× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
What to keep with you when you travel
hear-news
player
google_news print-icon

বেড়াতে গেলে সঙ্গে যা রাখবেন

বেড়াতে-গেলে-সঙ্গে-যা-রাখবেন
বেড়াতে যাওয়ার আগে ব্যাগ গোছানোর সময় প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিতে ভুলবেন না যেন। কোনও ব্যক্তি যদি নিয়মিত কোনও ওষুধ খেয়ে থাকেন, তাহলে তা অবশ্যই সঙ্গে রাখতে হবে।

কোথাও বেড়াতে গেলে জরুরি জিনিসপত্র সঙ্গে রাখতে হয়। কী সেই জিনিসগুলো? এবিপি আনন্দের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বিষয়টি। চলুন দেখে নেই।

কোথাও বেড়াতে গেলে নিজের পরিচয় পত্র সঙ্গে রাখা অত্যন্ত জরুরি। বেশিরভাগ জায়গাতেই পরিচয় পত্র ছাড়া হোটেলে রুম পাওয়া যায় না। এমনকি অনেক জায়গাতেই পরিচয়পত্র ছাড়া প্রবেশও করতে দেয়া হয় না। যদি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বেড়াতে যান, তাহলে পরিবারের সদস্যদের পরিচয়পত্রও সঙ্গে রাখতে ভুলবেন না।

বেড়াতে যাওয়ার আগে ব্যাগ গোছানোর সময় প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিতে ভুলবেন না যেন। কোনও ব্যক্তি যদি নিয়মিত কোনও ওষুধ খেয়ে থাকেন, তাহলে তা অবশ্যই সঙ্গে রাখতে হবে। এছাড়াও, জ্বর, পেট খারাপ, বমি, মাঠা ব্যথা এবং সাধারণ শারীরিক সমস্যার ওষুধও সঙ্গে রাখতে হবে।

ব্যক্তিগত পরিচ্ছ্বন্নতা বজায় রাখার সমস্ত জিনিস সঙ্গে রাখতে হবে। নিজের টুথব্রাশ, শ্যাম্পু, সাবান, ফেস ওয়াস, বডি লোশন, ক্রিম, প্রসাধনী দ্রব্য, স্যানিটারি ন্যাপকিন সঙ্গে নিতে ভুলবেন না।

অন্ধকার পথে চলার জন্য টর্চ লাইট, মোবাইল ফোনের চার্জার, পাওয়ার ব্যাঙ্ক সঙ্গে রাখতে হবে। মোবাইল ফোন চার্য দেবার জায়গা পাওয়া না গেলে পাওয়ার ব্যাংক আপনার রফোনটিকে সচল রাখবে।

যদি পাথুরে এলাকায় বেড়াতে যান, তাহলে হাইকিং শ্যু সঙ্গে রাখতে হবে। সাধারণ জুতো পরে সেখানে আপনি হাঁটাচলা করতে পারবেন না। পাশাপাশি, কোন ধরনের জায়গায় বেড়াতে যাচ্ছেন, তার উপর নির্ভর করে পোশাক সঙ্গে রাখতে হবে।

আরও পড়ুন:
ডাবের পানি পান করবেন যে কারণে
রসুনের খোসা ছাড়ানোর সহজ উপায়
স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখবেন যেভাবে
যেভাবে বুঝবেন ডেঙ্গু হয়েছে
এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস করবেন যেভাবে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Foods that help in conception

গর্ভধারণে সহায়তা করে যে খাবারগুলো

গর্ভধারণে সহায়তা করে যে খাবারগুলো প্রতীকী ছবি
প্রজননক্ষমতা বাড়াতে দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবারের বিকল্প নেই। দই, মাখন, পনির এবং দুধ দিয়ে বানানো অন্যান্য খাবার শুক্রাণুর কার্যকারিতা বাড়িয়ে দেয়।

বাচ্চা হতে দেরি হওয়া অথবা না হওয়া ইদানীংকালের দম্পতিদের একটি সাধারণ সমস্যা। দেরিতে বিয়ে, ব্যস্ত জীবন, পরিবেশদূষণ, অনিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাবারসহ নানা কারণে নারী-পুরুষের প্রজনন সক্ষমতা কমে যাচ্ছে। ফলে সন্তান নিতে আগ্রহী দম্পতির মধ্যে বাড়ছে দুশ্চিন্তা।

তবে চিন্তার কিছু নেই, এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো নিয়মিত খেলে শুক্রাণু এবং ডিম্বাণুর উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি সন্তান ধারণের সম্ভাবনাও বাড়িয়ে দেয়। ভেরি ওয়েল ফ্যামিলি ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে সেই খাবারগুলোর কথা। চলুন দেখে নিই।

সূর্যমুখীর বীজ

ভেজে সূর্যমুখীর বীজ খাওয়া একটি ভালো অপশন। তবে লবণ দেয়া যাবে না। সূর্যমুখীর বীজে আছে ভিটামিন ই। এই ভিটামিনটি শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি শুক্রাণুর গতিশীলতাও বৃদ্ধি পায়। সূর্যমুখীর বীজ ফোলেট এবং সেলেনিয়ামে পরিপূর্ণ, যা পুরুষ এবং নারীর উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ৷

সাইট্রাস ফল

কমলা, জাম্বুরা এবং আঙুরের মতো সাইট্রাস ফলে আছে ভিটামিস সি। প্রজনন স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য এই উপাদানটি খুবই জরুরি। এ ছাড়া এসব ফল থেকে পাওয়া যায় পলিমাইন পুট্রেসিন। ডিম এবং বীর্যের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে এই উপাদানটি।

দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার

প্রজননক্ষমতা বাড়াতে দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবারের বিকল্প নেই। দই, মাখন, পনির এবং দুধ দিয়ে বানানো অন্যান্য খাবার শুক্রাণুর কার্যকারিতা বাড়িয়ে দেয়। যেসব নারী ডিম্বোস্ফোটনের সমস্যায় ভুগছেন, তারা এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এগুলো খেতে পারেন। অনেকে চর্বিবিহীন দুধ খেতে পছন্দ করেন। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, সন্তান ধারণ করতে চাইলে পূর্ণ ননীযুক্ত দুধ খাওয়া সবচেয়ে ভালো।

গরুর কলিজা

কলিজা, বিশেষ করে গরুর কলিজা সবচেয়ে পুষ্টিকর খাবারগুলোর একটি। এতে আছে চর্বি এবং দ্রবণীয় ভিটামিন এ। প্রাকৃতিক ভিটামিনের চমৎকার উৎস হওয়ার পাশাপাশি কলিজায় আছে শোষণযোগ্য আয়রন। এই উপাদানটি গর্ভপাত এবং মাতৃত্বকালীন অ্যানিমিয়া প্রতিরোধে কাজ করে। আছে ভিটামিন বি১২, যা লোহিত রক্তকণিকা এবং ডিএনএ সঠিকভাবে গঠনের জন্য প্রয়োজনীয়।

টমেটো

লাইকোপিন একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। টমেটোতে এই উপাদানটি প্রচুর পরিমাণ পাওয়া যায়। পুরুষের প্রজননক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে লাইকোপিন। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে ৮ থেকে ১২ মাস ধরে প্রতিদিন ৪ থেকে ৮ মিলিগ্রাম লাইকোপিন গ্রহণ করলে শুক্রাণুর স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে এবং গর্ভধারণের হার বৃদ্ধি পায়।

ডাল এবং ডালজাতীয় খাবার

ডাল, মটরশুঁটিসহ এ-জাতীয় খাবারে আছে ফাইবার। তা ছাড়া এটি হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে কাজ করে। মসুর ডালে উচ্চ মাত্রার পলিমাইন স্পার্মিডিন থাকে, যা ডিম্বাণু নিষিক্ত করতে শুক্রাণুকে সাহায্য করে। মসুর ডাল এবং মটরশুঁটিতে প্রোটিনের পরিমাণও বেশি, যা ডিম্বস্ফোটন ঘটাতে সহায়তা করে।

ডালিম

ডালিম অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর একটি ফল, যা শুক্রাণুর গুণমান উন্নত করতে পারে। ২০১৪ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৭০ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ যাদের শুক্রাণুর পরিমাণ কম ছিল, তারা ডালিম খেয়ে ৬২ শতাংশ পর্যন্ত তাদের শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পেরেছেন।

ডিমের কুসুম

গর্ভধারণের ক্ষমতা বাড়াতে দারুণভাবে কাজ করে ডিমের কুসুম। এতে আছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, ভিটামিন বি৬, ফোলেট এবং ভিটামিন বি১২। এটি চর্বিহীন প্রোটিনের একটি সস্তা উৎস। আগেই বলা হয়েছে, প্রোটিন পুরুষ এবং নারীর উর্বরতার ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ভালো।

আখরোট

আখরোট ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ একটি উৎকৃষ্ট খাবার। একটানা ১২ সপ্তাহ আখরোট খেলে শুক্রাণুর জীবনীশক্তি বাড়ে। আগের চেয়ে বেশি সক্রিয় হয় এবং পরিমাণে বৃদ্ধি পায়।

স্যালমন মাছ

স্যালমন মাছ একটি সুপার ফুড। এতে আছে ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ওমেগা–৩। এই উপাদানগুলো পুরুষ এবং নারীর সন্তান ধারণক্ষমতা বাড়াতে উপকারী।

আরও পড়ুন:
শিশুর মোবাইল ফোনে আসক্তি কমানোর উপায়
সন্তান ধারণের আগে যেসব প্রস্তুতি নিতে হবে
এক রাতে মুখের ব্রণ দূর করার সেরা উপায়, যা না জানলেই নয়
ডেঙ্গু জ্বর সৃষ্টিকারী এডিস মশা সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জেনে রাখুন
ডেঙ্গু জ্বরের রোগীদের খাবার

মন্তব্য

জীবনযাপন
Causes of cold more than others

অন্যদের থেকে বেশি শীত লাগার কারণ

অন্যদের থেকে বেশি শীত লাগার কারণ
বেশি শীত লাগার পেছনে স্নায়ুর সমস্যা দায়ী হতে পারে। যারা স্নায়ুর সমস্যায় ভোগেন, তাদের শীতকালে ঠান্ডা লাগার প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

শীত আসি আসি করছে। অনেক জায়গায় ভোরে কুয়াশার দেখাও মিলছে। গরম কেটে যাওয়ায় কেউ কেউ খুশি হচ্ছেন, তবে কেউ কেউ পড়ছেন দুশ্চিন্তায়। কারণ বেশি শীত অনুভূত হওয়া। কেউ কেউ অন্যদের চেয়ে বেশি শীত অনুভব করেন এবং কাবু হয়ে পড়েন। নানা কারণে অন্যদের চেয়ে বেশি শীত লাগতে পারে। চলুন কারণগুলো জেনে নেয়া যাক।

ডায়াবেটিস থাকলে

ডায়াবেটিস একটি মারাত্মক অসুখ। এটা রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলে। আমাদের শরীরে যখন রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে হয় না, তখন হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়। এমনকি সারাক্ষণ শীত শীত অনুভব হতে পারে। এ ছাড়া রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে না হলে হৃদরোগেরও আশঙ্কা দেখা দেয়।

রক্তের অভাব

বয়স এবং ওজন অনুযায়ী শরীরে সঠিক পরিমাণে রক্ত থাকা জরুরি। যদি রক্ত কম থাকে তাহলে শরীরে আয়রনের অভাব দেখা দেয়। সেখান থেকে হয় অ্যানিমিয়া। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলেই অ্যানিমিয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফলে শীতকালে ঠান্ডাও বেশি লাগে। পুরুষের তুলনায় নারীরা অ্যানিমিয়ায় বেশি ভোগেন।

স্নায়ুর সমস্যা

বেশি শীত লাগার পেছনে স্নায়ুর সমস্যা দায়ী হতে পারে। যারা স্নায়ুর সমস্যায় ভোগেন, তাদের শীতকালে ঠান্ডা লাগার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। সঙ্গে থাকে ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, চোখ জ্বলার সমস্যা।

থাইরয়েডের গোলমাল

থাইরয়েড হরমোনের ক্ষরণ স্বাভাবিক না হলে হজমে গণ্ডগোল দেখা দেয়। পাশাপাশি শরীরের তাপমাত্রাও কমতে শুরু করে। ফলে একটু বেশিই ঠান্ডা লাগে। তবে থাইরয়েড রোগ হলে ঠান্ডা লাগাসহ ক্লান্তি লাগা, ওজন বৃদ্ধি, মানসিক অবস্বাদ, ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া এবং ভুলে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়।

ওজন কমে গেলে

যারা স্থূল অবস্থা থেকে চিকন হয়েছেন তাদের আগের চেয়ে ঠান্ডা লাগবে। ওজন কমতে শুরু করলে স্বাভাবিকভাবেই চর্বি ঝরতে শুরু করে। সে কারণে একটু বেশিই ঠান্ডা লাগে। এ ছাড়া যারা ডায়েটিং করছেন, তাদের ক্যালরিযুক্ত খাবার কম খান বলে মেটাবলিজম রেটও কমতে থাকে। এ কারণে শরীরের তাপমাত্রাও কমে যায়। তাই একটু বেশিই ঠান্ডা লাগে।

ঘুমে ব্যাঘাত

ঘুম পূর্ণ না হলে আমাদের শরীরের তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে অন্যদের চেয়ে বেশি শীত লাগে। তাই শরীর সুস্থ রাখতে ঘুম জরুরি।

আরও পড়ুন:
বৃষ্টির দিনে সময় কাটানোর ১০টি দারুণ আইডিয়া
শিশুর মোবাইল ফোনে আসক্তি কমানোর উপায়
সন্তান ধারণের আগে যেসব প্রস্তুতি নিতে হবে
এক রাতে মুখের ব্রণ দূর করার সেরা উপায়, যা না জানলেই নয়
ডেঙ্গু জ্বর সৃষ্টিকারী এডিস মশা সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জেনে রাখুন

মন্তব্য

জীবনযাপন
Home remedies for arthritis pain in winter

শীতকালে বাতের ব্যথার ঘরোয়া সমাধান

শীতকালে বাতের ব্যথার ঘরোয়া সমাধান
ম্যাসাজ থেরাপি বাতের ব্যথা কমাতে দারুণ কার্যকরী। সে জন্য ব্যথার স্থানে সপ্তাহে অন্তত একদিন ম্যাসাজ করুন।

যারা বাতের ব্যথায় ভুগছেন, তাদের জন্য শীতকালটা আরও বেশি কষ্টদায়ক। শীতে ব্যথা বেড়ে যায়। যার ফলে হাঁটাচলা এবং স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে সমস্যা হয়। পাঁচটি সহজ নিয়ম মেনে চললে শীতকালেও বাতের ব্যথাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এবিপি আনন্দের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বিস্তারিত। চলুন দেখে নিই।

শরীরচর্চা করুন

শীতকালে ঠান্ডার কারণে মানুষ হাঁটাচলা তথা পরিশ্রম করে কম। ফলে দেহের হাড় এবং পেশির সঞ্চালন খুব একটা হয় না। তাই শীতকালে শরীরচর্চা করা খুবই প্রয়োজন। এ সময় নিয়মিত শরীরচর্চা করলে হাড়, গিরা এবং পেশির সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে বলে বাতের ব্যথা কমে আসে।

গরম শেক দিন

শীতের প্রকোপে অনেকের হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসে। এই প্রবণতার কারণে বাত আরও জেঁকে বসে। তাই এ সময়ে শরীর গরম রাখা খুবই জরুরি। গরম পানির শেক দিয়ে খুব সহজেই কোমর, হাঁটু, পায়ের পাতাসহ অন্যান্য অঙ্গ গরম রাখা যায়। নিয়মিত শেক দিতে পারলে বাত খুব একটা সুবিধা করতে পারে না।

কমাতে হবে ওজন

ভারী শরীর বাতের ব্যথাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। শরীরের সব ওজনটাই আমাদের কোমর এবং হাঁটুর ওপর পড়ে। অতিরিক্ত ওজনের ফলে ক্রমাগত ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে কোমর ও হাঁটু। তাই বাতের ব্যথার সমস্যা দূর করতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরি।

ম্যাসাজ থেরাপি নিন

ম্যাসাজ থেরাপি বাতের ব্যথা কমাতে দারুণ কার্যকরী। সে জন্য ব্যথার স্থানে সপ্তাহে অন্তত একদিন ম্যাসাজ করুন। এভাবে চালিয়ে যান পুরো আট সপ্তাহ। তাতে ব্যথা কমে আসবে।

পর্যাপ্ত পানি পান করুন

আমাদের শরীরে পানির চাহিদা ২৪ ঘণ্টায় তিন লিটার। সুস্থ থাকতে এই পরিমাণ পানি পান করা খুব জরুরি। শীতকালে ঘাম হয় না বলে শরীরে পানির চাহিদা একটু কমে আসে। সে সময় দুই লিটার পান করলেও চলে। তবে এর চেয়ে কম পানি পান করলে বাতের ব্যথা জেগে উঠতে পারে।

আরও পড়ুন:
এক রাতে মুখের ব্রণ দূর করার সেরা উপায়, যা না জানলেই নয়
ডেঙ্গু জ্বর সৃষ্টিকারী এডিস মশা সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জেনে রাখুন
ডেঙ্গু জ্বরের রোগীদের খাবার
গর্ভবতী হওয়ার যে লক্ষণগুলো জানা জরুরি
শ্যাম্পু করার পর চুলের যত্ন

মন্তব্য

জীবনযাপন
Winter skin care at home

শীতকালে ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন

শীতকালে ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন প্রতীকী ছবি
পাকা পেঁপে সংগ্রহ করুন। দুই টেবিল চামচ পেঁপে একটি বাটিতে নিয়ে পেস্ট বানান। পেস্টটা ১৫ থেকে ২০ মিনিট মুখের ত্বকে লাগিয়ে রাখুন।

সারা বছর আমাদের ত্বকের যত্ন নিতে হয়। তবে শীতকালে সাধারণ যত্ন নিলে চলে না, নিতে হয় বাড়তি যত্ন। এমনিতে ঠান্ডা আবহাওয়া, তার ওপর বাতাসে আর্দ্রতা কম বলে শীতকালে আমাদের ত্বক নাজুক হয়ে পড়ে। ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়, হয়ে পড়ে রুক্ষ। চিন্তার কিছু নেই। ঘরোয়া পদ্ধিতিতে সহজেই এসব সমস্যা দূর করা যায়। চলুন দেখে নেই কীভাবে।

তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে শসা

যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা শসার রস ব্যবহার করতে পারেন। শশার রসে মুলতানি মাটি এবং চন্দনের গুঁড়া দিন। চামচ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। পেস্টটি মুখে, হাত ও পায়ের ত্বকে লাগান। শুকিয়ে যাওয়ার ১০ মিনিট পর সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের তৈলাক্ততা কেটে উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে।

ত্বকের পোড়া ভাব কাটাবে পেঁপে

পাকা পেঁপে সংগ্রহ করুন। দুই টেবিল চামচ পেঁপে একটি বাটিতে নিয়ে পেস্ট বানান। পেস্টটা ১৫ থেকে ২০ মিনিট মুখের ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। সময় শেষ হলে স্বাভাবিক পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দিনে দুইবার, এক সপ্তাহ এভাবে পেঁপে ব্যবহার করলে রোদে পোড়া দাগ দূর হবে।

শীতকালে ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন

ত্বকের যত্নে কলা, মধু ও টম্যাটো

ত্বকের যত্নে দারুণ কাজ করে কলা, মধু ও টম্যাটো। শীতকালে ত্বকের যত্নে এই উপাদানগুলো ব্যবহার করা যায়। কলা পেস্ট করুন। তাতে সামান্য মধু দিয়ে ত্বকে লাগান। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। এ ছাড়া টম্যাটোর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে একই নিয়মে লাগালেও ত্বকের আর্দ্রতা বাড়বে এবং উজ্জ্বল দেখাবে।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় দুধের ক্রিম ও টকদই

সব ধরনের ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে কাজ করে দুধ ও টকদই। ব্যবহার প্রণালিও খুব সহজ। দুধের ক্রিম অথবা টকদইয়ে কয়েক ফোঁটা গোলাপজল মেশান। চামচ দিয়ে ভালো করে নেড়ে নিন। মিশ্রণটি ব্যবহারের আগে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট মিশ্রণটি মুখের ত্বকে রেখে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে উজ্জ্বলতা ফিরে পাবেন।

গাজরের পেস্টে ফিরবে ত্বকের কোমলতা

শীতের আর্দ্রতায় ত্বক তার কোমলতা হারিয়ে ফেলে। এ সময়ে কাজে আসে গাজর। ব্যবহার প্রণালিও খুব সহজ। কচি গাজর পেস্ট করে তাতে সামান্য চন্দন দিন। মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১০ মিনিট পর্যন্ত। সময় শেষ হলে হালকা ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের কোমলতা ফিরে পাবেন।

নারকেল তেলও উজ্জ্বলতা বাড়াতে কাজ করে

শীতকালে উজ্জ্বলতা হারানো ত্বকে উজ্জ্বলতা ফেরাতে দারুণ কাজ করে নারকেল তেল। সে জন্য মুখে নারকেল তেল লাগান। কুসুম গরম পানিতে সুতির রুমাল ভিজিয়ে নিংড়ে নিন। রুমালটা মুখের ওপরে দিয়ে রাখুন। ১০ মিনিট পর মুখটা ধুয়ে গোলাপজল লাগিয়ে নিন। সব ধরনের ত্বকে উজ্জ্বলতা ফেরাতে এটা কাজ করে।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু জ্বর সৃষ্টিকারী এডিস মশা সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জেনে রাখুন
ডেঙ্গু জ্বরের রোগীদের খাবার
গর্ভবতী হওয়ার যে লক্ষণগুলো জানা জরুরি
শ্যাম্পু করার পর চুলের যত্ন
দুই মিনিটে ঘুমিয়ে পড়তে চাইলে যা করবেন

মন্তব্য

জীবনযাপন
Foods that will boost your babys memory

শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াবে যে খাবারগুলো

শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াবে যে খাবারগুলো প্রতীকী ছবি
ডিম একটি আদর্শ খাবার। এতে আছে প্রোটিন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, জিংক, আয়রনসহ আরও অনেক ভিটামিন এবং মিনারেল। শিশুর মস্তিষ্ক গঠনে এই উপাদানগুলো কাজ করে বলে তার স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

শিশুর মস্তিষ্ক ভালোভাবে বেড়ে উঠুক এবং সে প্রখর স্মৃতিশক্তি পাক- সেটা কে না চায়। তবে চাইলেই তো আর হবে না। শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য তাকে দিতে হবে কিছু বিশেষ খাবার। দুষ্প্রাপ্য নয়, এই খাবারগুলো আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে। চলুন জেনে নেই সেগুলো কী।

শিশুর স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে ডিম

ডিম একটি আদর্শ খাবার। এতে আছে প্রোটিন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, জিংক, আয়রনসহ আরও অনেক ভিটামিন ও মিনারেল। শিশুর মস্তিষ্ক গঠনে এই উপাদানগুলো কাজ করে বলে তার স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। ভালো ফলাফলের জন্য শিশুকে দিনে দুটি ডিম খাওয়াতে পারেন। সিদ্ধ, পোঁচ কিংবা ভাজা, যেকোনোভাবে খাওয়ালেই উপকার পাওয়া যাবে।

গ্রিক দই মস্তিষ্ক গঠনে কাজ করে

মস্তিষ্ক গঠনে প্রোটিনের ভূমিকা অনেক। ১০০ গ্রাম গ্রিক দইয়ে প্রায় ৯ গ্রাম প্রোটিন থাকে, যা সাধারণ দইয়ের থেকে প্রায় তিনগুণ বেশি। তাছাড়া গ্রিক দইয়ে আছে ফ্যাট। তাই প্রতিদিন শিশুকে গ্রিক দই খাওয়ালে মস্তিষ্কের গঠন দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং স্মৃতিশক্তি বেড়ে যায়।

শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াবে যে খাবারগুলো

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে পালংশাক

পালংশাককে খাদ্য বিশেষজ্ঞরা সুপার ফুড নামে ডাকতে ভালোবাসেন। কারণ প্রতি ১০০ গ্রাম পালং শাকে প্রোটিন ২ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ২.৮ গ্রাম, আঁশ ০.৭ গ্রাম, আয়রন ১১.২ মি. গ্রাম, ফসফরাস ২০.৩ মি. গ্রাম, অ্যাসিড (নিকোটিনিক) ০.৫ মি. গ্রাম, রিবোফ্লোবিন .০৮ মি. গ্রাম, অক্সালিক অ্যাসিড ৬৫২ মি. গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৭৩ মি. গ্রাম, পটাশিয়াম ২০৮ মি. গ্রা, ভিটামিন-এ ৯৩০০ আই. ইউ, ভিটামিন সি ২৭ মি. গ্রা, থায়ামিন .০৩ মি. গ্রা থাকে। এসব উপাদান শিশুর মস্তিষ্ক গঠনে কাজ করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। তাই শিশুর পাতে নিয়মিত পালংশাক রাখুন।

মাছ একটি আদর্শ খাবার

মাছে আছে ভিটামিন ডি এবং ওমেগা থ্রিএস। এই খাদ্য উপাদানগুলো মস্তিষ্কের কর্মদক্ষতাকে ধরে রাখে এবং স্মৃতিশক্তি কমতে বাধা দেয়। সামুদ্রিক মাছ যেমন- স্যালমন, টুনা ও সার্ডিন মাছ ওমেগা থ্রিএস-সমৃদ্ধ। মনে রাখবেন, যত বেশি ওমেগা থ্রিএস খাবে, শিশুর মস্তিষ্ক তত বেশি দক্ষতা দেখাবে।

বাদাম ও বীজ স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে

চীনা বাদাম, কাজু বাদাম, কাঠ বাদাম, আখরোটসহ সব ধরনের বাদাম থেকে মস্তিষ্ক উপকার পায়। মোটামুটি সব বাদামেই কমবেশি আছে ক্যালোরি, প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, ভিটামিন ই, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, কপার, ম্যাংগানিজ ইত্যাদি। এসব উপাদান মস্তিষ্ককে সতেজ রাখে এবং কর্মক্ষম করে তোলে। বাদামের পাশাপাশি সূর্যমুখী ফুলের বীজ, কুমড়ার বীজ শিশুকে দিতে পারেন। এগুলোও শিশুর স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য উপকারী।

ওটমিল থেকে বুস্ট পাবে স্মৃতিশক্তি

ওটমিল একটি সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর নাশতা। সকালে আপনার শিশুকে ছোট্ট এক বাটি ওটমিল খাওয়াতে পারলে তার স্মৃতিশক্তি বুস্ট পাবে। ওটমিলে থাকা লেসিথিন, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, বি ভিটামিন, খনিজ পদার্থ, ফ্যাট ও প্রোটিন শিশুর মস্তিষ্ক গঠনে ভূমিকা রাখবে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াবে।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু জ্বরের রোগীদের খাবার
গর্ভবতী হওয়ার যে লক্ষণগুলো জানা জরুরি
শ্যাম্পু করার পর চুলের যত্ন
দুই মিনিটে ঘুমিয়ে পড়তে চাইলে যা করবেন
হৃৎপিণ্ড ভালো রাখে যে খাবারগুলো

মন্তব্য

জীবনযাপন
10 great ideas to pass the time on a rainy day

বৃষ্টির দিনে সময় কাটানোর ১০টি দারুণ আইডিয়া

বৃষ্টির দিনে সময় কাটানোর ১০টি দারুণ আইডিয়া
দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততায় অনেকের পক্ষেই প্রিয়জনকে সময় দেয়া হয়ে ওঠে না। বৃষ্টির দিনের এই সুযোগে প্রিয়জনকে সময় দিতে পারেন। আড্ডা দিতে পারেন মা-বাবার সঙ্গে।

সকাল থেকে একটানা ঝরে চলেছে রিমঝিম বৃষ্টি। এমন আবহাওয়ায় বাইরে বেরোতে কার ইচ্ছা করে বলুন। মন চায় ঘরে বসে সময় কাটাতে। কিন্তু বুঝতে পারছেন না কীভাবে কাটবে সময়! চিন্তার কিছু নেই। বৃষ্টির দিনে ঘরে বসে সময় কাটানোর দুর্দান্ত কিছু আইডিয়া দেখে নিন।

বসে পড়ুন কবিতার বই নিয়ে

বৃষ্টির দিনে রোমান্টিক পরিবেশে কবিতার বই হতে পারে আদর্শ সঙ্গী। জানালার পাশে চেয়ার নিয়ে বসে যান। বৃষ্টির টুপটাপ শব্দকে সঙ্গী করে কবিতা পড়তে থাকুন। সময়টা দারুণ কাটবে, সন্দেহ নেই।

মুভিতে ডুবে যান

বৃষ্টির দিনে মুভি দেখার মজাই আলাদা। নেটফ্লিক্সে কিংবা টিভি চ্যানেলে ঢুঁ মারতে পারেন। কিংবা আগে থেকে পেনড্রাইভে থাকা মুভি, যেটা দেখার সময়ই পাচ্ছেন না, চালিয়ে দিতে পারেন সেটাও।

লিখতে পারেন চিঠি

এসএমএস আর ই-মেইলের যুগে চিঠি লেখা ভুলে গেছেন অনেক আগেই। বৃষ্টির দিনের সুযোগে আগের সেই অভ্যাসটা জাগিয়ে তুলতে পারেন। প্রিয়জনের কাছে লিখতে পারেন চিঠি। হতে পারে সেটা মায়ের কাছে, বোনের কাছে কিংবা প্রিয় মানুষটার কাছে।

সময় দিন প্রিয়জনকে

দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততায় অনেকের পক্ষেই প্রিয়জনকে সময় দেয়া হয়ে ওঠে না। বৃষ্টির দিনের এই সুযোগে প্রিয়জনকে সময় দিতে পারেন। আড্ডা দিতে পারেন মা-বাবার সঙ্গে। প্রিয়জনের সঙ্গেও জমতে পারে আড্ডাটা। সামনা-সামনি তাদের না পেলে অন্তত ফোনেও আড্ডাটা জমতে পারে।

ফলো করতে পারেন নতুন কোনো রেসিপি

নতুন কোনো রেসিপি ফলো করে রান্নার মোক্ষম সময় হলো বৃষ্টির দিন। তাতে যেমন সুন্দর সময় কাটবে, তেমনি প্রিয়জনরা পাবে নতুন খাবার ট্রাই করার সুযোগ। আপনার স্মার্ট ফোনে সার্চ দিয়েই দেশি-বিদেশি খাবারের রেসিপি পেয়ে যাবেন।

খেলতে পারেন ইনডোর গেম

দাবা, লুডু, কেরাম কিংবা কাটাকাটি গেম খেলে খুব সুন্দর সময় কাটানো যায়। এতে যেমন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আন্তরিকতা বাড়ে, তেমনি ছোটবেলার স্মৃতিও নতুন করে তাজা হয়।

বৃষ্টির দিনে সময় কাটানোর ১০টি দারুণ আইডিয়া

হতে পারে চা পার্টি

বৃষ্টির এই দিনে পরিবারের সবাইকে নিয়ে হতে পারে চা পার্টি। চায়ের সঙ্গে থাকতে পারে পেঁয়াজি, পাকোড়া কিংবা ঝালমুড়ি। পার্টির লোকেশন হতে পারে বারান্দা। কারণ বারান্দায় গেলেই পাওয়া যাবে বৃষ্টির রিমঝিম শব্দ। আর এই শব্দই পার্টির পরিবেশ জমিয়ে দেবে।

পছন্দের গান শুনুন

বিছানায় কাঁথা চাপিয়ে শুয়ে পড়ুন। স্মার্ট ফোনে চালিয়ে দিন আপনার পছন্দের গান। গান শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়াটাও খারাপ নয়। আর যদি ঘুম না আসে, তাহলেও চিন্তার কিছু নেই। পছন্দের গানগুলো তো চলছেই।

যত্ন নিতে পারেন নিজের

বৃষ্টির দিনে নিজেকে সময় দেয়া খারাপ কিছু নয়। এ সময় চুলে শ্যাম্পু করতে পারেন। ফেসপ্যাক লাগিয়ে ত্বকের যত্ন নিতে পারেন। কিংবা ব্যায়াম করে বাড়িয়ে নিতে পারেন নিজের আয়ু।

ভিজুন বৃষ্টিতে

শেষ কবে বৃষ্টিতে ভিজেছেন মনে আছে? হয়তো ছেলেবেলায়। ছেলেবেলার সেই স্মৃতিকে জাগিয়ে তুলতে চাইলে বৃষ্টিতে ভিজুন। তবে যাদের ঠান্ডার সমস্যা আছে কিংবা বৃষ্টির পানি সহ্য করতে পারেন না, তারা বৃষ্টিতে নামবেন না।

আরও পড়ুন:
গর্ভবতী হওয়ার যে লক্ষণগুলো জানা জরুরি
শ্যাম্পু করার পর চুলের যত্ন
দুই মিনিটে ঘুমিয়ে পড়তে চাইলে যা করবেন
হৃৎপিণ্ড ভালো রাখে যে খাবারগুলো
বৃষ্টির দিনে যা খাবেন

মন্তব্য

জীবনযাপন
Ways to reduce childs mobile phone addiction

শিশুর মোবাইল ফোনে আসক্তি কমানোর উপায়

শিশুর মোবাইল ফোনে আসক্তি কমানোর উপায় প্রতীকী ছবি
শিশুরা অনুকরণপ্রিয়। বড়দের হাতে স্মার্টফোন দেখলে সে-ও স্মার্টফোন নিতে আগ্রহ পায়। তাই শিশুর সামনে স্মার্টফোনে চ্যাট করা, গান শোনা, গেম খেলা, ইউটিউবে ভিডিও দেখা ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন।

বিভিন্ন কারণে অভিভাবকরা শিশুর হাতে মোবাইল ফোন তুলে দেন। সেটা নিয়ে সময় কাটাতে কাটাতে মোবাইল ফোনের ওপর শিশুর আসক্তি তৈরি হয়ে যায়। বাইরে খেলতে না গিয়ে শিশু স্মার্টফোন নিয়ে বসে থাকে। খাবার সময়ও তার মোবাইল ফোন চাই। এভাবে চলতে থাকলে শিশুর নানা রকম শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি হয়ে যায়। তবে ভয়ের কিছু নেই। চাইলেই শিশুর মোবাইল ফোনের আসক্তি দূর করা যায়। চলুন উপায়গুলো দেখে নিই।

শিশুকে ঘরের বাইরে পাঠান

শিশুকে ঘরের বাইরে পাঠানো খুব জরুরি। সে জন্য ওর হাতে এমন খেলনা তুলে দিন, যেগুলো বাইরে গিয়ে খেলতে হয়। যেমন ফুটবল, সাইকেল, ক্রিকেট ব্যাট ইত্যাদি। প্রতিবেশী শিশুদের সঙ্গে তাকে পরিচয় করিয়ে দিন এবং তাদের সঙ্গে খেলতে উৎসাহ প্রদান করুন। বাইরে গিয়ে খেললে তাকে উপহার দিন। সেটা হতে পারে শিশুর পছন্দের খাবার। তাতে সে বাইরে যেতে উৎসাহ পাবে এবং স্মার্টফোন থেকে সরে আসবে।

শিশুর সামনে স্মার্টফোন ব্যবহার করবেন না

শিশুরা অনুকরণপ্রিয়। বড়দের হাতে স্মার্টফোন দেখলে সে-ও স্মার্টফোন নিতে আগ্রহ পায়। তাই শিশুর সামনে স্মার্টফোনে চ্যাট করা, গান শোনা, গেম খেলা, ইউটিউবে ভিডিও দেখা ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন। খুব বেশি প্রয়োজন হলে আলাদা রুমে গিয়ে স্মার্টফোন ব্যবহার করুন। কারও হাতে স্মার্টফোন না দেখলে শিশুও এটার কথা ভুলে যাবে।

শিশুর মোবাইল ফোনে আসক্তি কমানোর উপায়

সৃজনশীল কাজে উৎসাহ দিন

শিশুকে সৃজনশীল কাজে উৎসাহ দিন। গাছ লাগানো, কবুতর পোষা, পাখিকে খাবার দেয়া, কাগজ কেটে এটা-সেটা বানানো ইত্যাদি কাজে মজা পেয়ে গেলে শিশু মোবাইল ফোনে উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে। তখন সে ওদিকে ফিরে তাকাবে না।

সন্তানকে সময় দিন

অনেক বাবা-মা তার শিশুসন্তানকে সময় দেন না। তার বদলে টিভির সিরিয়ালে, ফেসবুকে কিংবা চ্যাটিংয়ে ব্যস্ত থাকেন। শিশু একাকিত্বে ভুগলে স্মার্টফোনে আসক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই শিশুকে সময় দিন। তাকে মাঠে নিয়ে যান। এটা-সেটা খাওয়ান। সপ্তাহের একদিন আত্মীয়ের বাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসুন। তাতে শিশুর একাকিত্ব ঘুচবে এবং সে প্রফুল্ল থাকবে।

শিশুর হাতে স্মার্টফোন তুলে দেবেন না

শিশুকে শান্ত করতে গিয়ে অনেক বাবা-মা শিশুর হাতে স্মার্টফোন তুলে দেন। অনেক সময় শিশু খেতে না চাইলে মোবাইল ফোনে কার্টুন চালিয়ে খাওয়াতে থাকেন। এতে হয়তো শিশু শান্ত হয় কিংবা খাবারটা খেয়ে নেয়, কিন্তু অন্য ধরনের ক্ষতি হয়ে যায়। তাই শিশুর হাতে মোবাইলফোন তুলে দেয়া একেবারেই উচিত নয়। তার বদলে শিশুকে গল্প শোনাতে শোনাতে খাওয়ান। শিশুর সঙ্গে আপনিও খেতে পারেন। আপনাকে খেতে দেখলে সে-ও খেতে আগ্রহ পাবে। নতুন নতুন খেলনা দিয়ে তাকে মোবাইল ফোনের কথা ভুলিয়ে রাখুন।

আরও পড়ুন:
দেশের বাজারে এন্ট্রি লেভেলের স্মার্টফোন রিয়েলমি সি৩০
শ্যাম্পু করার পর চুলের যত্ন
দুই মিনিটে ঘুমিয়ে পড়তে চাইলে যা করবেন
অপোর এফ২১এস প্রো পাওয়া যাচ্ছে দেশজুড়ে
হৃৎপিণ্ড ভালো রাখে যে খাবারগুলো

মন্তব্য

p
উপরে