× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
More than 10 lakh devotees in Langalbande Ashtami Sannotsav
google_news print-icon

লাঙ্গলবন্দে অষ্টমী স্নানোৎসবে ১০ লাখের বেশি পুণ্যার্থী

লাঙ্গলবন্দে-অষ্টমী-স্নানোৎসবে-১০-লাখের-বেশি-পুণ্যার্থী
নারায়ণগঞ্জের লাঙ্গলবন্দে বুধবার স্নানোৎসবে পুণ্যার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার লাঙ্গলবন্দে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে শুরু হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মহাতীর্থ অষ্টমী স্নানোৎসব। দুদিনব্যাপী এ উৎসবে নদের ১৮টি ঘাটে দেশ-বিদেশের লাখ লাখ পুণ্যার্থীর আগমন ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত ৯টা ১৭ মিনিটে শুরু হওয়া এই স্নানোৎসবে পুণ্যার্থীর পদচারণে মুখর লাঙ্গলবন্দের সাড়ে তিন কিলোমিটার এলাকা।

‘হে মহাভাগ ব্রহ্মপুত্র, হে লোহিত্য, আমার পাপ হরণ করো’ মন্ত্র পাঠ করে ফুল, বেলপাতা, ধান, দূর্বা, হরীতকী, ডাব, আম্রপল্লব দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী পুণ্যার্থীরা পাপমুক্তির বাসনায় লাঙ্গলবন্দে স্নানোৎসবে অংশ নিচ্ছেন।

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার লাঙ্গলবন্দে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে শুরু হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মহাতীর্থ অষ্টমী স্নানোৎসব। দুদিনব্যাপী এ উৎসবে নদের ১৮টি ঘাটে ১০ লাখের বেশি পুণ্যার্থীর আগমন ঘটেছে বলে জানিয়েছে উৎসব উদযাপন পরিষদ। এবার বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত ,নেপাল ও ভুটান থেকে পুণ্যার্থীরা স্নানোৎসবে যোগ দিয়েছেন।

শুক্ল তিথি অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত ৯টা ১৭ মিনিটে শুরু হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মহা অষ্টমীর স্নানোৎসব। দু’দিনব্যাপী এই উৎসব ঘিরে লাখো পুণ্যার্থীর পদচারণে মুখরিত হয়ে উঠেছে লাঙ্গলবন্দের সাড়ে তিন কিলোমিটার এলাকা।

ভারতের কলকাতা থেকে আগত পুণ্যার্থী জ্যাতি রানী বলেন, ‘তীর্থযাত্রীরা লাঙ্গলবন্দে আসেন পাপ মোচনের জন্য। একই বাসনা নিয়ে বহুদূর থেকে এখানে ছুটে এসেছি। আয়োজনের সব কিছুই সুন্দর। তবে যানজট আর বৃষ্টিতে ভোগান্তি হয়েছে।’

কিশোরগঞ্জের লাল মোহন চন্দ বলেন, ‘যানজট পার করে হলেও পরিবারের সবাই আসতে পেরেছি। তবে বৃষ্টিতে পরিবার নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। এখানে স্নান করার ইচ্ছে ছিলো বহু বছরের। জীবনে যত পাপ আছে তা থেকে মুক্তি পেতে প্রার্থনা জানিয়েছি মহাভাগ ব্রহ্মপুত্রের কাছে।’

লাঙ্গলবন্দে অষ্টমী স্নানোৎসবে ১০ লাখের বেশি পুণ্যার্থী
ঘাটগুলোতে নৌকা ভেড়াতে গিয়েও জট লেগে যায়। ছবি: নিউজবাংলা

নারায়ণগঞ্জের পালপাড়া থেকে আগত প্রাপ্তি সাহা বলেন, ‘পুরো পরিবার নিয়ে স্নান করেছি রাজ ঘাটে। প্রার্থনা করেছি- ভালো থাকুক সবাই। মঙ্গল হোক দেশ ও জাতির।’

মুন্সীগঞ্জ থেকে আসা পূবালী রায় বলেন, ‘একে হলো বৃষ্টি, তার ওপর সড়কে যানজট। তাই ট্রলার পথই আমরা বেছে নিয়েছি। আমাদের গ্রামসহ আশপাশের ৫০টির বেশি নৌযান এসেছে লাঙ্গলবন্দে। প্রতি বছরই আমরা এখানে আসি। তবে গেল কয়েক বছর করোনা মহামারির কারণে বড় পরিসরে উৎসব হয়নি। এবার অনেক মানুষ এসেছে। তাই ট্রলার ঘাটে ভিড়তেও সময় লেগেছে। তবুও ভালো লাগছে স্নান সম্পন্ন করতে পেরে।’

সীতাকুণ্ড থেকে আগত পুরোহিত কৃষ্ণ কুমার সাহা জানান, হিন্দু ধর্মের শাস্ত্রীয় পুরানমতে, হিন্দু দেবতা পরশুরাম হিমালয়ের মানস সরোবরে গোসল করে পাপমুক্ত হন। লাঙ্গল দিয়ে চষে হিমালয় থেকে এ পানিকে বহ্মপুত্র নদরূপে নামিয়ে আনেন সমভূমিতে। পৌরাণিক এ কাহিনীকে স্মরণ করে প্রতি বছর চৈত্র মাসে মহাতীর্থ অষ্টমীতে লাঙ্গলবন্দের ব্রহ্মপুত্র নদে তীর্থযাত্রীরা পুণ্য লাভের আশায় জড়ো হন।

দু’দিনব্যাপী স্নান উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করতে সব ধরনের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান লাঙ্গলবন্দ স্নান উদযাপন পরিষদের নির্বাহী সদস্য শিখন চন্দ সরকার। তিনি বলেন, ‘এ বছর দশ লাখের বেশি পুণ্যার্থীর আগমন ঘটেছে লাঙ্গলবন্দে। সব রকম আয়োজন সফল হওয়ায় খুশি সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।’

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান জানান, পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তায় তিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়৷ পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার সমন্বয়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

তীর্থস্থানের তিন কিলোমিটার এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। স্থাপন করা হয়েছে ওয়াচ টাওয়ার। কোনো ধরনেন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই এবার শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হচ্ছে উৎসব। তবে পুণ্যার্থী বেশি হওয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট লেগে যায়। মহাসড়কের যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশ কাজ করছে।

আরও পড়ুন:
দুই বছর পর স্নানোৎসব লাঙ্গলবন্দে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
The imam does not wear a robe at the funeral

কুবিতে গায়েবানা জানাজায় ইমামের ‘না’

কুবিতে গায়েবানা জানাজায় ইমামের ‘না’ কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে বুধবার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গায়েবানা জানাজা পড়েন শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম খলিলুর রহমান বলেন, ‘জানাজার ব্যাপারে আমাকে আগে থেকে অবগত করা হয়নি। আছরের নামাজের পর জানানো হয়। আমি নিজের ইচ্ছা থেকে কয়েকবার আপনাদের জন্য দোয়া করেছি। সামনেও করব ইনশাআল্লাহ।’

সারাদেশে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত আন্দোলনকারীদের স্মরণে গায়েবানা জানাজার নামাজ পড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম মো. খলিলুর রহমান। এতে ক্ষুব্ধ হয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

তবে তাই বলে গায়েবানা জানাজা আটকে থাকেনি। নামাজ পড়িয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ১৫তম আবর্তনের শিক্ষার্থী সাইদুর রহমান।

বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনের মাঠে এই জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম খলিলুর রহমান বলেন, ‘জানাজার ব্যাপারে আমাকে আগে থেকে অবগত করা হয়নি। আছরের নামাজের পর জানানো হয়। আমি নিজের ইচ্ছা থেকে কয়েকবার আপনাদের জন্য দোয়া করেছি। সামনেও করব ইনশাআল্লাহ।’

আরও পড়ুন:
হল না ছাড়ার ঘোষণা শাবি শিক্ষার্থীদের, হলে হলে তল্লাশি, অস্ত্র উদ্ধার
ঢাবির হলগুলো থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দিচ্ছে পুলিশ
ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধসহ পাঁচ দাবিতে উত্তাল রাবি, উপাচার্য অবরুদ্ধ
বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে শিক্ষার্থীরা, উত্তরবঙ্গের প্রবেশপথ বন্ধ
জাবির রেজিস্ট্রার ভবনে উপাচার্য অবরুদ্ধ

মন্তব্য

জীবনযাপন
Holy Ashura today

পবিত্র আশুরা আজ

পবিত্র আশুরা আজ পবিত্র আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া মিছিল। ফাইল ছবি
ত্যাগ ও শোকের প্রতীকের পাশাপাশি বিশেষ পবিত্র দিবস হিসেবে মুসলিম বিশ্বে দিনটি গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হয়। বাংলাদেশেও যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে দিনটি পালন হচ্ছে।

পবিত্র আশুরা পালন হচ্ছে বুধবার। কারবালার হৃদয়বিদারক ঘটনাবহুল দিনটি মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে ধর্মীয়ভাবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

ত্যাগ ও শোকের প্রতীকের পাশাপাশি বিশেষ পবিত্র দিবস হিসেবে মুসলিম বিশ্বে দিনটি গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হয়। বাংলাদেশেও যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে দিনটি পালন হচ্ছে।

বাসসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, পবিত্র আশুরার তাৎপর্য তুলে ধরে আলাদা বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

হিজরি ৬১ সালের ১০ মহররম মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসেইন (রা.) ও তার পরিবারের সদস্য এবং অনুসারীরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শহীদ হন।

মর্মস্পর্শী এ ঘটনা স্মরণ করে প্রতি-হিজরি সনের ১০ মহররম বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায় যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় শোকাবহ দিনটি পালন করে থাকে। শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম ইসলামের মহান আদর্শকে সমুন্নত রাখতে তাদের এ আত্মত্যাগ মানবতার ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে রয়েছে।

কারবালার এই শোকাবহ ঘটনা ও পবিত্র আশুরার শাশ্বত বাণী সবাইকে অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং সত্য ও সুন্দরের পথে চলতে প্রেরণা জোগায়।

পবিত্র আশুরা মানেই মাতম। ধর্মপ্রাণ মুসলমান তাজিয়া মিছিলের মাধ্যমে তাদের হৃদয়-নিংড়ানো শোকের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। এ বছরও পবিত্র আশুরা উপলক্ষে সব ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন হবে।

আশুরা উপলক্ষে রাজধানীসহ সারা দেশে তাজিয়া মিছিলের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীসহ সারা দেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মহররমের চাঁদ দেখা যায়নি, আশুরা ২৯ জুলাই
তাজিয়া মিছিলে মাতম
পবিত্র আশুরা আজ
তাজিয়া মিছিলে নাশকতার তথ্য নেই: ডিএমপি কমিশনার
পবিত্র আশুরা ৯ আগস্ট

মন্তব্য

জীবনযাপন
The festival ended with a chariot procession

উল্টো রথযাত্রায় শেষ হলো উৎসব

উল্টো রথযাত্রায় শেষ হলো উৎসব ছবি: সংগৃহীত
উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে সোমবার বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন এবং মন্দির নানা মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সকালে বিভিন্ন মাঙ্গলিক আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানমালা। ইসকন বিকেলে রাজধানীতে শোভাযাত্রা বের করে।

উল্টো রথ টানার মধ্য দিয়ে সোমবার শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় পর্ব শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস- জগন্নাথ দেব হলেন জগতের নাথ বা অধীশ্বর। জগত হচ্ছে বিশ্ব আর নাথ হচ্ছেন ঈশ্বর। তাই জগন্নাথ হচ্ছে জগতের ঈশ্বর। তার অনুগ্রহ পেলে মানুষের মুক্তিলাভ হয়। জীবরূপে তাকে আর জন্ম নিতে হয় না। এ বিশ্বাস থেকেই রথের ওপর জগন্নাথ দেবের প্রতিমা রেখে রথযাত্রা করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে সোমবার বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন এবং মন্দির নানা মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সকালে বিভিন্ন মাঙ্গলিক আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানমালা। এর মধ্যে ছিল হরিনাম সংকীর্তন, বিশ্ব শান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্রী যজ্ঞ, মহাপ্রসাদ বিতরণ, আলোচনা সভা, পদাবলী কীর্তন, আরতি কীর্তন, ভাগবত কথা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শ্রীমদ্ভাগবত গীতা পাঠ।

ইসকনসহ রাজধানীর রাম-সীতা মন্দির ও তাঁতীবাজার জগন্নাথ মন্দিরে এ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রাজধানী ঢাকায় আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে সোমবার বিকেলে শোভাযাত্রা বের করে। উল্টোরথ যাত্রার উদ্বোধনী উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের মেলা প্রাঙ্গণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

পরে এখান থেকে বর্ণাঢ্য সাজে তিনটি বিশাল রথে জগন্নাথ দেব, শুভদ্রা ও বলরামের প্রতিকৃতিসহ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রা পলাশী মোড়, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, সরকারি কর্মচারী হাসাপাতাল, বঙ্গবাজার, গুলিস্তান, বঙ্গভবন, দৈনিক বাংলা, মতিঝিল, ইত্তেফাক মোড় ও টিকাটুলি হয়ে ইসকন মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়।

সনাতনী রীতি অনুযায়ী, প্রতি বছর চন্দ্র আষাঢ়ের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে শুরু হয় জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা।

এর আগে ৭ জুলাই রথযাত্রা উৎসব শুরু হয়। ইসকন রথযাত্রা উপলক্ষে ৯ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আরও পড়ুন:
মানিকগঞ্জে রথযাত্রা উৎসব শুরু
বগুড়ায় রথযাত্রার গাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ৫, আহত ৪০
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রা উৎসব শুরু মঙ্গলবার
যাত্রার জন্য প্রস্তুত রথ

মন্তব্য

জীবনযাপন
Rath Yatra festival started in Manikganj

মানিকগঞ্জে রথযাত্রা উৎসব শুরু

মানিকগঞ্জে রথযাত্রা উৎসব শুরু রোববার মানিকগঞ্জ শহরের শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালিবাড়ী কালিমন্দিরের সামনে থেকে রথযাত্রা বের হয়। ছবি: নিউজবাংলা
আনন্দমুখর পরিবেশে রোববার মানিকগঞ্জ শহরের শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালিবাড়ী কালিমন্দিরের সামনে থেকে শোভাযাত্রা বের হয়। এতে শত শত নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। সাতদিন পর ১৫ জুলাই বিকেলে জগন্নাথ দেবের উল্টো শোভাযাত্রার মাধ্যমে শেষ হবে এই রথ উৎসব।

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে মানিকগঞ্জে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব শুরু হয়েছে।

সনাতন ধর্মীয় রীতি অনুসারে রোববার দুপুরে আনন্দমুখর পরিবেশে মানিকগঞ্জ শহরের শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালিবাড়ী কালিমন্দিরের সামনে থেকে রথযাত্রা বের হয়। রথযাত্রায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শত শত নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। সাতদিন পর ১৫ জুলাই বিকেলে জগন্নাথ দেবের উল্টো শোভাযাত্রার মাধ্যমে শেষ হবে এই রথ উৎসব।

সাতদিন ব্যাপী রথযাত্রা উদ্বোধন করেন মানিকগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. রমজান আলী। এ সময় শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালিবাড়ী মন্দিরের সভাপতি শংকর লাল ঘোষ, সহ-সভাপতি সুভাষ সরকার, সাধারণ সম্পাদক দোলন ঘোস্বামী, সদস্য অসিম বিশ্বাস, সৌমিত্র সরকার মনা ও পুরোহিত কানু ঘোস্বামীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বগুড়ায় রথযাত্রার গাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ৫, আহত ৪০
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রা উৎসব শুরু মঙ্গলবার
যাত্রার জন্য প্রস্তুত রথ

মন্তব্য

জীবনযাপন
5 dead 30 injured due to electrocution in Rath Yatra car in Bogra

বগুড়ায় রথযাত্রার গাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ৫, আহত ৪০

বগুড়ায় রথযাত্রার গাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ৫, আহত ৪০ ‘বগুড়া শহরের সেউজগাড়ি জামতলা এলাকায় রোববার এই দুর্ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত
বগুড়া মেডিক্যাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আনিসুর রহমান জানান, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সেউজগাড়ি ইসকন মন্দির থেকে রথযাত্রা বের হয়। একশ’ গজ এগুতেই রাস্তার পাশে ১১ হাজার ভোল্টেজ বিদ্যুতের তারের সঙ্গে রথযাত্রার গম্বুজের ধাক্কা লাগে। এ সময় লোহার তৈরি পুরো রথ বিদ্যুতায়িত হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

বগুড়ায় হিন্দু ধর্মালম্বীদের রথযাত্রার উৎসবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন শিশুসহ অন্তত ৪০ জন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রোববার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ইসকন মন্দির থেকে রথযাত্রা বের হওয়ার পর ১০০ গজ দূরে বগুড়া শহরের সেউজগাড়ি আমতলা মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন শাজাহানপুর উপজেলার গোহাইল গ্রামের রঞ্জিতা, আদমদিঘী উপজেলার কুন্ডু গ্রামের নরেশ মহন্ত, সদর উপজেলার তিনমাথা রেলগেটের লঙ্কেশ্বরের স্ত্রী আতসী রানী ও শিবগঞ্জ উপজেলার কুলুপাড়া গ্রামের অলক কুমার। অপর এক নারীর নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

আহতরা হলেন- রীপা, তুর্ণ, কৃষ্ণা, প্রীতিলতা, চুমকী, পূজা, ডলি, শিউলি, নীপা, রীমা, রত্না, পুতুল, শান্তি, স্বরস্বতি, মোহনা, ঝর্ণা, চুমকী, গীতা ও ফুলকীসহ ৪০ জন। আহতরা বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান হাসপাতালে যান এবং সবার চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজখবর নেন।

যেভাবে ঘটে দুর্ঘটনা

বগুড়া মেডিক্যাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আনিসুর রহমান জানান, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সেউজগাড়ি ইসকন মন্দির থেকে রথযাত্রা বের হয়। একশ’ গজ এগুতেই রাস্তার পাশে ১১ হাজার ভোল্টেজ বিদ্যুতের তারের সঙ্গে রথযাত্রার গম্বুজের ধাক্কা লাগে। এ সময় লোহার তৈরি পুরো রথ বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে দুজন ও পরে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়। আহত হন অন্তত ৪০ জন।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. স্নিগ্ধ আখতার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব শুরু হয়েছে রোববার। হিন্দু রীতি অনুযায়ী, প্রতি বছর চান্দ্র আষাঢ়ের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে শুরু হয় জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে আনন্দমুখর পরিবেশে ৯ দিনব্যাপী শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা মহোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ১৫ জুলাই বিকেল ৩টায় উল্টো রথের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে এ উৎসব শেষ হবে।

মন্তব্য

জীবনযাপন
Holy Ashura 17 July

পবিত্র আশুরা ১৭ জুলাই

পবিত্র আশুরা ১৭ জুলাই প্রতীকী ছবি।
বাংলাদেশের আকাশে শনিবার পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সে হিসাবে মহররম মাস গণনা শুরু হবে সোমবার। সে অনুযায়ী ১৭ জুলাই বুধবার পালিত হবে পবিত্র আশুরা।

বাংলাদেশের আকাশে শনিবার ১৪৪৬ হিজরি সনের পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সে হিসাবে পবিত্র জিলহজ মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে রোববার। আর সোমবার মহররম মাস গণনা শুরু হবে। সে অনুযায়ী ১৭ জুলাই বুধবার পালিত হবে পবিত্র আশুরা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মু. আ. আউয়াল হাওলাদার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৪৪৬ হিজরি সনের পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়গুলো, আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে সভায় পর্যালোচনা করা হয়। এতে দেখা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে কোথাও মহররম মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পাওয়া যায়নি। তাই আগামীকাল রোববার জিলহজ মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে। আর সোমবার মহররম মাস গণনা শুরু হবে। সে অনুযায়ী ১৭ জুলাই (বুধবার) পবিত্র আশুরা পালিত হবে।

মন্তব্য

জীবনযাপন
Moon sighting committee meeting to decide Ashura date on Saturday

আশুরার তারিখ নির্ধারণে চাঁদ দেখা কমিটির সভা শনিবার

আশুরার তারিখ নির্ধারণে চাঁদ দেখা কমিটির সভা শনিবার প্রতীকী ছবি
ইফার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফরিদুল হক খান।

হিজরি ১৪৪৬ সালের পবিত্র মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা এবং পবিত্র আশুরার তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে শনিবার জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে আগামীকাল সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় এ সভা শুরু হবে।

ইফার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফরিদুল হক খান।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা নিম্নোক্ত টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

‘টেলিফোন নম্বর: ০২-২২৩৩৮১৭২৫, ০২-৪১০৫০৯১২, ০২-৪১০৫০৯১৬ ও ০২-৪১০৫০৯১৭। ফ্যাক্স নম্বর: ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ ও ০২-৯৫৫৫৯৫১।’

আরও পড়ুন:
নৌপথে চাঁদাবাজির অভিযোগ: সেই পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ বৃহস্পতিবার
ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণে বৈঠকে চাঁদ দেখা কমিটি
চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদি আরবে ঈদ বুধবার
‘নৌ পুলিশের যন্ত্রণাটা ডাকাত দলের সদস্যদের চেয়ে কম নয়’

মন্তব্য

p
উপরে