× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

জীবনযাপন
What to do if the child does not want to eat food
hear-news
player

শিশু খাবার খেতে না চাইলে যা করবেন

শিশু-খাবার-খেতে-না-চাইলে-যা-করবেন
খাবার নিয়ে শিশুকে বকাঝকা করবেন না। তাকে জোরজবরদস্তি করে খাওয়াতেও চেষ্টা করবেন না। এসব করলে শিশু খাবার নিয়ে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারে। সে যদি কম খায় তাহলে অল্প অল্প করে বার বার খাবার দিন।

বেশিরভাগ বাবা মা চিন্তিত তাদের শিশুর খাবার নিয়ে। শিশু খেতে চায় না। ফলে তার স্বাস্থ্যও যাচ্ছে কমে। জিরো টু ফাইভ ডটনেট ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, কীভাবে শিশুদের খাওয়ানো উচিৎ। চলুন দেখে নেই।

-

শিশুর খাবার সুন্দর করে সাজিয়ে দিন। খাবার দিয়ে বানাতে পারেন পুতুল, খেলনা ইত্যাদি। প্লেটে রঙ্গীন খাবার রাখুন। এসব দেখলে শিশু খেতে আগ্রহ বোধ করবে।

-

খাবারে অনিহা নিয়ে শিশুর সামনে অভিযোগ করবেন না। বরং স্বাস্থ্যকর খাবার অল্প পরিমাণে খেলেও তার প্রশংসা করুন এবং উৎসাহ দিন।

-

শিশু ফাস্টফুডে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে কি না সেদিকে খেয়াল রাখুন। তেমনটি হলে ধীরে ধীরে সেটি কমানোর চেষ্টা করুন। ফাস্টফুড খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া যাবে না। তাতে খাবারের প্রতি শিশুর অনিহা আরও বাড়বে।

-

খাবার নিয়ে শিশুকে বকাঝকা করবেন না। তাকে জোরজবরদস্তি করে খাওয়াতেও চেষ্টা করবেন না। এসব করলে শিশু খাবার নিয়ে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারে। সে যদি কম খায় তাহলে অল্প অল্প করে বার বার খাবার দিন।

-

প্রতিদিন একই ধরনের খাবার খেতে খেতে শিশুর অরুচি হয়ে যেতে পারে। অরুচির কারণে অনেক সময় শিশু খেতে চায় না। এক্ষেত্রে কিছুদিন পর পর নতুন খাবার বানিয়ে দিন শিশুকে। এতে স্বাদে পরিবর্তন আসবে।

-

শিশুকে যখন খাওয়াবেন তখন আপনিও খান। সম্ভব হলে আরও কাউকে সঙ্গে নিন। আপনাদের দেখাদেখি শিশু খেতে আগ্রহ বোধ করবে।

-

মাঝে মাঝে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার জন্য শিশুকে উপহার দিন। হতে পারে সেটা চকোলেট কিংবা তার পছন্দের কোন খেলনা। উপহার পেতে থাকলে সে উপহারের লোভে খাবার খাবে।

আরও পড়ুন:
পচা মুরগির মাংস চিনবেন যেভাবে
কতক্ষণ সিদ্ধে কেমন ডিম
পায়ের দুর্গন্ধ দূর করতে যা করবেন
ঈদের আগে শপিং স্ক্যাম থেকে নিজেকে রক্ষার টিপস
পাকা তরমুজ চিনবেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
Some more uses of lemon peel

লেবুর খোসার আরও কিছু ব্যবহার

লেবুর খোসার আরও কিছু ব্যবহার
রান্নাঘরের সিঙ্ক থেকে দুর্গন্ধ আসছে? চিন্তার কিছু নেই। লেবুর খোসা দিয়ে ঘষে ঘষে সিঙ্কটা পরিষ্কার করুন। গন্ধ চলে যাবে।

লেবুর খোসা অনেক কাজের কাজি। এটাকে ফেলে না দিয়ে অন্য কাজেও ব্যবহার করতে পারেন। টেস্ট অব হোম ডটকমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে লেবুর খোসা আর কী কী কাজে ব্যবহার করা যায়। চলুন দেখে নেই।

-

একটা কাপে লেবুর খোসা নিয়ে তাতে ভিনিগার দিন। এভাবে রাখুন তুই সপ্তাহ। এবার এই মিশ্রণটা দিয়ে পরিষ্কার করতে পারবেন ঘরোয়া জিনিস। যেমন- হাঁড়ি পাতিল, আয়না, ঘরের মেঝে ইত্যাদি।

-

লেবুর খোসা ও দারুচিনি একটি পাত্রে নিয়ে তাতে পানি ঢালুন। রেখে দিন ঘরের কোণে। দারুণ সুবাস ছড়াবে সে। ঘর থাকবে ফ্রেশ।

-

রান্না ঘরের সিঙ্ক থেকে দুর্গন্ধ আসছে? চিন্তার কিছু নেই। লেবুর খোসা দিয়ে ঘষে ঘষে সিঙ্কটা পরিষ্কার করুন। গন্ধ চলে যাবে।

-

কফি বা চায়ের কাপে দাগ বসে গেছে? তাহলে লেবুর খোসা, বরফ এবং মোটা লবণ দিয়ে মগের মধ্যে ঘষুন। দাগ চলে যাবে।

-

পোষা বিড়াল অনেক সময় ঘরের টবগুলো নষ্ট করে। গাছ থেকে বিড়ালকে দূরে রাখতে গাছের গোড়ায় লেবুর খোসা রাখুন। লেবুর খোসা বিড়ালের জন্য ক্ষতিকর নয়। তবে ওরা লেবুর গন্ধ সহ্য করতে পারে না।

-

পেঁয়াজ রসুন কাটার পর হাতে গন্ধ থেকে যায়। এটা দূর করতে লেবুর খোসার সাহায্য নিতে পারেন। এক টুকরা লেবুর খোসা ঘষে নিন হাতে। গন্ধ চলে যাবে।

-

লেবুর খোসা কুচি করে পানীয় অথবা তরকারিতে মিশিয়ে নিতে পারেন। এর ফলে খাবারে আলাদা ধরনের স্বাদ পাবেন।

-

ওভেনের ভেতরে থাকা গন্ধ দূর করতে পারে লেবুর খোসা। একটি বাটিতে পানি ও লেবুর খোসা নিয়ে ওভেনে গরম করুন।

আরও পড়ুন:
পায়ের দুর্গন্ধ দূর করতে যা করবেন
ঈদের আগে শপিং স্ক্যাম থেকে নিজেকে রক্ষার টিপস
পাকা তরমুজ চিনবেন যেভাবে
ফ্রিজ পরিষ্কার করবেন যেভাবে
পিঁপড়ার হাত থেকে মুক্তি পাবেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
The way to keep the nonstick pot good

ননস্টিক পাত্র ভালো রাখবেন যেভাবে

ননস্টিক পাত্র ভালো রাখবেন যেভাবে
তারজালি মাজুনি দিয়ে ননস্টিক পাত্র পরিষ্কার করা যাবে না। এতে ওপরের আবরণ উঠে যাবে। এই জটিলতা এড়াতে ফোম অথবা কাপড়ের মাজুনি ব্যবহার করতে হবে।

খাবারে কম তেল ব্যবহার করতে চাইলে ননস্টিক পাত্রে রান্নার বিকল্প নেই। এতে তুলনামূলক কম তেল লাগে। তেল না দিলেও তলায় লেগে যাওয়ার ভয় থাকে না।

ননস্টিক প্যান তৈরিতে ব্যবহার করা হয় অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন ও বিশেষ ধরনের লোহার উপাদান। এসবের ওপরে দেয়া হয় পলিটেট্রাফ্লুওরিথাইলিন নামের এক ধরনের পদার্থের আস্তর। ঠিকঠাক যত্ন না নিলে ননস্টিক পাত্রের এই আবরণটি উঠে যেতে পারে।

চলুন দেখে নেই ননস্টিক পাত্র দীর্ঘদিন ভালো রাখতে হলে কী করতে হবে।

-

১. তারজালি মাজুনি দিয়ে ননস্টিক পাত্র পরিষ্কার করা যাবে না। এতে ওপরের আবরণ উঠে যাবে। এই জটিলতা এড়াতে ফোম অথবা কাপড়ের মাজুনি ব্যবহার করতে হবে।

২. ক্ষারযুক্ত সাবান, বালু, ছাই ইত্যাদি দিয়েও ননস্টিক পাত্র পরিষ্কার করা ঝুঁকিপূর্ণ। এ সবের পরিবর্তে রিকুইড সাবান ব্যবহার করতে হবে।

৩. ননস্টিক পাত্রে লোহা, অ্যালুমিনিয়াম কিংবা অন্য কোনো ধাতব চামচ ব্যবহার করা যাবে না। এতে ননস্টিকে দাগ পড়ে যায়। কাঠ অথবা প্লাস্টিকের চামচ ব্যবহার করতে হবে।

৪. দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ননস্টিক পাত্রে দাগ পড়ে যায়। এ দাগ দূর করার জন্য অল্প পানির সঙ্গে সিরকা মিশিয়ে চুলার মৃদু আঁচে কয়েক মিনিট নাড়লে দাগ উঠে যাবে।

আরও পড়ুন:
ঈদের আগে শপিং স্ক্যাম থেকে নিজেকে রক্ষার টিপস
পাকা তরমুজ চিনবেন যেভাবে
ফ্রিজ পরিষ্কার করবেন যেভাবে
পিঁপড়ার হাত থেকে মুক্তি পাবেন যেভাবে
দুধ উপচে পড়া ঠেকাতে যা করবেন

মন্তব্য

জীবনযাপন
What do you understand by any behavior of the cat

বিড়ালের কোন আচরণে কী বুঝবেন

বিড়ালের কোন আচরণে কী বুঝবেন
বিড়াল প্রতিশোধ নেয়ার জন্য আসলে কিছু করে না। তার কোনো আচরণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ দেখা গেলে বুঝতে হবে, পোষা প্রাণী হিসেবে ও যতটুকু জানে তা দিয়েই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে।

শখ করে বিড়াল পোষেন অনেকেই, কিন্তু এর মন বোঝার মানুষ খুব কম। জিনিসপত্র এলোমেলো করা থেকে শুরু করে নানা রকম অদ্ভুত শব্দ ও আচরণে প্রায়ই বিভ্রান্তিতে পড়েন অনেকে। মন বুঝতে পারার অক্ষমতায় অনেক সময়ে ভালোবাসার প্রাণীটি হয়ে ওঠে রীতিমতো বিরক্তিকর।

এ অবস্থা বিড়াল কিংবা তার মালিক, কারও জন্যই স্বস্তিকর নয়। এই বিভেদের দেয়াল ভাঙতে হলে আগে আপনাকে বুঝতে হবে বিড়ালেরও মন বলে কিছু আছে। ওদের জীবনেও আসে ভালোলাগা কিংবা মন্দলাগার সময়। আর সেটা মানুষকে বোঝানোর কিছু কৌশল রয়েছে বিড়ালের। পোষা প্রাণীটি চায় সেসব কৌশল দেখে আপনি ওকে বুঝে নিন, ওকে আদরে কাছে টেনে নিন।

আর তাই হিংস্র চোখে তাকানো কিংবা লিটার বক্সের বাইরে মলত্যাগ করা দেখলেই পোষা বিড়ালকে ভুল বুঝবেন না। বরং ওকে বুঝতে শিখুন। বিড়ালের আচরণ বিশেষজ্ঞ রাচেল গেলার বলেছেন, বেশির ভাগ মালিক জানেনই না, তাদের পোষা প্রাণীর কী প্রয়োজন।

গেলার বলছেন, একটি বিড়াল প্রতিশোধ নেয়ার জন্য আসলে কিছু করে না। তার কোনো আচরণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ দেখা গেলে বুঝতে হবে, পোষা প্রাণী হিসেবে ও যতটুকু জানে তা দিয়েই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে।

বিড়ালের আচরণ নিয়ে গবেষণা করা আরেক বিশেষজ্ঞ অনিতা কেলসি। ‘লেটস টক অ্যাবাউট ক্যাটস’ নামে একটি বইও লিখেছেন তিনি। অনিতা বলছেন, বিড়াল আসলে সমমর্মিতার অনুরক্ত। সহযোগিতা পেতে ওরা মানুষের কৃপাপ্রার্থী।

গেলার বলেছেন, মনে কী ঘটছে সেটা প্রকাশের জন্য বিড়ালের নিজস্ব ‘ভাষা’ রয়েছে। তাকে পোষ মানানো মালিকের উচিত সেই ভাষাটি পড়তে পারার দক্ষতা অর্জন করা।

আসুন জেনে নেই বাসায় মিউ মিউ করে ঘুরে বেড়ানো বিড়ালটির মনের গভীরে আসলে কী ঘটছে।

মানুষের আশপাশে ঘুরঘুর করা

বিড়াল বিভিন্ন উপায়ে নিজের ভাবভঙ্গী প্রকাশ করে। তবে অনেক সময়েই তাদের ইতিবাচক প্রকাশভঙ্গি আমরা খেয়াল করি না।

বিড়ালের আচরণ এবং শরীর বিশেষজ্ঞ জ্যাকসন গ্যালাক্সি বলেছেন, একটি বিড়ালের রাজকীয় উপস্থিতিই তার ইতিবাচক আচরণের নির্দেশক হতে পারে। গ্যালাক্সি ব্যাখ্যা করেছেন, বিড়াল প্রায়ই এক ধরনের রাজকীয় ভাব নিয়ে বসে থাকে। যেমন- বুক উঁচিয়ে, কান খাড়া রেখে এবং স্বচ্ছ চোখে তাকিয়ে থেকে। এর অর্থ হলো সে তখন আশপাশের অঞ্চলের মালিকানা অনুভব করছে। এই ‘স্বাধীন অঞ্চলে’ সে স্বাধীনভাবে ঘোরাঘুরি করা বা ইচ্ছামতো শুয়ে-বসে থাকার অধিকার রাখে।

অনিতার মতে, আরেকটি ইতিবাচক লক্ষণ হলো যখন একটি বিড়াল আপনার মতো একই ঘরে থাকতে আরাম ও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। আপনার কোলজুড়ে বিড়ালের বসে থাকা বা এর পেট আপনার সামনে উন্মুক্ত করে দেয়াও আরাম উপভোগের লক্ষণ। তবে সাবধান, এ সময় বিড়ালের পেটে অযথা খোঁচাখুঁচি করবেন না। কারণ কিছু বিড়ালের একদম সেটি পছন্দ নয়, বিরক্ত হয়ে তারা কিন্তু আঁচড় দিয়ে বসতে পারে।

ঘ্রাণ নেওয়া

ঘ্রাণ নেয়া অথবা বিড়াল আপনার শরীরে বা কোনো বস্তুর ওপর মাথা ঘষলে ধরে নিন এটি তাদের ভালোবাসা প্রকাশের লক্ষণ। বিড়াল এভাবে গন্ধ ছড়িয়ে নিজের প্রিয় অঞ্চল চিহ্নিত করে থাকে। বিড়াল চেটেও এটি করতে পারে।

দলিত মথিত করা

অনেক সময়েই বিড়ালকে নরম কোনো বস্তু যেমন কম্বল বা চাদরকে দলিত মথিত করতে দেখা যায়। এটি বিড়ালের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য

গেলার বলেন, ‘বিড়াল ছোট থাকার সময়ে এই কৌশলে দুধ নিঃসৃত করতে মাকে প্ররোচিত করে। বড় হয়েও সে এই স্বভাবের মাধ্যমে নিজের মধ্যে নিরাপত্তা বোধের জন্ম দেয়। সে মনে করে, এভাবেই সে মায়ের সান্নিধ্যে নিরাপদ আছে। প্রশান্তি, ভালোবাসার মধ্যে থাকা বিড়াল এ কাজটি করে থাকে। এটি হলো ঘনিষ্ঠতা প্রকাশের একটি ভাষা।’

সোজা লেজ

গেলার বলছেন, ‘বিড়ালের লেজও তার খুশির একটি চিহ্ন হতে পারে। যেমন- একটি বিড়াল আপনার কাছে এসে লেজ সোজা করে রাখলে বা শেষের দিকটি সামান্য বাঁকানো থাকলে ধরে নিতে পারেন, এটি তার ভালোবাসা প্রকাশের চিহ্ন।’

চোখ দেখে বুঝুন ভালোবাসা

গেলার বলেন, ‘বিড়ালের আরও একটি ইতিবাচক আচরণ হলো, চোখে ধীর পলক। খোলা চোখ, ধীরে পলক ফেলা একটি বিড়াল মানেই সে সুখী ও মানসিকভাবে প্রশান্ত। অথচ পলক না ফেলে সরাসরি তাকিয়ে থাকা বিড়ালকে ভয় পান অনেকে।’

হিস হিস শব্দ করা

রাগ বা অস্বস্তি প্রকাশেরও নিজস্ব ধরন রয়েছে বিড়ালের। অনিতা বলেছিলেন, হিস হিস করা বা গর্জন করার অর্থ একটি বিড়াল কিছু বিষয় নিয়ে অখুশি। আর গেলার বলেছেন, ‘হিস হিস শব্দ সাধারণত অন্য ব্যক্তি বা প্রাণীর জন্য একটি সতর্কবার্তা। বিড়ালটি তাকে সরে যেতে বলছে।’

বিড়াল সাধারণত পরিচিত জিনিস পছন্দ করে, এটি তার মধ্যে নিরাপত্তা বোধেরও জন্ম দেয়। গেলার বলেন, ‘তাই কখনও কখনও বিড়ালের হিস হিস করার কারণ তাদের পরিচিত পরিবেশে একটি নতুন বস্তু দেখা যাচ্ছে (যেমন- একটি খেলনা বা আসবাবের টুকরা)।

এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে বিড়ালকে অভ্যস্ত করার জন্য বাড়িতে ধীরে ধীরে নতুন সামগ্রী আনার পরামর্শ দিচ্ছেন গেলার।

লিটার বক্সে অনাগ্রহ

কেলসি বলেন, লিটার ট্রের বাইরে বিড়ালের টয়লেট করার ঘটনা বিড়ালের কোনো একটি সমস্যা অথবা অসন্তুষ্টির চিহ্ন। গেলার বলছিলেন, এর সহজ অর্থ হতে পারে আপনি যে ধরনের লিটার ব্যবহার করছেন বিড়াল তা পছন্দ করছে না অথবা এটা বক্সের বেশ গভীরে রয়েছে।

সাধারণ ধারণাটি হলো, লিটার বক্স ব্যবহারের সময় বিড়াল গোপনীয়তা পছন্দ করে। তবে গেলার বলছেন, এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।

তার মতে, বিড়াল এ সময় তাদের চারপাশটি পরিষ্কার দেখতে চায়। আবৃত লিটার বক্স বিড়ালের একদমই পছন্দ নয়। এর কারণ হলো বিড়াল লিটার বক্স ব্যবহারের সময় খুব দুর্বল অবস্থানে থাকে। এ সময় প্রতিপক্ষ বা সম্ভাব্য আক্রমণকারীকে সে দূর থেকেই সরাসরি দেখতে চায়।

গ্যালাক্সি বলেছেন, লিটার বক্স ব্যবহার না করার আরেকটি কারণ হতে পারে বিড়াল তার নিজস্ব অঞ্চল নিয়ে উদ্বেগে ভুগছে অথবা যে জায়গায় সে আছে সেটি তার নিরাপদ মনে হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে লিটার বক্সগুলো বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন গ্যালাক্সি।

আঁচড় কাটা

পোষা বিড়ালের বিরুদ্ধে বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় আঁচড় কাটার অভিযোগ প্রায় সবার। গেলার বলছেন, বিড়াল অনেক কারণে আঁচড় দেয়। যেমন- উত্তেজনা প্রকাশ, উত্তেজনা কমানো, চাপ প্রশমন, নিজের অঞ্চল চিহ্নিত করতে এরা আঁচড় দিয়ে থাকে। আবার মরে যাওয়া নখ ফেলে দেয়া এবং থাবা ঠিকঠাক রাখতেও এটা করা প্রয়োজন। আঁচড়ানো কোনো খারাপ স্বভাব নয়, তবে বিড়াল শক্ত কাঠের মেঝেতে আঁচড় কাটতে শুরু করলে সমস্যা হতে পারে।

গেলারের পরামর্শ, বাড়ির যত্রতত্র আঁচড় কাটা পছন্দ না করলে আপনি বিড়ালের জন্য একটি উপযুক্ত পছন্দের জায়গা নির্ধারণ করে দিতে পারেন।

হামলে পড়ে সব খেয়ে নেয়া

গেলার বলছেন, বিড়ালের অতিরিক্ত ক্ষুধা বা খাবারের জন্য মালিকের পিছে পিছে ঘোরা দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে। কারণ এমন আচরণ হাইপারথাইরয়েডিজম বা টেপওয়ার্মের মতো স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। এ ধরনের লক্ষণ দেখা গেলেই মালিকদের সঠিক পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

সেরা জীবন উপহার দিন

মালিকদের জন্য গ্যালাক্সির পরামর্শ হলো, প্রিয় বিড়ালটিকে বুঝতে দিন ও ওর সেরা জীবনের মধ্যেই রয়েছে।

তিনি বলেন, বাইরের জীবনে থাকলে বিড়াল নিজের মতো করে তার এলাকা নির্ধারণ ও শিকার করতে পারত। এটি পোষা বিড়ালের মালিকদের মাথায় রাখতে হবে। আর তা হলেই একজন অভিভাবক হিসেবে বিড়ালকে সবচেয়ে ভালো রাখার উপায়গুলো আপনি বুঝতে পারবেন। ওর অভিভাবক হিসেবে বাইরের জীবনের মুক্তির স্বাদও ওকে দেয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে।

আরও পড়ুন:
মুরগি চুরির অপরাধে আটক, পরে মুক্তি
লাউয়াছড়ায় মা হারা তিন বনবিড়াল শাবকের মৃত্যু
তিন যুবক বাঁচালেন বিরল বনবিড়ালের ৫ ছানা
আপনার বিড়ালটিও কি সাইকোপ্যাথ?
বিড়ালের আঁচড় বা কামড়ে কী করবেন

মন্তব্য

জীবনযাপন
How to boil potatoes quickly

আলু দ্রুত সেদ্ধ করবেন যেভাবে

আলু দ্রুত সেদ্ধ করবেন যেভাবে
আস্ত আলু সেদ্ধ করবেন না। সেদ্ধ করার আগে ছোপ ছোট কিউব আকারে কেটে নিন। সম্ভব হলে আলুর কিউবগুলো কাঁটাচামচ দিয়ে ছিদ্র করে দিন। দ্রুত সেদ্ধ হবে আলু।

আলু আমাদের সবার প্রিয় সবজি। মোটামুটি সব তরকারিতেই আলু খাওয়া যায়। আলু সেদ্ধ হতে সাধারণত ১৫ থেকে ২৫ মিনিট লাগে। এনডিটিভি ডটকমের এক প্রতিবেদনে আলু দ্রুত সেদ্ধ করার পদ্ধতি জানানো হয়েছে। চলুন দেখে নিই।

-

খোসা ছাড়িয়ে নিন

খোসাসহ আলু সেদ্ধ করতে অনেক সময় লাগে। তাই আলু সেদ্ধ করার আগে খোসা ছাড়িয়ে নিন।

-

আলু কেটে টুকরা করুন

আস্ত আলু সেদ্ধ করবেন না। সেদ্ধ করার আগে ছোপ ছোট কিউব আকারে কেটে নিন। সম্ভব হলে আলুর কিউবগুলো কাঁটাচামচ দিয়ে ছিদ্র করে দিন। দ্রুত সেদ্ধ হবে আলু।

-

লবণ দিন

আলু যে পানিতে ফোটাবেন সেই পানি ফুটে উঠলে তাতে আধা চা চামচ লবণ দিন।

-

ওভেন ব্যবহার করুন

আলু ধুয়ে নিন খোসাসহ। কাঁটাচামচ দিয়ে ছিদ্র করে ওভেনে প্রতি পাশ ২ মিনিট ৩০ সেকেন্ড করে সেদ্ধ করুন।

আরও পড়ুন:
পাকা তরমুজ চিনবেন যেভাবে
ফ্রিজ পরিষ্কার করবেন যেভাবে
পিঁপড়ার হাত থেকে মুক্তি পাবেন যেভাবে
দুধ উপচে পড়া ঠেকাতে যা করবেন
পাকা কলা সংরক্ষণ করবেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
How to recognize rotten chicken meat

পচা মুরগির মাংস চিনবেন যেভাবে

পচা মুরগির মাংস চিনবেন যেভাবে
তাজা মাংসের রং গোলাপি হবে। এটা খাওয়া নিরাপদ। তবে মাংসের রং যদি ধূসর অথবা সবুজ হয় এবং চর্বিযুক্ত টুকরাগুলো যদি হলুদ হয়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে মাংস নষ্ট হয়ে গেছে।

ফ্রিজে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করে রাখা মুরগির মাংস অনেক সময় পচে যায়। বাজার থেকে কেনা প্যাকেটজাত মুরগির মাংসও পচা হতে পারে। এ ধরনের মাংস খেলে হতে পারে নানা রকম শারীরিক জটিলতা। তাই পচে যাওয়া মাংস চেনাটা খুব জরুরি। উইকি হাউ এর এক প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে কীভাবে পচা মুরগির মাংস চেনা যাবে। চলুন দেখে নেই।

-

মাংসের রং

তাজা মাংসের রং গোলাপি হবে। এটা খাওয়া নিরাপদ। তবে মাংসের রং যদি ধূসর অথবা সবুজ হয় এবং চর্বিযুক্ত টুকরাগুলো যদি হলুদ হয়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে মাংস নষ্ট হয়ে গেছে।

-

ছত্রাক

মাংসের ওপরে ছত্রাক জমতে পারে। ছত্রাক যুক্ত মাংস খাওয়া ক্ষতিকর। মাংসের ওপর সাদাটে রং অথবা দাগ দেখা গেলে বুঝতে হবে ছত্রাক জমেছে। এমন হলে মাংস ফেলে দিতে হবে।

-

গঠনগত পরিবর্তন

মুরগির মাংস নষ্ট হলে এর গঠনগত পরিবর্তন হয়। মাংস স্পর্শ করলে যদি আঠালো মনে হয়, তাহলে সেটি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। তাজা মাংস চকচকে ও নরম হবে। রান্না করা মুরগির মাংসের গঠন হবে শক্ত।

পচা মুরগির মাংস চিনবেন যেভাবে

গন্ধ

বাজেভাবে পচে গেলে মাংস থেকে তীব্র গন্ধ বের হবে। যদি তেমনটা না হয় তাহলে নাকের কাছে মাংস এনে ঘ্রাণ নিন। গন্ধে কোনো পরিবর্তন লক্ষ করলে ফেলে দিন।

-

মেয়াদ

প্যাকেটজাত কাচা মাংস কেনার সময় মেয়াদের তারিখ লক্ষ্য করুন। ফ্রিজে সংরক্ষণের আগে তারিখটি মনে রাখুন। রান্নার সময়েও প্যাকেটে মেয়াদ দেখে নিন। মেয়াদ শেষ হলে ফেলে দিন।

আরও পড়ুন:
কতক্ষণ সিদ্ধে কেমন ডিম
পায়ের দুর্গন্ধ দূর করতে যা করবেন
ঈদের আগে শপিং স্ক্যাম থেকে নিজেকে রক্ষার টিপস
পাকা তরমুজ চিনবেন যেভাবে
ফ্রিজ পরিষ্কার করবেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
How long will you get the eggs if boiled

কতক্ষণ সিদ্ধে কেমন ডিম

কতক্ষণ সিদ্ধে কেমন ডিম
ডিম কতটুকু সময় সিদ্ধ করলেন, তার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয় সিদ্ধ ডিমটা কেমন হবে।

সিদ্ধ ডিম আমাদের সবারই প্রিয়। তবে কেউ পছন্দ করেন পুরো সিদ্ধ, কেউ আধা সিদ্ধ আবার কেউবা পছন্দ করেন ক্রিম সিদ্ধ।

ডিম কতটুকু সময় সিদ্ধ করলেন, তার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয় সিদ্ধ ডিমটা কেমন হবে। চলুন দেখে নেই, কতক্ষন সিদ্ধ করলে কেমন ডিম পাওয়া যাবে।

-

চার মিনিট

ডিম চার মিনিট ফুটানো পানিতে সিদ্ধ করে তুলে ফেললে আধা সিদ্ধ ডিম পাওয়া যাবে।

-

ছয় মিনিট

ছয় মিনিট সিদ্ধ করলে ডিমের সাদা অংশ থাকবে, কুসুম থাকবে নরম।

-

আট মিনিট

আট মিনিট সিদ্ধ করলে ডিমের সাদা শক্ত হবে। তবে কুসুম আগের চেয়ে শক্ত থাকবে।

-

দশ মিনিট

দশ মিনিট সিদ্ধ করার পর সম্পূর্ণ ডিম মোটামুটি শক্ত হবে। তবে কুসুমের ভিতরের দিকে সামান্য নরম থাকবে।

-

বারো মিনিট

বারো মিনিট সিদ্ধ করার পর প্রায় সম্পূর্ণ সিদ্ধ ডিম পাবেন। তবে কুসুমে এখনও কিছুটা জলীয় অংশ থাকবে।

-

চৌদ্দ মিনিট

চৌদ্দ মিনিট সিদ্ধ করলে সম্পূর্ণ হার্ড বয়েল হবে। মাঝখানে কুসুম প্রায় শুকিয়ে যাবে।

আরও পড়ুন:
পায়ের দুর্গন্ধ দূর করতে যা করবেন
ঈদের আগে শপিং স্ক্যাম থেকে নিজেকে রক্ষার টিপস
পাকা তরমুজ চিনবেন যেভাবে
ফ্রিজ পরিষ্কার করবেন যেভাবে
পিঁপড়ার হাত থেকে মুক্তি পাবেন যেভাবে

মন্তব্য

উপরে