলা বা পশমি কাপড় দিয়ে ঢাকলে চুলে ঘর্ষণ লাগতে পারে; এতে চুলের ডগা ফেটে যেতে পারে, এমনকি চুল ভেঙে যেতে পারে।

শীতে চুলের যত্ন

চুল শুকাতে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার না করা

শুধু শীত নয়, স্ট্রেইটনার, হেয়ার ড্রায়ার ও চুলের স্টাইলিংয়ের অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চুলের ক্ষতি করে সব সময়। এগুলোর ব্যবহারে আপনার মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়তে পারে এবং খুশকি জন্ম দিতে করে। তাই শীতে এগুলোর ব্যবহারে সাবধান হতে হবে।

গরম পানি দিয়ে চুল না ধোয়া

গরম পানি আপনার চুলের আর্দ্রতা ছিনিয়ে নিতে পারে, এটি চুলকে ভঙ্গুর করে তোলে এবং ভেঙে পড়ার প্রবণতা তৈরি করতে পারে। তাই গরম পানি দিয়ে চুল ধোয়া উচিত নয়।

শীতে চুলের যত্ন

তেল ব্যবহার

শীতে আপনার চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখতে তেল ব্যবহার করুন। আপনার চুল শুষ্ক ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়লে দ্রুত প্রাণ ফেরানোর হাতিয়ার হতে পারে তেল। এ ছাড়া আপনি আরগান অয়েলযুক্ত হেয়ার ট্রিটমেন্ট ব্যবহার করতে পারেন।

এ ছাড়া প্রতিদিন আপনার চুলের আগায় তেল লাগান, এতে চুলের আর্দ্রতা বজায় থাকবে এবং সুরক্ষিত থাকবে।

শীতে চুলের যত্ন

ছত্রাক নির্মূল

এই ঋতুতে আপনার মাথার ত্বকে সাদা বা হলুদ রঙের ছত্রাক দেখতে পাবেন, এগুলো আপনার কাঁধে ঝড়ে পড়তেও পারে। শীতকালে প্রায়ই খুশকি হওয়ার অভিযোগ শোনা যায়। আর ছত্রাকের সংক্রমণ বা মাথার শুষ্ক ত্বক খুশকি সৃষ্টির প্রধান কারণ হতে পারে।

তাই শীতে এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করুন যাতে স্যালিসিলিক অ্যাসিড, জিংক পাইরিথিওন, কেটোকোনাজল ও সেলেনিয়াম সালফাইডের মতো সক্রিয় রাসায়নিক রয়েছে; যেগুলো মাথার ত্বকের ছত্রাক ও খুশকি প্রতিরোধ করবে।

আরও পড়ুন:
চুলের ক্ষতি করে যে ৪ অভ্যাস
চুল রাঙানোর আগে যেসব জানা জরুরি
এই সময়ে চুলের যত্ন যেভাবে
শীতকালে ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন
শ্যাম্পু করার পর চুলের যত্ন

মন্তব্য

জীবনযাপন
What to eat between work in the office

অফিসে কাজের ফাঁকে কী খাবেন

অফিসে কাজের ফাঁকে কী খাবেন মিষ্টি আলুর চাট। ছবি: সংগৃহীত
মিষ্টি আলু দিয়ে তৈরি এ রেসিপিগুলো স্বাস্থ্যসম্মত ও মুখরোচক যা খুব সহজে, কম খরচ ও সময়ে তৈরি করতে পারবেন।

অফিসে কাজে ফাঁকে হালকা ক্ষুধায় অনেকেই ভরসা করেন ভাঁজা-পোড়া বা ফাস্টফুড আইটেমের ওপর। তবে এসব খাবারে অতিরিক্ত অর্থব্যয়ের পাশাপাশি আছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি। এজন্য অফিসের নাস্তা হিসেবে বিকল্প খাবারের খুঁজছেন অনেকেই।

তাদের জন্য মিষ্টি আলুর মৌসুমে ভারতীয় বাংলা সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন সংষ্করণের এক প্রতিবেদনে সহজে তৈরি করা যায় এমন তিনটি রেসিপির কথা বলেছে। এ খাবারগুলো যেমন হালকা ক্ষুধা মেটাবে, তেমনি স্বাস্থ্যসম্মতভাবে মুখরোচক স্বাদও দেবে।

মিষ্টি আলুর প্যাটি: আলু ঝিরিঝিরি করে কেটে নিয়ে সঙ্গে পেঁয়াজ, বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম, ধনেপাতা, সামান্য কর্নফ্লাওয়ার, অল্প জল, লবণ, গোলমরিচ ও চিলিফ্লেক্স মিশিয়ে মেখে নিন। এ বার সামান্য মিশ্রণ হাতে তুলে ছোট চ্যাপ্টা প্যাটির আকারে গড়ে নিন। তারপর সামান্য তেলে ঢাকা দিয়ে অল্প আঁচে ভেজে নিন। টমেটো সসের সঙ্গে অফিসে নিয়ে যেতে পারেন এ প্যাটি।

মিষ্টি আলুর চাট: মুখরোচক স্ন্যাকস বলতে প্রথমেই মাথায় আসে চাটের কথা। মিষ্টি আলু সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে নিন। সামান্য তেলে লালচে করে ভেজে নিন আলুর টুকরোগুলি। এ বার আলুর মধ্যে লেবুর রস, চাট মশলা, ভাজা জিরে গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, ধনেপাতা কুচি ভাল করে মিশিয়ে নিন। এ বার তাতে স্বাদ মতো লবন, কাঁচা মরিচ কুচি ও ধনেপাতা কুচি মিশিয়ে নিলেই চাট তৈরি।

মিষ্টি আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই: মিষ্টি আলুর খোসা ছাড়িয়ে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের আকারে কেটে নিন। ভাল করে ধুয়ে নিন, যাতে আলুর মধ্যে থাকা স্টার্চ যতটা সম্ভব বেরিয়ে যায়। একটি পাত্রে ঠান্ডা পানি নিয়ে তার মধ্যে আলুর টুকরো অন্তত আধঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এ বার জল থেকে আলু তুলে ন্যাপকিন দিয়ে চেপে চেপে সমস্ত জল শুকিয়ে নিন। আলুতে লবণ ও অল্প তেল মাখিয়ে এয়ার ফ্রায়ারে ভেজে নিন। ভাজার পরিবর্তে ১৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে আলু বেক করেও নিতে পারেন। ভাজা আলুতে পেরিপেরি মশলা মিশিয়ে টিফিন ক্যারিয়ারে ভরে অফিসে নিতে পারেন।

মন্তব্য

p
উপরে