× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
United Nations emphasis on nature conservation in tourism
hear-news
player
google_news print-icon

পর্যটনে প্রকৃতি সংরক্ষণে জোর জাতিসংঘের

পর্যটনে-প্রকৃতি-সংরক্ষণে-জোর-জাতিসংঘের
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই পরিচ্ছন্ন ও টেকসই পর্যটনে বিনিয়োগ করতে হবে। এর মাধ্যমে এই খাতে জ্বালানি খরচ কমাতে হবে। কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার পথে হাঁটতে হবে। জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে।’

টেকসই উন্নয়নের শক্তিশালী মাধ্যম পর্যটন। তবে এই পর্যটনের বিকাশে প্রকৃতি সংরক্ষণ ও পর্যটন অঞ্চলের বিশেষ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে এক বিশেষ বাণীতে এমন অভিমত প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সোমবার জাতিসংঘ সদর দফতর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এমন অভিমত তুলে ধরা হয়।

বিশ্ব সংস্থাটির মহাপরিচালক অ্যান্তোনিও গুতেরেস বাণীতে বলেন, ‘বিশ্ব পর্যটন দিবসের অন্তর্ভুক্তি প্রকৃতি সংরক্ষণ ও সাংস্কৃতিক বোঝাপড়াকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে পর্যটনের ক্ষমতা তুলে ধরে।

‘টেকসই উন্নয়নের শক্তিশালী এক চালক হল পর্যটন। শিক্ষা, নারী ও তরুণ জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন এবং আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে পর্যটন অবদান রাখে। সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা পুনরুদ্ধার ও সমৃদ্ধির ভিত্তি গড়ে দেয়।’

গুতেরেস বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই পরিচ্ছন্ন ও টেকসই পর্যটনে বিনিয়োগ করতে হবে। এর মাধ্যমে এই খাতে জ্বালানি খরচ কমাতে হবে। কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার পথে হাঁটতে হবে। জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে।

‘মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পর্যটন রাষ্ট্র ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী যেন লাভবান হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। শিল্প যুগের আগের তুলনায় বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখতে এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের অবশ্যই পর্যটন অনুশীলন করতে হবে। এর ওপর এই শিল্প এবং স্মল আইল্যান্ড ডেভেলপিং স্টেটসের (উন্নয়নশীল ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র) মতো পর্যটন আকর্ষী ভূখণ্ডগুলোর টিকে থাকা নির্ভর করছে।’

বাণীতে জাতিসংঘ মহাসচিব আরও বলেন, ‘এ বছর জাতিসংঘ মহাসাগর সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এই সম্মেলনে বৈশ্বিক সম্প্রদায় ও পর্যটন খাত ২০২৪ সালের মধ্যে প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে আইনি কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে চুক্তির বিষয়ে একমত হয়েছে।

‘অপচয় করার মতো সময় নেই। আসুন, আমরা নতুন করে চিন্তা করি এবং পর্যটন খাতকে নতুন করে গড়ে তুলি। আমরা একসঙ্গে সবাইকে আরও বেশি টেকসই, সমৃদ্ধ ও স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ উপহার দেই।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
People no longer have to leave their homes in disasters

‘দুর্যোগে মানুষকে এখন আর ঘর ছাড়তে হয় না’

‘দুর্যোগে মানুষকে এখন আর ঘর ছাড়তে হয় না’ বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনারে বক্তব্য দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। ছবি: নিউজবাংলা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, ‘সরকারের কার্যকর পদক্ষেপেই দুর্যোগে উপকূলীয় অঞ্চলে মৃত্যুর হার শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি দুর্যোগ মোকাবেলা করছে।’

‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন দুর্যোগ মোকাবিলা ও হ্রাসের ক্ষেত্রে একজন অগ্রগামী প্রধানমন্ত্রী। ১৯৭২ সালে জাতিসংঘে দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য তিনিই প্রথম একটি সংস্থা গঠনের আহ্বান জানান। তারই ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘে ‘ইউএনডিআরআর’ নামে একটি দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে রেডক্রস স্থাপন করে প্রায় বিশ হাজার ভলেন্টিয়ার নিয়োগ দেন।’

বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ আয়োজিত ‘বাংলাদেশে দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস ও প্রশমনে আগাম সতর্কবার্তা’ শীর্ষক সেমিনারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার জাতির পিতার কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে। বর্তমানে প্রায় ৭০ হাজার ভলেন্টিয়ার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের সুবাদে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে উপকূলীয় অঞ্চলে মৃত্যুর হার শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।

‘দুই লাখ ৪০ হাজার মানুষকে প্রধানমন্ত্রী ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুর্যোগ সহনীয় ঘর দেয়া হয়েছে। এ ঘরগুলো হওয়ায় ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার সময় এখন মানুষকে ঘরহারা হতে হয় না, বাড়ি ছেড়ে কোথাও যেতে হয় না।’

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদক্ষেপ বিশ্বে রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। যে কোনো দুর্যোগ মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত এ ধরনের সভা-সেমিনার আয়োজন করা দরকার।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ এবং লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান খন্দকার।

ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল কাদেরের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কিউ. এম মাহবুব।

মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহেদুর রশীদ।

স্বাগত বক্তব্য দেন সেমিনার উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান। এ সময় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

জীবনযাপন
World agrees to create climate compensation fund

জলবায়ু ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠনে সম্মত বিশ্ব

জলবায়ু ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠনে সম্মত বিশ্ব জাতিসংঘের ২৭তম জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন উপলক্ষে সাজানো হয় মিসরের শারম আল-শেখকে। ছবি: এএফপি
জাতিসংঘের ২৭তম জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে দেশগুলো ক্ষতিপূরণ তহবিলে সায় দেয়, তবে সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বৈশ্বিক সমাধানের বৃহত্তর কোনো চুক্তি হয়নি।

জলবায়ুজনিত দুর্যোগে ধুঁকতে থাকা দরিদ্র দেশগুলোকে সাহায্যে তহবিল গঠনে সম্মত হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্র।

স্থানীয় সময় শনিবার গভীর রাতে মিসরের শারম-এল শেখে জাতিসংঘের ২৭তম জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (কপ২৭) দেশগুলো তহবিল গঠনে সম্মতি দেয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, দেশগুলো তহবিলে সায় দিলেও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বৈশ্বিক সমাধানের বৃহত্তর চুক্তিতে সম্মতি দেয়নি।

মিসরের লোহিত সাগরপারের শহরে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় চুক্তি নিয়ে দর-কষাকষি গড়ায় শনিবার রাত পর্যন্ত। একপর্যায়ে সম্মেলনে সভাপতিত্বকারী মিসরের পক্ষ থেকে খসড়া চুক্তির লিখিত অংশ প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে একে চূড়ান্ত চুক্তিতে রূপ দিতে একটি প্লেনারি সেশনের আহ্বান করা হয়।

সম্মেলনের রাত্রিকালীন ওই অধিবেশনে খসড়া চুক্তির বিধানগুলো অনুমোদন করা হয়, যার মধ্য দিয়ে ঝড় ও বন্যার মতো জলবায়ুজনিত দুর্যোগ মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক ক্ষতিপূরণে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তায় তহবিল গঠনে সম্মতি দেয় বিভিন্ন দেশ।

খসড়া অনুমোদনের পরপরই অধিবেশন ৩০ মিনিট মুলতবি রাখার আহ্বান জানায় সুইজারল্যান্ড, যাতে করে চুক্তির লিখিত অংশ পড়ে দেখা যায়।

জাতিসংঘের এবারের জলবায়ু সম্মেলনে সার্বিক রাজনৈতিক চুক্তি অনুমোদনে প্রায় ২০০ দেশের সমর্থন দরকার।

আরও পড়ুন:
ওজোন স্তরের ক্ষয় জলবায়ু পরিবর্তনের বড় কারণ: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী
জলবায়ুর অর্থায়নে ব্লু এবং গ্রিন বন্ডকে উৎসাহিত করছে বাংলাদেশ
নদীর বুকে জেগে উঠল ৩ বুদ্ধমূর্তি
জলবায়ু পরিবর্তনে মানুষের ভূমিকা কম, আসলেই কি
ইউরোপে ভয়ংকর ঝড়ে মৃত্যু ১৩

মন্তব্য

জীবনযাপন
Youth arrested for strangling peacocks throat

ময়ূরের গলা চেপে ধরায় যুবক গ্রেপ্তার

ময়ূরের গলা চেপে ধরায় যুবক গ্রেপ্তার
বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের অতিরিক্ত ফিল্ড ডিরেক্টর পল্লব মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়াযর মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারি। বনদপ্তরের আইনে সিডিউল ওয়ানে আছে ময়ূর। ময়ূরকে বিরক্ত করা, উত্ত্যক্ত করা কিংবা ধরা বন্যপ্রাণ আইনে বড় অপরাধ। এ ঘটনা বন্যপ্রাণী শিকারের সামিল।’

ময়ূরের গলা চেপে ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি প্রকাশের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গের বন বিভাগ।

যুবকের নাম শিবু বর্মণ। বন্যপ্রাণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে তাকে দমনপুর থেকে বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের অতিরিক্ত ফিল্ড ডিরেক্টর পল্লব মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়াযর মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারি। বনদপ্তরের আইনে সিডিউল ওয়ানে আছে ময়ূর। ময়ূরকে বিরক্ত করা, উত্ত্যক্ত করা কিংবা ধরা বন্যপ্রাণ আইনে বড় অপরাধ। এ ঘটনা বন্যপ্রাণী শিকারের সামিল।’

পল্লব আরও বলেন, ‘ওয়াইল্ড লাইফ অ্যাক্টে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আমরা ওই ময়ূরের হদিস পাইনি। কী উদ্দেশ্যে আইন অমান্য করে তিনি ছবি পোস্ট করা হয়েছে, তা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়।’

অভিযুক্ত শিবুকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন আলিপুর আদালত।

ময়ূর হত্যা করেনি দাবি করে গ্রেপ্তার শিবুর স্ত্রীর জানান, রাস্তার ধারে একটা ময়ূর পড়ে থাকতে দেখে সেটিকে তুলে সরিয়ে দেন শিবু। সে সময় ময়ূরটির সঙ্গে ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করায় বনবিভাগ তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে।

আরও পড়ুন:
ইকোপার্ক থেকে উদ্ধার বন্যপ্রাণী সুন্দরবনে অবমুক্ত
ইকো পার্কে অভিযান: জব্দ বন্য প্রাণী ও চামড়া
পিকনিক স্পট থেকে উদ্ধার কুমির, অজগর, শজারু
শিয়াল মেরে সমালোচনায় জনপ্রতিনিধি
সীমান্ত থেকে ৯ বন্য প্রাণী উদ্ধার

মন্তব্য

জীবনযাপন
Panchuria Canal is going to get back flow at Madhumati

মধুমতিতে মিলে প্রবাহ ফিরে পেতে যাচ্ছে পাঁচুড়িয়া খাল

মধুমতিতে মিলে প্রবাহ ফিরে পেতে যাচ্ছে পাঁচুড়িয়া খাল
জেলা শহরের পাচুড়িয়া এলাকার খোরশেদ আলম বলেন, ‘এত বছর খালের মুখটি বন্ধ থাকায় পানি চলাচল বন্ধ ছিল। পানি পঁচে গিয়ে গন্ধ ছড়াতো। আমরা যারা খালপাড়ের বাসিন্দা তাদের অশেষ দূর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এখন খালের পানি অনায়াসেই নদীতে গিয়ে পড়বে এবং নদীর পানি খালে প্রবেশ করতে পারবে।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজ‌ড়িত গোপালগঞ্জের পাঁচুড়িয়া খাল মধুমতি নদীর সঙ্গে ৬৩ বছর পর যৌবন ফিরে পেতে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসন বৃহস্পতিবার ওই খালের পুনঃসংযোগ কাজের উদ্বোধন করেছে। মধুমতি নদীর সঙ্গে এটির সংযোগ স্থাপন করা হবে।

জেলা প্রশাসক (ডিসি) শাহিদা সুলতানা বলেন, ‘এটা বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজ‌ড়িত পাঁচুড়িয়া খাল। দীর্ঘদিন ধরে পানি প্রবাহ বন্ধ ছিল। এই খাল দিয়ে বঙ্গবন্ধু এখানে যে লঞ্চঘাট ছিল, সেখানে নামতেন। স্মৃতিটা আস্তে আস্তে মানুষের স্মৃতি থেকে চলে যাচ্ছিল। আমরা অনেকদিন ধরে চেষ্টা করছিলাম এ খালটি উন্মুক্ত করতে।

‘দীর্ঘ ১ মাস ১৬ দিন কাজ করার পর আজকে আমরা সফল হলাম। এখানে দীর্ঘদিন ধরে বসতি স্থাপন করেছিলেন- তাদের একটা বড় সহযোগিতা আছে। তারা নিজেদের মতো করে জায়গাগুলো থেকে স্থাপনা সরিয়ে নিয়েছেন। সব মানুষের স্বপ্ন ছিল ১৯৫৯ এর মতো এই খাল দিয়ে মানুষ নৌপথে চলাচল করবে, এটি যাতে ফিরে আসে- প্রত্যেকের একটি আন্তরিক প্রচেষ্টা ছিল।’

খালের মুখ উন্মুক্ত করার খবরে স্থানীয়রা সেখানে ভিড় জমান। খাল প্রবাহ ফিরবে জেনে তারা আনন্দিত।

জেলা শহরের পাচুড়িয়া এলাকার খোরশেদ আলম বলেন, ‘এত বছর খালের মুখটি বন্ধ থাকায় পানি চলাচল বন্ধ ছিল। পানি পঁচে গিয়ে গন্ধ ছড়াতো। আমরা যারা খালপাড়ের বাসিন্দা তাদের অশেষ দূর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

‘এখন খালের পানি অনায়াসেই নদীতে গিয়ে পড়বে এবং নদীর পানি খালে প্রবেশ করতে পারবে। এতে খালের পানি দুষিত হতে পারবে না।’

স্থানীয় মাসুদুর রহমান বলেন, ‘এখন নৌ চলাচল সহজ হবে। মধুমতি নদী থেকে নৌকায় করে টুঙ্গিপাড়া চলে যাওয়া যাবে। পণ্য পরিবহনেও এলাকার মানুষ সুবিধা পাবে।’

পৌর মেয়র শেখ মো. রকিব হোসেন বলেন, ‘এই খালের স্বপ্ন জাতির পিতার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও ছিল। আমি যখন উনার সঙ্গে কথা বলি, উনার কথাই ছিল- আমার বাবা নৌকায় করে এই পাঁচুড়িয়া খালে চলতেন। তিনি পাঁচুড়িয়া খালটাকে মধুমতি নদী ও বর্ণির বাওড়ের সঙ্গে সংযোগ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।’

মন্তব্য

জীবনযাপন
Low pressure in Bay of Bengal

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ
জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ ড. মো. আব্দুল মান্নান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিউজবাংলাকে বলেন, ‘লঘুচাপের এখন যে অবস্থা আছে তাতে আমাদের উপকূলে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। এখনও এটি ফরমেটিভ (গঠন) স্টেজে রয়েছে। আগামীকাল (শুক্রবার) এটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হবে।’

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে শুক্রবারের মধ্যে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে।

অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা বিকেলে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘লঘুচাপটি আজই (বৃহস্পতিবার) তৈরি হয়েছে। এটি আরো ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হবে।’

অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ ড. মো. আব্দুল মান্নান সন্ধ্যায় নিউজবাংলাকে বলেন, ‘লঘুচাপের এখন যে অবস্থা আছে তাতে আমাদের উপকূলে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। তারপরও আমরা এটিকে পর্যবেক্ষণে রেখেছি। ব্যতিক্রম কিছু ঘটলে তা জানানো হবে।

‘এখনও এটি ফরমেটিভ (গঠন) স্টেজে রয়েছে। আগামীকাল (শুক্রবার) এটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হবে। ম্যাচিউর স্টেজে না গেলে কীভাবে কোথায় মুভ করবে তা বলা যাবে না। অনুমেয় কিছু বলা ঠিক হবে না।’

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের স্বাভাবিক আচরণ থাকে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। যদি আমাদের এদিকে আসে তবে আমরা জানাব। তবে এখনও যেভাবে আছে তাতে ভারতীয় উপকূলের দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।’

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি ঘনীভূত হতে পারে। উপমহাদেশীয় উচ্চ চাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার এবং তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক মাস মেয়াদি জলবায়ুর পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের পর চলতি নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে আরেকটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে পারে। তবে সেটি কবে নাগাদ তৈরি হতে পারে বা ঝড়ের সম্ভাব্য গতিপথ কী, সে সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নন আবহাওয়াবিদরা।

নভেম্বরে ইতোমধ্যে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ তৈরি হয়, যেটির অবস্থান ছিল শ্রীলঙ্কার উপকূলে। বাংলাদেশে সেটির প্রভাব ছিল না। তবে ওই সময়ই আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে বলা হয়েছিল, কিছুদিনের মধ্যে আন্দামান সাগরে আরেকটি লঘুচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়াবিদ আব্দুল মান্নান বলেন, ‘এর আগেও একটা লঘুচাপ তৈরি হয়েছিল। তবে সেটি শ্রীলঙ্কা হয়ে তামিলনাড়ুর ওপর দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করে এবং পরে আরব সাগরে গিয়ে পড়ে।’

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়

দেশে শীতের আগমন শুরু হয়েছে। রংপুর বিভাগেই সবার আগে তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে।

তবে মধ্য নভেম্বরের পর দেশের সবখানেই তাপমাত্রা কমতে থাকবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর এমনটা উল্লেখ করে জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলে গড় তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রয়েছে। আর রাতের তাপমাত্রা গড়ে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকে দেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আরও পড়ুন:
সিত্রাং-এ শরীয়তপুরে আক্রান্ত ৬ হাজার হেক্টর জমি
সিত্রাং: মাদারীপুরে তলিয়েছে উঠতি আমনের ক্ষেত
সুপার সাইক্লোনের আশঙ্কা ছড়ানোয় কী ক্ষতি হলো?
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং: মৃত বেড়ে ২০
সাধারণ শক্তি নিয়ে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং

মন্তব্য

জীবনযাপন
Books and saplings will be found if plastic waste is deposited

প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিলে মিলবে বই-চারা

প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিলে মিলবে বই-চারা
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য, স্থানীয় মানুষ ও পর্যটকদেরকে প্লাস্টিক বর্জ্যের ক্ষতি সম্পর্কে সচেতন করা। আর উপহার দেয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে তাদের এই কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে উৎসাহী করা।’

কক্সবাজার সৈকতে এদিক-সেদিক প্লাস্টিক বর্জ্য না ফেলে নির্দিষ্ট বুথে জমা দিলে মিলবে বই ও গাছের চারার মতো নানারকম উপহার। সমুদ্র দূষণ ঠেকাতে মাসব্যাপী এই উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন ও বেসরকারি সংগঠন বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। আর এই কার্যক্রম শুরু হবে শুক্রবার থেকে।

সৈকতের লাইফগার্ড কর্মীরা জানালেন, প্রতিদিন হাজারও মানুষ কক্সবাজারের বিভিন্ন সৈকতে ঘুরতে গিয়ে প্লাস্টিকের বোতল, প‌্যাকেট ও পলিথিন বর্জ্য এদিক-সেদিক ফেলে রাখেন। জোয়ারে সেগুলো ভেসে সাগরে গিয়ে পড়ে। এসব বর্জ্য সাগরের জন্য ক্ষতিকর। সৈকত ও সমুদ্র দূষণ থেকে পর্যটকদের বিরত থাকার করা নানাভাবে বলা হলেও তা বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না।

লাইফগার্ড কর্মীদের লাবনীর ইনচার্জ ওসমান গণি বলেন, ‘বিভিন্ন দেশে সমুদ্র সৈকত ছাড়াও যে কোনো জায়গা থেকে প্লাস্টিক পণ্যের বর্জ্য জমা দিলে উপহার পাওয়ার প্রথা চালু রয়েছে। ভারতের একটি রাজ্যে দুই কেজি প্লাস্টিক বর্জ্য দিলে ৬টি ডিম উপহার দেয়ার মতো কর্মসূচি আছে। আমরাও চাই আমাদের এখানেও এমন কর্মসূচি থাকুক। যাতে সমুদ্রটা দূষণমুক্ত থাকে।’

‘সমুদ্রে প্লাস্টিক দূষণ রোধ ও পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হোন’, ‘প্লাস্টিক দিয়ে উপহার নিন’- এই স্লোগানে শুক্রবার থেকে সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা, লাবনীসহ কয়েকটি পয়েন্টে উপহার দেয়ার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার রিজিয়ন এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করবে।

বাপা কক্সবাজারের সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সৈকতে প্লাস্টিক ব্যবহার একেবারে নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন। যদি নতুন এই কর্মসূচি সফলতার মূখ দেখে, তাহলে এটিকেই গুরুত্ব দিয়ে সমুদ্রকে নিরাপদ রাখতে হবে। আমরা চাই কর্মসূচিটি দীর্ঘমেয়াদী হোক। মানুষ এটা সম্পর্কে জানতে পারে।’

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বর্জ্য নিয়ে বিভিন্ন সময় কথা হয়। পর্যটকদের সচেতন করার লক্ষ্যে আমাদের এ আয়োজন। মাসব্যাপী কর্মসূচি মূলত বাস্তবায়ন করবে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। যাতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে জেলা প্রশাসন। আমরা চাই দ্রুত বর্জ্য মুক্ত সৈকত।

‘আমাদের প্রধান লক্ষ‌্য, স্থানীয় মানুষ ও পর্যটকদেরকে প্লাস্টিক বর্জ‌্যের ক্ষতি সম্পর্কে সচেতন করা। আর উপহার দেয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে তাদের এই কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে উৎসাহী করা।’

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) বিল্লাল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মাসব্যাপী চলা এ কর্মসূচিতে যে কোনো ধরণের প্লাস্টিক বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে জমা দিলে গাছের চারা, বই ও পাটের তৈরি ব্যাগ উপহার দেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
পৌরসভা নিজেই বর্জ্য ফেলছে সড়কে
সাগরে গোসলে নেমে এনএসআই কর্মকর্তাসহ মৃত ২
ঢাকা দক্ষিণে সাড়ে ৯ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ
ফাঁকা সৈকতে খুশি পর্যটকরা, হতাশ ব্যবসায়ীরা
ঈদের দিনই সব বর্জ্য ভাগাড়ে: রাজশাহীর মেয়র

মন্তব্য

জীবনযাপন
Adi Buriganga channel is undergoing renovation

আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেলে চলছে সংস্কার

আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেলে চলছে সংস্কার আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেলের সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। ছবি: নিউজবাংলা
মেয়র তাপস বলেন, ‘এডিস মশা নিধনে আমাদের কাজ চলমান। দক্ষিণ ঢাকার ৭৫টি ওয়ার্ডে ৩৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।’

আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেলের পরিচ্ছন্নতা ও খননকাজ পরিদর্শন করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

বুধবার দুপুরে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পরিদর্শনের পর মেয়র কথা বলেন উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে।

তিনি বলেন, ‘নদীমুখী ঢাকার যে গোড়াপত্তন তা আবার ফিরে আসবে। দুই-তিন বছরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ করা গেলে ঢাকার দৃশ্যপট পাল্টে যাবে। আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল ভরাট ও দখল করার আর কোনো সুযোগ থাকবে না।

‘আমরা সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার আওতায় এখন খনন করছি। দখলমুক্ত ও স্থায়ী সীমানা নির্ধারণের কাজ করছি। হাইকোর্ট ডিভিশনের রায় ছিল, তা আগে বাস্তবায়ন হয়নি। এখন আমরা মূল কাজের পাশাপাশি নান্দনিক পরিবেশ তৈরির জন্য আলাদা প্রকল্প প্রণয়নের কাজও শুরু করেছি।’

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে মেয়র তাপস বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আমরা বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন দেখছি। আমরা শুষ্ক মৌসুমে চলে এসেছি। এ সময়ে এডিস মশার প্রাদুর্ভাব থাকার কথা না। তার পরও ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে।

‘এডিস মশা নিধনে আমাদের কাজ চলমান। দক্ষিণ ঢাকার ৭৫টি ওয়ার্ডে ৩৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।’

মশার বিস্তার নিয়ে গবেষণায় যদি কোনো বরাদ্দ প্রয়োজন হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন তা করবে বলে জানান মেয়র।

এর আগে নগর ভবনের সামনের রাস্তায় চলমান উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেন মেয়র।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমেদ কায়কাউস, করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আকরামুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জাফর আহমেদ, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিনসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনরুদ্ধারে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান শুরু
চলতি মাসেই আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনর্খনন: মেয়র তাপস

মন্তব্য

p
উপরে