× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
Meat at dinner increases the risk of death
hear-news
player
print-icon

রাতের খাবারে মাংস বাড়ায় মৃত্যুঝুঁকি

রাতের-খাবারে-মাংস-বাড়ায়-মৃত্যুঝুঁকি
দিনের শেষ দিকে কার্বোহাইড্রেট ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকরা। ছবি: এএফপি
গবেষণায় দেখা গেছে, সন্ধ্যা বা রাতের খাবারে প্রক্রিয়াজাত মাংস বেশি খেলে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে আক্রান্তদের মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। 

সময়ের সঙ্গে আমাদের ব্যস্ততা বাড়ছে। ঘড়ি ধরে খাওয়া কিংবা ঘুমানো সম্ভব হয় না অনেকেরই। গবেষকরা বলছেন, ছন্দহীন জীবনপদ্ধতি ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ বিপদ। বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তাদের সাবধান না হয়ে উপায় নেই।

নতুন একটি গবেষণা বলছে, ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিরা দিনের যে সময়টায় নির্দিষ্ট খাবার খান, তা তাদের স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। এ জন্য দিনের শেষ দিকে কার্বোহাইড্রেট ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। এতে হার্টের স্বাস্থ্য থাকে ভালো।

দ্য জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রিনোলজি অ্যান্ড মেটাবলিজম-এ সম্প্রতি গবেষণার ফলাফল প্রকাশ হয়।

এতে বলা হয়েছে, খাবারের সময়কাল জৈবিক ঘড়ির (বায়োলজিক্যাল ক্লক) সঙ্গে মিল রেখে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। জৈবিক ঘড়ি হলো একটি প্রাকৃতিক ও অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া, এটি ঘুমের চক্রকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রতি ২৪ ঘণ্টায় ফিরে ফিরে আসে। আর এ কারণে দিনের বিভিন্ন সময়ে নির্দিষ্ট খাবার খাওয়া হলে ডায়াবেটিস আক্রান্তদের স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে পারে।

গবেষকরা জাতীয় স্বাস্থ্য ও পুষ্টি পরীক্ষার সমীক্ষা থেকে চার হাজারের বেশি ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তির হৃদরোগে মারা যাওয়ার ঝুঁকির তথ্য বিশ্লেষণ করেন।

এতে দেখা গেছে, ডায়াবেটিস আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি যদি সকালে আলু বা স্টার্চযুক্ত শাকসবজি খান, দুপুরে হোল গ্রেইন ফুড, দুধ এবং সন্ধ্যা বা রাতে গাঢ় সবুজ শাকসবজি যেমন সবুজ শাক ও ব্রকলি খান তবে তাদের হৃদরোগে মৃত্যুর আশঙ্কা অনেক কমে আসে।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, যারা সন্ধ্যা বা রাতে প্রচুর প্রক্রিয়াজাত মাংস খান তাদের হৃদরোগে মৃত্যুর আশঙ্কা অনেকটাই বেশি।

চীনের হারবিন মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও গবেষণা দলের সদস্য কিংগ্রাও সং বলেন, ‘লক্ষ করেছি যেসব ব্যক্তির ডায়াবেটিস রয়েছে তারা সকালে আলু, দুপুরে হোল গ্রেইন, সন্ধ্যায় সবুজ শাক, দুধ খেলে এবং সন্ধ্যায় প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়ার প্রবণতা কমালে বেশি দিন বাঁচেন।’

ডায়াবেটিসের জন্য পুষ্টিবিষয়ক নির্দেশিকার পাশাপাশি খাবারের সঠিক সময় ও পরিমাণের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে বলেও জানান কিংগ্রাও সং।

আরও পড়ুন:
করোনা থেকে সেরে ওঠা ১০ ভাগ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত
করোনায় বেড়েছে ডায়াবেটিস রোগীদের বিষণ্নতা
করোনায় বাড়ছে শিশুর ডায়াবেটিস
ইনসুলিনের বিকল্প পেলেন বিজ্ঞানীরা
রান্নার তেল বারবার ব্যবহারের ঝুঁকিমুক্ত কৌশল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
The doctor was released from the peon while going to jail

জেলে যাওয়ার সময় পিয়ন, ছাড়া পেয়ে ‘ডাক্তার’

জেলে যাওয়ার সময় পিয়ন, ছাড়া পেয়ে ‘ডাক্তার’ করোনার ভুয়া সনদ তৈরি করায় গ্রেপ্তার হন সাঈদ হোসেন। জামিনে মুক্তি পেয়ে গ্রামে গিয়ে হয়েছেন চিকিৎসক। ছবি: নিউজবাংলা
সাঈদ হোসেনের মা সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসকের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। মায়ের অনুরোধে সাঈদকে সাভার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পিওনের চাকরি পাইয়ে দেন সেই চিকিৎসক। করোনার ভুয়া সনদ বিক্রির অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হন ২০২০ সালের ২৫ মে। পরের বছর জামিনে মুক্তি পেয়ে ফেরেন বাড়িতে। সেখানে গিয়ে নামের সঙ্গে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করে শুরু করেন চিকিৎসা।

নওগাঁর সাঈদ হোসেন। ছিলেন ঢাকার সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর অফিস সহায়ক (পিয়ন)। ২০২০ সালে দেশে করোনা মাহামারি শুরু হলে বিদেশগামী যাত্রীদের কাছে করোনার জাল সনদ বিক্রির দায়ে গ্রেপ্তার হয়ে যান কারাগারে। জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি গ্রামের বাড়ি নওগাঁর হোগল বাড়িতে ফিরে বনে গেছেন চিকিৎসক।

সব রোগের ‘চিকিৎসা জানা আছে’ সাঈদের। তাই কাউকে ফেরান না। নামের আগে পদবিও লিখছেন, ‘ডাক্তার’। রোগীদের ওষুধ লিখে ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছেন ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়।

সেই ব্যবস্থাপত্রে নিজের নামের পাশে ডিগ্রি হিসেবে লিখেছেন, ‘ডিএমএফ’, নিজেকে পরিচয় দিচ্ছেন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার।

কোত্থেকে এই ‘ডিএমএফ’ ডিগ্রি নিয়েছেন, এর মানে কী, কারা এই ডিগ্রি নেন, তার সনদ বা রোল-রেজিস্ট্রেশন নম্বর কী, তার কোনো কিছুই দেখাতে পারেননি সাঈদ।

এই ডিএমএফ ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের একটি ডিগ্রি। তবে যে কেউ এটি করতে পারেন এমন নয়। বিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা করে পরীক্ষা দিয়ে এই কোর্সে ভর্তি হতে হয়।

চার বছরের এই ডিগ্রি শেষ করে সদনধারীদের কমিউনিটির ডাক্তার হিসেবে কাজ করতে হবে। তাদেরকে গ্রামে-গঞ্জে থাকতে হবে। শহরে থাকতে পারবেন না।

আবার হাইকোর্টের একটি রায় অনুযায়ী বিকল্প ধারার চিকিৎসা পদ্ধতির পেশাধারীরা নামের সঙ্গে ডাক্তার লিখতে পারবেন না।

চিকিৎসকদের নিবন্ধন দেয় যে সংস্থা, সেই বিএমডিসির আইনেও নিবন্ধনভুক্ত মেডিক্যাল বা ডেন্টাল ইনস্টিটিউট কর্তৃক এমবিবিএস অথবা বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া কেউ ডাক্তার পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না।

তবে সাঈদ থাকেন শহরে। নওগাঁর সদর উপজেলার হোগল বাড়ি মোড়ে ভাই ভাই মেডিকেয়ার ফার্মেসিতে বসেন। রোগী দেখেন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত।

পরিচিতজনদের কাছ থেকে তথ্য মিলেছে, সাঈদ হোসেনের মা সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসকের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। মায়ের অনুরোধে সাঈদকে সাভার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পিওনের চাকরি পাইয়ে দেন সেই চিকিৎসক।

করোনা শুরু হওয়ার পর সাঈদ জড়িয়ে যান করোনার ভুয়া সনদ তৈরিতে। বিষয়টি জানাজানি হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে করে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা। ২০২০ সালের ২৫ মে গ্রেপ্তার হন তিনি।

মামলাটির বিচার এখনও শেষ হয়নি। এর মধ্যে ২০২১ সালে জামিনে মুক্তি পান তিনি। ফিরে আসেন গ্রামের বাড়িতে। সেখানে একটি ফার্মেসি ও চেম্বার বসিয়ে শুরু করেন চিকিৎসা।


চিকিৎসা করাতে এসে প্রাণ যায় যায়

হোগল বাড়ি গ্রামের সাজু হোসেন নামে এক ভুক্তভোগী জানান, মাস তিনেক আগে তার বাচ্চার সুন্নাতে খাৎনা করান সাঈদের কাছে। এরপর থেকে শিশুর রক্তপাত থামছিল না। অবস্থা বেগতিক দেখে রাত দেড়টার দিকে শিশুটিকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান তার বাবা।

সাজু বলেন, ‘আমার বাচ্চা সেদিন মরেই যাচ্ছিল। আল্লাহ পুনরায় হায়াত দিছে।’

সেদিনের ঘটনা গ্রামের মাতব্বরদের জানালে শালিসে সাঈদকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জেলে যাওয়ার সময় পিয়ন, ছাড়া পেয়ে ‘ডাক্তার’
সাঈদ হোসেনের দেয়া ব্যবস্থাপত্র। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয় মোতাহার হোসেন নামের এক প্রবীণ বলেন, ‘সাঈদ একটা ভুয়া ডাক্তার। আমার একটা সমস্যার জন্য দীর্ঘদিন থেকে তার কাছে চিকিৎসা করছি, কিন্তু রোগ সারেনা। উপায় না পেয়ে আমি শহরে ভালো ডাক্তার দেখাই। তারা আমাকে জানায় অসুখ অনুযায়ী ওষুধ ঠিক হয় নাই, রোগ সারবে কই থেকে?

‘পরে সেই ডাক্তার আমাকে এক শ টাকার ওষুধ দিছে, খেয়ে আমি বর্তমানে সুস্থ। এ তো রোগ-ই ধরতে পারে না, তাহলে কীসের ডাক্তার এই সাঈদ?’

চিকিৎসা নিতে আসা খাদেমুল ইসলাম নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘প্রসাবের জ্বালাপোড়া, মাথা ঘোরানো ও চোখে ঝাপসা এই সমস্যা নিয়ে আসছি। এর আগেও চিকিৎসা নিয়েছি, কিন্তু কোনো উন্নতি হচ্ছে না। বরং সমস্যা আরও বাড়ছে। ১০দিন পর আসতে বলছিল, তাই আবার এসেছি।’

আবুল কালাম আজাদ হোসেন নামে স্থানীয় একজন বলেন, ‘সে (সাঈদ) তো ঢাকায় একটা হাসপাতালের পিওন ছিল। এরপর শুনেছি করোনার জাল সনদ বিক্রি করার জন্য জেলে গেছে। এখন জেল থেকে এসে আবার দেখি ডাক্তার হয়ে গেছে। সে কখন ভর্তি হলো, আর কখন চাকরি করল, আর কীভাবেই বা ডাক্তার হলো বিষয়টা তদন্ত হওয়া দরকার।’


সাঈদ যা বলছেন

সাঈদ হোসেনের চেম্বারে গিয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাভার প্রিন্স মেডিক্যাল ইনস্টিটিটিউট (ম্যাটস) থেকে আমি ১১-১২ সেশনে ডিএমএফ করেছি।’

এর চেয়ে বেশি কোনো তথ্য দিতে পারেননি তিনি।

আপনার কোনো সনদ বা পাশ করার প্রমাণ আছে- এমন প্রশ্ন করা হলে জবাব এড়িয়ে চেম্বার ছেড়ে বাইরে চলে যান সাঈদ।

পরে আবার ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সামনে মাসে ২৩ তারিখ আমার মামলার হাজিরা আছে। সেটা শেষ করে এসে সকল তথ্য দেবো, আমার সকল কাগজপত্র আছে।’

এক পর্যায়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, ‘এসব ব্যাপারে কোনো তথ্য দিতে পারব না। আপনাদের যা ইচ্ছে করতে পারেন।’

বিষয়টি নিয়ে কথা হলে নওগাঁর সিভিল সার্জন আবু হেনা মোহাম্মদ রায়হানুজ্জামান সরকার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আপনাদের মাধ্যমে বিষয়টি সম্পর্কে জানলাম। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
রোগীর পেটে কাঁচি ফেলে আসায় চিকিৎসক জেলে
নারী চিকিৎসক হত্যা: রেজাউলের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পিছিয়েছে
‘ভুল চিকিৎসা’য় প্রসূতির মৃত্যুর জেরে সংঘর্ষ
নিজ হাসপাতালে হয়রানির শিকার হয়ে বিস্মিত চিকিৎসক
বাবার লাশের পাশে ফেসবুক লাইভ: অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন

মন্তব্য

জীবনযাপন
1 death in dengue admitted 460

ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, ভর্তি ৪৬০

ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, ভর্তি ৪৬০ দেশে গত বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নেয়া এক রোগী। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ৩২০ জন এবং ঢাকার বাইরে ১৪০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৪৬০ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে ডেঙ্গুতে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে মোট মৃত্যু দাঁড়ালো ৫৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ৩২০ জন এবং ঢাকার বাইরে ১৪০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৭৩৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৩১৪ জন এবং ঢাকার বাইরে ৪২৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৪ হাজার ৮২২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১১ হাজার ৩৯১ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৪৩১ জন।

একই সময়ে সারা দেশে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৩০ জন। এর মধ্যে ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ হাজার ৫০ জন এবং ঢাকার বাইরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ৯৮০ জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুর প্রকোপ ‘অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত’
হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড
ডেঙ্গুতে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৩৭
ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, কমেছে হাসপাতালে ভর্তি
ডেঙ্গু তো আমরাই লালন-পালন করছি: স্বাস্থ্যসচিব

মন্তব্য

জীবনযাপন
A person was burnt in a gas fire in Dakshinkhane

দক্ষিণখানে গ‍্যাসের আগুনে এক ব‍্যক্তি দগ্ধ

দক্ষিণখানে গ‍্যাসের আগুনে এক ব‍্যক্তি দগ্ধ
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন এস এম আই হোসেন বলেন, ‘রাজধানীর দক্ষিণখান থেকে আগুনে দগ্ধ একজন রোগী এখানে আনা হয়েছে। বাবুল মিয়া নামের ওই রোগীর শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক, যেহেতু তার শ্বাসনালী পুড়ে গেছে।’

রাজধানীর দক্ষিণখানে একটি টিনশেড বাড়িতে জমে থাকা গ্যাসের আগুনে বাবুল মিয়া নামে এক ব্যক্তি দগ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে দক্ষিণখানের আটিপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনার পর তাকে দ্রুত উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন এস এম আই হোসেন বলেন, ‘রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকা থেকে আগুনে দগ্ধ একজন রোগী এখানে আনা হয়েছে। বাবুল মিয়া নামের ওই রোগীর শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক, যেহেতু তার শ্বাসনালী পুড়ে গেছে।’

আহত ব্যক্তির স্ত্রী সমলা বেগম বলেন, ‘দক্ষিণখান আটিপাড়া বড়বাগ মহিলা মার্কেটের পাশে মামুনের টিনশেড বাড়িতে স্বামী ও সন্তান নিয়ে রাতে ঘুমিয়ে ছিলাম। রাতে আমার স্বামী রান্না ঘরে গিয়ে গ্যাস লাইটার জ্বেলে মশাল কয়েল ধরাতে গেলে আগুন ধরে যায়। এতে তিনি দগ্ধ হন। পরে প্রতিবেশীরাসহ আমরা তাকে উদ্ধার করে রাতেই বার্ন ইউনিটে নিয়ে আসি। আমরা ধারণা করছি, জমে থাকা গ্যাসের আগুনেই তিনি দগ্ধ হয়েছেন।’

তিনি জানান, আহত বাবুল মিয়ার বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার টেংরা গ্রামে। বাবার নাম হযরত আলী। পেশায় রিকশার মেকানিক।

আরও পড়ুন:
‘দুর্বৃত্তের’ আগুনে দগ্ধ দম্পতি: মারা গেছেন স্ত্রী
দুর্বৃত্তের আগুনে গুরুতর দগ্ধ দম্পতি
ডেসটিনির গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে
সিলিন্ডারের আগুনে পুড়ে ছাই বসতঘর
চীনে নিভেছে জ্বলতে থাকা সেই ভবনের আগুন

মন্তব্য

জীবনযাপন
Dengue patient admission record this year

হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড

হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির রেকর্ড হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত সন্তানের সেবায় মা ও পরিবারের সদস্যরা। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ৩২৫ জন এবং ঢাকার বাইরে ১১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

দেশে চলতি বছর এক দিনে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৪৪০ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরে এক দিনে এটিই সর্বোচ্চ রোগী ভর্তির রেকর্ড।

রেকর্ড ভর্তির দিনে অবশ্য ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর খবর দেয়নি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে শনিবার এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ৩২৫ জন এবং ঢাকার বাইরে ১১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৬২৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ২৭২ জন এবং ঢাকার বাইরে ৩৫৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৩ হাজার ৪৪০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৪৩৪ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৬ জন।

একই সময়ে সারা দেশে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৭৬২ জন। এর মধ্যে ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯ হাজার ১৩৯ জন এবং ঢাকার বাইরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ৬২৩ জন।

আরও পড়ুন:
নগরে এডিস মশার লার্ভা, দেড় লাখ টাকা জরিমানা
ডেঙ্গু বাড়ছে কলকাতাতেও
এক দিনে ডেঙ্গুতে ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ৩৪৫
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ঢাকা উত্তরে সপ্তাহব্যাপী অভিযান
ডেঙ্গু পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে: তাপস

মন্তব্য

জীবনযাপন
Delivery after leaving the hospital

হাসপাতাল থেকে বের হয়েই প্রসব

হাসপাতাল থেকে বের হয়েই প্রসব
রিতুর স্বামী সাগর আলী ঘটনাটি জানিয়ে বলেন, ‘যদি বাচ্চার সমস্যা থাকত তাহলে নরমাল ডেলিভারি হয় কীভাবে? চিকিৎসক ও নার্সরা চেষ্টা করলে খোলা মাঠে সন্তান জন্মের ঘটনা ঘটত না।’

প্রসবব্যথা ওঠায় কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান রংপুরের পীরগাছার রিতু আক্তার। গর্ভের সন্তান উল্টে আছে জানিয়ে তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার কথা বলে ছাড়পত্র দেয়া হয়। হাসপাতাল থেকে বের হয়ে মাঠেই সন্তান প্রসব করেন রিতু।

শুক্রবার দুপুরে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার স্থানীয়ভাবে তোলা ছবি ও তথ্যের পোস্ট ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

রিতুর সঙ্গে থাকা স্বজনরা জানান, শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। নার্সরা সেখানে নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করেন। কিন্তু গর্ভে শিশু উল্টো হয়ে আছে বলে রিতুকে রংপুর মেডিক্যালে যেতে বলা হয়। ওই হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হলে রিতুকে নিয়ে স্বজনরা রংপুর মেডিক্যালে যেতে রওনাও দেন।

তবে প্রসবব্যথা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালের মাঠেই বসে পড়েন রিতু। সেখানেই জন্ম নেয় তার সন্তান।

রিতু স্বামী সাগর আলী ঘটনাটি জানিয়ে বলেন, ‘যদি বাচ্চার সমস্যা থাকত তাহলে নরমাল ডেলিভারি হয় কীভাবে? চিকিৎসক ও নার্সরা চেষ্টা করলে খোলা মাঠে সন্তান জন্মের ঘটনা ঘটত না। তাদের অবহেলায় এই ঘটনা ঘটছে।’

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মীর হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঘটনা ঘটেছে এটা সত্য। এটাও সত্য যে তারা রংপুর মেডিক্যালে যেতে চাইছিল তাই রেফার করা হয়েছে।

‘ওই সময়ে আমাদের নার্সরা ওয়ার্ডে ছিলেন। পরে মা ও সদ্য জন্ম হওয়া শিশুকে ওয়ার্ডে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।’

তিনি জানান, সুস্থ থাকায় বিকেলে মা ও নবজাতককে স্বজনরা বাড়ি নিয়ে যান। কেউ এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ জানাননি।

আরও পড়ুন:
মাতৃত্বের শক্তির কাছে পরাজিত হলো লোকনিন্দার ভয়
যমজ নবজাতকের মৃত্যু: ধাত্রীই চালাতেন সেই ক্লিনিক
‘অপরিণত হওয়ায়’ সেই যমজ নবজাতকের মৃত্যু
‘বিলের জন্য অক্সিজেন খুলে নেয়ায়’ যমজ নবজাতকের মৃত্যু
গর্ভের সন্তান নষ্ট হওয়ায় নার্স বেশে নবজাতক চুরি

মন্তব্য

জীবনযাপন
Lives will be saved through cadaveric transplant

‘ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের মাধ্যমে বাঁচবে প্রাণ’

‘ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের মাধ্যমে বাঁচবে প্রাণ’ ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট-সংক্রান্ত গোলটেবিল বৈঠক। ছবি: সংগৃহীত
অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। খুব দ্রুত দেশে এর কাজ শুরু হবে। সব শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে বলে বিশ্বাস করি।’

দেশে ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। খুব দ্রুত দেশে এর কাজ শুরু হবে। এ কথা জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেলের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান দুলাল।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট-সংক্রান্ত একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় শহীদ ডা. মিল্টন হলে জাতীয় ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট কমিটির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সেল এই আয়োজন করে।

ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট হলো সদ্যমৃত কোনো মানুষের দেহ থেকে কিডনি, হৃৎপিণ্ড, অন্ত্র, অগ্ন্যাশয় প্রতিস্থাপন।

এর আগে ২২ জুন ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের মাধ্যমে বহু মরণাপন্ন মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেলের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান দুলাল বলেন, ‘জাতীয় ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট জাতীয় কমিটির সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. শারফুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে আমাদের দেশে ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে এবং খুব দ্রুত দেশে ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট শুরু হবে। সব শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে বলে বিশ্বাস করি।’

বৈঠকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানেসথেসিয়া অ্যানালজেসিয়া অ্যান্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

গোলটেবিল বৈঠকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও বারডেম হাসপাতালের চিকিৎসকরা অংশগ্রহণ করেন।

মন্তব্য

জীবনযাপন
Chevron fined for testing expired machines

মেয়াদোত্তীর্ণ মেশিনে পরীক্ষা, শেভরনকে জরিমানা

মেয়াদোত্তীর্ণ মেশিনে পরীক্ষা, শেভরনকে জরিমানা চট্টগ্রামের শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিকে জরিমানা করেছে ভোক্তা অ‌ধিকার সংরক্ষণ অ‌ধিদপ্তর। ছবি: নিউজবাংলা
‘অভিযানে শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট মেশিনে পরীক্ষার প্রমাণ পেয়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

চট্টগ্রামে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট মেশিনে রোগীর পরীক্ষার প্রমাণ পেয়ে শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অ‌ধিকার সংরক্ষণ অ‌ধিদপ্তর।

নগরীর ওআর নিজাম রোডে বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে জরিমানা হয়।

এ সময় শ্রেষ্ঠা মেডিসিন কর্নার নামে একটি দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন জাতীয় ভোক্তা অ‌ধিকার সংরক্ষণ অ‌ধিদপ্তরের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নাসরিন আক্তার।

তিনি বলেন, ‘অভিযানে শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট মেশিনে রোগীর পরীক্ষার প্রমাণ পেয়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

‘এ সময় শ্রেষ্ঠা মেডিসিন কর্নার নামে একটি দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পেয়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের একটি দল অভিযানে অংশ নেয় বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
ডিজেল-পেট্রল মজুত, ৩ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
অনুমোদন না নিয়ে শিশুখাদ্য তৈরি, জরিমানা
মাপে ঠকিয়ে ফিলিং স্টেশনের লাখ টাকা জরিমানা
তরকারিতে তেলাপোকাকাণ্ড
ছত্রাক ধরা মিষ্টি, নষ্ট জিলাপি ও ভেজাল দই বিক্রি, জরিমানা

মন্তব্য

p
উপরে