× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

জীবনযাপন
Divorced after 3 months of marrying herself
hear-news
player
print-icon

নিজেকে বিয়ে করে ৩ মাস পর তালাক

নিজেকে-বিয়ে-করে-৩-মাস-পর-তালাক
নিজেকে বিয়ের তিন মাস পর ডিভোর্স দেন মডেল ক্রিস গ্যালেরা
ভারতের গুজরাটের এক তরুণীর নিজেকে নিজের বিয়ের পর ব্রাজিলের মডেলের ঘটনা সামনে এসেছে। প্রশ্ন উঠেছে, এই বিয়ে টিকবে নাকি পরিণতি হবে ব্রাজিলের মডেলের মতোই।

নির্ভরতার কোনো হাত পাচ্ছিলেন না, সংকটে পড়েছিল আস্থায়ও। তাই নিজেকেই নিজে বিয়ের সিদ্ধান্ত। আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয় সে বিয়ে। কিন্তু টেকসই হয়নি; মাত্র তিন মাস নিজে নিজের ঘর করতে পেরেছিলেন তিনি!

ব্রাজিলের এক মডেল গত বছর ঘটিয়েছিলেন এমন ঘটনা। ভারতের গুজরাটের এক তরুণীর নিজেকে নিজের বিয়ের পর ব্রাজিলের মডেলের ঘটনা সামনে এসেছে। প্রশ্ন উঠেছে, এই বিয়ে টিকবে নাকি পরিণতি হবে ব্রাজিলের মডেলের মতোই।

নিউজ এইটিন বলছে, সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টারকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের চেয়ে ভালো কাউকে পেয়ে নিজেকে ডিভোর্স দিয়ে তাকে বিয়ে করার কথা জানিয়েছিলেন সাউ পাওলোর ৩৩ বছর বয়সী ক্রিস গ্যালেরা।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন ক্রিস। তবে তা টিকেছিল মাত্র তিন মাস। পরে তিনি জানান, একজন পুরুষের প্রেমে পড়েছেন। তাই নিজেকে ডিভোর্স দিয়ে তাকে বিয়ে করছেন।

সাও পাওলোর গির্জায় বসেছিল মডেল ক্রিসের বিয়ের আসর। একটু খোলামেলা পোশাক পরেই বিয়ে করতে এসেছিলেন। গির্জার সামনে ফুল হাতে ছবিও দেন। যেমন বিয়ের পর নবদম্পতি দিয়ে থাকেন। কিন্তু সেই একক ‘দাম্পত্যে’ চিড় ধরে।

নিজের সঙ্গে নিজের বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘যতদিন সম্পর্কটা ছিল আমি বেশ সুখীই ছিলাম। তবে বিশেষ একজনের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর আমি আবার নতুন করে প্রেমে আস্থা ফিরে পেয়েছি।’

সর্বশেষ বুধবার প্রথাগত রীতি ভেঙে স্ববিবাহ, অর্থাৎ নিজেকেই নিজে বিয়ে করেন ভারতের গুজরাটের এক তরুণী। এই বিয়েতে সম্পন্ন হয়েছে সব আনুষ্ঠানিকতাই। শুধু ছিলেন না বর।

গুজরাটের গত্রি এলাকায় বুধবার নিজের বাড়িতে খুব কাছের কিছু বন্ধুবান্ধব নিয়ে ক্ষমা বিন্দু বিয়ের পিঁড়িতে বসেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে টাইমস অফ ইন্ডিয়া।

সলোগামি বা নিজেকে বিয়ের ঘটনা গুজরাটে এটিই প্রথম। একটি মন্দিরে ১১ জুন সন্ধ্যায় ২৪ বছর বয়সী ক্ষমার বিয়ের কথা ছিল। তবে কিছু বিতর্ক এড়াতে এর দুদিন আগেই বিয়ের আয়োজন সারেন তিনি।

নিজেকে বিয়ে করে ৩ মাস পর তালাক
ভারতীয় তরুণী ক্ষমা বিন্দু

অন্যসব বিয়ের মতোই বিয়েতে ব্যবস্থা ছিল হলুদ ও মেহেদির। ৪০ মিনিট ধরে চলে আনুষ্ঠানিকতা। বন্ধুরা ছিটাতে থাকেন ফুল। তরুণীও শপথ নেন নিজেকে ভালোবাসার।

ক্ষমা বিয়ের লাল পোশাকে সজ্জিত হয়েছিলেন, সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে নববধূ হিসেবে পবিত্র আগুনের চারপাশে সাতবার প্রদক্ষিণও করেন। এখন দুই সপ্তাহের হানিমুনে গোয়া যাবেন তিনি।

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ক্ষমা বিন্দু বলেছেন, তিনি আত্মপ্রেমে জীবন উৎসর্গ করবেন। তার মতে স্ববিবাহ হলো নিজের জন্য এক জীবনধারা, জীবিকা বেছে নেয়ার প্রতিশ্রুতি; যা একজন ব্যক্তিকে সবচেয়ে জীবন্ত, সুন্দর ও গভীরভাবে সুখী ব্যক্তিতে পরিণত করবে।

নিজেকে বিয়ে করার ধারণাটি প্রথম আসে আমেরিকান সিরিজ ‘সেক্স অ্যান্ড দ্য সিটি’ থেকে। টেলিভিশন সিরিজের জনপ্রিয় চরিত্র ক্যারি ব্র্যাডশো প্রথম এটি তুলে ধরেছিলেন। কিন্তু সেটা ছিল নিছক কমেডি সিরিজ।

এরপর এমন স্ববিবাহের ঘটনা বিশ্বে শত শত ঘটেছে। এর বেশির ভাগই ছিলেন অবিবাহিত নারী। নববধূরা আদিম বিবাহের গাউন পরে হেঁটেছেন, একটি ফুলের তোড়া নিয়ে হেঁটেছেন। কখনও কখনও পরিবার ও বন্ধুরাও তাদের উৎসাহ দিয়েছেন।

২০১৮ সালে ৪০ বছর বয়সে নিজেকে নিজে বিয়ে করেন ইতালির এক নারী। তার আগে অস্ট্রেলিয়ার এক নারী নিজেকে নিজে বিয়ে করে আসেন সংবাদের শিরোনামে।

আরও পড়ুন:
পাত্রকে কনের অন্তঃসত্ত্বার জাল সনদ পাঠিয়ে আটক ৩
বিয়ের দাবি নিয়ে সহপাঠীর বাড়িতে কলেজছাত্রী
সাবেক স্ত্রীর বিয়েতে বোমা হামলা, আটক ২

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Those who giggle on peoples faces all night

রাতভর মানুষের মুখের ওপর কিলবিল করে যারা

রাতভর মানুষের মুখের ওপর কিলবিল করে যারা প্রতি রাতে মানুষের মুখের ওপর রাজত্ব কায়েম করে ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম নামের এক ধরনের মাইট। ছবি সংগৃহীত
ডেমোডেক্স ফলিকুলরামের একমাত্র আবাসস্থল মানুষ। এরা আমাদের মুখের লোমকূপে জন্মায়, খাওয়া-দাওয়া করে; এমনকি সঙ্গমের জায়গা হিসেবে বেছে নেয় মুখের নরম ত্বক। এদের খাবারের সবটা জোগান দেয় মানুষের মুখের মৃত কোষ।

রাতের আঁধার ঘনিয়ে এলেই গোপন আবাস ছেড়ে বেরিয়ে আসে এরা। ধীর পায়ে কিলবিল করে মুখজুড়ে। খাওয়া-দাওয়া করে, এমনকি সুযোগ বুঝে সেরে নেয় সঙ্গম। ত্বকের মৃত কোষ এদের দারুণ পছন্দ। রাতভর উদরপূর্তি শেষে ভোরের আলো ফুটতেই এরা আবার ফিরে যায় নিজেদের গোপন ডেরায়।

প্রতি রাতে মানুষের মুখের ওপর এভাবে রাজত্ব কায়েম করে ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম নামের এক ধরনের মাইট। এদের জন্ম মানুষের মুখের লোমকূপে, মুখের মৃত কোষ খেয়েই বাড়বাড়ন্ত; প্রায় দুই সপ্তাহের জীবনকাল কেটে যায় মানুষের মুখমণ্ডলে বিচরণ করেই।

সুদীর্ঘকাল ধরে মানুষের মুখকে পোষক বানিয়ে টিকে আছে এই প্রজাতির মাইট। তৈরি করেছে মানব মুখমণ্ডলের সঙ্গে এক গভীর আন্তসম্পর্ক। শুনতে ভয়ের মনে হলেও এদের আবাস হওয়ার বিনিময়ে বিশেষ কিছু সুবিধাও কিন্তু আদায় করে নিচ্ছে আমাদের মুখের ত্বক। এসব মাইট মৃত কোষভোজী হওয়ার কারণে পরিষ্কার থাকছে মানুষের মুখের লোমকূপ।

ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম ছাড়াও আরও বেশ কিছু মাইটের অস্তিত্ব দেখা যায় মানুষের শরীরে। তবে এগুলোর কোনোটির পুরো জীবনচক্র মানুষের দেহনির্ভর নয়। কেবল ডেমোডেক্স ফলিকুলরামের একমাত্র আবাসস্থল মানুষ। এরা আমাদের মুখের লোমকূপে জন্মায়, খাওয়া-দাওয়া করে; এমনকি সঙ্গমের জায়গা হিসেবে বেছে নেয় মুখের নরম ত্বক। এদের খাবারের সবটা জোগান দেয় মানুষের মুখের মৃত কোষ।

মলিকুলার বায়োলজি অ্যান্ড ইভোলিউশনে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম মানুষনির্ভরতা জোরদার করতে নিজেদের জিনগত বিবর্তনও ঘটিয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘আণুবীক্ষণিক মাইটগুলো একটি বাহ্যিক পরজীবী থেকে ক্রমশ মানবত্বকের অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্যে বিকশিত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এটি হোস্টের (মানুষ) সঙ্গে পারস্পরিক সুবিধার সম্পর্ক তৈরি করেছে।’

রাতভর মানুষের মুখের ওপর কিলবিল করে যারা

অন্যকথায় মাইটগুলো ধীরে ধীরে আমাদের দেহের অংশ হয়ে যাচ্ছে। গবেষকেরা বিভিন্ন অণুজীবের জিন বিন্যাস করে দেখেছেন ডেমোডেক্স ফলিকুলরামের মতো মানুষনির্ভরতা অন্য প্রজাতির মাইটের মধ্যে নেই।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অফ রিডিংয়ের অমেরুদণ্ডী প্রাণী বিশেষজ্ঞ আলেজান্দ্রা পেরোত্তি বলেন, ‘এই মাইটে অনুরূপ প্রজাতির চেয়ে জিনগত আলাদা বিন্যাস রয়েছে। এরা লোমকূপের ভেতর আশ্রিত জীবনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।

‘ডিএনএতে এই পরিবর্তনের কারণে কিছুটা অস্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য এবং আচরণ দেখা যায় এগুলোর মধ্যে।’

ডেমোডেক্স ফলিকুলরামের একমাত্র খাদ্য মানুষের ত্বকের অবশেষ বা মৃত কোষ। এগুলো কেবল রাতে বেরিয়ে আসে। নিকষ আঁধারে সঙ্গী খুঁজে বেড়ায়। এ জন্য ত্বকজুড়ে এরা হামাগুড়ি দিতে থাকে। খাদ্যগ্রহণ এবং সঙ্গীর সঙ্গে সহবাস শেষে ভোরের আগে এরা আবার লোমকূপের নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে যায়।

দৈর্ঘ্যে এরা এক মিলিমিটারের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। সসেজ আকৃতির দেহের এক প্রান্তে একগুচ্ছ পা এবং একটি মুখ আছে।

যুক্তরাজ্যের ব্যাঙ্গর ইউনিভার্সিটির জিনতত্ত্ববিদ গিলবার্ট স্মিথের নেতৃত্বে একদল গবেষক মাইটটির জিনগত কিছু আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলছেন, ‘এদের জীবন খুবই সরল। এদের কোনো প্রাকৃতিক শিকারি নেই। নেই কোনো প্রতিযোগিতা। কেবল প্রোটিন তাদের বাঁচিয়ে রাখে। এরা রাতে বেরিয়ে আসে।

‘এর কারণ যেসব জিন সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির বিরুদ্ধে প্রাণীর ত্বককে সুরক্ষা দেয়, এই মাইটদের মধ্যে সেই জিন নেই। এ জন্য দিনের পরিবর্তে এরা রাতে ঘুরে বেড়ায়।’

এসব মাইট মেলাটোনিন হরমোন তৈরি করতে পারে না, এই হরমোন বেশির ভাগ জীবিত প্রাণীর মধ্যে পাওয়া যায়। মেলাটোনিন মানুষের ঘুমের চক্র নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া এই হরমোন ক্ষুদ্র অমেরুদণ্ডী প্রাণীর প্রজনন ও গতিশীলতায় সাহায্য করে।

ডেমোডেক্স ফলিকুলরাম নিজের দেহে মেলাটোনিন তৈরি করতে না পারলেও খুব একটা অসুবিধায় পড়ে না, কারণ এই হরমোন তারা ছেঁকে নেয় মানুষের মুখের ত্বক থেকে।

বিশেষ এই মাইটের প্রজনন অঙ্গ থাকে দেহের সামনের দিকে, যা অন্যান্য মাইটের চেয়ে ভিন্ন। মাইটটির পুরুষাঙ্গ তাদের পিঠ থেকে ওপরের দিকে নির্দেশ করা। এর অর্থ, সঙ্গমের সময় স্ত্রীর নিচে রাখতে হয় নিজেকে।

গবেষণায় দেখা গেছে, লার্ভা এবং প্রাপ্তবয়স্কের বিকাশ অল্প সময়ে ঘটে। এরা প্রাপ্তবয়স্ক পর্যায়ে পৌঁছানোর পর ধীরে ধীরে দেহকোষ হারাতে শুরু করে।

বছরের পর বছর ধরে বিজ্ঞানীরা মনে করতেন, ডেমোডেক্স ফলিকুলমের মলদ্বার নেই। এর পরিবর্তে এরা মারা গেলে বিস্ফোরিত হয়। এ সময় এদের শরীরে বর্জ্যে ত্বকের প্রদাহ সৃষ্টি হয়। তবে নতুন গবেষণায়, এই মাইটদের ছোট মলদ্বার পাওয়া গেছে। ফলে রাতভর মানুষের মুখের ত্বক মাইটের মলে ছেয়ে যাওয়ার আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

এতে আঁতকে ওঠার কিছু নেই, আপনি চাইলেও মুখ থেকে ওদের তাড়ানোর কোনো উপায় নেই। বরং এসব মাইটের উপকারী দিক নিয়ে ভাবতে পারেন। আর্জেন্টিনার ব্যাঙ্গর ইউনিভার্সিটি এবং সান জুয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রাণিবিদ হেঙ্ক ব্রেইগ যেমনটি বলছেন, ‘বিভিন্ন মাইটকে অনেক কিছুর জন্য দায়ী করা হয়। তবে এই মাইটগুলো আমাদের জন্য বেশ উপকারী। বিশেষ করে এদের কারণেই আমাদের মুখের লোমকূপগুলো মরা কোষের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে যায় না।’

আরও পড়ুন:
পৃথিবীর ‘সবচেয়ে বড়’ উদ্ভিদের সন্ধান
ভিডিও গেমে বুদ্ধি বাড়ে শিশুর
‘পৌরুষত্বের অনুভূতি’ রক্ষার চাপে নারীর অপূর্ণ যৌনজীবন  
শার্ট খোলা ছবি দিলেই আবেদন হারায় পুরুষ!
মঙ্গলে কবে ঘর বাঁধবে মানুষ

মন্তব্য

জীবনযাপন
The mayor married the crocodile

কুমিরকে বিয়ে মেয়রের

কুমিরকে বিয়ে মেয়রের কুমিরকে বিয়ে করেছেন মেক্সিকোর আদিবাসী নেতা ভিক্টর হুগো সোসা। ছবি: সংগৃহীত
সাত বছর বয়সী ছোট্ট কুমির কেম্যান, যাকে রাজকুমারী বলা হচ্ছে। মাতৃভূমির প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্থানীয় নেতার সঙ্গে তার বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার ফলে প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের মিলন হয় বলে বিশ্বাস করে এসব আদিবাসী সম্প্রদায়।

আমাদের জীবনে বিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক চুক্তি। দুজন মানুষ একসঙ্গে থাকার প্রতিশ্রুতিকেই আমরা যারা বিয়ের সংজ্ঞা হিসেবে মনে করি। তাদের জন্য নতুন করে ভাবনার খোড়াক জোগানোর মতোই অনেক খবর এখন নেট দুনিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেউ নিজেই নিজে বিয়ে করছেন, কেউ বা বিয়ে করছেন পোষা কুকুরকে কিংবা মানবাকৃতির কোনো পুতুলকে।

এবার মেক্সিকোর এক ছোট্ট শহরের মেয়র এক জমকালো অনুষ্ঠানে বিয়ে করেছেন। কিন্তু তার কনে কোনো মানুষ নন, একটি কুমির।

বৃহস্পতিবার হওয়া বিয়ের অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী সংগীত বাজানো হয় এবং শহরের বাসিন্দারা তাদের মেয়র ভিক্টর হুগো সোসাকে নতুন কনেকে চুম্বনের মাধ্যমে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার অনুরোধ করেন। সে সময় নতুন কনেও সাজানো হয় বিয়ের সাজে।

পরে মেয়র চুমু দিয়ে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। কিন্তু কনের পক্ষে সৌভাগ্য হয়নি বরকে চুমু দেয়ার, কারণ দুর্ঘটনা এড়াতে কনের মুখ বেঁধে রাখা হয়েছিল।

মেক্সিকোর ওক্সানা রাজ্যের চোন্টাল ও হুয়াভ আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রাক-হিস্পানিক যুগের আচার অনুষ্ঠান লক্ষ করা যায়, যা ক্যাথলিক আধ্যাত্মিকতার সঙ্গে মিশে এক নতুন রূপ ধারণ করেছে।

ভিক্টর হুগো সোসা শুধু একজন মেয়রই নন, তিনি একজন আদিবাসী নেতা।

সাত বছর বয়সী ছোট এই সরীসৃপ কেম্যান, যাকে রাজকুমারী বলা হচ্ছে। মাতৃভূমির প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্থানীয় নেতার সঙ্গে তার বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার ফলে প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের মিলন হয় বলে বিশ্বাস করে এসব আদিবাসী সম্প্রদায়।

এই বিয়ে পরিচালনাকারী পুরোহিত এলিয়া এডিথ আগুইলার, যিনি গডমাদার হিসেবে পরিচিত। এই বিয়ে পরিচালনা করতে পারায় নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছেন। তিনি বলেন, ‘এই বিয়ের ঘটনা আমাকে আমার শিকড় নিয়ে গর্বিত করে।’

আরও পড়ুন:
পাত্রকে কনের অন্তঃসত্ত্বার জাল সনদ পাঠিয়ে আটক ৩
বিয়ের দাবি নিয়ে সহপাঠীর বাড়িতে কলেজছাত্রী
সাবেক স্ত্রীর বিয়েতে বোমা হামলা, আটক ২
বউ ফেরাতে আদালতে
পরিবারহীন ৪০ নারী পেলেন বিবাহোত্তর সংবর্ধনা

মন্তব্য

জীবনযাপন
Cooking human flesh with the abducted woman

অপহৃত নারীকে দিয়ে মানুষের মাংস রান্না

অপহৃত নারীকে দিয়ে মানুষের মাংস রান্না ডিআর কঙ্গোর সশস্ত্রগোষ্ঠীর সদস্যরা এক নারীকে অপহরণ করে পালা করে ধর্ষণ করেন। ওই নারীকে দিয়ে মানুষের মাংস রান্না করিয়ে তা খেতে বাধ্য করানো হয়। প্রতীকী ছবি/হিউম্যান রাইটস ওয়াচ
অপহরণের শিকার নারী বলেন, ‘সশস্ত্রগোষ্ঠীর সদস্যরা আমার সামনে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করেন। তার নাড়িভুঁড়ি টেনে বের করে ফেলে দেন। দেহটি কেটে টুকরো টুকরো করেন এবং আমাকে সেগুলো রান্না করতে বলেন। এ সময় তারা আমাকে দুটি রান্নার পাত্রও এনে দেন। পরে তারা সব বন্দিকে মানুষের রান্না করা মাংস খেতে দেন।’

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআর কঙ্গো) দুটি সশস্ত্রগোষ্ঠীর সদস্যরা এক কঙ্গোলিজ নারীকে দুবার অপহরণ করেন। পালা করে তাকে ধর্ষণ করা হয়। ওই নারীকে দিয়ে মানুষের মাংস রান্না করিয়ে তা খেতে বাধ্য করানো হয়।

স্থানীয় সময় বুধবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে এমনটি জানিয়েছে দেশটির অধিকারবিষয়ক একটি সংগঠন।

নারী অধিকারবিষয়ক সংগঠন ফিমেল সলিডারিটি ফর ইন্টিগ্রেটেড পিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (এসওএফইপিএডিআই) প্রেসিডেন্ট জুলিয়েন লুসেঞ্জ নিরাপত্তা পরিষদে বক্তব্য দেয়ার সময় ওই নারীর বিভীষিকাময় কাহিনি তুলে ধরেন।

১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের সামনে তিনি সংঘাতে বিধ্বস্ত ও বিপর্যস্ত পূর্ব কঙ্গোর এই দেশটি নিয়ে বক্তব্য দেন।

নিরাপত্তা পরিষদ কঙ্গো সম্পর্কে একটি নিয়মিত ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে। গত মে মাসের শেষের দিকে ডিআর কঙ্গোর সশস্ত্র বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে ভয়াবহ লড়াই ও সহিংসতা ব্যাপকহারে বেড়ে যায়।

লুসেঞ্জ বলেন, যে নারীকে সশস্ত্রগোষ্ঠী কোডেকোর সদস্যরা অপহরণ করেন তিনি অপহৃত আরেকজনের জন্য মুক্তিপণ দিতে গিয়েছিল।

অধিকার সংগঠনকে ওই নারী বলেন, অপহরণের পর তাকে বারবার পালা করে ধর্ষণ এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।

অপহরণের শিকার নারী বলেন, ‘সশস্ত্রগোষ্ঠীর সদস্যরা আমার সামনে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করেন। তার নাড়িভুঁড়ি টেনে বের করে ফেলে দেন। দেহটি কেটে টুকরো টুকরো করেন এবং আমাকে সেগুলো রান্না করতে বলেন। এ সময় তারা আমাকে দুটি রান্নার পাত্রও এনে দেন। পরে তারা সব বন্দিকে মানুষের রান্না করা মাংস খেতে দেন।’

নিরাপত্তা পরিষদের সামনে এভাবে ওই নারীর বীভৎস স্মৃতির কথা তুলে ধরেন লুসেঞ্জ।

লুসেঞ্জ বলেন, ‘কয়েক দিন পর ওই নারীকে ছেড়ে দেয়া হয়। বাড়ি ফেরার সময় অন্য একটি মিলিশিয়া গ্রুপ তাকে আবারও অপহরণ করে। ওই সশস্ত্রগোষ্ঠীর সদস্যরাও তাকে পালা করে ধর্ষণ করেন।’

ওই নারী বলেন, ‘অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তারা আমাকে আবারও মানুষের মাংস রান্না করতে বলেন। আমাকে তা খেতে বাধ্য করেন। অবশেষে সেখান থেকে আমি পালিয়ে বাঁচতে সক্ষম হই।’

লুসেঞ্জ তার কাউন্সিল ব্রিফিংয়ের সময় দ্বিতীয় সশস্ত্রগোষ্ঠীর নাম উল্লেখ করেননি। মন্তব্যের জন্য কোডেকোর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি বলেও জানান তিনি।

কোডেকোসহ বেশ কয়েকটি সশস্ত্রগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে কঙ্গোর খনিজসমৃদ্ধ পূর্বাঞ্চলের জমি এবং সম্পদ দখলে নিতে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সংঘাত চালিয়ে যাচ্ছে। এমন সংঘাতে গত এক দশকে কয়েক হাজার মানুষ হত্যা করা হয়। বাস্তুচ্যুত হয়েছে কয়েক লাখ মানুষ।

কঙ্গোর সেনাবাহিনী গত মে মাস থেকে এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। ২০১২-১৩ সালে এই গোষ্ঠী দেশটির বড় কয়েকটি অঞ্চল দখল করে নেয়।

২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কঙ্গোতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

আরও পড়ুন:
ডব্লিউডব্লিউই মঞ্চ কাঁপালেন আরব নারী
ড্র করেই চ্যাম্পিয়ন নারী ফুটবল দল
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ৩ আসামির যাবজ্জীবন
মালয়েশিয়াকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করল সাবিনা-আঁখিরা
নারীর অর্গাজম বঞ্চনায় হলিউড, বিজ্ঞানের দায়

মন্তব্য

জীবনযাপন
Bipake Indonesian bar with free wine offer

ফ্রিতে মদের অফার দিয়ে বিপাকে ইন্দোনেশিয়ার বার

ফ্রিতে মদের অফার দিয়ে বিপাকে ইন্দোনেশিয়ার বার ‘পর্যটনখাত’ আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হওয়ায় পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ইন্দোনেশিয়াতে গড়ে উঠেছে অনেক মদের বার। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ হলিউইংসের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর এবং এই বারের প্রচারমূলক দলের প্রধানসহ ৬ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করেছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্লাসফেমি ও ধর্মীয় ঘৃণা ছড়ানোসহ একাধিক অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ বলছে, দোষী প্রমাণিত হলে তাদের ১০ বছরের জেলও হতে পারে।

ইন্দোনেশিয়ায় মদ প্রচারে বিতর্কিত পন্থা অবলম্বন করায় ৬ জন ব্যক্তিকে আটক করেছে দেশটির পুলিশ।

মালয়েশিয়ার দ্য স্টার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্দোনেশিয়ার হলিউইংস বার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রতি বৃহস্পতিবার মুহাম্মদ নামের পুরুষ ও মারিয়া নামের নারীদের বিনামূল্যে জিনের বোতল দেয়া হবে বলে জানায়। সেক্ষেত্রে গ্রাহককে তার আইডিকার্ড দেখাতে হবে।

এই পোস্টের পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিতর্কের ঝড় ওঠে। কারণ ইন্দোনেশিয়ার অধিকাংশ প্রদেশ রক্ষণশীল ইসলামিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত। হলিউইংস কর্তৃপক্ষ দ্রুতই পোস্টটি তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলে।

ইসলামিক আইনের অধীনে অ্যালকোহল নিষিদ্ধ। যদিও ইন্দোনেশিয়া কোনো শরীয়াহ শাসিত দেশ নয় এবং দেশটিতে অ্যালকোহল নিষিদ্ধও নয়। কিন্তু মুহাম্মদ নামের ব্যক্তিদের বিনামূল্যে মদের বোতল দেয়ার বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি দেশটির ধর্মপ্রাণ নেটিজেনরা।

বেশ কয়েকটি যুব সংগঠন পুলিশকে ব্লাসফেমি অপরাধ করায় এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানায়, এমনকি অনেক যুব সংগঠন নিজেরাই মদের দোকানে অভিযান চালানোর হুমকি দেয়।

এমন পরিস্থিতিতে পুলিশ হলিউইংসের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর এবং এই বারের প্রচারমূলক দলের প্রধানসহ ৬ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করেছে।

দক্ষিণ জাকার্তার পুলিশ প্রধান বুফহি হার্দি সুসিয়ানতো বলেছেন, ‘আটক সন্দেহভাজন ৬ হলিউইংসের জন্য কাজ করে।’

সংবাদ সম্মেলনে হাজির করা ৬ জনের সবাই কমলা রংয়ের শার্ট পড়া ছিল, যা সাধারণত ইন্দোনেশিয়ায় অপরাধীদের পড়ানো হয়।

এই দলটির বিরুদ্ধে ব্লাসফেমি ও ধর্মীয় ঘৃণা ছড়ানোসহ একাধিক অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ বলছে, দোষী প্রমাণিত হলে তাদের ১০ বছরের জেলও হতে পারে।

এদিকে সাধারণ ইন্দোনেশীয়দের ক্ষোভের মুখে হলিউইংস এক বিজ্ঞপ্তিতে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে বারটির ব্যবস্থাপনা বিভাগ এই প্রচারনার বিষয়টি জানতো না।

আরও পড়ুন:
ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতে মৃত্যু বেড়ে ১৩
ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতে প্রাণহানি, এলাকা ছাড়ছে মানুষ
রাইস কুকারকে ‘বিয়ে’
ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে আগুন, ৪১ মৃত্যু
সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ক জোরদারের আশা

মন্তব্য

জীবনযাপন
Bidens son used to pay the sex workers bill with his fathers money

বাবার টাকায় যৌনকর্মীর বিল মেটাতেন বাইডেনপুত্র

বাবার টাকায় যৌনকর্মীর বিল মেটাতেন বাইডেনপুত্র জো বাইডেনের সঙ্গে হান্টার বাইডেন। ছবি: সংগৃহীত
হান্টার বাইডেন যৌনকর্মীর জন্য ৩০ হাজার ডলারের বিল শোধ করেন ২০১৮-এর নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ে জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে নিজেকে তৈরি করছিলেন।

যৌনকর্মীর বিল পরিশোধের জন্য বাবার দেয়া টাকাই ব্যবহার করতেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন। তবে জো বাইডেন বিষয়টি জানতেন কি না তা স্পষ্ট নয়।

রাশিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন এক্সামিনার সোমবার এক রিপোর্টে দাবি করেছে, হান্টার বাইডেন কিয়েভ ও মস্কোতে একটি মডেল এজেন্সিকে এসকর্টের (যৌনকর্মীর) বিল বাবদ ৩০ হাজার ডলার (২৭ লাখ টাকা) পরিশোধ করেন।

ওয়াশিংটন এক্সামিনারের প্রতিবেদন অনুসারে, এই ৩০ হাজার ডলারের বিল তিনি শোধ করেন ২০১৮-এর নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ে জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে নিজেকে তৈরি করছিলেন। এই সময়জুড়ে জো বাইডেন তার ছেলেকে ১ লাখ ডলার দিয়েছিলেন বিল পরিশোধের জন্য। হান্টার বাইডেন কীভাবে এই অর্থ ব্যয় করছেন তা জো বাইডেন জানতেন কি না, স্পষ্ট নয়।

হান্টার বাইডেনের ফাঁস হওয়া মেইলে দেখা যায়, তিনি ‘উবারজিএফই’ নামের একটি এক্সক্লুসিভ মডেল এজেন্সির কর্মচারী ইভার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময়ে তাদের মধ্যে অর্থ পরিশোধসংক্রান্তও অনেক বিষয়ে কথাবার্তা হয়।

উবারজিএফই যুক্তরাষ্ট্র, লন্ডন, প্যারিস ও দুবাইতে এসকর্ট সার্ভিস দিয়ে থাকে।

২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে যখন হান্টার বাইডেনের ল্যাপটপের বিষয়বস্তু নিয়ে নিউ ইয়র্ক পোস্ট প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে, তখন বাইডেন টিম বিষয়টিকে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার অংশ হিসেবে আখ্যা দিয়েছিল। তাদের দাবি ছিল, এর সঙ্গে জড়িত রাশিয়া।

পরে তার মেইলের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়েছে এবং নিউ ইয়র্ক টাইমস ও ওয়াশিংটন পোস্টও বলছে হান্টার বাইডেনের মেইলগুলো আসল।

হান্টার বাইডেনও যৌনকর্মী ভাড়া নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেননি। বরং তিনি সংবাদপত্রে বার্তা পাঠান, ‘আপনার কী সমস্যা?’

আরও পড়ুন:
ওয়াশিংটনে গুলিতে কিশোর নিহত, পুলিশসহ আহত ৩
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হারে তিন দশকে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি
স্বামীকে হত্যার দায়ে ‘স্বামীকে কীভাবে হত্যা করবেন’ বইয়ের লেখকের যাবজ্জীবন
যুক্তরাষ্ট্রে সপ্তাহান্তে গুলিতে নিহত ৫, আহত ২৭
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক নিয়ন্ত্রণে দুই দলে ঐকমত্য

মন্তব্য

জীবনযাপন
A pillow worth Rs 53 lakh will make you sleep comfortably

আরামে ঘুম পাড়াবে ৫৩ লাখ টাকার বালিশ

আরামে ঘুম পাড়াবে ৫৩ লাখ টাকার বালিশ ভ্যান ডার হিলস্ট টেইলরমেড পিলো তৈরিতে গবেষণা করেছেন দীর্ঘ ১৫ বছর। ছবি: টেইলরমেড পিলোর ওয়েবসাইট থেকে
বালিশটি হবে একেবারেই ব্যক্তিগত বালিশ। একজন ব্যক্তির কাঁধ, মাথা ও ঘাড় থ্রিডি স্ক্যানারের মাধ্যমে সাবধানে হিসাব করে প্রত্যেক গ্রাহকের জন্য আলাদাভাবে তৈরি করা হবে। বালিশ তৈরির আগে গ্রাহকের ঘুমানোর ভঙ্গিও পর্যবেক্ষণ করা হবে।

ভালো ঘুমের জন্য ভালো বালিশের বিকল্প নেই। অনেকেরই রাতে ঘুম হয় না। একটু ভালো বালিশের জন্য বাড়তি কিছু টাকা খরচ করা তাদের কাছে কোনো ব্যাপারই নয়। কিন্তু সেই বাড়তি অঙ্কটা ঠিক কত?

বিশ্বের সবচেয়ে দামি ও উন্নত বালিশ তৈরির দাবি করেছেন ডাচ ডিজাইনার ভ্যান ডার হিলস্ট, যিনি একজন সার্ভিক্যাল (কাঁধ ও গলার সমস্যা) বিশেষজ্ঞও। তার তৈরি বালিশ ‘টেইলরমেড পিলো’ আপনাকে দিতে পারে আরামদায়ক ঘুমের নিশ্চয়তা।

তবে এই বালিশে শান্তির ঘুম দিতে চাইলে বাড়তি কিছু খরচ করলেই হবে না, আপনাকে খরচ করতে হবে বেশ বড় অঙ্কের অর্থ।

টেইলরমেড পিলোর ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, এই বালিশের দাম হবে ৫৩ লাখ টাকা (৫৭ হাজার ডলার)।

দামি এই বালিশের ভেতর দেয়া হয়েছে মিসরীয় তুলা, এর কাপড় তুত সিল্কের তৈরি। এতে ২৪ ক্যারেট সোনার আবরণ রয়েছে ও এর জিপারে রয়েছে ২২ ক্যারেটের একটি নীলকান্তমণি ও চারটি হীরা।

তাদের ওয়েবসাইটে দাবি করা হয়, বালিশে যে ২৪ ক্যারেটের সোনার আবরণ রয়েছে তা ক্ষতিকর ইলেকট্রোম্যাগনেটিক বিকিরণকে ঠেকিয়ে দিতে পারে। ফলে এই বালিশে ঘুমানোর অভিজ্ঞতা হবে আরামদায়ক, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর।

এই বালিশের নকশাকার ভ্যান ডার হিলস্ট এটি তৈরিতে গবেষণা করেছেন দীর্ঘ ১৫ বছর।

হিলস্ট দাবি করেছেন, বালিশটি অনিদ্রায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের শান্তিতে ঘুমাতে সাহায্য করবে।

বালিশটি হবে একেবারেই ব্যক্তিগত বালিশ। একজন ব্যক্তির কাঁধ, মাথা ও ঘাড় থ্রিডি স্ক্যানারের মাধ্যমে সাবধানে হিসাব করে প্রতিটি গ্রাহকের জন্য আলাদাভাবে তৈরি করা হবে। বালিশ তৈরির আগে গ্রাহকের ঘুমানোর ভঙ্গিও পর্যবেক্ষণ করা হবে।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, আপনি ছোট বা বড়, পুরুষ বা নারী। পাশ ফিরে ঘুমান, নাকি পেছন ফিরে ঘুমান। যেভাবেই ঘুমান না কেন? টেইলরমেড বালিশ আপনাকে সবভাবেই আরামদায়ক ঘুমের নিশ্চয়তা দেবে।

আরও পড়ুন:
স্ত্রীর চোখকে আরাম দিতে ঘুরন্ত বাড়ি তৈরি
স্ত্রীকে গোখরা সাপ দিয়ে হত্যার অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ড
ঘরের ছাদ ভেঙে বিছানায় উল্কাপিণ্ড!
পায়ুপথে ৪২ লাখ রুপির স্বর্ণের গুঁড়ো!
৩৬৭ ফুট গভীর ‘নরকের কুয়ায়’ জিন নেই, আছে সাপের গর্ত

মন্তব্য

জীবনযাপন
The husband was beaten in Ayodhya for kissing his wife

‘পবিত্র নদীতে’ স্ত্রীকে চুম্বন, মার খেলেন স্বামী

‘পবিত্র নদীতে’ স্ত্রীকে চুম্বন, মার খেলেন স্বামী অযোধ্যায় পবিত্র সরায়ু নদীতে স্ত্রীকে চুম্বন করায় এক ব্যক্তিকে মারধর করে জনতা। ছবি: এনডিটিভি
ভিডিওতে দেখা যায়, ঘাটের কাছে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে গোসল করছে এক যুবক। পানিতে ডুব দিয়ে ওঠার পর খানিকটা ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন স্ত্রী। তিনি স্বামীকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করেন। ওই সময় স্ত্রীর ঠোঁটে চুমু খান যুবক। এতে মুহূর্তেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গোসলরত অনেকে।

ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় পবিত্র সরায়ু নদীতে গোসল করার সময় স্ত্রীকে চুম্বন করায় এক ব্যক্তিকে মারধর করে ক্ষিপ্ত জনতা। নিপীড়নের এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং নিন্দার ঝড় ওঠে। ভিডিও হাতে পেয়েই তদন্তে নামে অযোধ্যা পুলিশ।

গঙ্গার সাতটি উপনদীর একটি সরায়ু। হিন্দুধর্মাবলম্বীদের কাছে এটি পবিত্র নদী বলে বিবেচিত হয়। বলা হয়ে থাকে, ভগবান রামের জন্মস্থান এই সরায়ু নদীর তীরে।

গত বুধবার সরায়ু নদীর ‘রাম কি পায়দি’ ঘাটে এই ঘটনা ঘটে। ভিডিওতে দেখা যায়, ঘাটের কাছে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে গোসল করছে এক যুবক। পানিতে ডুব দিয়ে ওঠার পর খানিকটা ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন স্ত্রী। তিনি স্বামীকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করেন। ওই সময় স্ত্রীর ঠোঁটে চুমু খান যুবক। এতে মুহূর্তেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গোসলরত অনেকে। প্রথমে এক ব্যক্তি এগিয়ে যুবককে আঘাত করেন এবং হুঁশিয়ারি দেন, ‘এটা অযোধ্যা, এখানে এমন অসভ্যতামি, অশ্লীলতা চলবে না।’

এ কথা বলতে না বলতে যুবককে মারতে শুরু করেন ওই ব্যক্তি। স্ত্রী তাকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু আরও কয়েকজন এগিয়ে এসে মারতে থাকেন যুবককে। চলতে থাকে একের পর এক চড়, ঘুষি আর লাথি।

ভিডিওতে দেখা যায় প্রাণপণে তাদের হাত থেকে স্বামীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হচ্ছেন তরুণী। ততক্ষণে অনেকে ঘিরে ফেলে যুবককে। শেষ পর্যন্ত ওইভাবে মারতে মারতেই তাকে পানি থেকে টেনে-হিঁচড়ে ঘাটে তুলে দেয়া হয়। ওই দম্পতিকে ঘাট এলাকা ছাড়তে বাধ্য করেন ওই দলে থাকা ১০-১২ জন পুরুষ।

নিপীড়নের এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই অনেকে প্রশ্ন তোলেন, ‘অযোধ্যা হোক বা অন্য কোনো পবিত্র স্থানই হোক, স্ত্রীকে চুমু খেয়েছেন বলে স্বামীকে মারধর করা হবে? কিসের ভিত্তিতে এই কাজকে অপরাধ বলা হচ্ছে?

এরই মধ্যে ঘটনার ভিডিও পৌঁছায় পুলিশের কাছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

অযোধ্যার সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (এসএসপি) শাইলেস পান্ডে বলেন, ‘ভিডিওটি এক সপ্তাহ আগের, তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। অযোধ্যা কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগ করলে নিপীড়নের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
স্কুলে শিশুকে ‘যৌন নিপীড়ন’, দপ্তরিকে গ্রেপ্তারের দাবি
স্কুলে শিশুকে ‘যৌন নিপীড়ন’, দপ্তরির নামে মামলা
স্ত্রীর টাকায় নেশা-জুয়া, হিসাব চাইতে গিয়ে খুন
গৃহবধূকে ‘যৌন নিপীড়ন’, আ. লীগ নেতা কারাগারে
যৌন পেশায় ‘বাধ্য করায়’ ফুপু-ফুপার বি‌রু‌দ্ধে মামলা

মন্তব্য

p
উপরে