× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

জীবনযাপন
Benefits of eating mango
hear-news
player
print-icon

আম খাওয়ার উপকারিতা

আম-খাওয়ার-উপকারিতা
আম আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কাজ করে। তাই যারা লেখাপড়া করছেন, তারা বেশি বেশি করে আম খেতে পারেন।

চলে এসেছে মধুমাস। আম্রপালি, হিমসাগর, ল্যাংড়া, রানি পছন্দসহ আরও কত রকমের আমে বাজার সয়লাব। চাইলেই খেতে পারেন মজাদার এই আমগুলো। আম খাওয়ার উপকারিতাও অনেক। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আম খাওয়ার উপকারিতা। চলুন দেখে নেই।

-

ক্যানসার প্রতিরোধে আম

আমে আছে নানা রকম অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। কোয়েরসেটিন, ফাইসেটিন, আইসোকোয়েরসেটিন, অ্যাস্ট্রাগ্যালিন, গ্যালিক অ্যাসিড, মিথাইল গ্যালেট ইত্যাদি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলো স্তন ক্যানসার থেকে শুরু করে কোলন ক্যানসার, প্রোস্টেট ক্যানসর ও লিউকেমিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। তাই ক্যানসার প্রতিরোধে খেতে পারেন আম।

-

নিয়ন্ত্রণে রাখে কোলেস্টেরল

ভিটামিন সি, ফাইবার ও প্যাকটিন থাকায় রক্তে উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের ভূমিকা রাখে রসাল আম।

-

ত্বক ভালো রাখে

ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে আম। বিশেষ করে ফুসকুড়ি দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এটি।

-

অ্যালকালাইন ভারসাম্য

আমে আছে টারটারিক অ্যাসিড ও ম্যালিক অ্যাসিড। আছে সাইট্রিক অ্যাসিডও। শরীরের অ্যালকালি নামের রাসায়নিকের ভারসাম্য ঠিক রাখে এটি।

-

ওজন কমায় আম

আমে আছে বিভিন্ন রকম পুষ্টি উপাদান। তাই একটি আম খেলেই সারা দিনের ভিটামিনের চাহিদা মিটে যায়। আবার এতে থাকা ফাইবার হজমে সহায়তা করে। তাই ওজন কমাতে আম খেতে পারেন।

-

ভালোবাসার জাগায়

বিশেষজ্ঞদের মতে, আম খেলে হৃদয়ে ভালোবাসার জন্ম হয়। তাই এটাকে উন্নত বিশ্বে লাভ ফ্রুট বলে। সুতরাং মৌসুম থাকতেই প্রিয়জনকে বেশি বেশি আম উপহার দিন।

-

চোখের যত্নে

আমে থাকা ভিটামিন আমাদের রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা করে। এ ছাড়া যারা ড্রাই আই সমস্যায় ভুগছেন, তারা আম খেয়ে উপকার পেতে পারেন।

-

হজমে সহায়ক

স্বাস্থ্য ধরে রাখতে হজম প্রক্রিয়া সুস্থ থাকা জরুরি। আমে থাকা এনজাইমগুলো প্রোটিন উপাদান সহজে ভেঙে ফেলতে পারে। এতে খাবার হজম হয় দ্রুত, বাঁচা যায় পাকস্থলী সংক্রান্ত অনেক রোগ থেকেও।

-

হিট স্ট্রোক ঠেকাবে

এই গরমে হিট স্ট্রোক সাধারণ ঘটনা। আম আমাদের ভেতরটা শীতল রাখে ও শরীরকে অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া থেকে বাঁচায়।

-

রোগ-প্রতিরোধে আম

আমে আছে আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ক্যারোটেনয়েড। এটা আমাদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

-

স্মৃতিশক্তি বাড়ায়

আম আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কাজ করে। তাই যারা লেখাপড়া করছেন, তারা বেশি বেশি করে আম খেতে পারেন।

-

ত্বকের যত্নে আম

বডি স্ক্রাব হিসেবে পাকা আম বেশ ভালো কাজ করে। আমের পেস্ট তৈরি করে তাতে একটুখানি মধু আর দুধ মিশিয়ে নিন। আলতো করে ম্যাসাজ করে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

আরও পড়ুন:
রান্নায় তেলের ব্যবহার কমাবেন যেভাবে
খাঁটি গুড় চেনার উপায়
রান্নাঘরের তেলচিটে টাইলস পরিষ্কার করবেন যেভাবে
লেবুর খোসার আরও কিছু ব্যবহার
ননস্টিক পাত্র ভালো রাখবেন যেভাবে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
If you are over 45 years of age do the tests regularly

বয়স ৪৫ পার হলে যে পরীক্ষাগুলো নিয়মিত করাবেন

বয়স ৪৫ পার হলে যে পরীক্ষাগুলো নিয়মিত করাবেন
এই বয়সে পুরুষদের প্রস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি থাকে। প্রতি বছর বহু মানুষ প্রস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত হন। তাই বয়স ৪৫ পেরোলেই প্রস্টেট পরীক্ষা করা জরুরি।

বয়স ৪৫ পার হলে নানা রকম শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেগুলো আগে কখনও হয়নি। তাই এসব সমস্যা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিতে হবে আগেই। এই বয়সে নিয়মিত কিছু চেকআপ করতে হবে। এবিপি আনন্দের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বিষয়টি। চলুন দেখে নিই।

-

রক্তচাপ পরীক্ষা

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই বয়সে যেহেতু হৃদরোগের প্রবণতা অনেক বেশি থাকে, তাই রক্তচাপ নিয়মিত পরীক্ষা করানোটা অত্যন্ত জরুরি। রক্তচাপ সঠিক থাকলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কিডনির সমস্যা এবং আরও নানা সমস্যা প্রতিরোধ করা যায় বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

-

প্রস্টেট পরীক্ষা

চিকিৎসকদের মতে, এই বয়সে পুরুষদের প্রস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি থাকে। প্রতি বছর বহু মানুষ প্রস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত হন। তাই বয়স ৪৫ পেরোলেই প্রস্টেট পরীক্ষা করা জরুরি।

-

থাইরয়েড পরীক্ষা

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার মধ্যে অবশ্যই থাইরয়েড পরীক্ষা রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। যদি কখনও আচমকা অনেকটা ওজন কমে যায়, মাথা ঘোরা, বমিভাব, আচমকা ওজন বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখেন, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।

-

ডায়াবেটিস

এ রোগটি সম্পর্কে সচেতন করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ ডায়াবেটিস একবার শরীরে বাসা বাঁধলে তা চিরস্থায়ী। তবে নিয়মিত ওষুধ খেলে তা নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই ডায়াবেটিস পরীক্ষা করানোটা অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুন:
উকুন থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়
প্রতিদিন বাদাম খাওয়ার উপকারিতা
চপিং বোর্ড পরিষ্কার করবেন যেভাবে
স্মার্টফোন আসক্তি কমাতে যা করবেন
বৃষ্টির দিনে চামড়ার তৈরি পণ্যের যত্ন

মন্তব্য

জীবনযাপন
Beware of kitchen appliances

রান্নাঘরের যন্ত্রপাতি থেকে সতর্ক থাকুন

রান্নাঘরের যন্ত্রপাতি থেকে সতর্ক থাকুন
অ্যালুমিনিয়ামের বাসনে রান্না করলে সেখান থেকে ক্যাডমিয়াম নামের এক পদার্থ নির্গত হয়। এটা শরীরের জন্য হতে পারে মারাত্মক ক্ষতিকর।

বর্তমান যুগের আধুনিক রান্নাঘরে নানা রকম যন্ত্রপাতি থাকে। এই যন্ত্রগুলো আমাদের দৈনন্দিন কাজ সহজ করে দেয়। তবে এসব যন্ত্রপাতি থেকেই হতে পারে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই বিষয়টি। চলুন দেখে নেই।

-

ফ্রিজ

সব ধরনের ফ্রিজ থেকে ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন নামের গ্যাস নির্গত হয়। এই গ্যাস শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষ করে এই গ্যাসের প্রভাবে তীব্র মাথা যন্ত্রণা হয়ে থাকে।

-

মাইক্রোওয়েভ ওভেন

মাইক্রোওয়েভ থেকে নির্গত রশ্মি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এ ছাড়া ওভেনে ব্যবহার করা বাসনপত্র ওভেন প্রুফ না হলে খাবারে ক্ষতিকর পদার্থ মিশতে পারে। তাই ওভেন প্রুফ বাসনপত্র ব্যবহার করুন।

-

অ্যালুমিনিয়ামের বাসনপত্র

অ্যালুমিনিয়ামের বাসনে রান্না করলে সেখান থেকে ক্যাডমিয়াম নামের এক পদার্থ নির্গত হয়। এটা শরীরের জন্য হতে পারে মারাত্মক ক্ষতিকর।

-

এয়ার ফ্রায়ার

এয়ার ফ্রায়ারে উচ্চ তাপে খাবার রান্না করলে সেখান থেকে অ্যাক্রিলামাইড নামের ক্ষতিকর পদার্থ তৈরি হতে পারে। এই পদার্থটি ক্যানসার সৃষ্টির জন্য দায়ী।

আরও পড়ুন:
প্রতিদিন বাদাম খাওয়ার উপকারিতা
চপিং বোর্ড পরিষ্কার করবেন যেভাবে
স্মার্টফোন আসক্তি কমাতে যা করবেন
বৃষ্টির দিনে চামড়ার তৈরি পণ্যের যত্ন
আম খাওয়ার উপকারিতা

মন্তব্য

জীবনযাপন
Hair care in the rainy season

বর্ষাকালে চুলের যত্ন

বর্ষাকালে চুলের যত্ন
শ্যাম্পু করার মিনিট পনেরো আগে নারকেল তেল দিয়ে তালুতে ম্যাসাজ করতে হবে। এতে চুলের ময়েশ্চারাইজার সঠিক থাকে। চুল পড়া রোধ করে এবং চুল কোমল থাকে।

শীত-গ্রীষ্মের মতো বর্ষাকালেও চুলের নানা সমস্যা দেখা দেয়। এই সময়ে চুলের বিশেষ যত্ন নেয়া প্রয়োজন। এবিপি আনন্দ সাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বর্ষাকালে চুলের যত্ন নেয়ার জন্য কী কী করতে হবে। চলুন দেখে নেই।

-

১. বর্ষাকালে চুল শুকাতে অনেক বেশি সময় নেয়। চুল শুকানোর অর্থ, মাথার ত্বক যেন সঠিকভাবে শুষ্ক থাকে। বিশেষ করে যদি বৃষ্টিতে চুল ভেজে, তাহলে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে বৃষ্টিতে ভেজার পর বাড়িতে এসে ফের শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধোয়া দরকার। তারপর তা ভালো করে শুকিয়ে তবে বাঁধতে হবে কিংবা শুতে হবে।

-

২. শ্যাম্পু করার মিনিট পনেরো আগে নারকেল তেল দিয়ে তালুতে ম্যাসাজ করতে হবে। এতে চুলের ময়েশ্চারাইজার সঠিক থাকে। চুল পড়া রোধ করে এবং চুল কোমল থাকে।

-

৩. চুল সুস্থ রাখার জন্য খাদ্যাভ্যাসে বিশেষ নজর দেয়া প্রয়োজন বলে মত বিশেষজ্ঞদের। চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে ডিম, বাদাম, দুগ্ধজাত খাবার, শস্যদানা এবং প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি খেতে হবে। এ ছাড়া তালিকায় রাখতে হবে টাটকা ফল, যেমন- বেরি, আঙুর। পালং শাক, মিষ্টি আলু খেতে হবে নিয়মিত।

-

৪. চুল যাতে অহেতুক ছিঁড়ে না যায়, তার জন্য ব্যবহার করতে হবে সঠিক চিরুনি। খুব সরু আলের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ালে চুল তুলনায় অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মোটা আলের চিরুনি দিয়ে ভালো করে রোজ চুল আঁচড়াতে হবে।

-

৫. খুসকির সমস্যা দূর করতে কিংবা চুল পড়া রোধ করতে সপ্তাহে এক দিন হলুদ ও নিমের পেস্ট তৈরি করে তা ব্যবহার করতে হবে। এতে থাকা উপকারী উপাদান চুলের জন্য দারুণ উপকারী।

-

৬. চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার সমস্যা রোধ করতে চুল বেঁধে রাখতে হবে। চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। অহেতুক ক্ষতিকর কেমিক্যাল দেয়া রং ব্যবহার করা বন্ধ করতে হবে।

আরও পড়ুন:
স্তনে সংক্রমণ হলে যা করবেন
বেশি ঘামে অস্বস্তি, দূর করুন সহজেই
গরমে চুলের যত্ন
চুলের যত্নে টুকিটাকি
কফিতে রেশমি কোমল চুল

মন্তব্য

জীবনযাপন
Benefits of brushing teeth with salt

লবণ দিয়ে দাঁত মাজার উপকারিতা

লবণ দিয়ে দাঁত মাজার উপকারিতা
লবণে একাধিক উপকারী উপাদান পাওয়া যায়। লবণ দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে মাড়ির যন্ত্রণা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, দাঁতে ব্যথা, মাড়ি ফুলে যাওয়ার সমস্যা দূরে থাকে।

মুখের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য সঠিকভাবে দাঁত মাজা এবং মাড়ির যত্ন নেয়া খুবই জরুরি। মুখের ভেতরের স্বাস্থ্য বজায় না থাকলে তা থেকে হতে পারে নানা শারীরিক সমস্যা। দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে একসময় মানুষ লবণ দিয়ে দাঁত মাজত। লবণ দিয়ে দাঁত মাজা খারাপ না ভালো, এবিপি আনন্দের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে সেই বিষয়টি। চলুন দেখে নেই।

-

১. বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, লবণ দিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত স্বাস্থ্যকর থাকে। এমন অনেক অসুখ দাঁতে এবং মাড়িতে হয়, যা লবণ দিয়ে দাঁত মাজার ফলে সহজেই প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।

-

২. অত্যধিক মাত্রায় শর্করা জাতীয় খাবার খাওয়ার ফলে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে দাঁতে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লবণ দিয়ে দাঁত মাজলে তাতে থাকা অ্যাসিডজাতীয় উপাদান, শর্করার মাধ্যমে হওয়া ক্ষতি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এর জন্য় বিশেষ করে সি সল্ট ব্যবহার করার পরামর্শ তাঁদের।

-

৩. লবণে একাধিক উপকারী উপাদান পাওয়া যায়। লবণ দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে মাড়ির যন্ত্রণা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, দাঁতে ব্যথা, মাড়ি ফুলে যাওয়ার সমস্যা দূরে থাকে।

-

৪. কুসুম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে মুখ ধুলে মুখের ভেতরের স্বাস্থ্য বজায় থাকে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। মুখের দুর্গন্ধের সমস্যাও দূর হয় এর মাধ্যমে।

আরও পড়ুন:
বৃষ্টির দিনে চামড়ার তৈরি পণ্যের যত্ন
আম খাওয়ার উপকারিতা
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো
রসুনের আরও কিছু ব্যবহার
শিশুকে পোষা প্রাণী দিবেন যে কারণে

মন্তব্য

জীবনযাপন
How to tie a tie

টাই বাঁধবেন যেভাবে

টাই বাঁধবেন যেভাবে
উইন্ডসর নট পদ্ধতিতে টাই বাঁধবেন যেভাবে

বিভিন্ন প্রয়োজনে আমাদের ফরমাল পোশাক পরতে হয়। ফরমাল পোশাকের অন্যতম অনুষঙ্গ টাই। টাই পরতে গিয়ে অনেকেই ঝামেলায় পড়েন। উইকিহাউ সাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে কীভাবে উইন্ডসর নট পদ্ধতিতে টাই বাঁধবেন। চলুন দেখে নেই।

টাই বাঁধবেন যেভাবে

টাই বাঁধবেন যেভাবে

টাই বাঁধবেন যেভাবে

টাই বাঁধবেন যেভাবে

টাই বাঁধবেন যেভাবে

টাই বাঁধবেন যেভাবে

টাই বাঁধবেন যেভাবে

আরও পড়ুন:
আম খাওয়ার উপকারিতা
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো
রসুনের আরও কিছু ব্যবহার
শিশুকে পোষা প্রাণী দিবেন যে কারণে
ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করবেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
Things to keep in mind before and after blood donation

রক্তদানের আগে ও পরে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন

রক্তদানের আগে ও পরে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন
রক্তদানের পর সঙ্গে সঙ্গে শয্যা ছেড়ে ওঠা যাবে না। অন্তত পাঁচ মিনিট একইভাবে শুয়ে থাকতে হবে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা সুষম খাবার খাওয়া জরুরি।

রক্তদান একটি মহৎ কাজ। এর মাধ্যমে মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচিয়ে যে আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়, অন্য কোনো কাজে সেটা পাওয়া যায় না। আপনজন হোক বা চেনাশোনার মধ্যে কেউ, অথবা মুমূর্ষু কোনো রোগী, রক্তদান করে তাকে নতুন জীবন দান করার চেয়ে ভালো কাজ আর বা কী হতে পারে! কিন্তু শুধু রক্তদান করলেই তো হবে না, নিজের শরীরের যত্ন নেয়াও সমান জরুরি। এবিপি আনন্দ ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে রক্তদানের আগের প্রস্তুতি এবং রক্তদানের পরের সতর্কতার বিষয়গুলো। চলুন দেখে নিই।

-

রক্তদানের আগে পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। পাশাপাশি আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। এতে শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বজায় থাকবে।

রক্তদানের আগে অবশ্যই পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। রক্তদানের ৭২ ঘণ্টা আগে যাতে কোনোভাবে জ্বর-সর্দি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। হলে রক্ত দেয়া যাবে না।

ধূমপান এমনিতেই শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই ধূমপান বন্ধ করা উচিত। তারপরও দাতা যদি ধূমপায়ী হয়, তাহলে রক্তদানের আগে অন্তত দুই ঘণ্টা ধূমপান না করা ভালো। মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে এক দিন আগে মদ না ছোঁয়াই ভালো।

রক্ত দিতে যাওয়ার সময় ব্যাগে নিজের মেডিক্যাল রেকর্ডও রাখতে হবে। কারণ রোগীর স্বার্থে চিকিৎসকরা প্রয়োজন মনে করলে দাতার সবকিছু খুঁটিয়ে দেখতে চাইতে পারেন।

রক্তদানের পর সঙ্গে সঙ্গে শয্যা ছেড়ে ওঠা যাবে না। অন্তত পাঁচ মিনিট একইভাবে শুয়ে থাকতে হবে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা সুষম খাবার খাওয়া জরুরি।

রক্তদানের পর অবশ্যই খাবার খেতে হবে। পেট খালি রাখা যাবে না। যে হাত থেকে রক্ত নেয়া হয়েছে, অন্তত পাঁচ ঘণ্টা সেই হাতে ভারী জিনিস তোলা যাবে না।

রক্তদানের পর একটানা অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকবেন না। চার ঘণ্টা ধূমপান বন্ধ রাখুন। মদ্যপানও বন্ধ রাখুন ২৪ ঘণ্টা।

আরও পড়ুন:
আম খাওয়ার উপকারিতা
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো
রসুনের আরও কিছু ব্যবহার
শিশুকে পোষা প্রাণী দিবেন যে কারণে
ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করবেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
Home Remedies for Lice

উকুন থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়

উকুন থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়
এক ভাগ বেকিং সোডার সঙ্গে তিন ভাগ কন্ডিশনার মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মিনিট ১৫ মাথায় মাখিয়ে রাখুন। তারপর ঘন চিরুনি দিয়ে চুল টেনে নিলেই উকুন ও তার ডিম চলে যাবে মাথা থেকে।

উকুনের সমস্যা মোটেই বিরল কিছু নয়। খুব সহজেই এই পরজীবী একজনের থেকে অন্যজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। যাদের চুল ঘন, তাদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বেশি।

উকুন তাড়াতে অনেকেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে ওষুধ ব্যবহার করতে চান না। আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে কীভাবে ঘরোয়া সমাধানেই উকুন থেকে সহজে মুক্তি পাওয়া যায়। জেনে নিন কী ভাবে।

-

নিম তেল

উকুন থেকে মুক্তি পাওয়ার খুব সহজ রাস্তা এটি। শ্যাম্পুর মধ্যে কয়েক ফোঁটা নিম তেল মিশিয়ে নিন। শ্যাম্পুর সময়ে তালুতে হাল্কা করে রগড়ে নিন এই মিশ্রণ। গোসলের পরে ঘন চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে নিলেই চলে যাবে উকুন ও তার ডিম।

-

বেকিং সোডা

এক ভাগ বেকিং সোডার সঙ্গে তিন ভাগ কন্ডিশনার মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মিনিট ১৫ মাথায় মাখিয়ে রাখুন। তার পরে ঘন চিরুনি দিয়ে চুল টেনে নিলেই উকুন ও তার ডিম চলে যাবে মাথা থেকে।

-

ভিনিগার

সমপরিমাণ ভিনিগার আর পানি মিশিয়ে মাথায় মাখান। এবার তোয়ালে দিয়ে মাথা আধঘণ্টা ঢেকে রাখুন। এরপর ঘন চিরুনি মাথায় চালিয়ে নিলেই বেরিয়ে আসবে ডিমসহ উকুন।

-

মেয়োনিজ

অনেকেই পাউরুটি বা অন্য খাবারের সঙ্গে মেয়োনিজ খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু উকুন তাড়াতেও এটি কার্যকর। সারা রাত মাথায় মেয়োনিজ মাখিয়ে রেখে দিন। ১২ ঘণ্টার বেশি রাখতে পারলে সবচেয়ে ভালো। সবাই মাথায় চিরুনি চালিয়ে নিলেই উকুন থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন:
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো
রসুনের আরও কিছু ব্যবহার
শিশুকে পোষা প্রাণী দিবেন যে কারণে
ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করবেন যেভাবে
ঘর ঠান্ডা রাখবেন কীভাবে

মন্তব্য

p
উপরে