× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
Beware of kitchen appliances
hear-news
player
google_news print-icon

রান্নাঘরের যন্ত্রপাতি থেকে সতর্ক থাকুন

রান্নাঘরের-যন্ত্রপাতি-থেকে-সতর্ক-থাকুন
অ্যালুমিনিয়ামের বাসনে রান্না করলে সেখান থেকে ক্যাডমিয়াম নামের এক পদার্থ নির্গত হয়। এটা শরীরের জন্য হতে পারে মারাত্মক ক্ষতিকর।

বর্তমান যুগের আধুনিক রান্নাঘরে নানা রকম যন্ত্রপাতি থাকে। এই যন্ত্রগুলো আমাদের দৈনন্দিন কাজ সহজ করে দেয়। তবে এসব যন্ত্রপাতি থেকেই হতে পারে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই বিষয়টি। চলুন দেখে নেই।

-

ফ্রিজ

সব ধরনের ফ্রিজ থেকে ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন নামের গ্যাস নির্গত হয়। এই গ্যাস শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষ করে এই গ্যাসের প্রভাবে তীব্র মাথা যন্ত্রণা হয়ে থাকে।

-

মাইক্রোওয়েভ ওভেন

মাইক্রোওয়েভ থেকে নির্গত রশ্মি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এ ছাড়া ওভেনে ব্যবহার করা বাসনপত্র ওভেন প্রুফ না হলে খাবারে ক্ষতিকর পদার্থ মিশতে পারে। তাই ওভেন প্রুফ বাসনপত্র ব্যবহার করুন।

-

অ্যালুমিনিয়ামের বাসনপত্র

অ্যালুমিনিয়ামের বাসনে রান্না করলে সেখান থেকে ক্যাডমিয়াম নামের এক পদার্থ নির্গত হয়। এটা শরীরের জন্য হতে পারে মারাত্মক ক্ষতিকর।

-

এয়ার ফ্রায়ার

এয়ার ফ্রায়ারে উচ্চ তাপে খাবার রান্না করলে সেখান থেকে অ্যাক্রিলামাইড নামের ক্ষতিকর পদার্থ তৈরি হতে পারে। এই পদার্থটি ক্যানসার সৃষ্টির জন্য দায়ী।

আরও পড়ুন:
প্রতিদিন বাদাম খাওয়ার উপকারিতা
চপিং বোর্ড পরিষ্কার করবেন যেভাবে
স্মার্টফোন আসক্তি কমাতে যা করবেন
বৃষ্টির দিনে চামড়ার তৈরি পণ্যের যত্ন
আম খাওয়ার উপকারিতা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Benefits of eating guava daily

প্রতিদিন পেয়ারা কেন খাবেন

প্রতিদিন পেয়ারা কেন খাবেন
পেয়ারার ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট স্ট্রেস কমাতে দারুণ কার্যকর। তাই অতি অবশ্যই তা নিয়ম করে খান।

পেয়ারা একটি স্বাস্থ্যকর ‍ও সুস্বাদু ফল। প্রতিদিন একটি পেয়ারা খেলে মিলতে পারে নানা উপকার। হেলথ লাইন ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বিস্তারিত। চলুন দেখে নেই।

-

ওজন কমায়

ওজন কমানোর জন্য পেয়ারা খুবই কার্যকর একটি ফল। বড় আকারের একটি পেয়ারায় ৬৫ ক্যালোরি থাকে। অন্যদিকে সেই পেয়ারাটিকে হজম করতে এর চেয়ে বেশি ক্যালোরি খরচ হয়। ফলে বাড়তি ক্যালোরি খরচের মাধ্যমে ওজন কমে আসে।

-

ত্বক সুস্থ রাখে

পেয়ারায় আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। ত্বক ও চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ভিটামিন সির গুরুত্ব অপরিসীম। পাশাপাশি এই ভিটামিনটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও খুবই কার্যকর।

প্রতিদিন পেয়ারা কেন খাবেন

রক্তের চিনি কমায়

পেয়ারার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। আছে প্রচুর ফাইবার। পেয়ারার এই গুণ রক্তের চিনির পরিমাণ কমিয়ে আনে। তাই যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তারা যেকোনো সময় পেয়ারা খেতে পারেন।

-

মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে

আমাদের মুখগহ্বরের স্বাস্থ্যরক্ষায় পেয়ারার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। নিয়মিত পেয়ারা চিবিয়ে খেলে দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্য খুব ভালো থাকে। অনেকে বলে থাকেন, পেয়ারার পাতা চিবিয়ে খেলে দাঁতের ব্যথা কমে যায়।

-

স্ট্রেস কমায়

পেয়ারার ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট স্ট্রেস কমাতে দারুণ কার্যকর। তাই অতি অবশ্যই তা নিয়ম করে খান।

-

স্বাস্থ্য সুরক্ষা

যাদের সোডিয়াম-পটাশিয়াম স্তরে কোনো সমস্যা আছে, তারাও পেয়ারা খান নিয়মিত। যাদের ব্লাড প্রেসার একটু বেড়েই থাকে, তারা অবশ্যই পেয়ারা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও কনস্টিপেশনের সমস্যা কমাতেও তা কার্যকর।

আরও পড়ুন:
যেভাবে বুঝবেন ডেঙ্গু হয়েছে
এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস করবেন যেভাবে
ডার্ক সার্কেল দূর করার ঘরোয়া উপায়
যে সুপার ফুডগুলো শিশুর দ্রুত বৃদ্ধি ঘটায়
বয়স ৫০ পেরিয়ে গেলে যা করবেন

মন্তব্য

জীবনযাপন
Why use the stairs?

সিঁড়ি ব্যবহার করবেন যে কারণে

সিঁড়ি ব্যবহার করবেন যে কারণে
সিঁড়ি ব্যবহার করলে পা, তলপেট, পিঠ এবং বাহুর পেশিগুলোর শক্তি বাড়ে। পাশাপাশি নিতম্ব এবং হাঁটুর জয়েন্টগুলোর স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি পায়।

সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করা খুব ভালো ব্যায়াম। এটা করালে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি খুব দ্রুত ধ্বংস হয়। পাশাপাশি এর রয়েছে আরও কিছু উপকার। ইউভিএ হেলথের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে পুরো বিষয়টি। চলুন দেখে নেই।

-

হৃৎপিণ্ডের জন্য ভালো

সিঁড়ি বেয়ে ওঠা হৃৎপিণ্ডের জন্য ভালো। এর ফলে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও স্থূল হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, দৈনিক সাত মিনিট সিঁড়ি বেয়ে উঠলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা অর্ধেকে নেমে আসে।

-

পেশিশক্তি ও হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে

সিঁড়ি ব্যবহার করলে পা, তলপেট, পিঠ ও বাহুর পেশিগুলোর শক্তি বাড়ে। পাশাপাশি নিতম্ব এবং হাঁটুর জয়েন্টগুলোর স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি পায়। সিঁড়ির ব্যবহার হাড়ের জন্যও উপকারী। এটা হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে।

-

ক্যালোরি বেশি খরচ করে

জগিং করার চেয়ে সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা করলে বেশি ক্যালরি খরচ করা যায়। এর হার মিনিটে ৫ থেকে ১১ ক্যালরি। ওজন ঠিক রাখতে তাই সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা করা অনেক বেশি উপকারী।

-

মানসিক চাপ কাটাতে কাজ করে

সিঁড়ি ব্যবহার করলে মানসিক চাপ কমে। এটি মনকে রিলাক্স করে এবং প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনে। তাই অফিস কিংবা বাইরের মানসিক চাপ কমাতে সিঁড়ি ব্যবহার করতে পারেন।

-

সহজেই পাওয়া যায়

আপনি যেখানেই থাকুন না কেন, চাইলেই সিঁড়ি খুঁজে পাবেন। সিঁড়ি ব্যবহার সহজ ও নিরাপদ। এটার জন্য জিমে যোগ দিতে হয় না, বিশেষ সরঞ্জাম কেনার দরকার নেই, এমনকি পোশাকও পাল্টাতে হয় না। শুধু কাছাকাছি স্থানে সিঁড়ি খুঁজুন এবং ব্যায়াম করুন।

আরও পড়ুন:
এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস করবেন যেভাবে
ডার্ক সার্কেল দূর করার ঘরোয়া উপায়
যে সুপার ফুডগুলো শিশুর দ্রুত বৃদ্ধি ঘটায়
বয়স ৫০ পেরিয়ে গেলে যা করবেন
কলার নানা উপকারী দিক

মন্তব্য

জীবনযাপন
How to live without electricity

বিদ্যুৎহীন জীবন কাটাবেন যেভাবে

বিদ্যুৎহীন জীবন কাটাবেন যেভাবে একটু চেষ্টা করলেই বিদ্যুৎহীন জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নেয়া যায়। ছবি: সংগৃহীত
একটু চেষ্টা করলেই বিদ্যুৎহীন জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নেয়া যায়। শুধু তা-ই নয়, এই জীবনের অনেক উপকারী দিকও আছে।

বেশির ভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ ছাড়া জীবন কল্পনা করা প্রায় অসম্ভব। বিদ্যুৎ ছাড়া বেঁচে থাকার চিন্তা এতটাই ভীতিকর যে, এই সেবা ছাড়া ১ বা ২ দিন কাটানোর কথা চিন্তাও করবেন না অনেকে। তবে একটু চেষ্টা করলেই বিদ্যুৎহীন জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নেয়া যায়। শুধু তা-ই নয়, এই জীবনের অনেক উপকারী দিকও আছে।

বিদ্যুৎ ছাড়া বেঁচে থাকা ততটা কঠিন নয়, যতটা আপনি ভাবছেন

বেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন বিদ্যুৎ আবিষ্কার করার আগে, আমরা সবাই এটি ছাড়াই বাস করতাম। প্রায় আড়াই লাখ অমিশ সম্প্রদায়ের (তাইওয়ানের একটি অস্ট্রোনেশীয় জাতিগত গোষ্ঠী) মানুষ আজও টিকে আছে বিদ্যুৎ ছাড়াই।

হ্যাঁ, কিছু জিনিস বিদ্যুৎ ছাড়া আরও কঠিন। তবে বিদ্যুৎ না থাকাটাও অনেক কিছুকে সহজ করে দেয়। একটু মানিয়ে নিতে পারলে সম্ভবত এতটা বিদ্যুৎ মিস করবেন না আপনি।

টিভি নেই মানে আপনার আরাম করার সময় আছে

আমরা বেশিরভাগই টিভি ব্যবহার করি আরামের উপায় হিসেবে। মজার বিষয় হলো, টিভির সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সোফায় বসে থাকার পরও অনেকে আরাম বোধ করেন না।

বিদ্যুৎহীন সময়ের শুরুর দিকে টিভি, রেডিও, ইন্টারনেট না থাকাটা একটু অদ্ভুত লাগতে পারে। তবে কিছু সময় পার হলে, এটার সঙ্গে আপনি মানিয়ে নিতে পারবেন। মনে হতে থাকবে, ক্রিকেট খেলা বা প্রিয় তারকার চেহারা পর্দায় দেখার চেয়ে, বাইরের প্রকৃতি অনেক বেশি প্রফুল্ল করছে মনকে।

গরমে হয়ে যান যাযাবর

বিদ্যুৎ নেই মানে ফ্যান বা এয়ার কন্ডিশনার নেই। গ্রীষ্মকালে বেশিরভাগ মানুষের কাছে সবচেয়ে কঠিন বাস্তবতার একটি।

বেশির ভাগ মানুষেরই গ্রীষ্মের রাতে ঘুমাতে সমস্যা হয়। তাই বিছানায় যাওয়ার আগে হালকা গোসল নিন। এতে শরীর দীর্ঘক্ষণ শীতল থাকে। দিনের বেলায় বালতিতে পা চুবিয়ে রাখুন। এতেও মিলবে দারুণ স্বস্তি। আর এসবে কাজ না হলে, প্রকৃতির কাছাকাছি কয়েকদিনের জন্য ঘুরে আসুন। মনে রাখবেন, আমাদের পূর্বপুরুষরা কিন্তু যাযাবর ছিলেন।

সময়মত কাজ করা প্রয়োজন

মোমবাতির আলোয় রাতের খাবার রান্না করা খুব একটা মজার নয়। তাই দিনের আলো ব্যবহার করার জন্য আপনার সময়সূচি সামঞ্জস্য করতে শিখুন। এতে আপনার দেহঘড়িও ঠিক থাকবে।

জিমে যাওয়ার কী দরকার

আধুনিক জীবনের অদ্ভূত বাস্তবতা হলো জিমে যাওয়া। মনে রাখবেন, আমাদের দাদা-দাদিরা শরীরচর্চার জন্য জিমে দৌড়াতেন না। তারা বরং দৈনন্দিন কাজের মাধ্যমে এই কসরত সারতেন।

বিদ্যুৎহীন জীবনে আপনাকে অনেক কাজ ম্যানুয়ালি করতে হয়। এসব কাজ কিন্তু খুব সহজ নয়। হাত দিয়ে কাপড় ধোয়ার পর দেখবেন আপনার হৃদযন্ত্র সত্যিই দুর্দান্ত হয়ে উঠেছে। ভারী কিছু উঠা বা নামানোর জন্য বন্ধদের না ডেকে, আস্তে আস্তে নিজেই তা করার চেষ্টা করুন। এতে আপনার শরীর চমৎকার কাঠামো পাবে। তবে শারীরিক কোনো জটিল রোগ থাকলে, এসব থেকে দূরে থাকাই ভালো।

ধীরে ধীরে খাবারের স্বাদ ভালো হয়

রান্নার জন্য কাঠের চুলা জ্বালাতে একটু সময় লাগে। সোলার ওভেনে বেক করাও ধৈর্যের ব্যায়াম। আমরা যাকে ‘মাইক্রোওয়েভ জেনারেশন’ বলি, তাদের জন্য অবশ্য এসব অনেক কঠিন, বিরক্তিকর এবং হতাশাজনক। তবে ভালো কিছু তারাই পাবে, যারা অপেক্ষা করে!

প্রতিবন্ধকতা বুদ্ধিমত্তা বাড়ায়

কোনো সমস্যা না হওয়া পর্যন্ত কেউ সমাধান বের করতে পারে না। বিদ্যুৎ ছাড়া জীবনযাপনের শুরুতে নানা সমস্যা দেখা দেবে...এটা নিশ্চিত। খেয়াল করে দেখবেন, বিদ্যুৎ ছাড়া বসবাসকারী মানুষরা প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জের সৃজনশীল সমাধান খুঁজে পেতে আপনার চেয়ে বেশি মস্তিষ্ক ব্যবহার করে।

পরিবারের সদস্যরা আসলে চমৎকার, আকর্ষণীয়!

টিভি, ইন্টারনেট এবং কয়েক ডজন গ্যাজেটের বিভ্রান্তি ছাড়া কবে আপনি আপনার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছেন? আজকের আধুনিক বিশ্বে এমনটা খুব কমই ঘটে।

প্রতিদিন সন্ধ্যার অন্ধকারে কয়েক ঘণ্টা পারিবারিক বন্ধনে নিজেকে জড়িয়ে দেখুন; শৈশবের নির্মল আনন্দ লুকিয়ে আছে সেখানে।

আরও পড়ুন:
সারা দেশে বিদ্যুৎ স্বাভাবিক হতে লাগবে ‘৮-১০ ঘণ্টা’
দেশের অর্ধেক এলাকা বিদ্যুৎহীন
আবহাওয়ার পরিবর্তনে কমেছে লোডশেডিং
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সান্ধ্য ব্যাংকিং বন্ধ
পল্লী বিদ্যুতে অতিরিক্ত লোডশেডিং: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

মন্তব্য

জীবনযাপন
What to keep with you when you travel

বেড়াতে গেলে সঙ্গে যা রাখবেন

বেড়াতে গেলে সঙ্গে যা রাখবেন
বেড়াতে যাওয়ার আগে ব্যাগ গোছানোর সময় প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিতে ভুলবেন না যেন। কোনও ব্যক্তি যদি নিয়মিত কোনও ওষুধ খেয়ে থাকেন, তাহলে তা অবশ্যই সঙ্গে রাখতে হবে।

কোথাও বেড়াতে গেলে জরুরি জিনিসপত্র সঙ্গে রাখতে হয়। কী সেই জিনিসগুলো? এবিপি আনন্দের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বিষয়টি। চলুন দেখে নেই।

কোথাও বেড়াতে গেলে নিজের পরিচয় পত্র সঙ্গে রাখা অত্যন্ত জরুরি। বেশিরভাগ জায়গাতেই পরিচয় পত্র ছাড়া হোটেলে রুম পাওয়া যায় না। এমনকি অনেক জায়গাতেই পরিচয়পত্র ছাড়া প্রবেশও করতে দেয়া হয় না। যদি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বেড়াতে যান, তাহলে পরিবারের সদস্যদের পরিচয়পত্রও সঙ্গে রাখতে ভুলবেন না।

বেড়াতে যাওয়ার আগে ব্যাগ গোছানোর সময় প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিতে ভুলবেন না যেন। কোনও ব্যক্তি যদি নিয়মিত কোনও ওষুধ খেয়ে থাকেন, তাহলে তা অবশ্যই সঙ্গে রাখতে হবে। এছাড়াও, জ্বর, পেট খারাপ, বমি, মাঠা ব্যথা এবং সাধারণ শারীরিক সমস্যার ওষুধও সঙ্গে রাখতে হবে।

ব্যক্তিগত পরিচ্ছ্বন্নতা বজায় রাখার সমস্ত জিনিস সঙ্গে রাখতে হবে। নিজের টুথব্রাশ, শ্যাম্পু, সাবান, ফেস ওয়াস, বডি লোশন, ক্রিম, প্রসাধনী দ্রব্য, স্যানিটারি ন্যাপকিন সঙ্গে নিতে ভুলবেন না।

অন্ধকার পথে চলার জন্য টর্চ লাইট, মোবাইল ফোনের চার্জার, পাওয়ার ব্যাঙ্ক সঙ্গে রাখতে হবে। মোবাইল ফোন চার্য দেবার জায়গা পাওয়া না গেলে পাওয়ার ব্যাংক আপনার রফোনটিকে সচল রাখবে।

যদি পাথুরে এলাকায় বেড়াতে যান, তাহলে হাইকিং শ্যু সঙ্গে রাখতে হবে। সাধারণ জুতো পরে সেখানে আপনি হাঁটাচলা করতে পারবেন না। পাশাপাশি, কোন ধরনের জায়গায় বেড়াতে যাচ্ছেন, তার উপর নির্ভর করে পোশাক সঙ্গে রাখতে হবে।

আরও পড়ুন:
ডাবের পানি পান করবেন যে কারণে
রসুনের খোসা ছাড়ানোর সহজ উপায়
স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখবেন যেভাবে
যেভাবে বুঝবেন ডেঙ্গু হয়েছে
এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস করবেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
Thats why you drink bottled water

ডাবের পানি পান করবেন যে কারণে

ডাবের পানি পান করবেন যে কারণে
আমাদের শরীরে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। নিয়াসিন রাইবোফ্লবিন, থিয়ামিন ও পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারী উপাদানে ভরপুর ডাবের পানি। প্রতিদিন এই পানি পান করলে শরীরের ভেতরের শক্তি বৃদ্ধি পায়।

সহজলভ্য ফলের মধ্যে ডাব অন্যতম। ডাবের পানির উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ প্রচুর। হেলথলাইন ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ডাবের পানির উপকারিতার কথা। চলুন দেখে নেই।

-

ডাবের পানিতে ক্যালসিয়াম, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাসের উপস্থিতি উচ্চমাত্রায়। এসব খনিজ লবণ আমাদের দাঁতের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়। দাঁত ও মাড়িকে করে মজবুত। অনেকের দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে, মাড়ি কালচে লাল হয়ে যায়। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ দেয় খনিজ লবণ।

আমাদের দেহে ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়ামের অভাব হলে কিংবা নানা ধরনের অসুখ-বিসুখ হলে ডাক্তার ডাবের পানি পান করার পরামর্শ দেন৷ এর কারণ ডায়রিয়া বা কলেরা রোগীদের ঘনঘন পাতলা পায়খানা ও বমি হয়। ফলে দেহে পানি ও খনিজ পদার্থের ঘাটতি দেখা যায়৷ এই ঘাটতি পূরণের জন্য ডাবের পানি অনেকাংশেই কাজ করে।

আমাদের শরীরে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। নিয়াসিন রাইবোফ্লবিন, থিয়ামিন ও পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারী উপাদানে ভরপুর ডাবের পানি। প্রতিদিন এই পানি পান করলে শরীরের ভেতরের শক্তি বৃদ্ধি পায়। ফলে জীবাণুর বিরুদ্ধে শরীর ভালোভাবে কাজ করে।

গ্রীষ্মকালীন গরমে ছোট-বড় সবারই দেহের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ফলে ত্বকে ফুটে ওঠে লালচে কালো ভাব। ডাবের পানি দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা কমিয়ে শরীরকে রাখে ঠান্ডা। তারুণ্য ধরে রাখতে এর অবদান অনেক। ডাবের পানি যেকোনো কোমল পানীয় থেকে অধিক পুষ্টিসমৃদ্ধ। এর কারণ এটি চর্বিবিহীন পানীয়। ডাবের পানি সামান্য মিষ্টি হওয়া সত্ত্বেও ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপকারী।

যাদের মুখে জলবসন্তের দাগসহ বিভিন্ন ছোট ছোট দাগ রয়েছে ,তারা সকালে ডাবের পানি মুখে লাগালে দাগ চলে যায় এবং মুখের লাবণ্য ও উজ্জ্বলতা ফিরে আসে।

ডাবের পানিতে আছে সাইটোকিনিস নামে একটি অ্যান্টি-এজিং উপাদান, যা শরীরের ওপর বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।

ডাবের পানিতে বিদ্যমান অ্যামাইনো অ্যাসিড ও ডায়াটারি ফাইবার ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

আরও পড়ুন:
যে সুপার ফুডগুলো শিশুর দ্রুত বৃদ্ধি ঘটায়
বয়স ৫০ পেরিয়ে গেলে যা করবেন
কলার নানা উপকারী দিক
খাঁটি ঘি চেনার উপায়
খালি পেটে যা খাওয়া যাবে না

মন্তব্য

জীবনযাপন
Easy way to peel garlic

রসুনের খোসা ছাড়ানোর সহজ উপায়

রসুনের খোসা ছাড়ানোর সহজ উপায়
রসুনের কোয়াগুলোকে ছুরির সাহায্যে দুই টুকরা করে কেটে নিন। এবার খুব সহজেই খোসা ছাড়িয়ে ফেলতে পারবেন।

খাবারে বাড়তি স্বাদ আনে রসুন। তা ছাড়া এটা শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। সমস্যা হচ্ছে রসুনের খোসা নিয়ে। এর খোসা ছাড়ানো বেশ কঠিন। আজ আপনাদের জন্য থাকছে এমন কিছু টিপস, যার মাধ্যমে সহজেই রসুনের খোসা ছাড়াতে পারবেন। চলুন দেখে নেই।

-

যখন বাজার থেকে রসুন কিনবেন, তখন খেয়াল রাখতে হবে যেন রসুনের কোয়াগুলো বড় এবং পরিষ্কার হয়।

একটা বড় পাত্রে রসুনের কোয়াগুলো নিন। ঢাকনা দিয়ে পাত্রের মুখ বন্ধ করে ঝাঁকাতে থাকুন। ভালো করে কয়েকবার ঝাঁকানোর পর ঢাকনি সরিয়ে ফেলুন। এবার দেখুন রসুনের খোসা কত সহজেই ছাড়িয়ে ফেলা যাচ্ছে।

রসুনের খোসা ছাড়ানোর সহজ উপায়

হালকা গরম পানি নিন। তাতে রসুনের কোয়াগুলো দিয়ে মিনিট দশেক অপেক্ষা করুন। সময় শেষ হওয়ার পর হালকা হাতে রসুনের খোসা ছাড়ান। দেখতে পাবেন কত সহজেই খোসা উঠে আসছে।

-

ভারী কিছু দিয়ে রসুনের কোয়াগুলোকে থেঁতলে দিন। তাহলে খুব সহজেই খোসা ছেড়ে যাবে রসুন থেকে।

-

রসুনের কোয়াগুলোকে ছুরির সাহায্যে দুই টুকরা করে কেটে নিন। এবার খুব সহজেই খোসা ছাড়িয়ে ফেলতে পারবেন।

-

ছুরি হোক কিংবা ব্লেড, যেকোনো কিছু দিয়েই রসুনের খোসা ছাড়িয়ে ফেলা সম্ভব। ছুরির ধারালো অংশ দিয়ে রসুনের মাথার দিকটা অল্প করে কেটে দিন। এবার সেই অংশে চাপ দিলেই খোসা থেকে রসুন আলাদা হয়ে যাবে খুব সহজেই।

-

যেভাবে আমরা রুটি বেলে থাকি, সেভাবেই রসুনের কোয়াগুলোকে বেলুনের সাহায্যে বা অন্য কিছুর সাহায্যে হালকা করে বেলে নিন। খেয়াল রাখতে হবে রসুন যেন থেঁতলে না যায়। এবার রসুন থেকে খোসা খুব সহজেই আলাদা করতে পারবেন।

আরও পড়ুন:
বয়স ৫০ পেরিয়ে গেলে যা করবেন
কলার নানা উপকারী দিক
খাঁটি ঘি চেনার উপায়
খালি পেটে যা খাওয়া যাবে না
শিশুর দাঁতের যত্ন নেবেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
How to keep your smartphone battery good

স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখবেন যেভাবে

স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখবেন যেভাবে
অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোনে সব সময় কিছু না কিছু অ্যাপ কাজ করতে থাকে। তাছাড়া কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড ফাংশন, যেগুলোর দরকার নেই সেগুলো ফোনের চার্জ ব্যবহার করতে থাকে। ব্যাটারি অপ্টিমাইজেশন অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপগুলো বন্ধ করা যায়।

স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখতে চাইলে কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। নইলে দ্রুত মোবাইলের ব্যাটারি খারাপ হয়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক। অ্যানড্রয়েড অথরিটি ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার উপায়। চলুন দেখে নেই।

-

মোবাইল কখন চার্জ দিতে হবে

মোবাইলে ৫০ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে চার্জ থাকা ভালো। চার্যের পরিমাণ ৫০ শতাংশের চেয়ে কমে গেলে চার্য দিতে হবে। তবে চার্য ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ হয়ে গেলে চার্যার খুলে ফেলবেন।

-

চার্জ ২০ শতাংশের কম নয়

স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ ২০ শতাংশ থেকে কমে না যায়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। শুধু তা-ই নয়, ২০ শতাংশ থেকে কমে যাবার আগেই ফোন চার্জে দিতে হবে।

-

১০০ শতাংশ চার্য নয়

স্মার্টফোনের ব্যাটারি ১০০ শতাংশ চার্জ না দেয়াই ভালো। তবে মাসে সর্বোচ্চ দুই বার ০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত চার্য দেয়া যেতে পারে। কিছু গবেষণায় এটা ব্যাটারির জন্য ভালো বলে প্রমাণিত হয়েছে।

-

চার্জিং অবস্থায় স্মার্টফোন ব্যবহার

স্মার্টফোন চার্জ হতে থাকা অবস্থায় ব্যবহার না করাই ভালো। এতে ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাটারি বিস্ফোরণের নজিরও পাওয়া যায়।

-

ব্যাটারি অপ্টিমাইজেশন অ্যাপ ব্যবহার

অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোনে সব সময় কিছু না কিছু অ্যাপ কাজ করতে থাকে। তাছাড়া কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড ফাংশন, যেগুলোর দরকার নেই সেগুলো ফোনের চার্জ ব্যবহার করতে থাকে। ব্যাটারি অপ্টিমাইজেশন অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপগুলো বন্ধ করা যায়। ফলে ব্যাটারির চার্জ থাকে দীর্ঘ সময়। এ রকম কিছু অ্যাপ হলো ব্যাটারি ডক্টর, ক্যাসপারস্কাই ব্যাটারি লাইফ, ব্যাটারি পিআই অ্যান্ড অপ্টিমাইজেশন।

-

সারারাত স্মার্টফোন চার্জ দেয়া

সারা রাতের জন্য ফোন চার্জে লাগিয়ে রাখাটা ব্যাটারির জন্য ক্ষতিকর। যতটুকু চার্জের প্রয়োজন, তার থেকে বেশি পরিমাণে চার্জে দিয়ে রাখলে ব্যাটারিতে তার খারাপ প্রভাব পড়ে এবং চার্জের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তাই সারা রাত মোবাইল চার্জে লাগিয়ে রাখবেন না।

-

যেকোনো চার্জার বা পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহার

অন্য ব্র্যান্ড বা মডেলের চার্জার এবং পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহার করলে স্মার্টফোনের ক্ষতি হতে পারে। এতে ব্যাটারির আয়ু কমে যায়। অনেক ক্ষেত্রে সস্তা চার্জার ব্যবহার করার ফলে ব্যাটারিতে আগুন পর্যন্ত লেগে যাওয়ার ইতিহাস আছে। তাই এ ধরনের কাজ এড়িয়ে চলতে হবে।

আরও পড়ুন:
কলার নানা উপকারী দিক
খাঁটি ঘি চেনার উপায়
খালি পেটে যা খাওয়া যাবে না
শিশুর দাঁতের যত্ন নেবেন যেভাবে
স্মার্টফোন হ্যাক হয়েছে বুঝবেন যেভাবে

মন্তব্য

p
উপরে