× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

জীবনযাপন
The worshipers are spending sleepless nights in worship
hear-news
player
print-icon

ইবাদতে বিনিদ্র রাত পার করছেন মুসল্লিরা

ইবাদতে-বিনিদ্র-রাত-পার-করছেন-মুসল্লিরা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমে শবে কদরের রাতে নামাজ আদায়। ফাইল ছবি
ঈদের আগে সবশেষ কর্মদিবস ছিল বৃহস্পতিবার। দিনটি নগরবাসীর কেটেছে ঈদ-প্রস্তুতির নানা ব্যস্ততায়। নগরজুড়ে যানজট কিছুটা কমে এলেও অসহ্য গরমে মানুষ রোজা রেখে ক্লান্ত-শ্রান্ত। আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে তারা সেই শ্রান্তি ভুলে নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিগির-আজকারে বিনিদ্র রাত পার করছেন।

ইফতার শেষে মাগরিবের নামাজ আদায় করে নগরীর মসজিদে মসজিদে বাড়তে শুরু করে মুসল্লির ভিড়। মর্যাদাপূর্ণ রাত হিসেবে বিবেচিত পবিত্র শবে কদরে ইবাদত-বন্দেগির জন্য রাজধানীর প্রতিটি মসজিদে সমবেত হন মুসল্লিরা। আল্লাহর নৈকট্যলাভের প্রত্যাশায় তারা আদায় করছেন নফল নামাজ। চলছে কোরআন তিলাওয়াত ও জিগির-আজকার।

ইসলাম ধর্মমতে শবে কদরের রাতে পবিত্র কোরআন নাযিল হয়। এ রাতকে ঘিরে আল-কদর নামে একটি সূরাও নাযিল হয়। শব শব্দের অর্থ রাত। আর কদর মানে সম্মান, মর্যাদা, ভাগ্য। তাই এই রাতকে বলা হয় মর্যাদা বা সৌভাগ্যের রাত।

ঈদের আগে সবশেষ কর্মদিবস ছিল বৃহস্পতিবার। দিনটি নগরবাসীর কেটেছে ঈদ-প্রস্তুতির নানা ব্যস্ততায়। নগরজুড়ে যানজট কিছুটা কমে এলেও অসহ্য গরমে মানুষ রোজা রেখে ক্লান্ত-শ্রান্ত। তারপরও আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে তারা সৌভাগ্যের রাতে আরাম-আয়েশ ত্যাগ করেছেন। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিগির-আজকারে বিনিদ্র রাত পার করছেন।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমে নামাজ আদায় করে মোনাজাতে অংশ নিতে দূর-দূরান্ত থেকে অনেকেই এসেছেন। মসজিদে স্থান সংকুলান না হওয়ার ধারণা থেকে অনেককেই জায়নামাজ সঙ্গে নিয়ে আসতে দেখা গেছে।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সংক্রমণ রোধে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজে অংশ নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে আগেই।

এই রাতে সম্মিলিত মোনাজাতে করোনাভাইরাস মহামারি থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানানো হয়। একইসঙ্গে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করা হয়। হানাহানি ভুলে শান্তির পৃথিবীর জন্যও ফরিয়াদ জানানো হয় আল্লাহর দরবারে।

মিরপুরের সেনপাড়ার বাসিন্দা এফরান আহমেদ বললেন, ‘চেষ্টা থাকা সত্ত্বেও নিয়মিত পাঁছ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয়ে ওঠে না। তবে আজকের রাত একটি বিশেষ সময়। তাই আজকের রাতে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভে বেশি সময় মসজিদের নামাজ আদায় করব। নিজের ভুল-ত্রুটির জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা চাইব।’

মগবাজারের হাবিবুর রহমান মামুন ইফতারের কিছু সময় পরই জায়নামাজ নিয়ে হাজির জর মহল্লার মসজিদে। তিনি বলেন, ‘নিয়মিত নামাজ আদায়ে বছরের বাকি সময়টায় নানা ব্যস্ততায় কিছুটা অনিয়ম হলেও রমজানে নিয়ম করে ইবাদত করার চেষ্টা করি। নিয়মিত তারাবির নামাজ পড়ি। আর আজকের রাতটা তো বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।’

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী

পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শবে কদরের রাতে দেশের অব্যাহত অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনা করে পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা জানাতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

তিনি বলেন, ‘আমাদের ক্ষণস্থায়ী জীবনে হাজার মাসের চেয়েও বেশি ইবাদতের নেকি লাভের সুযোগ এনে দেয় এই রাত। এই মহিমান্বিত রজনী সবার জন্য ক্ষমা, বরকত, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বয়ে আনুক মহান আল্লাহর দরবারে এ মোনাজাত করি।’

দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে পৃথিবীকে রক্ষায় আল্লাহর কাছে প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আসুন, আমরা সবাই এই মহিমান্বিত রজনীতে মহান আল্লাহতায়ালার দরবারে বিশেষভাবে ইবাদত ও প্রার্থনা করি যেন আল্লাহ বাংলাদেশের জনগণসহ বিশ্ববাসীকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্তি দেন।’

পবিত্র এই রজনীতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ ও মুসলিম জাহানের উত্তরোত্তর উন্নতি, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন:
শবে কদর ঘিরে আল-আকসায় লাখো মুসল্লি
পবিত্র শবে কদর আজ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Hajj flight is ready from 5th June

হজ ফ্লাইট ৫ জুন থেকেই, প্রস্তুত বিমান

হজ ফ্লাইট ৫ জুন থেকেই, প্রস্তুত বিমান
ফরিদুল হক খান বলেন, ‘আগামী ৫ জুন থেকে ফ্লাইট শুরু করতে আমরা বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ে পত্র দিয়েছি। ৩১ মের স্লট স্থানান্তর করে ৫ জুনে স্থানান্তর করা হয়েছে।’

হজ ফ্লাইট ৩১ মে উদ্বোধনের কথা থাকলেও তা থেকে সরে গিয়ে ৫ জুন প্রথম এবং সেদিন থেকেই নিয়মিত ফ্লাইটের কথা জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান।

সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মঙ্গলবার তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘আগামী ৫ জুন থেকে ফ্লাইট শুরু করতে আমরা বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ে পত্র দিয়েছি। ৩১ মের স্লট স্থানান্তর করে ৫ জুনে স্থানান্তর করা হয়েছে।’

গতকাল সোমবারও তিনি বলেছিলেন, ৩১ মে থেকে তারা হজের ফ্লাইট শুরু করবেন। সেদিন উদ্বোধনী একটা ফ্লাইট যাবে, তারপর নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে ৫ জুন থেকে।

বিষয়টি সবিস্তারে তুলে ধরে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান বলেন, ‘রুট টু মক্কা ইনিশিয়েটিভের আওতায় ২০২২ সালের পবিত্র হজে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবগামী শতভাগ হজযাত্রীর সৌদি আরবের ইমিগ্রেশন ঢাকায় সম্পন্ন হওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে। এ বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৩১ মে প্রথম হজ ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। এ লক্ষ্যে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

‘কিন্তু গতকাল রুট টু মক্কা ইনিশিয়েটিভ বাস্তবায়নকারী সৌদি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে এসে জানান যে রুট টু মক্কা ইনিশিয়েটিভের জন্য ৪০ জনের সৌদি টিম আগামী ২ জুনের আগে ঢাকায় এসে পৌঁছাতে পারবে না। প্রি-এরাইভাল ইমিগ্রেশন কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ডিভাইস বা যন্ত্রপাতি এখনো ঢাকায় এসে পৌঁছেনি। এসব ডিভাইস বা যন্ত্রপাতি সৌদি টিমের সঙ্গে ঢাকায় আসবে। এগুলো শাহজালালে ইনস্টল করতে কিছু সময় লাগবে। আগের সিদ্ধান্ত অনুসারে ৩১ মের প্রথম হজ ফ্লাইট শুরু করা হলে বাংলাদেশের হজযাত্রীদের প্রি-এরাইভাল ইমিগ্রেশন ঢাকায় সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না।’

তিনি বলেন, ‘সৌদি বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় হজচুক্তি অনুসারে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে হজে গমনকারী বাংলাদেশের সব হজযাত্রী ডেডিকেটেড হজ ফ্লাইটে সৌদি আরব গমন করবেন এবং একই সঙ্গে ঢাকায় তাদের প্রি-এরাইভাল ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করা হবে।

‘এ অবস্থায় ৩১ তারিখের পরিবর্তে আগামী ৫ জুন থেকে হজ ফ্লাইট শুরু করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে ইতোমধ্যে চিঠির মাধ্যমে অনুরোধ করা হয়েছে।’

প্রস্তুত বিমান

৫ জুন থেকে হজ ফ্লাইট শুরু করতে নিজেদের প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী।

মঙ্গলবার তিনি বলেন, ‘৫ জুন হজ ফ্লাইট চালু হলেও আমরা প্রস্তুত। আমাদের প্রস্তুতি আছে। যদি ৫ তারিখ থেকে হয় করতে পারব। ৩১ মের জন্যও আমরা প্রস্তুত আছি। আমাদের এন্ড থেকে আমরা প্রস্তুত।’

স্বাভাবিক সময়ে প্রতি বছর সারা বিশ্বের ২০ থেকে ২৫ লাখ মুসল্লি পবিত্র হজ পালনের সুযোগ পেয়ে থাকেন। কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে গত দুই বছর সৌদি আরবের বাইরের কেউ হজ করার সুযোগ পাননি। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সৌদি সরকার এবার সারা বিশ্বের ১০ লাখ মানুষকে হজ পালনের অনুমতি দিচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে এ বছর সাড়ে ৫৭ হাজার মুসল্লি হজব্রত পালনে সৌদি আরবে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৪ হাজার মুসল্লি। বাকিরা যাবেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়।

এবার সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজটি হলো ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৪০ টাকা। সর্বনিম্নটি ৪ লাখ ৬২ হাজার ১৫০ টাকার।

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে জনপ্রতি ন্যূনতম খরচ ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭৪৪ টাকা নির্ধারণ করেছে হজ এজেন্সিস অফ বাংলাদেশ (হাব)।

এবার হজ হতে পারে ৮ জুলাই (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে)। সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ৫৭ হাজার হজযাত্রীর অর্ধেক বহন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বাকি অর্ধেক করবে সৌদি রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনস ও ফ্লাই নাস।

রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান এ বছর ৭৫টি ডেডিকেটেড ফ্লাইটের মাধ্যমে ৩১ হাজার যাত্রী বহন করবে। যাত্রী পরিবহনে বিগত বছরগুলোর মতোই বহরে থাকা বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে।

আরও পড়ুন:
লক্ষ্য এবারও মৌসুমের প্রথম হজ ফ্লাইট পরিচালনা
হাজিদের সেবায় সৌদি যাচ্ছেন ৫৩২ কর্মকর্তা
ড্রুক এয়ারের ঢাকা-পারো ফ্লাইট শুরু ১ জুলাই
হজ কারিগরি দল গঠন
হজ নিবন্ধনের সময় বাড়ল

মন্তব্য

জীবনযাপন
Letter to start Hajj flight on 5th June

৫ জুন হজ ফ্লাইট শুরু করতে চিঠি

৫ জুন হজ ফ্লাইট শুরু করতে চিঠি ফাইল ছবি
প্রায় দুই বছর পর এবার বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে হজ পালনের সুযোগ পাচ্ছেন মুসল্লিরা। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সৌদি সরকার এবার সারা বিশ্বের ১০ লাখ মানুষকে হজ পালনের অনুমতি দিচ্ছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষ প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারেনি জানিয়ে আগামী ৫ জুন থেকে চলতি মৌসুমের হজ ফ্লাইট শুরু করতে বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

সোমবার বিমান সচিবের কাছে এই চিঠি পাঠানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, ‘রুট টু মক্কা ইনিশিয়েটিভ’র আওতায় এবারের হজে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবগামী শতভাগ হজযাত্রীর সৌদি আরবের ইমিগ্রেশন ঢাকায় সম্পন্ন হওয়ার কথা।

কিন্তু সোমবার রুট টু মক্কা ইনিশিয়েটিভ বাস্তবায়নকারী সৌদি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে এসে জানায়, ৪০ জনের সৌদি টিম ঢাকায় আগামী ২ জুনের আগে পৌঁছাতে পারবে না।

চিঠিতে বলা হয়, প্রি-অ্যারাইভাল ইমিগ্রেশন কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ডিভাইস/যন্ত্রপাতি এখনও ঢাকায় এসে পৌঁছায়নি। এ সব ডিভাইস/যন্ত্রপাতি সৌদি টিমের সঙ্গে ঢাকায় আসবে। এগুলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইনস্টল করতে হবে। এতে কিছু সময় লাগবে।

এতে বলা হয়, ফলে আগামী ৫ তারিখের আগে তাদের পক্ষে ঢাকা থেকে হজযাত্রীদের প্রি-অ্যারাইভাল ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না। এ কারণে ৩১ মের পরিবর্তে আগামী ৫ জুন থেকে হজ ফ্লাইট শুরু করা প্রয়োজন।

প্রায় দুই বছর পর এবার বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে হজ পালনের সুযোগ পাচ্ছেন মুসল্লিরা। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সৌদি সরকার এবার সারা বিশ্বের ১০ লাখ মানুষকে হজ পালনের অনুমতি দিচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে এ বছর সাড়ে ৫৭ হাজার মুসল্লি হজ পালনে সৌদি আরবে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৪ হাজার মুসল্লি। বাকিরা যাবেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়।

এবার সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজটি হলো ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৪০ টাকা। সর্বনিম্নটি ৪ লাখ ৬২ হাজার ১৫০ টাকার।

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে জনপ্রতি ন্যূনতম খরচ ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭৪৪ টাকা নির্ধারণ করেছে হজ এজেন্সিস অফ বাংলাদেশ (হাব)।

এবার হজ হতে পারে ৮ জুলাই (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে)। সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ৫৭ হাজার হজযাত্রীর অর্ধেক বহন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বাকি অর্ধেক করবে সৌদি রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনস ও ফ্লাই নাস।

রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান এ বছর ৭৫টি ডেডিকেটেড ফ্লাইটের মাধ্যমে ৩১ হাজার যাত্রী বহন করবে। যাত্রী পরিবহনে বগত বছরগুলোর মতই বহরে থাকা বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে।

আরও পড়ুন:
দুই বছর পর রং চড়ছে আশকোনার হজক্যাম্পে
হজের নিয়মিত ফ্লাইট ৫ জুন থেকে
ডেডিকেটেড ফ্লাইটে হজযাত্রী পরিবহনের নির্দেশ

মন্তব্য

জীবনযাপন
After two years the Hajj camp in Ashkona is in full swing

দুই বছর পর রং চড়ছে আশকোনার হজক্যাম্পে

দুই বছর পর রং চড়ছে আশকোনার হজক্যাম্পে রোববার দুপুরে রাজধানীর আশকোনার হজক্যাম্পে গিয়ে দেখা যায়, ভেতরে ধোয়া-মোছার কাজ করছেন শ্রমিকরা। ছবি: নিউজবাংলা
৩১ মে থেকে হজযাত্রা শুরু হবে। তাই ঢাকার হজক্যাম্পে এখন ব্যাপক প্রস্তুতি। রোববার দুপুরে হজ ক্যাম্পে গিয়ে দেখা যায়, ভেতরে ধোয়া-মোছার কাজ করছেন শ্রমিকরা। কেউ কেউ রং করছেন দেয়ালে। কেউবা বাথরুম ঠিক করছেন। কয়েকজনকে দেখা যায় দেয়ালে প্লাস্টার করতে।

করোনা মহামারির কারণে গত দুই বছর হজযাত্রা বন্ধ ছিল। তাই কোনো ব্যস্ততা ছিল না রাজধানীর আশকোনার হজক্যাম্পে। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। এবার বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নিচ্ছেন হজযাত্রায়।

আর কয়েক দিন পরই শুরু হবে হজ ফ্লাইট। তাই ধুয়ে-মুছে সাফসুতরো করার কাজ চলছে হজক্যাম্পে।

রোববার দুপুরে হজক্যাম্পে গিয়ে দেখা যায়, ভেতরে ধোয়া-মোছার কাজ করছেন শ্রমিকরা। কেউ কেউ রং করছেন দেয়ালে। কেউবা বাথরুম ঠিক করছেন। কয়েকজনকে দেখা যায় দেয়ালে প্লাস্টার করতে।

সেখানে কাজ করা শ্রমিক আব্দুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘১২ থেকে ১৪ দিন ধরে এখানে সব ধরনের স্যানিটারির কাজ করছি। এই কাজ করছেন ৬০ জনের বেশি শ্রমিক। দুই দলে ভাগ হয়ে কাজ করছি। দুই-এক দিনের মধ্যেই কাজ শেষ হবে আমাদের। ক্যাম্পের ভেতরে সব রুম, বাথরুম থেকে শুরু করে পুরা হজক্যাম্প পরিপাটি করা হচ্ছে।’

দুই বছর পর রং চড়ছে আশকোনার হজক্যাম্পে

রাজধানীর আশকোনার হজ ক্যাম্প। ছবি: নিউজবাংলা

হজযাত্রীদের সেবা দিতে সৌদি আরব যাচ্ছেন ৫৩২ কর্মকর্তা-কর্মচারী। স্বাভাবিক সময়ে প্রতি বছর ২০ থেকে ২৫ লাখ মুসল্লি পবিত্র হজ পালনের সুযোগ পেয়ে থাকেন। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে গত দুই বছর সৌদি আরবের বাইরের কেউ হজ করার সুযোগ পাননি। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সৌদি সরকার এবার সারা বিশ্বের ১০ লাখ মানুষকে হজ পালনের অনুমতি দিচ্ছে।

এবার সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজটি হলো ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৪০ টাকা। আর সর্বনিম্নটি হলো ৪ লাখ ৬২ হাজার ১৫০ টাকা।

প্রথম হজ ফ্লাইট ৩১ মে ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার কথা। শুরুর ফ্লাইটে ৪১৯ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যাওয়ার কথা রয়েছে।

হজের সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে যুগ্ম সচিব ও হজ অফিস ঢাকার পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এ বছর ৫৩ হাজার ৫৮৫ জন হজযাত্রী বেসরকারিভাবে এবং ৪ হাজার সরকারিভাবে হজে যাচ্ছেন। আমাদের সময় যেহেতু অল্প, তাই অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। সেই চ্যালেঞ্জগুলোকে পাশে রেখেই কাজগুলো আমাদের করতে হচ্ছে। আশা করছি সময়মতো সব কিছু আমরা শেষ করতে পারব। এরই মধ্যে নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যাও প্রায় সব পেয়ে গেছি।’

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীরা জুন মাসের ১০ তারিখ থেকে যাবেন। এর আগের কয়েক দিনে সরকারি ব্যবস্থাপনার হজ যাত্রীরা যাবেন বলে জানান সাইফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘হজক্যাম্পকে আগের থেকে অনেক পরিপাটি করা হয়েছে। আমাদের মসজিদে এসি ছিল না। ডরমেটরিতে এসি ছিল না। গরমের কথা বিবেচনা করে আমরা চিন্তা করছি এসি না থাকলে সম্মানিত হজযাত্রীরা কষ্ট পাবেন। এ জন্য আমরা সব ব্যবস্থা করেছি।

দুই বছর পর রং চড়ছে আশকোনার হজক্যাম্পে

করোনা মহামারির কারণে গত দুই বছর হজযাত্রা বন্ধ থাকার পর এবার বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নিচ্ছেন হজযাত্রায়। তাই রাজধানীর আশকোনা হজক্যাম্পে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। হজক্যাম্পের ভেতরে ধোয়া-মোছার কাজ করছেন শ্রমিকরা। ছবি: নিউজবাংলা

‘বাংলাদেশ বিমানের হজযাত্রীরা শুধু এখানে বোডিং কার্ড নিতেন এবং ইমিগ্রেশন হতো। এখন সৌদি এয়ারলাইনসের যাত্রীরাও এখানে আসবেন। এখানে চেকিং হবে। তারা বোর্ডিং কার্ড নেবেন এবং ইমিগ্রেশন হবে। সে জন্য এখানে যা যা করা দরকার, স্থাপনা করা দরকার সব করেছি। চট্টগ্রাম ও সিলেট বাদে আমাদের এখান থেকে যত যাত্রী ফ্লাই করবেন, সবাইকে আমরা ইনস্টিটিউটের আওতায় আনতে পারব। তিনটি এয়ারলাইনসেই এখান থেকে হজযাত্রীদের চেকিং, ইমিগ্রেশন হবে।’

হজযাত্রীরা ঢাকার হজক্যাম্পে কবে থেকে আসা শুরু করবেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘৩১ মে ফ্লাইট শুরু হওয়ায় ঢাকার বাইরের যাত্রীদের তিন দিন আগে আসার জন্য আমরা অনুরোধ করব। ঢাকার হাজিদের আমরা বলে থাকি ফ্লাইট ছাড়ার সাত-আট ঘণ্টা আগে এলেই চলবে। আশা করছি হজযাত্রীরা ২৮ মে বিকেলে অথবা ২৯ মে সকাল থেকে আসা শুরু করবেন। তাদের থাকার জন্য সকল ধরণের প্রস্তুতি আমাদের আছে। আমাদের এখানে দুটা ক্যান্টিন আছে। সেখানে তারা নিজ ব্যবস্থাপনায় খাবেন।’

এবার হজ হতে পারে ৮ জুলাই (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে)। সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ৫৭ হাজার হজযাত্রীর অর্ধেক পরিবহন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বাকি অর্ধেক বহন করবে সৌদি রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনস ও ফ্লাই নাস।

রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান এ বছর ৭৫টি ডেডিকেটেড ফ্লাইটের মাধ্যমে ৩১ হাজার যাত্রী বহন করবে। যাত্রী পরিবহনে বিগত বছরগুলোর মতোই বহরে থাকা বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে।

আরও পড়ুন:
হজযাত্রীদের প্যাকেজ নির্বাচনের সময় বাড়ল
হজ নিবন্ধনের সময় বাড়ল
দরপত্রে ‘কারসাজি করে’ ট্রেনের টিকিট ব্যবস্থাপনায় সহজ
হজযাত্রীদের স্বার্থে শনিবার ব্যাংক খোলা
হজযাত্রীদের পাসপোর্টের মেয়াদ থাকতে হবে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত

মন্তব্য

জীবনযাপন
Regular Hajj flights from 5 June

হজের নিয়মিত ফ্লাইট ৫ জুন থেকে

হজের নিয়মিত ফ্লাইট ৫ জুন থেকে
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান বলেন, ‘আজকে (সোমবার) সৌদি সরকারের কর্মকর্তারা আমাদের এখানে এসেছিলেন। আমাদের একটি মিটিং হয়েছে। আমরাও একটি মিটিং করব, এরপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’

চলতি মৌসুমের হজ ফ্লাইট ৩১ মে উদ্বোধন হলেও নিয়মিত ফ্লাইট শুরু হচ্ছে আরও দেরিতে। তাই অপেক্ষা করতে হবে হজ যাত্রীদের। ৫ জুন থেকে নিয়মিত হজ ফ্লাইট শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান।

অবশ্য সূচি চূড়ান্ত না হলেও আগামীকাল মঙ্গলবার তা চূড়ান্ত হবে বলে জানান তিনি।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আজকে (সোমবার) সৌদি সরকারের কর্মকর্তারা আমাদের এখানে এসেছিলেন। আমাদের একটি মিটিং হয়েছে। আমরাও একটি মিটিং করব, এরপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

‘৫ জুন থেকে ফ্লাইট হবেই। আমাদের একটি বিষয় ঠিক করা আছে যে, ৩১ মে প্রথম ফ্লাইট করব; আর ৫ জুন থেকে বাকি ফ্লাইটগুলো শুরু করব।’

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও বলছেন, চূড়ান্ত ফ্লাইট শুরু হতে পারে ৫ জুন থেকে।

প্রায় দুই বছর পর এবার বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে হজ পালনের সুযোগ পাচ্ছেন মুসল্লিরা। এবার হজ মৌসুমে সৌদি আরবে হজযাত্রীদের নিয়ে হাজির হওয়া প্রথম ফ্লাইট হতে চায় বাংলাদেশ। সে লক্ষ্য নিয়ে এগোনোর কথা জানায় ধর্ম মন্ত্রণালয়।

২০১৫ সালে মৌসুমের প্রথম হজ ফ্লাইট পরিচালনা করে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

এরই মধ্যে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রস্তাবিত হজ সূচিতে অনুমোদনও দিয়েছে সৌদি সরকার।

উদ্বোধনী ফ্লাইটের পর আরও কিছু সময় চূড়ান্ত ফ্লাইটের জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে এমন ধারণা দিয়েছে বিমান কর্তৃপক্ষও।

বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু সালেহ মোস্তফা কামাল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা ৩১ মের উদ্বোধনী ফ্লাইটের জন্য প্রস্তুত আছি। তারপরও যেভাবে ধর্ম মন্ত্রণালয় আমাদের বলেছে যে, গ্যাপ দিয়ে মনে হয় বাকিগুলো করতে পারবে, আমরা সেভাবেই ঠিক রেখেছি। আমাদের দিক থেকে প্রস্তুত আছি।

‘আমরা যেভাবে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কাছে ফ্লাইট চেয়েছি বা বলেছি, সেভাবেই অনুমোদন পাওয়া গেছে। আমরা অনুমোদিত সিডিউল পেয়েছি, আমরা আমাদের দিক থেকে প্রস্তুত আছি।’

স্বাভাবিক সময়ে প্রতি বছর সারা বিশ্বের ২০ থেকে ২৫ লাখ মুসল্লি পবিত্র হজ পালনের সুযোগ পেয়ে থাকেন। কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে গত দুই বছর সৌদি আরবের বাইরের কেউ হজ করার সুযোগ পাননি। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সৌদি সরকার এবার সারা বিশ্বের ১০ লাখ মানুষকে হজ পালনের অনুমতি দিচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে এ বছর সাড়ে ৫৭ হাজার মুসল্লি হজব্রত পালনে সৌদি আরবে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৪ হাজার মুসল্লি। বাকিরা যাবেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়।

এবার সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজটি হলো ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৪০ টাকা। সর্বনিম্নটি ৪ লাখ ৬২ হাজার ১৫০ টাকার।

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে জনপ্রতি ন্যূনতম খরচ ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭৪৪ টাকা নির্ধারণ করেছে হজ এজেন্সিস অফ বাংলাদেশ (হাব)।

এবার হজ হতে পারে ৮ জুলাই (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে)। সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ৫৭ হাজার হজযাত্রীর অর্ধেক বহন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বাকি অর্ধেক করবে সৌদি রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনস ও ফ্লাই নাস।

রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান এ বছর ৭৫টি ডেডিকেটেড ফ্লাইটের মাধ্যমে ৩১ হাজার যাত্রী বহন করবে। যাত্রী পরিবহনে বিগত বছরগুলোর মতোই বহরে থাকা বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে।

আরও পড়ুন:
ডেডিকেটেড ফ্লাইটে হজযাত্রী পরিবহনের নির্দেশ
হজযাত্রীদের প্যাকেজ নির্বাচনের সময় বাড়ল
লক্ষ্য এবারও মৌসুমের প্রথম হজ ফ্লাইট পরিচালনা
হাজিদের সেবায় সৌদি যাচ্ছেন ৫৩২ কর্মকর্তা
ড্রুক এয়ারের ঢাকা-পারো ফ্লাইট শুরু ১ জুলাই

মন্তব্য

জীবনযাপন
The Muslim MLA played the chewed sweets of the Dalit priest

দলিত পুরোহিতের চিবানো মিষ্টি খেলেন মুসলিম বিধায়ক

দলিত পুরোহিতের চিবানো মিষ্টি খেলেন মুসলিম বিধায়ক বিধানসভার সদস্য জামির আহমেদের অনুরোধে নিজের চিবানো মিষ্টি এমএলএ-র মুখে পুড়ে দেন দলিত পুরোহিত। ছবি: এনডিটিভি
ভারতে হিন্দু-মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ইস্যুগুলোকে উসকে দিয়ে ফায়দা আদায় করা রাজনীতিকদের উদ্দেশ করে বিধায়ক জামির আহমেদ খান বলেন, ‘বিভিন্ন ধর্মীয় উগ্রবাদী দল ভারতের মাটিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’

সম্প্রীতি আর ভ্রাতৃত্বের বার্তা দিতে এবার দলিত পুরোহিতের চিবানো মিষ্টি হাসিমুখে খেয়ে নিলেন ভারতের এক মুসলিম রাজনীতিবিদ।

বেঙ্গালুরুর চামরাজপেট আসনের বিধায়ক (এমএলএ) জামির আহমেদ খান রোববার দলিত সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব আম্বেদকর জয়ন্তী এবং মুসলমানদের ঈদে মিলন উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন।

সেখানে বক্তব্য দেয়ার মাঝে একটি মিষ্টি তিনি তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা পুরোহিতকে খাইয়ে দেন। এরপর পুরোহিতকে চিবানো মিষ্টি মুখ থেকে বের করে তার মুখে দেয়ার অনুরোধ করেন এমএলএ নিজেই।

এতে পুরোহিত কিছুটা ঘাবড়ে গেলেও দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ বিধানসভার সদস্যের অনুরোধে নিজের চিবানো মিষ্টি পুড়ে দেন এমএলএ-র মুখে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভ্রাতৃত্বের বন্ধন তুলে ধরতে বিধায়কের এমন দৃষ্টান্তমূলক সম্প্রীতির ভিডিও এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

ভারতে হিন্দু-মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ইস্যুগুলোকে উসকে দিয়ে ফায়দা আদায় করা রাজনীতিকদের উদ্দেশ করে বিধায়ক জামির আহমেদ খান বলেন, ‘বিভিন্ন ধর্মীয় উগ্রবাদী দল ভারতের মাটিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’

চারবারের বিধায়ক জামির খান এর আগে খাদ্য ও নাগরিক অধিকার, ভোক্তা অধিকার এবং সংখ্যালঘুদের কল্যাণবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আরও পড়ুন:
ধর্মান্ধতার অন্ধকার ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ
সামাজিক সম্প্রীতি কমায় ধর্মান্ধরা সুযোগ নিচ্ছে

মন্তব্য

জীবনযাপন
Instructions for transporting pilgrims on dedicated flights

ডেডিকেটেড ফ্লাইটে হজযাত্রী পরিবহনের নির্দেশ

ডেডিকেটেড ফ্লাইটে হজযাত্রী পরিবহনের নির্দেশ ডেডিকেটেড ফ্লাইটের মাধ্যমে হজযাত্রী পরিবহনে বিমানকে নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। ফাইল ছবি
সভায় বিমানকে ফ্লাইট বিপর্যয় ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। । পাশাপাশি হজযাত্রী পরিবহনে সম্ভাব্য সব ফ্লাইট ডেডিকেটেড হতে হবে বলে নির্দেশ দেয়া হয়।

চলতি বছরের হজযাত্রা ঝামেলাহীন করতে ডেডিকেটেড ফ্লাইটের মাধ্যমে হজযাত্রী পরিবহনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

সম্প্রতি হজ ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত পর্যালোচনায় এক সভা থেকে এ নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আহমদ কায়কাউস।

এটি ছাড়াও সভায় আরও আটটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ হজসংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও হজ এজেন্সিগুলোর সংগঠন হাবকে সিদ্ধান্তগুলো জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

সভায় বিমানকে ফ্লাইট বিপর্যয় ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি হজযাত্রী পরিবহনে সম্ভাব্য সব ফ্লাইট ডেডিকেটেড হতে হবে বলে নির্দেশ দেয়া হয়।

হজযাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে সব এয়ারলাইনসকে রুট-টু-মক্কা ইনিশিয়েটিভের বাধ্যবাধকতা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, হজযাত্রীদের সব ইমিগ্রেশন হজ ক্যাম্পেই করতে হবে। এ লক্ষ্যে হজ ক্যাম্পে প্রয়োজনীয়সংখ্যক বুথ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত হিসেবে বিমানবন্দরে দুটি বুথ স্থাপন করতে হবে।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, সুষ্ঠুভাবে ইমিগ্রেশন সম্পন্নের জন্য ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে হজযাত্রীদের প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে অগ্রিম সরবরাহ করতে হবে। হজযাত্রীদের আরটি-পিসিআর সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের জন্য ডেডিকেটেড হাসপাতাল নির্ধারণসহ ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, হজযাত্রীদের কোভিড-১৯ টিকা নেয়া সংক্রান্ত সুরক্ষা অ্যাপে থাকা তথ্যপ্রাপ্তি হজ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পৃক্ত যথাযথ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সহজলভ্য করার লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।

সিদ্ধান্তের মধ্যে আরও রয়েছে, হজযাত্রীদের যাতে কোনো কষ্ট না হয় সে লক্ষ্যে হজ ক্যাম্পে সব সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে সার্বক্ষণিক সেবাদান কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে। এয়ারপোর্ট থেকে হজ ক্যাম্পে যাতায়াতের রাস্তা সচল ও বাধাহীন রাখতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

২০২২ সালের হজ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা সংস্থা কর্তৃক নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে প্রতিপালন করতে হবে।

সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৩১ মে থেকে শুরু হচ্ছে এ বছরের হজ ফ্লাইট। স্বাভাবিক সময়ে প্রতি বছর সারা বিশ্বের ২০ থেকে ২৫ লাখ মুসল্লি পবিত্র হজ পালনের সুযোগ পেয়ে থাকেন। কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে গত দুই বছর সৌদি আরবের বাইরের কেউ হজ করার সুযোগ পাননি। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সৌদি সরকার এবার সারা বিশ্বের ১০ লাখ মানুষকে হজ পালনের অনুমতি দিচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে এ বছর সাড়ে ৫৭ হাজার মুসল্লি হজব্রত পালনে সৌদি আরবে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৪ হাজার মুসল্লি। বাকিরা যাবেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়।

এবার সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজটি হলো ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৪০ টাকা। সর্বনিম্নটি হলো ৪ লাখ ৬২ হাজার ১৫০ টাকা। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে জনপ্রতি ন্যূনতম খরচ ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭৪৪ টাকা নির্ধারণ করেছে হজ এজেন্সিস অব বাংলাদেশ (হাব)।

এবার হজ হতে পারে ৮ জুলাই (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে)। সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ৫৭ হাজার হজযাত্রীর অর্ধেক করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বাকি অর্ধেক বহন করবে সৌদি রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনস ও ফ্লাই নাস।

রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান এ বছর ৭৫টি ডেডিকেটেড ফ্লাইটের মাধ্যমে ৩১ হাজার যাত্রী বহন করবে। যাত্রী পরিবহনে বিগত বছরগুলোর মতোই বহরে থাকা বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে।

আরও পড়ুন:
হজযাত্রীদের প্যাকেজ নির্বাচনের সময় বাড়ল
লক্ষ্য এবারও মৌসুমের প্রথম হজ ফ্লাইট পরিচালনা
হাজিদের সেবায় সৌদি যাচ্ছেন ৫৩২ কর্মকর্তা
হজ কারিগরি দল গঠন

মন্তব্য

জীবনযাপন
Hajj package selection time increased

হজযাত্রীদের প্যাকেজ নির্বাচনের সময় বাড়ল

হজযাত্রীদের প্যাকেজ নির্বাচনের সময় বাড়ল প্রতীকী ছবি
সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-১-এর নিবন্ধন কার্যক্রম ২২ মে সন্ধ্যায় বন্ধ করা হয়েছে। শূন্য কোটা পূরণের জন্য সরকারঘোষিত হজ প্যাকেজ অনুযায়ী বর্ধিত সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের প্যাকেজ নির্বাচন, নিবন্ধন স্থানান্তর ও নিবন্ধনের সময় আরও দুই দিন বাড়িয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

রোববার রাতে মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-১-এর নিবন্ধন কার্যক্রম ২২ মে সন্ধ্যায় বন্ধ করা হয়েছে। শূন্য কোটা পূরণের জন্য সরকারঘোষিত হজ প্যাকেজ অনুযায়ী বর্ধিত সময়সূচি ঘোষণা করা হলো।

নিবন্ধনের অর্থ পরিশোধে বর্ধিত সময়ের শুরু ২৩ মে। বর্ধিত সময়ের শেষ হবে ২৪ মে (ব্যাংকিং সময় পর্যন্ত)।

বর্ধিত সময়ে প্রাক-নিবন্ধনের ক্রমিক ২৫ হাজার ৯২৫ থেকে ২৭ হাজার ১০৫ পর্যন্ত হজযাত্রীরা নিবন্ধনের আওতায় আসবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এ সময়ে নিবন্ধনকারী ব্যক্তিরা শুধু সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-২-এর অধীনে নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন।

বাংলাদেশ থেকে এ বছর সাড়ে ৫৭ হাজার মুসল্লি হজব্রত পালনে সৌদি আরবে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৪ হাজার মুসল্লি। বাকিরা যাবেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়।

স্বাভাবিক সময়ে প্রতি বছর সারা বিশ্বের ২০ থেকে ২৫ লাখ মুসল্লি পবিত্র হজ পালনের সুযোগ পেয়ে থাকেন, কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে গত দুই বছর সৌদি আরবের বাইরের কেউ হজ করার সুযোগ পাননি।

পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সৌদি সরকার এবার সারা বিশ্বের ১০ লাখ মানুষকে হজ পালনের অনুমতি দিচ্ছে।

আরও পড়ুন:
হজযাত্রীদের স্বার্থে শনিবার ব্যাংক খোলা
হজযাত্রীদের পাসপোর্টের মেয়াদ থাকতে হবে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত
ডেডিকেটেড ফ্লাইট ছাড়া ঢাকায় ইমিগ্রেশন হবে না: হাব
বেসরকারিভাবে হজের ন্যূনতম খরচ ৪ লাখ ৬৪ হাজার
হজযাত্রা: হাবের প্যাকেজ ঘোষণা আজ

মন্তব্য

p
উপরে