× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
The curtain rose on the Dhaka Lit Fest
hear-news
player
google_news print-icon

পর্দা উঠল ঢাকা লিট ফেস্টের

পর্দা-উঠল-ঢাকা-লিট-ফেস্টের-
বাংলা একাডেমিতে ঢাকা লিট ফেস্টের দশম আসরের উদ্বোধন করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
উদ্বোধন ঘোষণা করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, ‘এই আয়োজনের সঙ্গে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় নানাভাবে সম্পৃক্ত থেকেছে। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে তিন বছর পর এই অনুষ্ঠানটি হচ্ছে। আমাদের সম্পৃক্ততা আগের চেয়ে কমেছে। তবে আমি আশাবাদী যে আমরা আরও জোরালোভাবে এই উৎসবের সঙ্গে সম্পৃক্ত হব। এই আয়োজনের মাধ্যমে সাহিত্য অঙ্গনে যে দ্যুতি ছড়াবে, সেটির আলোয় আমরাও আলোকিত হতে চাই।’

ঢাকা লিট ফেস্টের দশম আসরের উদ্বোধন করা হয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে তিন বছর পর এই অনুষ্ঠানটি হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ অডিটরিয়ামে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ চার দিনব্যাপী এই উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

এ সময় নোবেলজয়ী সাহিত্যিক আবদুলরাজাক গুরনাহ, ভারতীয় লেখক ও সাহিত্য সমালোচক অমিতাভ ঘোষ উপস্থিত ছিলেন।

মণিপুরী নৃত্যের মাধ্যমে ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠান শুরু হয়। যদিও অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল ১০টায়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ঢাকা লিট ফেস্টের তিন পরিচালক সাদাফ সাফ, কাজী আনিস আহমেদ ও আহসান আকবার সবাইকে স্বাগত জানিয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।

উদ্বোধন ঘোষণা করে কে এম খালিদ বলেন, ‘এই আয়োজনের সঙ্গে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় নানাভাবে সম্পৃক্ত থেকেছে। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে তিন বছর পর এই অনুষ্ঠানটি হচ্ছে। আমাদের সম্পৃক্ততা আগের চেয়ে কমেছে। তবে আমি আশাবাদী যে আমরা আরও জোরালোভাবে এই উৎসবের সঙ্গে সম্পৃক্ত হব। এই আয়োজনের মাধ্যমে সাহিত্যাঙ্গনে যে দ্যুতি ছড়াবে, সেটির আলোয় আমরাও আলোকিত হতে চাই।’

পর্দা উঠল ঢাকা লিট ফেস্টের

অমিতাভ ঘোষ বলেন, ‘বাংলাদেশ, আমার মা-বাবার বাড়ি এই বাংলাদেশে। বাংলা ও বাঙালি আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে। এই বাংলাদেশ এক নতুন বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশ এখন জলবায়ু পরিবর্তনে বৈশ্বিক নেতা। এই বাংলাদেশ এখন আঞ্চলিক নেতা। বাংলাদেশের জিডিপি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এ জন্য বাংলাদেশকে অবশ্যই অভিনন্দন জানাতে হয়। অভিনন্দন বাংলাদেশ।’

আবদুলরাজাক ঘুরনাহ মণিপুরী নাচ এবং শিল্পীদের কস্টিউমের প্রশংসা করেন। তিনি অনুষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে উৎসবের সফলতা কামনা করেন।

চার দিনের এই উৎসবে ১৭৫টির বেশি সেশনে অংশ নিচ্ছেন পাঁচ মহাদেশের ৫০০-এরও বেশি বক্তা, শিল্পী ও চিন্তাবিদ।

আয়োজকরা জানান, চার দিনের এই আয়োজনে থাকবে কথোপকথনের একটি বৈচিত্র্যময় মিশ্রণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সেশন, শিশু ও তরুণদের জন্য আকর্ষণীয় আয়োজন, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, নাট্য, সংগীত এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। থাকছে বিজ্ঞান, মহামারি, উদ্ভাবনী, প্রাণ ও প্রকৃতি, মুক্তিযুদ্ধ, চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা।

পর্দা উঠল ঢাকা লিট ফেস্টের

বিজ্ঞান এবং উদ্ভাবনী নিয়ে আলোচনা করবেন করোনাভাইরাসের জীবন রহস্য উন্মোচনকারী বিজ্ঞানী সেঁজুতি সাহা। মহামারির প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করবেন অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার সহ-উদ্ভাবক সারাহ গিলবার্ট। জীবনের গল্প করবেন লেখক সাদাত হোসেইন।

‘সাদা সাদা কালা কালা’ আলোড়ন তৈরি করা গানের গল্প শোনাবেন চলচ্চিত্র পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন এবং শিবু কুমার শীল। এ ছাড়া নিজেদের পেশাগত পরিবেশ নিয়ে আলোচনা করবেন দেশবরেণ্য সাংবাদিকরা। আরও থাকবে গল্প বলার আসর, সংগীত ও কবিতা চর্চা। আসছেন সাফজয়ী নারী ফুটবল দলের সদস্যরা।

এ ছাড়া নুরুদ্দিন ফারাহ, হানিফ কুরেশী, পঙ্কজ মিশ্র, টিলডা সুইন্টন, জন লি এন্ডারসন, অঞ্জলি রউফ, সারাহ চার্চওয়েল, গীতাঞ্জলি শ্রী, ডেইজি রকওয়েল, এস্থার ফ্রয়েড, অ্যালেকজান্দ্রা প্রিঙ্গেল, ডাইম সারাহ গিলবার্ট, মারিনা মাহাথির, জয় গোস্বামী, কামাল চৌধুরী, মুহম্মদ জাফর ইকবাল, আনিসুল হক, মাসরুর আরেফিন, মারিনা তাবাসসুম, সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, ইমদাদুল হক মিলন, কায়সার হক, শাহীন আখতার, অমিতাভ রেজা, আজমেরী হক বাঁধনসহ আরও অনেকেই থাকছেন উৎসবের সঙ্গে। থাকবেন দুজন রোহিঙ্গা কবিও।

চার দিনব্যাপী এই আয়োজন শুধু বড়দের জন্যই না, থাকছে শিশুদের জন্যও নানা আয়োজন। শিশুদের বিজ্ঞানচর্চা, বিনোদন, জ্ঞানচর্চার কথা মাথায় রেখে সাজানো হয়েছে ঢাকা লিট ফেস্টের অনুষ্ঠানগুলো।

আরও পড়ুন:
ঢাকা লিট ফেস্টে টিকিট কেন?

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Madrasa janitor to militant leader

মাদ্রাসার দারোয়ান থেকে জঙ্গি নেতা

মাদ্রাসার দারোয়ান থেকে জঙ্গি নেতা নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের ফখরুল ইসলামসহ ছয় সদস্য গ্রেপ্তার। ছবি: নিউজবাংলা
সিটিটিসি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে জঙ্গি কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত নয়টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের মুফতি হান্নানসহ একাধিক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি গ্রেপ্তার হওয়ায় হরকাতুল জিহাদ সংগঠনটি নেতৃত্ব শূন্য হয়ে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় দেশে এসে ফখরুল ইসলাম জঙ্গি কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে নতুন সদস্য সংগ্রহ ও বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) সদস্য সংগ্রহ, অর্থ সংগ্রহ করা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সিটিটিসি ইউনিটের সিটি সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের ডিজিটাল ফরেনসিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) ফখরুল ইসলামসহ ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. ফখরুল ইসলাম, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. সুরুজ্জামান, হাফেজ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. দীন ইসলাম এবং মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শনিবার দুপুরে সিটিটিসি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে জঙ্গি কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত নয়টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।

কে এই ফখরুল ইসলাম

সিটিটিসি প্রধান আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বিদেশ থেকে জঙ্গি বিষয়ে ট্রেনিং প্রাপ্ত বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) সক্রিয় সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম ১৯৮৮ সালে গাজীপুর জেলার টঙ্গী তামিরুল মিল্লাত মাদ্রাসায় দারোয়ানের চাকরি করতেন।

‘পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে কাজের উদ্দেশে বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানের করাচি শহরে যান। পাকিস্তানে অবস্থানের সময় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুফতি জাকির হোসেনের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। মুফতি জাকির হোসেন পাকিস্তানের করাচি শহরে ইসলামীয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল এবং আল কায়েদার সামরিক কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

‘মুফতি জাকির আল কায়েদা সংগঠনের জিহাদি ট্রেনিংয়ের কমান্ডার। মুফতি জাকির ফখরুল ইসলামকে জিহাদের দাওয়াত দিলে সে দাওয়াত গ্রহণ করেন। ফখরুল ইসলাম জিহাদি ট্রেনিংয়ে অংশগ্রহণের জন্য মুফতি জাকিরের সঙ্গে একাধিকবার পাকিস্তান থেকে আফগানিস্তানের কান্দাহার শহরে দীর্ঘকালীন প্রশিক্ষণে যান।’

আগ্নেয়াস্ত্র প্রশিক্ষণ

ফখরুল ওই ট্রেনিংয়ে বিভিন্ন অস্ত্র প্রশিক্ষণের পাশাপাশি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র একে-৪৭, এলএমজি ও রকেট লাঞ্চার পরিচালনা শেখেন। ট্রেনিংয়ের সময় কান্দাহারের সমশেদ পাহাড়ে তিনি নিয়মিত ফায়ারিং অনুশীলন করতেন। অনুশীলনের সময় ফখরুল ইসলাম একে-৪৭সহ সশস্ত্র অবস্থায় প্রশিক্ষণ এলাকায় চার ঘণ্টা করে নিরাপত্তামূলক পাহারা ডিউটি করতেন।

সিটিটিসি প্রধান আসাদুজ্জামান আরও বলেন, ওই সময়ে ফখরুল আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেন ও মোল্লা ওমরের সঙ্গে একাধিকবার সাক্ষাৎ করেন। তিনি আফগানিস্তানে বিভিন্ন মেয়াদে জিহাদি ট্রেনিং করার পর আবার পাকিস্তানের করাচিতে ফিরে আসেন। করাচি থেকে ১৯৯৫ সালে ইরানের রাজধানী তেহরান যান এবং প্রায় ৩ বছর সেখানে থাকার পর করাচিতে ফিরে আসেন। পরবর্তীতে ইসলামাবাদ থেকে ভারতের ভিসা নিয়ে ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে চলে আসেন।

বিভিন্ন এনক্রিপটেড অ্যাপস ব্যবহারে যোগাযোগ

সিটিটিসি জানায়, ফখরুল সাংগঠনিক কার্যক্রম স্বশরীরে ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযাগ মাধ্যম ব্যবহার করে অব্যাহত রাখতেন। তিনি অত্যাধুনিক সামাজিক যোগাযাগ মাধ্যমে এনক্রিপটেড অ্যাপস বিপ ব্যবহারের মাধ্যমে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের এবং বাংলাদেশের অন্যান্য হুজি সদস্যদের সঙ্গে উগ্রবাদী ও আক্রমণাত্মক বিষয়ে আলোচনা করে ম্যাসেজ আদান-প্রদান করতেন এবং যেকোনো সময় বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের জঙ্গি হামলা পরিচালনার বিষয়ে নিজেদের মধ্যে পরিকল্পনা করতেন।

রোহিঙ্গাদের রিক্রুট ও পাহাড়ি এলাকায় প্রশিক্ষণ ক্যাম্প করতে চেয়েছিল হুজি

বাংলাদেশের হুজি সদস্যদের বান্দরবান পাহাড়ি এলাকায় প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা করেছিল গ্রেপ্তারকৃতরা। ফখরুল ও তার ছেলে গ্রেপ্তার সাইফুল ইসলাম অন্যান্য হুজি সদস্যদের নিয়ে একাধিকবার কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের তাদের সংগঠনে রিক্রুটের উদ্দেশে এবং জিহাদি কার্যক্রমের অংশ হিসাবে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রাণিত করার উদ্দেশে তাদেরকে বিভিন্ন সময় মোটা অংকের টাকা অনুদান করেন।

যেভাবে দেয়া হতো বোমা বানানোর প্রশিক্ষণ

নিষিদ্ধ ঘোষিত হুজির একটি এনক্রিপটেড অ্যাপের প্রাইভেট চ্যানেল থেকে প্রাপ্ত কনটেন্ট আব্দুল্লাহ আল মামুন তার সংগঠনের পরিচিত দুই একজনকে হাতে কলমে বোমা বানানোর প্রশিক্ষণ লাভের উদ্দেশে এবং বোমা বানানোর নির্দেশনা দিয়ে শেয়ার করেছে।

আরও পড়ুন:
সরকারি চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৫
ডাকাত থেকে জঙ্গি সংগঠনের সামরিক প্রধান মাসুদ
অস্ত্র-গুলিসহ দুই জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনায় মামলা
মদের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ছেলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
ভালুক শাবক দুটি পাচারের চেষ্টা হচ্ছিল

মন্তব্য

জীবনযাপন
If you dont resign you wont get an escape route Fakhrul

পদত্যাগ না করলে পালানোর পথ পাবেন না: ফখরুল

পদত্যাগ না করলে পালানোর পথ পাবেন না: ফখরুল শনিবার রাজধানীর বাড্ডায় সুবাস্তু মার্কেটের সামনে থেকে বিএনপির পদযাত্রা শুরুর আগে বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস
পদযাত্রার মধ্য দিয়ে বিএনপি নতুন ধরনের আন্দোলন শুরু করেছে দাবি করে দলটির মহাসচিব বলেন, ‘এর মাধ্যমে সরকারকে বলে দিতে চাই, অবিলম্বে পদত্যাগ করুন। অন্যথায় ভারাক্রান্তভাবে চলে যেতে হবে; পালাবার কোনো পথ পাবেন না।’

পদযাত্রার মধ্য দিয়ে সরকারকে পদত্যাগের বার্তা দেয়া হচ্ছে জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দ্রুত ক্ষমতা থেকে সরে না দাঁড়ালে পালানোর পথ পাবে না ক্ষমতাসীনরা।

রাজধানীর বাড্ডার সুবাস্তু মার্কেটের সামনের সড়ক থেকে শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে দলের পূর্বঘোষিত পদযাত্রা শুরুর আগে দেয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পদযাত্রার মধ্য দিয়ে বিএনপি নতুন ধরনের আন্দোলন শুরু করেছে দাবি করে দলটির মহাসচিব বলেন, ‘এর মাধ্যমে সরকারকে বলে দিতে চাই, অবিলম্বে পদত্যাগ করুন। অন্যথায় ভারাক্রান্তভাবে চলে যেতে হবে; পালাবার কোনো পথ পাবেন না।’

‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার’ ও ১০ দফা দাবি আদায়ে রাজধানীতে চার দিনের পদযাত্রা কর্মসূচির প্রথম দিনে বাড্ডা থেকে মালিবাগের আবুল হোটেল পর্যন্ত হেঁটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।

কর্মসূচি শুরু হওয়ার আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফখরুল আরও বলেন, ‘ঢাকার এই নীরব পদযাত্রার মধ্য দিয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই দানবীয় সরকারকে চলে যেতে বাধ্য করব।’

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্ব এবং সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হকের পরিচালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।

এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা নাজিম উদ্দিন আলম, মীর সরফত আলী সপু, সাইফুল আলম নীরব, আবদুল মোনায়েম মুন্না, তাবিথ আউয়ালসহ অনেকে।

বিএনপি নেতারা জানান, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি শনিবারের মতো ৩১ জানুয়ারি গাবতলী থেকে মাজার রোড হয়ে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর পর্যন্ত পদযাত্রা করবে। একইভাবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি ৩০ জানুয়ারি যাত্রাবাড়ী থেকে শ্যামপুর পর্যন্ত এবং ১ ফেব্রুয়ারি মুগদা থেকে মালিবাগ পর্যন্ত পদযাত্রা করবে। প্রতিটি পদযাত্রা শুরুর সময় নির্ধারণ করা হয়েছে দুপুর ২টায়।

বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ নিত্যপণ্যের দাম কমানো, সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা দাবিতে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ সব বিভাগীয় সদরে সমাবেশ করবে বিএনপি।

আরও পড়ুন:
যুগপৎ আন্দোলনের লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে ফখরুলের বৈঠক শুক্রবার
চার দিন দুপুর ২টা থেকে ঢাকায় পদযাত্রা করবে বিএনপি
রেশমি মিঠাইয়ের দল আওয়ামী লীগ চাপে চুপসে যাবে: আলাল
আওয়ামী লীগ ১০ লাখ কোটি টাকা পাচার করেছে: আমীর খসরু
৪ ফেব্রুয়ারি বিভাগীয় সমাবেশের ডাক বিএনপির

মন্তব্য

জীবনযাপন
BNP on the march

‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে’ বিএনপির পদযাত্রা

‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে’ বিএনপির পদযাত্রা বিএনপির পদযাত্রায় দলের কেন্দ্রীয়সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। ছবি: সংগৃহীত
পদযাত্রায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। এ কর্মসূচি ঘিরে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার’ ও ১০ দফা দাবি আদায়ে শনিবার দুপুরে পদযাত্রা করেছে বিএনপি।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি রাজধানীর বাড্ডা থেকে এ পদযাত্রার আয়োজন করে, যাতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খানসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও পদযাত্রায় অংশ নেন।

কর্মসূচিতে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। পদযাত্রা ঘিরে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ পদযাত্রা কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, ‘২৮ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করবে। শনিবার দুপুর ২টায় বাড্ডার হোসেন মার্কেটের কাছ থেকে মালিবাগের আবুল হোটেল পর্যন্ত পদযাত্রা হবে।’

বিএনপি নেতারা জানান, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি ৩১ জানুয়ারি গাবতলী থেকে মাজার রোড হয়ে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর পর্যন্ত পদযাত্রা করবে। একইভাবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি ৩০ জানুয়ারি যাত্রাবাড়ী থেকে শ্যামপুর পর্যন্ত এবং ১ ফেব্রুয়ারি মুগদা থেকে মালিবাগ পর্যন্ত পদযাত্রা করবে। প্রতিটি পদযাত্রা দুপুর ২টায় শুরু হবে।

বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ নিত্যপণ্যের দাম কমানো, সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা দাবিতে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ সব বিভাগীয় সদরে সমাবেশ করবে বিএনপি। গত বুধবার নয়াপল্টনের সমাবেশ থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
চার দিন দুপুর ২টা থেকে ঢাকায় পদযাত্রা করবে বিএনপি
রেশমি মিঠাইয়ের দল আওয়ামী লীগ চাপে চুপসে যাবে: আলাল
আওয়ামী লীগ ১০ লাখ কোটি টাকা পাচার করেছে: আমীর খসরু
৪ ফেব্রুয়ারি বিভাগীয় সমাবেশের ডাক বিএনপির
নয়াপল্টনে সমাবেশে বিএনপি

মন্তব্য

জীবনযাপন
Who is watching the political death of BNP during the march?

পদযাত্রায় বিএনপির রাজনৈতিক মৃত্যু দেখছেন কাদের

পদযাত্রায় বিএনপির রাজনৈতিক মৃত্যু দেখছেন কাদের রাজধানীর উত্তরায় শনিবার সকালে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান ও সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির মরণযাত্রা শুরু হয়ে গেছে। এভাবেই তারা পরাজিত হবে। আন্দোলনে হবে, আগামী নির্বাচনেও তাদের মরণ হবে; রাজনৈতিক মরণ। এত লাফালাফি, এত ছোটাছুটি, এত লোটা-কম্বল, এত কাঁথা-বালিশ!’

‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার’ ও ১০ দফা দাবি আদায়ে শনিবার দুপুরে বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচিকে ‘মরণযাত্রা’ আখ্যা দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক মৃত্যু হবে সাবেক ক্ষমতাসীন দলটির।

রাজধানীর উত্তরায় একই দিন সকালে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাদের এ কথা বলেন।

বক্তব্যে বিএনপির কর্মসূচি নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘বিএনপির মরণযাত্রা শুরু হয়ে গেছে। এভাবেই তারা পরাজিত হবে। আন্দোলনে হবে, আগামী নির্বাচনেও তাদের মরণ হবে; রাজনৈতিক মরণ। এত লাফালাফি, এত ছোটাছুটি, এত লোটা-কম্বল, এত কাঁথা-বালিশ!

‘সমাবেশ হলে সাত দিন ধরে সমাবেশস্থলে শুয়ে পড়ে আর পাতিলের পর পাতিল খাবার তৈরি হয়। কোথায় গেল সে দিন? কোথায় গেল লাল কার্ড? কোথায় গেল গণঅভ্যুত্থান? কোথায় গেল গণজোয়ার? গণজোয়ারে এখন ভাটার টান। তাই এটা পদযাত্রা নয়, পেছনযাত্রা। এটা পদযাত্রা নয়, মরণযাত্রা।’

বিএনপি ও জোটসঙ্গীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘৫৪ দলের ৫১ দফা; জগাখিচুড়ির ঐক্যজোট। জগাখিচুড়ি কর্মসূচি এ দেশে কখনও সফল হবে না।’

বিএনপির পদযাত্রার দিনে আওয়ামী লীগের শীতবস্ত্র বিতরণ নিয়ে কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি করছে না। বিএনপি করছে পদযাত্রা, আমরা করছি শীতবস্ত্র বিতরণ।’

আরও পড়ুন:
বিএনপির পদযাত্রা দুপুরে
বিএনপি নেতা খোকনের বাড়িতে আগুন দেয়ার অভিযোগ
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে হয়রানির অভিযোগ রাজশাহী বিএনপির
শেখ হাসিনা সত্য ও সুন্দরের অভিসারী: কাদের
যুগপৎ আন্দোলনের লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে ফখরুলের বৈঠক শুক্রবার

মন্তব্য

জীবনযাপন
BNP march in the afternoon

বিএনপির পদযাত্রা দুপুরে

বিএনপির পদযাত্রা দুপুরে পদযাত্রায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের একাংশ এবং কর্মসূচি ঘিরে সতর্ক অবস্থানে থাকা পুলিশ সদস্যরা। ফাইল ছবি
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘২৮ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করবে।’

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং বিএনপি ঘোষিত ১০ দফা দাবি আদায়ে রাজধানীতে পদযাত্রার কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি।

রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে মালিবাগ পর্যন্ত শনিবার দুপুর ২টার দিকে এ পদযাত্রা হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ পদযাত্রা কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, ‘২৮ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করবে। শনিবার দুপুর ২টায় বাড্ডার হোসেন মার্কেটের কাছ থেকে মালিবাগের আবুল হোটেল পর্যন্ত পদযাত্রা হবে।’

বিএনপি নেতারা জানান, শনিবার মহানগর উত্তর বিএনপি ঢাকার বাড্ডা এলাকা থেকে মালিবাগের আবুল হোটেল পর্যন্ত এবং ৩১ জানুয়ারি গাবতলী থেকে মাজার রোড হয়ে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর পর্যন্ত পদযাত্রা করবে। একইভাবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি ৩০ জানুয়ারি যাত্রাবাড়ী থেকে শ্যামপুর পর্যন্ত এবং ১ ফেব্রুয়ারি মুগদা থেকে মালিবাগ পর্যন্ত পদযাত্রা করবে। প্রতিটি পদযাত্রা দুপুর ২টায় শুরু হবে।

এ দিকে বিদ্যুৎ,গ্যাসসহ নিত্যপণ্যের দাম কমানো, সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা দাবিতে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ সব বিভাগীয় সদরে সমাবেশ করবে বিএনপি। গত বুধবার নয়াপল্টনের সমাবেশ থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
আওয়ামী লীগ ১০ লাখ কোটি টাকা পাচার করেছে: আমীর খসরু
৪ ফেব্রুয়ারি বিভাগীয় সমাবেশের ডাক বিএনপির
নয়াপল্টনে সমাবেশে বিএনপি
কারাগারে রিজভী অসুস্থ, হাসপাতালে নেয়ার দাবি
দেশে অলিখিত বাকশাল কায়েম হয়েছে: মঈন খান

মন্তব্য

জীবনযাপন
Two children died after falling from the roof while playing

খেলার সময় ছাদ থেকে পড়ে মারা গেল দুই শিশু

খেলার সময় ছাদ থেকে পড়ে মারা গেল দুই শিশু প্রতীকী ছবি
ঢামেক পুলিশ ক‍্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া বলেন, কামরাঙ্গীচরে পাঁচতলার ছাদ থেকে পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে ঢামেকে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কামরাঙ্গীরচর থানায় জানানো হয়েছে।

ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে পাঁচতলা ভবনের ছাদে উঠে খেলতে গিয়ে নিচে পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে কামরাঙ্গীরচরের আহসানবাগ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া দুই বছর বয়সী লামিয়া আক্তার ও ৯ বছরের আব্দুর রহিম সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই-বোন।

দুর্ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের রাত সাড়ে ৭টায় মৃত ঘোষণা করেন।

দুই শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসা লামিয়ার মা ও আব্দুর রহিমের বাবা রোমান মিয়া জানান, আহসানবাগ এলাকায় বোরহান মিয়ার পাঁচতলা বাড়িতে ভাড়া থাকেন তারা। ভবনের ছাদে কোনো প্রাচীর না থাকায় খেলার সময় শিশু দুটি নিচে পড়ে যায়।

তারা জানান, উদ্ধার করে হাসপাতালে আনলে আসলে চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন। লামিয়ার বাবা রাশেদ মিয়া দিনমজুর এবং আব্দুর রহিমের বাবা রোমান মিয়া রিকশাচালক। তাদের বাড়ি সুনামগঞ্জে।

ঢামেক পুলিশ ক‍্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া বলেন, কামরাঙ্গীচরে পাঁচতলার ছাদ থেকে পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে ঢামেকে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কামরাঙ্গীরচর থানায় জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সংবাদকর্মী টুটুল মারা গেছেন
নির্মিত ভবনের বিম ভেঙে প্রাণ গেল শ্রমিকের
মধ্যরাতে ঢাকার রাস্তায় মোটরসাইকেল উল্টে গেল যুবকের প্রাণ

মন্তব্য

জীবনযাপন
The young man went under the train while talking on the phone

ফোনে কথা বলতে বলতে ট্রেনের নিচে গেলেন যুবক

ফোনে কথা বলতে বলতে ট্রেনের নিচে গেলেন যুবক ফাইল ছবি
ওই যুবক মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে রেল লাইন পার হচ্ছিলেন। অনেকেই তাকে ট্রেন আসছে বলে সাবধান করার জন্য ডাকাডাকি করেন। কিন্তু তিনি মোবাইলে কথা বলায় খুবই মগ্ন ছিলেন বলে লোকজনের ডাক চিৎকার শুনতে পাননি। এ সময় কমলাপুরগামী অগ্নিবিনা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান তিনি।

মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে রেল লাইন পার হওয়ার সময় রাজধানীতে ট্রেনে কাটা পড়ে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মহাখালী রেলগেইট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় জানা যায়নি। ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সী এ যুবকের পরনে ছিল নেভিব্লু থ্রি কোয়ার্টার ট্রাইজার ও কালো গেঞ্জি।

ঢাকা রেলওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সানু মং মারমা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ওই যুবক মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে রেল লাইন পার হচ্ছিলেন। অনেকেই তাকে ট্রেন আসছে বলে সাবধান করার জন্য ডাকাডাকি করেন। কিন্তু তিনি মোবাইলে কথা বলায় খুবই মগ্ন ছিলেন বলে লোকজনের ডাক চিৎকার শুনতে পাননি। এ সময় কমলাপুরগামী অগ্নিবিনা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান তিনি।

এএসআই আরও বলেন, সংবাদ পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছ। মৃত যুবকের মোবাইল ফোনটি পাওয়া গেছে, তবে সেটি ভেঙে গেছে। তার পরিচয় জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
পাটগ্রামে ট্রেনে কাটা পড়ে মা ও দুই সন্তানের মৃত্যু
ট্রেনে কাটা পড়লেন দুই প্রতিবন্ধী
ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল গৃহবধূর

মন্তব্য

p
উপরে