× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
Traditional boat ride in Gopalganjs Varni Bawar
google_news print-icon

বর্ণি বাওড়ে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ

বর্ণি-বাওড়ে-ঐতিহ্যবাহী-নৌকাবাইচ-
গোপালগঞ্জের বর্ণি বাওড়ে মঙ্গলবার নৌকাবাইচে অংশ নেয়া প্রতিযোগীরা। ছবি: নিউজবাংলা
গোপালগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী বর্ণি বাওড়ে বহু বছর ধরে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে এলাকাবাসী। বিনোদনের জন্য এ দিনটির অপেক্ষা করে থাকেন এলাকাবাসী।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিধন্য গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বর্ণির বাওড়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো আবহমান গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্নি ইউনিয়নবাসীর উদ্যোগে এ বাইচের আয়োজন করা হয়। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বিভিন্ন বয়সের হাজার হাজার নারী-পরুষ, শিশু-কিশোর এ নৌকাবাইচ উপভোগ করেন। বাইচ উপলক্ষে বাওড়ের দু’পাড়ে বসে গ্রামীণ মেলা।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নবাসী ঐতিহ্যবাহী বর্ণি বাওড়ে বহু বছর ধরে এ নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। বিনোদনের জন্য এ দিনটির অপেক্ষা করে থাকেন এলাকার মানুষ। তারা উপভোগ করেন ঢাকের তালে তালে মাল্লাদের গাওয়া জারি সারি আর বৈঠার সলাৎ সলাৎ শব্দ।

এ নৌকাবাইচে গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামের বাছারী নৌকা অংশ নেয়। বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এ নৌকাবাইচ। বাওড়ের মধ্যে ছোট ছোট অসংখ্য নৌকায় বসে নানা বয়সী নারী-পুরুষ উপভোগ করেন বাইচ প্রতিযোগিতা।

এছাড়া বাওড়ের দুই পাড়ে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার মানুষও উপভোগ করেন এই দৃষ্টিনন্দন বাইচ।

মেলা উপলক্ষে বাওড়ের দু’পাড়ে গ্রামীণ মেলা বসে। এ মেলায় মিষ্টি, চানাচুর, চটপটি. ফুসকাসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার ও শিশুদের খেলনাসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের পসরা নিয়ে বসেন ব্যবসায়ীরা।

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী এ নৌকা বাইচ বাঁচিয়ে রাখতে সবাই এগিয়ে আসবে এমনটাই প্রত্যাশা দর্শনার্থীদের।

গোপালগঞ্জ শহের থেকে নৌকাবাইচ দেখতে আসা আকবর হোসেন বলেন, ‘দিন দিন আমাদের গ্রামবাংলার নানা ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে। গ্রামীণ এসব ঐতিহ্য ধরে রাখতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’

বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও এই নৌকাবাইচের আয়োজক খালিদ হোসেন বলেন, ‘আগামীতেও এ ঐতিহ্য ধরে রাখতে নৌকাবাইচের আয়োজন করা হবে।’

এ নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পারকুশলি গ্রামের মামা-ভাগ্নে নৌকা প্রথম, বর্ণি গ্রামের স্বপ্নের তরী দ্বিতীয় ও জোয়ারিয়া গ্রামের জয় মা দুর্গা নৌকা তৃতীয় স্থান অধিকার করে।

আরও পড়ুন:
নৌকাবাইচ দেখতে কুমার নদের দুই পাড়ে হাজারো মানুষ
বৈঠার ছলাৎ ছলাৎ শব্দে মুখরিত দুই পাড়
নৌকাবাইচ দেখতে গিয়ে ব্রহ্মপুত্রে নিখোঁজ দুই শিশু
নৌকা ডুবে যাওয়ায় স্থগিত বাইচ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
A touching story is going on in Charki the close people are far away

ফারিণ-প্রীতমের ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’

ফারিণ-প্রীতমের ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’ ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’ সিনেমার একটি দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
এ সিনেমার মধ্যে দিয়ে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধেছেন বর্তমান সময়ের আলোচিত গায়ক প্রীতম হাসান ও অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ।

জীবনের প্রয়োজনে দূরে গিয়ে অনুভূতির আলোড়নে প্রেমিক-প্রেমিকার ফিরে আসা। এমন একটি ঘটনা নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করেছেন শিহাব শাহীন, যা এরই মধ্যে মুক্তি পেয়েছে চরকিতে।

গত বৃহস্পতিবার থেকে ওটিটি প্ল্যাটফর্মটিতে ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’ চলছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে জানানো হয়, সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন পরিচালক শিহাব শাহীন। তার সঙ্গে ছিলেন জাহান সুলতানা।

এ সিনেমার মধ্যে দিয়ে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধেছেন বর্তমান সময়ের আলোচিত গায়ক প্রীতম হাসান ও অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ।

সিনেমার অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে আছেন সমাপ্তি মাশুক, খলিলুর রহমান কাদেরী, শিরিন আলম, শুভজিৎ ভৌমিক, শাহীন শাহনেওয়াজসহ আরও অনেকে।

সিনেমাটি নিয়ে পরিচালক শিহাব শাহীন বলেন, ‘ভালোবাসার গল্পে লং ডিসট্যান্স সম্পর্ক নিয়ে আমাদের এখানে খুব কম কাজ হয়েছে। তাই ভালোবাসার এই দিকটা নিয়েই কাজ করেছি।’

তাসনিয়া ফারিণ অভিনয়ে নিয়মিত মুখ। ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’ সিনেমার গল্প তার জীবনের গল্পের সঙ্গে অনেকটা মিলে যায়।

দীর্ঘদিন লং ডিসট্যান্স রিলেশনশিপে থাকার পর কিছুদিন আগেই বিয়ে করেছেন ভালোবাসার মানুষকে। কাজটি করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ফারিণ।

এ নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘কাছের মানুষ আমার খুব ভালোবাসার একটা কাজ। শিহাব ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করাটা সবসময় ব্লেসিংয়ের। দর্শক এখন সিনেমাটা দেখে পছন্দ করলে তবেই আমাদের সার্থকতা।’

প্রীতম হাসান গায়ক থেকে নায়ক হয়েছেন এ সিনেমায়।

অভিনয় নিয়ে তার পরিকল্পনা কী কিংবা অভিনয়ে নিয়মিত হবেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “অভিনয়ে নিয়মিত হব কি না, এটা ভাবার চেয়ে ভালো কাজ করার ভাবনা বেশি। অভিনয় তো খুব কম করা হয়। কম কাজই বেশি সময় নিয়ে করতে চাই।

“‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’ আমার জন্য অন্যরকম ভালোবাসার কাজ। সিনেমাটা দেখে দর্শক আমাকে পছন্দ করছে, আমাদের কাজটা দেখছে, এটাই প্রাপ্তি।”

আরও পড়ুন:
‘ভূতপরী’ সিনেমার ট্রেলারে চমক জয়া-ঋত্বিকের
প্রথম দিনে কত আয় করল ‘মেরি ক্রিসমাস’
৪ দিনেই ২৫০ কোটি রুপি পার করল প্রভাসের ‘সালার’
দেশের ৪৮ হলে চলবে ‘অ্যানিমেল’
৩ দিনে কত আয় করল রণবীরের ‘অ্যানিমেল’

মন্তব্য

জীবনযাপন
Why did Mahi kiss Parimoni?

পরীমনিকে কেন ভার্চুয়াল চুমু দিলেন মাহি?

পরীমনিকে কেন ভার্চুয়াল চুমু দিলেন মাহি? কোলাজ: নিউজবাংলা
গত কদিন ধরে যে নায়িকা এমন অস্থিরতায় ভুগছেন, তা বোঝা যায় তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টগুলো দেখলেই। তবে এবার বোধহয় কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেন তিনি।

মন ভালো নেই চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির, ঘর ভাঙার শব্দে হাহাকার উঠেছে হৃদয়ে। তাইতো কখনও লিখছেন ‘একা একা লাগাছে’, কখনও বা ‘একা হয়ে যাওয়ার’ প্রমাণ হিসেবে পোস্ট করছেন ‘একা মাহি’র ছবি।

গত কদিন ধরে যে নায়িকা এমন অস্থিরতায় ভুগছেন, তা বোঝা যায় তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টগুলো দেখলেই। তবে এবার বোধহয় কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেন তিনি।

আরেক নায়িকা পরীমনির কাছ থেকে উপহার পেয়েছেন ঢাকাই সিনেমার এ নায়িকা। সে কথাই ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে জানিয়েছে মাহি।
‘পেনডেন্ট’ উপহার পেয়ে পরীমনিকে তাই ট্যাগ করে মাহি লিখেছেন, ‘চুম্মাহ পরীমনি।’ আর পরী উত্তরে কমেন্টে এসে লিখেছেন, ‘লাভ ইউ’, সঙ্গে দিয়েছেন চুমুর ইমোজি।

শরিফুল ইসলাম রাজের সঙ্গে বিয়েবিচ্ছেদ হয়ে গেছে পরীমনির। ছেলেকে নিয়ে একাই আছেন তিনি। সিঙ্গেল পরীর মতো মাহিও এখন সিঙ্গেল হওয়ারই পথে।

পরীমনিকে কেন ভার্চুয়াল চুমু দিলেন মাহি?

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাকিব সরকারের সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদ হচ্ছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। একটি ভিডিও বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাহি।

মাহি ভিডিওতে বলেন, ‘আজকে এ রকম একটা ভিডিও করতে হবে সেটা ভাবিনি। এ রকম আমাদের নিজেদের জন্য এটা বলাটা উচিত। সবার জানা উচিত। আমি আর রকিব আমরা আসলে খুব আন্ডারস্টান্ডিং থেকে বিয়ের সিদ্ধান্তে এসেছিলম। একটা পর্যায়ে মনে হয়েছে দুজন দুজনের জন্য না।’

তিনি বলেন, ‘একটা ছাদের নিচে দুটি মানুষ কেন ভালো নেই, সেটা তারাই ভালো জানে। এটা বাইরের থেকে বোঝা যাবে না।’

মাহি বলেন, ‘আমরা দুজন মিলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে। তবে রকিব খুব ভালো মানুষ। তাকে আমি সম্মান করি। অনেক কেয়ারিং সে। খুব দ্রুতই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে সেপারেশনে যাচ্ছি, সেপারেশনে অআছি। সেপারেশন কবে আর কীভাবে হবে সেটিও দুজন মিলেই ঠিক করব।’

২০১৬ সালে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহি। ২০২১ সালের ২২ মে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর ২০২১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর রাকিবকে বিয়ে করেন মাহি। তাদের একটি ছেলে রয়েছে। গাজীপুরের ব্যবসায়ী রাকিবেরও এটি দ্বিতীয় বিয়ে।

আরও পড়ুন:
ফেসবুক লাইভে এসে বিজয়ী এমপিকে পরামর্শ দিলেন মাহি
জামানত হারালেন মাহি
প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারলেন না মাহি

মন্তব্য

জীবনযাপন
Draw the Dream Childrens Festival at the Childrens Academy

শিশু একাডেমিতে ‘স্বপ্ন আঁকো শিশু উৎসব’

শিশু একাডেমিতে ‘স্বপ্ন আঁকো শিশু উৎসব’ শিশু একাডেমিতে আয়োজিত উৎসবের খণ্ডচিত্র।
ঢাকা অঞ্চলের চার হাজারের বেশি অংশগ্রহনকারীর আঁকা ছবির প্রদর্শনী ছাড়াও ‘স্বপ্ন আঁকো শিশু উৎসবে’ ছিল নাচ, গান, মঞ্চ নাটক, কার্টুন শো, বিভিন্ন ধরনের গেইমস, ফটো বুথসহ নানা আয়োজন।

দেশের বড় রিটেইল চেইন সুপারশপ ‘স্বপ্ন’ গতবারের মতো এবারও উৎসবমুখর পরিবেশে সফলভাবে আয়োজন করেছে শিশুদের ছবি আঁকার উৎসব। এবার শিশু একাডেমিতে বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

প্রখ্যাত অভিনেতা-নাট্যকার মামুনুর রশীদ, বরেণ্য অভিনেতা ও নির্মাতা আফজাল হোসেন, নব্বই দশকের টেলিভিশন ও মঞ্চ নাটকের প্রিয়মুখ আফসানা মিমি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বেলুন উড়িয়ে স্বপ্ন আয়োজিত শিশুদের ছবি নিয়ে এই প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন এবং শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান। উৎসবে অংশগ্রহণকারী শিশুরা পরিবারের সদস্যসহ এই আয়োজনে শরিক হয়।

ঢাকা অঞ্চলের চার হাজারের বেশি অংশগ্রহনকারীর আঁকা ছবির প্রদর্শনী ছাড়াও ‘স্বপ্ন আঁকো শিশু উৎসবে’ ছিল নাচ, গান, মঞ্চ নাটক, কার্টুন শো, বিভিন্ন ধরনের গেইমস, ফটো বুথসহ নানা আয়োজন।

স্বপ্ন-এর পক্ষ থেকে এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির হেড অফ মার্কেটিং মাহাদী ফয়সাল, ক্রিয়েটিভ হেড ফরিদুজ্জামান, প্রমোশন অ্যান্ড ক্যাম্পেইন ম্যানেজমেন্টের সহকারী ম্যানেজার মোহাম্মদ আনিসুল ইসলামসহ অনেকে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য

জীবনযাপন
The drug case against Parimoni will continue

পরীমনির বিরুদ্ধে মাদকের মামলা চলবে

পরীমনির বিরুদ্ধে মাদকের মামলা চলবে চিত্রনায়িকা পরীমনি। ফাইল ছবি
২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক নজরুল ইসলাম পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদেশ দেন। পরে মামলা বাতিলে হাইকোর্টে আবেদন করেন পরীমনি।

চিত্রনায়িকা পরীমনি ওরফে শামসুন্নাহার স্মৃতির বিরুদ্ধে করা মাদক মামলা বাতিল প্রশ্নে জারি করা রুল পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে দিয়েছে হাইকোর্ট। এর ফলে পরীমনির বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতে মামলা চলতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। খবর বাসস

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেয়।

আদালতে পরীমনির পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না ও শাহ মনজুরুল হক।

পরীমনির বাসা থেকে এলএসডিসহ নানা ধরনের মাদক জব্দ করা হয়েছিল, পাওয়া যায় অ্যালকোহলও। তবে অ্যালকোহল সেবনের লাইসেন্স ছিল এই চিত্রনায়িকার।

বৃহস্পতিবারের রায়ে বলা হয়েছে, এলএসডিসহ জব্দ অন্য মাদকের বিচার চলবে। আর অ্যালকোহল সম্পর্কে মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ে উল্লেখ করা হবে।

আদালত জানায়, তার ঘর থেকেই এই মাদক উদ্ধার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।

এ বিষয়ে পরীমনির আইনজীবী বলেন, ‘মামলা বাতিল প্রশ্নে জারিকৃত রুল পর্যবেক্ষণসহকারে নিষ্পত্তি করে এ রায় দিয়েছে উচ্চ আদালত। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হলে বিস্তারিত বোঝা যাবে।’

২০২১ সালের ৪ আগস্ট বিকেলে রাজধানীর বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় আনা মামলায় কারাবরণ করে জামিনে মুক্তি পান এই নায়িকা। মামলায় অপর দুই আসামি হলেন-পরীমনির সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দিপু ও মো. কবীর হাওলাদার।

একই বছরের ৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা পরীমনিসহ তিনজনের নামে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার জিআর শাখায় চার্জশিট জমা দেন। মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়।

২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক নজরুল ইসলাম তিনজনের অভিযোগ গঠন করে আদেশ দেন। পরে মামলা বাতিলে হাইকোর্টে আবেদন করেন পরীমনি।

গত বছরের ১ মার্চ আবেদনের শুনানি নিয়ে মামলা কেন বাতিল করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে হাইকোর্ট। পাশাপাশি মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেয় উচ্চ আদালত।

আরও পড়ুন:
এর চেয়ে বড় শোক আর আসবে না: পরীমনি
দোয়া চেয়েছেন পরীমনি
পরীমনি অভিনীত ‘পাফ ড্যাডি’ বন্ধে আইনি নোটিশ 
যে ৪ কারণে রাজকে ডিভোর্স দিলেন পরীমনি

মন্তব্য

জীবনযাপন
Kabir Suman wants to spend the rest of his life in Bangladesh

জীবনের বাকিটা বাংলাদেশে কাটাতে চান কবীর সুমন

জীবনের বাকিটা বাংলাদেশে কাটাতে চান কবীর সুমন কবীর সুমন। ছবি: সংগৃহীত
তিনি লিখেছেন, ‘এমন নয় যে সনাতনধর্মীয় নামধারী কোনো বঙ্গজ আমায় সম্মান করেন না। মুষ্টিমেয় কিছু বঙ্গজ করেন, কিন্তু বড্ড বেশি সংখ্যক সনাতনধর্মীয় বঙ্গজ আমায় ঢাক পিটিয়ে ঘৃণা করেন, এবং তা জাহির করে সনাতনী সুখ পান।’

পশ্চিমবঙ্গে বাস করলেও দুই বাংলাতেই তার ব্যাপক জনপ্রিয় বাংলা গানের কিংবদন্তী শিল্পী কবীর সুমন। তবে নিজের মাতৃভূমিতে না কি ভালো নেই তিনি। আবেগঘন এক পোস্টে এমন কথা জানিয়ে দেশ ছেড়ে জীবনের বাকি অংশ বাংলাদেশে এসে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন কিংবদন্তী এ শিল্পী।

সোমবার দুপুরের দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে দীর্ঘ পোস্ট দিয়ে এ ইচ্ছার কথা জানান সুমন।

ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘এই কথা আমি আগেও অনেকবার বলেছি। তাও ফের বলছি, কারণ আমার কথায় কোনো কাজ হচ্ছে না।

‘এমন নয় যে সনাতনধর্মীয় নামধারী কোনো বঙ্গজ আমায় সম্মান করেন না। মুষ্টিমেয় কিছু বঙ্গজ করেন, কিন্তু বড্ড বেশি সংখ্যক সনাতনধর্মীয় বঙ্গজ আমায় ঢাক পিটিয়ে ঘৃণা করেন, এবং তা জাহির করে সনাতনী সুখ পান।’

তিনি বলেন, “আর এক শ্রেণির সনাতন-বঙ্গজ আছে, যারা আমায় কবীর নামে ডাকতে চায় না। এরা, যা দেখেছি ‘বামপন্থী’। ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে আমার নাম ভারতের সংবিধান মোতাবেক, ঘোষিতভাবে কবীর সুমন। ফার্স্ট নেম কবীর। সার্নেম সুমন।

“আমার আয়কর ফাইল, র‍্যাশন কার্ড, পাসপোর্ট, ভোটার আইডি, আধার কার্ড- সর্বত্র এই নামটাই আছে। এই নামে আমি ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে লড়ে মাননীয় সিপিআইএম সদস্য ডক্টর সুজন চক্রবর্তীকে হারিয়ে দিয়ে লোকসভার সাংসদ হয়েছিলাম। ভারতের অন্তর্ভুক্ত পশ্চিম বাংলায় তা সকলের জানার কথা। তা সত্ত্বেও সিপিআইএম করা বঙ্গজরা আমায় আমার বর্জিত নামে ডাকেন। শুধরে দিলেও শুধরে নেন না। আর নকশালপন্থী দলের বঙ্গজ নেতাও (নামে সনাতনধর্মীয়) আমায় ভুলেও কবীর সুমন বলেন না, কবীর তো নয়ই। তিনি অবিরাম সুমন সুমন করে যান। এদিকে সকলেই নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার, ব্যক্তিগত অধিকার বলতে গদগদ।

“আর একদল আছে, যারা আমায় গানওলা বলে ডাকে। কী বলি।”

এ শিল্পী বলেন, “যা বুঝেছি, আমায় নির্দ্বিধায় সম্মান করেন যারা, প্রাপ্য সম্মানটুকু দেন যারা তারা সদলবলে বাঙলাদেশের নাগরিক। পশ্চিমবঙ্গের সনাতনধর্মীয় বঙ্গজদের মতো বাংলাদেশের কেউ আমায় সমানে, যে কোনো উপায়ে অপমান করে যান না।

“আর মাসখানেক পরে আমি ৭৫ পুরো করে ৭৬-এ পড়ব। কলকাতা আমার প্রথম প্রেম। কলকাতা নামটা আমার গানে যতবার এসেছে আর কারুর কবিতায় গানে তা আসেনি। আমায় যাঁরা বাঁচিয়ে রেখেছেন তাঁরা সকলেই কলকাতার সনাতনধর্মীয় বঙ্গজ। তাঁদের ছেড়ে থাকতে পারব না। কিন্তু, কারুর কোনো ক্ষতি না করা সত্ত্বেও সমানে অপমানিত হতে হতে এবারে আমি চাইছি- এই দেশটা, মায় এই শহরটাও ছেড়ে চলে যেতে। এখানকার সনাতনধর্মীয় বঙ্গজদের মধ্যে অন্তত দুজন ফেসবুকে ঘোষণাও করেছেন ‘হাসপাতাল থেকে ফিরে না এলেই ভালো হতো।’ তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু লেখেনি।

“আমার শেষ জীবন আমি যদি বাংলাদেশে থেকে আমার মাভাষার সেবা করতে পারতাম, বাংলা খেয়াল শেখাতে পারতাম, আমার আজকের স্বাস্থ্য যতটা অনুমতি দেবে ততটা অন্তত।”

তিনি বলেন, “আমি agnostic। মরে যাবার পর কোনো ধর্মীয় শেষকৃত্যের প্রশ্নই উঠবে না। আমার দেহ দান করা আছে। বাংলাদেশে মরলে সেখানকার কোনো হাসপাতালে আমার শরীর কাজে লাগানো যেতে পারে।

“আজও আমি ফেসবুকে আমার সম্পর্কে সনাতনধর্মীয় বঙ্গজদের খিস্তি পড়েছি। এতে আমার মধ্যে কোনো উত্তেজনা জাগেনি, জাগছে এই ‘বিদেশটা’ ত্যাগ করে ভাষা মতিনের দেশে গিয়ে আশ্রয় নেওয়া, সেই দেশের কাজে লাগার ইচ্ছে।”

পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘প্রকাশ্যে সাহায্য ও আশ্রয় চাইছি। এই রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী আমার আবেদনে সাড়া দিয়ে বাংলা খেয়ালকে স্বীকৃতি দিয়েছেন, রাজ্য ক্লাসিকাল মিউজিক কনফারেন্সে আমায় বাংলা খেয়াল গাইতে দিয়েছেন। এ রাজ্যের একজন শিল্পীও কিন্তু সংহতি জানাননি আমার সঙ্গে। যতদিন বেঁচে থাকব শ্রীমতি মমতা বন্দ্যোধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব, তাঁর পক্ষে থাকব।

‘কেউ যদি পারেন আমায় সাহায্য করুন।

‘জয় বাংলা

জয় বাংলা খেয়াল!

কবীর সুমন

১৯ ২ ২৪’’

সংগীতশিল্পী কবীর সুমনের জন্ম ১৯৪৮ সালের ১৬ মার্চ ১৯৪৯। তিনি একাধারে গায়ক গীতিকার। পাশাপাশি কিছুদিন সাংবাদিকতা ও অভিনয়ও করেছেন, ছিলেন সংসদ সদস্যও। ২০০০ সালে ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়ে তিনি তার পুরনো নাম ত্যাগ করেন।

১৯৯২ সালে ‘তোমাকে চাই’ অ্যালবামের মাধ্যমে তিনি বাংলা গানে এক নতুন ধারার প্রবর্তন করেন। তার রচিত গানের অ্যালবামের সংখ্যা পনেরো। দুই বাংলার তরুণদের কাছে দারুণ জন্মপ্রিয় এই শিল্পী।

২০২৩ সালের নভেম্বরে শেষবার ঢাকায় এসেছিলেন কবীর সুমন। তখন চার দিনের বাংলা খেয়াল কর্মশালার জন্য ঢাকায় আসেন তিনি। এর আগে তিনি ২০২২ সালের অক্টোবরে ঢাকায় এসেছিলেন।

বাংলা গানের গতিপথ বদলে দেয়া এই অ্যালবাম প্রকাশের ৩০ বছর পূর্ণ হয় ২০২২ সালে। এ উপলক্ষে ঢাকায় ‘তোমাকে চাই-এর ৩০ বছর উদযাপন’ শিরোনামে গানের অনুষ্ঠানে অংশ নেন এই গায়ক।

ওই অনুষ্ঠানে নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়ে কবীর সুমন বলেছিলেন, ‘আমার একটা অসুখ হয়েছে। এই অসুখের কারণে আমি যেমন হাতে লিখতে পারি না, তেমনই গিটারও বাজাতে পারি না। আর কোনোদিন পারব না।

‘একটানা বসে থাকলেও সমস্যা হয়। মাঝে মাঝে মনে হয়, শুয়ে শুয়ে গান গাই! তবে এ জন্য আমার আলাদা কোনো দুঃখ নেই। গুরুদের কৃপায় আমি এখনও একটু একটু গান গাইতে পারি- এটাই আনন্দ।’

মন্তব্য

জীবনযাপন
Nakul Kumar fell from the roof to the hospital

ছাদ থেকে পড়ে হাসপাতালে নকুল কুমার

ছাদ থেকে পড়ে হাসপাতালে নকুল কুমার কণ্ঠশিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাস। ফাইল ছবি
মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে শিমুল গাছের ডাল কাটতে বাড়ির দোতলার ছাদে ওঠেন নকুল কুমার। এ সময় অসাবধানবশত রেলিংয়ের পাশ থেকে নিচে পড়ে যান তিনি।

মাদারীপুরে গ্রামের বাড়িতে ছাদ থেকে পড়ে আহত হয়েছেন গীতিকার, গায়ক ও সংগীত পরিচালক নকুল কুমার বিশ্বাস। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তির পর অবস্থার উন্নতি না হলে তাকে রাজধানীর পপুলার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রামের নিজ বাড়িতে শিমুল গাছের ডাল কাটতে নিজ বাড়ির দোতলার ছাদে ওঠেন নকুল কুমার। এ সময় অসাবধানবশত রেলিংয়ের পাশ থেকে নিচে পড়ে যান তিনি।

রোববার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক একাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করে খবরটি নিশ্চিত করেছেন নকুল কুমার।

ভিডিওতে নকুল কুমার বলেন, ‘গ্রামের বাড়ির দোতলা ভবনের চারপাশ শিমুল গাছের ডালে ছেয়ে গেছে। সেই ডাল কাটতে গিয়েই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। অন্যের সাহায্য ছাড়া এখন চলতে পারছি না। পপুলার হাসপাতালে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। রিপোর্ট হাতে পেলে চিকিৎসকের পরামর্শে পরবর্তী স্বাস্থ্যসেবা নেব। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।’

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আবু সফর হাওলাদার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, কণ্ঠশিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাস হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি। শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা পেয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসা নিতে তাকে মেডিক্যাল কলেজে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
বরিশালে নকুল বিশ্বাসের বাড়ির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন বঙ্গবীরের
মাদারীপুর বরিশালে গামছার প্রার্থী নকুল কুমার বিশ্বাস
ডিবিতে অভিযোগ দিয়ে যা বললেন অপু

মন্তব্য

জীবনযাপন
Kanchan and Srimayi got married

বিয়ে করেছেন কাঞ্চন আর শ্রীময়ী

বিয়ে করেছেন কাঞ্চন আর শ্রীময়ী কাঞ্চন মল্লিক এবং অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের বিয়ের এই ছবি প্রকাশ্যে এসেছে
তাদের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনার অবসান হয়েছিল আগেই, কিন্তু বিয়ে নিয়ে ছিল নানা গুজব। এরই মধ্যে এবার প্রকাশ্যে এসেছে তাদের বিয়ের ছবি।

কানাঘুষা শোনা যাচ্ছিল বেশ কয়েক দিন ধরে। অবশেষে এলো সেই খবরটা। সাতপাকে বাঁধা পড়লেন ভারতীয় অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক এবং অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ।

তাদের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনার অবসান হয়েছিল আগেই, কিন্তু বিয়ে নিয়ে ছিল নানা গুজব। এরই মধ্যে এবার প্রকাশ্যে এসেছে তাদের বিয়ের ছবি।

শ্রীময়ী আনন্দবাজার অনলাইনকে জানান, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ ‘ভ্যালেনটাইনস্‌ ডে’-র দিন আইনি মতে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে দুজনের।

বিয়ে করে কেমন অনুভূতি হচ্ছে? সেই প্রশ্নের উত্তরে শ্রীময়ী বলেন, “এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না যে, ‘মিস’ থেকে ‘মিসেস’ হয়ে গিয়েছি। একটা মিশ্র অনুভূতি কাজ করছে। দুজনে মিলে সামনের দিনগুলো ভালভাবে কাটানোর কথা ভাবছি।”

শ্রীময়ী আরও জানান, আগামী ৬ মার্চ ঘরোয়া ভবে একটি অনুষ্ঠান করা হবে। কোথায় অনুষ্ঠানটি হবে সে সব এখনও নির্ধারণ করা হয়ে ওঠেনি। আমন্ত্রিতদের তালিকাও প্রাথমিক ভাবে একটি তৈরি করা হয়েছে।

এক সঙ্গে থাকার প্রসঙ্গে শ্রীময়ী বলেন, “আপাতত এখন মায়ের কাছে রয়েছি। ৬ মার্চের পর থেকে দুজনে এক সঙ্গে থাকা শুরু করব।”

কাঞ্চন যে শ্রীময়ীকে বিয়ে করতে পারেন, সেই কথা শোনা যাচ্ছিল অনেক দিন ধরেই। দুজনের সম্পর্কেও কোনো রাখঢাক ছিল না। বাধা ছিল পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাঞ্চনের বিয়ের আইনি বিচ্ছেদ।

গত ১০ জানুয়ারি তাদের আইনি বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়েছে। তার পরই আর কোনো বাধা ছিল না দুজনের সামনে। অবশেষে একে অপরের হলেন দুজনে।

আরও পড়ুন:
‘শেষ চিঠি’ আসছে ২০ ফেব্রুয়ারি
আর নাচতে চাইছেন না নোরা
মানুষের হৃদয়ে থেকে যাব: মিমি

মন্তব্য

p
উপরে