× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
How to increase the childs memory
hear-news
player
print-icon

শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াবেন যেভাবে

শিশুর-স্মৃতিশক্তি-বাড়াবেন-যেভাবে
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য দরকার পর্যাপ্ত ঘুম। শিশু যেন প্রতিদিন ৮-১০ ঘণ্টা গভীর ঘুম দিতে পারে, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।

শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ ঠিকমতো না হলে তা স্মৃতিশক্তি সেভাবে গড়ে ওঠে না। দুর্বল স্মৃতিশক্তির শিশুকে স্কুলে, খেলার মাঠে, বাসায় মোটকথা সব জায়গাতেই অনেক পরিশ্রম করতে হয়। এতে তার আত্মবিশ্বাস দিন দিন কমতে থাকে।

তবে এমন কিছু উপায় আছে যার মাধ্যমে শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে তোলা সম্ভব। যদি শিশুটির বিশেষ কোনো সমস্যা না থাকে তবে এই টিপসগুলো তার স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্ককে আরও তীক্ষ্ণ করতে সাহায্য করবে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে পুরো ব্যাপারটি। চলুন দেখে নেই।

-

মেমরি-বুস্টিং গেম

শিশুর স্মৃতিশক্তি এবং জ্ঞানবৃদ্ধির মজার ও চ্যালেঞ্জিং উপায় হলো মেমরি গেম খেলা। এগুলো নিজেদের তৈরি গেম হতে পারে এবং যেকোনো জায়গায় খেলা যেতে পারে। যেমন- বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বোর্ড গেম বা একা অথবা বন্ধুদের সঙ্গে অনলাইন গেমও হতে পারে।

তবে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে, আপনার সন্তান কোন ধরনের গেম খেলছে। প্রয়োজনে আপনি তাকে কিছু গেম নির্বাচনে সহায়তা করুন। এগুলো খেললে তার মস্তিষ্ক আরও সাড়া দেবে এবং যেকোনো তথ্য সঠিকভাবে মনে রাখার ক্ষমতা বাড়াবে।

-

চাপ ছাড়াই শেখা

এটি বিশেষ করে স্কুলে শেখার জন্য প্রযোজ্য। প্রতিটি শিশুরই শেখার নিজস্ব পদ্ধতি থাকতে পারে। তাই অভিভাবকদের উচিত পাঠ্যবইগুলো বুঝে ওঠার জন্য তাকে পর্যাপ্ত সময় দেয়া এবং নতুন কিছু শেখার সময় কোনো ধরনের চাপ না দেয়া। না পারলেও তাকে চাপ দিতে যাবেন না। এতে সে হীনম্মন্যতায় ভুগতে পারে। এর পরিবর্তে তার কৌতূহলকে বাড়িয়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে। তাকে উৎসাহিত করতে হবে। তার সামনে নতুন নতুন জিনিস শেখার আগ্রহ তৈরি করতে হবে।

-

পর্যাপ্ত ঘুম

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য দরকার পর্যাপ্ত ঘুম। শিশু যেন প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা গভীর ঘুম দিতে পারে, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। শিশুর জন্য ঘুমের সময়সূচি রাখা যেতে পারে। খেয়াল রাখতে হবে, সে যেন সময়মতো বিছানায় যায়। তাহলে পরের দিন স্কুলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে পারবে। প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেসে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, সকালে দেখা কার্টুনগুলো মনে রাখতে বিকেলের ঘুম শিশুদের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ অবদান রাখে।

-

সবুজ শাক-সবজি

শিশুর খাদ্যতালিকায় ভিটামিন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, খনিজ ও ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। এগুলো শিশুর পুষ্টির উৎস। এ, বি, সি, ই এবং কে ভিটামিন একটি শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সবজির মধ্যে পালং শাক, ধনেপাতা, পুদিনা পাতা, সরিষার পাতা, লেটুস, বিটরুট পাতা ইত্যাদি রাখতে পারেন। এগুলো যেন সে খায়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

-

বাদাম ও বীজ

সারা দিন উদ্যমী থাকার জন্য শিশুর পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাদের ডায়েটে বাদাম এবং বিভিন্ন ধরনের বীজ অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এগুলো শক্তি সরবরাহ করে এবং মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে সহায়তা করে। আখরোটে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সহায়তা করে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ২৮ দিন নির্দিষ্ট সময়ে বাদাম খেলে যেকোনো ঘটনা মনে রাখতে উল্লেখযোগ্যভাবে ভূমিকা রাখে। অন্যান্য স্বাস্থ্যকর বাদামের মধ্যে আছে- চিনাবাদাম, পেস্তা ও কাজু, যা পুষ্টি এবং স্বাস্থ্যকর চর্বিতে ভরপুর। কুমড়োর বীজ, চিয়া বীজ, তিল, সূর্যমুখী বীজ এবং ফ্ল্যাক্সসিডের অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান শিশুদের জ্ঞান বিকাশকে উন্নত করে। এগুলো সরাসরি খাওয়া যেতে পারে বা কেক, মিল্কশেক, ক্ষীর ইত্যাদিতে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

-

মাছ ও ডিম

আমাদের মস্তিষ্ক ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ডিএইচএর মতো চর্বি দিয়ে গঠিত, যা বেশির ভাগই ডিমের কুসুম এবং স্যামনের মতো মাছে পাওয়া যায়। এই সুপারফুডগুলো মস্তিষ্ক এবং স্নায়ু কোষগুলো সক্রিয় রাখে। পাশাপাশি শেখার শক্তি এবং স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে তোলে। শিশু যদি নিরামিষ খাবার খায়- তবে এগুলো তাদের নিয়মিত ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

আরও পড়ুন:
শিশুর আঙুল চোষার অভ্যাস ছাড়াবেন যেভাবে
জ্বালানি তেল খরচ কমাবেন যেভাবে
নিত্যপণ্যের খরচ কমাবেন যেভাবে
ইলিশ মাছ কেন খাবেন
কানে কিছু ঢুকে গেলে যা করবেন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
How to keep your smartphone battery good

স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখবেন যেভাবে

স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখবেন যেভাবে
অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোনে সব সময় কিছু না কিছু অ্যাপ কাজ করতে থাকে। তাছাড়া কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড ফাংশন, যেগুলোর দরকার নেই সেগুলো ফোনের চার্জ ব্যবহার করতে থাকে। ব্যাটারি অপ্টিমাইজেশন অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপগুলো বন্ধ করা যায়।

স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখতে চাইলে কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। নইলে দ্রুত মোবাইলের ব্যাটারি খারাপ হয়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক। অ্যানড্রয়েড অথরিটি ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার উপায়। চলুন দেখে নেই।

-

মোবাইল কখন চার্জ দিতে হবে

মোবাইলে ৫০ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে চার্জ থাকা ভালো। চার্যের পরিমাণ ৫০ শতাংশের চেয়ে কমে গেলে চার্য দিতে হবে। তবে চার্য ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ হয়ে গেলে চার্যার খুলে ফেলবেন।

-

চার্জ ২০ শতাংশের কম নয়

স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ ২০ শতাংশ থেকে কমে না যায়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। শুধু তা-ই নয়, ২০ শতাংশ থেকে কমে যাবার আগেই ফোন চার্জে দিতে হবে।

-

১০০ শতাংশ চার্য নয়

স্মার্টফোনের ব্যাটারি ১০০ শতাংশ চার্জ না দেয়াই ভালো। তবে মাসে সর্বোচ্চ দুই বার ০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত চার্য দেয়া যেতে পারে। কিছু গবেষণায় এটা ব্যাটারির জন্য ভালো বলে প্রমাণিত হয়েছে।

-

চার্জিং অবস্থায় স্মার্টফোন ব্যবহার

স্মার্টফোন চার্জ হতে থাকা অবস্থায় ব্যবহার না করাই ভালো। এতে ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাটারি বিস্ফোরণের নজিরও পাওয়া যায়।

-

ব্যাটারি অপ্টিমাইজেশন অ্যাপ ব্যবহার

অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোনে সব সময় কিছু না কিছু অ্যাপ কাজ করতে থাকে। তাছাড়া কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড ফাংশন, যেগুলোর দরকার নেই সেগুলো ফোনের চার্জ ব্যবহার করতে থাকে। ব্যাটারি অপ্টিমাইজেশন অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপগুলো বন্ধ করা যায়। ফলে ব্যাটারির চার্জ থাকে দীর্ঘ সময়। এ রকম কিছু অ্যাপ হলো ব্যাটারি ডক্টর, ক্যাসপারস্কাই ব্যাটারি লাইফ, ব্যাটারি পিআই অ্যান্ড অপ্টিমাইজেশন।

-

সারারাত স্মার্টফোন চার্জ দেয়া

সারা রাতের জন্য ফোন চার্জে লাগিয়ে রাখাটা ব্যাটারির জন্য ক্ষতিকর। যতটুকু চার্জের প্রয়োজন, তার থেকে বেশি পরিমাণে চার্জে দিয়ে রাখলে ব্যাটারিতে তার খারাপ প্রভাব পড়ে এবং চার্জের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তাই সারা রাত মোবাইল চার্জে লাগিয়ে রাখবেন না।

-

যেকোনো চার্জার বা পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহার

অন্য ব্র্যান্ড বা মডেলের চার্জার এবং পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহার করলে স্মার্টফোনের ক্ষতি হতে পারে। এতে ব্যাটারির আয়ু কমে যায়। অনেক ক্ষেত্রে সস্তা চার্জার ব্যবহার করার ফলে ব্যাটারিতে আগুন পর্যন্ত লেগে যাওয়ার ইতিহাস আছে। তাই এ ধরনের কাজ এড়িয়ে চলতে হবে।

আরও পড়ুন:
কলার নানা উপকারী দিক
খাঁটি ঘি চেনার উপায়
খালি পেটে যা খাওয়া যাবে না
শিশুর দাঁতের যত্ন নেবেন যেভাবে
স্মার্টফোন হ্যাক হয়েছে বুঝবেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
How to understand dengue

যেভাবে বুঝবেন ডেঙ্গু হয়েছে

যেভাবে বুঝবেন ডেঙ্গু হয়েছে
প্রথম ক্যাটাগরির রোগীরা নরমাল থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী 'এ' ক্যাটাগরির। তাদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ থাকে। কারণ এই সময়ে এডিস মশার বিস্তার ঘটে। কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে ডেঙ্গুর সময়কাল আরো এগিয়ে এসেছে। এখন জুন মাস থেকেই ডেঙ্গুর সময় শুরু হয়ে যাচ্ছে।

বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কীভাবে বুঝবেন ডেঙ্গু হয়েছে। চলুন দেখে নেই।

-

ডেঙ্গুর জন্য দায়ী এডিস মশা অন্ধকারে কামড়ায় না। সাধারণত সকালের দিকে এবং সন্ধ্যার কিছু আগে এডিস মশা তৎপর হয়ে ওঠে। সব এডিস মশার আক্রমণে ডেঙ্গু হয় না। যেসব মশা ডেঙ্গুর জীবাণু বহন করে, শুধু সেসব মশার কামড়ে ডেঙ্গু হয়।

সাধারণভাবে ডেঙ্গুর লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। ১০১ ডিগ্রি থেকে ১০২ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকতে পারে। জ্বর একটানা থাকতে পারে, আবার ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেয়ার পর আবারও জ্বর আসতে পারে। এর সঙ্গে শরীরে ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ (র‌্যাশ) হতে পারে। তবে এগুলো না থাকলেও ডেঙ্গু হতে পারে।

ডেঙ্গুর তিনটি ভাগ রয়েছে। এ ভাগগুলো হচ্ছে- ‌'এ', 'বি' ও 'সি'।

প্রথম ক্যাটাগরির রোগীরা নরমাল থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী 'এ' ক্যাটাগরির। তাদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

'বি' ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীদের সবই স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু শরীরে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন: তার পেটে ব্যথা হতে পারে, বমি হতে পারে প্রচুর কিংবা সে কিছুই খেতে পারছে না। অনেক সময় দেখা যায়, দুই দিন জ্বরের পর শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াই ভালো।

'সি' ক্যাটাগরির ডেঙ্গু সবচেয়ে খারাপ। কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউর প্রয়োজন হতে পারে।

আরও পড়ুন:
খাঁটি ঘি চেনার উপায়
খালি পেটে যা খাওয়া যাবে না
শিশুর দাঁতের যত্ন নেবেন যেভাবে
স্মার্টফোন হ্যাক হয়েছে বুঝবেন যেভাবে
ভেজা চুলে কী করা যাবে না

মন্তব্য

জীবনযাপন
How to destroy Aedes mosquito larvae

এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস করবেন যেভাবে

এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস করবেন যেভাবে
স্থির পানিতে আপেল সিডার ভিনিগার ঢেলে মশার লার্ভা ধ্বংস করা যায়। তবে এর ফল পেতে কমপক্ষে ১৮ ঘণ্টা সময় লাগে।

জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করে। বৃষ্টির পানি, ফেলে দেয়া প্লাস্টিকের ব্যাগ, টিনের কৌটা, ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের বোতলসহ যেখানেই পানি জমে, সেখানেই ডিম পারে এডিস মশা। চাইলেই হাতের কাছে থাকা উপাদান দিয়ে মশার লার্ভা ধ্বংস করা যায়। চলুন সেই উপায়গুলো দেখে নিই।

-

১. কাপড় ধোয়ার বল সাবান অথবা গুঁড়া সাবান ৫ লিটার পানিতে গুলিয়ে সেই পানি মশার লার্ভা আছে এমন পাত্র অথবা গর্তের পানিতে মিশিয়ে দিলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মশার লার্ভা মারা যাবে। ডিটারজেন্ট লার্ভিসাইডাল হিসেবে কাজ করে এবং লার্ভার খাদ্য নষ্ট করে দেয়।

২. পানিতে তেলের একটি পাতলা আবরণ দেয়া হলে মশার লার্ভা দ্রুত মারা যায়। এ জন্য প্রাকৃতিক কিছু তেল যেমন- অলিভ অয়েল, ভেজিটেবল অয়েল ও কেরোসিন ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রতি গ্যালন পানিতে এক টেবিল চামচ তেল ব্যবহার করতে হবে। তবে এই তেল পুকুর কিংবা মাছ থাকে এমন জলাশয়ে ব্যবহার না করাই ভালো।

৩. স্থির পানিতে আপেল সিডার ভিনিগার ঢেলে মশার লার্ভা ধ্বংস করা যায়। তবে এর ফল পেতে কমপক্ষে ১৮ ঘণ্টা সময় লাগে। এই মিশ্রণটি তৈরি করতে ৮৫ ভাগ পানির সঙ্গে ১৫ ভাগ আপেল সিডার ভিনিগার মেশাতে হবে।

৪. ব্লিচিং পাউডার মশার লার্ভা ধ্বংসের জন্য কার্যকর। এক গ্যালন পানিতে এক চামচ ব্লিচিং পাউডার দিয়ে দ্রবণ তৈরি করতে হবে। জমে থাকা পানিতে সেই মিশ্রণ ঢেলে দিলে লার্ভা ধ্বংস হবে।

আরও পড়ুন:
খালি পেটে যা খাওয়া যাবে না
শিশুর দাঁতের যত্ন নেবেন যেভাবে
স্মার্টফোন হ্যাক হয়েছে বুঝবেন যেভাবে
ভেজা চুলে কী করা যাবে না
যে খাবার খেলে শিশুরা লম্বা হবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
Home Remedies to Remove Dark Circles

ডার্ক সার্কেল দূর করার ঘরোয়া উপায়

ডার্ক সার্কেল দূর করার ঘরোয়া উপায়
কমলা লেবুর খোসা রোদে শুকিয়ে পিষে নিন। এই পাউডারে অল্প পরিমাণ গোলাপ জল দিয়ে চোখে লাগালে ডার্ক সার্কেল দূর হবে।

চেহারার সৌন্দর্য এক নিমেষে ম্লান করে দেয় চোখের নিচে থাকা ডার্ক সার্কেল বা কালো দাগের কারণে। এই দাগের কারণে বয়সের তুলনায় বেশি বয়স্ক দেখায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, অত্যধিক সূর্যের আলোর মধ্যে থাকা, চিন্তা, অবসাদ, দেরি করে রাতে ঘুমানোর অভ্যাস, অ্যালার্জির সমস্যা, অতিরিক্ত অথবা খুব কম ঘুমের কারণে চোখের নিচে কালি পড়ার সমস্যা দেখা দেয়। হেলথ লাইন ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ডার্ক সার্কেল দূর করার উপায়। চলুন দেখে নেই।

-

টম্যাটো

ডার্ক সার্কেল দূর করতে টম্যাটো সবচেয়ে কার্যকর। এটি প্রাকৃতিক উপায়ে চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে কাজ করে। পাশাপাশি এটি ব্যবহারে ত্বক থাকে কোমল ও সতেজ। টম্যাটোর রসে কয়েক ফোঁটা লেবু মিশিয়ে লাগালে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।

-

আলু

ডার্ক সার্কেল দূর করতে আলুও ব্যবহার করতে পারেন। আলুর রসের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবু মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি তুলোর সাহায্যে চোখের নিচে লাগালে কালো দাগ দূর হবে।

-

টি-ব্যাগ

ঠান্ডা টি-ব্যাগ ব্যবহার করলে ডার্ক সার্কেল দ্রুত দূর হয়। টি ব্যাগ কিছুক্ষণ পানিতে ডুবিয়ে রাখুন। ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য ফ্রিজে রেখে দিন। কিছুক্ষণ পর বের করে চোখে আলতো করে লাগান। এভাবে প্রতিদিন ১০ মিনিট করলে উপকার মিলবে।

-

দুধের সর

চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে ঠান্ডা দুধের সর দারুণ কার্যকর। দুধের সর নিন। তুলোর সাহায্যে চোখের নিচে লাগান। দিনে দুইবার এটি করলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।

-

কমলা লেবু

কমলা লেবুর খোসা রোদে শুকিয়ে পিষে নিন। এই পাউডারে অল্প পরিমাণ গোলাপ জল দিয়ে চোখে লাগালে ডার্ক সার্কেল দূর হবে।

আরও পড়ুন:
শিশুর দাঁতের যত্ন নেবেন যেভাবে
স্মার্টফোন হ্যাক হয়েছে বুঝবেন যেভাবে
ভেজা চুলে কী করা যাবে না
যে খাবার খেলে শিশুরা লম্বা হবে
ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করার উপায়

মন্তব্য

জীবনযাপন
Super foods that make baby grow faster

যে সুপার ফুডগুলো শিশুর দ্রুত বৃদ্ধি ঘটায়

যে সুপার ফুডগুলো শিশুর দ্রুত বৃদ্ধি ঘটায়
শিশুকে মিষ্টি আলু দেওয়া উচিত। এতে ফাইবার, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন এ থাকে, যা শিশুকে শক্তি জোগায়।

এমন কিছু সুপার ফুড আছে যেগুলো দ্রুত শিশুর শারীরিক ও মানসিক উন্নতি ঘটায়। নিউজ এইটটিনের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বিষয়টি। চলুন দেখে নেই সেগুলো কী কী।

-

ফল ও শাক-সবজি

প্রথম থেকেই শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফল ও শাক-সবজি খাওয়ান। শারীরিক ও মস্তিষ্কের উন্নতির জন্য পুষ্টির প্রয়োজন পড়ে, তা মেলে ফল ও শাক-সবজি থেকে। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শিশুকে রোগ ও সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

-

ডিম

এক বছর বয়সের পর থেকেই শিশুর খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে ডিম। এতে রয়েছে প্রোটিন, ভিটামিন বি ও ডি, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ফলিক অ্যাসিড, যা শিশুর মানসিক বৃদ্ধি ঘটায়।

-

দুধ

শিশুর জন্য দুধই প্রধান খাবার। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন, যা শিশুর শরীরে উন্নতি ঘটায়। এ ছাড়া দুধে থাকা ফসফরাস ও ভিটামিন ডি হাড়, নখ ও দাঁত গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

-

বাদাম

প্রতিদিন শিশুকে বাদাম দিন। আমোন্ড, কাজু, চীনা বাদাম ও আখরোট শিশুর মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ঠিক রাখে। শুধু তা-ই নয়, এটা শিশুর শরীরে শক্তি জোগায় এবং শারীরিক ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

-

কলা

সাধারণত প্রতিটি শিশুই কলা ভালোবাসে। এতে রয়েছে ভিটামিন বি৬, সি, এ ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও ফাইবার। এ ছাড়াও কলায় রয়েছে গ্লুকোজ, যা শক্তি জোগায়।

-

দই

দই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। হজম শক্তি বাড়ানোর জন্য শিশুর ডায়েটে রাখুন দই। এতে ল্যাকটোজ, আয়রন, ফসফরাস রয়েছে।

-

ওটস

ওটস ফাইবার ও বেটা গ্লুকানে সমৃদ্ধ। ওটস এমন একটি সুপারফুড, যা শিশুরা পছন্দ করে। এটি শক্তি জোগায়। বাবা-মায়েরা ওটসকে স্ন্যাকস হিসেবেও সন্তানদের দিতে পারেন।

-

বেরি

শিশুদের ব্লুবেরি, স্ট্রবেরিও দিতে পারেন। এতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এ ছাড়াও পটাশিয়াম, ভিটামিন সি, ফাইবার ও কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ। এগুলো শারীরিক ও মানসিক ক্ষমতাকে উজ্জীবিত করে।

-

আলু

শিশুকে মিষ্টি আলু দেওয়া উচিত। এতে ফাইবার, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন এ থাকে, যা শিশুকে শক্তি জোগায়।

আরও পড়ুন:
স্মার্টফোন হ্যাক হয়েছে বুঝবেন যেভাবে
ভেজা চুলে কী করা যাবে না
যে খাবার খেলে শিশুরা লম্বা হবে
ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করার উপায়
মোটরবাইক পরিষ্কার করবেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
How to put a slave to sleep in 13 minutes

দস্যি শিশুকেও ১৩ মিনিটে ঘুম পাড়াবেন যেভাবে

দস্যি শিশুকেও ১৩ মিনিটে ঘুম পাড়াবেন যেভাবে
একদল বিজ্ঞানী দাবি করেছেন, কেঁদে গলা ফাটানো শিশুকে মাত্র ১৩ মিনিটে ঘুমের মাঝে তলিয়ে দেয়ার অব্যর্থ কৌশল খুঁজে পেয়েছেন তারা।  

শিশুদের ঘুম পাড়ানো নিয়ে ঝক্কির শেষ নেই মায়েদের। আধুনিক ব্যস্ত জীবনে বাবারা কিছুটা সহায়তার হাত বাড়ালেও মূল ধকলটি এখনও মায়েদেরই পোহাতে হয়।

অনেক শিশুই ঘুমের ঠিক আগে প্রতিদিন তারস্বরে চিৎকার করে দুর্বিষহ করে তোলে বাবা-মায়ের জীবন। শিশুদের কোন কৌশলে সহজে ঘুম পাড়ানো যায় তা নিয়ে রয়েছে বিস্তর গবেষণা, তবে এগুলোর কোনোটিই দস্যি শিশুদের চোখ ঢুলু ঢুলু করতে খুব একটা কাজে লাগেনি।

একদল বিজ্ঞানী এবার দাবি করেছেন, কেঁদে গলা ফাটানো শিশুকে মাত্র ১৩ মিনিটে ঘুমের মাঝে তলিয়ে দেয়ার অব্যর্থ কৌশল খুঁজে পাওয়া গেছে।

কৌশলটিও বেশ সহজ। কান্নারত শিশুকে বুকে নিয়ে মাত্র পাঁচ মিনিট হাঁটাহাঁটি করুন। এ সময়ের মধ্যে ধীরে ধীরে সে শান্ত হয়ে আসবে। এরপরের আট মিনিট ওকে বুকে জড়িয়ে রেখেই একটি চেয়ারে বসে থাকুন। ব্যস আপনার লক্ষ্য পূরণ হয়ে গেছে। বুকের মাঝে ঘুমিয়ে পড়া শিশুটিকে এবার আলতো করে শুইয়ে দিন বিছানায়।

বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী কারেন্ট জার্নালে ১৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়েছে গবেষণাপত্রটি

গবেষক দলের সদস্য জাপানের আরআইকেইএন সেন্টার ফর ব্রেইন সায়েন্সের ড. কুমি কুরোদা বলেন, ‘শিশুর ঘুমাতে যাওয়ার আগে নানান তালবাহানা ও কান্নাকাটিতে অনেক বাবা-মায়ের জীবন হয়ে পড়ে দুর্বিষহ। সন্তান পালনের ক্ষেত্রে এটা একটি বড় সমস্যা। বিশেষ করে অনভিজ্ঞ বাবা-মাকে আরও বেশি ঝামেলা পোহাতে হয়। বিরক্ত হয়ে অনেকে শিশুর সঙ্গে দুর্ব্যবহারও করেন।’

গবেষণায় শূন্য মাস থেকে সাত মাস বয়সী ২১টি শিশু ও তাদের মায়েদের বেছে নেয়া হয়েছিল। এই শিশুদের চোখে ঘুম আনার কয়েকটি কৌশল প্রয়োগ করে ফল পর্যালোচনা করা হয়েছে।

কৌশলগুলোর মধ্যে রয়েছে শিশুকে বুকে নিয়ে মায়েদের হাঁটাহাঁটি করা, শিশুকে শান্ত করতে চেয়ারে বসে থাকা, একটি খাটে শুইয়ে দেয়া অথবা কোনো দোলনা খাটে শুইয়ে রাখা।

গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুদের বুকে নিয়ে মা হাঁটাহাঁটি করলে তারা মোটামুটি দ্রুত শান্ত হয়ে যায়। এ সময় ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে তাদের হৃদস্পন্দন ধীর হয়ে আসে।

দোলনায় রাখলেও শিশুদের মধ্যে শান্ত হওয়ার প্রবণতা দেখা গেছে। তবে মা বসে থেকে শিশুকে বুকে আগলে রাখলে বা খাটে শুইয়ে রাখলে এমনটি ঘটে না।

গবেষকরা বলছেন, প্রথাগতভাবে মনে করা হয় মায়ের বুকের মাঝে থাকলেই শিশুর অস্থিরতা কমে আসে। তবে গবেষণায় তার প্রমাণ মেলেনি। কোথাও বসে বা শুয়ে থেকে শিশুকে বুকে ধরে রাখার খুব একটি উপযোগিতা লক্ষ করা যায়নি। তবে হাঁটাহাঁটি করলে এটি বেশ কার্যকর।

গবেষকেরা বলছেন, বাচ্চাকে বুকে নিয়ে পাঁচ মিনিট হাঁটাহাঁটির মধ্যেও শিশু ঘুমিয়ে যেতে পারে, তবে এরপর তাকে সরাসরি বিছানায় শুইয়ে দেয়া ঠিক নয়। কারণ দেখা গেছে, সরাসরি খাটে শুইয়ে দেয়ার ২০ সেকেন্ডের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ শিশু আবার চোখ মেলে তাকিয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, কোনো শিশু চোখ বন্ধ করার পর অন্তত আট মিনিট বা তার কিছু বেশি সময় ঘুমিয়ে থাকলে খাটে শোয়ানোর পরেও তার জেগে ওঠার সম্ভাবনা কম। এ জন্য শিশুকে নিয়ে পাঁচ মিনিট হাঁটাহাঁটির পর আরও আট মিনিট বুকে রেখেই মায়েদের কোনো চেয়ারে বসে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

এই কৌশল মোটামুটি অব্যর্থ বলে দাবি করছেন গবেষকেরা। ড. কুরোদা বলেন, ‘আমি নিজে চার সন্তানের মা। এরপরেও আমি গবেষণার ফল দেখে চমকে গেছি। এতদিন ভাবতাম বিছানায় শুইয়ে দেয়ার পরপরই সন্তানের চোখ মেলে তাকানোর কারণ হয়ত শোয়ানোর সময় আমি কোনো কিছু ভুল করেছি। তবে এখন দেখছি, এর কারণ একদম অন্য।’

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সহায়তার গবেষণাপত্র পড়তে পারবে সবাই
পুরুষের যত বেশি আত্মপ্রেম, তত দ্রুত স্খলন
অন্যকে নিয়ে গালগল্পে দিনে আমাদের ব্যয় ৫২ মিনিট
কেন হাসছেন, জেনে হাসছেন তো?
কুকুরেরও ঝরে আনন্দ-অশ্রু

মন্তব্য

জীবনযাপন
What to do after age 50

বয়স ৫০ পেরিয়ে গেলে যা করবেন

বয়স ৫০ পেরিয়ে গেলে যা করবেন
সঠিক সময়ে খাবার খেতে হবে। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা একেবারেই চলবে না। অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে ভাজাভুজি এড়িয়ে চলতে হবে।

বয়স ৫০-এর দোরগোড়ায় পৌঁছে গেলে বা পেরিয়ে গেলে দৈনন্দিন জীবনে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। এতদিন যা করা হয়েছে, এখন থেকে সেসব করতে হবে বুঝেশুনে। এবিপি আনন্দের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বয়স ৫০ পেরিয়ে গেলে কী কী নিয়ম মেনে চলতে হবে। চলুন দেখে নেই।

-

খাওয়াদাওয়ার দিকে নজর

বয়স ৫০ পেরিয়ে গেলে খাওয়াদাওয়ার প্রতি নজর দিতে হবে। বেশি খেতে হবে তাজা ফল ও শাক-সবজি। সেই সঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে যাতে প্রোটিনের ঘাটতি না হয়। তাই প্রাণিজ প্রোটিন অর্থাৎ আমিষ যেমন: ডিম, দুধ, মাছ, মাংস খেতে হবে।

-

খাওয়ার সময়

সঠিক সময়ে খাবার খেতে হবে। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা একেবারেই চলবে না। অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে ভাজাভুজি এড়িয়ে চলতে হবে। অতিরিক্ত তেল-মসলা যুক্ত খাবার এবং বাইরের খাবার অর্থাৎ স্ট্রিট ফুড কিংবা জাঙ্ক ফুড না খাওয়াই ভালো। স্বাদ বদলের জন্য মাঝেমধ্যে খাওয়া যেতে পারে, তবে নিয়মিত অভ্যাস রাখা যাবে না।

-

চিনি বাদ

চায়ে চিনি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে ধীরে ধীরে তা ত্যাগ করতে হবে। চিনির পরিবর্তে মধু ব্যবহার করা যেতে পারে। অনেকে গুড় দিয়েও চা খেয়ে থাকেন। বারবার দুধ-চা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা ধীরে ধীরে কমিয়ে ফেলতে হবে। মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খেতে হবে।

-

শরীরচর্চা

নিয়মিত শরীরচর্চার করতে হবে। ভারী একসারসাইজ বা জিমে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। রোজ একটু হাঁটা, ফ্রি-হ্যান্ড একসারসাইজ সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার জন্য যথেষ্ট। এর পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।

-

অন্যান্য

শরীরে কোনো প্রয়োজনীয় উপকরণ অর্থাৎ ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন- এসবের ঘাটতি একেবারেই হতে দেয়া যাবে না। কোনো সমস্যা বুঝতে পারলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া একেবারে নিষেধ। পাশাপাশি প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম। এই ব্যাপারে অনিয়ম না করাই ভালো। দিনে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো ভীষণভাবে প্রয়োজন।

আরও পড়ুন:
ভেজা চুলে কী করা যাবে না
যে খাবার খেলে শিশুরা লম্বা হবে
ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করার উপায়
মোটরবাইক পরিষ্কার করবেন যেভাবে
শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াবেন যেভাবে

মন্তব্য

p
উপরে