× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
Who came to me first and loved me first
google_news print-icon

‘কে প্রথম কাছে এসেছি, কে প্রথম ভালোবেসেছি’

কে-প্রথম-কাছে-এসেছি-কে-প্রথম-ভালোবেসেছি
প্রতীকী ছবি
কখনও ছেলেটি মেয়েটিকে কখনও বা মেয়েটি ছেলেটিকে জানায় একে অন্যকে প্রথম দেখার অনুভূতি, না দেখার অর্থাৎ কিছু সময়ের জন্য চোখের আড়াল হলে ভেতরে ভেতরে কী বেদনা সইতে হয় সে অনুভূতিও। অবশ্য এরপর প্রেমটা হয়ে গেলে; সে পথ হয় দীর্ঘ, দীর্ঘতম।

‘কে প্রথম কাছে এসেছি, কে প্রথম চেয়ে দেখেছি, কিছুতেই পাই না ভেবে, কে প্রথম ভালবেসেছি, তুমি না অমি?’ মান্না দে ও লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া এই গানের মতো এখনও হয়তো অনেক জুটি দ্বিধায় পড়ে যায় ভালোবাসার কথা উঠলে! ভাবেন, আহা! দুটি মানুষের এক হওয়ার এই শুরুটা করেছিলেন কে?

কখনও ছেলেটি মেয়েটিকে কখনও বা মেয়েটি ছেলেটিকে জানায় একে অন্যকে প্রথম দেখার অনুভূতি, না দেখার অর্থাৎ কিছু সময়ের জন্য চোখের আড়াল হলে ভেতরে ভেতরে কী বেদনা সইতে হয় সে অনুভূতিও। অবশ্য এরপর প্রেমটা হয়ে গেলে; সে পথ হয় দীর্ঘ, দীর্ঘতম।

এক সময় প্রেমিক-প্রেমিকা হয়ে ওঠেন যেন উত্তম-সুচিত্রা। চাইলেই কোনো সুদীর্ঘ পথে রওনা হয়ে তারা গাইতে পারেন, ‘এই পথ যদি না শেষ হয়, তবে কেমন হতো তুমি বলো তো? যদি পৃথিবীটা স্বপ্নের দেশ হয় তবে কেমন হত তুমি বলতো?’ তবে এত কিছুর আগে ভালোবাসাবাসিটা হতে হবে ঠিকঠাক।

গবেষকরা বলছেন, পছন্দের মানুষকে সোজাসুজিই বলতে হয় তাকে ভালোলাগার কথা। কেউ আছেন পছন্দ ঠিকই করেন, তবে বলতে পারেন না। কেউ হয়তো দ্বিধায় থাকেন, বলবেন কীভাবে! সব সংশয় দূর করে আসলে বলে দেয়াই ভালো।

তবে এখানেও আছে আরেক মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপার। ভালোবাসার কথাটা শুরুতে বলবেন কে? কে বলবেন, কে প্রস্তাব গ্রহণ করবেন; এই হিসাব এক পাশে রেখে এক গবেষণা চালিয়েছে একটি প্রতিষ্ঠান।

সেই গবেষণা বলছে, মেয়েরা নয়, ছেলেরাই প্রথম ভালোবাসার কথা মুখে বলেন। প্রিয়জনকে জানিয়ে দেন বুকের ভেতর জমে থাকা বিষণ্নতার ছাপ, প্রকাশ্যে আনেন ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে রঙ্গিন ক্যানভাসে আঁকা কতশত ছবি।

‘স্যাজ জার্নাল অফ সোশ্যাল অ্যান্ড পার্সোনাল রিলেশনশিপ’ নামের পত্রিকায় প্রকাশিত ওই গবেষণার বরাতে নিউ ইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে, যে কোনো ভালোবাসার সম্পর্কে পুরুষেরাই প্রথম বলে ওঠে ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি।’

অনলাইনে হওয়া এ গবেষণায় অংশ নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, চিলি, কলোম্বিয়া, ফ্রান্স, পোল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্যের তিন হাজার প্রাপ্তবয়স্ক। সবাইকে আলাদা আলাদা কিছু প্রশ্নপত্র পাঠানো হয়।

উত্তরপত্র ফেরত আসার পর এবং সবার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বেশির ভাগ দেশে পুরুষেরাই প্রথম ভালবাসার পথে হেঁটেছেন। শুধু তাই নয়, উল্টো দিকের মানুষটিকে নিজের করে পাওয়ার জন্য পরিশ্রমও করেছেন প্রচুর।

গবেষণায় উঠে এসেছে, কাউকে ভালো লাগার ৬৯ দিনের মাথায় পুরুষেরা মনের কথা জানিয়ে দেন। সেখানে নারীরা ৭৭ দিন পেরিয়ে গিয়েও বুঝে উঠতে পারেন না, তিনি আদৌ পছন্দ করেন কি না।

পুরুষেরা প্রথমেই সরাসরি আক্ষরিকভাবে ভালবাসার কথা জানান না। কাব্য করে কিংবা অন্য কোনো রূপকের সাহায্য মনের ভাব প্রকাশ করেন। কিন্তু পছন্দের মানুষটিকে ‘আই লাভ ইউ’ বলতে বেশি সময়ও নেন না।

সম্পর্ক শুরুর ১০৭ দিনের মাথায় লিখে হোক কিংবা ফোনে অথবা সামনাসামনি ভালবাসার কথা জানিয়ে দেন পুরুষরা। ভালোবাসার প্রস্তাব পেয়ে বেশিরভাগ নারীই আনন্দিত হয়েছেন, এমন মন্তব্য করেছেন গবেষণায় অংশগ্রহণকারী নারীরা।

এত কিছুর পর ছেলে বা মেয়ে, যে-ই বলে থাকুক না কেন, একবার ভালোবাসা হয়ে গেলে বোধহয় প্রেমিক মন ঠিকই বলে ওঠে ‘ভালোবাসার মূল্য কত/ কিছু আমি জানি না/ এ জীবন তুল্য কি তার আমি সেতো বুঝি না/ আমি না জেনে না বুঝে নিলাম তোমার মন/পরে বেশি দাম চেও না।’

আরও পড়ুন:
‘ছ্যাঁকা খাওয়া’ যুবকের কাণ্ড

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Crowds of worshipers in mosques on the night of destiny

ভাগ্য নির্ধারণের রাতে মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের ভিড়

ভাগ্য নির্ধারণের রাতে মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের ভিড় রোববার পবিত্র শবে বরাত; ইবাদত-বন্দেগিতে মহিমান্বিত এ রাতটি পালন করছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। গুনাহ মাফের আশায় ধরনা দিচ্ছেন মহান আল্লাহর দরবারে। ছবিটি বায়তুল মোকাররম মসজিদ থেকে তোলা। ছবি: ফোকাস বাংলা।
রোববার মাগরিবের নামাজের পর থেকেই আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় তারা আদায় করছেন নামাজ। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় মহান রাব্বুল আলামিনের রহমত কামনায় নফল ইবাদত-বন্দেগির মধ্যদিয়ে রাতটি অতিবাহিত করছেন।

সৌভাগ্যের বা মুক্তির রাত হিসেবে পরিচিত পবিত্র শবে বরাতে ইবাদত বন্দেগির জন্য রাজধানীর মসজিদে মসজিদে এখন মুসল্লিদের ভিড়।

রোববার মাগরিবের নামাজের পর থেকেই আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় তারা আদায় করছেন নামাজ। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় মহান রাব্বুল আলামিনের রহমত কামনায় নফল ইবাদত-বন্দেগির মধ্যদিয়ে রাতটি অতিবাহিত করছেন।

রাজধানীসহ সারা দেশজুড়েই রাতভর মসজিদে প্রার্থনা করে সময় কাটানোর প্রস্তুতি নিয়েছেন মুসল্লিরা। এ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও নেয়া হয়েছে ব্যবস্থা।

রাত জেগে ইবাদাত করবেন বলে ঠিক করেছেন মগবাজার নিবাসী সজিব তাওহীদ। তাই দূরে না গিয়ে বাড়ির পাশের মসিজদেই নামাজ আদায় করতে আসেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আজকের রাতে আল্লাহর দরবারে বেশি সময় থাকব। নিজের ভুল ত্রুটির জন্য ক্ষমা চাইব।’

মাহে রমজান ও সৌভাগ্যের আগমনী বার্তা নিয়ে পবিত্র শবে বরাত সমাগত হয়। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এ রাতে মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজগারসহ বিভিন্ন ইবাদতে মশগুল হন।

হিজরি বর্ষের ১৪ শাবান রাতকে বলা হয় সৌভাগ্যের রজনী। বলা হয়ে থাকে, মহিমান্বিত এ রাতে আল্লাহ তার বান্দাদের ভাগ্য নির্ধারণ করেন।

বাংলাদেশের আকাশে গত ১১ ফেব্রুয়ারি হিজরি শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়। পরদিন থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হয়। সে হিসাবে ২৫ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাতে নির্ধারিত হয় পবিত্র শবে বরাত।

পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে মাগরিব ও এশার নামাজের পর এবং রাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদেও নেয়া হয়েছে প্রস্তুতি।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে নামাজ আদায় করে মোনাজাতে অংশ নিতে দূর দূরান্ত থেকে অনেকেই এসেছেন। তাদের অনেককেই নিজের জায়নামাজ সঙ্গে নিয়ে আসতে দেখা গেছে।

অনেকে মসজিদ থেকে ফিরে নিজ বাসাতেও ইবাদাত বন্দেগিতে মশগুল হবেন। বিশেষ করে নারীরা আজকের রাতে বাসায় বসে আল্লাহর নৈকট্য লাভে ইবাদাতে অংশ নিচ্ছেন।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য আর ইবাদাত বন্দেগির মধ্য দিয়ে দিনটি পার হলেও, এদিন নানা উপাদেয় খাবার তৈরির এক ধরনের সংস্কৃতি চালু রয়েছে।

নানা স্বাদের মিষ্টান্ন, সেমাই, হালুয়া তৈরি করা হয়। এ নিয়ে পুরান ঢাকায় রীতিমত ব্যবসায়ীরা তাদের পসরা সাজিয়ে বসেন। যারা বাসা-বাড়িতে এসব তৈরি করতে পারেন না, তারা সেখান থেকে পছন্দের খাবার কিনে নিয়ে যান। এদিন বাড়িতে বাড়িতে ভালো খাবার তৈরিরও প্রচলন রয়েছে।

মন্তব্য

জীবনযাপন
The fair of life was held last Friday

প্রাণের বইমেলায় পূর্ণতা এনে দিল শেষ শুক্রবার

প্রাণের বইমেলায় পূর্ণতা এনে দিল শেষ শুক্রবার অমর একুশে বইমেলায় শুক্রবার ছিল ক্রেতা-দর্শনার্থীর প্রচণ্ড ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
এদিন তুলনামূলক ভিড় বেশি ছিল। বিক্রিও হয়েছে ভালো। তবে মেলা আরও দুদিন বাড়ানোর জন্য প্রকাশকদের যে দাবি সেটি বাস্তবায়িত হলে আরও একটি শুক্রবার পাবে বইমেলা।

বরাবরের নিয়ম মেনে ২৯ তারিখ অমর একুশে বইমেলা শেষ হলে এটা ছিল মেলার শেষ শুক্রবার। আর সাপ্তাহিক ছুটির এই দিনে এসে মেলা যেন পূর্ণতা পেয়েছে। জমে উঠেছে প্রাণের বইমেলা।

মেলায় অংশ নেয়া বিভিন্ন প্রকাশনীর বিক্রয় প্রতিনিধিরা বলছেন, অন্য শুক্রবারের চেয়ে এদিন তুলনামূলক ভিড় একটু বেশি ছিল। বিক্রিও হয়েছে ভালো। তবে মেলা আরও দুদিন বাড়ানোর জন্য প্রকাশকদের যে দাবি সেটি বাস্তবায়িত হলে আরও একটি শুক্রবার পাবে বইমেলা। যদিও আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কিছু জানায়নি।

প্রাণের বইমেলায় পূর্ণতা এনে দিল শেষ শুক্রবার
শুক্রবার বইমেলায় ঢুকতে হয়েছে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে। ছবি: নিউজবাংলা

সরেজমিনে দেখা যায়, শুক্রবার প্রবেশপথে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে পাঠকদের ঢুকতে হচ্ছে বইমেলায়। মেলার ভেতরের প্রাঙ্গণও দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখর। শুক্রবার হওয়ায় অনেকে শিশু সন্তানসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মেলায় এসেছেন।

বিভিন্ন প্রকাশনীর স্টলের সামনে ছিলো সব বয়সী পাঠকের ভিড়। কেউ বই দেখছেন, কেউ কিনছেন। আবার কেউ তুলছেন ছবি।

প্রকাশকরা বলছেন, বই না কিনুক, ছবি তোলার জন্য হলেও সবাই যে বইমেলামুখী হচ্ছে এটাই খুশির খবর।

ঐতিহ্য প্রকাশনীর বিক্রয় প্রতিনিধি সোলাইমান বলেন, ‘আজকে শিশু প্রহরের সময় সকালে একটু বিক্রি কম ছিলো। তবে দুপুরের পর থেকে ভালোই বিক্রি হচ্ছে।’

আগামী প্রকাশনীর বিক্রয় প্রতিনিধি রবিউল ইসলামও বললেন একই কথা।

প্রাণের বইমেলায় পূর্ণতা এনে দিল শেষ শুক্রবার

মাওলা ব্রাদার্সের বিক্রয় প্রতিনিধি রমিম বলেন, ‘আজ যে মেলার শেষ শুক্রবার তা ভিড় দেখে বোঝা যাচ্ছে। অন্যান্য দিনের তুলনা ভালো বিক্রি হচ্ছে। তবে শুক্রবার হিসেবে ভিড় বেশি হলেও বইয়ের ক্রেতা ততোটা নেই।’

মিরপুর থেকে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মেলায় এসেছেন কবির আহমেদ। বললেন, ‘বউ কয়েক দিন ধরে বলছিল মেলায় যাবে। কিন্তু অফিসের ব্যস্ততার কারণে আাসা হয়নি। আজ আবার মেলার শেষ শুক্রবার। আজ না এলে এবার আর আসাই হবে না। তাই ওদের আবদার মেটাতে চলে এসেছি। ভালোই লাগছে।’

এদিকে প্রতিটি ছুটির দিনের মতোই শুক্রবারের শিশুপ্রহর মাতিয়ে রেখেছে সিসিমপুরের হালুম ইকু আর টুকটুকিরা। তাদের সরাসরি দেখে আনন্দের সীমা ছিলো না ছোট্ট সোনামনিদের। তাদের আনন্দ হাসি ফুটিয়েছে সঙ্গে মা-বাবার মুখেও।

উদয়ন স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাহমিদকে নিয়ে মেলায় সিসিমপুর দেখছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা মনির হোসেন। তিনি বলেন, ‘বাসা একটু দূরে হওয়ায় আর বাইরে খেলার পরিবেশ না থাকায় ছেলেরা তেমন খেলতে পারে না। সারাক্ষণ মোবাইল নিয়েই তাদের থাকতে হয়। শিশুদের মোবাইলের আসক্তি কাটাতে বইয়ের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানো জরুরি। তাই বাচ্চাকে এখানে নিয়ে এসেছি।’

মেলা দুদিন বাড়ানোর দাবি

এদিকে মেলার শেষ দিন ২৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার হওয়ায় দুদিন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন প্রকাশনীর প্রকাশকেরা। তাদের বক্তব্য, তাহলে মেলা সাপ্তাহিক ছুটির দিন দুটি পাবে।

অন্বেষা প্রকাশনীর প্রকাশক শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘পাঠকরা বিভিন্ন পেশায় জড়িত থাকায় সরকারি ছুটির দিনগুলোতে মেলায় ওনারা আসার একটু বেশি সুযোগ পান। এবার যেহেতু বৃহস্পতিবারই মেলা শেষ হচ্ছে, তাই দুদিন বাড়িয়ে শুক্রবার আর শনিবারও যদি মেলা থাকে তাহলে পাঠকরা আসার সুযোগ পেতেন। আমাদেরও একটু বেশি ভালো বিক্রি হতো। তাই আমরা চাই মেলার সময় দুটি দিন বাড়ানো হোক।’

তবে ঐতিহ্য প্রকাশনীর স্টল ম্যানাজার আমজাদ হোসেন খান বলেন, ‘মনে হচ্ছে না মেলা দুদিন বাড়ানো হবে। এটি করলে মেলার ঐতিহ্য নষ্ট হবে।’

২৩তম দিনে মেলায় বই এসেছে ১৯৭টি

শুক্রবার মেলা শুরু হয় সকাল ১১টায় এবং চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। এদিন নতুন বই এসেছে ১৯৭টি।

সকাল সাড়ে ১০টায় শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি ও সংগীত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমির সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মো. হাসান কবীর।

প্রধান অতিথি ছিলেন নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক এ এফ এম হায়াতুল্লাহ। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা।

শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

ক-শাখায় প্রথম হয়েছে ওয়াফিয়া নূর, দ্বিতীয় আর্লিন আহমেদ সানভী ও তৃতীয় হয়েছে তাইফা জান্নাত; খ-শাখায় প্রথম হয়েছে সৌভিক সাহা, দ্বিতীয় প্রত্যুষা রায় ও তৃতীয় শাফিন উদ্দিন আহাম্মেদ এবং গ-শাখায় প্রথম স্বস্তি চৌধুরী, দ্বিতীয় সপ্তনীল হাওলাদার ঐশী ও তৃতীয় হয়েছে সুয়েত আহমেদ নিহাল।

প্রাণের বইমেলায় পূর্ণতা এনে দিল শেষ শুক্রবার

শিশু-কিশোর আবৃত্তি প্রতিযোগিতা

ক-শাখায় প্রথম হয়েছে ফারহিনা মোস্তাক আযওয়া, দ্বিতীয় অংকিতা সাহা রুদ্র এবং তৃতীয় ফাবলিহা মোস্তাক আরওয়া। খ-শাখায় প্রথম সমৃদ্ধি সূচনা স্বর্গ, দ্বিতীয় সুবহা আলম ‌ও তৃতীয় অন্বেষা পণ্ডিত এবং গ-শাখায় প্রথম সিমরিন শাহীন রূপকথা, দ্বিতীয় আবদুল্লাহ আল হাসান মাহি ও তৃতীয় হয়েছে তাজকিয়া তাহরীম শাশা।

শিশু-কিশোর সংগীত প্রতিযোগিতা

ক-শাখায় প্রথম নীলান্তী নীলাম্বরী তিতির, দ্বিতীয় রোদসী আদৃতা এবং তৃতীয় নৈঋতা ভৌমিক। খ-শাখায় প্রথম তানজিম বিন তাজ প্রত্যয়, দ্বিতীয় সুরাইয়া আক্তার ও তৃতীয় রোদসী নূর সিদ্দিকী। গ-শাখায় প্রথম কে. এম. মুনিফ ফারহান দীপ্ত, দ্বিতীয় নবজিৎ সাহা ও তৃতীয় হয়েছে সরকার একান্ত ঐতিহ্য।

বিকেল ৪টায় বইমেলার মূল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় ‘স্মরণ: আখতারুজ্জামান ইলিয়াস’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মামুন হুসাইন। আলোচনায় অংশ নেন ওয়াসি আহমেদ এবং জাফর আহমদ রাশেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক খালিকুজ্জামান ইলিয়াস।

প্রাবন্ধিক বলেন, ‘আমাদের কালের এক আশ্চর্য-নির্লোভ মানুষ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস চেনা বাস্তবতাকে প্রসারিত করেন প্রচলিত দৃষ্টি ও বুদ্ধিগ্রাহ্যতার ওপারে। আমাদের আদিকল্প, ইন্দ্রজাল, উপকথা তিনি চিনেছিলেন সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে।’

আলোচকবৃন্দ বলেন, বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত শক্তিমান লেখক আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের সাহিত্যদর্শন, সংশীয় দৃষ্টিভঙ্গি ও নিজস্ব চিন্তাভাবনা সম্পর্কে জানতে হলে তার সাহিত্য পাঠ একান্ত জরুরি। তিনি ছিলেন সংবেদনশীল ও অনুসন্ধিৎসু একজন লেখক। সমাজের নানা দিকে তার সাহিত্যিক দৃষ্টি ছিল প্রসারিত। তিনি তার চিন্তাশীলতার মধ্য দিয়েই একজন পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে উঠেছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক খালিকুজ্জামান ইলিয়াস বলেন, ‘আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের বোধ ছিল শাণিত, ভাষা ঝরঝরে এবং চিন্তা ছিল স্বচ্ছ। নিরন্তর নিরীক্ষার মধ্য দিয়েই তার সাহিত্য অনন্য উচ্চতা লাভ করেছে। নবীন পাঠকদের আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের সাহিত্যপাঠে উৎসাহিত করতে হবে।’

লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন লেখক, পর্যটক ও পাখি বিশেষজ্ঞ ইনাম আল হক, কথাসাহিত্যিক নভেরা হোসেন, কবি কুশল ভৌমিক ও শিশুসাহিত্যিক আহমেদ জসিম।

প্রাণের বইমেলায় পূর্ণতা এনে দিল শেষ শুক্রবার

বই-সংলাপ ও রিকশাচিত্র প্রদর্শন মঞ্চের আয়োজন

এই মঞ্চে বিকেলে পারস্য সাহিত্যের অনুবাদক ও লেখক অধ্যাপক শাকির সবুর রচিত সমকালীন ইরানের কবি ও কবিতা এবং ফারসি থেকে অনূদিত বুজুর্গে আলাভির তার চোখগুলো বই নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবারের সময়সূচি

অমর একুশে বইমেলার ২৪তম দিন শনিবার মেলা শুরু হবে সকাল ১১টায় এবং চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত। সকাল ১১টায় থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে শিশুপ্রহর।

বিকেল ৪টায় বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে ‘স্মরণ: মোহাম্মদ রফিক এবং খালেক বিন জয়েনউদদীন’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান।

আরও পড়ুন:
প্রাণের মেলায় অপ্রতুল ভাষা আন্দোলনের ওপর বই
একুশের প্রহর গুনছে বইমেলা
বইয়ের দাম এবার কি বেড়েছে
বইমেলায় চলছে সেবামূলক নানা কার্যক্রম
সস্তা-চটুল বইয়ে সয়লাব বইমেলা

মন্তব্য

জীবনযাপন
A dead dolphin washed up on the beach

সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন

সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন কুয়াকাটা সৈকতে বুধবার সকালের জোয়ারে ভেসে আসা মৃত ডলফিন উদ্ধারে তৎপরতা। ছবি: নিউজবাংলা
ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি বলেন, ‘বেশ দীর্ঘ সময় পর কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন। এমন ঘটনা চলতি বছরে এটাই প্রথম। এটি ইরাবতী প্রজাতির পুরুষ ডলফিন।’

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে ভেসে এসেছে একটি মৃত ডলফিন। ৫ ফুট লম্বা ইরাবতী ডলফিনটির মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশের চামড়া উঠানো।

বুধবার সকালে কুয়াকাটা সৈকতের গঙ্গামতি এলাকায় ৩৩ কানি পয়েন্টে ডলফিনটি দেখতে পান পর্যটকরা। খবর পেয়ে কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করেন।

ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্য আবুল হোসেন রাজু বলেন, ‘স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি যে সকালের দিকে জোয়ারে পানিতে এটি ভেসে এসেছে সৈকতে। পরে আমাদের কমিটির টিম লিডারকে বিষয়টি অবহিত করি।’

সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন
কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে আসা মৃত ডলফিন ঘিরে একদল পর্যটক। ছবি: নিউজবাংলা

সমুদ্রের নীল অর্থনীতি, উপকূলের পরিবেশ-প্রতিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি বলেন, ‘বেশ দীর্ঘ সময় পর কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন। এমন ঘটনা চলতি বছরে এটাই প্রথম। এটি ইরাবতী প্রজাতির পুরুষ ডলফিন।’

কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, ‘বিষয়টি বন বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে। আমাদের সদস্যরা এটিকে নিরাপদ স্থানে মাটিচাপা দেয়ার ব্যবস্থা করছেন।

‘আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, এভাবে ডলফিন মারা যাওয়ার নেপথ্যের কারণগুলো খুঁজে বের করতে যেন উদ্যোগ নেয়া হয়।’

আরও পড়ুন:
খরা ও তীব্র গরমে ১২০ অ্যামাজন ডলফিনের মৃত্যু
কুয়াকাটা সৈকতে অর্ধগলিত ডলফিন
৭ দিনের ব্যবধানে হালদায় আরও দুটি মৃত ডলফিন
হালদার বুকে আরও একটি মৃত ডলফিন

মন্তব্য

জীবনযাপন
Heterogeneous books on photography The story behind famous photos

ফটোগ্রাফি নিয়ে ভিন্নধর্মী বই ‘বিখ্যাত ছবির পেছনের গল্প’

ফটোগ্রাফি নিয়ে ভিন্নধর্মী বই ‘বিখ্যাত ছবির পেছনের গল্প’ মেহেদী আল মাহমুদ ও তার লেখা ‘বিখ্যাত ছবির পেছনের গল্প’ বইয়ের প্রচ্ছদ। ছবি: নিউজবাংলা
বইটিতে আছে ক্যামেরা দিয়ে তোলা প্রথম ছবির গল্প। এ ছাড়া প্রথম ডিজিটাল ছবি, প্রথম রঙিন ছবি, মহাকাশ থেকে তোলা পৃথিবীর প্রথম ছবিসহ বিভিন্ন সময় আলোচনায় আসা বিখ্যাত কিছু ছবির গল্প।

অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশ হয়েছে ফটোগ্রাফি নিয়ে মেহেদী আল মাহমুদের বই ‘বিখ্যাত ছবির পেছনের গল্প’।

প্রথম দিনই মেলায় এসেছে বইটি, যা এরই মধ্যে অনেক পাঠকের নজর কেড়েছে।

কী আছে বইয়ে

ফটো টিউটোরিয়াল ডটকম নামের একটি সাইটে প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে দৈনিক ৫০০ কোটি ছবি তোলা হয়। বিপুল এ ছবির কতটি আমাদের মনে ধরে? হয়তো একটিও না, তবে এমন কিছু ছবি আছে, যেগুলো বিখ্যাত হয়ে আছে আগে থেকেই। সেই বিখ্যাত ছবিগুলোর মধ্যে থেকে কিছু ছবি বাছাই করে তার ইতিহাস জানানোর চেষ্টা করা হয়েছে ‘বিখ্যাত ছবির পেছনের গল্প’ বইটিতে।

বইটিতে আছে ক্যামেরা দিয়ে তোলা প্রথম ছবির গল্প। এ ছাড়া প্রথম ডিজিটাল ছবি, প্রথম রঙিন ছবি, মহাকাশ থেকে তোলা পৃথিবীর প্রথম ছবিসহ বিভিন্ন সময় আলোচনায় আসা বিখ্যাত কিছু ছবির গল্প।

পুলিৎজার পুরস্কার পাওয়া বাছাই করা কিছু ছবির গল্পও পাবেন বইটিতে। সব শ্রেণির পাঠকের জন্য বইটি হতে পারে কৌতূহল নিবারণের চমৎকার সংগ্রহ।

দাম ও প্রাপ্তিস্থান

বইটির প্রচ্ছদ করেছেন নভিয়া নভেলী। এর মুদ্রিত মূল্য ৪০০ টাকা। এটি মেলায় পাওয়া যাবে গ্রন্থকুটির (স্টল নম্বর ১৮০, ১৮১, ১৮২, ১৮৩) এবং শিশু গ্রন্থকুটিরের (স্টল নম্বর ৬৯১, ৬৯২) স্টলে।

ঘরে বসেই দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে রকমারিসহ অনলাইন বুকশপগুলো থেকে পাঠকরা সংগ্রহ করতে পারবেন বইটি।

আরও পড়ুন:
বইমেলায় চলছে সেবামূলক নানা কার্যক্রম
সস্তা-চটুল বইয়ে সয়লাব বইমেলা
মেলায় গবেষণাধর্মী বইয়ের প্রকাশ ও বিক্রি দুটোই কম
বসন্ত-ভালোবাসায় রাঙানো প্রাণের মেলা
বসন্ত আর ভালোবাসার দিনের অপেক্ষায় বইমেলা

মন্তব্য

জীবনযাপন
How many times a day to lift the lid?

দিনে কতবার ঢেকুর তুলবেন?

দিনে কতবার ঢেকুর তুলবেন? প্রতীক ছবি
চিকিৎসকদের ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি সারা দিনে কত বার ঢেকুর তুলবেন, তা নির্ভর করে ওই ব্যক্তির হজম করার ক্ষমতা এবং খাওয়াদাওয়ার অভ্যাসের ওপর।

দুধ খাওয়ানোর পর সদ্যোজাতদের পিঠ চাপড়ে চাপড়ে ঢেকুর তোলান মায়েরা। তা হলে প্রাপ্তবয়স্করা যখন তখন ঢেকুর তুললে সমস্যা কোথায়?

চিকিৎসকেরা বলছেন, খাবার পরিপাকের সঙ্গে যুক্ত স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া হল ঢেকুর তোলা। যা কেনো দিক থেকেই ক্ষতিকর নয়। তবে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পেটে সামান্য পানি প্রবেশ করা মাত্রই ঢেকুর তোলার অভ্যাস কিন্তু স্বাভাবিক না-ও হতে পারে।

চিকিৎসকদের ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি সারা দিনে কত বার ঢেকুর তুলবেন, তা নির্ভর করে ওই ব্যক্তির হজম করার ক্ষমতা এবং খাওয়াদাওয়ার অভ্যাসের ওপর।

সাম্প্রতিক একটি গবেষণা বলছে, সারা দিনে খুব বেশি হলে ৩০ বার পর্যন্ত ঢেকুর তোলা স্বাভাবিক। ‘কারেন্ট ট্রিটমেন্ট অপশন ইন গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজি’তে প্রকাশিত হয়েছে এই তথ্যটি।

বেশির ভাগের ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, এটি হজম সংক্রান্ত সমস্যার সঙ্গে জড়িত। তবে যদি ঘন ঘন ঢেকুর উঠতে থাকে, তা শুধু হজমের গোলমালে না-ও হতে পারে।

চিকিৎসকেরা বলছেন, সারাক্ষণ ঢেকুর তোলার মূল কারণ কিন্তু গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজ়িজ় বা ‘জিইআরডি’। আবার ইরিটেব্ল বাওয়েল সিন্ড্রম বা ‘আইবিএস’-এর সমস্যা হলেও কিন্তু ঘন ঘন ঢেকুর তোলার মতো লক্ষণ দেখা যায়।

কী করবেন?

অল্প অল্প করে খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। দু ঘণ্টা অন্তর হালকা কিছু খাবার খেতে পারলে এই ধরনের সমস্যা হবে না। কী ধরনের খাবার থেকে হজমের সমস্যা হয়, তা বুঝতে পারলে, সেই ধরনের খাবার এড়িয়ে চুলন। এ ছাড়া উদ্বেগ, অবসাদ বা মানসিক চাপ থেকেও কিন্তু এই ধরনের সমস্যা হতে পারে। তাই নিয়মিত মেডিটেশন, শরীরচর্চা করতে পারলে ভালো। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নমূলক কাজের প্রশংসায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার
অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিক বন্ধ না করলে উপযুক্ত ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিদেশিরাও শিগগিরই দলে দলে চিকিৎসা নিতে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

জীবনযাপন
Red Alert will be unveiled at the book fair

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায় রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে সোমবার ‘রেড এলার্ট’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত ও সিইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান চৌধুরী ড. নাফিজ সরাফাতসহ অন্যরা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস
কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি) এবং ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানিটোবার যৌথ গবেষণার ফল হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে ‘রেড এলার্ট’। স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য লেখা নন-কমিউনিকেবল ডিজিস-এর ওপর রচিত এমন বই বাংলাদেশে এটিই প্রথম।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো নন-কমিউনিকেবল ডিজিস (অসংক্রামক ব্যাধি) নিয়ে লেখা বই ‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন হয়েছে।

মঙ্গলবার থেকে অমর একুশে বইমেলায় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর ৮৯৫ নম্বর স্টলে পাওয়া যাবে বইটি।

রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলের বলরুমে সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় নন-কমিউনিকেবল ডিজিস, ডায়েটারি হেবিটস ও লাইফস্টাইল ইন বাংলাদেশ-এর ওপর লিখিত ‘রেড এলার্ট’ বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ- এর প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান চৌধুরী ড. নাফিজ সরাফাত মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি) এবং ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানিটোবা-এর যৌথ গবেষণার ফল হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে বইটি। স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য লেখা নন-কমিউনিকেবল ডিজিস-এর ওপর রচিত বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রথম বই এটি।

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত তার বক্তব্যের শুরুতেই ‘রেড এলার্ট’ গ্রন্থ প্রকাশের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি এই বই থেকে তথ্য নিয়ে কিভাবে নীতি-নির্ধারণ পর্যায়ে প্রয়োগ করা যায় সে বিষয়টি সংশ্লিষ্টরা খতিয়ে দেখবেন।’

প্রতিমন্ত্রী বইয়ের প্রচ্ছদ ও গুণগতমান নিয়ে প্রশংসা করে বলেন, ‘এরকম আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কাজ আমাদের আরও বেশি করে করতে হবে, যাতে গবেষণায় আমরা আরও এগিয়ে যেতে পারি।’

ভবিষ্যতে এ ধরনের গবেষণামূলক কাজে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদানেরও আশ্বাস দেন তিনি।

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

প্রতিমন্ত্রী আরাফাত বলেন, ‘এই প্রকাশনাটি কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর গবেষণার ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে চৌধুরী ড. নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী শিক্ষা গবেষণায় সেতুবন্ধন তৈরিতে বিশ্বাসী। এই উদ্দেশ্যে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এ বছরের শেষের দিকে কানাডার অন্টারিও ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশিষ্ট অধ্যাপক ড. রিতা কলওয়েল অনুষ্ঠানে গেস্ট অফ অনার হিসেবে বক্তব্য দেন।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে কানাডিয়ান হাইকমিশনের সিনিয়র ট্রেড কমিশনার মিসেস দেবরা বয়েছ ও বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল-এর চেয়ারম্যান ড. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

বইটি সম্পাদনার মূল ভূমিকায় রয়েছেন সিইউবি’র ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক গিয়াস ইউ আহসান। সম্পাদক হিসেবে তার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানিটোবা, কানাডা-এর অধ্যাপক ড. সি এমদাদ হক এবং নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এম আনিসুল ইসলাম।

বইটির সম্পাদক কী-নোট স্পিকার সিইউবি উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ড. গিয়াস ইউ আহসান তার বক্তব্যে বলেন, ‘স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে বইটি সহসাই ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পাবে। আশা করি গুরুত্বপূর্ণ বই হিসেবে অভাবনীয় জনপ্রিয় হয়ে এটি।’

‘রেড এলার্ট’-এর মোড়ক উন্মোচন, মিলবে বইমেলায়

প্রসঙ্গত, বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ, ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানিটোবা এবং সিএনআরএস।

‘রেড এলার্ট’ বইটি বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চলমান অমর একুশে বইমেলায় মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) থেকে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর ৮৯৫ নম্বর স্টলে পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন:
বসন্ত আর ভালোবাসার দিনের অপেক্ষায় বইমেলা
মেলায় জনপ্রিয় লেখকদের বইয়ের কাটতি বেশি
মেলায় দর্শনার্থীরা খুঁজছেন মুক্তিযুদ্ধের বইও
শুক্রবারের বইমেলায় জনসমুদ্র
বইমেলায় শুক্র-শনির অপেক্ষা

মন্তব্য

জীবনযাপন
Biswa Zaker Manjil Urs begins in Faridpur

ফরিদপুরে বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের উরস শুরু

ফরিদপুরে বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের উরস শুরু ছবি: নিউজবাংলা
শুক্রবার থেকে শুরু হয়ে আগামী মঙ্গলবার ফজর নামাজ পর শাহসুফি ফরিদপুরী (কু ছে আ) রওজা জিয়ারত করা হবে। এরপর বিশ্বশান্তি কামনায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে চার দিনের এই উরস শরীফ।

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার আটরশী বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের বিশ্বওলি হজরত মওলানা শাহ্ সুফি খাজাবাবা ফরিদপুরী ছাহেবের চার দিনব্যাপী পবিত্র উরস শুরু হয়েছে।

উরস উপলক্ষে শুক্রবার লক্ষাধিক মানুষের অংশগ্রহণে বিশ্ব জাকের মঞ্জিল প্রাঙ্গণে জুমার নামাজ আদায় করা হয়।

উরস প্রাঙ্গণে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে তাঁবু স্থাপন করা হয়েছে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সড়ক, নৌ ও রেলপথসহ বিভিন্ন যানবাহনে চেপে আশেকান ও জাকেরানরা সমবেত হচ্ছেন।

জাকের মঞ্জিল কর্মী গ্রুপের সমন্বয়কারী শহিদুল ইসলাম শাহিন এক প্রেস বিফিংয়ে জানান, শনিবার ফজর নামাজের পর ফাতেহা শরীফ পাঠ ও তরিকতের আমল পালনের মধ্য দিয়ে উরসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। প্রতিদিন ফরজ আমলের পাশাপাশি পবিত্র কুরান তেলাওয়াত, জিকির আজগার, মোরাকাবা-মোশাহেদা, ওয়াজ নসিহত, ওয়াজ মাহফিল এবং সুন্নাত এবাদতের পাশাপাশি নফল এবাদত চলবে। যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে উরসের আয়োজন সফল করতে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

দেশ-বিদেশের বিপুল সংখ্যক ভক্ত-মুরিদান এবারের উরসে অংশ নেবেন বলে জানান তিনি।

বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের কর্মী গ্রুপের ফরিদপুরের প্রধান কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, উরসে আসা প্রত্যেকের জন্য তবারক, রাত্রিযাপন ও বিভিন্ন যানবাহন রাখার জন্য পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য নেয়া হয়েছে বাড়তি ব্যবস্থা।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বওলি হজরত মাওলানা শাহ সুফি খাজাবাবা ফরিদপুরী কেবলাজান ছাহেবের স্থলাভিষিক্ত পীরজাদা মাহফুজুল হক মুজাদ্দেদী উরসের চার দিনই আশেকান-জাকেরানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।’

আগামী মঙ্গলবার ফজর নামাজ পর শাহসুফি ফরিদপুরী (কু ছে আ) রওজা জিয়ারত করা হবে। এরপর বিশ্বশান্তি কামনায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে চার দিনের এই উরস শরীফ।

মন্তব্য

p
উপরে