× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
Causes of cold more than others
google_news print-icon

অন্যদের থেকে বেশি শীত লাগার কারণ

অন্যদের-থেকে-বেশি-শীত-লাগার-কারণ
বেশি শীত লাগার পেছনে স্নায়ুর সমস্যা দায়ী হতে পারে। যারা স্নায়ুর সমস্যায় ভোগেন, তাদের শীতকালে ঠান্ডা লাগার প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

শীত আসি আসি করছে। অনেক জায়গায় ভোরে কুয়াশার দেখাও মিলছে। গরম কেটে যাওয়ায় কেউ কেউ খুশি হচ্ছেন, তবে কেউ কেউ পড়ছেন দুশ্চিন্তায়। কারণ বেশি শীত অনুভূত হওয়া। কেউ কেউ অন্যদের চেয়ে বেশি শীত অনুভব করেন এবং কাবু হয়ে পড়েন। নানা কারণে অন্যদের চেয়ে বেশি শীত লাগতে পারে। চলুন কারণগুলো জেনে নেয়া যাক।

ডায়াবেটিস থাকলে

ডায়াবেটিস একটি মারাত্মক অসুখ। এটা রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলে। আমাদের শরীরে যখন রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে হয় না, তখন হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়। এমনকি সারাক্ষণ শীত শীত অনুভব হতে পারে। এ ছাড়া রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে না হলে হৃদরোগেরও আশঙ্কা দেখা দেয়।

রক্তের অভাব

বয়স এবং ওজন অনুযায়ী শরীরে সঠিক পরিমাণে রক্ত থাকা জরুরি। যদি রক্ত কম থাকে তাহলে শরীরে আয়রনের অভাব দেখা দেয়। সেখান থেকে হয় অ্যানিমিয়া। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলেই অ্যানিমিয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফলে শীতকালে ঠান্ডাও বেশি লাগে। পুরুষের তুলনায় নারীরা অ্যানিমিয়ায় বেশি ভোগেন।

স্নায়ুর সমস্যা

বেশি শীত লাগার পেছনে স্নায়ুর সমস্যা দায়ী হতে পারে। যারা স্নায়ুর সমস্যায় ভোগেন, তাদের শীতকালে ঠান্ডা লাগার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। সঙ্গে থাকে ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, চোখ জ্বলার সমস্যা।

থাইরয়েডের গোলমাল

থাইরয়েড হরমোনের ক্ষরণ স্বাভাবিক না হলে হজমে গণ্ডগোল দেখা দেয়। পাশাপাশি শরীরের তাপমাত্রাও কমতে শুরু করে। ফলে একটু বেশিই ঠান্ডা লাগে। তবে থাইরয়েড রোগ হলে ঠান্ডা লাগাসহ ক্লান্তি লাগা, ওজন বৃদ্ধি, মানসিক অবস্বাদ, ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া এবং ভুলে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়।

ওজন কমে গেলে

যারা স্থূল অবস্থা থেকে চিকন হয়েছেন তাদের আগের চেয়ে ঠান্ডা লাগবে। ওজন কমতে শুরু করলে স্বাভাবিকভাবেই চর্বি ঝরতে শুরু করে। সে কারণে একটু বেশিই ঠান্ডা লাগে। এ ছাড়া যারা ডায়েটিং করছেন, তাদের ক্যালরিযুক্ত খাবার কম খান বলে মেটাবলিজম রেটও কমতে থাকে। এ কারণে শরীরের তাপমাত্রাও কমে যায়। তাই একটু বেশিই ঠান্ডা লাগে।

ঘুমে ব্যাঘাত

ঘুম পূর্ণ না হলে আমাদের শরীরের তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে অন্যদের চেয়ে বেশি শীত লাগে। তাই শরীর সুস্থ রাখতে ঘুম জরুরি।

আরও পড়ুন:
বৃষ্টির দিনে সময় কাটানোর ১০টি দারুণ আইডিয়া
শিশুর মোবাইল ফোনে আসক্তি কমানোর উপায়
সন্তান ধারণের আগে যেসব প্রস্তুতি নিতে হবে
এক রাতে মুখের ব্রণ দূর করার সেরা উপায়, যা না জানলেই নয়
ডেঙ্গু জ্বর সৃষ্টিকারী এডিস মশা সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জেনে রাখুন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Some alternatives to gas stoves in the city

শহরে গ্যাসের চুলার কিছু বিকল্প

শহরে গ্যাসের চুলার কিছু বিকল্প ইন্ডাকশন চুলা। ছবি: সংগৃহীত
বাসা-বাড়িতে গ্যাস ছাড়া রান্নার করার উপযুক্ত কিছু উপায় সম্পর্কে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জাগায় বাসা-বাড়িতে দেখা দিচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংকট। বেশ কিছুদিন ধরে চলা এ সংকট দিন দিন আরও তীব্র হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে লাকড়ি বা মাটির চুলা ব্যবহার করা গেলেও শহরের বাসা-বাড়িতে গ্যাস ছাড়া রান্না করা দুরূহ।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন মাত্রায় পৌঁছেছে গ্যাস সরবরাহ। বর্তমানে যেখানে গ্যাসের প্রয়োজন ৩ হাজার ৮০০ এমএমসিএফডি (মিলিয়ন স্ট্যান্ডার্ড ঘনফুট পার ডে), সেখানে সরবরাহ রয়েছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ এমএমসিএফডি।

প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প হিসেবে অনেকেই এলপিজি (লিকুইড পেট্রলিয়াম গ্যাস) বা সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করছেন, কিন্তু এগুলোর দাম ও নিরাপত্তাজনিত কারণে অনেকেই থাকছেন শঙ্কায়।

এমন পরিস্থিতিতে জরুরি হয়ে পড়েছে রান্নার জন্য গ্যাসের বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থা।

বাসা-বাড়িতে গ্যাস ছাড়া রান্নার করার উপযুক্ত কিছু উপায় সম্পর্কে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

ইন্ডাকশন চুলা

তড়িৎ চৌম্বক শক্তিকে ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় তাপশক্তির জোগান দেয় ইন্ডাকশন চুলা। এর কাঁচ-সিরামিক প্লেটের নিচে থাকে তামার কয়েল। প্লেটের ওপর নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হয় রান্নার পাত্র।

বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকা অবস্থায় চৌম্বক পদার্থের তৈজসপত্র রাখা হলে চুলাটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। কাজ শেষে পাত্র সরিয়ে ফেলা হলে চুলা সঙ্গে সঙ্গেই তাপ উৎপাদন বন্ধ করে দেয়। এই পাত্রগুলোর মধ্যে অধিকাংশ স্টেইনলেস-স্টিল ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও রয়েছে কাস্ট আয়রন এবং এনামেল্ড ঢালাই লোহা।

এই চুলাগুলো সহজে পরিষ্কারযোগ্য এবং অল্প তাপেই গ্যাস ও অন্যান্য সাধারণ বৈদ্যুতিক চুলার থেকে দ্রুত রান্না করতে পারে। ইন্ডাকশন চুলা বিভিন্ন পাওয়ার রেটিংয়ের ভিত্তিতে ৩ থেকে ৯ হাজার টাকার হয়ে থাকে। বাজারে সাধারণত এক হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ২০০ ওয়াটের চুলাগুলো বেশি পাওয়া যায়। ৪ থেকে ৫ সদস্যের পরিবারের জন্য যাবতীয় রান্নার কাজ এই চুলা দিনে সর্বোচ্চ ৪ ঘণ্টায় সম্পন্ন করতে পারে। ফলে আবাসিক এলাকার সর্বোচ্চ ইউনিট রেট হিসেবে মাসে বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে ৯০০ থেকে ৯৬০ টাকা।

ইনফ্রারেড চুলা

বিদ্যুৎ প্রবাহ থেকে আভ্যন্তরীণ তামার কয়েলকে উত্তপ্ত করে রান্নার জন্য তাপ উৎপন্ন করে ইনফ্রারেড চুলা। এগুলো মূলত হ্যালোজেন লাইট (যা ইন্ডাকশন লাইট নামেও পরিচিত) ব্যবহার ইনফ্রারেড বিকিরণ প্রক্রিয়ায় পাত্র গরম করে। এগুলোতে ইন্ডাকশন চুলার মতো নির্দিষ্ট কোনো তৈজসপত্র ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা নেই। তবে চুলার পৃষ্ঠের সঙ্গে সমতলে থাকা অর্থাৎ ফ্ল্যাট পাত্রগুলোতে গরম করার ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়া যায়।

পাওয়ার রেটিং ইন্ডাকশন চুলার মতোই এক হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ২০০ ওয়াট। সেই সঙ্গে দামের পরিধিও ৩ থেকে ৯ হাজার টাকার মধ্যে। তবে একই রেটিং থাকা সত্ত্বেও ইনফ্রারেড চুলা রান্নার সময় ইন্ডাকশন কুকারের চেয়ে কিছুটা বেশি শক্তি খরচ করে। সর্বোচ্চ সাড়ে ৪ ঘণ্টা লাগতে পারে প্রতিদিনের রান্নায়, যেখানে মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল আসতে পারে এক হাজার টাকার কাছাকাছি।

শহরে গ্যাসের চুলার কিছু বিকল্প
ছবি: ইন্ডাকশন চুলা/সংগৃহীত

রাইস কুকার

সুনির্দিষ্টভাবে ভাত রান্না করার জন্য তৈরি রাইস কুকারের রয়েছে একটি হিট সোর্স, একটি রান্নার পাত্র এবং একটি থার্মোস্ট্যাট। থার্মোস্ট্যাট রান্নার পাত্রের তাপমাত্রা পরিমাপ করে এবং তাপ নিয়ন্ত্রণ করে। চাল ভর্তি পাত্রটি পানি দিয়ে ভরার পর সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় শুকিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই থার্মোস্ট্যাট স্বয়ংক্রিয়ভাবে কুকার বন্ধ করে দেয়। তাই এখানে পুড়ে যাওয়ার বা কোনো ক্ষতি হওয়ার ভয় থাকে না।

পাঁচ থেকে ছয় সদস্যের পরিবারের রান্নায় ৩ থেকে ৫ লিটারের কুকার যথেষ্ট। এগুলোর মূল্য সর্বনিম্ন দুই হাজার ৫০০ থেকে সর্বোচ্চ ৪ হাজার টাকা ছাড়াতে পারে।

রাইস কুকারের পাওয়ার রেটিং সাধারণত ইলেক্ট্রিক চুলার থেকে কম হয়ে থাকে; সাধারণত ৭০০ থেকে এক হাজার ২০০ ওয়াট। স্বভাবতই এগুলো কম বিদ্যুৎ শোষণ করে। সারা দিনের রান্নার কাজ সাড়ে তিন ঘণ্টার মধ্যেই করতে সক্ষম এই কুকারগুলো। ফলে সাশ্রয়ী এই কিচেন সামগ্রী ব্যবহারে মাসিক বিদ্যুৎ বিল হতে পারে প্রায় ৮০০ থেকে ৮৪০ টাকা।

শহরে গ্যাসের চুলার কিছু বিকল্প
ছবি: রাইস কুকার/সংগৃহীত

কারি/মাল্টি-কুকার

রাইস কুকারেরই উন্নত সংস্করণ হচ্ছে কারি কুকার, যেখানে ভাত ছাড়াও অন্যান্য নানা খাবার বিভিন্ন উপায়ে রান্না করার কার্যকারিতা আছে। তরকারি রান্নার জন্য এর সিরামিক বা স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি বাটিটি বেশ বড় থাকে। এই কুকারগুলো ফুটানো, বেকিং, সিদ্ধ, ভাজা, রোস্ট, প্রেসার কুকিং, স্লো কুকিং এবং খাবার গরম রাখার জন্য উপযোগী।

রাইস কুকারের মতো এগুলোর পাওয়ার রেটিংও ৭০০ থেকে এক হাজার ২০০ ওয়াটের হয়ে থাকে। প্রায় ৪ লিটার ক্ষমতার একটি মাল্টি-কুকার দিয়ে ৪ থেকে ৫ সদস্যের পরিবারের রান্নার কাজ বেশ ভালোভাবে চালিয়ে নেওয়া যায়। গুণগত মানের ভিত্তিতে এগুলোর দাম সাধারণত ৪ হাজার থেকে এক০ হাজার টাকা হয়ে থাকে। এগুলো মাত্র ৩ ঘণ্টার মধ্যে সারা দিনের রান্নার কাজ শেষ করতে সক্ষম। মাল্টি-কুকার ব্যবহারে মাস শেষে সম্ভাব্য বিদ্যুৎ খরচ আসতে পারে প্রায় ৭০০ থেকে ৭২০ টাকার মধ্যে।

শহরে গ্যাসের চুলার কিছু বিকল্প
ছবি: মাল্টি কুকার/সংগৃহীত

বৈদ্যুতিক প্রেসার কুকার
সাধারণ প্রেসার কুকারের সঙ্গে বৈদ্যুতিক প্রেসার কুকারের (ইপিসি) মূল পার্থক্য হচ্ছে ইপিসি গ্যাসের বদলে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। আর বাষ্প চাপের মাধ্যমে দ্রুত খাবার রান্নার বাকি প্রক্রিয়া সব একই। এর মজবুতভাবে বদ্ধ পাত্র তরলকে বাষ্পে পরিণত করে ভেতরে দ্রুত চাপ বাড়াতে পারে।

ইপিসির পাওয়ার রেটিং সাধারণত ৭০০ থেকে এক হাজার ২০০ ওয়াটের হয়ে থাকে। পাত্রের ধারণ ক্ষমতা নির্ধারণ করে এই পাওয়ার রেটিং। সাধারণত ৫ থেকে ৭ লিটারের একটি ইলেক্ট্রিক প্রেসার কুকার ৩ থেকে ৫ জনের রান্নার কাজ আঞ্জাম দিতে পারে। ইপিসিগুলোর দাম ৬ থেকে সর্বোচ্চ এক৭ হাজার টাকা। এগুলোর মাধ্যমে সারাদিনের রান্না শেষ করতে আড়াই ঘণ্টা বা তার খানিকটা বেশি সময় লাগতে পারে। এতে করে সারা মাসের বিদ্যুৎ বিল হতে পারে প্রায় ৭০০ টাকা।

গ্রাম বা শহরের বাসায় গ্যাস ছাড়া রান্নার কাজে ইতোমধ্যেই দেশবাসী এই বৈদ্যুতিক চুলাগুলোর সুফল ভোগ করা শুরু করেছে। এগুলোর মধ্যে রান্নাতে সর্বাধিক সময় বাঁচালেও বৈদ্যুতিক প্রেসার কুকারগুলোর দাম তুলনামূলকভাবে বেশি। কম খরচে বেশি সুবিধা পেতে ইন্ডাকশন চুলাগুলো পছন্দ করা যেতে পারে রান্নাঘরের নান্দনিক সামগ্রী হিসেবে।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট: গণপরিবহন নিয়ে ভোগান্তি
দুই-একদিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহে আরও উন্নতি: প্রতিমন্ত্রী
২ দিন পর গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক চট্টগ্রামে
চট্টগ্রামে গ্যাস সরববাহ: ১৪ ঘণ্টা পরও চাপ কম চুলায়
চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ শুরু

মন্তব্য

জীবনযাপন
What to do to protect pets health in severe winters

তীব্র শীতে পোষা প্রাণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয়

তীব্র শীতে পোষা প্রাণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয় পোষা প্রাণী। ছবি: সংগৃহীত
পশুপাখিদের অধিকাংশেরই প্রকৃতি প্রদত্ত লোমের আবরণ থাকলেও এটি কখনই মনে করা ঠিক নয় যে, তাদের ঠান্ডাতে কোনো সমস্যাই হবে না। পাতলা লোমযুক্ত পূর্ণ বয়স্ক পশু এমনকি অধিক লোমশ পশুগুলোর মধ্যে যারা বেশি সংবেদনশীল, তারা সঠিক সুরক্ষা ছাড়া বেশিক্ষণ বাইরে থাকলে হাইপোথার্মিয়াতে আক্রান্ত হতে পারে। শরীরের বেশিরভাগ অংশকে ঢেকে রাখা সুন্দর একটি সোয়েটার দিতে পারে এই সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী সমাধান।

তীব্র শীত গৃহপালিত পশুপাখির জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। এমনকি রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো পশুপাখিরাও পড়তে পারে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে। যারা পশুপাখি পালনে আগ্রহী তাদের শীতকালে নিজের পাশাপাশি তাদের পোষা প্রাণীটির দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। চলুন, জেনে নেই, কীভাবে শীতকালীন অসুস্থতা থেকে পোষা প্রাণীদের মুক্ত রাখবেন।

পোষা প্রাণীকে ঘরের ভেতরে রাখা

ঠান্ডা থেকে পোষা প্রাণীদের নিরাপদ রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হল দিনের বেশির ভাগ সময় এবং সারারাত ঘরের ভেতরে রাখা। কুকুর বা বিড়ালের রাতে বাইরে বের হবার প্রবণতা থাকে। তারা প্রায় সময়ই রাস্তার বেওয়ারিশ পশুগুলোর সংস্পর্শে যেয়ে নানা ধরনের জীবাণুবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়। বিশেষ করে খুব বেশি সংবেদনশীল বিড়াল এবং কুকুরের ক্ষেত্রে হাইপোথার্মিয়ার ভয় থাকে।

তাই পোষা পশুপাখিদের রাতের পুরোটা সময় ঘরের ভেতরে রেখে দিনের কিছুটা সময় সঙ্গে নিয়ে বের হওয়া যেতে পারে শারীরিক অনুশীলনের জন্য। কেননা শীতের সময় দৌড়ঝাপ, খেলাধুলা, বা কিছু সময় হেঁটে বেড়ানো এদের শরীর গরম রাখতে পারে।

থাকার জায়গাগুলোকে উষ্ণ রাখা

ঘরে উপযুক্ত উষ্ণতা না পেলে পোষা প্রাণীরা স্বাভাবিকভাবেই ঘরের ভেতর থাকতে চাইবে না। এ ছাড়া অনেক গৃহপালিত পশুপাখি আছে যারা বাড়ির বাইরেই রাখতে হয়। এদের থাকার জায়গাটিকে শুষ্ক রাখতে হবে এবং এমনভাবে মজবুত ঘেরযুক্ত করে দিতে হবে যাতে এরা ভালোভাবে বসতে এবং শুতে পারে।

বাড়ির ঠান্ডা মেঝে থেকে পোষা প্রাণীদের বাঁচানোর জন্য গরম মাদুর বিছিয়ে দেওয়া ভালো উপায়। আর ঘুমানোর জায়গাটিতে দেয়া যেতে পারে ছোট গরম বিছানা ও পশুদের জন্য নির্ধারিত কম্বল।

তবে খুব অল্প বয়স্ক অথবা অধিক বয়স্ক পশুগুলোর অতিরিক্ত গরম অনুভূত হতে পারে, তাই সতর্ক থাকতে হবে। এদের জন্য হিটিং প্যাড বেশ কাজে দিতে পারে। এগুলো মূলত প্রাণীদের জয়েন্টের ব্যথা হওয়া থেকে দূরে রাখে।

পোষা প্রাণীর শীতের পরিধেয়

পশুপাখিদের অধিকাংশেরই প্রকৃতি প্রদত্ত লোমের আবরণ থাকলেও এটি কখনই মনে করা ঠিক নয় যে, তাদের ঠান্ডাতে কোনো সমস্যাই হবে না। পাতলা লোমযুক্ত পূর্ণ বয়স্ক পশু এমনকি অধিক লোমশ পশুগুলোর মধ্যে যারা বেশি সংবেদনশীল, তারা সঠিক সুরক্ষা ছাড়া বেশিক্ষণ বাইরে থাকলে হাইপোথার্মিয়াতে আক্রান্ত হতে পারে। শরীরের বেশিরভাগ অংশকে ঢেকে রাখা সুন্দর একটি সোয়েটার দিতে পারে এই সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী সমাধান।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে লোমশ ছোট আকৃতির পশুগুলোর বেলায় এই পরিধেয়ের দরকার পড়ে না। ঠান্ডার মধ্যে শীত থেকে আপনার আদরের পোষ্যটির পা বাঁচাতে এক জোড়া বুটি হতে পারে দারুণ একটি উপায়। বুটিগুলো পশুর থাবাগুলোতে ময়লা জমা হওয়া থেকে রক্ষা করে।

তীব্র শীতে পোষা প্রাণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয়
পোষা প্রাণীর শীতের পরিধেয়। ছবি: সংগৃহীত

শরীরের উন্মুক্ত জায়গাগুলো পরিষ্কার রাখা

বাইরে থেকে ঘরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে নিজে পরিষ্কার হওয়ার পাশাপাশি পোষ্য প্রাণীটিকেও পরিষ্কার করা জরুরি। ঠান্ডার সময় বাইরে ধূলো-ময়লা পায়ের আঙুলগুলোর মাঝে ঢুকে জ্বালা করতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে সেগুলো জিহ্বা দিয়ে চাটতে দেখা যায়। এখানে ক্ষতিকর কোনো রাসায়নিক উপাদান থাকলে তা তাদের মুখে জ্বালা হওয়ার কারণ হতে পারে। তাই ঘরে ঢুকেই প্রথমে একটি আর্দ্র তোয়ালে দিয়ে পোষা প্রাণীটির পা মুছতে হবে। এ ছাড়া কুয়াশায় পশম ভিজে দীর্ঘক্ষণ স্যাঁতসেঁতে অবস্থায় রেখে দিলে শুষ্ক ত্বকসহ পোষা প্রাণীটির অন্যান্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ সময় হালকা গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে মৃদু শুকিয়ে পোষ্যটির শরীর মুছে দিয়ে শুকিয়ে নেওয়া উচিত।

সবচেয়ে ভালো বিকল্প হচ্ছে বুটি আর সোয়েটার থাকলে ব্যবহার করা। তাহলে পোষা প্রাণীদের কান, নাক, পা ও লেজ কুয়াশায় ভিজে যাওয়ার ভয় থাকবে না।

শীতে পোষা প্রাণীর ত্বকের যত্ন

ঠান্ডার তীব্রতা থেকে পোষা প্রাণীদের ত্বক বাঁচাতে ঘন ঘন গোসল করানো যাবে না। অতিরিক্ত আর্দ্রতা প্রদানের জন্য উপযুক্ত হচ্ছে খাদ্যে নারিকেল তেল ব্যবহার করা। শুধুমাত্র পোষ্য পশু-পাখিদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি কিছু নিরাময় মলম আছে, সেগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ছাড়াও পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করা যেতে পারে। এগুলো প্রয়োগ করতে হয় নাক ও পায়ের আঙুলের আশেপাশে লাল দাগযুক্ত জায়গাতে।

গাড়ি ছাড়ার সময় সতর্কতা

বিভিন্ন বয়সের কুকুর বা বিড়ালকে প্রায়শই গাড়ির আশেপাশে আড়াল নিয়ে বসে থাকতে বা ঘুমাতে দেখা যায়। শীত-গরম নির্বিশেষে সর্বদাই ইঞ্জিনের কারণে গাড়ি উত্তপ্ত থাকায় পশুগুলো সেই উষ্ণতা পোহাতে চায়। তাই গাড়ির ইঞ্জিন চালুর সময় আগেই চারপাশটা ভালো করে দেখে নিতে হবে। নতুবা মারাত্মক দুর্ঘটনার উপক্রম হতে পারে। দুর্ঘটনা এড়াতে গাড়ি ছাড়ার পূর্বে বোনেট, হুডের উপর আঘাত করা এবং হর্ন বাজানো যেতে পারে।

শীতকালে পোষা প্রাণীর খাবার

শীতের মাসগুলোতে যেকোনো প্রাণীর দেহ অন্যান্য সময় অপেক্ষা দ্রুত শক্তি ক্ষয় হয়, যা পুষিয়ে নিতে প্রয়োজন হয় অতিরিক্ত খাবারের। এ ছাড়া ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ সঠিক খাবার পশুগুলোর পশমের সঠিক বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। আর এ সময় ঘন পশম মানেই উষ্ণতা ধরে রাখার উপযোগী স্বাস্থ্যকর ত্বক।

গরম পানির ব্যবস্থা রাখা

যেসব পশুপাখি দ্রুত ক্যালরি খরচ করে, শীতকালে তাদের শরীরে পানি শূন্যতা তৈরি হয়। এ সময় শুষ্ক বাতাস পোষা প্রাণীদের তৃষ্ণা বাড়ায়। তাই পোষা পশুপাখিদের পানির পাত্রগুলো সর্বদা পূর্ণ রাখা জরুরি। এক্ষেত্রে চওড়া পাত্রের পরিবর্তে গভীর পাত্র ব্যবহার করতে হবে এবং দিনে দুইবার কুসুম গরম পানি পাল্টে দিতে হবে।

হাইপোথার্মিয়ার বিষয়ে সর্তক থাকা

শীতে পোষা প্রাণীদের সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্য ঝুঁকি হচ্ছে হাইপোথার্মিয়া। এই রোগের লক্ষণগুলো হলো ঘন ঘন তন্দ্রা, কাঁপুনি, দ্রুত হৃদস্পন্দন, ফ্যাকাশে মাড়ি, চোখের মণির কালো অংশ বড় হয়ে যাওয়া, এবং চেতনা হ্রাস পাওয়া।

এই লক্ষণগুলোর যে কোনোটি দেখা দিলে অবিলম্বে নিকটস্থ পশুচিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা আবশ্যক। এমতাবস্থায় বিশেষজ্ঞের নির্দেশনা পাওয়ার আগ পর্যন্ত তাৎক্ষণিকভাবে আক্রান্ত পোষ্যটিকে একটি উষ্ণ জায়গায় রাখা যেতে পারে।

তীব্র শীতে পোষা প্রাণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয়
হাইপোথার্মিয়ার বিষয়ে সর্তক থাকতে হবে। ছবি: সংগৃহীত

শীতের রাসায়নিক দ্রব্যগুলোকে তাদের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রাখা

প্রচণ্ড শীতের সময়ে প্রায় বাসায় বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিফ্রিজ সামগ্রী ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এগুলো পশুপাখিদের কিডনির কার্যকারিতা এবং স্নায়বিক অবস্থাকে ব্যাহত করে।

এগুলোর মধ্যে ইথিলিন গ্লাইকোল বিশেষ করে কুকুর এবং বিড়ালের জন্য ক্ষতিকর, কেননা পশুগুলো প্রায়ই এর মিষ্টি স্বাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়। রাসায়নিক বস্তুর কন্টেইনারগুলো খোলা থাকলে অথবা যেকোনোভাবে অ্যান্টিফ্রিজ সামগ্রী মেঝেতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তখন কুকুর বা বিড়াল এগুলোতে সরাসরি মুখ দিতে পারে বা পা ভেজানোর পর তা চেটে খেতে পারে। তাই কোনোভাবেই যেন এরকম অবস্থার সৃষ্টি না হয় সেদিকে কড়া নজর রাখা আবশ্যক।

প্রাথমিক চিকিৎসার কিট রাখা

শীতকালে পোষা পশুপাখিদের নিয়মিত যত্নের পাশাপাশি সেরা সংযোজন হতে পারে বাড়িতে সর্বদা এদের জন্য নির্ধারিত একটি প্রাথমিক চিকিৎসার কিট রাখা। আর ঠান্ডার এই সময়টাতে আপনার আদরের পোষ্যটির যেকোনো জরুরি অবস্থায় সঠিক থেরাপি বা ওষুধের জন্য একজন অভিজ্ঞ পশু চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হতে হবে।

সূত্র: ইউএনবি

আরও পড়ুন:
খাঁচা থেকে মুক্ত আকাশে তিন টিয়া
কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া বনে উল্টোলেজি বানর
বিলুপ্ত প্রজাতির গন্ধগোকুল উদ্ধার করে লাউয়াছড়ায় অবমুক্ত
বিশ্ব প্রাণী দিবস আজ: আসুন প্রাণিবন্ধু হই
চা বাগানে গাছ পোড়ানোয় ঝুঁকিতে বন্যপ্রাণী

মন্তব্য

জীবনযাপন
Hair care in winter

শীতে চুলের যত্ন

শীতে চুলের যত্ন শীতে আপনার চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখতে তেল ব্যবহার করুন। ছবি: সংগৃহীত
গরম পানি আপনার চুলের আর্দ্রতা ছিনিয়ে নিতে পারে, এটি চুলকে ভঙ্গুর করে তোলে এবং ভেঙে পড়ার প্রবণতা তৈরি করতে পারে। তাই গরম পানি দিয়ে চুল ধোয়া উচিত নয়।

শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা আবহাওয়ায় চুল হয়ে পড়ে শুষ্ক ও প্রাণহীন। এমন আবহাওয়ায় চুল কোমল ও স্বাস্থ্যকর রাখতে ত্বকের মতোই চুলেরও যত্নের প্রয়োজন।

তীব্র ঠান্ডার মধ্যে চুল স্বাস্থ্যকর রাখতে ও শীতে চুলের যত্নের কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

টুপি বা স্কার্ফ দিয়ে আপনার মাথা ঢেকে রাখুন

শীতে টুপি ও স্কার্ফ দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন। ঠান্ডা বাতাস থেকে আপনার চুল রক্ষায় প্রথমে সিল্ক বা সাটিন স্কার্ফ দিয়ে এবং এর পরে তুলা বা পশমি কাপড় দিয়ে মাথা ঢাকুন। সে ক্ষেত্রে সিল্ক বা সাটিন হলো আপনার সেরা বিকল্প। কারণ সরাসরি তুলা বা পশমি কাপড় দিয়ে ঢাকলে চুলে ঘর্ষণ লাগতে পারে; এতে চুলের ডগা ফেটে যেতে পারে, এমনকি চুল ভেঙে যেতে পারে।

শীতে চুলের যত্ন

চুল শুকাতে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার না করা

শুধু শীত নয়, স্ট্রেইটনার, হেয়ার ড্রায়ার ও চুলের স্টাইলিংয়ের অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চুলের ক্ষতি করে সব সময়। এগুলোর ব্যবহারে আপনার মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়তে পারে এবং খুশকি জন্ম দিতে করে। তাই শীতে এগুলোর ব্যবহারে সাবধান হতে হবে।

গরম পানি দিয়ে চুল না ধোয়া

গরম পানি আপনার চুলের আর্দ্রতা ছিনিয়ে নিতে পারে, এটি চুলকে ভঙ্গুর করে তোলে এবং ভেঙে পড়ার প্রবণতা তৈরি করতে পারে। তাই গরম পানি দিয়ে চুল ধোয়া উচিত নয়।

শীতে চুলের যত্ন

তেল ব্যবহার

শীতে আপনার চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখতে তেল ব্যবহার করুন। আপনার চুল শুষ্ক ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়লে দ্রুত প্রাণ ফেরানোর হাতিয়ার হতে পারে তেল। এ ছাড়া আপনি আরগান অয়েলযুক্ত হেয়ার ট্রিটমেন্ট ব্যবহার করতে পারেন।

এ ছাড়া প্রতিদিন আপনার চুলের আগায় তেল লাগান, এতে চুলের আর্দ্রতা বজায় থাকবে এবং সুরক্ষিত থাকবে।

শীতে চুলের যত্ন

ছত্রাক নির্মূল

এই ঋতুতে আপনার মাথার ত্বকে সাদা বা হলুদ রঙের ছত্রাক দেখতে পাবেন, এগুলো আপনার কাঁধে ঝড়ে পড়তেও পারে। শীতকালে প্রায়ই খুশকি হওয়ার অভিযোগ শোনা যায়। আর ছত্রাকের সংক্রমণ বা মাথার শুষ্ক ত্বক খুশকি সৃষ্টির প্রধান কারণ হতে পারে।

তাই শীতে এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করুন যাতে স্যালিসিলিক অ্যাসিড, জিংক পাইরিথিওন, কেটোকোনাজল ও সেলেনিয়াম সালফাইডের মতো সক্রিয় রাসায়নিক রয়েছে; যেগুলো মাথার ত্বকের ছত্রাক ও খুশকি প্রতিরোধ করবে।

আরও পড়ুন:
চুলের ক্ষতি করে যে ৪ অভ্যাস
চুল রাঙানোর আগে যেসব জানা জরুরি
এই সময়ে চুলের যত্ন যেভাবে
শীতকালে ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন
শ্যাম্পু করার পর চুলের যত্ন

মন্তব্য

জীবনযাপন
What to eat between work in the office

অফিসে কাজের ফাঁকে কী খাবেন

অফিসে কাজের ফাঁকে কী খাবেন মিষ্টি আলুর চাট। ছবি: সংগৃহীত
মিষ্টি আলু দিয়ে তৈরি এ রেসিপিগুলো স্বাস্থ্যসম্মত ও মুখরোচক যা খুব সহজে, কম খরচ ও সময়ে তৈরি করতে পারবেন।

অফিসে কাজে ফাঁকে হালকা ক্ষুধায় অনেকেই ভরসা করেন ভাঁজা-পোড়া বা ফাস্টফুড আইটেমের ওপর। তবে এসব খাবারে অতিরিক্ত অর্থব্যয়ের পাশাপাশি আছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি। এজন্য অফিসের নাস্তা হিসেবে বিকল্প খাবারের খুঁজছেন অনেকেই।

তাদের জন্য মিষ্টি আলুর মৌসুমে ভারতীয় বাংলা সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন সংষ্করণের এক প্রতিবেদনে সহজে তৈরি করা যায় এমন তিনটি রেসিপির কথা বলেছে। এ খাবারগুলো যেমন হালকা ক্ষুধা মেটাবে, তেমনি স্বাস্থ্যসম্মতভাবে মুখরোচক স্বাদও দেবে।

মিষ্টি আলুর প্যাটি: আলু ঝিরিঝিরি করে কেটে নিয়ে সঙ্গে পেঁয়াজ, বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম, ধনেপাতা, সামান্য কর্নফ্লাওয়ার, অল্প জল, লবণ, গোলমরিচ ও চিলিফ্লেক্স মিশিয়ে মেখে নিন। এ বার সামান্য মিশ্রণ হাতে তুলে ছোট চ্যাপ্টা প্যাটির আকারে গড়ে নিন। তারপর সামান্য তেলে ঢাকা দিয়ে অল্প আঁচে ভেজে নিন। টমেটো সসের সঙ্গে অফিসে নিয়ে যেতে পারেন এ প্যাটি।

মিষ্টি আলুর চাট: মুখরোচক স্ন্যাকস বলতে প্রথমেই মাথায় আসে চাটের কথা। মিষ্টি আলু সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে নিন। সামান্য তেলে লালচে করে ভেজে নিন আলুর টুকরোগুলি। এ বার আলুর মধ্যে লেবুর রস, চাট মশলা, ভাজা জিরে গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, ধনেপাতা কুচি ভাল করে মিশিয়ে নিন। এ বার তাতে স্বাদ মতো লবন, কাঁচা মরিচ কুচি ও ধনেপাতা কুচি মিশিয়ে নিলেই চাট তৈরি।

মিষ্টি আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই: মিষ্টি আলুর খোসা ছাড়িয়ে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের আকারে কেটে নিন। ভাল করে ধুয়ে নিন, যাতে আলুর মধ্যে থাকা স্টার্চ যতটা সম্ভব বেরিয়ে যায়। একটি পাত্রে ঠান্ডা পানি নিয়ে তার মধ্যে আলুর টুকরো অন্তত আধঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এ বার জল থেকে আলু তুলে ন্যাপকিন দিয়ে চেপে চেপে সমস্ত জল শুকিয়ে নিন। আলুতে লবণ ও অল্প তেল মাখিয়ে এয়ার ফ্রায়ারে ভেজে নিন। ভাজার পরিবর্তে ১৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে আলু বেক করেও নিতে পারেন। ভাজা আলুতে পেরিপেরি মশলা মিশিয়ে টিফিন ক্যারিয়ারে ভরে অফিসে নিতে পারেন।

মন্তব্য

জীবনযাপন
What to do during an earthquake

ভূমিকম্পের সময় করণীয়

ভূমিকম্পের সময় করণীয় প্রতীকী ছবি
ভূমিকম্পের প্রথম ঝাঁকুনির পর ফের ঝাঁকুনি হতে পারে। সুতরাং একবার বাইরে বেরিয়ে এলে নিরাপদ অবস্থা ফিরে না আসা পর্যন্ত ভবনে প্রবেশ করবেন না।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিনিয়ত ভূমিকম্প হয়। এ কম্পন আগে থেকে আঁচ করা যায় না বলে তাৎক্ষণিকভাবে কী করবেন, তা বুঝে উঠতে পারেন না অনেকে।

ভূমিকম্প হলে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে, তা জানিয়েছে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস। বাহিনীর পক্ষ থেকে ১২টি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, যা তুলে ধরা হলো নিউজবাংলার পাঠকদের সামনে।

১. ভূকম্পন অনুভূত হলে শান্ত থাকুন। যদি ভবনের নিচ তলায় থাকেন, তাহলে দ্রুত বাইরে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসুন।

২. যদি ভবনের ওপর তলায় থাকেন, তাহলে কক্ষের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিন।

৩. ভূমিকম্পের সময় বিছানায় থাকলে বালিশ দিয়ে মাথা ঢেকে নিন। অতঃপর টেবিল, ডেস্ক বা শক্ত কোনো আসবাবের নিচে আশ্রয় নিন এবং তা এমনভাবে ধরে থাকুন যেন মাথার ওপর থেকে সরে না যায়। এ ছাড়া শক্ত দরজার চৌকাঠের নিচে ও পিলারের পাশে আশ্রয় নিতে পারেন।

৪. উঁচু বাড়ির জানালা, বারান্দা বা ছাদ থেকে লাফ দেবেন না।

৫. ভূমিকম্পের প্রথম ঝাঁকুনির পর ফের ঝাঁকুনি হতে পারে। সুতরাং একবার বাইরে বেরিয়ে এলে নিরাপদ অবস্থা ফিরে না আসা পর্যন্ত ভবনে প্রবেশ করবেন না।

৬. রান্নাঘরে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব বের হয়ে আসুন। সম্ভব হলে বাড়ির বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মেইন সুইচ বন্ধ করুন।

৭. মোবাইল বা ফোন ব্যবহারের সুযোগ থাকলে উদ্ধারকারীদের আপনার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন।

৮. দুর্ঘটনার সময় লিফট ব্যবহার করবেন না।

৯. যদি কোনো বিধ্বস্ত ভবনে আটকা পড়েন এবং আপনার ডাক উদ্ধারকারীরা শুনতে না পায়, তাহলে বাঁশি বাজিয়ে অথবা হাতুড়ি বা শক্ত কোনো কিছু দিয়ে দেয়ালে বা ফ্লোরে জোরে জোরে আঘাত করে উদ্ধারকারীদের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করুন।

১০. ঘরের বাইরে থাকলে গাছ, উঁচু বাড়ি, বিদ্যুতের খুঁটি থেকে দূরে থাকুন।

১১. গাড়িতে থাকলে ওভারব্রিজ, ফ্লাইওভার, গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি থেকে দূরে গাড়ি থামান। ভূকম্পন না থামা পর্যন্ত গাড়ির ভেতরেই থাকুন।

১২. ভাঙা দেয়ালের নিচে চাপা পড়লে বেশি নড়াচড়ার চেষ্টা করবেন না। কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে রাখুন এবং উদ্ধারকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করুন।

আরও পড়ুন:
তাইওয়ানে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্প
৬.১ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কাঠমান্ডু উপত্যকা
আফগানিস্তানে আবারও ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্প
আফগানিস্তানে ভূমিকম্প: প্রাণহানি বেড়ে আড়াই হাজার
আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে প্রাণহানি ছাড়াল দুই হাজার

মন্তব্য

জীবনযাপন
Phone charger will charge laptop smartwatch earbuds

ফোনের চার্জারেই হবে ল্যাপটপ, স্মার্টওয়াচ, ইয়ারবার্ডসের চার্জ

ফোনের চার্জারেই হবে ল্যাপটপ, স্মার্টওয়াচ, ইয়ারবার্ডসের চার্জ প্রতীকী ছবি
ক্যাবলের ঝামেলা এড়াতে এখন আছে সর্বজনীন সমাধান। ইউএসবি-পিডি চার্জার দিয়ে চার্জ হবে টাইপ-সি পোর্টযুক্ত সব ডিভাইস। মাঝারি বাজেটে এ প্রযুক্তি নিয়ে সম্প্রতি বাজারে এসেছে ইনফিনিক্স নোট ৩০ সিরিজের স্মার্টফোন।

আমাদের জীবন এখন অনেকটাই প্রযুক্তিনির্ভর। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, নোটবুক, ইত্যাদিতেই কাটে দিনের বেশিরভাগ সময়। এ স্মার্ট ডিভাইসগুলো নির্ভর করে নিরবচ্ছিন্ন শক্তি সরবরাহের ওপর। দরকার হয় নির্দিষ্ট চার্জার আর ক্যাবলের।

কিন্তু এতো ক্যাবলের ঝামেলা এড়াতে এখন আছে সর্বজনীন সমাধান। ইউএসবি-পিডি চার্জার দিয়ে চার্জ হবে টাইপ-সি পোর্টযুক্ত সব ডিভাইস। মাঝারি বাজেটে এ প্রযুক্তি নিয়ে সম্প্রতি বাজারে এসেছে ইনফিনিক্স নোট ৩০ সিরিজের স্মার্টফোন।

ইউএসবি পাওয়ার ডেলিভারি বা পিডি প্রোটোকল সাধারণত ঠিক ততটুকু শক্তি সরবরাহ করে, যতটুকু প্রয়োজন। ল্যাপটপ, স্মার্টফোন বা যেকোনো ডিভাইসের জন্যই চার্জারটি এ কাজ করতে সক্ষম।

টাইপ-সি যুক্ত কোনো ডিভাইসে পিডি প্রযুক্তি থাকলে, সেটি যেকোনো চার্জার থেকে চার্জ নিতে পারবে। আবার, কোনো চার্জারে যদি এই প্রযুক্তি থাকে, তবে সেটি ইউএসবি-সি পোর্টযুক্ত যেকোনো ডিভাইস চার্জ করতে পারবে। বাজারে বর্তমানে পিডি ৩.০ ভার্সনের চার্জারই বেশি পাওয়া যাচ্ছে।

এর মাধ্যমে ল্যাপটপ, প্যাড, স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচ, ইয়ারবাড, ট্যাবলেট, অ্যাকশন ক্যামেরা এবং ইউএসবি-সি পোর্টসম্পন্ন অন্যান্য প্রায় সব ডিভাইস চার্জ করা যায়। মাঝারি বাজেটের স্মার্টফোন সিরিজ ইনফিনিক্স নোট ৩০ এবং এর চার্জার উভয়তেই এই চার্জিং প্রোটোকল আছে। এছাড়াও স্যামসাং, গুগল, অ্যাপল ও সনির ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোতেও এই প্রযুক্তি আছে।

ইনফিনিক্সের নোট ৩০ এবং নোট ৩০ প্রো যথাক্রমে ৪৫ ও ৬৮ ওয়াটে চার্জ নিতে পারে। পিডি প্রটোকল দিয়ে এখন পর্যন্ত ২৪০ ওয়াট পর্যন্ত শক্তি সরবরাহ করা যায়। নোট ৩০ সিরিজের পিডি-৩.০ সমর্থিত ৪৫ ওয়াট ও ৬৮ ওয়াট অ্যাডাপ্টারগুলো

ইউএসবি-সি পোর্টযুক্ত ল্যাপটপকেও চার্জ করতে পারে। যেমন ইনফিনিক্সের ল্যাপটপগুলো ৪৫ ওয়াটে চার্জ নেয়। একইভাবে, এইচপি, লেনোভো, আসুস এবং অন্য বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সাম্প্রতিক ল্যাপটপকেও এই অ্যাডাপ্টারগুলো দিয়ে চার্জ করা যাবে।

পিডি ৩.০ প্রোটোকল অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে ইনফিনিক্স নোট ৩০ সিরিজ দিচ্ছে অল-রাউন্ড ফাস্ট-চার্জিংয়ের অভিজ্ঞতা।

বাংলাদেশের বাজারে নোট ৩০ প্রো স্মার্টফোনের দাম ২৭,৯৯৯ টাকা। এর সঙ্গে ক্রেতারা বিনামূল্যে পাচ্ছেন ২,০০০ টাকা সমমূল্যের একটি ওয়্যারলেস চার্জার। নোট ৩০ ফোনের ৮ জিবি+১২৮ জিবি এবং ৮ জিবি+২৫৬ জিবি’র দুটি ভার্সনের দাম যথাক্রমে ১৮,৯৯৯ এবং ২৩,৯৯৯ টাকা। তবে, নভেম্বর মাস জুড়ে চলমান ইনফিনিক্সের উইন্টার ক্যাশব্যাক অফারে ক্রেতারা পাচ্ছেন ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক।

মন্তব্য

জীবনযাপন
Winter skin care for boys

শীতে ছেলেদের ত্বকের যত্ন

শীতে ছেলেদের ত্বকের যত্ন প্রতীকী ছবি
অনেকে শীতে কম পানি পান করে থাকেন। মনে রাখতে হবে ত্বকের যত্নে পানির কোনো বিকল্প নেই। শীতের সময় বরং আরও বেশি পানি পান করতে হবে।

শীতের সময়ে ত্বকের দরকার একটু আলাদা যত্ন। বেশিরভাগ সময়ে ছেলেরা তাদের ত্বকের ব্যাপারে উদাসীন হয়। যার ফলে অল্প বয়সেই চেহারায় বেশি বয়সের ছাপ পড়ে। সাধারণত হঠাৎ করে ঋতু পরিবর্তনের সময় ত্বকের সহনশীলতা বদলে যায়। ফলে দেখা দেয় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা। তবে শীতে ছেলেদের ত্বকের যত্নে প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শ জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

১. শেভ করার ফলে এমনিতেই চামড়ায় আলাদা একটি চাপ পড়ে। আর শীতের সময় শেভ করলে ছেলেদের ত্বক বেশ খসখসে হয়ে যায়। তাই উন্নত মানের শেভিং ক্রিম ব্যবহার করতে হবে।

২. শেভ করার পর অবশ্যই মুখে আফটার শেভ ব্যবহার করতে হবে। এতে করে ত্বককে রুক্ষতার হাত থেকে রক্ষা করা যাবে।

৩. যাদের ত্বক তৈলাক্ত তাদের ওয়েল ফ্রি ফেইস ওয়াশ ও সাবান ব্যবহার করতে হবে। কারণ অতিরিক্ত তেলের কারণে চেহারায় ধুলো ময়লা বেশি জমতে পারে।

৪. রোদে চলাচলের ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। প্রয়োজনে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা যেতে পারে।

৫. গোসলের ক্ষেত্রে গরম পানি ব্যাবহারের প্রয়োজন হলে কুসুম গরম পানিতে গোসল সেরে ফেলতে পারেন।

৬. গোসলের পর গায়ে লোশন মাখতে হবে। এতে ত্বকের মসৃণতা সারাদিনের জন্য বজায় থাকবে।

৭. দিনের মধ্যে কয়েক বার মুখ ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এতে চেহারায় অতিরিক্ত ময়লা জমতে পারবে না।

৮. মুখ ধোয়ার পর ময়েশ্চারাইজার ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। এতে ত্বকের কোমলতা ঠিক থাকবে।

৯. অনেকে শীতে কম পানি পান করে থাকেন। মনে রাখতে হবে ত্বকের যত্নে পানির কোনো বিকল্প নেই। শীতের সময় বরং আরও বেশি পানি পান করতে হবে।

১০. শীতকালে বেশি করে শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এতে ত্বকের সতেজতা বজায় থাকবে।

১১. ফল বরাবরই ত্বকের জন্য অনেক উপকারি। তাই প্রতিদিন একটি করে হলেও মৌসুমি ফল খেতে হবে।

আরও পড়ুন:
গরমে ত্বকের যত্ন
ত্বকীর হত্যাকারীরা শীতলক্ষ্যাকে লাশের নদী বানাচ্ছে: আনু মুহাম্মদ
ব্ল্যাকহেডস দূর করার উপায়
‘হঠাৎ এমন কুয়াশা মাঘের শীতকে মনে করিয়ে দেয়’
গাইবান্ধার ৫ শতাধিক পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ

মন্তব্য

p
উপরে