× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
Millions of worshipers perform Friday prayers in Ijtema
hear-news
player
google_news print-icon

ইজতেমায় জুমার নামাজ লাখো মুসল্লির

ইজতেমায়-জুমার-নামাজ-লাখো-মুসল্লির
ইজতেমা মাঠের বাইরেও জুমার নামাজে অংশ নেন বিপুলসংখ্যক মুসল্লি। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
দুপুর ১২টার আগেই ইজতেমা মাঠ ছাপিয়ে আশপাশের খোলা জায়গা, অলিগলিসহ সব স্থান জনসমুদ্রে পরিণত হয়। মাঠে স্থান না পেয়ে মুসল্লিরা মহাসড়ক ও অলিগলিসহ যে যেখানে পেরেছেন, জায়নামাজ, পুরোনো পত্রিকা, হোগলা পাটি, চটের বস্তা বিছিয়ে জুমার নামাজে শরিক হন।

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে বিশ্ব ইজতেমার ময়দান ও আশপাশের এলাকায় দেশের বৃহত্তম জুমার জামাতে অংশ নিয়েছেন লাখ লাখ মুসল্লি।

শুক্রবার বেলা পৌনে ২টার দিকে এ জামাতে অংশ নেন তারা।

কাকরাইল মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের আহমদ এ নামাজে ইমামতি করেন। এর আগে মুসল্লিদের উদ্দেশে খুতবা পাঠ করেন তিনি।

ইজতেমার প্রথম পর্বের মিডিয়া সমন্বয়ক মুফতি জহির ইবনে মুসলিম জানান, দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজে ১০ লাখের বেশি মুসল্লি অংশ নেন।

জুমার দিন হওয়ায় সকাল থেকেই ঢাকা, সাভার, নরসিংদী, গাজীপুরসহ আশপাশের জেলার মুসল্লিরা নামাজে অংশ নিতে ইজতেমা ময়দানে আসতে শুরু করেন।

অনেকেই জুমার নামাজে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার রাতেই টঙ্গী ও আশপাশের এলাকায় আত্মীয়স্বজনের বাসায় অবস্থান নেন।

দুপুর ১২টার আগেই ইজতেমা মাঠ ছাপিয়ে আশপাশের খোলা জায়গা, অলিগলিসহ সব স্থান জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

মাঠে স্থান না পেয়ে মুসল্লিরা মহাসড়ক ও অলিগলিসহ যে যেখানে পেরেছেন, জায়নামাজ, পুরোনো পত্রিকা, হোগলা পাটি, চটের বস্তা বিছিয়ে জুমার নামাজে শরিক হন।

মুসল্লিদের অনেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও কামারপাড়া সড়কে জামাতবদ্ধ হলে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল।

এর আগে শুক্রবার ফজরের নামাজের পর তাবলিগ জামাতের শীর্ষস্থানীয় পাকিস্তানের মুরব্বি মাওলানা জিয়াউল হকের বয়ানের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে বাংলাদেশ ও ভারতের তাবলিগ মারকাজের শুরা সদস্যসহ নেতৃস্থানীয়রা ইমান, আমল ও দাওয়াতের মেহনত নিয়ে বয়ান করেন।

মূল বয়ান উর্দুতে হলেও বাংলা, ইংরেজি, আরবি, তামিল, মালয়, তুর্কি ও ফরাসিসহ বিভিন্ন ভাষায় তাৎক্ষণিক অনুবাদ করা হয়।

আয়োজকরা জানান, বিশ্ব ইজতেমার কর্মসূচির মধ্যে আম ও খাস বয়ান, তালিম, তাশকিল, ৬ উছুলের হাকিকত, দরসে কোরআন, দরসে হাদিস, চিল্লায় নাম লেখানোসহ নতুন জামাত তৈরি হবে।

পরপর দুই বছর ইজতেমা না হওয়ায় এবার সাধারণ মুসল্লিদের উৎসাহ-উদ্দীপনা বেশি। অনেকেই মূল শামিয়ানার নিচে স্থান না পেয়ে সড়কের পাশে ফুটপাতে পলিথিন টানিয়ে অবস্থান নেন।

আরও পড়ুন:
পুলিশের আপত্তি উপেক্ষা করেই ইজতেমা হচ্ছে সিলেটে
বিশ্ব ইজতেমা জানুয়ারিতে
আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা
রংপুরে চলছে জেলা ইজতেমা
কুষ্টিয়া জেলা ইজতেমা বন্ধ, মুসল্লিদের সরিয়ে দিচ্ছে পুলিশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Conspiracy is going on with Tabligh Jamaat

‘তাবলিগ জামাত নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে’

‘তাবলিগ জামাত নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে’ মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা বৃহস্পতিবার রাজধানীর কামারপাড়ায় এক রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করেন। ছবি: নিউজবাংলা
তাবলিগ জামাতের মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারী মুরব্বিরা সংবাদ সম্মেলন করে ৭ দফা দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, বিশ্ব ইজতেমা ময়দান নিয়ে তাদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে। কোনো কাজ করতে দেয়া হচ্ছে না।

তাবলিগ জামাতের মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারী মুরব্বিরা অভিযোগ করেছেন, তাবলিগ জামাতকে বিতর্কিত করতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। বিশ্ব ইজতেমা ময়দান নিয়ে তাদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে। কোনো কাজ করতে দেয়া হচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের পশ্চিমপাশে কামারপাড়ায় এক রেস্তোরাঁয় বিশ্ব ইজতেমা ও তাবলিগ জামাতের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব কথা বলেন।

সাদপন্থী মুরব্বিরা দাবি করেন, বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা ও তাবলিগের যাবতীয় কাজ পরিচালনায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ হওয়া দরকার।

তারা প্রশাসনের তদারকিতে দু’পক্ষকে প্যান্ডেল তৈরি ও খোলার দায়িত্ব অর্পণসহ ৭ দফা দাবি তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অ্যাডভোকেট আব্দুল কুদ্দুস বাদল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাওলানা সা’দপন্থী ইজতেমা আয়োজক কমিটির মিডিয়া সমন্বয়ক মোহাম্মদ সায়েম, অ্যাডভোকেট ইউনুস মিয়া, মাওলানা সৈয়দ আনোয়ার আব্দুল্লাহ, মো. সোহেল ও আতাউল্লাহ।

আরও পড়ুন:
ইজতেমা: ভোর থেকে ১১ পয়েন্টে ডাইভারশন
বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু
আম বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার শুরু

মন্তব্য

জীবনযাপন
A quarter of 7 lakhs will be required to go to Haj privately

বেসরকারিভাবে হজে যেতে লাগবে পৌনে ৭ লাখ

বেসরকারিভাবে হজে যেতে লাগবে পৌনে ৭ লাখ উড়োজাহাজে মোনাজাতে হজযাত্রীরা। ফাইল ছবি
প্যাকেজে ঘোষিত অর্থের মধ্যে হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া হবে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ টাকা। মক্কা ও মদিনায় বাড়ি ভাড়ার জন্য গুনতে হবে ২ লাখ ৪ হাজার ৪৪৪ টাকা। সার্ভিস চার্জ হিসেবে নেয়া হবে ১ লাখ ৬০ হাজার ৬৩০ টাকা। বাকি টাকা অন্যান্য খাতের জন্য নেয়া হবে।

এ বছর বেসরকারিভাবে হজে যেতে সর্বনিম্ন খরচ ৬ লাখ ৭২ হাজার ৬১৮ টাকা হবে বলে জানিয়েছে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (হাব)।

রাজধানীর নয়াপল্টনের হোটেল ভিক্টরিতে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে হাবের সংবাদ সম্মেলনে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ প্যাকেজ ঘোষণার সময় এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হজে গিয়ে কোরবানি দিতে হলে আলাদা টাকা খরচ করতে হবে।

প্যাকেজে ঘোষিত অর্থের মধ্যে হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া হবে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ টাকা। মক্কা ও মদিনায় বাড়ি ভাড়ার জন্য গুনতে হবে ২ লাখ ৪ হাজার ৪৪৪ টাকা। সার্ভিস চার্জ হিসেবে নেয়া হবে ১ লাখ ৬০ হাজার ৬৩০ টাকা। বাকি টাকা অন্যান্য খাতের জন্য নেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি বেসরকারিভাবে হজযাত্রীদের নিবন্ধন শুরু হবে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৭ জুন হজ হবে। এ বছর বাংলাদেশ থেকে হজে যাওয়ার কথা রয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের।

এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী ১৫ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ১২ হাজার ১৯৮ জন।

এবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার খরচ পড়বে ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮ টাকা।

আরও পড়ুন:
কর দিলে মনে হয় দেশের জন্য কিছু করছি: মেহজাবীন
শাহজালালে তেলবাহী গাড়ির আগুন নিয়ন্ত্রণে
৬৫ বছরের বেশি বয়সীরাও হজে যেতে পারবেন
হজযাত্রীদের হয়রানি করলে কঠোর শাস্তি: প্রধানমন্ত্রী
হজযাত্রী পাঠানোর জাহাজকে প্রমোদতরি বানান জিয়া: শেখ হাসিনা

মন্তব্য

জীবনযাপন
Officially it will take 6 lakh 83 thousand to go to Hajj

সরকা‌রিভা‌বে হ‌জে যেতে লাগবে ৬ লাখ ৮৩ হাজার

সরকা‌রিভা‌বে হ‌জে যেতে লাগবে ৬ লাখ ৮৩ হাজার সরকারিভাবে হজযাত্রার খরচ নির্ধারণ করেছে সরকার। ফাইল ছবি
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান সাংবা‌দিক‌দের ব‌লেন, ‘বেসরকা‌রি হজ প্যা‌কেজ কত টাকার ম‌ধ্যে নির্ধারণ কর‌তে হ‌বে, সে বিষ‌য়ে নি‌র্দেশনা দি‌য়ে‌ছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এর ভি‌ত্তি‌তে বেসরকা‌রিভা‌বে হজ প্যা‌কেজ ঘোষণা করা হ‌বে।’

এবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার খরচ পড়বে ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮ টাকা।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খানের সভাপ‌তি‌ত্বে বুধবার সচিবালয়ে হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নির্বাহী ক‌মি‌টির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

সভা শেষে প্র‌তিমন্ত্রী সাংবা‌দিক‌দের ব‌লেন, ‘বেসরকা‌রি হজ প্যা‌কেজ কত টাকার ম‌ধ্যে নির্ধারণ কর‌তে হ‌বে, সে বিষ‌য়ে নি‌র্দেশনা দি‌য়ে‌ছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এর ভি‌ত্তি‌তে বেসরকা‌রিভা‌বে হজ প্যা‌কেজ ঘোষণা করা হ‌বে।’

তিনি আরও জানান, সরকা‌রি হজ প্যা‌কে‌জের মধ্যে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ টাকা লাগবে বিমান ভাড়া বাবদ। রিয়া‌লের মূল্য ২১ টাকা থে‌কে বে‌ড়ে ৩০ টাকা হওয়ায় হজে যাওয়ার খরচ বে‌ড়ে‌ছে।

বাংলা‌দেশ থে‌কে এবার ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হ‌জে যে‌তে পার‌বেন। এর ম‌ধ্যে সরকা‌রি ব্যবস্থাপনায় ১৫ হাজার এবং বেসরকা‌রি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ১ লাখ ১২ হাজার ১৯৮ জন।

বেসরকা‌রি হজ প্যা‌কেজ বৃহস্প‌তিবার ঘোষণা করা হ‌বে ব‌লে জানিয়েছেন হাব নেতারা।

আরও পড়ুন:
সাইকেলে হজযাত্রা: ভারতে ঢুকতে পারেননি সালাম  
সাইকেলে হজযাত্রা, থাই বৃদ্ধ থামলেন মাগুরায়
হজযাত্রীর সংখ্যা মহামারির আগের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে
কর দিলে মনে হয় দেশের জন্য কিছু করছি: মেহজাবীন
শাহজালালে তেলবাহী গাড়ির আগুন নিয়ন্ত্রণে

মন্তব্য

জীবনযাপন
Sheikh Hasina is the convergence of truth and beauty Kader

শেখ হাসিনা সত্য ও সুন্দরের অভিসারী: কাদের

শেখ হাসিনা সত্য ও সুন্দরের অভিসারী: কাদের বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল মাঠে সরস্বতী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল মাঠে সরস্বতী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘অস্ত্রের ঝনঝনানি একটা সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশকে অস্থিতিশীল করেছিল। সেই ক্যাম্পাস এখন শান্তিপূর্ণ। আমরা এখানে সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গিবাদের আগ্রাসন চাই না।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সত্য ও সুন্দরের অভিসারী। তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন ভিশন ২০২১ থেকে রূপকল্প ২০৪১-এর দিকে, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে স্মার্ট বাংলাদেশ।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হল মাঠে সরস্বতী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে একথা বলেন।

সড়ক ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে যার যার জায়গা থেকে বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে আমরা সহযোগিতা করি, তার হাতকে শক্তিশালী করি। অসুরের বিরুদ্ধে সুরের ঝঙ্কার তুলি, অশান্তির বিরুদ্ধে শান্তির পতাকা উড্ডীন করি। শান্তির পায়রা উড়িয়ে আমরা বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় রূপান্তর ঘটাই।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অস্ত্রের ঝনঝনানি একটা সময় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশকে অস্থিতিশীল করেছিল। সেই ক্যাম্পাস এখন শান্তিপূর্ণ। এখানে সাম্প্রদায়িকতার আগ্রাসন আমরা চাই না, জঙ্গিবাদের আগ্রাসন চাই না। এদেশের রাজনীতিতে আমরা সেতুবন্ধন রচনা করব।’

স্মৃতিচারণ করে সাবেক এই ছাত্রনেতা বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই জগন্নাথ হল আমার জীবনের এক স্মৃতিময় অধ্যায় হয়ে আছে। ’৭৫-এর পর বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমাদের সব কর্মকাণ্ড এই হল থেকে পরিচালিত হয়েছে। আমরা একঝাঁক তরুণ সেদিন প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলাম।

‘এই জগন্নাথ হল থেকে প্রস্তুতি নিয়ে মধুর ক্যান্টিনের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছিলাম। এরপর বটতলা থেকে ৪ নভেম্বর আমরা গণমিছিল, শোক শোভাযাত্রা করেছিলাম; যার গন্তব্য ছিল বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বরের বাসভবন। ’৭৫-এর পর জিয়াউর রহমানের সময়ে আড়াই বছর জেল খেটেছিলাম। ১০ দিন রিমান্ডে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল।’

ছাত্রলীগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার ধমনিতে ছাত্রলীগের রক্ত প্রবাহিত। আমার চেতনায়, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের চেতনায় এই সংগঠন প্রবাহিত। আমি ছাত্রলীগের গৌরবময় ইতিহাসের উত্তরাধিকারী। শেখ হাসিনা সরকারের ১৬ বছর মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছি। কাজেই ছাত্রলীগ করলে কেউ হারিয়ে যায় না। কমিটমেন্ট থাকলে, লেগে থাকলে, জীবনে অনেক অসাধ্য সাধন করা যায়। অনেক কৃতিত্ব অর্জন করা যায়।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আজকের এই দিনে বিদ্যা দেবীকে স্যালুট জানাই। আমাদের সবার অভিন্ন শত্রু সাম্প্রদায়িকতা। সনাতন ধর্মাবলম্বী সবাইকে বলব- আমাদের প্রধানতম এনিমি সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ। সাম্প্রদায়িকতা রুখতে হবে, জঙ্গিবাদ রুখতে হবে।’

এ সময় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল সাহা।

উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
নতুন সড়ক আর না, পুরনোগুলোই সংস্কার হবে: কাদের
বিএনপির আন্দোলনে জনগণের সম্পৃক্ততা নেই: কাদের
ইসি সামর্থ্য অনুযায়ী ইভিএমে ভোট করলেও আপত্তি নেই: কাদের
পাকিস্তান ছাড়া কোথাও তত্ত্বাবধায়ক সরকার নেই: কাদের
সরকারবিরোধী নিষেধাজ্ঞার ষড়যন্ত্রে বিএনপি: কাদের

মন্তব্য

জীবনযাপন
Unbound worship of Vidyadevi in ​​Jagannath Hall

জগন্নাথ হলে বিদ্যাদেবীর বন্ধনহীন অর্চনা

জগন্নাথ হলে বিদ্যাদেবীর বন্ধনহীন অর্চনা ঢাবির জগন্নাথ হলে দুই বছর পর ‍পুরোনো আমেজ ফিরেছে সরস্বতী পূজায়। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে ২০২১ সালে ঢাবির জগন্নাথ হলের মাঠে একেবারেই উদযাপন করা যায়নি সরস্বতী পূজা। পরের বছর সীমিত পরিসরে উদযাপন হলেও ছিল না চিরচেনা আমেজ। এবার আবারও পুরোনো আবহ ফিরেছে জগন্নাথ হলের সরস্বতী পূজায়।

বিদ্যার দেবী সরস্বতীর অর্চনায় মুখর হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল মন্দির ও মাঠ এলাকা।

দীর্ঘ দুই বছর পর সেখানে বাধাহীনভাবে দেবীর আরাধনা করতে পারছেন ভক্তরা।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে ২০২১ সালে জগন্নাথ হলের মাঠে একেবারেই উদযাপন করা যায়নি সরস্বতী পূজা। পরের বছর সীমিত পরিসরে উদযাপন হলেও ছিল না চিরচেনা আমেজ। এবার আবারও পুরোনো আবহ ফিরেছে জগন্নাথ হলের সরস্বতী পূজায়।

বিদ্যা ও সংগীতের দেবী সরস্বতীর কৃপার আশায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা জগন্নাথ হল মাঠে আলাদা মণ্ডপ বানিয়ে থাকেন। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সকাল থেকেই মন্দিরে ভক্ত আর দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়।

বাংলাদেশে এককভাবে সবচেয়ে বেশি পূজা মণ্ডপ হয়ে থাকে এ হলের আঙিনায়। নানা আয়োজনে হল প্রাঙ্গণে এ বছর ৭৩টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়।

প্রতি বছরই সবচেয়ে আকর্ষণীয় হয় চারুকলা অনুষদের পূজা মণ্ডপ। অনুষদের শিক্ষার্থীরা এবার হলের পুকুরে সাদা হাঁসের ওপর বসিয়েছেন দেবী সরস্বতীকে। ভক্তরা পুকুরের চারপাশ ঘিরে আরাধনা করছেন দেবীর।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জগন্নাথ হলের মন্দিরে আরতি ও ভক্তদের পুষ্পাঞ্জলিতে সিক্ত হন শ্বেত পদ্মে আসীন বীণাপাণি।

জগন্নাথ হলের পাশাপাশি ঢাবির ছাত্রী হলগুলোতেও চলছে বিদ্যার দেবীর আরাধনা।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, সরস্বতী সত্য, ন্যায় ও জ্ঞানালোকের প্রতীক। দেবীর এক হাতে পুস্তক, আরেকটিতে বীণা। এ জন্য তাকে বীণাপাণিও বলা হয়, যার বাহন শুভ্র রাজহাঁস।

প্রতিমা স্থাপনের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টায় আনুষ্ঠানিকভাবে পূজার কার্যক্রম শুরু হয়। সাড়ে ৭টায় বাণী বন্দনা, ৮টা ১০ মিনিটে পুষ্পাঞ্জলি, সাড়ে ১১টায় প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে পূজার কার্যক্রম শেষ হয়। বেলা ১১টা ১০ মিনিট থেকে শুরু হয় হাতেকড়ি।

বাবা-মা সন্তান নিয়ে এসেছেন হাতেখড়ি দিতে। কেউ কেউ সঙ্গে করে বই নিয়ে এসেছেন দেবীর চরণ স্পর্শের জন্য।

বাবা-মায়ের সঙ্গে পূজা করতে এসেছে ছোট্ট পায়েল প্রামাণিক। তার হাতেখড়ি হয়েছে আজ। পুরোহিতের হাতে পাটখড়ি দিয়ে বেল পাতায় লিখেছে সে।

হাতেকড়ি শেষে বিকেল ৪টায় অতিথি আপ্যায়ন হবে।

দীর্ঘ দুই বছর পর ধুমধামে বিদ্যা দেবীর আরাধনা করতে পেরে খুশি শিক্ষার্থীরা।

তাদের একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র রাজ কুমার বলেন, ‘অসাধারণ। বিদ্যা দেবীর আরাধনা করতে সারা বছর আমরা এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করি। দুই বছর পর উৎসবমুখর পরিবেশে সবাই আরাধনা করতে পারছে। কারও মুখে বা চোখে কোনো শঙ্কা নেই।

‘মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছি, যেন জগতের সকলে সুখী হয়। আর আমার সামনে মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষা, সেটি যেন ভালোভাবে সম্পন্ন হয়।’

পূজা দেখতে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র আবিদ হাসান বলেন, ‘আমার হিন্দু বন্ধুদের আমন্ত্রণে তাদের পূজা দেখতে এসেছি। আমাদের ঈদের মতোই আনন্দ তাদের সবার মাঝে। তাদের সঙ্গে মিশে আমারও আনন্দ লাগছে।’

মেয়ে চন্দ্রিমাকে নিয়ে হাজারীবাগ থেকে পূজা দিতে আসা নিপু তন্বীর প্রার্থনা, তার মেয়ে যেন বিদ্যা-বুদ্ধিতে আলোকিত মানুষ হতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র অনু সরকার বলেন, ‘মায়ের কাছে আমার অনেক প্রার্থনা। উল্লেখযোগ্য প্রার্থনা ছিল, সামনে আমার ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষা, সেটি যেন ভালো হয়। যে আশা নিয়ে গ্রাম থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসেছি, সেটি যেন পূর্ণ হয়।’

আরও পড়ুন:
বিদ্যাদেবীর আরাধনার দিন আজ
ঢাবিতে এবারও সীমিত পরিসরে বিদ্যার দেবীর আরাধনা
সরস্বতী পূজা: শেষ মুহূর্তে জমল প্রতিমা কেনাবেচা
সরস্বতী পূজায় শাঁখারীবাজারে উৎসবের আমেজ
করোনা হাসি কেড়েছে গোপালগঞ্জের প্রতিমা ব্যবসায়ীদের

মন্তব্য

জীবনযাপন
Saraswati Puja is on Thursday

সরস্বতী পূজা বৃহস্পতিবার

সরস্বতী পূজা বৃহস্পতিবার ফাইল ছবি
এই ধর্মীয় উৎসবে পঞ্চমী তিথিতে বিদ্যা ও জ্ঞানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন অগণিত ভক্ত। অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করতে কল্যাণময়ী দেবীর চরণে প্রণতি জানাবেন তারা।

হিন্দুধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা বৃহস্পতিবার।

এই ধর্মীয় উৎসবে পঞ্চমী তিথিতে বিদ্যা ও জ্ঞানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন অগণিত ভক্ত। অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করতে কল্যাণময়ী দেবীর চরণে প্রণতি জানাবেন তারা।

সনাতন ধর্মালম্বীদের মতে, দেবী সরস্বতী সত্য, ন্যায় ও জ্ঞানালোকের প্রতীক। বিদ্যা, বাণী ও সুরের অধিষ্ঠাত্রী।

‘সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে/ বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী বিদ্যংদেহী নমোহ তুতে’ সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এই মন্ত্র উচ্চারণ করে বিদ্যা ও জ্ঞান অর্জনের জন্য দেবী সরস্বতীর অর্চনা করবেন।

বাসস জানিয়েছে, সরস্বতী পূজা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেছেন, দেশে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সুমহান ঐতিহ্য আরো সুদৃঢ় করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেবী সরস্বতী সত্য, ন্যায় ও জ্ঞানালোকের প্রতীক। বিদ্যা, বাণী ও সুরের অধিষ্ঠাত্রী। তিনি দেবী সরস্বতীর পূজা অর্চণা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে জ্ঞানার্জনে ব্রতী হয়ে দেশের অগ্রযাত্রায় আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান।

সরস্বতী পূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায় বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা বাণী অর্চনাসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের মন্দির ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পূজা ছাড়াও অন্য অনুষ্ঠানমালায় আছে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান, প্রসাদ বিতরণ, ধর্মীয় আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সন্ধ্যা আরতি, আলোকসজ্জা প্রভৃতি।

প্রতি বছরের মতো এবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ হলে মহাসাড়ম্বরে বিদ্যা ও আরাধনার অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতীর পূজার আয়োজন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৯টায় শুরু হবে পূজার্চনা এবং ১০ টা থেকে শুরু হবে অঞ্জলি প্রদান। সন্ধ্যা আরতি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন:
সরস্বতীর আগমনে ক্যাম্পাসে বসন্তের আমেজ
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলুক সরস্বতীর কাছে ভক্তের চাওয়া
উলু, শঙ্খ ধ্বনিতে মুখর সরস্বতীর মণ্ডপ

মন্তব্য

জীবনযাপন
February 19 Shave Miraj

পবিত্র শবে মিরাজ ১৮ ফেব্রুয়ারি

পবিত্র শবে মিরাজ ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রতীকী ছবি
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশের আকাশে সোমবার ১৪৪৪ হিজরি সালের রজব মাসের চাঁদ দেখা গেছে। তাই মঙ্গলবার থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা শুরু হবে।

দেশের আকাশে রজব মাসের চাঁদ দেখা গেছে। এ হিসেবে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাতে পবিত্র শবে মেরাজ পালিত হবে।

বায়তুল মোকারর‌মে ইসলা‌মিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে সোমবার বাদ মাগ‌রিব অনু‌ষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা ক‌মি‌টির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুনিম হাসান।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার থেকে রজব মাস গণনা শুরু হবে এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার দিনগত রাতে শবে মেরাজ পালিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশের আকাশে সোমবার ১৪৪৪ হিজরি সালের রজব মাসের চাঁদ দেখা গেছে। তাই মঙ্গলবার থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা শুরু হবে। এ হিসেবে আগামী ২৬ রজব ১৪৪৪ হিজরি, ১৮ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাতে পবিত্র শবে মেরাজ উদযাপিত হবে।

প্রথমে সংস্থাটি তাদের ফেসবুক পেজে ১৯ ফেব্রুয়ারি শবে মেরাজ উদযাপিত হবে বলে জানায়। কয়েক মিনিটের মধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আবার জানায়, ১৮ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাতে উদযাপিত হবে শবে মেরাজ।

পবিত্র শবে মিরাজ ১৮ ফেব্রুয়ারি

রজব হিজরি সনের বিশেষ ও মহিমান্বিত একটি মাস। রমজানের আগমনী বার্তা নিয়ে আসা রজব আল্লাহ প্রদত্ত চারটি সম্মানিত মাসের একটি। এ মাস থেকেই রমজানের প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেন মুসলিমরা।

মন্তব্য

p
উপরে