× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
Durga bandana begins with the beat of dhak dhol
hear-news
player
google_news print-icon

ঢাকঢোলের তালে শুরু দুর্গার বন্দনা

ঢাকঢোলের-তালে-শুরু-দুর্গার-বন্দনা
শুরু হলো পূজার আনুষ্ঠানিকতা। ছবি: নিউজবাংলা
শনিবার সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরে দেবীর ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ষষ্ঠীর দিনের পূজা। সিদ্ধেশ্বরী ছাড়াও ঢাকা ও সারা দেশের সব মন্দিরের প্রায় কাছাকাছি সময়ে শুরু হয়েছে ষষ্ঠী পূজার আয়োজন।

উলুধ্বনি, শঙ্খ, ঘণ্টা আর ঢাকঢোলের বাজনার মধ্য দিয়ে শুরু হলো ষষ্ঠীপূজা। শুরু হলো বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরে দেবীর ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ষষ্ঠীর দিনের পূজা। সিদ্ধেশ্বরী ছাড়াও ঢাকা ও সারা দেশের সব মন্দিরের প্রায় কাছাকাছি সময়ে শুরু হয়েছে ষষ্ঠীপূজার আয়োজন।

এ সময় ঢাকঢোলের বাজনা, কাঁসা, শঙ্খের আওয়াজ এবং ভক্তদের উলুধ্বনিতে দেবী দুর্গাকে পৃথিবীতে স্বাগত জানানো হয়। সন্ধ্যায় হবে দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস। বোধন অর্থ জাগ্রত করা। মর্ত্যে দুর্গার আবাহনের জন্য বোধনের রীতি প্রচলিত রয়েছে।

এ দিন কল্পারম্ভ দিয়ে শুরু হয় দুর্গার বোধন। ষষ্ঠীর সকালেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। তার পর দেবীর সামনে প্রার্থনা করা হয় যে, ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত গোটা পূজা পর্বে যেন কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

শ্বশুরবাড়ি কৈলাস থেকে কন্যারূপে দেবী দুর্গা বাপের বাড়ি বেড়াতে মর্ত্যলোকে এসেছেন। আর এর মাধ্যমেই শুরু হলো দুর্গাপূজার মূল আয়োজন।

ঢাকঢোলের তালে শুরু দুর্গার বন্দনা

মহানগরের সব মন্দিরের মণ্ডপ শনিবার সন্ধ্যায় উন্মুক্ত করা হবে বলে জানান আয়োজক কমিটি।

ষষ্ঠীপূজা উপলক্ষে সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরে সকাল থেকেই মানুষের ঢল নামে। এ সময় উৎসব-আনন্দে মেতে ওঠে শিশু, কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীসহ সব বয়সী মানুষ। মন্দিরের প্রবেশ পথে নারী ও পুরুষের জন্য রয়েছে আলাদা লাইন।

ষষ্ঠীর সকালে সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরে পূজা দিতে আসা মৌসুমি রায় বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। ষষ্ঠীপূজার সকালে মন্দিরে না এলে পূজার আনন্দ অনুভব করা যায় না।’

একই কথা বললেন রঘুনাথ পাল, ‘দুর্গাপূজায় সবচেয়ে বেশি আনন্দ হয় ষষ্ঠীপূজায়। কেননা এই দিনেই দেবী দুর্গা পৃথিবীতে আসেন। তাই তো পূজার প্রথম দিনেই মন্দির আর দেবী দর্শনে চলে আসি।

কেমন হচ্ছে মহানগরের পূজা

পূজা উপলক্ষে নতুন রূপে সেজে উঠেছে ঢাকেশ্বরী মন্দিরসহ রাজধানীর অন্যসব মন্দির। ঢাকা মহানগরের মধ্যে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের প্রধান আকর্ষণ থাকে এই মন্দির। সেই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের মন্দিরেও দুর্গাপূজায় থাকছে বিশেষ আয়োজন। ঐতিহ্যবাহী বনানী মাঠে আয়োজিত দুর্গা মণ্ডপে সাজানো হয়েছে আরও সুন্দর রূপে।

প্রতিবারের মতো এবারও প্রস্তুত করা হয়েছে মহামায়া দেবী দুর্গাসহ লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশসহ বিভিন্ন দেব-দেবীর প্রতিমা। সন্ধ্যায় ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্য বাহারি সব রং দিয়ে সাজানো হয়েছে এসব প্রতিমা। রং- বেরঙের আলোকসজ্জা আর নানা রঙের ডিজাইনের কাঠামো দিয়ে সাজানো হয়েছে পুরো পূজাঙ্গন।

সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, গুলশান-বনানী সর্বজনীন পূজা ও পুরান ঢাকার সব মন্দিরগুলোতে সন্ধ্যারতি, ধূনচী নাচসহ পূজার পাঁচ দিনই থাকছে নানা আনুষ্ঠানিকতা। এ ছাড়া রামকৃষ্ণ মিশন, মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দির, শাঁখারীবাজার, রমনা কালীমন্দির।

পুরান অনুযায়ী, এবার দেবী মর্ত্যে এসেছেন গজে চেপে। পুরাণ অনুযায়ী, দুর্গা গজে চড়ে এলে সুখ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনেন। আর ৫ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে দেবী মর্ত্য ছাড়বেন নৌকায় চড়ে। নৌকায় গমনেও ধরনী হবে শস্যপূর্ণ তবে থাকবে অতিবৃষ্টি বা বন্যা।

পঞ্জিকা অনুযায়ী, শনিবার মহাষষ্ঠীতে সকালে দুর্গা দেবীর ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ এবং ষষ্ঠীবিহিত পূজা, সন্ধ্যায় দেবীর বোধন। রোববার মহাসপ্তমীবিহিত পূজা, সোমবার মহাষ্টমীবিহিত পূজা, মঙ্গলবার মহানবমীবিহিত পূজা এবং বুধবার দশমীবিহিত পূজা সমাপন এবং প্রতিমা বিসর্জন।

আরও পড়ুন:
বসল ‘৫ শতাব্দীর’ ঢাকের হাট
শেষ মুহূর্তে তুলির আঁচড় দিতে ব্যস্ত প্রতিমা শিল্পীরা
আলোয় আলোয় ঝলমলিয়ে বরিশাল নগর

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Argentina beat Brazil in Sherpur

শেরপুরে ব্র‍াজিলকে হারাল আর্জেন্টিনা

শেরপুরে ব্র‍াজিলকে হারাল আর্জেন্টিনা ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থক একাদশের ফটোসেশন। ছবি: নিউজবাংলা
শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলে আর্জেন্টিনা সমর্থক একাদশ। শেষের দিকে শাহরিয়ার শাকিরের গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এরপর ব্রাজিল সমর্থক একাদশের খেলোয়াড়রা গোল শোধ করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় আর্জেন্টিনা সমর্থক একাদশ জয়ী হয়।

শেরপুরে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল দল সমর্থনকারীদের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ হয়েছে। এতে ব্রাজিল সমর্থক একাদশকে ১-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা সমর্থক একাদশ।

শেরপুর পৌরসভার কালিগঞ্জ হাসেম ব্র‍িকস মাঠে শুক্রবার বিকেলে ম্যাচটি হয়।

আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরির লক্ষ্যে খোয়ারপাড় শাপলা চত্বর স্পোর্টিং ক্লাব ম্যাচের আয়োজন করে।

খেলায় শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে আর্জেন্টিনা সমর্থক একাদশ। শেষের দিকে শাহরিয়ার শাকিরের গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। পরে ব্রাজিল সমর্থক একাদশের খেলোয়াড়রা গোল পরিশোধ করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় আর্জেন্টিনা সমর্থক একাদশ জয়ী হয়।

খেলা শেষে আর্জেন্টিনা সমর্থক একাদশের স্কোরার শাকির বলেন, ‘গোল দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। শেষ মুহূর্তে এসে গোলটা করেছি।

‘আজকে আমরা যেভাবে জিতলাম, তেমনি আর্জেন্টিনাও ফাইনাল জিতে বিশ্বকাপ নেবে; মেসির হাতেই এবারের কাপটা উঠবে।’

আর্জেন্টিনা সমর্থক একাদশের অধিনায়ক সোহেল বলেন, ‘আমাদের দলের সদস্যরা কেউ নিয়মিত খেলোয়াড় নয়। তবুও আমরা জিতেছি। রাতে বিরিয়ানির আয়োজন আছে। আজ সবাইকে নিয়ে উৎসব হবে।’

ব্র‍াজিল সমর্থক একাদশের অধিনায়ক তাজউদ্দিন দিপু বলেন, ‘খেলায় হার-জিত থাকবেই। ভাগ্য সহায় ছিল না বলে ভালো খেলার পরেও আমরা হেরেছি। ব্র‍াজিল টিম এবার কাপের দাবিদার।’

খোয়ারপাড় শাপলাচত্বর স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি মেরাজ উদ্দিন বলেন, ‘প্রতি বছর আমরা এ ধরনের আয়োজন করব। আমরা চাই সবাই মাদক ছেড়ে খেলাধুলায় মন দিক। এতে সমাজটা সুন্দর হবে।’

আরও পড়ুন:
বিশ্বকাপের ঢেউ আছড়ে পড়েছে দেশে
ডিআরইউ ফুটবলের শিরোপা জিতল চ্যানেল আই
বিশ্বকাপ: টিভিতে ২২ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়
মিডিয়া কাপ প্রীতি ম্যাচে জিতল নগদ
অ্যাকাউন্টিং দিবসে আয়োজিত হলো ফুটবল ফেস্ট

মন্তব্য

জীবনযাপন
Pre birthday celebration of Jesus Christ in Jabi

জবিতে যিশুখ্রিষ্টের প্রাক-জন্মদিন উদযাপন

জবিতে যিশুখ্রিষ্টের প্রাক-জন্মদিন উদযাপন
জবি উপাচার্য বলেন, ‘বাঙালির ঐতিহ্যের সঙ্গে ধর্মীয় সংস্কৃতি মিশে আছে। কোনো ধর্মই মাদক নিতে বলে না, মিথ্যা বলা শেখায় না, কারোর কোনো ক্ষতি করতে বলে না। প্রত্যেকে প্রত্যেক ধর্মের বাণীগুলো মেনে চললে কেউই পথভ্রষ্ট হবে না।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অধ্যয়নরত খ্রিষ্টান শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে যিশুখ্রিষ্টের জন্মদিন উপলক্ষে প্রাক-বড়দিন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলনকক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেলে এই আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। আলোচনা সভা শেষে কাটা হয় কেক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জগেশ রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক।

উপাচার্য বলেন, ‘বাঙালির ঐতিহ্যের সঙ্গে ধর্মীয় সংস্কৃতি মিশে আছে। কোনো ধর্মই মাদক নিতে বলে না, মিথ্যা বলা শেখায় না, কারোর কোনো ক্ষতি করতে বলে না। প্রত্যেকে প্রত্যেক ধর্মের বাণীগুলো মেনে চললে কেউই পথভ্রষ্ট হবে না।

‘বর্তমানে ধর্মের নামে হানাহানি চলে। বড় বড় রাষ্ট্রে এখন দেখা যায় ধর্মীয় ছোট ছোট বিষয় নিয়ে বিশ্বকে অস্থিতিশীল করে তোলা হয়। আমাদের প্রত্যেকের সব ধর্মকে শ্রদ্ধা করা উচিত।’

নতুন ক্যাম্পাসের মাস্টারপ্ল্যান হয়ে গেছে জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘সেখানে মসজিদ, মন্দির, গির্জা সবই হবে। সব শিক্ষার্থী তাদের নিজ ধর্ম পালন করে সহাবস্থান তৈরি করবে সেখানে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. লুৎফর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল, সহকারী প্রক্টর ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুতে জবি ছাত্রদল নেতার মৃত্যু
‘গোল্ড মেডেল’ পেলেন জবির চার শিক্ষার্থী
‘ডিন্‌স অ্যাওয়ার্ড’ পাবেন জবি শিক্ষার্থীরা
পাঠশালা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ প্রবর্তন

মন্তব্য

জীবনযাপন
The spirit of liberation war must be spread to build a prosperous country DU Vice Chancellor

সমৃদ্ধ দেশ গড়তে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দিতে হবে: ঢাবি উপাচার্য

সমৃদ্ধ দেশ গড়তে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দিতে হবে: ঢাবি উপাচার্য মহান বিজয় দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিজয় শোভাযাত্রা বের হয়। ছবি: নিউজবাংলা
‘মহান বিজয়ের মাস গৌরবের মাস। উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক মূল্যবোধের চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে সর্বদা জাগ্রত রাখতে হবে।’

উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থীসহ সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার মহান বিজয় দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে বিজয় শোভাযাত্রা শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা চত্বরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এই আহ্বান জানান।

উপাচার্য বলেন, ‘মহান বিজয়ের মাস গৌরবের মাস। উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক মূল্যবোধের চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। এই চেতনা তাদের মধ্যে সর্বদা জাগ্রত রাখতে হবে।’

বক্তব্যের শুরুতে উপাচার্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী শহীদ, মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত মা-বোনসহ দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু-কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে।’

অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে বেলুন উড়িয়ে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন উপাচার্য। সেটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংগীত ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন।

শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রাধ্যক্ষ, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, প্রক্টর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির প্রতিনিধি ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
সমাবর্তনে ভুল: বিদেশিদের কাছে সম্মানহানির শঙ্কায় ঢাবি উপাচার্য
ঢাবিতে ঢুকলে জাবি অধ্যাপককে জীবন বিপন্নের হুমকি
৫২ ঘণ্টা পর শিক্ষার্থীরা মুক্ত করল ভাসানীর অবরুদ্ধ ভিসিকে
গবেষণার কল্যাণে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ : শিল্পমন্ত্রী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশনা মেলা ২২-২৩ অক্টোবর

মন্তব্য

জীবনযাপন
Calcutta Book Fair starts on January 30

কলকাতা বইমেলা শুরু ৩০ জানুয়ারি

কলকাতা বইমেলা শুরু ৩০ জানুয়ারি পাঁচতারকা হোটেলে বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের পক্ষে সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় এবং সভাপতি সুধাংশু শেখর দে বইমেলার সূচি ঘোষণা করেন। ছবি: নিউজবাংলা
গিল্ডের পক্ষে সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘২০২২ সালে সল্টলেকের করুণাময়ীর সেন্ট্রাল পার্কে অনুষ্ঠিত কলকাতা বইমেলায় প্রায় ২২ লাখ বইপ্রেমী অংশ নিয়েছিলেন। মেলার বিভিন্ন স্টল থেকে প্রায় ২৩ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছিল। এবার আরও বেশি সাড়া পাব বলে আশা করছি।’ 

২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ৪৬তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা। মেলা চলবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবার কলকাতা বইমেলার থিম ‘কান্ট্রি স্পেন’। প্রতিবছরের মতো মেলা উদ্বোধন করবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কলকাতার একটি পাঁচতারকা হোটেলে বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের পক্ষে সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় এবং সভাপতি সুধাংশু শেখর দে বইমেলার সূচি ঘোষণা করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারতে নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত যোসে মারিয়া রিদাও দোমিনিগেজ।

স্পেন ছাড়াও ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া, বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ এবারের বইমেলায় তাদের বইয়ের সম্ভার নিয়ে উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে গিল্ড কর্তৃপক্ষ।

২০০৬ সালেও স্পেনকে কলকাতা বইমেলার থিম কান্ট্রি হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছিল। ফের বইমেলার থিম কান্ট্রি হিসেবে মনোনীত হওয়ায় উচ্ছ্বসিত স্পেনের রাষ্ট্রদূত যোসে মারিয়া রিদাও দোমিনিগেজ।

তিনি বলেন, ‘বইমেলায় স্পেনের এই অংশগ্রহণের ফলে দুই দেশের সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও দৃঢ় হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

‘থিম কান্ট্রি হিসেবে কলকাতা বইমেলায় স্পেনের যে প্যাভিলিয়ন হবে, তা সম্পূর্ণ ভারতীয় উপকরণ তৈরি হবে।’

কলকাতা বইমেলার অন্যতম আকর্ষণ লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল চলবে ৯ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

গিল্ডের পক্ষে সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘২০২২ সালে সল্টলেকের করুণাময়ীর সেন্ট্রাল পার্কে অনুষ্ঠিত কলকাতা বইমেলায় প্রায় ২২ লাখ বইপ্রেমী অংশ নিয়েছিলেন। মেলার বিভিন্ন স্টল থেকে প্রায় ২৩ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছিল। এবার আরও বেশি সাড়া পাব বলে আশা করছি।’

আরও পড়ুন:
হেমন্তে কলকাতায় শীতের আমেজ
কলকাতায় শুরু চতুর্থ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব
‘হাওয়া’ দেখতে দীর্ঘ লাইন কলকাতায়  
কলকাতায় আমরণ অনশনে চাকরিপ্রার্থীরা
ডেঙ্গু বাড়ছে কলকাতাতেও

মন্তব্য

জীবনযাপন
Maradona would have been very happy with this win Messi

এ জয়ে ম্যারাডোনা অনেক খুশি হতেন: মেসি

এ জয়ে ম্যারাডোনা অনেক খুশি হতেন: মেসি কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনার সঙ্গে আর্জেন্টিনার মহাতারকা ফুটবলার লিওনেল মেসি। ছবি: সংগৃহীত
মেসি বলেন, ‘আমি এই রেকর্ডের বিষয়টি সম্প্রতি জানতে পেরেছি। এই ধরনের সফলতার রেকর্ড অর্জন করতে পারায় আমি আনন্দিত। আজ বেঁচে থাকলে ম্যারাডোনা অনেক বেশি আনন্দিত হতেন। কারণ তিনি আমাকে অনেক স্নেহ করতেন। আমার ভালো ও মঙ্গলে তিনি অত্যন্ত খুশি হতেন।’

পোল্যান্ডের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে সফল নেতৃত্ব দিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নিয়ে আসতে পারায় লিওনেল মেসির ওপর অত্যন্ত খুশি হতেন দিয়েগো ম্যারাডোনা।

কাতার বিশ্বকাপে বুধবার রাতে গ্রুপপর্বে পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে বাঁচা-মরার এই ম্যাচে ২-০ গোলে জয়ের পর প্রতিক্রিয়ায় এমনটি জানিয়েছেন দেশটির মহাতারকা ফুটবলার লিওনেল মেসি।

বিশ্বকাপে ২২তম ম্যাচ খেলার মধ্য দিয়ে মেসি তার দেশের কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনাকে টপকে যান। দুই বছর আগে এই কিংবদন্তি ফুটবলারের মৃত্যু হয়।

মেসি বলেন, ‘আমি এই রেকর্ডের বিষয়টি সম্প্রতি জানতে পেরেছি। এই ধরনের সফলতার রেকর্ড অর্জন করতে পারায় আমি আনন্দিত। আজ বেঁচে থাকলে ম্যারাডোনা অনেক বেশি আনন্দিত হতেন। কারণ তিনি আমাকে অনেক স্নেহ করতেন। আমার ভালো ও মঙ্গলে তিনি অত্যন্ত খুশি হতেন।’

পেনাল্টি মিসের পর এই ম্যাচ জয়ে অনেক বেশি স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এই আর্জেন্টাইন ক্যাপ্টেন। এটি তার ক্যারিয়ারে ৩৯তম পেনাল্টি মিসের ঘটনা ছিল।

মেসি বলেন, ‘গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষে ২-০ গোলের বেদনাদায়ক পরাজয়ের পর এই ম্যাচে জয়ের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের প্রধান লক্ষ্য অর্জন করতে পেরেছি। আমরা গ্রুপপর্ব টপকে নকআউটে এসেছি।’

বুধবার দলের শেষ গ্রুপ ম্যাচে পেনাল্টি মিস করেন লিওনেল মেসি। তার পেনাল্টি ঠেকিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি পোল্যান্ডের গোলকিপার ভইচেক শেজনি ও তার দলের।

পোল্যান্ডকে গুড়িয়ে দিয়ে ২-০ গোলে ম্যাচ জিতে সি-গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউটে পৌঁছে যায় আর্জেন্টিনা। শেষ ষোলোতে তারা খেলবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।

সৌদি আরবের বিপক্ষে অনাকাঙ্খিত হার দিয়ে শুরু করা আর্জেন্টিনা নিজেদের শেষ গ্রুপ ম্যাচে খেলেছে বিশ্বসেরা দলের মতোই।

কঠিন সমীকরণে আটকে থেকে বিশ্বকাপে টিকে থাকার ম্যাচে বুধবার রাতে পোল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামে আর্জেন্টিনা।

গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে জয় বাগিয়ে নিতে ব্যর্থ হলে শেষ ষোলোতে খেলা অনিশ্চিত হয়ে যেত দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের।

আরও পড়ুন:
পেনাল্টি মিসকেই শাপে বর মনে করছেন মেসি
মেক্সিকোর বিপক্ষে সৌদির গোলে নকআউটে পোল্যান্ড
মেসির পেনাল্টি মিসের পরও হেসেখেলে নকআউটে আর্জেন্টিনা

মন্তব্য

জীবনযাপন
This years cup will be picked up by Messi

‘আশা করছি এবারের কাপটা মেসির হাতেই উঠবে’

‘আশা করছি এবারের কাপটা মেসির হাতেই উঠবে’ আর্জেন্টিনার দুটি গোলে উল্লাসে মেতে ওঠেন শেরপুরের সমর্থকরা। ছবি: নিউজবাংলা
আর্জেন্টিনার সমর্থক শেরপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া সংগঠক মো. মেরাজ উদ্দিন বলেন, ‘সৌদি আরবের সঙ্গে প্রথম ম্যাচ হারার পর অনেকেই মনে করেছিল আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়েছে। এমন অনেক খেলোয়াড় আছেন, যাদের একজনকে আটকালে অন্যরা জ্বলে ওঠেন। আমরা আশা করছি, এবারের কাপটা মেসির হাতেই উঠবে।’

কাতার বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে হারের পর মেক্সিকোর বিপক্ষে আর্জেন্টিনা বড় জয় পেলেও স্বস্তিতে ছিল না সমর্থকরা। কঠিন সমীকরণে আটকে যাওয়ার পর পোল্যান্ডের বিপক্ষেও জ্বলে ওঠেন দলের খেলোয়াড়রা।

মেসির পেনাল্টি মিসের পর সমর্থকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়লেও পরবর্তী সময়ে দুটি গোলে উল্লাসে মেতে ওঠেন শেরপুরের সমর্থকরা। আর্জেন্টিনার পতাকা নিয়ে স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয় শেরপুরের বিভিন্ন এলাকা। এ ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় বড় পর্দায় দেখানো হয় খেলা।

ভক্তরা আশা করছেন এবারের বিশ্বকাপটা মেসির হাতেই উঠবে। সামনে আরও ভালো খেলবে প্রিয় দল আর্জেন্টিনা- এ আশায় বুক বাঁধছেন মেসি ভক্তরা।

আর্জেন্টিনার সমর্থক শেরপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া সংগঠক মো. মেরাজ উদ্দিন বলেন, ‘সৌদি আরবের সঙ্গে প্রথম ম্যাচ হারার পর অনেকেই মনে করেছিল আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়েছে। কিন্তু আর্জেন্টিনার দলে মেসি, দিবালা, ডি মারিয়া, আলবারেস, মার্টিনেস, ডিপলসহ এমন সব খেলোয়াড় আছেন, যাদের একজনকে আটকালে অন্যরা জ্বলে ওঠেন। আমরা আশা করছি, এবারের কাপটা মেসির হাতেই উঠবে।’

অপর সমর্থক হাসানুর রহমান আলাল বলেন, ‘আমরা এবার আর্জেন্টিনা কাপ পাব- এটাই আশা করছি।’

সমর্থক শাহিন বলেন, ‘সৌদির কাছে হঠাৎ হেরে গিয়ে আর্জেন্টিনা আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। কাজেই বিশ্বকাপ এবার মেসির হাতেই উঠবে।’

আরও পড়ুন:
বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের মাটিতে নামাল তিউনিসিয়া
‘হ্যান্ড অফ গডের’ পর এবারে ‘হেয়ার অফ গড’
মেসিকে থামানোর উপায় জানেন না পোল্যান্ডের কোচ
স্বাগতিক হিসেবে সবচেয়ে বাজে রেকর্ড কাতারের
সৌদির কপাল খুলতে দরকার কঠিন হিসাব-নিকাশ

মন্তব্য

পেনাল্টি মিসকেই শাপে বর মনে করছেন মেসি

পেনাল্টি মিসকেই শাপে বর মনে করছেন মেসি আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসি। ছবি: এএফপি
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মেসি বলেন, ‘পেনাল্টি মিসের পর নিজের ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম, কিন্তু আমার ভুলের পর দল আরও শক্তিশালী হয়ে উঠে। আমরা জানতাম প্রথমে একটা গোল হয়ে গেলে খেলা বদলে যাবে।’

সৌদি আরবের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ হারের পর আর্জেন্টিনার শেষ ষোলোতে ওঠা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন অনেকে। সে শঙ্কা কিছুটা কাটে মেক্সিকোর বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে, কিন্তু এরপরও পোল্যান্ডের সঙ্গে ম্যাচের আগে নানা সমীকরণ নিয়ে মাঠে নামতে হয়েছিল মেসিদের। সেসব সমীকরণকে অতীত করে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে লিওলেন স্কালোনির দল।

হাই ভোল্টেজ ম্যাচ শেষে তৃপ্তির হাসি নিয়ে সাজঘরে ফিরলেও শুরুটা সাদামাটা ছিল টিম আর্জেন্টিনার। প্রথমার্ধে বলের দখলে এগিয়ে থাকলেও জাল খুঁজে পাচ্ছিল না শটগুলো।

মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়ায় মেসির পেনাল্টি কিক মিস, তবে সে মুহূর্তটাকেই শাপে বর মনে করছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। তার মতে, পেনাল্টিতে গোল না পাওয়ায় মরিয়া হয়ে ওঠে দল।

প্রথমার্ধে কোনো গোল না করে বিরতিতে যাওয়া আর্জেন্টিনা দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ডেডলক ভাঙে। ম্যাচের ৪৬তম মিনিটে আলেক্সিস ম্যাকঅ্যালিস্টারের গোলে এগিয়ে যায় আলবিসেলেস্তেরা। পরে ৬৭তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হুলিয়ান আলভারেস।

এ দুজনের গোলে মেসির স্বপ্নজয়ের সম্ভাবনা বাড়িয়ে সুপার সিক্সটিনে পৌঁছে যায় আর্জেন্টিনা।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক বলেন, ‘পেনাল্টি মিসের পর নিজের ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম, কিন্তু আমার ভুলের পর দল আরও শক্তিশালী হয়ে উঠে। আমরা জানতাম প্রথমে একটা গোল হয়ে গেলে খেলা বদলে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগের ম্যাচ থেকে আমরা আত্মবিশ্বাস পেয়েছি। তা ছাড়া আগেই আমাদের জানা ছিল এ ম্যাচ আমাদের জিততে হবে।’

আগামী শনিবার বাংলাদেশ সময়ে রাত ১টায় নকআউট পর্বে আস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। একে সামনে রেখে মেসি বলেন, এবারের বিশ্বকাপে যেকোনো দল যে কাউকেই হারাতে পারে।

সবাইকে সমানভাবেই দেখছেন সাতবারের ব্যালন ডরজয়ী এ তারকা। তার ভাষ্য, ‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটা খুব কঠিন হতে চলেছে। যে কেউ অন্যকে হারাতে পারে; সবই সমান, তবে আমরা সবসময়ের মতোই প্রস্তুতি নিয়ে তাদের মুখোমুখি হব।

‘আমাদের শান্ত থাকতে হবে। তা ছাড়া ম্যাচ বাই ম্যাচ খেলা উচিত। এখন আরেকটি বিশ্বকাপ শুরু হলো। আজ আমরা যা করেছি, আশা করছি তা ধরে রাখতে পারব।’

আরও পড়ুন:
বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের মাটিতে নামাল তিউনিসিয়া
‘হ্যান্ড অফ গডের’ পর এবারে ‘হেয়ার অফ গড’
মেসিকে থামানোর উপায় জানেন না পোল্যান্ডের কোচ
স্বাগতিক হিসেবে সবচেয়ে বাজে রেকর্ড কাতারের
সৌদির কপাল খুলতে দরকার কঠিন হিসাব-নিকাশ

মন্তব্য

p
উপরে