× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
Follow these rules for drinking water
hear-news
player
print-icon

পানি পানের এই নিয়মগুলো মেনে চলুন

পানি-পানের-এই-নিয়মগুলো-মেনে-চলুন
বাড়িতে থাকলে বোতলের পরিবর্তে গ্লাসে পানি পান করার অভ্যাস করুন। শুয়ে পানি পান করবেন না। গলায় পানি আটকে বিষম খেতে পারেন। বসে বা দাঁড়িয়ে পানি পান করুন।

সুস্থ থাকতে হলে পরিমিত পানি পান করা জরুরি। কিন্তু পানি পান করার সময় বেশ কয়েকটি নিয়ম মেনে না চললে হতে পারে সমস্যা। এবিপি আনন্দের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বিষয়টি। চলুন দেখে নেই।

-

যখন তৃষ্ণা পাবে তখনই পানি পান করুন। অতিরিক্ত পানি পান করলে শরীরে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। এর পাশাপাশি খালি পেট বা ভরা পেট, কখনই একসঙ্গে বেশি পানি পান করবেন না।

যারা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন, তারাও পানি পান করার সময় কয়েকটা ব্যাপার খেয়াল রাখুন। এক্সারসাইজ শুরুর আগের মুহূর্তে বা শেষ করেই পানি পান করতে যাবেন না। বরং মাঝেমধ্যে বিশ্রাম নিয়ে প্রয়োজন হলে অল্প করে পানি পান করতে পারেন।

খুব রোদ থেকে এসে সঙ্গে সঙ্গে পানি না পান করাই ভালো। একটু বিশ্রাম নিয়ে তারপর পানি পান করুন।

বাড়িতে থাকলে বোতলের পরিবর্তে গ্লাসে পানি পান করার অভ্যাস করুন। শুয়ে পানি পান করবেন না। গলায় পানি আটকে বিষম খেতে পারেন। বসে বা দাঁড়িয়ে পানি পান করুন।

হাঁটাচলা করতে করতে পানি পান না করাই ভালো। বরং এক জায়গায় সুস্থির হয়ে দাঁড়িয়ে পানি পান করে নিলে অনেক বিপদ এড়ানো যায়। বিষম খাবার সমস্যা থাকে না।

বোতল থেকে পানি পান করার সময়েও সাবধান থাকুন। বোতলে মুখ লাগিয়ে এক সঙ্গে অনেক পানি পান করতে গেলে অনেক সময় বিপদ হতে পারে। বোতল আলগা করে পানি পান করার সময়েও বিষম লাগতে পারে। তাই সাবধান থাকুন।

রাস্তাঘাটে থাকলে চলন্ত যানবাহনে পানি পান না করাই মঙ্গল। আচমকা বিষম লেগে বড় বিপদ হতে পারে। তাই এক জায়গায় সুস্থির হয়ে দাঁড়িয়ে পানি পান করে নিন। তারপর গন্তব্যে যান।

মর্নিং ওয়াক, সাইক্লিং, জগিং ইত্যাদি করার সময় অবশ্যই সঙ্গে পানির বোতল রাখুন। তবে গলদঘর্ম অবস্থায় পানি পান না করে একটু বিশ্রাম নিয়ে পানি পান করা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো।

খাবার খেতে খেতে পানি পান না করাই ভালো। এতে হজমে সমস্যা হয়। খুব ঠান্ডা পানি কখনই পান করবেন না। এর ফলে গলায় সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আরও পড়ুন:
মাথাব্যথার কারণ
বয়স ৪৫ পার হলে যে পরীক্ষাগুলো নিয়মিত করাবেন
রান্নাঘরের যন্ত্রপাতি থেকে সতর্ক থাকুন
বর্ষাকালে চুলের যত্ন
লবণ দিয়ে দাঁত মাজার উপকারিতা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
How to reduce fuel oil consumption

জ্বালানি তেল খরচ কমাবেন যেভাবে

জ্বালানি তেল খরচ কমাবেন যেভাবে
ঘন ঘন ব্রেক করলে গাড়িতে আবার গতি তুলতে বাড়তি তেল খরচ করতে হয়। তাই চলার জন্য এমন পথ বেছে নিন যেখানে ট্রাফিক জ্যাম কম এবং রাস্তার কন্ডিশন ভালো।

জ্বালানি তেলের দাম আরও একদফা বেড়েছে। এ রকম পরিস্থিতিতে অনেকেই জ্বালানি তেলের খরচ নিয়ে চিন্তায় আছেন। চাইলে সহজ কিছু কাজ করে জ্বালানি তেলের খরচ কমানো সম্ভব। মোবল ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বিস্তারিত। চলুন দেখে নেই।

-

চাকার বাতাস

গাড়ির চাকায় যদি বাতাস কম থাকে তাহলে রাস্তায় চলার সময় চাকা রাস্তাকে আটকে ধরে এবং গাড়ির গতি কমিয়ে ফেলে। ফলে ইঞ্জিনকে বেশি তেল খরচ করতে হয়। তাই চাকায় পর্যাপ্ত বাতাস নিয়ে গাড়ি চালালে তেল খরচ কমে আসে।

-

বাড়তি মালামাল

গাড়িতে থাকা অপ্রয়োজনীয় মালপত্র গাড়ির ওজন বৃদ্ধি করে ইঞ্জিনের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। ফলে গাড়ি চলতে তেল বেশি খরচ হয়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ৫০ কেজি মালামালের জন্য ২ শতাংশ তেল খরচ বেশি হয়। তাই গাড়ি থেকে অপ্রয়োজনীয় মালপত্র সরিয়ে নিন।

-

জানালা খোলা রাখা

জানালা খোলা রেখে গাড়ি চালালে প্রচুর বায়ু প্রতিরোধের সৃষ্টি হয়। ফলে জ্বালানি খরচ বেড়ে যায়। এ রকম পরিস্থিতিতে জানালা বন্ধ রেখে এসি ছেড়ে গাড়ি চালান। এসি চালালেও তেল খরচ হয়, তবে সেটা বায়ু প্রতিরোধী তেল খরচের চেয়ে কম।

-

খুব জোরে বা আস্তে গাড়ি চালানো

রাস্তায় চলার সময় গাড়ির ইঞ্জিন বাতাসের প্রতিরোধকে অতিক্রম করতে কঠোর পরিশ্রম করে। আপনি ১০০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে চালালে ১৫ শতাংশ এবং ১১০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে চালালে ২৫ শতাংশ বেশি জ্বালানি পোড়ে। অন্যদিকে ৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টার চেয়ে ধীরগতিতে গাড়ি চালালে ইঞ্জিন কম গিয়ারে চলে যাবে। তাতে আরও বেশি জ্বালানি ব্যবহার করবে। তাই জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য ৫০ থেকে ৯০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে গাড়ি চালানো ভালো।

-

ঘন ঘন ব্রেক করা

ঘন ঘন ব্রেক করলে গাড়িকে আবার গতি তুলতে বাড়তি তেল খরচ করতে হয়। তাই চলার জন্য এমন পথ বেছে নিন যেখানে ট্রাফিক জ্যাম কম এবং রাস্তার কন্ডিশন ভালো।

-

জ্যামে ইঞ্জিন বন্ধ রাখুন

আমাদের দেশের রাস্তায় দীর্ঘ সময় ট্রাফিক জ্যামে আটকে থাকতে হয়। এ সময় ইঞ্জিন চালু রেখে তেল খরচ করবেন না। বরং ইঞ্জিন বন্ধ করে দিন এবং তেল বাঁচান।

আরও পড়ুন:
স্ট্রোকের লক্ষণগুলো জেনে নিন
ভাত খাওয়ার উপকারিতা-অপকারিতা
ঘরোয়া পদ্ধতিতে মশা তাড়াবেন যেভাবে
ঘামের দুর্গন্ধ কমানোর উপায়
ধূমপান ছাড়বেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
How to reduce the cost of daily products

নিত্যপণ্যের খরচ কমাবেন যেভাবে

নিত্যপণ্যের খরচ কমাবেন যেভাবে
মাঝেমধ্যে সুপার শপগুলো পণ্যের সঙ্গে গিফট কার্ড, স্ক্রাচ কার্ড অফার করে। সেখান থেকেও প্রয়োজনীয় পণ্য ফ্রি পাওয়ার সুযোগ মেলে। তাই এই সুযোগগুলোকে পাশ কাটিয়ে যাওয়া যাবে না।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে গেছে হঠাৎ করেই। সেই তুলনায় আয় বাড়েনি। এ রকম পরিস্থিতিতে খরচের লাগাম টেনে ধরা খুবই জরুরি। কিন্তু কীভাবে কমানো যাবে খরচ? সিএনইটি ডটকমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বিষয়টি। চলুন দেখে নেই।

অপচয় বন্ধ করে বেশ ভালো অঙ্কের অর্থ সেভ করা যায়। ভোজ্যতেলের দাম অনেক বেশি। তাই তেলের পরমিত ব্যবহার করে খরচ কমানো সম্ভব।

গবেষকদের মতে, রান্নার সময় ৪০ শতাংশ খাদ্যদ্রব্য অপচয় হয়। অপচয়ের এই পরিমাণকেও কমিয়ে আনতে হবে। কমাতে হবে মসলার ব্যবহারও। সবকিছু মিলে এখান থেকে ভালো পরিমাণ অর্থ বাঁচানো যায়।

মাছ ও মাংস আমাদের দৈনন্দিন পুষ্টির উৎস। অন্যান্য পণ্যের মতো এগুলো দামও এখন বেশ চড়া। এই খাত থেকে অর্থ বাঁচাতে হলে সব সময় বাজারের খোঁজ রাখতে হবে। কখনও দাম পড়ে গেলে একসঙ্গে বেশি করে কিনে ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে।

সুপার শপ ও অনলাইন সুপার শপগুলো প্রায়ই নানা ধরনের অফার দেয়। তখন কাঁচাবাজার থেকে সুপার শপগুলোতে কম দামে পণ্য পাওয়া যায়। খরচ বাঁচাতে সেই অফারগুলো গ্রহণ করতে হবে।

মাঝেমধ্যে সুপার শপগুলো পণ্যের সঙ্গে গিফট কার্ড, স্ক্রাচ কার্ড অফার করে। সেখান থেকেও প্রয়োজনীয় পণ্য ফ্রি পাওয়ার সুযোগ মেলে। তাই এই সুযোগগুলোকে পাশ কাটিয়ে যাওয়া যাবে না।

মেম্বারশিপ কার্ড থাকলে সুপার শপগুলো কিছুটা ডিসকাউন্ট দেয়। বেশির ভাগ সুপারশপে এর পরিমাণ ৫ থেকে ১০ শতাংশ। আবার কোনো কোনো সুপারশপে মেম্বারশিপ কার্ডধারীদের কেনাকাটায় পয়েন্ট যোগ হয়। পরবর্তী সময়ে সেই পয়েন্ট দিয়ে কেনাকাটা করা যায়। তাই আপনি যে সুপারশপে নিয়মিত যাচ্ছেন, সেখানে মেম্বারশিপ গ্রহণ করে এই ডিসকাউন্টের সুযোগ নিন।

আরও পড়ুন:
ভাত খাওয়ার উপকারিতা-অপকারিতা
ঘরোয়া পদ্ধতিতে মশা তাড়াবেন যেভাবে
ঘামের দুর্গন্ধ কমানোর উপায়
ধূমপান ছাড়বেন যেভাবে
সুতি শাড়ির যত্ন

মন্তব্য

জীবনযাপন
Benefits of eating hilsa fish

ইলিশ মাছ কেন খাবেন

ইলিশ মাছ কেন খাবেন
ইলিশ মাছে আছে কোলাজেন। এই উপাদানটি ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রেখে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।

ইলিশ মাছ খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমন পুষ্টিকরও। ইলিশ মাছ খেলে নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান পাওয়ার পাশাপাশি শরীরের নানা উপকার হয়। হেলথ অ্যান্ড হেলদিয়ার ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে পুরো বিষয়টি। চলুন দেখে নেই।

প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করতে ইলিশ মাছের জুড়ি নেই। প্রতি ১০০ গ্রাম ইলিশ মাছে ১৮ থেকে ২০ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এ ছাড়া এতে যথেষ্ট পরিমাণে লাইসিন ও সালফারসমৃদ্ধ অ্যামাইনো এসিড, যেমন—মিথিওনিন ও সিস্টিন থাকে।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ইলিশ মাছের জুড়ি নেই। এর তেলে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড, ডিএইচএ ও ইপিএ থাকে যা হৃৎপিণ্ডের যত্ন নেয়। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে।

ইলিশ মাছ কেন খাবেন

ইলিশ মাছে প্রচুর পরিমাণে অরজিনিন আছে। এই উপাদানটি হতাশা কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত ইলিশ মাছ খেলে পাকস্থলীর আলসার ও কোলিটিসের ঝুঁকি কমে।

ইলিশ মাছে আছে কোলাজেন। এই উপাদানটি ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রেখে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।

ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করতে প্রয়োজন জিংক। ইলিশ মাছ জিংকের ভালো উৎস। তাই নিয়মিত ইলিশ মাছ খেলে শরীর রোগ প্রতিরোধে দারুণ কাজ করে।

ইলিশ মাছ চোখের যত্ন নেয়। এতে থাকা ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে এবং রাতকানাজনিত সমস্যা এড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ইলিশ মাছে থাকা লবণ শরীরে পানি এবং অন্যান্য পদার্থের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

আরও পড়ুন:
ঘরোয়া পদ্ধতিতে মশা তাড়াবেন যেভাবে
ঘামের দুর্গন্ধ কমানোর উপায়
ধূমপান ছাড়বেন যেভাবে
সুতি শাড়ির যত্ন
খাবার স্যালাইন বানানোর সঠিক পদ্ধতি

মন্তব্য

জীবনযাপন
What to do if something gets in the ear

কানে কিছু ঢুকে গেলে যা করবেন

কানে কিছু ঢুকে গেলে যা করবেন
কানে কিছু ঢুকলে খোঁচাখুঁচি করা যাবে না। কারণ খোঁচাখুঁচি করলে কানে ঢুকে যাওয়া বস্তুটি আরও ভেতরে চলে যেতে পারে।

কান শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কোনো কিছু শোনার জন্য শরীরের এই অঙ্গটি আমাদের সাহায্য করে। অসাবধানতায় কিংবা কান চুলকাতে গিয়ে কাঠি ভেঙে কানের মধ্যে ঢুকে যেতে পারে। আবার পোকামাকড়, মশা-মাছি প্রভৃতি কানের মধ্যে ঢুকে পড়ে নানা সময়ে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এ ধরনের ঘটনা বেশি ঘটে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে কী করবেন?

-

কানে কিছু ঢুকলে খোঁচাখুঁচি করা যাবে না। কারণ খোঁচাখুঁচি করলে কানে ঢুকে যাওয়া বস্তুটি আরও ভেতরে চলে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে সমস্যা কমার বদলে বেড়ে যাবে। খোঁচাখুঁচির ফলে কানের পর্দা ফুটো হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। সে রকম হলে কানে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা সৃষ্টি হবে।

কানে যেসব বস্তু ঢোকে তার মধ্যে আছে কটনবাডের অংশ, দিয়াশলাইয়ের কাঠি, পাখি বা মুরগির পালক, ধান, ফলের বীজ ও মুড়িজাতীয় বস্তু। তবে জীবন্ত প্রাণী যেমন মশা-মাছি, তেলাপোকা, পিঁপড়েও ঢুকে পড়ে।

কানে কোনো বস্তু ঢুকলে দেরি করে ডাক্তারের কাছে গেলে সমস্যা নেই, তবে প্রাণী ঢুকলে দেরি করা যাবে না। দ্রুত ডাক্তারের কাছে যেতে হবে এবং চিকিৎসা নিতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, কানে মশা, মাছি, তেলাপোকা, পিঁপড়া বা অন্য কোনো জীব ঢুকলে প্রথমেই কানের ভেতরে টর্চলাইটের আলো ফেলতে হবে। জীবন্ত পোকামাকড় আলোর প্রতি সংবেদনশীল হওয়ায় ওরা বেরিয়ে আসতে পারে।

এ ছাড়া এমন কানের মধ্যে মশা কিংবা মাছি ঢুকে গেলে এক হাত দিয়ে নাক চেপে ধরুন। অন্য হাত দিয়ে অন্য কানটি চেপে ধরুন। তাতে ভেতরে থাকা পোকা অনেক সময়ই বেরিয়ে আসে।

তবে যদি না বের হয়, তাহলে প্রথমেই কানের মধ্যে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল কিংবা নারকেল তেল দিন। পিঁপড়ে বা পোকামাকড় মরে যাবে, ফলে ব্যথা বা অস্বস্তি কমে যাবে।

এরপর নাক কান গলার চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। কানের ভেতরে ঢুকে যাওয়া বস্তু এবং তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর চিকিৎসক বিভিন্ন যন্ত্র ব্যবহার করে সেই বস্তুটিকে বাইরে বের করে আনবেন।

আরও পড়ুন:
ঘামের দুর্গন্ধ কমানোর উপায়
ধূমপান ছাড়বেন যেভাবে
সুতি শাড়ির যত্ন
খাবার স্যালাইন বানানোর সঠিক পদ্ধতি
দিনের ঘুম তাড়াতে যা করবেন

মন্তব্য

জীবনযাপন
Benefits of Olive Oil

অলিভ অয়েলের উপকারিতা

অলিভ অয়েলের উপকারিতা
অলিভ অয়েলে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। এতে উপকারী ফ্যাটি অ্যাসিড ছাড়াও রয়েছে ভিটামিন ই।

প্রতি দিনের খাবারে কমবেশি তেল থাকেই। সচরাচর আমরা সয়াবিন তেল খাই। তবে কেউ কেউ সরিষার তেল, রাইস ব্রান তেল কিংবা ঘি খান। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব তেলের মধ্যে সবচেয়ে ভালো অলিভ অয়েল। চলুন দেখে নেই অলিভ অয়েলের উপকারিতা।

-

প্রাচীনকালে অলিভ অয়েলকে তরল সোনা হিসেবে গণ্য করা হতো৷ অলিভ অয়েল হলো আসলে জলপাই ফল থেকে তৈরি এক ধরনের তেল, যা মূলত রান্নায় ব্যবহার করে থাকেন অনেকেই ৷

শরীর সম্পর্কে যারা সচেতন, তাদের রান্না ঘরে সরিষা এবং সয়াবিন তেলের বদলে জায়গা করে নিয়েছে এই অলিভ অয়েল ৷

হার্ট অ্য়াটাক, আর্থারাইটিস, স্তন ক্য়ানসার, কোলোরেক্টাল ক্যানসার, জরায়ু ক্য়ানসার থেকে শুরু করে কোষ্ঠকাঠিন্য়, গলব্লাডারে সমস্যা, মাইগ্রেনের সমস্যা প্রভৃতি বিভিন্ন ধরনের রোগ নিরাময়ে অলিভ অয়েলের ভূমিকা অনেকটাই।

অলিভ অয়েলে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। এতে উপকারী ফ্যাটি অ্যাসিড ছাড়াও রয়েছে ভিটামিন ই।

অলিভ অয়েলে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট দুরারোগ্য ব্যাধি থেকেও মুক্তি দেয়।

এ ছাড়াও বিভিন্ন প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে। রক্তের কোলেস্টেরল কম করে। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

অলিভ অয়েল স্ট্রোক প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে। অলিভ অয়েলে থাকা মনস্যাচুরেটেড ফ্যাট স্ট্রোক ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

রক্তচাপ কমিয়ে হৃদরোগ থেকে বাঁচায় অলিভ অয়েলে থাকা পুষ্টি উপাদানগুলো। টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।

আরও পড়ুন:
ধূমপান ছাড়বেন যেভাবে
সুতি শাড়ির যত্ন
খাবার স্যালাইন বানানোর সঠিক পদ্ধতি
দিনের ঘুম তাড়াতে যা করবেন
চাকরি পেতে হলে বাড়াতে হবে মৌলিক জ্ঞান

মন্তব্য

জীবনযাপন
Ways to lower air conditioner bills

এয়ার কন্ডিশনারের বিল কমানোর উপায়

এয়ার কন্ডিশনারের বিল কমানোর উপায়
এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের সময় টাইমার অন করুন। এর ফলে নির্দিষ্ট সময় পরে এসি বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে অতিরিক্ত ব্যবহার হবে না এবং ইলেকট্রিসিটি বিলও কম হবে।

বাড়িতে এয়ার কন্ডিশনার বা এসির ইলেকট্রিকের বিল নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তায় ভোগেন। পাহাড়সম ইলেকট্রিক বিলের চাপে অনেকেই এসি থাকার পরও চালাতে চান না। তবে চাইলে সহজ কিছু নিয়ম মেনে এসির বিল কমানো সম্ভব। এবিপি আনন্দের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে পুরো বিষয়টি। চলুন দেখে নেই।

-

এসির সার্ভিসিং

যেকোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসেরই নির্দিষ্ট সময় পর পর দেখভাল হওয়া প্রয়োজন। এয়ার কন্ডিশনারের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। তাই অনেক দিন এসি বন্ধ থাকার পর অবশ্যই চালু করার আগে একবার দক্ষ টেকনিশিয়ান দিয়ে এয়ার কন্ডিশনার মেশিনের সার্ভিসিং করিয়ে নিন। এতে ইলেকট্রিক বিল কমে আসে।

-

টাইমার সেট করুন

এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের সময় টাইমার অন করুন। এর ফলে নির্দিষ্ট সময় পরে এসি বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে অতিরিক্ত ব্যবহার হবে না এবং ইলেকট্রিসিটি বিলও কম হবে।

-

সঠিক তাপমাত্রা

এয়ার কন্ডিশনারে সঠিক তাপমাত্রা সেট করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে ইলেকট্রিক বিল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব ব্যুরো অফ এনার্জি এফিশিয়েন্সির মতে মানুষের শরীরের জন্য ২৪ ডিগ্রি এসির টেম্পারেচার আদর্শ। তাই এসি চালানোর সময় কত টেম্পারেচার সেট করছেন সেদিকে অবশ্যই নজর দিন।

-

সঠিক পদ্ধতিতে মেশিন বন্ধ করুন

এসি ব্যবহার না করলে অবশ্যই পাওয়ার বাটন বন্ধ করুন। অনেকেই শুধু রিমোট দিয়ে এসি বন্ধ করে ছেড়ে দেন। এভাবে এসি অফ করে লাভ নেই। পাওয়ার বাটন অফ করলে তবেই ইলেকট্রিসিটি বিল কমানো সম্ভব। তাই এসি বন্ধ করার সময় খেয়াল রাখুন।

-

দরজা-জানালা বন্ধ রাখুন

এসি চালানোর সময় খেয়াল রাখুন যাতে ভালোভাবে সেই ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ থাকে। নাহলে ঘর ঠাণ্ডা হতে অনেক সময় লাগবে। তার ফলে বেশিক্ষণ এসি চলবে এবং ইলেকট্রিকের বিলও বেশি আসবে।

আরও পড়ুন:
সুতি শাড়ির যত্ন
খাবার স্যালাইন বানানোর সঠিক পদ্ধতি
দিনের ঘুম তাড়াতে যা করবেন
চাকরি পেতে হলে বাড়াতে হবে মৌলিক জ্ঞান
ঘুমাতে যাওয়ার আগে যা খাবেন না

মন্তব্য

জীবনযাপন
Advantages and disadvantages of eating rice

ভাত খাওয়ার উপকারিতা-অপকারিতা

ভাত খাওয়ার উপকারিতা-অপকারিতা
ভাত আমাদের রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে ভাত খাওয়া উচিত।

মাছে ভাতে বাঙালি। তিন বেলা ভাত না খেলে আমাদের পেট যেন ভরেই না। এত ভাত খাওয়া কি শরীরের জন্য ভালো? এবিপি আনন্দের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে পুরো ব্যাপারটা। চলুন দেখে নেই।

-

আর্সেনিক

গবেষকদের মতে, বেশি ভাত খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কারণ চাষ করার সময়ই মাটি ও পানি থেকে ধানের মধ্যে আর্সেনিক প্রবেশ করে। পরবর্তীকালে ধান থেকে চাল এবং ভাত হওয়ার সময়ও সেই আর্সেনিক থেকে যায়। এই বিষাক্ত পদার্থটি শরীরে নিয়মিত প্রবেশ করতে থাকলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে।

-

শর্করা

ভাত আমাদের রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে ভাত খাওয়া উচিত।

-

ওজন বাড়ায়

ভাতে থাকা বিপুল পরিমাণ ক্যালোরি আমাদের ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাই অবশ্যই পরিমাণ বুঝে ভাত খাওয়া দরকার।

-

পাশাপাশি বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সিদ্ধ চালে ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও আয়রনে ভরপুর। এটা হজমশক্তি বৃদ্ধি করে। রয়েছে উপকারী অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও।

লাল চালের উপকারিতাও অনেক। প্রথমত, লাল চালে প্রচুর পরিমাণে বি ভিটামিন রয়েছে, যা শরীরে প্রয়োজনীয় লোহিত কণিকা এবং সেরোটোনিন উৎপাদন করে। এতে বেশি পরিমাণে আয়রন থাকায় খেতে সুস্বাদু নয়, কিন্তু রক্তাল্পতায় ভোগা মানুষের জন্য ওষুধের মতো কাজ করে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে বলে লাল চাল ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপকারী। তাই স্বাদ অগ্রাহ্য করে খেতেই পারেন লাল চালের ভাত।

আরও পড়ুন:
দিনের ঘুম তাড়াতে যা করবেন
চাকরি পেতে হলে বাড়াতে হবে মৌলিক জ্ঞান
ঘুমাতে যাওয়ার আগে যা খাবেন না
হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে প্রতিদিন কতক্ষণ হাঁটবেন
বর্ষাকালে পোষা প্রাণীর যত্ন

মন্তব্য

p
উপরে