× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
Juicy Fest for Women Entrepreneurs Saturday
hear-news
player
print-icon

নারী উদ্যোক্তাদের জুসি ফেস্ট শনিবার

নারী-উদ্যোক্তাদের-জুসি-ফেস্ট-শনিবার
‘অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তা পরিচিতি, উদ্যোক্তা অ্যাওয়ার্ড প্রদান, পণ্য প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার পাশাপাশি আরও থাকছে কৃষিভিত্তিক সেশন ছাড়াও নারী উদ্যোক্তাদের সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক সেশনও।’

কৃষি খাতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি নারী উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনা ও সম্প্রসারণে দিনব্যাপী ‘জুসি ফেস্ট’ আয়োজন করতে যাচ্ছে নারী উদ্যোক্তা ফোরাম।

‘মধু মাসে রসনা বিলাসে, চল সবে মাতি উৎসবে’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আগামী শনিবার ঢাকার মিরপুরের পল্লবী সেতারা কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত হবে এই উৎসব। যেখানে অংশ নেবেন দেশের বিভিন্ন স্থানের ক্ষুদ্র ও মাঝারি নারী উদ্যোক্তারা।

নারী উদ্যোক্তা ফোরামের সভাপতি রাফিয়া আক্তার বলেন, ‘দেশের নারী উদ্যোক্তাদের বাজার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে ডিজিটাল প্লাটফর্ম ও অফলাইনে ট্রেনিংসহ সচেতনতামূলক নানা সামাজিক, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি আমরা। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক অথরিটির সহযোগিতা এটিকে আরও গতিশীল করেছে।’

জুসি ফেস্ট সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তা পরিচিতি, উদ্যোক্তা অ্যাওয়ার্ড প্রদান, পণ্য প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার পাশাপাশি আরও থাকছে কৃষিভিত্তিক সেশন ছাড়াও নারী উদ্যোক্তাদের সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক সেশনও।’

এটি সবার জন্য উন্মুক্ত বলেও জানিয়েছেন আয়োজকেরা।

২০২০ সাল থেকে বাংলাদেশে ফেসবুকভিত্তিক নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং বাণিজ্যিক প্রচার ও প্রসারে কাজ করে যাচ্ছে নারী উদ্যোক্তা ফোরাম। অনলাইন ছাড়াও অফলাইন উদ্যোক্তাদের ডিজিটালাইজেশনেও কাজ করছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন:
গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন ব্যারিস্টার ওলোরা
নারী উদ্যোক্তাদের স্টার্ট আপ ইকোসিস্টেম শেখাল আইডিয়া প্রকল্প
নারী উদ্যোক্তাদের জন্য আরও বরাদ্দ চান পরিকল্পনামন্ত্রী
সিএমএসএমই ঋণে নারী উদ্যোক্তাদের প্রণোদনা
নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষিত করতে হবে: দীপু মনি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Thats why you drink bottled water

ডাবের পানি পান করবেন যে কারণে

ডাবের পানি পান করবেন যে কারণে
আমাদের শরীরে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। নিয়াসিন রাইবোফ্লবিন, থিয়ামিন ও পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারী উপাদানে ভরপুর ডাবের পানি। প্রতিদিন এই পানি পান করলে শরীরের ভেতরের শক্তি বৃদ্ধি পায়।

সহজলভ্য ফলের মধ্যে ডাব অন্যতম। ডাবের পানির উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ প্রচুর। হেলথলাইন ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ডাবের পানির উপকারিতার কথা। চলুন দেখে নেই।

-

ডাবের পানিতে ক্যালসিয়াম, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাসের উপস্থিতি উচ্চমাত্রায়। এসব খনিজ লবণ আমাদের দাঁতের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়। দাঁত ও মাড়িকে করে মজবুত। অনেকের দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে, মাড়ি কালচে লাল হয়ে যায়। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ দেয় খনিজ লবণ।

আমাদের দেহে ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়ামের অভাব হলে কিংবা নানা ধরনের অসুখ-বিসুখ হলে ডাক্তার ডাবের পানি পান করার পরামর্শ দেন৷ এর কারণ ডায়রিয়া বা কলেরা রোগীদের ঘনঘন পাতলা পায়খানা ও বমি হয়। ফলে দেহে পানি ও খনিজ পদার্থের ঘাটতি দেখা যায়৷ এই ঘাটতি পূরণের জন্য ডাবের পানি অনেকাংশেই কাজ করে।

আমাদের শরীরে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। নিয়াসিন রাইবোফ্লবিন, থিয়ামিন ও পাইরিডোক্সিনের মতো উপকারী উপাদানে ভরপুর ডাবের পানি। প্রতিদিন এই পানি পান করলে শরীরের ভেতরের শক্তি বৃদ্ধি পায়। ফলে জীবাণুর বিরুদ্ধে শরীর ভালোভাবে কাজ করে।

গ্রীষ্মকালীন গরমে ছোট-বড় সবারই দেহের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ফলে ত্বকে ফুটে ওঠে লালচে কালো ভাব। ডাবের পানি দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা কমিয়ে শরীরকে রাখে ঠান্ডা। তারুণ্য ধরে রাখতে এর অবদান অনেক। ডাবের পানি যেকোনো কোমল পানীয় থেকে অধিক পুষ্টিসমৃদ্ধ। এর কারণ এটি চর্বিবিহীন পানীয়। ডাবের পানি সামান্য মিষ্টি হওয়া সত্ত্বেও ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপকারী।

যাদের মুখে জলবসন্তের দাগসহ বিভিন্ন ছোট ছোট দাগ রয়েছে ,তারা সকালে ডাবের পানি মুখে লাগালে দাগ চলে যায় এবং মুখের লাবণ্য ও উজ্জ্বলতা ফিরে আসে।

ডাবের পানিতে আছে সাইটোকিনিস নামে একটি অ্যান্টি-এজিং উপাদান, যা শরীরের ওপর বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।

ডাবের পানিতে বিদ্যমান অ্যামাইনো অ্যাসিড ও ডায়াটারি ফাইবার ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

আরও পড়ুন:
যে সুপার ফুডগুলো শিশুর দ্রুত বৃদ্ধি ঘটায়
বয়স ৫০ পেরিয়ে গেলে যা করবেন
কলার নানা উপকারী দিক
খাঁটি ঘি চেনার উপায়
খালি পেটে যা খাওয়া যাবে না

মন্তব্য

জীবনযাপন
Intercontinental Travel Trade and Cultural Carnival 23 December

ইন্টারকন্টিনেন্টাল ট্রাভেল ট্রেড এন্ড কালচারাল কার্নিভাল ২৩ ডিসেম্বর

ইন্টারকন্টিনেন্টাল ট্রাভেল ট্রেড এন্ড কালচারাল কার্নিভাল ২৩ ডিসেম্বর ইন্টারকসমিক ট্রাভেল, ট্রেড অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে। ছবি: নিউজবাংলা
চিফ কার্নিভাল কো-অর্ডিনেটর আতিকুর রহমান বলেন, ‘ভ্রমণপিপাসুদের জন্য এই কার্নিভাল পছন্দসই প্যাকেজ বেছে নেয়ার জায়গা। উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ গমনেচ্ছুদের জন্য সব সার্টিফাইড এজেন্সি খুঁজে পাওয়ারও প্লাটফর্ম এটি।’

রাজধানীর হোটেল পূর্বাণীতে ২৩ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘ইন্টারকন্টিনেন্টাল ট্রাভেল, ট্রেড অ্যান্ড কালচারাল কার্নিভাল’। এই আয়োজনের এক্সিবিটর ও বায়ার হিসেবে অংশ নেবে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মালেয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর।

আয়োজক সংগঠন ইন্টারকসমিক ট্রাভেল, ট্রেড অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কার্নিভালের সহযোগী আয়োজক প্রবাসী বাংলাদেশীদের একটি সংগঠন ‘এসোসিয়েশন অফ ওয়ার্ল্ড ফেয়ার অ্যান্ড ফেস্ট ইউএসএ’। ইভেন্ট পার্টনার ‘মিউট কনসোর্টিয়াম’, ট্রাভেল পার্টনার হ্যাভেন ট্যুরস অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড এবং ইয়ুথ পার্টনার রোটার‍্যাক্ট অ্যালামনাই অফ বাংলাদেশ।

কার্নিভালের কার্যক্রমের মধ্যে থাকছে আটটি সেশন। প্রতিটি সেশনে স্পিকার হিসেবে থাকবেন বিভিন্ন দেশ থেকে আগত সফল ব্যক্তিত্বরা।

চিফ কার্নিভাল কো-অর্ডিনেটর আতিকুর রহমান বলেন, ‘ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য ইন্টারকন্টিনেন্টাল ট্রাভেল, ট্রেড অ্যান্ড কালচারাল কার্নিভাল পছন্দসই প্যাকেজ বেছে নেয়ার জায়গা। উচ্চশিক্ষার জন্য যারা দেশের বাইরে যেতে চায় তাদের জন্য এক ছাদের নিচে সব সার্টিফাইড এজেন্সি খুঁজে পাওয়ারও প্লাটফর্ম এটি। এছাড়াও ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, চাকরিপ্রত্যাশী নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের এক মিলনমেলা হতে যাচ্ছে এই কার্নিভাল৷’

আতিকুর রহমান আরও বলেন, ‘সাতটি ভিন্ন ভিন্ন কনটেস্টে বিভিন্ন বয়স ও পেশার মানুষ অংশ নিয়ে জিতে নিতে পারবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার ও সম্মাননা সার্টিফিকেট। এছাড়াও শুধু এই কার্নিভালের টিকিট সংগ্রহ করেই লটারিতে জিতে নিতে পারবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার।

‘ইভেন্টের প্রতিদিনের নতুন নতুন চমক হিসেবে স্টেজ পারফরম্যান্সে মনোমুগ্ধকর নাচ, গানসহ বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি প্রতিদিন লটারিতে আকর্ষণীয় পুরস্কার জিতে নেয়ার সুযোগ থাকছে।’

মন্তব্য

জীবনযাপন
Asian Tourism Fair starts on 29 September

এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার শুরু ২৯ সেপ্টেম্বর

এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার শুরু ২৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কারওয়ানবাজারে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে রোববার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার সংশ্লিষ্টরা। ছবি: নিউজবাংলা
নবম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার হবে ঢাকায়। তিন দিনের আন্তর্জাতিক মেলাটি ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। মেলা চালু থাকবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।

দেশের পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করতে নবমবারের মতো সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার (এটিএফ) হতে যাচ্ছে চলতি সপ্তাহে।

রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেশন সিটি বসুন্ধরায় আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর তিন দিনের এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

রাজধানীর কারওয়ানবাজারে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে রোববার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের চেয়ারম্যান মো. মাহিউদ্দিন হেলাল।

লিখিত বক্তব্যে মাহিউদ্দিন হেলাল বলেন, ‘নবম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক মেলাটি ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। মেলা চলবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।

‘বিগত বছরের ধারাবাহিকতায় পর্যটন বিচিত্রার আয়োজনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সহযোগিতায় এই মেলা আয়োজন করা হচ্ছে।’

দেশের পর্যটন শিল্পকে জানান দেয়ার সময় এসেছে জানিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বলেন, ‘বিশ্ববাসী যখন দেখবেন আমাদের লেক, নদী, পাহাড়, সমুদ্র, চা বাগান, পদ্মা ব্রিজ, মেট্রো রেল, ঘুমধুম পর্যন্ত রেললাইন, কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এই সবকিছু কিন্তু আমাদের পর্যটনকে বিকশিত করার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ। এই পদক্ষেপের কারণেই একজন পর্যটক এসে বাংলাদেশের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবে।’

সবার ঐক্যবদ্ধ চেষ্টা দেশের পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করতে পারবে বলে মত দেন মাহবুব। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশ, আমাদের বিমানবন্দর, আকর্ষণীয় জায়গা সবকিছুই একজন দেশি এবং বিদেশি পর্যটকের চিত্ত বিনোদনের জন্য আন্তর্জাতিক মানের কাছাকাছি। খুব একটা দূরত্ব নাই।’

পর্যটন শিল্পকে টেকসই শিল্প বলে আখ্যায়িত করে মাহবুব আলী বলেন, ‘২০৪১ সালে উন্নত দেশ হওয়ার যে লক্ষ্য রয়েছে, সে লক্ষ্য পূরনে পর্যটন শিল্প বড় ভূমিকা রাখবে।’

বেসামরিক বিমান ও পর্যটন সচিব মোকাম্মেল হোসেন বলেন, ‘সুন্দর সময়ে এই পর্যটন মেলা আয়োজন করা হয়েছে। পর্যটন খুব খারাপ সময় অতিবাহিত করেছে। অভ্যন্তরীণ ট্যুরিজম অনেকটা সাফল্য অর্জন করেছি। এই মেলার মাধ্যমে বাংলাদেশকে তুলে ধরার বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমরা চাই সবাই মিলে বাংলাদেশ যেন এগিয়ে যায়।’

কমিউনিটি বেইজড ট্যুরিজম বেশ আলোচিত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগামীতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে ট্যুরিজম সেক্টরে। আমরা নিয়মমাফিক উপায়েই এগিয়ে যাচ্ছি। অবকাঠামো সীমাবদ্ধতা আমরা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। ভবিষ্যতে ট্যুরিজম শিল্পে বাংলাদেশ আরও ভালো করবে।’

নবম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারে আটটি দেশ অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ, নেপাল, থাইল্যান্ড, ভারত, ভুটান, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও লিথুনিয়ার প্রায় ১৩০টি পর্যটন সংস্থা এতে অংশ নেবে। এর মধ্যে ৫০টির বেশি বিদেশি প্রতিষ্ঠান।

মেলায় থাকবে আসন্ন পর্যটন মৌসুমে দেশ ও বিদেশে বেড়ানোর বিভিন্ন আকর্ষণীয় ভ্রমণ অফার, হোটেল, রিসোর্ট বা প্যাকেজ বুকিংসহ বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা। মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট, ক্রুজলাইনার, এয়ারলাইন্স, ট্যুর অপারেটর ও থিমপার্কসহ বিনোদনের আরও অনেক প্রতিষ্ঠান।

এ ছাড়া মেলায় বৈচিত্র্যময় আয়োজনে থাকবে পর্যটনবিষয়ক সেমিনার, শিশুদের জন্য চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, বিজনেস টু বিজনেস মিটিং। মেলায় থাকবে শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এই মেলার মাধ্যমে পর্যটন শিল্পের একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র দর্শনার্থীদের মাঝে তুলে ধরার প্রচেষ্টা থাকবে।

মেলায় এয়ারলাইন্স পার্টনার হিসেবে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, হসপিটালিটি পার্টনার হিসেবে রয়েছে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা, প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও, অ্য্যাডভেঞ্চার ডাইনিং পার্টনার- ফ্লাই ডাইনিং, ক্রুজ পার্টনার ঢাকা ডিনার ক্রুজ, এন্টারটেইনমেন্ট পার্টনার ফ্যান্টাসি কিংডম ও ট্রান্সপোর্ট পার্টনার কনভয় সার্ভিস।

মেলার প্রবেশ মূল্য ৩০ টাকা, প্রবেশ কুপনের বিপরীতে র‌্যাফেল ড্র বিজয়ীদের জন্য থাকবে এয়ারলাইন্স টিকিটসহ মালয়েশিয়ায় বেড়ানো এবং আকর্ষণীয় গিফট ভাউচার। এ ছাড়া প্রতিটি টিকিটেই থাকবে মেলার এন্টারটেইনমেন্ট পার্টনার ফ্যান্টাসি কিংডমে প্রবেশে ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. আলি কদর, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মো. জাবের, ঢাকায় নেপালি দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অফ মিশন কুমার রায়, এশিয়ার ট্যুরিজম ফেয়ারের পরিচালক বোরহান উদ্দিন, ট্যুরিজম রিসোর্ট ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (ট্রিয়ার) সভাপতি খবিরউদ্দিন আহম্মেদ।

আরও পড়ুন:
পর্যটনের নানান দুয়ার খুলছে দক্ষিণে
পর্যটন সমৃদ্ধে নতুন উদ্যোগ
পর্যটক টানতে ভিসা সহজের কাজ চলছে
পর্যটন মেলা ২ জুন থেকে
পর্যটনের জন্য জনগণকে ‘উদার হতে হবে’

মন্তব্য

জীবনযাপন
Beginning of Devipaksha

দেবীপক্ষের সূচনা

দেবীপক্ষের সূচনা দেবীপক্ষ শুরু হয়েছে আজ ভোর থেকে। ফাইল ছবি
পঞ্জিকা অনুযায়ী, এ বছর দেবী দুর্গার আগমন গজ বা হাতিতে। এর ফলে বসুন্ধরা হবে শস্যপূর্ণ। আর দেবীর বিদায় হবে নৌকায়, যার অর্থ শস্য ও জলবৃদ্ধি। দেবীর এই আগমন ও গমনে যারা বিশ্বাস করেন, তাদের জন্য এ বছরটা সত্যিকার অর্থেই কল্যাণকর।

বাঙালি হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার পুণ্যলগ্ন মহালয়া আজ। ভোর থেকে শুরু হয়েছে দেবীপক্ষ।

আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষ তিথিকে বলা হয় ‘দেবীপক্ষ’। হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী, এদিন কৈলাসের শ্বশুরালয় ছেড়ে সন্তানদের নিয়ে পৃথিবীতে আসেন দেবী দুর্গা। তখন থেকেই মণ্ডপে দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা শুরু হয়।

এদিন অমাবস্যার শুরু এবং পরবর্তী পূর্ণিমায় কোজাগরী লক্ষ্মীপূজার মধ্য দিয়ে শেষ হয় দেবীপক্ষ। মহালয়ার পাঁচ দিন পর মহাষষ্ঠীতে শুরু হয় মূল দুর্গোৎসব।

পঞ্জিকা অনুযায়ী, এ বছর দেবী দুর্গার আগমন গজ বা হাতিতে। এর ফলে বসুন্ধরা হবে শস্যপূর্ণ। আর দেবীর বিদায় হবে নৌকায়, যার অর্থ শস্য ও জলবৃদ্ধি। দেবীর এই আগমন ও গমনে যারা বিশ্বাস করেন, তাদের জন্য এ বছরটা সত্যিকার অর্থেই কল্যাণকর।

পুরাণ অনুযায়ী, মহালয়ার দিনেই ব্রহ্মার কাছ থেকে মহিষাসুরকে বধ করার দায়িত্ব পান দেবী দুর্গা। ব্রহ্মার বরেই মহিষাসুর মানুষ ও দেবতাদের অজেয় হয়ে উঠেছিলেন। ফলে তাকে পরাজিত করার জন্য ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর যে মহামায়ারূপী নারী শক্তি তৈরি করেন, তিনিই দেবী দুর্গা। দশভুজা দুর্গা টানা ৯ দিন যুদ্ধ করে মহিষাসুরকে বধ করেন।

মহালয়ার ভোরে চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দেবী দুর্গার আবাহন। আর এ চণ্ডীতেই আছে দেবী দুর্গার সৃষ্টির বর্ণনা ও তার প্রশস্তি।

মহালয়া উপলক্ষে মন্দিরে মন্দিরে নেয়া হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি। ঢাকা মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনে কেন্দ্রীয় পূজামণ্ডপে, ঢাকার রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল, সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, রমনা কালীমন্দির, স্বামীবাগের লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম ও মন্দির, রামসীতা মন্দির, জয়কালী মন্দিরসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ভোরে চণ্ডীপাঠ, চণ্ডীপূজা ও বিশেষ পূজার মধ্য দিয়ে ঘট স্থাপন করা হয়।

এবার সারা দেশে দুর্গাপূজার মণ্ডপ ৩২ হাজার ১৬৮টি। গত বছরের তুলনায় এবার মণ্ডপ বেড়েছে ৫০টি। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরে ২৪১টি মণ্ডপে পূজা উদযাপন হবে।

আরও পড়ুন:
প্রতিমা শিল্পী সংকটে ঝালকাঠি
দুর্গাপূজায় মণ্ডপে ২৪ ঘণ্টা থাকবে আনসার
দুর্গাপূজার ব্যস্ততা শুরু কুমারটুলিতে
তথ্য প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য আগুন উসকে দেয়ার মতো
‘দেখিয়া শুনিয়া ক্ষেপিয়া গিয়াছি’

মন্তব্য

জীবনযাপন
Easy way to peel garlic

রসুনের খোসা ছাড়ানোর সহজ উপায়

রসুনের খোসা ছাড়ানোর সহজ উপায়
রসুনের কোয়াগুলোকে ছুরির সাহায্যে দুই টুকরা করে কেটে নিন। এবার খুব সহজেই খোসা ছাড়িয়ে ফেলতে পারবেন।

খাবারে বাড়তি স্বাদ আনে রসুন। তা ছাড়া এটা শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। সমস্যা হচ্ছে রসুনের খোসা নিয়ে। এর খোসা ছাড়ানো বেশ কঠিন। আজ আপনাদের জন্য থাকছে এমন কিছু টিপস, যার মাধ্যমে সহজেই রসুনের খোসা ছাড়াতে পারবেন। চলুন দেখে নেই।

-

যখন বাজার থেকে রসুন কিনবেন, তখন খেয়াল রাখতে হবে যেন রসুনের কোয়াগুলো বড় এবং পরিষ্কার হয়।

একটা বড় পাত্রে রসুনের কোয়াগুলো নিন। ঢাকনা দিয়ে পাত্রের মুখ বন্ধ করে ঝাঁকাতে থাকুন। ভালো করে কয়েকবার ঝাঁকানোর পর ঢাকনি সরিয়ে ফেলুন। এবার দেখুন রসুনের খোসা কত সহজেই ছাড়িয়ে ফেলা যাচ্ছে।

রসুনের খোসা ছাড়ানোর সহজ উপায়

হালকা গরম পানি নিন। তাতে রসুনের কোয়াগুলো দিয়ে মিনিট দশেক অপেক্ষা করুন। সময় শেষ হওয়ার পর হালকা হাতে রসুনের খোসা ছাড়ান। দেখতে পাবেন কত সহজেই খোসা উঠে আসছে।

-

ভারী কিছু দিয়ে রসুনের কোয়াগুলোকে থেঁতলে দিন। তাহলে খুব সহজেই খোসা ছেড়ে যাবে রসুন থেকে।

-

রসুনের কোয়াগুলোকে ছুরির সাহায্যে দুই টুকরা করে কেটে নিন। এবার খুব সহজেই খোসা ছাড়িয়ে ফেলতে পারবেন।

-

ছুরি হোক কিংবা ব্লেড, যেকোনো কিছু দিয়েই রসুনের খোসা ছাড়িয়ে ফেলা সম্ভব। ছুরির ধারালো অংশ দিয়ে রসুনের মাথার দিকটা অল্প করে কেটে দিন। এবার সেই অংশে চাপ দিলেই খোসা থেকে রসুন আলাদা হয়ে যাবে খুব সহজেই।

-

যেভাবে আমরা রুটি বেলে থাকি, সেভাবেই রসুনের কোয়াগুলোকে বেলুনের সাহায্যে বা অন্য কিছুর সাহায্যে হালকা করে বেলে নিন। খেয়াল রাখতে হবে রসুন যেন থেঁতলে না যায়। এবার রসুন থেকে খোসা খুব সহজেই আলাদা করতে পারবেন।

আরও পড়ুন:
বয়স ৫০ পেরিয়ে গেলে যা করবেন
কলার নানা উপকারী দিক
খাঁটি ঘি চেনার উপায়
খালি পেটে যা খাওয়া যাবে না
শিশুর দাঁতের যত্ন নেবেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
NovoAir is the best in on time performance
বাংলাদেশ মনিটরের পুরস্কার

অন টাইম পারফরম্যান্সে সেরা নভোএয়ার

অন টাইম পারফরম্যান্সে সেরা নভোএয়ার প্রতীকী ছবি
নভোএয়ার অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনায় ২০২২ সালের ‘বেস্ট অন টাইম পারফরম্যান্স অফ দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরিতে স্বর্ণ জিতেছে। এ ছাড়া বেস্ট ডমিস্টিক এয়ারলাইন ক্যাটাগরিতে পেয়েছে রৌপ্য।

দেশি এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে এ বছর সেরা অন টাইম পারফরম্যান্স পুরস্কার পেয়েছে বেসরকারি নভোএয়ার।

পর্যটন ও এভিয়েশনভিত্তিক পাক্ষিক ‘বাংলাদেশ মনিটর’ এ পুরস্কার ঘোষণা করে।

নভোএয়ারের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নভোএয়ার অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনায় ২০২২ সালের ‘বেস্ট অন টাইম পারফরম্যান্স অফ দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরিতে স্বর্ণ জিতেছে। এ ছাড়া বেস্ট ডমিস্টিক এয়ারলাইন ক্যাটাগরিতে পেয়েছে রৌপ্য।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ মনিটর আকাশপথে নিয়মিত ভ্রমণকারীদের অনলাইনে মতামত জরিপের ভিত্তিতে এ পুরস্কার ঘোষণা করে।

এ বিষয়ে নভোএয়ারের হেড অফ মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস মেজবাউল ইসলাম বলেন, ‘এই স্বীকৃতি আগামীর পথচলায় আমাদের উৎসাহ জোগাবে। নভোএয়ার শুরু থেকেই সম্মানিত যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার জন্য বদ্ধপরিকর।

‘নভোএয়ার নিরাপদ ভ্রমণে ও সময় অনুযায়ী ফ্লাইট পরিচালনায় যাত্রীদের কাছে বিশ্বস্ততা অর্জন করেছে। পূর্ণ যাত্রী সন্তুষ্টি এবং উন্নততর সেবার প্রতিশ্রুতি আমাদের পরিচালনার সকল স্তরে অব্যাহত থাকবে।’

প্রতিদিন ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সৈয়দপুর, যশোর, সিলেট, রাজশাহী ও কলকাতায় ফ্লাইট পরিচালনা করছে নভোএয়ার।

আরও পড়ুন:
নভোএয়ারের টিকিটে কক্সবাজারের থাকা ফ্রি
২৭ মার্চ থেকে ফের চালু নভোএয়ারের কলকাতা ফ্লাইট
নভোএয়ারের নবম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সেবা বাড়ানোর আশাবাদ
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে স্বাভাবিক হলো উড়োজাহাজ চলাচল
পাইলটের দক্ষতায় বাঁচলেন নভোএয়ারের ৬৭ আরোহী

মন্তব্য

জীবনযাপন
Bhutan opened the border by increasing the cost of travel

ভ্রমণের খরচ বাড়িয়ে সীমান্ত খুলে দিল ভুটান

ভ্রমণের খরচ বাড়িয়ে সীমান্ত খুলে দিল ভুটান ভুটানের একটি পর্যটন এলাকা। ছবি: সংগৃহীত
পৃথিবীতে পর্যটকদের যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি মাশুল দিতে হয় ভুটান তার মধ্যে অন্যতম। জলবিদ্যুতের পর পর্যটনই দেশটির রাজস্বের সবচেয়ে বড় খাত। সড়কপথে বাংলাদেশ থেকে ভুটান গেলে দেশটির অভিবাসন দপ্তর থেকে এন্ট্রি পারমিট নিতে হয়। আর বিমানে গেলে নিতে হয় বিমানবন্দরের পারমিট।

করোনা পরিস্থিতিতে দীর্ঘ আড়াই বছর বন্ধ রাখার পর আবার পর্যটকদের জন্য সীমান্ত খুলে দিল পাহাড়, নদী আর ঝরনার মিতালিতে সৃষ্ট প্রকৃতির এক অপরূপ নিদর্শনের দেশ ভুটান।

আগের চেয়ে পর্যটন ফি বা সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ফি (এসডিএফ) বেশ বাড়িয়ে শনিবার দেশটির সীমান্ত খুলে দেয়া হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এনডিটিভি

ভুটানে গত তিন দশক ধরে প্রতি রাতের জন্য একজন পর্যটককে দিতে হতো ৬ হাজার ৭৫০ টাকা। তবে এখন থেকে এ জন্য গুনতে হচ্ছে ২০ হাজার ৭৫০ টাকা।

ভ্রমণের জন্য এত দিন আঞ্চলিক অর্থাৎ ভারতীয় ও বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য কোনো ফি ছিল না। কিন্তু নতুন নিয়মে তাদের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এসব দেশের পর্যটকদের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন দিতে হবে ১৫৩০ টাকা। আর ৬ থেকে ১২ বছরের শিশুদের জন্য ৭৬৫ টাকা লাগবে।

ভুটানের কনসাল জেনারেল জিগমে থিনলে নামগিয়াল বলেন, ‘পর্যটন একটি জাতীয় সম্পদ এবং আমরা কার্বন নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করছি। এর নিজস্ব খরচ আছে। আমাদের পর্যটনকে টেকসই করতে আমরা আমাদের অবকাঠামোর উন্নয়ন করছি। এসব কারণে আমরা এই শুল্ক নিচ্ছি।’

পৃথিবীতে পর্যটকদের যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি মাশুল দিতে হয় ভুটান তার মধ্যে অন্যতম। জলবিদ্যুতের পর পর্যটনই দেশটির রাজস্বের সবচেয়ে বড় খাত।

সড়কপথে বাংলাদেশ থেকে ভুটান গেলে দেশটির অভিবাসন দপ্তর থেকে এন্ট্রি পারমিট নিতে হয়। আর বিমানে গেলে নিতে হয় বিমানবন্দরের পারমিট।

৪৬ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের দেশ ভুটানের জনসংখ্যা ৮ লাখের মতো। দেশটিতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ১০০। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। করোনার কারণে ২০২০ সালের মার্চ থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল এ দেশের সীমান্ত।

ভুটানের ভূপ্রকৃতি পর্বতময়। উত্তরে সুউচ্চ হিমালয় পর্বতমালা, মধ্য ও দক্ষিণ ভাগে নিচু পাহাড় ও মালভূমি এবং দক্ষিণ প্রান্তসীমায় সামান্য কিছু সাভানা তৃণভূমি ও সমভূমি আছে। মধ্যভাগের মালভূমির মধ্যকার উপত্যকাগুলোতেই বেশির ভাগ লোকের বাস।

বহির্বিশ্ব থেকে বহুদিন বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে ভুটান প্রাণী ও উদ্ভিদের এক অভয়ারণ্য। এখানে বহু দুর্লভ প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদ দেখতে পাওয়া যায়। ভুটানের প্রায় ৭০% এলাকা অরণ্যাবৃত।

আরও পড়ুন:
রিজার্ভ কমছে ভুটানের, গাড়ি আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা
ড্রুক এয়ারের ঢাকা-পারো ফ্লাইট শুরু ১ জুলাই
বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইডথ ও ট্রেইনার নেবে ভুটান
বিনা শুল্কে ভুটানে যাবে বাংলাদেশের ১০০ পণ্য

মন্তব্য

p
উপরে