× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

জীবনযাপন
There are no mosquitoes in that country
hear-news
player

যে দেশে নেই মশা

যে-দেশে-নেই-মশা--- বিশ্বের একমাত্র দেশ আইসল্যান্ড, যেখানে নেই মশার উৎপাত। ছবি: সংগৃহীত
আইসল্যান্ডে বছরে তিনবার ভয়াবহ শীত নামে। এই শীতল আবহাওয়া মশার বংশবিস্তারের বিরুদ্ধে। এ কারণে মশারা এই অঞ্চলে টিকে থাকতে পারে না।

তারা আপনার রক্ত ​​চুষে নেয়, কানের পাশে বিরক্তিকর গুঞ্জন করে। তাদের কামড় আপনার বারবিকিউ পার্টিকে করে তুলতে পারে দুর্বিষহ কিংবা জঙ্গলে হাঁটাচলায় ঘটাতে পারে বিঘ্ন। সবচেয়ে বড় কথা তাদের কামড়ে নানা রোগ ছড়ায়, এগুলোর কিছু প্রাণঘাতী।

যাদের কথা বলা হচ্ছে তাদের সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী এই পতঙ্গের নাম মশা। বিশ্বের সব জায়গায় দাপিয়ে বেড়ায় এরা, কেবল একটি অঞ্চল ছাড়া। সেই জায়গাটি হলো নর্ডিক অঞ্চলের দেশ আইসল্যান্ড

কিন্তু কেন এই অঞ্চলে মশার তাণ্ডব নেই। এর উত্তর, দেশটির আবহাওয়া। আইসল্যান্ডের আবহাওয়া এত বেশি প্রতিকূল যে মশার টিকে থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই সেখানে।

মশার বংশ বিস্তারের জন্য উষ্ণতার দরকার। যেসব অঞ্চলের আবহাওয়ায় উষ্ণতা যত বেশি, সেসব অঞ্চলে মশাদের উৎপাতও তত বেশি।

পৃথিবীর উষ্ণতম মহাদেশগুলোর একটি আফ্রিকা। আর তাই এ মহাদেশে মশার বিস্তার খুব বেশি। মশাবাহিত নানা রোগের প্রকোপও এই অঞ্চলে বেশি।

অন্যদিকে আইসল্যান্ডে বছরে তিনবার ভয়াবহ শীত নামে। এই শীতল আবহাওয়া মশার বংশবিস্তারের বিরুদ্ধে। এ কারণে মশারা এই অঞ্চলে টিকে থাকতে পারে না।

এ ছাড়া মশার বংশবিস্তারের জন্য প্রয়োজন জলাশয়। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, আইসল্যান্ডের জলাশয়ে রাসায়নিকের যে অনুপাত আছে, তা মশার বংশবৃদ্ধিকে দারুণ চ্যালেঞ্জে ফেলে।

মশার ডিম থেকে লার্ভা, লার্ভা থেকে মূককীট, মূককীট থেকে পরিণত বাচ্চা– এই চক্রের জন্য সময় ও নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পাশাপাশি প্রয়োজন বদ্ধ জলাশয়। আইসল্যান্ডে স্রোতহীন বদ্ধ জলাশয় নেই বললেই চলে। এ ছাড়া ভয়াবহ শীতে জলাশয়ের পানি বরফে পরিণত হয়। এতে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটার প্রক্রিয়াটি চরমভাবে ব্যাহত হয়।

শীতের তীব্রতায় আইসল্যান্ডে মশার বংশবৃদ্ধি করতে না পারলেও, ইউরোপের অনেক শীতপ্রধান দেশে মশারা সাবলীল।

আইসল্যান্ডের পাশের দেশ গ্রিনল্যান্ডে যখন শীত শুরু হয়, তখন শীতনিদ্রায় থাকে মশারা। শীত শেষে বরফ গলা শুরু হলে, তারা ডিম পাড়তে শুরু করে। আইসল্যান্ডের মতো এখানে শীত শেষ হওয়ার পর আবার হঠাৎ করে শীত চলে আসে না। তাই গ্রিনল্যান্ডে বাচ্চা ফোটানোর চক্র পূর্ণ করতে পারে মশা।

যে দেশে নেই মশা
আইসল্যান্ডের তীব্র ঠান্ডা মশার বংশবিস্তারের প্রধান বাধা। ছবি: সংগৃহীত

এ জন্য পৃথিবীর একমাত্র দেশ হিসেবে আইসল্যান্ডে মশার বংশবিস্তার না ঘটলেও, ইউরোপ ও অন্যান্য শীতপ্রধান দেশে মশার বংশবৃদ্ধি ঠিকই চলে।

তবে এই অবস্থা হয়তো বেশি দিন থাকবে না। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বদলে যাচ্ছে পৃথিবীর আবহাওয়া। গত ২০ বছরে আইসল্যান্ডের গড় তাপমাত্রা প্রায় ২ ডিগ্রি ফারেনহাইট বেড়েছে। আর এই সময়ে দেশটিতে প্রায় ২০০ প্রজাতির নতুন কীটপতঙ্গ আবাস গেড়েছে।

আইসল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞানী গিসলি মার গিসলাসন বলেন, ‘বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বন্ধ না করা গেলে অচিরেই আইসল্যান্ডে বসতি গড়বে মশারা। বাকি বিশ্বের মতো তারা সবার জন্য একটি উপদ্রব হয়ে দাঁড়াবে।

আইসল্যান্ডে যে একেবারে মশা নেই তা ঠিক না। আইসল্যান্ডিক ইনস্টিটিউট অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রিতে গেলে দেখা মিলবে মশার। ১৯৮০ সাল থেকে অ্যালকোহলের বোতলে সংরক্ষিত আছে মশাটি। গ্রীনল্যান্ড থেকে ফেরা একটি বিমান থেকে এটিকে আটক করেছিলেন গিসলাসন।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় ৪ শতাংশের বেশি বাড়িতে এডিস লার্ভা
শাহজালাল বিমানবন্দরে মশা ও লার্ভার ঘনত্ব নির্ণয়ের নির্দেশ
খুলনায় মশক নিধন কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ
মশার উপদ্রব: খুলনায় মশারি মিছিল-সমাবেশ
হাসপাতালে মশার উৎপাতে অতিষ্ঠ রোগী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
There is no caste in love

ভালোবাসায় নেই জাতপাত

ভালোবাসায় নেই জাতপাত চীনের একটি চিড়িয়াখানার এই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল। ছবি: টুইটার
ভিডিওতে দেখা যায়, চীনের চিড়িয়াখানায় একটি ল্যাব্রাডর কুকুর পরম যত্নে আগলে রাখছে তিনটি বাঘ শাবককে। শাবকগুলো কুকুরটিকে ঘিরে খেলছে।

সব সীমা অতিক্রম করতে পারে ভালোবাসা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে আবারও বিষয়টি প্রমাণ হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, চীনের একটি চিড়িয়াখানায় একটি ল্যাব্রাডর কুকুর পরম যত্নে আগলে রাখছে তিনটি বাঘ শাবককে। শাবকগুলো কুকুরটিকে ঘিরে খেলছে।

শাবকগুলোর জন্মের পর তাদের মা সেগুলোকে ছেড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে এগিয়ে আসে কুকুরটি। তাদের সম্পর্ক দেখে মনে হতে পারে, জাতপাত তো দূরের কথা, ‘মায়ের’ ভালোবাসার কাছে কুকুর-বাঘের কোনো ভেদাভেদ নেই।

‘এ পিস অফ নেচার’ টুইটারে এই দৃশ্যটি শেয়ার করে রোববার। মূল ডিভিওটি ২৭ এপ্রিল ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা হয়েছিল।

ভালোবাসার এমন দৃশ্যে আপ্লুত টুইটার ব্যবহারকারীরা। একজন লিখেছেন, ‘ল্যাব্রাডর কুকুরগুলো সত্যিই আশীর্বাদ।’

ইনস্টাগ্রামে একজন লিখেছেন, ‘তারা তাদের নতুন মাকে ভালোবাসে… তাদের বড় হতে দিন।’

আরেকজন লিখেছেন, ‘বাঘ এবং কুকুর। ভিন্ন প্রজাতি, কিন্তু ভালোবাসা একই থাকে।’

স্ত্রী বাঘ তার শাবক ত্যাগ করা নতুন ঘটনা নয়। ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটির (এনটিসিএ) স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) বলছে, একটা মা বাঘের শাবক ত্যাগ করার অনেক কারণ থাকে।

তারা বলছে, প্রথম কারণ হলো মা বাঘের মৃত্যু। এ ছাড়া দুর্বল, অক্ষম, আহত বা অসুস্থ হলে মা বাঘ শাবককে ত্যাগ করে। আবার কিছু স্ত্রী বাঘ আঘাতের কারণে শাবকদের খাওয়াতে পারে না বলে শাবককে ছেড়ে চলে যায়।

সাইবেরিয়ার গত বছর একটি রটওয়েলার কুকুর ও পরিত্যক্ত কালো চিতার গল্প ভাইরাল হয়েছিল।

লুনা নামের সেই চিতার জন্ম হয়েছিল একটি চলমান চিড়িয়াখানায়। জন্মের এক সপ্তাহ পর শাবকটিকে প্রত্যাখ্যান করেছিল তার মা। উপায় না দেখে কর্তৃপক্ষ হাজির হয় বন্য বিড়াল পুনর্বাসন বিশেষজ্ঞ ভিক্টোরিয়ার কাছে।

ভিক্টোরিয়া চিতা শাবকটিকে তার বাড়িতে নিয়ে যান। ভেনজা নামে তার রটওয়েলার কুকুরটির যত্নে সেটি বেড়ে উঠেছিল।

মন্তব্য

জীবনযাপন
Sweden is interested in green and renewable energy in Bangladesh

বাংলাদেশের সবুজ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে আগ্রহ সুইডেনের

বাংলাদেশের সবুজ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে আগ্রহ সুইডেনের সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার বার্জ ভন লিন্ডের নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল বুধবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। ছবি: নিউজবাংলা
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘কার্বন ট্রেডের আওতায় এখানে বিনিয়োগ হতে পারে, যাতে কম মূল্যে নবায়ণযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। ফুয়েল মিক্সেও ক্লিন এনার্জি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। আর এইচঅ্যান্ডএম ও সুইডেন স্রেডার সঙ্গে সমন্বয় করে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাজ করলে বাংলাদেশে নবায়ণযোগ্য জ্বালানি বা সবুজ রূপান্তর আরো দ্রুত হবে।’

বাংলাদেশের জ্বালানি খাত বিশেষ করে সবুজ জ্বালানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউরোপের দেশ সুইডেন।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের সঙ্গে বুধবার সচিবালয়ে দেখা করে এই আগ্রহের কথা জানিয়েছে ঢাকায় সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার বার্জ ভন লিন্ডের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল।

সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পরিবেশবান্ধব জ্বালানি এবং সংশ্লিষ্ট খাতে কারিগরি ও প্রযুক্তি সহায়তা নিয়েও আলোচনা করে দু’পক্ষ।

সুইডিশ রাষ্ট্রদূত নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং এ বিষয়ে সুইডেনের অবস্থান নিয়েও আলোচনা করেন। সুইডিশ কোম্পানি এইচঅ্যান্ডএম-এর গ্লোবাল হেড ইউসুফ ইল নাটুর জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি, নবায়ণযোগ্য জ্বালানি, সবুজ রূপান্তর ও রিসাইক্লিংয়ের ওপর আলোকপাত করেন। কার্বন নিঃসরণ এবং এর প্রতিকার নিয়েও আলোচনা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ক্লিন এনার্জির প্রসারে কাজ করছে। খুবই কম কার্বন নিঃসরণকারী দেশ হয়েও বাংলাদেশ এতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। কার্বন ট্রেডের আওতায় এখানে বিনিয়োগ হতে পারে, যাতে কম মূল্যে নবায়ণযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। আর ফুয়েল মিক্সে ক্লিন এনার্জি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। আর এইচঅ্যান্ডএম এবং সুইডেন স্রেডার সঙ্গে সমন্বয় করে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশে নবায়ণযোগ্য জ্বালানি বা সবুজ রূপান্তর আরো দ্রুত হবে।’

প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন সুইডিশ অ্যাম্বেসির প্রথম সচিব অ্যানা ভানটেসন, কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়াউর রহমান, এইচঅ্যান্ডএমের পাবলিক অ্যাফেয়ার ম্যানেজার মাশাররাত কাদের, এনফোর্সমেন্ট প্রোগ্রাম ম্যানেজার তানজিদা ইসলাম ও নুসরাত চৌধুরী।

মন্তব্য

জীবনযাপন
A few more days of rain across the country

সারা দেশে বৃষ্টি আরও কয়েক দিন

সারা দেশে বৃষ্টি আরও কয়েক দিন সারা দেশে বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ছবি: সাইফুল ইসলাম
আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাধারণত এই সময়ে দেশে বৃষ্টিপাত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী কয়েক দিন সারা দেশে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।’

আগামী কয়েক দিন সারা দেশে বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জানতে চাইলে আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাধারণত এই সময়ে দেশে বৃষ্টিপাত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী কয়েক দিন সারা দেশে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।’

ঘূর্ণিঝড় আসানির প্রভাবে বৃষ্টিপাত হচ্ছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আসানির প্রভাব এখন আর নেই। এই বৃষ্টিপাত স্বাভাবিক আবহাওয়ার অংশ।’

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় আসানির প্রভাবে গত ৯ মে থেকে দেশে বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে বৃষ্টির প্রবণতা ছিল বেশি। আর বৃষ্টি কম ছিল উত্তরাঞ্চলে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গা, চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গা এবং খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বিজলি চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এতে আরও বলা হয়, সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন:
রাজধানীতে বৃষ্টি দুই-এক দিনের মধ্যে
এক ঘণ্টার শিলাবৃষ্টিতে কৃষকের মাথায় হাত
বৃষ্টি সামান্য, দুর্ভোগ সারা দিনের
বাড়ির আঙিনা-ফসলি মাঠে শিলার ‘কার্পেট’
স্বস্তির বৃষ্টিতে শিলার ক্ষত

মন্তব্য

জীবনযাপন
Easy non existent rain for 2 more days

আসানি অস্তিত্বহীন, বৃষ্টি আরও ২ দিন

আসানি অস্তিত্বহীন, বৃষ্টি আরও ২ দিন ঘূর্ণিঝড় আসানির প্রভাবে বুধবার মাদারীপুরের নিম্নাঞ্চলে আধাপাকা বোরো ধান কেটে নেন চাষিরা। ফাইল ছবি
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, ‘আসানি পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল ও গুরুত্বহীন হয়ে উঠছে। প্রথমে গভীর নিম্নচাপ এবং বৃহস্পতিবার নিম্নচাপে পরিণত হয়। শুক্রবার সকালে দুর্বল ঘূর্ণিঝড় অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে এই ঝড়ের কোনো প্রভাব পড়বে না। তবে আগামী দুই দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি, ঝড় ও শিলাবৃষ্টি দেখা দিতে পারে।’

প্রতিবেশী দেশ ভারতের অন্ধ্র উপকূলের অদূরে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘আসানি’ বাংলাদেশের ওপরে আর প্রভাব ফেলবে না। ইতোমধ্যে অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে ঝড়টি। নতুন কোনো ঘূর্ণিঝড় না আসলে বিপদের আর কোনো শঙ্কা নেই, জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

তিনি শুক্রবার সকালে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আসানি পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল ও গুরুত্বহীন হয়ে উঠছে। প্রথমে গভীর নিম্নচাপ এবং বৃহস্পতিবার নিম্নচাপে পরিণত হয়। শুক্রবার সকালে দুর্বল ঘূর্ণিঝড় অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে এই ঝড়ের কোনো প্রভাব পড়বে না। তবে আগামী দুই দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি, ঝড় ও শিলাবৃষ্টি দেখা দিতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পরবর্তী তিন দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমার পাশাপাশি তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ের গতি-প্রকৃতি জানতে চাইলে এ কে এম নাজমুল হক বলেন, যদি মাঝারি ধরনের ঝড় হয় তাহলে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। এর বেশি হলে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার দেখা দিতে পারে। তবে বড় ঝড়ের সম্ভাবনা খুবই কম।

ঘূর্ণিঝড় আসানির প্রভাবে উপকূলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গত কয়েক দিন বৃষ্টি হচ্ছে। থেমে থেমে আবার কখনও টানা বৃষ্টির কারণে পানি জমতে শুরু করে নিম্নাঞ্চলের ফসলের জমিতে। এ অবস্থায় ফসল ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন কৃষক। মাদারীপুরে নিম্নাঞ্চলের আধাপাকা বোরো ধান কেটে নেন চাষিরা। তারা বলছেন, এতে তারা কাঙ্ক্ষিত ফলন পাবেন না।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ থেকে অনেক দূরে ‘আসানি’
দেশে আসানির আঘাতের আশঙ্কা কম: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘আসানি’, নাকি ‘অশনি’?
বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ এখন ঘূর্ণিঝড় ‘আসানি’
সাগরে নিম্নচাপ, ‘আসানি’র শঙ্কা বাড়ল

মন্তব্য

জীবনযাপন
Asani lost his temper

তেজ হারিয়েছে আসানি

তেজ হারিয়েছে আসানি ভারতের অন্ধ্র উপকূলের অদূরে আরও দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় আসানি। ছবি: সংগৃহীত
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, ‘প্রতিবেশী দেশ ভারতের অন্ধ্র উপকূলের অদূরে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘আসানি’ পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে প্রথমে গভীর নিম্নচাপ এবং পরে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।’

প্রতিবেশী দেশ ভারতের অন্ধ্র উপকূলের অদূরে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘আসানি’ পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল ও গুরুত্বহীন হয়ে উঠছে। প্রথমে গভীর নিম্নচাপ এবং পরে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক নিউজবাংলাকে এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পরবর্তী তিন দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমার পাশাপাশি তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।’

আবহাওয়ার পূর্ভাবাসে বলা হয়, ‘রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানানো হয়।

দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উত্তরের জেলা নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সিলেটে ২৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পরবর্তী তিন দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমার পাশাপাশি তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়, ‘প্রতিবেশী দেশ ভারতের অন্ধ্র উপকূলের অদূরে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘আসানি’ পশ্চিশ দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে প্রথমে গভীর নিম্নচাপ এবং পরে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আসানি বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় অন্ধ্র উপকূল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি ক্রমান্বয়ে দুর্বল ও গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে। পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।’

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ থেকে অনেক দূরে ‘আসানি’
আসানির সংকেতেও সৈকতে মানুষের ভিড়
দেশে আসানির আঘাতের আশঙ্কা কম: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘আসানি’, নাকি ‘অশনি’?
বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ এখন ঘূর্ণিঝড় ‘আসানি’

মন্তব্য

জীবনযাপন
USAIDs project environment to address climate challenges

জলবায়ুর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইউএসএআইডির প্রকল্প ‘প্রতিবেশ’

জলবায়ুর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইউএসএআইডির প্রকল্প ‘প্রতিবেশ’ পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এবং ইউএসএআইডি’র ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ইসোবেল কোলমেন মঙ্গলবার ঢাকায় প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। ছবি: সংগৃহীত
প্রকল্পে সুন্দরবন ও বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাংশে সিলেটের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের জীব-বৈচিত্র্যময় স্বাদু পানির জলাভূমি রক্ষায় গুরুত্ব দেয়া হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও পরিবেশ সংরক্ষণে ‘প্রতিবেশ’ নামে পাঁচ বছর মেয়াদি নতুন প্রকল্প শুরু করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএআইডি।

দুই কোটি ডলার ব্যয়সাপেক্ষ এই প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বনাঞ্চল ও জলাভূমি অঞ্চলগুলোকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষায় কার্যক্রম চালানো হবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এবং ইউএসএআইডি’র ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর (পলিসি অ্যান্ড প্রোগ্রামিং) ইসোবেল কোলমেন মঙ্গলবার ঢাকায় এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।

ইউএসএআইডি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ‘প্রতিবেশ’ প্রকল্পে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসভূমি ও ইউনেস্কো ঘোষিত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন এবং বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাংশে সিলেটের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের জীব-বৈচিত্র্যময় স্বাদু পানির জলাভূমি রক্ষায় গুরুত্ব দেয়া হবে।

এই প্রকল্পের আওতায় জলবায়ুর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কৃষি পদ্ধতি কাজে লাগানো এবং বাণিজ্যিক দক্ষতা বাড়িয়ে তোলা হবে। তাতে করে দক্ষতা অর্জনের মধ্য দিয়ে আয়ের ক্ষেত্র ও পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব হবে।

জীবিকার সংস্থানে বন থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনার মাধ্যমে কমিউনিটিগুলোকে দীর্ঘমেয়াদে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সক্ষম করে তুলতেও ওই প্রকল্প সাহায্য করবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

দেশের প্রাণপ্রাচুর্যে ভরপুর প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং টেকসইভাবে সংরক্ষণের জন্য ইউএসএআইডি, বাংলাদেশ সরকার ও স্থানীয় জনপদের নেতৃস্থানীয় মানুষদের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্বের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে এই প্রকল্প।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও পরিবেশ সংরক্ষণ প্রক্রিয়া জোরদার করতে ২৫ বছর ধরে বাংলাদেশের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে চলেছে ইউএসএআইডি।

ইউএসএআইডি স্থানীয় কমিউনিটি এবং বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিলে ২৫ লাখ একরের বেশি জলাভূমি ও বনভূমি রক্ষায় কাজ করেছে।

আরও পড়ুন:
উন্নয়ন মেগা প্রকল্পে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আলাদা অর্থনৈতিক অঞ্চল: প্রধানমন্ত্রী
সরকারি সেবা ই-সেবায় রূপান্তরে প্রকল্প, দরপ্রস্তাব অনুমোদন
সরকারি প্রকল্পে জয়েন্ট ভেঞ্চারের মালামাল আমদানিতে বাধা কাটল
টাকা নিয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাড়ি বরাদ্দের অভিযোগ
‘মেগা প্রকল্পের লগ্নি ফেরত না এলে এ দেশও শ্রীলঙ্কা হবে’

মন্তব্য

জীবনযাপন
Rainfall across the country due to the effect of cyclone Asani

ঘূর্ণিঝড় আসানির প্রভাবে সারা দেশে বৃষ্টি

ঘূর্ণিঝড় আসানির প্রভাবে সারা দেশে বৃষ্টি ঘূর্ণিঝড় আসানির প্রভাবে বুধবার সারা দেশেই বৃষ্টি হচ্ছে। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস
ঘূর্ণিঝড় আসানির প্রভাবে দেশের সবকটি বিভাগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

প্রবল ঘূর্ণিঝড় আসানি উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ঘূর্ণিঝড়টি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে।

ঘূর্ণিঝড় আসানির প্রভাবে দেশের সবকটি বিভাগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এ ছাড়া দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও জানায় অধিদপ্তর।

বুধবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেয়া আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম জানান, পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করা প্রবল ঘূর্ণিঝড় আসানি উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে আজ সকাল ৬টায় ঘূর্ণঝড় আকারে ভারতে অন্ধ্র উপকূল ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করে। এটি আরও উত্তরপশ্চিম বা উত্তরদিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘এর প্রভাবে সারা দেশেই এখন বৃষ্টি হচ্ছে।’

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় আবহাওয়ার অবস্থা সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

আরও পড়ুন:
আরও কদিন পুড়তে হবে খরতাপে
দেড় ঘণ্টার বৃষ্টিতে শীতল নগর
রাঙা রোদের শাসানিতে আসছে নববর্ষ
গরম চরমে রাঙ্গামাটিতে, বৃষ্টির আভাস রংপুর, সিলেটে
চৈত্রে পৌষের অনুভূতি

মন্তব্য

উপরে