× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
Old Dhaka is a vegetarian paradise
hear-news
player
google_news print-icon

পুরান ঢাকায় নিরামিষের এক স্বর্গরাজ্য

পুরান-ঢাকায়-নিরামিষের-এক-স্বর্গরাজ্য--
নিরামিষ খাবারের দোকান ‘জগন্নাথ ভোজনালয়’ এর টেবিলে সাজানো ছোট ছোট বাটিতে হরেক পদের নিরামিষ তরকারি ও ভর্তা। ছবি: নিউজবাংলা
টেবিলে সাজানো ছোট ছোট অসংখ্য বাটি। তাতে হরেক পদের নিরামিষ তরকারি ও ভর্তা। সঙ্গে স্টিলের থালায় ধোঁয়া ওঠা সাদা ভাত। ভাত প্রথম প্লেট ১৫ টাকা, পরবর্তী হাফ প্লেট ৫ টাকা করে। টেবিলে সাজানো বাটি থেকে নিজ ইচ্ছা মতো নিয়ে খাওয়া যায়।

কাচ্চি-লাচ্ছি আর বাকরখানির দোকানের পাশাপাশি পুরান ঢাকায় চোখ আটকে যায় একটি নিরামিষ খাবারের দোকানে। নাম জগন্নাথ ভোজনালয়। আমিষের কোনো ছিটে-ফোঁটাও নেই। তবু নিরামিষ খাবার যে কত বিচিত্র আর সুস্বাদু হতে পারে, তা সংকীর্ণ এ দোকানে খেলে বোঝা যায়।

পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারের শিবমন্দির থেকে ডান দিকে এগোলেই পড়বে নিরামিষের এই ভোজনালয়টি। গলির পাশের ভবনের দুই তলার সংকীর্ণ সিঁড়ি বেয়ে উঠতেই ছোট্ট একটি খাবার ঘর।

নিরামিষ ভোজনের এই স্বর্গে চার থেকে পাঁচটি টেবিল। প্রতি টেবিলে চার-পাঁচটি চেয়ার সংযুক্ত। টেবিলে ছোট ছোট অসংখ্য বাটি সাজানো। তাতে হরেক পদের নিরামিষ তরকারি ও ভর্তা। সঙ্গে স্টিলের থালায় ধোঁয়া ওঠা সাদা ভাত। ভাত প্রথম প্লেট ১৫ টাকা, পরবর্তী হাফ প্লেট ৫ টাকা করে। টেবিলে সাজানো বাটি থেকে নিজ ইচ্ছামতো নিয়ে খাওয়া যায়।

পুরান ঢাকায় নিরামিষের এক স্বর্গরাজ্য

নিরামিষ খাবারের দোকান ‘জগন্নাথ ভোজনালয়’-এ খাচ্ছেন অনেকে। ছবি: নিউজবাংলা

জগন্নাথ ভোজনালয়ে আট থেকে ১০ রকমের ভর্তা পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে আছে বেগুন ভর্তা, আলু ভর্তা, ধনে পাতা ভর্তা, শিম ভর্তা, সরিষা ভর্তা, কচুরলতি ভর্তা ইত্যাদি। তা ছাড়া হরেক রকমের শাক পাওয়া যায়। ডালেরও অনেক আইটেম: মটর ডাল, মুগ ডাল, বুটের ডাল, মাষকলাই ডাল। তাছাড়া তরকারি, ছানাবড়া, পনিরসহ রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক খাবার।

প্রতি বাটি ভর্তার দাম ১০ টাকা। ছোট বাটি তরকারি অথবা ভাজি ২০ টাকা এবং বড় বাটিতে ফুলকপি ভাজি ৩০ টাকা। বড় বাটি তরকারি ৪০ টাকা।

প্রতিদিন সকাল সাড়ে আটটা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খাবার পাওয়া যায় দোকানে। খাবার পরিবেশনের কাজে নিয়োজিত আট কর্মচারী।

পুরান ঢাকায় নিরামিষের এক স্বর্গরাজ্য

এখানে খেতে আসা ওমর ফারুক বলেন, ‘আমি নিয়মিত এখানে খেতে আসি, এখানকার খাবার গুণে ও মানে ভালো এবং দামও কম। আর এদের খাবার পরিবেশনটাও খুব ভালো লাগে। ১০০ টাকা দিয়ে যে কেউ দুপুরে পেট ভরে খেতে পারবে।’

জগন্নাথ ভোজনালয়ে বন্ধু রোহান রায়কে নিয়ে খেতে আসা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিপা রানী রায় নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখানকার পনির, সয়াবিন আর বড়াটা খুবই সুস্বাদু। আমি প্রায়ই এখানে খেতে আসি। আমার মুখে জগন্নাথ ভোজনালয়ের খাবারের কথা শুনে আমার বন্ধুও অনেক দিন ধরে আমাকে নিয়ে আসতে বলছিল। আজ তাকে নিয়ে এলাম।’

নারায়ণগঞ্জ থেকে ইসলামপুরে আসা কাপড় ব্যবসায়ী অনিমেষ রায় ঢাকায় পা রাখলেই দুপুরে খেয়ে যান এই নিরামিষ ভোজনালয়ে। নিউজবাংলাকে তিনি জানান, এখানে যে যে ধরনের নিরামিষ আইটেম পাওয়া যায় তা আশপাশে আর কোথাও পাওয়া যায় না। আর এখানকার খাবারে স্বাদও অনন্য।

পুরান ঢাকায় নিরামিষের এক স্বর্গরাজ্য

ভোজনালয়ের দায়িত্বে থাকা নিতাই পাল বলেন, ‘শীতকালে বেচাকেনা বেশি হয়, এখন বেচাকেনা একটু কম। আমরাও কম দামে ভালো খাবার দেওয়ার চেষ্টা করি।’

ভোজনালয়ের মালিক অশোক কবিরাজ বলেন, ‘আমাদের এখানে হিন্দু-মুসলমান থেকে শুরু করে সব ধরনের কাস্টমার আসে। স্থানীয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা সকাল-দুপুরের খাবার খেতে আসেন। কেউ কেউ রাতের খাবারও খান। কেনাকাটা করতে আসা মানুষজনও নিরামিষ খেতে ভালোবাসেন। সে জন্য এখন ভিড়টাও একটু বেশি।’

তিনি আরো বলেন, ‘এখানে খাবার সাশ্রয়ী। নিরামিষ খাবার স্বাস্থ্যকরও। যে কেউ নিশ্চিন্তে আসতে পারেন, খেতে পারেন। খরচ বেশি পড়ে না। তাই খাবারের বাড়তি দামও রাখার প্রয়োজন হয় না। অনেকেই খেয়ে আবার পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য পার্সেল নিয়ে যান।’

জগন্নাথ ভোজনালয়ের আরেক মালিক শিল্পী রানী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের হোটেলে কোনো ধরনের বাসি খাবার নেই, প্রতিদিনের খাবার প্রতিদিন বিক্রি করা হয়। আমাদের কোনো ফ্রিজ নেই। আমরা ফুড পান্ডা অ্যাপেও খাবারের অর্ডার নেই। হোটেলটি ছোট পরিসরের। আশপাশে বড় জায়গা পেলে সেখানে আমাদের জগন্নাথ ভোজনালয়টি করব।’

আরও পড়ুন:
রাতের খাবারে মাংস বাড়ায় মৃত্যুঝুঁকি
দুপুরের খাবার ১৫ টাকায়
দীর্ঘ অনশনে কী ঘটে শরীরে?
করোনাকালে শিশুদের খাবার
ওমিক্রন থেকে সতর্ক থাকতে খান এই পাঁচ খাবার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Argentina love blossomed in autorickshaw

আর্জেন্টিনাপ্রীতি ফুটে উঠল অটোরিকশায়

আর্জেন্টিনাপ্রীতি ফুটে উঠল অটোরিকশায়
ব্রাজিলের সমর্থক হলেও আর্জেন্টিনার রঙে রাঙানো অটোরিকশায় চড়েছেন স্থানীয় মমিনুর রহমার। তিনি বলেন, ‘আমি ব্রাজিলের সমর্থক হয়েও এমন ব্যতিক্রম রিকশায় চড়েছি। আমরা ভিন্ন ভিন্ন দলের সমর্থক হতেই পারি। কিন্তু সামাজিক বন্ধনে সব বিভেদ ভুলে চলতে চাই সবাই।’

আর্জেন্টাইন ফুটবল দলের ভক্ত কুড়িগ্রামের অটোচালক আশরাফুল ইসলাম। আগে বিশ্বকাপ ফুটবলের সময় বাড়িতে আর্জেন্টিনার পতাকা ওড়াতেন তিনি। গতবার নিজের বাইসাইকেলটি আর্জেন্টিনার পতাকার রঙে রাঙিয়েছিলেন। এবার আকাশি-সাদায় রাঙিয়ে তুললেন নিজের অটোরিকশা।

আশরাফুলের বাড়ি কুড়িগ্রাম পৌরসভার একতা পাড়ায়। লিওনেল মেসির খেলা দেখেন মুগ্ধ হয়ে। প্রিয় ফুটবলার আর প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে ৫ হাজার টাকা খরচ করে অটোরিকশা রং করেছেন তিনি।

নিউজবাংলাকে আশরাফুল বলেন, ‘লোকমুখে ফুটবল তারকা দিয়াগো ম্যারাডোনার খেলার গল্প শুনে আর্জেন্টিনার প্রতি সমর্থন শুরু হয়। পরে মেসির খেলা দেখে আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসা বেড়ে যায়। এবার দলের সমর্থন দেখাতে আর আর্জেন্টিনার অন্য ভক্তদের উৎসাহিত করতে আমার অটোটা রং করেছি।’

আর্জেন্টিনাপ্রীতি ফুটে উঠল অটোরিকশায়

ব্রাজিলের সমর্থক হলেও আর্জেন্টিনার রঙে রাঙানো অটোরিকশায় চড়েছেন স্থানীয় মমিনুর রহমার।

তিনি বলেন, ‘আমি ব্রাজিলের সমর্থক হয়েও এমন ব্যতিক্রম রিকশায় চড়েছি। আমরা ভিন্ন ভিন্ন দলের সমর্থক হতেই পারি। কিন্তু সামাজিক বন্ধনে সব বিভেদ ভুলে চলতে চাই সবাই।’

আরও পড়ুন:
ইরানের বিক্ষোভে সমর্থন বিশ্বকাপ দলের ডিফেন্ডারের
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ
কাতার বিশ্বকাপ: ৭৫০ কোটি ডলার আয় ফিফার
স্বাগতিক হিসেবে প্রথম ম্যাচ হারের রেকর্ড কাতারের
স্বাগতিকদের হারিয়ে আসরের প্রথম জয় তুলে নিল ইকুয়েডর

মন্তব্য

জীবনযাপন
Brazil is a car enthusiasts delight

‘ব্রাজিল’ গাড়ি নিয়ে ভক্তের উচ্ছ্বাস

‘ব্রাজিল’ গাড়ি নিয়ে ভক্তের উচ্ছ্বাস
সোহেল বলেন, ‘আমি ব্রাজিলের একনিষ্ঠ সমর্থক। অনেক সমর্থক তার প্রিয় দলের ভালোবাসায় কত কী করছে! আমিও পিছিয়ে থাকব কেন! তাই নিজের ব্যবসার কাজে ব্যবহার করা মাইক্রোটি ৩ দিন আগে ব্রাজিলের পতাকার রঙে রাঙিয়েছি।’

কুমিল্লার দেবিদ্বারের মোহাম্মদ সোহেল বালু ব্যবসায়ী। কাজের সূত্রে থাকেন আদর্শ সদর উপজেলায়। ব্রাজিল ফুটবল দলের এতটাই ভক্ত তিনি, যে এবার নিজের মাইক্রোবাসটি সেদেশের পতাকার রঙে রাঙিয়েছেন।

সেই গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হলেই ফুটবলপ্রেমীরা ঘিরে ধরেন, ছবি তোলেন। এতে বেশ উচ্ছ্বসিত সোহেল।

নিউজবাংলাকে তিনি জানান, ছোটবেলায় নিজেও বেশ ফুটবল খেলেছেন। প্রিয় দল ব্রাজিল আর প্রিয় ফুটবলার রোনাল্ডো।

সোহেল বলেন, ‘আমি ব্রাজিলের একনিষ্ঠ সমর্থক। অনেক সমর্থক তার প্রিয় দলের ভালোবাসায় কত কী করছে! আমিও পিছিয়ে থাকব কেন! তাই নিজের ব্যবসার কাজে ব্যবহার করা মাইক্রোটি ৩ দিন আগে ব্রাজিলের পতাকার রঙে রাঙিয়েছি।

‘তারপর থেকে ব্যবসার কাজে যেখানে গেছি, সেখানেই ব্রাজিল ভক্তরা জড়ো হচ্ছেন। গাড়ির সঙ্গে সেলফি তুলছেন। আমাকে নিয়েও ছবি তুলছেন। আমার সঙ্গে হ্যান্ডশেক করেন।

‘রাস্তা দিয়ে গাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় সবাই তাকিয়ে থাকেন। বিষয়টা আমাকে আনন্দ দিচ্ছে। অন্য সব ভক্তের মতো আমারও দোয়া থাকবে, ব্রাজিল এবার বিশ্বকাপ নিবে।’

আরও পড়ুন:
ব্রাজিলের গণকের দাবি, ফাইনাল খেলবে আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপ খেলতে মুখিয়ে এরিকসেন
দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ শুরু
সিনেপ্লেক্সে দেখা যাবে ফিফা বিশ্বকাপ
জায়েদ খান কেন আর্জেন্টিনার সমর্থক

মন্তব্য

জীবনযাপন
I will slaughter 10 goats if Argentina wins the cup

‘আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে ১০টা ছাগল জবাই দেব’

‘আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে ১০টা ছাগল জবাই দেব’
চুয়াডাঙ্গা, বাগেরহাট ও সিরাজগঞ্জে শুক্রবার আর্জেন্টিনার ভক্তরা বিশাল সব পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা করেছেন। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গায় আর্জেন্টিনার ১ হাজার ফুট দীর্ঘ পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা করেছে ‘১৫ মেসি ভক্ত দামুড়হুদা’ নামে একটি সংগঠন। 

বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হবে আগামি রোববার। এ নিয়ে দেশজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। প্রিয় দলের পতাকা কত বড় বানানো যায়- তা নিয়ে ভক্তরা যেন প্রতিযোগিতায় নেমেছেন।

চুয়াডাঙ্গা, বাগেরহাট ও সিরাজগঞ্জে শুক্রবার আর্জেন্টিনার ভক্তরা বিশাল সব পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা করেছেন।

এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গায় আর্জেন্টিনার ১ হাজার ফুট দীর্ঘ পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা করেছে ‘১৫ মেসি ভক্ত দামুড়হুদা’ নামে একটি সংগঠন।

সংগঠনে মুখপাত্র শুভ দাস বলেন, ‘আর্জেন্টিনা আমার প্রিয় দল। মেসি আমার প্রিয় খেলোয়াড়। প্রিয় দলকে ভালোবেসে সংগঠনের পক্ষ থেকে ১ হাজার ফুট দীর্ঘ এই পতাকা বানান হয়েছে।

‘আগামি ২২ নভেম্বর আর্জেন্টিনার খেলা। আমাদের শোভাযাত্রা সেদিন পর্যন্ত চলবে। আর্জেন্টিনা এবার কাপ জিতলে আমরা ১০টা ছাগল জবাই দিয়ে খাওয়া-দাওয়া করব।’

দামুড়হুদা শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে শুক্রবার বিকেলে তাদের সঙ্গে যোগ দেন চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া থেকে আসা কয়েকশ আর্জেন্টাইন ভক্ত। স্টেডিয়াম থেকে তারা শোভাযাত্রা শুরু করে শহর ঘুরে হই-হুল্লোড় করে তারা।

বাগেরহাট শহরে এদিন বিকেলে রেলরোড থেকে আর্জেন্টিনার ভক্তরা ২০০ ফুট লম্বা পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা বের করে। তাদের ঢাক-ঢোলের তালে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। শহরের প্রধান সব সড়ক প্রদক্ষিণ করেন এই ভক্তরা।

‘আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে ১০টা ছাগল জবাই দেব’

শোভাযাত্রার আয়োজক তরুণ ব্যবসায়ী রাজু আহমেদ বলেন, ‘আগামী ২২ তারিখ আর্জেন্টিনার খেলা। প্রিয় দলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমরা শোভাযাত্রা বের করেছি। যেহেতু এবার মেসির শেষ বিশ্বকাপ, তাই এ বিশ্বকাপটি খুব স্পেশাল।

‘এ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা নিজ যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে বিশ্বকাপে চ্যম্পিয়ন হবে বলে আমি আশা করছি। আশা করছি ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল খেলবে।’

বাদ্যের তালে তালে সিরাজগঞ্জ শহরেও হয়ে গেছে আর্জেন্টাইন ভক্তদের শোভাযাত্রা। কারও হাতে দেশটির পতাকা, কেউ পরে ছিলেন জার্সি, কেউ পরেছেন মুখোশ।

‘আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে ১০টা ছাগল জবাই দেব’

শোভাযাত্রায় অংশ নেয়া একরামুর হক বলেন, ‘আমরা আর্জেন্টিনার ফ্যান। সমর্থকদের অনুপ্রেরণা দিতেই এমন আয়োজন।’

আরও পড়ুন:
কাতার বিশ্বকাপ: খোলামেলা পোশাক পরলেই হতে পারে জেল
বিশ্বকাপ শেষ মানে, নিকো গনসালেসের
‘বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিল’
খেলা নিয়ে রাজনীতি নয়: ম্যাখোঁ
৬০ ফুট পতাকা নিয়ে আর্জেন্টিনা ভক্তদের শোভাযাত্রা

মন্তব্য

জীবনযাপন
7 km flag of German fan thanks to Kabiraji medicine

কবিরাজি ওষুধের গুণে ৭ কিলোমিটার পতাকা জার্মান ভক্তের

কবিরাজি ওষুধের গুণে ৭ কিলোমিটার পতাকা জার্মান ভক্তের
নিউজবাংলাকে আমজাদ জানান, ১০ দিন ধরে পতাকাটি বানাচ্ছেন। তবে পুরোটা নতুন নয়। ২০১৮ সালে বানানো সাড়ে ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ জার্মান পতাকার সঙ্গে নতুন করে তিনি জুড়ে দিয়েছেন ২ কিলোমিটার অংশ। 

মাগুরা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে থাকেন আমজাদ হোসেন। এলাকায় তিনি পতাকা আমজাদ নামে পরিচিত। কারণ, ২০১৪ সাল থেকে প্রতি বিশ্বকাপ ফুটবলের সময় প্রিয় দল জার্মানির বিশাল সব পতাকা বানিয়ে আসছেন তিনি।

এবার তিনি সাড়ে ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ পতাকা বানিয়েছেন বলে দাবি করেছেন। তবে সেটি এখনও প্রকাশ্যে আনেননি তিনি। জানালেন, আগামী শুক্রবার সেটি স্থানীয় স্কুল মাঠে প্রদর্শন করবেন।

জার্মানির পতাকা তৈরির পেছনে এতটা টান কেন? জানতে কথা হয় ঘোড়ামারা গ্রামের আমজাদের সঙ্গে।

নিউজবাংলাকে তিনি জানান, ১০ দিন ধরে পতাকাটি বানাচ্ছেন। তবে পুরোটা নতুন নয়। ২০১৮ সালে বানানো সাড়ে ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ জার্মান পতাকার সঙ্গে নতুন করে তিনি জুড়ে দিয়েছেন ২ কিলোমিটার অংশ।

আমজাদ বলেন, ‘২০০২ থেকে ২০০৪ দুই বছর পিত্তথলিতে পাথর নিয়ে খুব অসুস্থ ছিলাম। এরপর জামার্নি একটি কবিরাজি ওষুধ খেয়ে ৩ মাস পর সুস্থ হয়ে যাই। এই ওষুধ দিয়েছিলেন এলাকার মনোরঞ্জন কবিরাজ।

‘জার্মান ফুটবল দল আগে থেকেই সমর্থন করতাম। তবে ওই জার্মানির ওষুধ খেয়ে সুস্থ হওয়ার পর মূলত জার্মান ফুটবল দলের অন্ধভক্ত হয়ে গেছি।’

তিনি বলেন, ‘তখন দেশের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ দেখতে আসত পতাকা। আমার ভাল লাগত। পতাকা বানাতে জমিও বিক্রি করেছি।’

আমজাদ জানান, এবারের ২ কিলোমিটার পতাকা বানাতে প্রায় ২০০ গজ কাপড় লেগেছে। মজুরিসহ খরচ পড়েছে প্রায় ১ লাখ টাকা। এবার আর জমি বিক্রি করতে হয়নি। তার প্রবাসী ছেলে পতাকা বানাতে টাকা পাঠিয়েছেন।

এই পতাকা জার্মান দূতাবাসে পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন আমজাদ।

মন্তব্য

জীবনযাপন
The rare love of Brahmanbaria youth for South Korea

দ.কোরিয়ার প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যুবকের বিরল ভালোবাসা

দ.কোরিয়ার প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যুবকের বিরল ভালোবাসা
বাঞ্ছারামপুরের দড়িকান্দি ইউনিয়নের খল্লা গ্রামের পশ্চিম পাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার রাস্তার ধারে দক্ষিণ কোরিয়ার পতাকা লাগিয়েছেন মিন্টু ও তার স্ত্রী সাবিনা বেগম।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের আবু কাউসার মিন্টু ১৫ বছর কাটিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ায়। সেখানে থাকা অবস্থায় খেলা দেখতে দেখতে দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবল দলের ভক্ত হয়ে যান তিনি।

২০১৩ সালে দেশে ফিরে এলেও ওই দেশের প্রতি টান এতটুকু কমেনি মিন্টুর। এবার ফুটবল বিশ্বকাপ নিজ গ্রামে বসেই দেখবেন তিনি। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা দেখাতে ৪ কিলোমিটার লম্বা দক্ষিণ কোরিয়ার পতাকা বানিয়েছেন তিনি ও তার স্ত্রী। সেজন্য ৫ লাখ টাকা খরচ করেছেন বলে জানিয়েছেন মিন্টু।

বাঞ্ছারামপুরের দড়িকান্দি ইউনিয়নের খল্লা গ্রামের পশ্চিম পাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার রাস্তার ধারে দক্ষিণ কোরিয়ার পতাকা লাগিয়েছেন মিন্টু ও তার স্ত্রী সাবিনা বেগম।

নিউজবাংলাকে মিন্টু জানান, জীবিকার তাগিদে দক্ষিণ কোরিয়ায় যান ১৯৯৮ সালে। ২০০২ সালে কোরিয়ায় হওয়া ফুটবল বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো সেখানে স্টেডিয়ামে বসে দেখেছেন। এবার নিজ গ্রামে বসে প্রিয় দলের সব খেলা দেখবেন।

দ.কোরিয়ার প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যুবকের বিরল ভালোবাসা

তিনি বলেন, ‘আমি দেশে ফিরে ঢাকার গাজীপুরে একটি ছোটো ব্যবসা শুরু করি। তবে কোরিয়ার প্রেম আমার মনেই রয়ে গেছে। ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে ঢাকার বিমানবন্দর এলাকায় আমি ১ হাজার ফুট লম্বা কোরিয়ান পতাকা ঝুলাই। কিন্তু এতেও কেন জানি আমার মন ভরেনি। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম- ২০২২ সালের বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে সবচেয়ে বড় পতাকা টানাবো।

‘৪ কিলোমিটার লম্বা কোরিয়ার পতাকা টানানোতে আমার স্ত্রীর অনেকটাই সহযোগিতা রয়েছে। আমার স্ত্রী সাবিনা মাটির ৮টি ব্যাংকে টাকা জমিয়েছেন। সেখান থেকে পাওয়া গেছে দেড় লাখ টাকা। আর আমার একটি আম বাগান আছে। সেটি বিক্রি করে দিয়েছি। এরপর মোট ৫ লাখ টাকা খরচ করে কোরিয়ার পতাকাটি তৈরি করা হয়েছে।’

দাড়িকান্দি গ্রামের ফজলু মিয়া বলেন, ‘হের শখ আসিলো বড় পতাকা বানাইবো, বানাইছে। আমডার গেরামো এর আগে অতবড় পতাকা কেউ বানাইছে না। ৪ কিলোমিটার পতাকা বানাইয়া তো আমডার গেরামরে ভাইরাল কইরা দিসে।’

দ.কোরিয়ার প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যুবকের বিরল ভালোবাসা

বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার মেয়র শিব শঙ্কর দাস বলেন, ‘বিশ্বকাপ ফুটবল একটি বড় আয়োজন। বিশ্বের সব দেশের ফুটবল সমর্থকদের আবেগের একটি আয়োজন এটি।

‘দড়িকান্তি ইউনিয়নের আবু কাউসার মিন্টুর ৪ কিলোমিটার পতাকা তৈরির বিষয়টিও ঠিক তেমনই উৎসবমূখর। সমর্থন ও ভালোবাসা থেকে এই বিশাল পতাকা তৈরি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়েছে। তাকে অভিনন্দন ও শুভ কামনা।’

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ক্যাম্পে যোগ দিলেন মেসি
বিশ্বকাপের আগে ত্বকের চিকিৎসায় নেইমার
আর্জেন্টাইন ভক্তদের মাতাতে এবারও গাইবেন হিরো আলম
২০১৪ সালের মতোই শক্তিশালী এবারের দল: মেসি
বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে পৌঁছাবে ব্রাজিল দল

মন্তব্য

জীবনযাপন
Wear your favorite teams lungi comfortably in the heat of the World Cup

বিশ্বকাপের গরমে প্রিয় দলের লুঙ্গি পরুন আরামে

বিশ্বকাপের গরমে প্রিয় দলের লুঙ্গি পরুন আরামে বিশ্বকাপ ফুটবলে জনপ্রিয় দলগুলো জার্সির আদলে বিশেষ লুঙ্গি এসেছে বাজারে। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
আমানত শাহ লুঙ্গির পরিচালক রেজাউল করিম নিউজবাংলাকে জানান, তারা ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে এবারই প্রথম জার্সির আদলে লুঙ্গি বাজারে ছেড়েছেন। প্রথম পাঁচ দিনে চার লাখ পিস বিক্রির পর দ্বিতীয় দফায় পণ্য তৈরির কাজ চলছে।

ফিফা বিশ্বকাপ কড়া নাড়ছে দোরগোড়ায়। বাংলাদেশ কখনও মূল পর্বে খেলার সুযোগ না পেলেও ‘বিগেস্ট শো অন আর্থ’ নিয়ে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনার শেষ নেই।

প্রিয় দলের সমর্থনে ভিনদেশি পতাকা আর জার্সি কেনার হিড়িক চারদিকে। তবে কি শুধু পতাকা আর জার্সিতেই চলবে? আয়েশি ভঙ্গিতে জমিয়ে বসে প্রিয় দলের খেলা উপভোগের দারুণ এক ব্যবস্থা করে দিচ্ছে ‘আমানত শাহ লুঙ্গি’।

ফুটবলে বেশি জনপ্রিয় দলগুলো জার্সির আদলে তারা বাজারে এনেছে বিশ্বকাপ স্পেশাল লুঙ্গি। এগুলোর নকশা করেছেন প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত ডিজাইনার পলাশ। মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যেই বিক্রি হয়েছে চার লাখ পিস।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক রেজাউল করিম নিউজবাংলাকে জানান, তারা ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে এবারই প্রথম জার্সির আদলে লুঙ্গি বাজারে ছেড়েছেন। প্রথম পাঁচ দিনে চার লাখ পিস বিক্রির পর দ্বিতীয় দফায় পণ্য তৈরির কাজ চলছে।

আমানত শাহ লুঙ্গির ব্র্যান্ড ম্যানেজার মো. মুজাহিদুল ইসলাম মঙ্গলবার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের বানানো প্রথম চার লাখ পিস শেষ। আরও দুই লাখ বানানোর কাজ চলছে।’

তার আশা বৃহস্পতিবার থেকে আবারও আগ্রহী ক্রেতারা তাদের পছন্দের লুঙ্গির জোগান পাবেন। মুজাহিদ বলেন, ‘এখন কেউ লুঙ্গির অর্ডার দিলে আমরা সেটি প্রি-অর্ডার হিসেবে নিচ্ছি। বৃহস্পতিবার থেকে ডেলিভারি দেয়া শুরু করব।’

বিশ্বকাপের গরমে প্রিয় দলের লুঙ্গি পরুন আরামে

সমর্থকদের সংখ্যা বিবেচনায় পাঁচটি জনপ্রিয় দলের জার্সির আদলে লুঙ্গিগুলো বানিয়েছে আমানত শাহ লুঙ্গি। এগুলোর হলো ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ফ্রান্স এবং স্পেন।

মুজাহিদ বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে আর্জেন্টিনার লুঙ্গির, তার পরে ব্রাজিল। তৃতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি। এরপর অন্য দুটি দেশ। যে চার লাখ বিক্রি হয়েছে তার সিংহভাগই আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের।’

বৃহস্পতিবার আরও দুই লাখ পিস বাজারে আনার পর সেগুলোর প্রতি মানুষের আগ্রহ দেখে আরও লুঙ্গি বানানো হবে বলেও জানান তিনি।

ফুটবল বিশ্বকাপ সামনে রেখে লুঙ্গিগুলো বানানো হয় ৬ নভেম্বর। তারপর ১০ নভেম্বর শুরু হয় প্রচার এবং বিপণন। সোশ্যাল মিডিয়াতে এটি প্রচারের দায়িত্বের আছে আমানত শাহ গ্রুপের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম মিয়া।

ব্র্যান্ড ম্যানেজার মুজাহিদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা মূলত পাইকারি ব্যবসায়ী। তাই অনেক খুচরা পর্যায়ের বিক্রেতা লুঙ্গিগুলো সংগ্রহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গেছেন।

‘আর সরাসরি কিনতে আগ্রহীরা আমাদের ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অর্ডার দিচ্ছেন। আমরা তাদের পাঠিয়ে দিচ্ছি।’

লুঙ্গিগুলোকে আরামদায়ক করতে লিনেন কাপড় ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানান মুজাহিদ। এগুলো তৈরি হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির নরসিংদীর কারখানায়।

ফুটবলে ৩২টি দেশ অংশ নিলেও মাত্র পাঁচটি দেশের কেন বানানো হলো, এমন প্রশ্নে মুজাহিদ বলেন, ‘মূলত বাংলাদেশের যেসব দলের সমর্থক বেশি, সেটি বিবেচনায় নেয়া হয়েছে।’

সোশ্যাল মিডিয়াতে পর্তুগালসহ কয়েকটি দেশের লুঙ্গি তৈরি করতে সমর্থকরা দাবি জানালেও তেমন পরিকল্পনা নেই বলে জানান মুজাহিদ।

তিনি বলেন, শুধু বাংলাদেশ থেকে নয়, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকাসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী প্রবাসী বাঙালিরাও এসব লুঙ্গির প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তাদের ডিএইচএলের মাধ্যমে পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে।

প্রতিটি লুঙ্গির দাম রাখা হচ্ছে ৩৭০ টাকা। এর সঙ্গে যুক্ত হবে ডেলিভারি চার্জ। ঢাকার ঠিকানায় ৪০ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৮০ টাকা করে ডেলিভারি চার্জ দিতে হবে ক্রেতাদের।

এই লুঙ্গি কিনতে আগ্রহী ব্যক্তিদের নির্ধারিত ওয়েব অ্যাড্রেসে গিয়ে অর্ডার দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অথবা ফেসবুক থেকে আমানত শাহ লুঙ্গি পেজে গিয়েও কেনা যাবে পছন্দের দেশের জার্সির আদলে লুঙ্গি।

আরও পড়ুন:
বার্সার ‘গোল মেশিন’কে নিয়ে বিশ্বকাপ দল ঘোষণা পোল্যান্ডের
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে দিবালা
রামোস-আলকান্তারাকে রেখেই কাতার যাচ্ছে স্পেন
দুই ‘বুড়ো’ নিয়ে উরুগুয়ের পূর্ণশক্তির দল ঘোষণা
চোটে থাকা মানেকে নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে সেনেগাল

মন্তব্য

জীবনযাপন
Deshidase year and sale

দেশী দশে ইয়ার এন্ড সেল

দেশী দশে ইয়ার এন্ড সেল
বিপুল পরিমাণ বাছাই করা সামগ্রী নিয়ে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য ছাড় দিচ্ছে দেশী দশের ঢাকার বসুন্ধরা সিটি শপিং মল, চট্টগ্রাম ও সিলেট আউটলেটে।

বছরের শেষ সময়ে দেশী দশ নিয়ে এসেছে নতুন অফার ‘ইয়ার এন্ড সেল’। সাশ্রয়ী মূল্যে ক্রেতাদের দেশী দশের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই এই আয়োজন। বিপুল পরিমাণ বাছাই করা সামগ্রী নিয়ে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য ছাড় দিচ্ছে দেশী দশের ঢাকার বসুন্ধরা সিটি শপিং মল, চট্টগ্রাম ও সিলেট আউটলেটে।

দেশী দশে ইয়ার এন্ড সেল

দেশের শীর্ষস্থানীয় ১০টি ফ্যাশন হাউস নিপুণ, কে ক্র্যাফট, অঞ্জনস, রঙ বাংলাদেশ, বাংলার মেলা, সাদাকালো, বিবিআনা, দেশাল, নগরদোলা ও সৃষ্টির সমন্বিত উদ্যোগ দেশী দশ। দেশীয় ফ্যাশনশিল্প যাদের কাজের মূল ভিত্তি। দেশী দশের আউটলেটে রয়েছে সব এক্সক্লুসিভ পণ্য। ১০টি ফ্যাশন হাউসের পোশাক, অ্যাকসেসরিজ, গয়না, হোম টেক্সটাইল, উপহারসামগ্রী ইত্যাদি পাওয়া যায় একই প্ল্যাটফর্মে। দারুণ ছাড়ের ইয়ার এন্ড সেল অফারটি চলবে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত।

মন্তব্য

p
উপরে