× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
What to do after age 50
hear-news
player
google_news print-icon

বয়স ৫০ পেরিয়ে গেলে যা করবেন

বয়স-৫০-পেরিয়ে-গেলে-যা-করবেন
সঠিক সময়ে খাবার খেতে হবে। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা একেবারেই চলবে না। অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে ভাজাভুজি এড়িয়ে চলতে হবে।

বয়স ৫০-এর দোরগোড়ায় পৌঁছে গেলে বা পেরিয়ে গেলে দৈনন্দিন জীবনে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। এতদিন যা করা হয়েছে, এখন থেকে সেসব করতে হবে বুঝেশুনে। এবিপি আনন্দের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বয়স ৫০ পেরিয়ে গেলে কী কী নিয়ম মেনে চলতে হবে। চলুন দেখে নেই।

-

খাওয়াদাওয়ার দিকে নজর

বয়স ৫০ পেরিয়ে গেলে খাওয়াদাওয়ার প্রতি নজর দিতে হবে। বেশি খেতে হবে তাজা ফল ও শাক-সবজি। সেই সঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে যাতে প্রোটিনের ঘাটতি না হয়। তাই প্রাণিজ প্রোটিন অর্থাৎ আমিষ যেমন: ডিম, দুধ, মাছ, মাংস খেতে হবে।

-

খাওয়ার সময়

সঠিক সময়ে খাবার খেতে হবে। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা একেবারেই চলবে না। অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে ভাজাভুজি এড়িয়ে চলতে হবে। অতিরিক্ত তেল-মসলা যুক্ত খাবার এবং বাইরের খাবার অর্থাৎ স্ট্রিট ফুড কিংবা জাঙ্ক ফুড না খাওয়াই ভালো। স্বাদ বদলের জন্য মাঝেমধ্যে খাওয়া যেতে পারে, তবে নিয়মিত অভ্যাস রাখা যাবে না।

-

চিনি বাদ

চায়ে চিনি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে ধীরে ধীরে তা ত্যাগ করতে হবে। চিনির পরিবর্তে মধু ব্যবহার করা যেতে পারে। অনেকে গুড় দিয়েও চা খেয়ে থাকেন। বারবার দুধ-চা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা ধীরে ধীরে কমিয়ে ফেলতে হবে। মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খেতে হবে।

-

শরীরচর্চা

নিয়মিত শরীরচর্চার করতে হবে। ভারী একসারসাইজ বা জিমে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। রোজ একটু হাঁটা, ফ্রি-হ্যান্ড একসারসাইজ সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার জন্য যথেষ্ট। এর পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।

-

অন্যান্য

শরীরে কোনো প্রয়োজনীয় উপকরণ অর্থাৎ ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন- এসবের ঘাটতি একেবারেই হতে দেয়া যাবে না। কোনো সমস্যা বুঝতে পারলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া একেবারে নিষেধ। পাশাপাশি প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম। এই ব্যাপারে অনিয়ম না করাই ভালো। দিনে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো ভীষণভাবে প্রয়োজন।

আরও পড়ুন:
ভেজা চুলে কী করা যাবে না
যে খাবার খেলে শিশুরা লম্বা হবে
ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করার উপায়
মোটরবাইক পরিষ্কার করবেন যেভাবে
শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াবেন যেভাবে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
What to keep with you when you travel

বেড়াতে গেলে সঙ্গে যা রাখবেন

বেড়াতে গেলে সঙ্গে যা রাখবেন
বেড়াতে যাওয়ার আগে ব্যাগ গোছানোর সময় প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিতে ভুলবেন না যেন। কোনও ব্যক্তি যদি নিয়মিত কোনও ওষুধ খেয়ে থাকেন, তাহলে তা অবশ্যই সঙ্গে রাখতে হবে।

কোথাও বেড়াতে গেলে জরুরি জিনিসপত্র সঙ্গে রাখতে হয়। কী সেই জিনিসগুলো? এবিপি আনন্দের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বিষয়টি। চলুন দেখে নেই।

কোথাও বেড়াতে গেলে নিজের পরিচয় পত্র সঙ্গে রাখা অত্যন্ত জরুরি। বেশিরভাগ জায়গাতেই পরিচয় পত্র ছাড়া হোটেলে রুম পাওয়া যায় না। এমনকি অনেক জায়গাতেই পরিচয়পত্র ছাড়া প্রবেশও করতে দেয়া হয় না। যদি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বেড়াতে যান, তাহলে পরিবারের সদস্যদের পরিচয়পত্রও সঙ্গে রাখতে ভুলবেন না।

বেড়াতে যাওয়ার আগে ব্যাগ গোছানোর সময় প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিতে ভুলবেন না যেন। কোনও ব্যক্তি যদি নিয়মিত কোনও ওষুধ খেয়ে থাকেন, তাহলে তা অবশ্যই সঙ্গে রাখতে হবে। এছাড়াও, জ্বর, পেট খারাপ, বমি, মাঠা ব্যথা এবং সাধারণ শারীরিক সমস্যার ওষুধও সঙ্গে রাখতে হবে।

ব্যক্তিগত পরিচ্ছ্বন্নতা বজায় রাখার সমস্ত জিনিস সঙ্গে রাখতে হবে। নিজের টুথব্রাশ, শ্যাম্পু, সাবান, ফেস ওয়াস, বডি লোশন, ক্রিম, প্রসাধনী দ্রব্য, স্যানিটারি ন্যাপকিন সঙ্গে নিতে ভুলবেন না।

অন্ধকার পথে চলার জন্য টর্চ লাইট, মোবাইল ফোনের চার্জার, পাওয়ার ব্যাঙ্ক সঙ্গে রাখতে হবে। মোবাইল ফোন চার্য দেবার জায়গা পাওয়া না গেলে পাওয়ার ব্যাংক আপনার রফোনটিকে সচল রাখবে।

যদি পাথুরে এলাকায় বেড়াতে যান, তাহলে হাইকিং শ্যু সঙ্গে রাখতে হবে। সাধারণ জুতো পরে সেখানে আপনি হাঁটাচলা করতে পারবেন না। পাশাপাশি, কোন ধরনের জায়গায় বেড়াতে যাচ্ছেন, তার উপর নির্ভর করে পোশাক সঙ্গে রাখতে হবে।

আরও পড়ুন:
ডাবের পানি পান করবেন যে কারণে
রসুনের খোসা ছাড়ানোর সহজ উপায়
স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখবেন যেভাবে
যেভাবে বুঝবেন ডেঙ্গু হয়েছে
এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস করবেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
Thats why you drink bottled water

ডাবের পানি পান করবেন যে কারণে

ডাবের পানি পান করবেন যে কারণে
আমাদের শরীরে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। নিয়াসিন রাইবোফ্লবিন, থিয়ামিন ও পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারী উপাদানে ভরপুর ডাবের পানি। প্রতিদিন এই পানি পান করলে শরীরের ভেতরের শক্তি বৃদ্ধি পায়।

সহজলভ্য ফলের মধ্যে ডাব অন্যতম। ডাবের পানির উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ প্রচুর। হেলথলাইন ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ডাবের পানির উপকারিতার কথা। চলুন দেখে নেই।

-

ডাবের পানিতে ক্যালসিয়াম, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাসের উপস্থিতি উচ্চমাত্রায়। এসব খনিজ লবণ আমাদের দাঁতের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়। দাঁত ও মাড়িকে করে মজবুত। অনেকের দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে, মাড়ি কালচে লাল হয়ে যায়। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ দেয় খনিজ লবণ।

আমাদের দেহে ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়ামের অভাব হলে কিংবা নানা ধরনের অসুখ-বিসুখ হলে ডাক্তার ডাবের পানি পান করার পরামর্শ দেন৷ এর কারণ ডায়রিয়া বা কলেরা রোগীদের ঘনঘন পাতলা পায়খানা ও বমি হয়। ফলে দেহে পানি ও খনিজ পদার্থের ঘাটতি দেখা যায়৷ এই ঘাটতি পূরণের জন্য ডাবের পানি অনেকাংশেই কাজ করে।

আমাদের শরীরে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। নিয়াসিন রাইবোফ্লবিন, থিয়ামিন ও পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারী উপাদানে ভরপুর ডাবের পানি। প্রতিদিন এই পানি পান করলে শরীরের ভেতরের শক্তি বৃদ্ধি পায়। ফলে জীবাণুর বিরুদ্ধে শরীর ভালোভাবে কাজ করে।

গ্রীষ্মকালীন গরমে ছোট-বড় সবারই দেহের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ফলে ত্বকে ফুটে ওঠে লালচে কালো ভাব। ডাবের পানি দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা কমিয়ে শরীরকে রাখে ঠান্ডা। তারুণ্য ধরে রাখতে এর অবদান অনেক। ডাবের পানি যেকোনো কোমল পানীয় থেকে অধিক পুষ্টিসমৃদ্ধ। এর কারণ এটি চর্বিবিহীন পানীয়। ডাবের পানি সামান্য মিষ্টি হওয়া সত্ত্বেও ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপকারী।

যাদের মুখে জলবসন্তের দাগসহ বিভিন্ন ছোট ছোট দাগ রয়েছে ,তারা সকালে ডাবের পানি মুখে লাগালে দাগ চলে যায় এবং মুখের লাবণ্য ও উজ্জ্বলতা ফিরে আসে।

ডাবের পানিতে আছে সাইটোকিনিস নামে একটি অ্যান্টি-এজিং উপাদান, যা শরীরের ওপর বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।

ডাবের পানিতে বিদ্যমান অ্যামাইনো অ্যাসিড ও ডায়াটারি ফাইবার ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

আরও পড়ুন:
যে সুপার ফুডগুলো শিশুর দ্রুত বৃদ্ধি ঘটায়
বয়স ৫০ পেরিয়ে গেলে যা করবেন
কলার নানা উপকারী দিক
খাঁটি ঘি চেনার উপায়
খালি পেটে যা খাওয়া যাবে না

মন্তব্য

জীবনযাপন
Easy way to peel garlic

রসুনের খোসা ছাড়ানোর সহজ উপায়

রসুনের খোসা ছাড়ানোর সহজ উপায়
রসুনের কোয়াগুলোকে ছুরির সাহায্যে দুই টুকরা করে কেটে নিন। এবার খুব সহজেই খোসা ছাড়িয়ে ফেলতে পারবেন।

খাবারে বাড়তি স্বাদ আনে রসুন। তা ছাড়া এটা শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। সমস্যা হচ্ছে রসুনের খোসা নিয়ে। এর খোসা ছাড়ানো বেশ কঠিন। আজ আপনাদের জন্য থাকছে এমন কিছু টিপস, যার মাধ্যমে সহজেই রসুনের খোসা ছাড়াতে পারবেন। চলুন দেখে নেই।

-

যখন বাজার থেকে রসুন কিনবেন, তখন খেয়াল রাখতে হবে যেন রসুনের কোয়াগুলো বড় এবং পরিষ্কার হয়।

একটা বড় পাত্রে রসুনের কোয়াগুলো নিন। ঢাকনা দিয়ে পাত্রের মুখ বন্ধ করে ঝাঁকাতে থাকুন। ভালো করে কয়েকবার ঝাঁকানোর পর ঢাকনি সরিয়ে ফেলুন। এবার দেখুন রসুনের খোসা কত সহজেই ছাড়িয়ে ফেলা যাচ্ছে।

রসুনের খোসা ছাড়ানোর সহজ উপায়

হালকা গরম পানি নিন। তাতে রসুনের কোয়াগুলো দিয়ে মিনিট দশেক অপেক্ষা করুন। সময় শেষ হওয়ার পর হালকা হাতে রসুনের খোসা ছাড়ান। দেখতে পাবেন কত সহজেই খোসা উঠে আসছে।

-

ভারী কিছু দিয়ে রসুনের কোয়াগুলোকে থেঁতলে দিন। তাহলে খুব সহজেই খোসা ছেড়ে যাবে রসুন থেকে।

-

রসুনের কোয়াগুলোকে ছুরির সাহায্যে দুই টুকরা করে কেটে নিন। এবার খুব সহজেই খোসা ছাড়িয়ে ফেলতে পারবেন।

-

ছুরি হোক কিংবা ব্লেড, যেকোনো কিছু দিয়েই রসুনের খোসা ছাড়িয়ে ফেলা সম্ভব। ছুরির ধারালো অংশ দিয়ে রসুনের মাথার দিকটা অল্প করে কেটে দিন। এবার সেই অংশে চাপ দিলেই খোসা থেকে রসুন আলাদা হয়ে যাবে খুব সহজেই।

-

যেভাবে আমরা রুটি বেলে থাকি, সেভাবেই রসুনের কোয়াগুলোকে বেলুনের সাহায্যে বা অন্য কিছুর সাহায্যে হালকা করে বেলে নিন। খেয়াল রাখতে হবে রসুন যেন থেঁতলে না যায়। এবার রসুন থেকে খোসা খুব সহজেই আলাদা করতে পারবেন।

আরও পড়ুন:
বয়স ৫০ পেরিয়ে গেলে যা করবেন
কলার নানা উপকারী দিক
খাঁটি ঘি চেনার উপায়
খালি পেটে যা খাওয়া যাবে না
শিশুর দাঁতের যত্ন নেবেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
How to keep your smartphone battery good

স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখবেন যেভাবে

স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখবেন যেভাবে
অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোনে সব সময় কিছু না কিছু অ্যাপ কাজ করতে থাকে। তাছাড়া কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড ফাংশন, যেগুলোর দরকার নেই সেগুলো ফোনের চার্জ ব্যবহার করতে থাকে। ব্যাটারি অপ্টিমাইজেশন অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপগুলো বন্ধ করা যায়।

স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখতে চাইলে কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। নইলে দ্রুত মোবাইলের ব্যাটারি খারাপ হয়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক। অ্যানড্রয়েড অথরিটি ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার উপায়। চলুন দেখে নেই।

-

মোবাইল কখন চার্জ দিতে হবে

মোবাইলে ৫০ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে চার্জ থাকা ভালো। চার্যের পরিমাণ ৫০ শতাংশের চেয়ে কমে গেলে চার্য দিতে হবে। তবে চার্য ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ হয়ে গেলে চার্যার খুলে ফেলবেন।

-

চার্জ ২০ শতাংশের কম নয়

স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ ২০ শতাংশ থেকে কমে না যায়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। শুধু তা-ই নয়, ২০ শতাংশ থেকে কমে যাবার আগেই ফোন চার্জে দিতে হবে।

-

১০০ শতাংশ চার্য নয়

স্মার্টফোনের ব্যাটারি ১০০ শতাংশ চার্জ না দেয়াই ভালো। তবে মাসে সর্বোচ্চ দুই বার ০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত চার্য দেয়া যেতে পারে। কিছু গবেষণায় এটা ব্যাটারির জন্য ভালো বলে প্রমাণিত হয়েছে।

-

চার্জিং অবস্থায় স্মার্টফোন ব্যবহার

স্মার্টফোন চার্জ হতে থাকা অবস্থায় ব্যবহার না করাই ভালো। এতে ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাটারি বিস্ফোরণের নজিরও পাওয়া যায়।

-

ব্যাটারি অপ্টিমাইজেশন অ্যাপ ব্যবহার

অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোনে সব সময় কিছু না কিছু অ্যাপ কাজ করতে থাকে। তাছাড়া কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড ফাংশন, যেগুলোর দরকার নেই সেগুলো ফোনের চার্জ ব্যবহার করতে থাকে। ব্যাটারি অপ্টিমাইজেশন অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপগুলো বন্ধ করা যায়। ফলে ব্যাটারির চার্জ থাকে দীর্ঘ সময়। এ রকম কিছু অ্যাপ হলো ব্যাটারি ডক্টর, ক্যাসপারস্কাই ব্যাটারি লাইফ, ব্যাটারি পিআই অ্যান্ড অপ্টিমাইজেশন।

-

সারারাত স্মার্টফোন চার্জ দেয়া

সারা রাতের জন্য ফোন চার্জে লাগিয়ে রাখাটা ব্যাটারির জন্য ক্ষতিকর। যতটুকু চার্জের প্রয়োজন, তার থেকে বেশি পরিমাণে চার্জে দিয়ে রাখলে ব্যাটারিতে তার খারাপ প্রভাব পড়ে এবং চার্জের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তাই সারা রাত মোবাইল চার্জে লাগিয়ে রাখবেন না।

-

যেকোনো চার্জার বা পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহার

অন্য ব্র্যান্ড বা মডেলের চার্জার এবং পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহার করলে স্মার্টফোনের ক্ষতি হতে পারে। এতে ব্যাটারির আয়ু কমে যায়। অনেক ক্ষেত্রে সস্তা চার্জার ব্যবহার করার ফলে ব্যাটারিতে আগুন পর্যন্ত লেগে যাওয়ার ইতিহাস আছে। তাই এ ধরনের কাজ এড়িয়ে চলতে হবে।

আরও পড়ুন:
কলার নানা উপকারী দিক
খাঁটি ঘি চেনার উপায়
খালি পেটে যা খাওয়া যাবে না
শিশুর দাঁতের যত্ন নেবেন যেভাবে
স্মার্টফোন হ্যাক হয়েছে বুঝবেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
How to understand dengue

যেভাবে বুঝবেন ডেঙ্গু হয়েছে

যেভাবে বুঝবেন ডেঙ্গু হয়েছে
প্রথম ক্যাটাগরির রোগীরা নরমাল থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী 'এ' ক্যাটাগরির। তাদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ থাকে। কারণ এই সময়ে এডিস মশার বিস্তার ঘটে। কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে ডেঙ্গুর সময়কাল আরো এগিয়ে এসেছে। এখন জুন মাস থেকেই ডেঙ্গুর সময় শুরু হয়ে যাচ্ছে।

বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কীভাবে বুঝবেন ডেঙ্গু হয়েছে। চলুন দেখে নেই।

-

ডেঙ্গুর জন্য দায়ী এডিস মশা অন্ধকারে কামড়ায় না। সাধারণত সকালের দিকে এবং সন্ধ্যার কিছু আগে এডিস মশা তৎপর হয়ে ওঠে। সব এডিস মশার আক্রমণে ডেঙ্গু হয় না। যেসব মশা ডেঙ্গুর জীবাণু বহন করে, শুধু সেসব মশার কামড়ে ডেঙ্গু হয়।

সাধারণভাবে ডেঙ্গুর লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। ১০১ ডিগ্রি থেকে ১০২ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকতে পারে। জ্বর একটানা থাকতে পারে, আবার ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেয়ার পর আবারও জ্বর আসতে পারে। এর সঙ্গে শরীরে ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ (র‌্যাশ) হতে পারে। তবে এগুলো না থাকলেও ডেঙ্গু হতে পারে।

ডেঙ্গুর তিনটি ভাগ রয়েছে। এ ভাগগুলো হচ্ছে- ‌'এ', 'বি' ও 'সি'।

প্রথম ক্যাটাগরির রোগীরা নরমাল থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী 'এ' ক্যাটাগরির। তাদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

'বি' ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীদের সবই স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু শরীরে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন: তার পেটে ব্যথা হতে পারে, বমি হতে পারে প্রচুর কিংবা সে কিছুই খেতে পারছে না। অনেক সময় দেখা যায়, দুই দিন জ্বরের পর শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াই ভালো।

'সি' ক্যাটাগরির ডেঙ্গু সবচেয়ে খারাপ। কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউর প্রয়োজন হতে পারে।

আরও পড়ুন:
খাঁটি ঘি চেনার উপায়
খালি পেটে যা খাওয়া যাবে না
শিশুর দাঁতের যত্ন নেবেন যেভাবে
স্মার্টফোন হ্যাক হয়েছে বুঝবেন যেভাবে
ভেজা চুলে কী করা যাবে না

মন্তব্য

জীবনযাপন
How to destroy Aedes mosquito larvae

এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস করবেন যেভাবে

এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস করবেন যেভাবে
স্থির পানিতে আপেল সিডার ভিনিগার ঢেলে মশার লার্ভা ধ্বংস করা যায়। তবে এর ফল পেতে কমপক্ষে ১৮ ঘণ্টা সময় লাগে।

জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করে। বৃষ্টির পানি, ফেলে দেয়া প্লাস্টিকের ব্যাগ, টিনের কৌটা, ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের বোতলসহ যেখানেই পানি জমে, সেখানেই ডিম পারে এডিস মশা। চাইলেই হাতের কাছে থাকা উপাদান দিয়ে মশার লার্ভা ধ্বংস করা যায়। চলুন সেই উপায়গুলো দেখে নিই।

-

১. কাপড় ধোয়ার বল সাবান অথবা গুঁড়া সাবান ৫ লিটার পানিতে গুলিয়ে সেই পানি মশার লার্ভা আছে এমন পাত্র অথবা গর্তের পানিতে মিশিয়ে দিলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মশার লার্ভা মারা যাবে। ডিটারজেন্ট লার্ভিসাইডাল হিসেবে কাজ করে এবং লার্ভার খাদ্য নষ্ট করে দেয়।

২. পানিতে তেলের একটি পাতলা আবরণ দেয়া হলে মশার লার্ভা দ্রুত মারা যায়। এ জন্য প্রাকৃতিক কিছু তেল যেমন- অলিভ অয়েল, ভেজিটেবল অয়েল ও কেরোসিন ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রতি গ্যালন পানিতে এক টেবিল চামচ তেল ব্যবহার করতে হবে। তবে এই তেল পুকুর কিংবা মাছ থাকে এমন জলাশয়ে ব্যবহার না করাই ভালো।

৩. স্থির পানিতে আপেল সিডার ভিনিগার ঢেলে মশার লার্ভা ধ্বংস করা যায়। তবে এর ফল পেতে কমপক্ষে ১৮ ঘণ্টা সময় লাগে। এই মিশ্রণটি তৈরি করতে ৮৫ ভাগ পানির সঙ্গে ১৫ ভাগ আপেল সিডার ভিনিগার মেশাতে হবে।

৪. ব্লিচিং পাউডার মশার লার্ভা ধ্বংসের জন্য কার্যকর। এক গ্যালন পানিতে এক চামচ ব্লিচিং পাউডার দিয়ে দ্রবণ তৈরি করতে হবে। জমে থাকা পানিতে সেই মিশ্রণ ঢেলে দিলে লার্ভা ধ্বংস হবে।

আরও পড়ুন:
খালি পেটে যা খাওয়া যাবে না
শিশুর দাঁতের যত্ন নেবেন যেভাবে
স্মার্টফোন হ্যাক হয়েছে বুঝবেন যেভাবে
ভেজা চুলে কী করা যাবে না
যে খাবার খেলে শিশুরা লম্বা হবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
Home Remedies to Remove Dark Circles

ডার্ক সার্কেল দূর করার ঘরোয়া উপায়

ডার্ক সার্কেল দূর করার ঘরোয়া উপায়
কমলা লেবুর খোসা রোদে শুকিয়ে পিষে নিন। এই পাউডারে অল্প পরিমাণ গোলাপ জল দিয়ে চোখে লাগালে ডার্ক সার্কেল দূর হবে।

চেহারার সৌন্দর্য এক নিমেষে ম্লান করে দেয় চোখের নিচে থাকা ডার্ক সার্কেল বা কালো দাগের কারণে। এই দাগের কারণে বয়সের তুলনায় বেশি বয়স্ক দেখায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, অত্যধিক সূর্যের আলোর মধ্যে থাকা, চিন্তা, অবসাদ, দেরি করে রাতে ঘুমানোর অভ্যাস, অ্যালার্জির সমস্যা, অতিরিক্ত অথবা খুব কম ঘুমের কারণে চোখের নিচে কালি পড়ার সমস্যা দেখা দেয়। হেলথ লাইন ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ডার্ক সার্কেল দূর করার উপায়। চলুন দেখে নেই।

-

টম্যাটো

ডার্ক সার্কেল দূর করতে টম্যাটো সবচেয়ে কার্যকর। এটি প্রাকৃতিক উপায়ে চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে কাজ করে। পাশাপাশি এটি ব্যবহারে ত্বক থাকে কোমল ও সতেজ। টম্যাটোর রসে কয়েক ফোঁটা লেবু মিশিয়ে লাগালে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।

-

আলু

ডার্ক সার্কেল দূর করতে আলুও ব্যবহার করতে পারেন। আলুর রসের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবু মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি তুলোর সাহায্যে চোখের নিচে লাগালে কালো দাগ দূর হবে।

-

টি-ব্যাগ

ঠান্ডা টি-ব্যাগ ব্যবহার করলে ডার্ক সার্কেল দ্রুত দূর হয়। টি ব্যাগ কিছুক্ষণ পানিতে ডুবিয়ে রাখুন। ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য ফ্রিজে রেখে দিন। কিছুক্ষণ পর বের করে চোখে আলতো করে লাগান। এভাবে প্রতিদিন ১০ মিনিট করলে উপকার মিলবে।

-

দুধের সর

চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে ঠান্ডা দুধের সর দারুণ কার্যকর। দুধের সর নিন। তুলোর সাহায্যে চোখের নিচে লাগান। দিনে দুইবার এটি করলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।

-

কমলা লেবু

কমলা লেবুর খোসা রোদে শুকিয়ে পিষে নিন। এই পাউডারে অল্প পরিমাণ গোলাপ জল দিয়ে চোখে লাগালে ডার্ক সার্কেল দূর হবে।

আরও পড়ুন:
শিশুর দাঁতের যত্ন নেবেন যেভাবে
স্মার্টফোন হ্যাক হয়েছে বুঝবেন যেভাবে
ভেজা চুলে কী করা যাবে না
যে খাবার খেলে শিশুরা লম্বা হবে
ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করার উপায়

মন্তব্য

p
উপরে