× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
Facebook moves bikini wearing teacher to protest firing
hear-news
player
print-icon

বিকিনি পরা ছবি দিয়ে প্রতিবাদ

বিকিনি-পরা-ছবি-দিয়ে-প্রতিবাদ
বিকিনি পরে সমুদ্র সৈকতে নারীরা। ছবি: সংগৃহীত
রত্নাবলী তার ফেসবুকে, ‘কাঁচকলা। কাঁচকলা। ব্যক্তি শিক্ষকের পোশাক ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে বিড়ম্বনার হয় না। এটি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় জানি। যে কর্তৃপক্ষ এটা বোঝে না, তাদের শিক্ষার পরিধি বাড়ানোর দরকার।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিকিনি পরা ছবি পোস্ট করায় প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্যে আঘাত লেগেছে মনে করে কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় এক ইংরেজি শিক্ষিকাকে চাকরিচ্যুত করেছে কর্তৃপক্ষ। চাকরিচ্যুতির সে ঘটনায় সাঁতারের পোশাক পরা ছবি পোস্ট করে প্রতিবাদে সরব হয়েছেন সমাজের বিভিন্ন মহলের মানুষজন।

মেন্টাল হেলথ অ্যাক্টিভিস্ট রত্নাবলী রায় ফেসবুকে নিজের সাঁতারের পোশাক পরা ছবি পোস্ট করে সেন্ট জেভিয়ার্স ইউনিভার্সিটির এই পিছিয়ে পড়া মনোভাবের বিরুদ্ধে সবাইকে সাঁতারের পোশাক পরা ছবি পোস্ট করে প্রতিবাদ জানানোর আবেদন জানান।

রত্নাবলী তার ফেসবুকে, ‘কাঁচকলা। কাঁচকলা। ব্যক্তি শিক্ষকের পোশাক ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে বিড়ম্বনার হয় না। এটি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় জানি। যে কর্তৃপক্ষ এটা বোঝে না, তাদের শিক্ষার পরিধি বাড়ানোর দরকার।’

রত্নাবলীর পোস্টকে সমর্থন করে তীব্র সমালোচনার পাশাপাশি আরও অনেকে সাঁতারের পোশাক পরা ছবি পোস্ট করে এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন।

সেন্ট জেভিয়ার্স ইউনিভার্সিটির ওই শিক্ষিকা গত বছর জুন মাসে তার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে বিকিনি পরা কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছিলেন। যা সম্পূর্ণ প্রাইভেট বলে দাবি করেছেন তিনি।

ঘটনার দুই মাস পর অক্টোবরে তিনি কাজে যোগ দিলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে একটি বৈঠকে ডেকে তার বিকিনি পরা ছবির প্রিন্ট দেখিয়ে অশ্লীল মন্তব্য ও যৌন হেনস্তার পাশাপাশি তাকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করে বলে সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে।

এ বিষয়ে ওই শিক্ষিকা আগে যাদবপুর থানায় একটি অভিযোগ করেন। সেখানে তিনি বলেন, ইনস্টাগ্রাম প্রাইভেট মোডের ছবি, যা কিনা ২৪ ঘণ্টা পর এমনি মুছে যাওয়ার কথা, দুমাস পর সেই ছবি দেখিয়ে তাকে হেনস্থা করা হয়েছে। তাকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে।

তার দাবি, তার প্রোফাইল হ্যাক করা হয়ে থাকতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবশ্য শিক্ষিকার দাবি অস্বীকার করে, তিনি স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন বলে দাবি করেছে।

সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইংরেজি স্নাতক স্তরের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

ওই ছাত্রের বাবা অভিযোগে লেখেন, ‘ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা এক শিক্ষিকার বিকিনি পরা ছবি দেখছিল আমার ছেলে। ছবিগুলো কুরুচিকর, অশ্লীল, প্রায় নগ্ন। যৌন উত্তেজনামূলক পোশাক পরা। শিক্ষিকার অন্তর্বাস পরা ছবি দেখছে ছেলে, বাবা হিসেবে এ দৃশ্য অত্যন্ত লজ্জার।’

এরপর ফেসবুকে চিঠিটি ভাইরাল হয়। পরে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৯৯ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছে বলেও দাবি করেন ওই শিক্ষিকা।

শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী মিরাতুন নাহার এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি অধ্যাপনা পেশার সঙ্গে দীর্ঘ ৩৪ বছর যুক্ত ছিলাম। ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এত তুচ্ছ একটা বিষয় নিয়ে তিনি ইনস্টাগ্রাম পোস্টে যাচ্ছেন কেন? প্রাইভেট হোক আর পাবলিক হোক। এরকম মনোবৃত্তিটা হয় কীভাবে? এরকম প্রশ্ন আমার মনে জাগে। তাই বলে, তার ওপর কিছু আমি আরোপ করতে চাই না।’

মীরাতুন্নাহার বলেন, ‘যেটা শুনতে পাচ্ছি, একজন মাত্র অভিভাবক অভিযোগ করেছেন। তাও ঘটনার দুমাস পরে এবং তিনি তখনও অধ্যাপনায় যোগ দেননি। সেরকম সময়ের ইনস্টাগ্রাম পোস্ট। এই তথ্যগুলো যুক্তিসঙ্গত। সেন্ট জেভিয়ার্সের যিনি অধ্যক্ষ তিনি আমার খুব পরিচিত। তার ব্যক্তিগত জীবন, তিনি কেমন মানুষ, আমার জানা। ফলে তার মতো মানুষ বা কর্তৃপক্ষ একটা মানুষের উপর সবটা কর্তৃত্ব করবেন, এটা হতে পারে না।

‘অধ্যাপনা জীবনের বাইরের ঘটনা নিয়ে যদি চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হয়, তার তীব্র নিন্দা করছি। অত্যন্ত অন্যায় হয়েছে বলে আমি মনে করি। এটা ঠিক হয়নি।’

সাহিত্যিক আবুল বাশার নিউজবাংলার থেকে এই ঘটনা শোনার পর তিনি বলেন, ‘বর্তমান ডিজিটাল যুগে ব্যক্তিগত পরিসর বলে আর কিছু নেই। তবে আমাদের জানতে হবে কীভাবে ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহার করতে হয়, সেই সামাজিক জ্ঞানও মানুষের নেই।’

আবুল বাশার আরও বলেন, ‘চাকরি এখন খোলামকুচি নয়। ইচ্ছে করলেই চাকরি থেকে বরখাস্ত করা যায়? বিকিনি পরে উনি তো আর বিশ্ববিদ্যালয় যাননি?

‘কোথায় কী গোপন ছবি বেরিয়েছে, তার উপর ভিত্তি করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কেন সিদ্ধান্ত নেবেন? একটা ব্যক্তিগত পরিসর আর একটা সামাজিক পরিসর। বিশ্ববিদ্যালয় সামাজিক পরিসরের অংশ। দুটোকে গুলিয়ে ফেলার কারণ নেই। ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করে জীবন বিনাশী, হঠকারী সিদ্ধান্ত, এটা মোটেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঠিক কাজ করেনি।’

আরও পড়ুন:
পশ্চিমবঙ্গে মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মডেলের ঘর থেকে ২০ কোটি রুপি জব্দ
পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে গণেশনের শপথ
চলন্ত বাইক আরোহীর ওপর চিতার হামলা
বিজেপি নেতা শুভেন্দুকে গ্রেপ্তারের দাবি তৃণমূলের
দেড় শ বছরে কলকাতার ট্রাম, ফিরছে নতুন রুটে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Thousands of people held flowers at Shinzos funeral

ফুল হাতে হাজারো মানুষ শিনজোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজনে

ফুল হাতে হাজারো মানুষ শিনজোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজনে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে শিনজো আবেকে। ছবি: বিবিসি
শিনজোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা চলছে দেশজুড়ে। রাষ্ট্রীয়ভাবে কেন তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ক্ষুব্ধরা। তাদের মতে, এতে খরচ না করে অর্থগুলো টাইফুন শিজুয়োকাতে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ব্যয় করা উচিত।

কঠোর নিরাপত্তায় ফুল, প্রার্থণা আর গান স্যালুটে জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানোর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে টোকিওর কেন্দ্রস্থলে নিপ্পন বুদোকান হলে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার এই আয়োজন শুরু হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স

শিনজোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা চলছে দেশজুড়ে। রাষ্ট্রীয়ভাবে কেন তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ক্ষুব্ধরা। তাদের মতে, এতে খরচ না করে অর্থগুলো টাইফুন শিজুয়োকাতে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ব্যয় করা উচিত।

তবে সমালোচনায় কান না দিয়ে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় বড় ধরনের আয়োজন করেন জাপানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বহু দেশপ্রধানকে।

অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে সকাল থেকেই ভেন্যুতে উপস্থিত হয়েছেন হাজারো মানুষ। ভিড় সামলানে না পেরে নির্ধারিত সময়ের আধা ঘণ্টা আগেই খুলে দেয়া হয় গেট।

কয়েক ঘণ্টায় ১০ হাজারের বেশি মানুষ শিনজোর প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ফুল দেয়ার পর কিছুক্ষণ নীরব থেকে সেখানে শিনজোর ছবির সামনে প্রার্থনা করেন তারা।

অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার এই আয়োজনে ৪ হাজার ৩ শ’র মতো মানুষ অংশ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে যোগ দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ অন্তত ৪০টি দেশের প্রতিনিধি।

আয়োজনে অংশ নিতে আসা অতিথিসহ পুরো বিষয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশের ২০ হাজারের মতো সদস্য। বন্ধ রাখা হয়েছে ওই এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

গত ৮ জুলাই জাপানের পশ্চিমাঞ্চলের নারা শহরে এক নির্বাচনী সভায় বক্তৃতা দেয়ার সময় বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হন শিনজো।

২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেও জাপানের ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির রাজনীতিতে বড় প্রভাব ছিল তার। এই দলের বড় একটি অংশের নিয়ন্ত্রণ ছিল তার হাতে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর শিনজো আবে ছিলেন সবচেয়ে কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী। ২০০৬ সালে তিনি প্রথবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন। ২০১২ সালে তিনি আবারও প্রধানমন্ত্রী হন। তার বাবা ছিলেন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ ছাড়া তার এক দাদা জাপানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

জাপানে বন্দুক হামলা খুবই বিরল ঘটনা। কারণ সেখানে অস্ত্র বহন করা নিষিদ্ধ। এ ছাড়া জাপানে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের টার্গেট করে হত্যা করার ঘটনাও খুব একটা দেখা যায় না।

২০০৭ সালে নাগাসাকি শহরের মেয়র ইচো ইতোকে গুলি করে হত্যা করেছিল গ্যাংস্টাররা। ১৯৬০ সালে জাপানের সোশ্যালিস্ট পার্টির প্রধানকে বক্তব্য দেবার সময় গুলি ছুড়ে হত্যা করে ডানপন্থিরা।

আরও পড়ুন:
আবেকে শ্রদ্ধা ভালোবাসায় শেষ বিদায়
আবেকে আগেও হত্যার চেষ্টা করেছিলেন হামলাকারী
আবের মৃত্যুতে সারা দেশে শোক

মন্তব্য

জীবনযাপন
Secret audio of Pak Prime Minister auctioned on dark web for 36 crores

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর গোপন অডিও ফাঁস

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর গোপন অডিও ফাঁস সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। ছবি: এপি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের দলের নেতা ফাওয়াদ জানান, ১১৫ ঘণ্টার অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। ডার্ক ওয়েবে নিলামকারী এর দাম চাইছেন ৩৬ কোটি সাড়ে ৭ লাখ টাকার মতো।

নানা সংকটে জর্জরিত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কথোপকথনের রেকর্ড ফাঁস হয়েছে, এই অডিও আবার তোলা হয়েছে নিলামেও।

সম্প্রতি ইন্টারনেট জগতে অবৈধ কর্মকাণ্ডের মার্কেটপ্লেস ডার্ক ওয়েবে ওই অডিও নিলামে তোলা হয় বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ নেতা ফাওয়াদ চৌধুরী।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের দলের নেতা ফাওয়াদ জানান, ১১৫ ঘণ্টার অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। ডার্ক ওয়েবে নিলামকারী এর দাম চাইছেন ৩৬ কোটি সাড়ে ৭ লাখ টাকার মতো।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় যে নিরাপদ না, তা এতেই বোঝা যায়। অডিও শুনলেই তো বোঝা যায়, সব সিদ্ধান্ত আসছে লন্ডন থেকে।’

প্রধানমন্ত্রীর কথোপকথনের অডিও ফাঁসের ঘটনা দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যর্থতার কারণে হয়েছে বলে মনে করেন এই নেতা।

জিও টিভি বলছে, ফাঁস হওয়া অডিওতে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে পাকিস্তান মুসলিম লীগের (নওয়াজ) মরিয়ম নওয়াজ শরিফ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ, আইনমন্ত্রী আজম তারার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ কয়েকজনের কণ্ঠ শোনা গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে ওই অডিওর খণ্ডিত অংশ। একটিতে মরিয়মের সঙ্গে ভারত থেকে পাওয়ার প্ল্যান্ট আনার ব্যাপারে কথা বলছিলেন শাহবাজ শরিফ। আরেকটি অডিওতে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ নিয়ে মন্ত্রী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায় তাকে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী অডিও ফাঁসের বিষয়টি জানেন। এ ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ফাঁস হওয়া অডিওর তদন্তে সব সংস্থার উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা থাকবেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নিরাপত্তাব্যবস্থা ঠিক ছিল কি না, তা তদন্তেই বেরিয়ে আসবে।’

মন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ বলেন, ‘স্বাচ্ছন্দ্যে বলতে পারি, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সব কথোপকথন রেকর্ড করে প্রকাশ করা হলেও তাতে বিব্রতকর কিছু থাকবে না।’

বিভিন্ন নাটকীয়তার পর গত ৯ এপ্রিল মধ্যরাতের অনাস্থা ভোটে ৬৯ বছর বয়সী ইমরান খানের প্রধানমন্ত্রিত্বের অবসান ঘটে। তিনি দেশটির ২২তম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। পরে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ জাতীয় পরিষদে আবার ভোটাভুটিতে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ নেতা শাহবাজ শরিফ।

দুর্নীতির দায়ে নওয়াজ শরিফ অভিশংসিত হওয়ার পর ২০১৮ সালে চার দলের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন ইমরান। তার সরকারের মেয়াদ ছিল ২০২৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত।

শাহবাজ শরিফ ক্ষমতায় এসেই রাজনীতি-অর্থনীতিসহ নানা সংকটে ইরমান খানকে দায়ী করেছেন। দলীয় কর্মসূচিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে ইমরানকে। তিনিও সংকটে শাহবাজকে দায়ী করে তার পদত্যাগ চেয়ে আন্দোলন করছেন।

আরও পড়ুন:
ভারতের সঙ্গে অর্থপূর্ণ আলোচনা চাই: মোদিকে শাহবাজ শরিফ

মন্তব্য

জীবনযাপন
Spy arrested in West Bengal

পশ্চিমবঙ্গে ‘গুপ্তচর’ গ্রেপ্তার

পশ্চিমবঙ্গে ‘গুপ্তচর’ গ্রেপ্তার পাকিস্তানের চর সন্দেহে গ্রেপ্তার পীর মোহাম্মদ। ছবি: সংগৃহীত
পীর মোহাম্মদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়েছে। এসটিএফ কর্মকর্তারা তা পরীক্ষা করছেন। জব্দ করা ডিভাইসে ভারতীয় সেনা ছাউনির বিভিন্ন ছবি মিলেছে। ফোনবুকে আছে অনেক পাকিস্তানি নম্বর।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ’র মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় থাকা পীর মোহাম্মদ নামের কথিত এক গুপ্তচরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) পশ্চিমবঙ্গের কালিংপং থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের দাবি, পীর মোহাম্মদ পাকিস্তানের চর। গুরুদাসপুরে রেললাইন উপড়ানোর ষড়যন্ত্রে তার সংশ্লিষ্টতা আছে। জঙ্গিরা ভারতের কোথায় কোথায় ঘাঁটি তৈরি করতে পারে, সে বিষয়ে তথ্য পাচারের বেশ কিছু প্রমাণ আছে। তার কাছে পাকিস্তানি সিমকার্ড পাওয়া গেছে।

গ্রেপ্তারের সময় পীর মোহাম্মদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়েছে। এসটিএফ কর্মকর্তারা তা পরীক্ষা করছেন।

জব্দ করা ডিভাইসে ভারতীয় সেনা ছাউনির বিভিন্ন ছবি মিলেছে। ফোনবুকে আছে অনেক পাকিস্তানি নম্বর। হোয়াটসঅ্যাপ কলের মাধ্যমে তিনি রাওয়ালপিন্ডিতে পাক অফিসারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন বলে দাবি করেছেন এসটিএফ গোয়েন্দারা।

পীর মোহাম্মদ মূলত নেপালের বাসিন্দা, তবে তিনি দীর্ঘদিন কালিংপংয়ে অবস্থান করছিলেন। তিনি গ্রামে ঘুরে ঘুরে সহজ কিস্তিতে ইলেকট্রনিকস জিনিস বিক্রি করতেন। ২০২০ সালে পীর মোহাম্মদ নেপালে যান। তাবলিগ-ই জামাত করতে গিয়ে তিনি পাক গোয়েন্দাদের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। এরপর টাকার বিনিময়ে তাদের তথ্য সরবরাহ করতেন।

মূলত ‘তথ্যের বিনিময়ে টাকার’ টোপ দিয়ে পীর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দারা। হেফাজতে রেখে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
কলকাতায় জঙ্গি নেতার বাড়িতে তল্লাশি
কালা জাদুর অভিযোগে ঘরছাড়া করা অপ্রত্যাশিত: কলকাতা হাইকোর্ট

মন্তব্য

জীবনযাপন
Four Bangladeshi women detained by BSF

বিএসএফের হাতে আটক ৪ বাংলাদেশি নারী

বিএসএফের হাতে আটক ৪ বাংলাদেশি নারী ফাইল ছবি
আটক বাংলাদেশি নারীরা খুলনা, যশোর, ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। তিন ভারতীয়ের প্রত্যেকেই জলপাইগুড়ি জেলার বাসিন্দা। বিএসএফ জানায়, জেরায় বাংলাদেশি নারীরা জানিয়েছেন, তারা কাজের খোঁজে মুম্বাই যাচ্ছিলেন।

অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করার অভিযোগে চার বাংলাদেশি নারী ও সাহায্যকারী তিন ভারতীয়কে আটক করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

শুক্রবার জলপাইগুড়ি জেলার রাধাবাড়ি বিএসএফ সেক্টর হেডকোয়ার্টার থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, বিএসএফের ১৫ নম্বর ব্যাটালিয়নের অধীন পাঠানপাড়া বিওপি গোয়েন্দা শাখার কাছে খবর আসে কয়েকজন বাংলাদেশি নারী অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছেন। অনুপ্রবেশের খবর পেয়েই অভিযান চালান তদন্তকারীরা। ওই নারীদের এ দেশে প্রবেশে সাহায্য করেছিল তিন ভারতীয়। এ ব্যাপারে মোট সাতজনকে আটক করা হয়েছে।

আটক বাংলাদেশি নারীরা খুলনা, যশোর, ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। তিন ভারতীয়ের প্রত্যেকেই জলপাইগুড়ি জেলার বাসিন্দা।

বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, জেরায় বাংলাদেশি নারীরা জানিয়েছেন, তারা কাজের খোঁজে মুম্বাই যাচ্ছিলেন। তবে তদন্তকারীরা এই ঘটনার পেছনে কোনো নারী পাচারকারী চক্র কাজ করছে কি না, তাদের যৌন ব্যবসায় কাজে লাগানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল কি না তা খতিয়ে দেখছে।

আটক কজনকে জলপাইগুড়ি জেলার কোতোয়ালি থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়। শনিবার তাদের জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে তোলার কথা।

আরও পড়ুন:
ভারতে গরুসহ বাংলাদেশি যুবক আটক, থানায় হস্তান্তর

মন্তব্য

জীবনযাপন
Bhutan opened the border by increasing the cost of travel

ভ্রমণের খরচ বাড়িয়ে সীমান্ত খুলে দিল ভুটান

ভ্রমণের খরচ বাড়িয়ে সীমান্ত খুলে দিল ভুটান ভুটানের একটি পর্যটন এলাকা। ছবি: সংগৃহীত
পৃথিবীতে পর্যটকদের যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি মাশুল দিতে হয় ভুটান তার মধ্যে অন্যতম। জলবিদ্যুতের পর পর্যটনই দেশটির রাজস্বের সবচেয়ে বড় খাত। সড়কপথে বাংলাদেশ থেকে ভুটান গেলে দেশটির অভিবাসন দপ্তর থেকে এন্ট্রি পারমিট নিতে হয়। আর বিমানে গেলে নিতে হয় বিমানবন্দরের পারমিট।

করোনা পরিস্থিতিতে দীর্ঘ আড়াই বছর বন্ধ রাখার পর আবার পর্যটকদের জন্য সীমান্ত খুলে দিল পাহাড়, নদী আর ঝরনার মিতালিতে সৃষ্ট প্রকৃতির এক অপরূপ নিদর্শনের দেশ ভুটান।

আগের চেয়ে পর্যটন ফি বা সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ফি (এসডিএফ) বেশ বাড়িয়ে শনিবার দেশটির সীমান্ত খুলে দেয়া হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এনডিটিভি

ভুটানে গত তিন দশক ধরে প্রতি রাতের জন্য একজন পর্যটককে দিতে হতো ৬ হাজার ৭৫০ টাকা। তবে এখন থেকে এ জন্য গুনতে হচ্ছে ২০ হাজার ৭৫০ টাকা।

ভ্রমণের জন্য এত দিন আঞ্চলিক অর্থাৎ ভারতীয় ও বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য কোনো ফি ছিল না। কিন্তু নতুন নিয়মে তাদের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এসব দেশের পর্যটকদের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন দিতে হবে ১৫৩০ টাকা। আর ৬ থেকে ১২ বছরের শিশুদের জন্য ৭৬৫ টাকা লাগবে।

ভুটানের কনসাল জেনারেল জিগমে থিনলে নামগিয়াল বলেন, ‘পর্যটন একটি জাতীয় সম্পদ এবং আমরা কার্বন নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করছি। এর নিজস্ব খরচ আছে। আমাদের পর্যটনকে টেকসই করতে আমরা আমাদের অবকাঠামোর উন্নয়ন করছি। এসব কারণে আমরা এই শুল্ক নিচ্ছি।’

পৃথিবীতে পর্যটকদের যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি মাশুল দিতে হয় ভুটান তার মধ্যে অন্যতম। জলবিদ্যুতের পর পর্যটনই দেশটির রাজস্বের সবচেয়ে বড় খাত।

সড়কপথে বাংলাদেশ থেকে ভুটান গেলে দেশটির অভিবাসন দপ্তর থেকে এন্ট্রি পারমিট নিতে হয়। আর বিমানে গেলে নিতে হয় বিমানবন্দরের পারমিট।

৪৬ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের দেশ ভুটানের জনসংখ্যা ৮ লাখের মতো। দেশটিতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ১০০। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। করোনার কারণে ২০২০ সালের মার্চ থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল এ দেশের সীমান্ত।

ভুটানের ভূপ্রকৃতি পর্বতময়। উত্তরে সুউচ্চ হিমালয় পর্বতমালা, মধ্য ও দক্ষিণ ভাগে নিচু পাহাড় ও মালভূমি এবং দক্ষিণ প্রান্তসীমায় সামান্য কিছু সাভানা তৃণভূমি ও সমভূমি আছে। মধ্যভাগের মালভূমির মধ্যকার উপত্যকাগুলোতেই বেশির ভাগ লোকের বাস।

বহির্বিশ্ব থেকে বহুদিন বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে ভুটান প্রাণী ও উদ্ভিদের এক অভয়ারণ্য। এখানে বহু দুর্লভ প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদ দেখতে পাওয়া যায়। ভুটানের প্রায় ৭০% এলাকা অরণ্যাবৃত।

আরও পড়ুন:
রিজার্ভ কমছে ভুটানের, গাড়ি আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা
ড্রুক এয়ারের ঢাকা-পারো ফ্লাইট শুরু ১ জুলাই
বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইডথ ও ট্রেইনার নেবে ভুটান
বিনা শুল্কে ভুটানে যাবে বাংলাদেশের ১০০ পণ্য

মন্তব্য

জীবনযাপন
Girl arrested after murder and missing case

কিশোরীকে ‘খুন’ করে নিখোঁজ মামলা, পরে ধরা  

কিশোরীকে ‘খুন’ করে নিখোঁজ মামলা, পরে ধরা   হরিদ্বারের বিজেপি নেতা বিনোদ আর্যের ছেলে পুলকিত আর্য (বাঁয়ে) এবং তাকে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
হরিদ্বারের বিজেপি নেতা বিনোদ আর্যের ছেলে পুলকিত আর্য সপ্তাহের শুরুতে কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবারের সঙ্গে পুলিশে গিয়েছিলেন। পুলিশকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্য ছিল তার।

ভারতের উত্তরাখণ্ডে ১৯ বছরের তরুণী হত্যার দায়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন ক্ষমতাসীন বিজেপির জ্যেষ্ঠ নেতা বিনোদ আর্যের ছেলে পুলকিত আর্য। বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত কিশোরী পাউরি জেলার ঋষিকেশ শহরের কাছে একটি রিসোর্টে রিসেপশনিস্ট পদে কাজ করতেন। পুলকিত আর্য এই রিসোর্টের মালিক।

কিশোরীর পরিবারের দাবি, সোমবার থেকেই নিখোঁজ ছিল সে। পুলিশ বলছে, রিসোর্টের দুই কর্মীর সহায়তায় তাকে হত্যা করা হয়েছে। তাদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কিশোরীর মরদেহ এখনও পাওয়া যায়নি। তা পেতে রিসোর্টের কাছে একটি নালায় অনুসন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ।

অভিযোগ উঠেছে, ইচ্ছা করেই তদন্তে দেরি করছে পুলিশ। কারণ অভিযুক্তের বাবা ক্ষমতাসীন বিজেপি ও আরএসএস-এর সদস্য।

পুলিশ জানায়, সোমবার সকালে তরুণীকে তার ঘরে না পাওয়ায় পুলকিত আর্য এবং তরুণীর পরিবার স্থানীয় রাজস্ব কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

রাজ্যের পুলিশ প্রধান অশোক কুমার বলেন, ‘উত্তরাখণ্ডের যেসব এলাকায় থানা নেই, সেসব এলাকায় এফআইআর নথিভুক্ত করার জন্য পাটোয়ারি (ভূমি রাজস্ব কর্মকর্তা) ব্যবস্থা রয়েছে।’

বনান্তর রিসোর্টটি প্রধান শহর ঋষিকেশ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে যমকেশ্বর এলাকায় অবস্থিত।

অশোক কুমার বলেন, ‘মামলাটি আমাদের কাছে হস্তান্তরের পর ২৪ ঘণ্টা টানা কাজ করেছি। আরও তদন্ত চলছে।

কিশোরীকে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে পুলিশ এ বিষয়ে কিছু বলেনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় বৃহস্পতিবার খবরটি ভাইরাল হলে, তড়িঘড়ি করে পুলিকতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলকিতের বাবা বিনোদ আর্যের সরকারে কোনো পদ না থাকলেও, প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় আছেন। এর আগে তিনি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পুলকিতের ভাই অঙ্কিত আর্যও একজন বিজেপি নেতা।

বিরোধী রাজনৈতিক দল কংগ্রেস বলছে, ঘটনা তদন্তে পুলিশ অনীহা ছিল। কারণ অভিযুক্তের সঙ্গে আরএসএস-বিজেপির সম্পর্ক আছে।

‘এটা ভয়ঙ্কর। ১৮ সেপ্টেম্বর মেয়েটি নিখোঁজ হলেও পুলিশ ২১ সেপ্টেম্বর এফআইআর নথিভুক্ত করে... এটা কেন?’

রাজ্য কংগ্রেসের মুখপাত্র গরিমা মেহরা দাসাউনি বলেন, ‘বিজেপি এবং আরএসএস নেতাদের ক্ষমতার এই নির্লজ্জ অপব্যবহার আর কতদিন চলবে?’

যারাই এ ঘটনায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি।

তিনি বলেন, ‘এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা, জঘন্য অপরাধ। পুলিশ কাজ করছে। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে রেহাই দেয়া হবে না।’

পুলকিত আর্য ছাড়াও গ্রেপ্তার করা হয়েছে রিসোর্টের ম্যানেজার সৌরভ ভাস্কর এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার অঙ্কিত গুপ্তাকে।

পাউরির এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘তারা পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল। জিজ্ঞাসাবাদে এক সময় তারা অপরাধ স্বীকার করে।’

আরও পড়ুন:
বস্তাবন্দি মরদেহ মরিয়ম মান্নানের মায়ের কি না সংশয়
কলেজশিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার, আটক শিক্ষার্থী
শহীদ মিনারের ফুটপাতে নবজাতকের মরদেহ
অটোচালককে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ২
অগ্রণী ব্যাংকের গেটে নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ

মন্তব্য

জীবনযাপন
The trial of the Minister of Justice in China was given the death penalty

বিচারমন্ত্রীর বিচার বসাল চীন, দেয়া হলো মৃত্যুদণ্ড

বিচারমন্ত্রীর বিচার বসাল চীন, দেয়া হলো মৃত্যুদণ্ড ফু জেংহুয়া
অক্টোবরে হতে যাওয়া কমিউনিস্ট পার্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের আগে জেংহুয়ার এমন রায় হলো। ওই সম্মেলনের আগে হঠাৎ করে সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় অভিযান শুরু হয়েছে।

দুর্নীতিবিরোধী বেশ কিছু অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া চীনের বিচারবিষয়ক মন্ত্রী ফু জেংহুয়ার বিরুদ্ধে ঘুষের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে।

ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধারে উপহার ও অর্থের বিনিময়ে তিনি ১১৭ মিলিয়ন ইউয়ান ঘুষ নিয়েছিলেন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি

বৃহস্পতিবার দেশটির জিলিন প্রদেশের রাজধানী চ্যাংচুনের একটি আদালত জেংহুয়াকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়। গত জুলাইয়ে অভিযুক্ত করা হয় তাকে।

সাবেক এই চীনা মন্ত্রীর নামে মৃত্যুদণ্ডের রায় হলেও দু বছর কারাভোগের পর তার সাজা কমে যাবজ্জীবন হবে। বাকি জীবন কারাগারেই থাকতে হচ্ছে তাকে।

অক্টোবরে হতে যাওয়া কমিউনিস্ট পার্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের আগে জেংহুয়ার এমন রায় হলো। ওই সম্মেলনের আগে হঠাৎ করে সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় অভিযান শুরু হয়েছে।

প্রতি পাঁচ বছর পর এই সম্মেলন হয়ে থাকে। এতে প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং ইতিহাস গড়ে সম্মেলনে টানা তৃতীয়বারের মতো দলীয় প্রধান হতে যাচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্ত্রীর বিচারের আগে দেশটির তিন প্রাদেশিক পুলিশপ্রধানেরও সম্প্রতি বিচার করেছে আদালত। তাদের বিরুদ্ধে শুধু দুর্নীতি নয়, আনা হয়েছে প্রেসিডেন্টের প্রতি অবিশ্বস্ত হওয়ার অভিযোগও।

শাস্তির অপেক্ষায় থাকা সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা সান লিজুনের নেতৃত্বে রাজনৈতিক দল তৈরির প্রক্রিয়ার অংশ হওয়ার অভিযোগ আছে এসব পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।

জেংহুয়ার বিরুদ্ধে মামলাটি বেশ আলোচিত। ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত চীনের বিচারমন্ত্রী ছিলেন তিনি। পুলিশের চাকরির পর এক পর্যায়ে দায়িত্ব নিয়েছিলেন দেশটির জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধানের।

দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে অভিযানে নেতৃত্ব দিয়ে সুনাম কুড়িয়েছিলেন এই সাবেক মন্ত্রী। ঘুষের অভিযোগে শীর্ষ কর্মকর্তা জু ইয়ংকাংকে পদ থেকে সরানো তার দায়িত্ব পালনের একটি বড় নমুনা।

এ অবস্থাতেই গত বছরের অক্টোবরে দলের অভ্যন্তরীণ নজরদারি সংস্থা ঘোষণা করে, জেংহুয়ার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ও জাতীয় আইনের গুরুতর লঙ্ঘনের অভিযোগের তদন্ত করা হচ্ছে।

চলতি বছরের মার্চে মন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয় জেংহুয়াকে। এরপর বরখাস্ত করা হয় কমিউনিস্ট পার্টি থেকেও। মাস খানেক পর দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যান তিনি।

আরও পড়ুন:
চীনের সাড়া না পাওয়াকে স্বাভাবিক ভাবছে না ঢাকা
চীনে বাস উল্টে নিহত ২৭
ভারতে পোশাক রপ্তানি বেড়ে দ্বিগুণ, কমছে চীনে

মন্তব্য

p
উপরে