× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
Devotees flock to Kumari Puja
google_news print-icon

কুমারী পূজায় ভক্ত-অনুসারীর ভিড়

কুমারী-পূজায়-ভক্ত-অনুসারীর-ভিড়-
রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজায় ভক্ত ও অনুসারীদের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
কুমারী বালিকার মধ্যে বিশুদ্ধ নারীর রূপ কল্পনা করে তাকে দেবীজ্ঞানে পূজা করেন ভক্তরা। এর মাধ্যমে নারীদের প্রতি সম্মান জানানো হয় বলে জানান ভক্তরা।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মহাঅষ্টমীর দিন আজ রোববার। এ দিনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল কুমারী পূজা।

রাজধানীতে ভক্ত ও অনুসারীদের আগমনে সকাল থেকেই মুখরিত ছিল মন্দির-মণ্ডপ।

রামকৃষ্ণ মিশনে বেলা ১১টায় কুমারী পূজা শুরু হয়। অগ্নি, জল, বস্ত্র, পুষ্প ও বাতাস উপকরণে দেয়া হয় কুমারী মায়ের পূজা। চলে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে।

কুমারী বালিকার মধ্যে বিশুদ্ধ নারীর রূপ কল্পনা করে তাকে দেবীজ্ঞানে পূজা করেন ভক্তরা। এর মাধ্যমে নারীদের প্রতি সম্মান জানানো হয় বলে জানান ভক্তরা।

পূজার কার্যক্রম শেষে কুমারী মায়ের নাম জানান রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠের অধ্যক্ষ স্বামী পূ্র্ণাত্মানন্দ মহারাজ। এ বছর কুমারী মা হয়েছেন শতাক্ষী গোস্বামী। রাজধানীর নবেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্লে গ্রুপের এই শিক্ষার্থীর জন্ম ২০১৮ সালে।

কুমারী পূজা দেখতে সকাল থেকেই রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠে ভিড় করেন হাজার হাজার পুণ্যার্থী। এ নিয়ে ছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

পুরাণমতে, মহাস্নান শেষে অষ্টমী পূজা করা হয়। মহাঅষ্টমীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ আকর্ষণ হলো কুমারী পূজা। যেখানে একজন কুমারীকে দেবী দুর্গারূপে আরাধনা করা হয়। যেসব বালিকা বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছায়নি এদিন সকালে তাদের দেবীরূপে পূজা করা হয়।

মঙ্গলবার বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের পূজা। দুর্গাপূজার এ উৎসবে প্রতি বছরই থাকে নানা আয়োজন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
The tone of farewell to the book fair of life

প্রাণের বইমেলায় বিদায়ের সুর

প্রাণের বইমেলায় বিদায়ের সুর অমর একুশে বইমেলার ২৫তম দিনে রোববার নতুন বই এসেছে ৯৬টি। ছবি: নিউজবাংলা
এ বছর মেলা দুদিন বাড়ানোর জন্য বাংলা একাডেমির কাছে প্রকাশকরা আবেদন করলেও এখনও কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।

বাঙালির প্রাণের অমর একুশে বইমেলায় বিদায়ের সুর বেজে উঠছে। মেলার বাকি আর মাত্র চার দিন।

এ কয়েকদিন রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে এ বছরের অমর একুশে গ্রন্থমেলা। এর মধ্য দিয়ে পাঠক, দর্শক ও প্রকাশকের আনাগোনায় মুখরিত থাকা বইমেলার ইতি টানা হবে, তবে বিক্রি নিয়ে সন্তুষ্ট নন প্রকাশকরা।

এদিকে এ বছর মেলা দুদিন বাড়ানোর জন্য বাংলা একাডেমির কাছে প্রকাশকরা আবেদন করলেও এখনও কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।

মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বাংলা একাডেমির সামনের বিভিন্ন স্টল ঘুরে পছন্দের বই খুঁজছেন পাঠকরা। বেশির ভাগ দর্শনার্থীই বই কিনতে মেলায় ভিড় করেছেন। মেলায় বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতি ছিল সবচেয়ে বেশি।

পাশাপাশি নানা বয়সি মানুষ বইমেলায় এসেছেন। তাদের কেউবা মনের আনন্দে ঘুরে বেরিয়েছেন। কেউ বই দেখেছেন আবার কেউ কেউ প্রিয় লেখকের বই সংগ্রহ করেছেন। এভাবেই কেটেছে বইমেলার প্রতিটি দিন।

ব্যস্ততার কারণে সাধারণ দিনগুলোতে যারা মেলায় আসতে পারেননি, বন্ধের দিনে তারা ঠিকই হাজির হয়েছেন প্রাণের মেলায়। ফলে ছুটির দিনগুলোতে সবচেয়ে মুখরিত থাকত বইমেলা। এ দুদিন বইয়ের বিক্রিও অন্য দিনের তুলনায় বেশি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। এদিকে নতুন লেখকদের বইও বিক্রি হচ্ছে বেশ। তবুও প্রকাশকদের চোখে মুখে হতাশার ছাপ।

প্রকাশকরা বলছেন, মেলায় আগের তুলনায় বিক্রি অনেক কম হয়েছে। যদিও শেষ মুহূর্তে বেচাকেনা ও নতুন বই প্রকাশে ব্যস্ত পাঠক, লেখক ও প্রকাশকরা, তবে শেষ কয়েকদিন পাঠকের ঢল নামার প্রত্যাশা করেছেন তারা।

বিভিন্ন প্রকাশনীর বিক্রেতারা জানান, মেলার শেষ দিকে প্রতিদিন বিক্রি ভালো হয়। এখনও প্রতিদিন নতুন নতুন বই মেলায় আসছে।

মেলায় ঘুরতে আসা লিমন ইসলাম বলেন, ‘প্রথম দিকে কিছু বই সংগ্রহ করেছি। আবার এসেছি নতুন বই কিনেছি। বান্ধবীকে বই উপহার দিলাম। শেষের দিকে আবার আসব। আর অবশ্যই আমাদের সকলের বই পড়ার অভ্যাস করতে হবে।’

নারায়ণগঞ্জ থেকে বইমেলায় এসেছেন লাইজু লিজা। তিনি বলেন, ‘বইমেলা আমাদের প্রাণের মেলা। এ মেলা এক মাস কেন, সারা বছর থাকা উচিত।’

মাওলা ব্রাদার্সের প্রকাশক আহমেদ মাহমুদুল হক বলেন, ‘প্রথম দিকের চেয়ে এবার শেষের দিকে এসে মেলায় বিক্রি বেড়েছে। মেট্রোরেলের নতুন মাত্রা এবারের বইমেলায় বই বিক্রি বাড়ার প্রধান কারণ। আমরা তরুণ লেখকদের বইগুলো তরুণদের হাতে দিতে পারছি, তবে এ বছর এখনও ব্যাগভর্তি বই ক্রেতা দেখছি না।’

এদিকে রোববার অমর একুশে বইমেলার ২৫তম দিনে মেলা শুরু হয় বিকেল ৩টায় এবং চলে রাত ৮টা ৩০ পর্যন্ত। এদিন নতুন বই এসেছে ৯৬টি।

স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের স্বরণে আলোচনা অনুষ্ঠান

বিকেল ৪টার দিকে বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কাজী নূরুল করিম দিলু। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন তানভীর নেওয়াজ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেবুন নাসরীন আহমেদ।

প্রাবন্ধিক বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের কর্মপরিধি ছিল বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ক্র্যাক প্লাটুনের অন্যতম গেরিলা সদস্য হিসেবে একের পর এক দুঃসাহসিক অপারেশনে অংশ নিয়েছেন তিনি। তার পরিকল্পিত নকশায় নির্মিত হয়েছে দেশের অনেক দৃষ্টিনন্দন ভবন ও স্থাপনা।

‘গণমানুষের অধিকারের বিষয়ে মোবাশ্বের হোসেন ছিলেন আপসহীন। দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ভবন সুরক্ষা, পরিবেশ রক্ষা, শিক্ষা, ক্রীড়া এমনকি ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা থেকে শুরু করে প্রায় সকল ক্ষেত্রেই তিনি রেখেছেন সক্রিয় ভূমিকা।’

আলোচক বলেন, বাংলাদেশের বহুবিধ স্থাপত্য প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িয়ে আছে বীর মুক্তিযোদ্ধা স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের নাম। ব্যক্তিমানুষ হিসেবে অত্যন্ত আন্তরিক মোবাশ্বের হোসেন দেশ ও মানুষের কল্যাণের জন্য সব সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক জেবুন নাসরীন আহমেদ বলেন, বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্যই ছিল দৃঢ়তা, সততা, সাহসিকতা এবং দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা। তার কর্মমুখর জীবন ও আদর্শ সবার জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

বই-সংলাপ ও রিকশাচিত্র প্রদর্শন মঞ্চের আয়োজন

এ মঞ্চে বিকেল ৫টার দিকে কবি ও চলচ্চিত্রকার মাসুদ পথিকের কবিতা ও চলচ্চিত্র বিষয়ে তার সঙ্গে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

এদিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন কবি এজাজ ইউসুফী, জান্নাতুল ফেরদৌসী, উৎপলকান্তি বড়ুয়া, প্রসপারিনা সরকার, অংকিতা আহমেদ রুবি, রিশাদ হুদা, সৌমিত্র দেব, অরবিন্দ চক্রবর্তী, আহসান মালেক, রওশন ঝুনু, সমর চক্রবর্তী, গিরিশ গৈরিক এবং আহমেদ জসিম।

ছড়া পাঠ করেন ছড়াকার আখতার হুসেন, আমীরুল ইসলাম, লুৎফর রহমান রিটন, ফারুক হোসেন, আনজীর লিটন, মাহমুদউল্লাহ, সারওয়ার উল আলম, রিফাত নিগার শাপলা এবং তপংকর চক্রবর্তী। আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী মাহমুদা আখতার, চিং হ্লা মং চৌধুরী এবং চৌধুরী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর।

এবারের বইমেলায় ৬৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯৩৭টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বাংলা একাডেমির মাঠে ১২০টি প্রতিষ্ঠানকে ১৭৩টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৫১৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৬৪টি স্টল বরাদ্দ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ বছর মোট ৩৭টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। গত বছর ৬০১টি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মোট ৯০১টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

আজকের বইমেলা

২৬শে ফেব্রুয়ারি সোমবার অমর একুশে বইমেলার ২৬তম দিন মেলা শুরু হবে বেলা ১২টায় এবং চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত। এদিন বিকেল ৪টায় বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে স্মরণ: আবুবকর সিদ্দিক এবং স্মরণ: আজিজুর রহমান আজিজ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান।

প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন যথাক্রমে ফরিদ আহমদ দুলাল এবং কামরুল ইসলাম। আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন মামুন মুস্তাফা, তৌহিদুল ইসলাম, মো. মনজুরুর রহমান এবং আনিস মুহম্মদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন কবি আসাদ মান্নান।

আরও পড়ুন:
একুশের চেতনায় উজ্জীবিত বইমেলায় জনস্রোত
ফটোগ্রাফি নিয়ে ভিন্নধর্মী বই ‘বিখ্যাত ছবির পেছনের গল্প’
প্রাণের মেলায় অপ্রতুল ভাষা আন্দোলনের ওপর বই
বইমেলায় মীরাক্কেল খ্যাত রাশেদের ‘ফিলিং চিলিং’
একুশের প্রহর গুনছে বইমেলা

মন্তব্য

জীবনযাপন
Commemoration of language martyrs with great respect and love in Vienna

ভিয়েনায় পরম শ্রদ্ধা-ভালবাসায় ভাষাশহিদদের স্মরণ

ভিয়েনায় পরম শ্রদ্ধা-ভালবাসায় ভাষাশহিদদের স্মরণ শহিদদের স্মরণে ভিয়েনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সংগৃহীত
অনুষ্ঠানে এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘একুশে আমাদেরকে ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ় থাকতে এবং মাথা নত না করতে শিখিয়েছে। একুশ আমাদের ঐক্য ও শক্তির প্রতীক। একুশের চেতনায়ই আজ এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।’

অসাম্প্রদায়িক চেতনায় আবারও নিজেদের শাণিত করে পরম শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় ভাষাশহিদদের স্মরণ করলেন অস্ট্রিয়ার প্রবাসী বাঙালিরা।

দেশটির রাজধানী ভিয়েনার হেলবেগটাসে অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের নিজস্ব কার্যালয়ে বুধবার বিকেলে অস্থায়ীভাবে নির্মিত শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।

পুষ্পাঞ্জলি অর্পণের পর শহিদদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম। সঞ্চালনা করেন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান শ্যামল।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি, অস্ট্রিয়া প্রবাসী মানবাধিকার কর্মী, লেখক, সাংবাদিক এম. নজরুল ইসলাম।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অস্ট্রিয়া বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি রবিন মোহাম্মদ আলী, অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শ্রী রুহী দাস সাহা, শফিকুর রহমান বাবুল, মনোয়ার পারভেজ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব খান শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম কাঞ্চন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক জহির তুহিন।

অনুষ্ঠানে এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘একুশে আমাদেরকে ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ় থাকতে এবং মাথা নত না করতে শিখিয়েছে। একুশ আমাদের ঐক্য ও শক্তির প্রতীক। একুশের চেতনায়ই আজ এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।’

খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম বলেন, ‘এই একুশে বরকত, সালাম, জব্বার, রফিকরা ভাষার দাবিতে রক্ত দিয়েছিল। একুশ আমাদেরকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখিয়েছে।’

বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাঙালির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে অমর একুশের গান, মুক্তিযুদ্ধের গান ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পীরা।

আরও পড়ুন:
মাতৃভাষা দিবসে ইংরেজি ব‌্যানারে শোভাযাত্রা, বরিশালে তোলপাড়

মন্তব্য

জীবনযাপন
Rasheds beautiful book is feeling chilling at the book fair

বইমেলায় মীরাক্কেল খ্যাত রাশেদের ‘ফিলিং চিলিং’

বইমেলায় মীরাক্কেল খ্যাত রাশেদের ‘ফিলিং চিলিং’ বইমেলায় মীরাক্কেল খ্যাত রাশেদের ‘ফিলিং চিলিং’। ছবি: সংগৃহীত
লেখক রাশেদ বলেন, রম্য কিংবা জোকসের বই মানেই অন্যরকম ভালোলাগা, আনন্দ কিংবা প্রাণবন্ত অনূভুতির চমৎকার বহিঃপ্রকাশ ফিলিং-চিলিং বই ।

অমর একুশে বইমেলা ২০২৪-এ প্রকাশিত হয়েছে জনপ্রিয় স্ট্যান্ড আপ কমেডিয়ান জি বাংলা'র মীরাক্কেল দশের অন্যতম ফাইনালিস্ট আফনান আহমেদ রাশেদের রম্য বই ‘ফিলিং চিলিং’।

অমর একুশে বইমেলার মাঠে শিখা প্রকাশনী মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে।

শিখা প্রকাশনীর ৩০০, ৩০১, ৩০২, ৩০৩ নম্বর স্টলে ফিলিং চিলিং বইটি পাওয়া যাচ্ছে। ঘরে বসেও পাঠকরা অনলাইন বইয়ের শপ রকমারি, প্রথমা, বইফেরী সহ বিভিন্ন মাধ্যম থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারবেন।

বইটির লেখক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী আফনান আহমেদ রাশেদ ছিলেন মীরাক্কেল সিজন টেনের অন্যতম ফাইনালিস্ট। পড়াশোনা করছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকায়। পেশাগত জীবনে স্ট্যান্ড-আপ-কমেডিয়ান, স্ক্রিপ্ট রাইটার।

তরুণ এই লেখক এবং স্ট্যান্ড আপ কমেডিয়ানের ভাষ্যমতে, দর্শকদের ভালোবাসা তাকে বিমোহিত করে তাই তিনি নিজেকে রেডিও, টেলিভিশন কিংবা মঞ্চে এখন সরব রেখেছেন।

লেখক রাশেদ বলেন, রম্য কিংবা জোকসের বই মানেই অন্যরকম ভালোলাগা, আনন্দ কিংবা প্রাণবন্ত অনূভুতির চমৎকার বহিঃপ্রকাশ ফিলিং-চিলিং বই ।

রাশেদ বলেন, মীরাক্কেলের ভেতর বাইরে নানান গল্প নিয়ে লিখেছেন ২০২২ সালে মীরাক্কেল এক্সপ্রেস বইটি। সেই সময়ে মানুষের ভালোবাসায় বইটি প্রচুর পাঠক সমাগম ও জনপ্রিয়তা পায়। এই জন্য এবার তিনি চেষ্টা করেন মানুষকে আনন্দ দেয়ার। এইজন্য তার লেখা এই ভিন্নধর্মী বই ফিলিং-চিলিং। বইটিতে রয়েছে দুর্দান্ত সব স্যাটায়ার, সেন্স অব হিউমার, কমিক পাঞ্চলাইন, ক্রিঞ্চ কমেডি সহ বিভিন্ন জোক।

জি বাংলার রিয়্যালিটি শো মীরাক্কেলের সিজন টেনের অন্যতম ফাইনালিস্ট ছিলেন রাশেদ। মীরাক্কেল খ্যাত রাশেদ এর জনপ্রিয় বই "মীরাক্কেল এক্সপ্রেস"। যা ২০২২ সালে অমর একুশে বইমেলায় পাঠকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান, স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসেবে কাজ করার পর লেখক হিসেবে তার আবির্ভাব হয়েছে।

মন্তব্য

জীবনযাপন
Has the price of books increased this time?

বইয়ের দাম এবার কি বেড়েছে

বইয়ের দাম এবার কি বেড়েছে বইমেলায় বই দেখছেন পাঠকেরা। ছবি: নিউজবাংলা।
অবশ্য দাম বাড়লেও এই আর্থিক ক্ষতির বিষয়টা পুষিয়ে নেয়ার সুযোগ রয়েছে পাঠকের হাতে। কারণ অমর একুশে বইমেলা থেকে বই কিনলে পাঠকরা প্রতি বইয়ে ২৫ শতাংশ ছাড় পাচ্ছেন। এ ছাড়া মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান বিকাশ পেমেন্টে থাকছে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা ছাড়।

বিশ্ববাজারের পরিস্থিতি, ঋণপত্র খুলতে না পারা, ডলারের দামবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কারণে দেশে বেড়েছে দ্রব্যমূল্যসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম। এসব পরিস্থিতির বাইরে নয় প্রকাশনাজগৎও। বিশেষ করে কাগজ, কালি, প্লেট, কাভার পেপার, লেমিনেটিং ফয়েল পেপার, আঠাসহ বই ছাপানোর প্রায় সব দ্রব্য বা কাঁচামালই আমদানি নির্ভর। ফলে ডলারের কারণেও বইয়ের উৎপাদন খরচ বেড়েছে।

তবে যে অনুযায়ী এসব উৎপাদন খরচ বেড়েছে সে অনুযায়ী বইয়ের দাম বাড়ানো হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রকাশেকরা। আবার কিছু প্রকাশক বলছেন, বিভিন্ন উপাদানের দাম বাড়ানো হলেও তারা এ বছর নতুন করে বইয়ের দাম বাড়াননি।

অবশ্য দাম বাড়লেও এই আর্থিক ক্ষতির বিষয়টা পুষিয়ে নেয়ার সুযোগ রয়েছে পাঠকের হাতে। কারণ অমর একুশে বইমেলা থেকে বই কিনলে পাঠকরা প্রতি বইয়ে ২৫ শতাংশ ছাড় পাচ্ছেন। এ ছাড়া মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান বিকাশ পেমেন্টে থাকছে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা ছাড়।

দাম কি বেড়েছে

গত বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালের তুলনায় এ বছর বইয়ের দাম বাড়াতে হয়েছে কি না, জানতে চাইলে এই বিষয়ে বক্তব্য দেবেন না বলে জানান প্রথমা প্রকাশনীর স্টল ম্যানেজার জাকির হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমার কস্টিং (খরচ) কেমন হয়েছে সেটা তো আমি আপনাকে বলব না।’

তবে অন্যপ্রকাশ প্রকাশনীর স্টল ইনচার্জ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এই বছরে বইয়ের দাম নিঃসন্দেহে বাড়ানো হয়েছে। তবে কাগজের দাম অনুযায়ী বইয়ের দাম বাড়ালে পাঠক কিনবে না। তাই সেটা আমরা সহনীয় পর্যায়ে রেখেছি।’

তিনি বলেন, ‘গত বছরের শুরুতে একটা কাগজের রিম ছিল ১৬০০-১৭০০ টাকা। সেই একই কাগজে এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২০০-৩৮০০ টাকা। সে অনুযায়ী দাম না বাড়িয়ে গতবছর যে বইয়ের দাম ছিল ১৫০ টাকা এবছর সেই বইয়ের দাম রাখা হয়েছে সর্বোচ্চ ১৮০ টাকা।’

কাগজের দামের সঙ্গে বইয়ের দামের ব্যালান্স করা হয় কীভাবে- জানতে চাইলে তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘কোনো প্রতিষ্ঠানই আসলে লস দিয়ে ব্যবসা করে না। প্রকাশনা মালিকের একটা লাভের জায়গা থাকে আর লেখক একটা রয়্যালটি পায়। লাভ এবং রয়্যালটি থেকে পাঁচ শতাংশ করে ছাড় দিয়ে এই ব্যালান্সটা করা হয়।’

ঐতিহ্য প্রকাশনীর স্টল ম্যানেজার আমাজাদ হোসেন খান বলেন, ‘কাগজের দামসহ অন্যান্য উপাদানের দাম বাড়ার কারণে বইয়ের দামও এবার বাড়ানো হয়েছে। তবে সেটা সহনীয় পর্যায়ে। আগে প্রতি ফর্মা ছিল ৩৫ টাকা, এখন সেটা করা হয়েছে ৪০ টাকায়। সর্বোচ্চা ২০ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে।’

দাম নিয়ে পাঠকদের প্রতিক্রিয়া কেমন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তাদের ত প্রতিক্রিয়া আছেই। তবে পাঠকদের ভালো বিবেক বিবেচনা আছে, তারা সবকিছু জানে এবং বুঝে। তাই প্রতিক্রিয়া থাকলেও যারা বই কেনার তারা বই কিনছে।’

অন্বেষা প্রকাশনীর সিইও ফাতিমা বুলবুল বলেন, ‘গতবছরের তুলনায় কাগজের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে গেছে। তবে সেই অনুযায়ী আমরা দাম বাড়াইনি। খুব কমই বাড়িয়েছি। যে পরিমাণ বাড়ালে ন্যূনতম লাভ করা যায় বইয়ের দাম আমরা তারও কম রাখার চেষ্টা করেছি। আমাদের প্রকাশনীতে ১২০ টাকা দিয়েও বই পাওয়া যায়। মনে হয় না এই দামে কোন প্রকাশনীতে বই আছে ‘

পাঠকদের প্রতিক্রিয়া কেমন জানতে চাইলে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা বন্ধুরা ২০০ টাকায় বার্গার খেয়ে ফেলে। কিন্তু বইয়ের দাম দুই শ টাকা দেখলে তারা সেটি কিনতে চায় না। তবে একটু প্রতিক্রিয়া দেখালেও তারা ঠিকই বই কিনছে। তারা শুধু এতটুকু বলে, দামটা একটু কম হলে ভালো হয় ‘

তবে শব্দশৈলী প্রকাশনীর স্টল ম্যানেজার সুদেব চন্দ্র বলেন, ‘গত বছরই বইয়ের দাম বাড়ানো হয়েছে। নতুন করে এ বছর বইয়ের দাম বাড়ানো হয়নি। গত বছরে যেই দাম ছিল এই বছরও সেই দামই রাখা হয়েছে। ২০২২ সাল অনুযায়ী এ বছর বইয়ের দাম বেশি বলা যায়। তবে ২০২৩ সাল অনুযায়ী নয় ‘

একই কথা বলেছেন ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশনীর প্রকাশক জহিরুল আবেদীন জুয়েলও। তিনি বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এই বছর বইয়ের কাগজের দাম না বাড়লেও বই প্রকাশে আনুষঙ্গিক সব উপাদানের দাম বেড়েছে। তারপরও আমরা এই বছর নতুন করে কোন বইয়ের দাম বাড়াইনি। গত বছর যা ছিল এ বছরও দাম সেটাই রাখা হয়েছে। এ বছরও দাম বাড়ালে পাঠকদের কাছে সেটা অসহনীয় হয়ে যেতো।’

পাঠকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

উত্তরা থেকে সহধর্মিনীকে নিয়ে মেলায় বই খুঁজছিলেন ডাক্তার কাজী আশিক ইকবাল। বইয়ের দাম কেমন মনে হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের দাম বেড়েছে। দ্রব্যমূল্যও বেড়েছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যেহেতু কাগজের দাম বেড়েছে তাই স্বাভাবিকভাবে বইয়ের দাম একটু বেশি তো হবেই। তবে খুব বেশি যে বেড়েছে সেটি মনে হয় না। বইয়ের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মাঝেই আছে।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানজিম পাভেল বলেন, ‘বই প্রকাশে আনুষঙ্গিক সব উপাদানের দাম বেড়েছে এটা ঠিক। তবে এই দাম বৃদ্ধির বিষয়টা প্রকাশক এবং লেখক নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করে নিলে আমাদের মতো যারা শিক্ষার্থী পাঠক আছি তাদের জন্য ভালো হতো। তারপরও এটা যেহেতু বই-ই তাই দাম বাড়লেও কিছু করার নেই। বই ত আমরা কিনবোই। তবে দাম অতিরিক্ত মনে হয়নি, সহনীয় পর্যায়েই রাখা হয়েছে।’

১৮তম দিনে নতুন বই ৮৩টি

রোববার মেলা শুরু হয় বিকেল তিনটায় এবং চলে রাত নয়টা পর্যন্ত। এদিন নতুন বই এসেছে ৮৩টি। বিকেল চারটায় বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় স্মরণ: জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্বরোচিষ সরকার। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন লুভা নাহিদ চৌধুরী এবং এম আবদুল আলীম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা কবি কামাল চৌধুরী।

প্রাবন্ধিক বলেন, জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয় নির্মাণবিষয়ক গবেষণাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন বিভিন্ন সংকলনগ্রন্থ ও প্রবন্ধ রচনার মধ্য দিয়ে।

আলোচকরা বলেন, জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের পরিমিতিবোধ, অসাম্প্রদায়িক চেতনা, আন্তরিকতা ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা তার জীবনচর্যা ও সৃষ্টিকর্মের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়েছে। আজীবন তিনি বাঙালির সংস্কৃতির শেকড়ের সন্ধান করেছেন।

সভাপতির বক্তব্যে কামাল চৌধুরী বলেন, জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বহুমাত্রিক ও বর্ণাঢ্য জীবনযাপন করেছেন। সমগ্র জীবনব্যাপী তিনি বাঙালির মুক্তি ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছেন এবং এই স্বপ্ন আমাদের সবার মাঝে সঞ্চারিত করেছেন।

‘লেখক বলছি’ অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন কথাসাহিত্যিক মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, শিশুসাহিত্যিক রোমেন রায়হান, কবি সৈকত হাবিব এবং গীতিকবি মনোরঞ্জন বালা।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন কবি কামাল চৌধুরী, মুস্তাফিজ শফি, নজমুল হেলাল, মাহবুবা ফারুক, রাকীব হাসান, রিশাদ হুদা এবং নাজমা আহমেদ। আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী মো. শওকত আলী, মো. এনামুল হক, শিরিন সুলতানা, সুপ্রভা সেবতী, অনিকেত রাজেশ এবং ফেরদৌসী বেগম। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মামুনুর রশীদের রচনা ও নির্দেশনায় ‘কহে ফেসবুক’ নাটক পরিবেশন করে ‘আরণ্যক নাট্যদল’।

সোমবারের সময়সূচি

সোমবার মেলা শুরু হবে বিকেল তিনটায় এবং চলবে রাত নয়টা পর্যন্ত। বিকেল চারটায় বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে স্মরণ : হাসান আজিজুল হক শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন মোজাফ্ফর হোসেন। আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন ফারুক মঈনউদ্দীন এবং মহীবুল আজিজ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী।

আরও পড়ুন:
বইমেলায় চলছে সেবামূলক নানা কার্যক্রম
সস্তা-চটুল বইয়ে সয়লাব বইমেলা
মেলায় গবেষণাধর্মী বইয়ের প্রকাশ ও বিক্রি দুটোই কম

মন্তব্য

জীবনযাপন
Coastal Sundarbans Day is today

উপকূলের ‘সুন্দরবন দিবস’ আজ

উপকূলের ‘সুন্দরবন দিবস’ আজ সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলের মানুষ ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে ‘সুন্দরবন দিবস’ হিসেবে পালন করেন। ফাইল ছবি
সুন্দরবনসংলগ্ন পাইকগাছা উপজেলার বাসিন্দা অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সুন্দরবন আমাদের বেঁচে থাকার বিরাট অনুষঙ্গ। সুন্দরবন দক্ষিণ এশিয়ার ফুসফুস। এটা রক্ষা করতে না পারলে আমাদের দেশ একটা বিরাট সংকটের সম্মুখীন হবে। তাই সবার আগে সুন্দরবনকে ভালোবাসতে হবে। ১৪ ফেব্রুয়ারি আমাদের কাছে সুন্দরবন দিবস।’

বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনকে রক্ষায় খুলনাসহ উপকূলীয় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে দুই দশক ধরে সুন্দরবন দিবস উদযাপন করা হয়।

বাঙালির ফাল্গুন আর বিশ্বব্যাপী ভালোবাসা দিবসের মধ্যে সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলের মানুষ ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে ‘সুন্দরবন দিবস’ হিসেবে পালন করেন। খবর ইউএনবির

২০০১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের আওতায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের আরও ৭০টি পরিবেশবাদী সংগঠন ১৪ ফেব্রুয়ারিকে ‘সুন্দরবন দিবস’ ঘোষণা করে প্রতিবছর তা পালন করে আসছে।

সুন্দরবনসংলগ্ন পাইকগাছা উপজেলার বাসিন্দা অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সুন্দরবন আমাদের বেঁচে থাকার বিরাট অনুষঙ্গ। সুন্দরবন দক্ষিণ এশিয়ার ফুসফুস। এটা রক্ষা করতে না পারলে আমাদের দেশ একটা বিরাট সংকটের সম্মুখীন হবে। তাই সবার আগে সুন্দরবনকে ভালোবাসতে হবে। ১৪ ফেব্রুয়ারি আমাদের কাছে সুন্দরবন দিবস।’

কয়রা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি বিদেশ রঞ্জন মৃধা বলেন, ‘১৪ ফেব্রুয়ারি আমরা উপকূলের মানুষকে সুন্দরবনকে ভালোবাসতে উদ্বুদ্ধ করতে চাই। অনেকেই বুঝতে পারছে না সুন্দরবনের কী ক্ষতিটা হচ্ছে। লবণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় প্রাকৃতিক অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। এখন সুন্দরবনে সুন্দরী গাছ নেই। সেখানে গরান, গেওয়া, কেওড়া বাড়ছে। সুন্দরবনের পানি ও মাটিতে পরিবর্তন এসেছে। এই সুন্দরবন না থাকলে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে কয়রা উপজেলার নাম–নিশানা মুছে যেত।’

সুন্দরবনসংলগ্ন মহিশরীপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার কেরামত মাওলা বলেন, ‘এখন আমাদের সুন্দরবনের পাশের নদীতেও সেভাবে মাছ পাওয়া যায় না। মুনাফালোভীরা সুন্দরবনকে ধ্বংস করার জন্য বিষ দিয়ে প্রাণী হত্যা করছে। আগে যে সংখ্যক হরিণ দেখা যেত, সেটা এখন দেখা যায় না। বিষ দিয়ে মাছ ধরার বিষক্রিয়ায় শূকর, বাঘ ও অন্য প্রাণীরা হুমকির মুখে পড়ে। গোলপাতা আহরণকারীরা ৫০০ মণের পারমিট নিয়ে কয়েক হাজার মণ পাতা কাটে। আমরা স্থানীয় বাসিন্দাদের এসব বিষয়ে সুন্দরবন দিবসে সচেতন করতে চাই।’

বন বিভাগের খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে জানান, সুন্দরবনে ৫ হাজার প্রজাতির সম্পূরক উদ্ভিদ, ১৯৮ প্রজাতির উভচর প্রাণী, ১২৪ প্রজাতির সরীসৃপ, ৫৭৯ প্রজাতির পাখি, ১২৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী ও ৩০ প্রজাতির চিংড়ি মাছ আছে। সুন্দরবনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলসহ সমগ্র দেশের পরিবেশ।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দুই কোটি মানুষের অর্থনৈতিক, সামাজিক অবস্থাও সুন্দরবনের উপর কমবেশি নির্ভরশীল। তাই যেকোনো মূল্যে আমাদের প্রাকৃতিক এই সুরক্ষা দেয়ালকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। সেই সঙ্গে সুন্দরবনের ক্ষতি হয়, এমন যেকোনো কর্মকাণ্ড থেকে সরে আসতে হবে।

সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সুন্দরবন অতুলনীয় ও জীববৈচিত্র্যে অসাধারণ। এটি শুধু বাংলাদেশের মানুষের কাছে নয়, বিশ্বের প্রকৃতি প্রেমীদের কাছে একটি আকর্ষণীয় স্থান।
র্তমানে সুন্দরবনের আয়তন ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার। খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও বরগুনা জেলায় এ বনের অবস্থান।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরের তুলনায় সুন্দরবনের মাটি একটু আলাদা ধরনের। জোয়ার-ভাটার কারণে এখানকার পানিতে জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততা বেশি। এখানকার মাটি পলিযুক্ত দোআঁশ। সুন্দরবনের অধিকাংশ গাছপালা ম্যানগ্রোভ ধরনের। এখানে রয়েছে বৃক্ষ, লতাগুল্ম, ঘাস, পরগাছা ইত্যাদি উদ্ভিদ। পৃথিবীতে এ পর্যন্ত সন্ধানপ্রাপ্ত ৫০টি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের মধ্যে সুন্দরবনেই আছে ৩৫টি।

সুন্দরবনের উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে সুন্দরী, গরান, গেওয়া, কেওড়া, পশুর, ধুন্দল, বাইন প্রভৃতি। এই বনের প্রায় সবখানেই জন্মে গোলপাতা বিচিত্র সব প্রাণীর বাস সুন্দরবনে।

সুন্দরবনে যে শামুক-ঝিনুক পাওয়া যায়, তা খাওয়ার চুনের ভালো উৎস। সুন্দরবনের মধুর উপর নির্ভর করে একশ্রেণির মানুষ তাদের জীবিকা নির্বাহ করে। দেশে বিক্রির পাশাপাশি এ মধু বিদেশেও রপ্তানি হয়।

সুন্দরবন বাংলাদেশের ঐতিহ্য। আমাদের উচিত সুন্দরবন এবং এর প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন।

আরও পড়ুন:
সুন্দরবনের নৌবহরে নতুন ৬ জলযান
বন বিভাগের বিরুদ্ধে ১২৫ কেজি হরিণের মাংস গায়েবের অভিযোগ
সুন্দরবন রক্ষার স্মার্ট বাহিনী এখন জেলেদের ‘ত্রাস’
সুন্দরবন: প্রথম দিনই পর্যটকের ভিড়, আছে নানা অভিযোগ
৩ মাস পর খোলা হলো সুন্দরবন, প্লাস্টিক বন্ধে কড়াকড়ি

মন্তব্য

জীবনযাপন
How did the World Valentines Day come about?

কীভাবে এলো বিশ্ব ভালোবাসা দিবস

কীভাবে এলো বিশ্ব ভালোবাসা দিবস প্রতীকী ছবি
ভালোবাসা দিবস প্রতিষ্ঠা নিয়ে আছে নানা মিথ। এসবের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা বেশি পেয়েছে তৃতীয় শতকে এক পাদ্রির শহীদ হওয়ার ঘটনা।

১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বিশ্বজুড়ে নানা আয়োজনে দিনটি উদযাপন করে মানুষ। ক্যাথলিক চার্চের শুরুর দিকে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস নামে এক বা একাধিক পাদ্রির শহীদ হওয়াকে সম্মান জানাতে খ্রিষ্টধর্মীয় উৎসব হিসেবে দিনটি পালন হতো। সময়ের সঙ্গে প্রেম ও ভালোবাসার সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও বাণিজ্যিক একটি আনুষ্ঠানিক দিবসে এটি পরিণত হয়।

ভালোবাসা দিবস প্রতিষ্ঠা নিয়ে আছে নানা মিথ। এসবের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা বেশি পেয়েছে তৃতীয় শতকে এক পাদ্রির শহীদ হওয়ার ঘটনা।

তখন রোমান সম্রাট ছিলেন দ্বিতীয় ক্লডিয়াস। একের পর এক রাষ্ট্র জয় করে চলেছেন তারা। যুদ্ধের ময়দানে শত্রুকে পরাজিত করতে সেনাবাহিনীকে আরও বড় করার কথা ভাবলেন সম্রাট।

ওই সময়ে তরুণরা যুদ্ধের দামামার প্রতি অনাগ্রহী। ক্লডিয়াস ভাবলেন, সঙ্গী না থাকলেই যুদ্ধমুখী হবে তারুণ্য। তাই নিষিদ্ধ করলেন বিয়ে। তারুণ্যকে নিয়মের বেড়াজালে বন্দি করার কাজটিও তো মুশকিলের। সম্রাটের চোখ ফাঁকি দিয়ে তরুণদের পাশে দাঁড়ালেন এক পাদ্রি, নাম সেইন্ট ভ্যালেন্টাইন।

গোপনে তিনি বিয়ে দিচ্ছিলেন তরুণ-তরুণীদের। কিন্তু সম্রাটের চোখকে বেশি দিন ফাঁকি দিতে পারলেন না। ধরা পড়লেন ভ্যালেন্টাইন। শুরু হলো কারাজীবন।

মুক্তির পথ জানা না থাকলেও ভ্যালেন্টাইনকে দেখতে জেলখানায় যেতেন তরুণরা। ভ্যালেন্টাইনের প্রজ্ঞায় মুগ্ধ ছিলেন এক তরুণী। বলা হয়ে থাকে সেই তরুণী ছিলেন কারারক্ষীর মেয়ে।

প্রায়ই সে বন্দি ভ্যালেন্টাইনকে দেখতে কারাগারে যেতেন। ধর্মযাজক হয়েও এক সময় রীতিনীতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সেই তরুণীর প্রেমে মজেন ভ্যালেন্টাইন। এসব ভ্যালেন্টাইনের জীবনের শেষ সপ্তাহগুলোর ঘটনা। ২৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়।

ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার আগে ভ্যালেন্টাইন প্রেয়সীকে চিঠি লেখেন তিনি। যার শেষ বাক্যটা ছিল, ‘তোমার ভ্যালেন্টাইনের কাছ থেকে ভালোবাসা।’

সেই থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসার দিন। যদিও দুই শতাব্দী নীরবে-নিভৃতে পালন করতে হয়েছে দিনটি। অবশেষে ৪৯৬ খ্রিষ্টাব্দে রোমের রাজা পোপ জেলুসিয়াস আনুষ্ঠানিকভাবে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন ডে ঘোষণা করেন।

সেইন্ট ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুর আগে প্রতি বছর রোমানরা ১৪ ফেব্রুয়ারি পালন করত জুনো উৎসব। রোমান পুরাণের বিয়ে ও সন্তানের দেবী জুনো। দিনটিতে অবিবাহিত তরুণরা কাগজে নাম লিখে লটারির মাধ্যমে তার নাচের সঙ্গীকে বেছে নিত।

৪০০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে রোমানরা যখন খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহণ করে, তখন ‘জুনো’ উৎসব আর সেইন্ট ভ্যালেন্টাইনের আত্মত্যাগের দিনটিকে গাথা হয় সূত্রে, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গোটা ইউরোপ এবং ইউরোপ থেকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

ভ্যালেন্টাইন ডের শুরু নিয়ে আরেকটি মিথ বেশ আলোচিত। এই মতের মানুষরা মনে করেন ভ্যালেন্টাইনের সঙ্গে প্রিয়জনকে ভালোবাসার বার্তা পাঠানোর আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই।

প্রাচীনকালে মানুষের বিশ্বাস ছিল, ১৪ ফেব্রুয়ারি হলো পাখিদের বিয়ের দিন। পাখিরা বছরের দ্বিতীয় মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ডিম পাড়তে বসে। আবার অনেকে বলেন, মধ্যযুগের শেষ দিকে মানুষ বিশ্বাস করত, এদিনে পাখিদের মিলন ঋতু শুরু হয়। পাখিরা সঙ্গী খুঁজে বেড়ায়। তাদের দেখাদেখি মানুষও সঙ্গী নির্বাচন করে এ দিনে।

মন্তব্য

জীবনযাপন
Are the people of the mind a lot of lumberjacks?

মনের মানুষ কি বড্ড কাঠখোট্টা?

মনের মানুষ কি বড্ড কাঠখোট্টা? প্রতীকী ছবি
বিশেষজ্ঞরাও মেনে নিয়েছেন নচিকেতার লেখা সেই গানের কথাগুলি, ‘ভালোবাসা আসলেতে পিটুইটারির খেলা, আমরা বোকারা বলি প্রেম।’ বিজ্ঞানও বলছে সেই একই কথা!

ফেব্রুয়ারি জুড়ে যেন উপলক্ষের শেষ নেই। স্বাভাবিকভাবেই তাই এতে গা ভাসায় প্রেমময় হৃদয়গুলো। প্রেমিক-প্রেমিকা, স্বামী-স্ত্রী কিংবা এক কথায় সঙ্গীর সঙ্গে ভালোবাসার বিনিময় আয়োজন ঘিরে একটু বাড়ে এ মাসে। তবে এতসবের পরও কিছু হৃদয়ে ক্ষণিকের মেঘ জমে ওঠে; মনের মানুষটা তার সেই অর্থে রোমান্টিক নন। বড্ড বেশিই কাঠখোট্টা!

এমন অসুখী প্রেমিক-প্রেমিকাদের সান্ত্বনা দিতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ পরিস্থিতিতে সেই বিশেষ মানুষটার দোষ খুঁজে লাভ নেই। বরং আসল যে খলনায়ক, অর্থাৎ লাভ হরমোনের পরিস্থিতিতে নিজের হাতে নিয়ন্ত্রণ করুন। তবেই ঘুরে যাবে সময়।

বিশেষজ্ঞরাও মেনে নিয়েছেন নচিকেতার লেখা সেই গানের কথাগুলি, ‘ভালোবাসা আসলেতে পিটুইটারির খেলা, আমরা বোকারা বলি প্রেম।’ বিজ্ঞানও বলছে সেই একই কথা!

এই সময়ের প্রতিবেদন বলছে, বিশেষ হরমোনের অভাবেই নাকি প্রিয় মানুষটির মনে এমন বিশেষ বিশেষ মুহূর্তে বয়ে যায় না কোনো আবেগের ফল্গুধারা। মূলত লাভ হরমোনের কারসাজিতেই এমন ঘটনা ঘটে থাকে। তাই তো চটজলদি প্রিয় মানুষের ডায়েটে বেশ কিছু বদল আনতে হবে। তাতেই প্রেমের শুষ্ক ভূমিতে আসবে প্রেমের বান।

প্রেমকে আমরা আবেগ বলে বর্ণনা করলেও বিজ্ঞান বলছে, সবই হরমোনের বিষয়। ভালোবাসা, কামনা, বাসনা- এসব কিছুর পেছনেই কলকাঠি নাড়ছে একাধিক হরমোন। বিশেষ করে অক্সিটোসিন হরমোন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই হরমোনের ঘাটতিতে অসুখী, আবেগহীন হয়ে ওঠে মন। তাই জীবনে রোমান্স চাইলে পার্টনারের শরীরে অক্সিটোসিনের মাত্রা বাড়াতে হবে, তাতেই হবে ম্যাজিক। আর ঠিক এই কাজটাই করতে পারবে বিশেষ কিছু খাবার।

এ ক্ষেত্রে দারুণ উপকারী অ্যাভোকাডো। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পাওয়ার হাউস অ্যাভোকাডোকে ডায়েটে সামিল করলেই বাড়বে লাভ হরমোনের পরিমাণ।

আরও পড়ুন:
সঙ্গী কি অন্য কারো প্রেমে?
চাচাতো বোনকে প্রেমের প্রস্তাব, ব্যর্থ হয়ে ভাইকে হত্যা
জামাতা-শাশুড়ির প্রেমের বলি শ্বশুর, কারাদণ্ড

মন্তব্য

p
উপরে