× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

জীবনযাপন
Why eat radish
hear-news
player
print-icon

মুলা কেন খাবেন

মুলা-কেন-খাবেন
মুলাতে উপস্থিত অ্যান্থোসায়ানিনগুলোর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ রয়েছে, যা কার্ডিওভাসকুলার রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ, হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়ার প্রবণতা কমে আসে।

শীতের সবজিগুলোর মধ্যে মুলা অন্যতম। এ সময় লাল এবং সাদা রঙের মুলা সবজির দোকানগুলোতে চোখে পড়ে। এটি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমন পুষ্টিকর। মুলায় থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান নানা শারীরিক সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে মুলার বিভিন্ন উপকারের কথা। চলুন দেখে নেই।

জন্ডিসের জন্য প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে বিবেচিত হয় মুলা। মুলার পাতা এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর। জন্ডিসে মুলার রস ভালো। কারণ এটি শক্তিশালী ডিটক্সিফাইং, টক্সিন ও রক্ত বিশুদ্ধ করতে সহায়তা করে। মুলা বিলিরুবিন অপসারণ করতে সাহায্য করে বলে জন্ডিসে এটা উপকারী। একই সঙ্গে বিলিরুবিনের উৎপাদনও নিয়ন্ত্রণ করে। মুলা অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়িয়ে জন্ডিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যাওয়া ঠেকাতে কাজ করে।

মুলা কেন খাবেন

মুলা মূত্রবর্ধক সবজি। এটা প্রস্রাব উৎপাদন বাড়িয়ে কিডনি পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। মুলার রস প্রদাহ নিরাময়ে কার্যকর। প্রস্রাবে জ্বলুনি ভাব কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। কিডনির সংক্রমণ রোধের পাশাপাশি কিডনির অন্যান্য ব্যাধি সারাতেও মুলা ভালো।

মুলায় থাকা ভিটামিন সি আমাদের দেহে ফ্রি-র‌্যাডিক্যালগুলোর বিরুদ্ধে কাজ করে এবং দেহের কার্টিজের যেকোনো ক্ষতি প্রতিরোধ করে। ভিটামিন সি কোলাজেন গঠনেও সহায়তা করে। মুলা খেলে বাতের ব্যথাতেও উপশম মেলে।

মুলা কোলন, পেট, অন্ত্র, মুখ ও কিডনি ক্যানসারের বিভিন্ন স্ট্র্যান্ডের সঙ্গে লড়াই করতে সহায়তা করে। মুলা ক্যানসারের কোষগুলোকে পুনরুৎপাদন করতে বাধা দেয়।

মুলাতে উপস্থিত অ্যান্থোসায়ানিনগুলোর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ রয়েছে, যা কার্ডিওভাসকুলার রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ, হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়ার প্রবণতা কমে আসে।

মুলা কেন খাবেন

ওজন কমাতেও অবদান রাখে মুলা। এতে কার্বোহাইড্রেট থাকে কম, অন্যদিকে পানি থাকে প্রচুর।

মুলা যখন খাবেন তখন এতে থাকা ফাইবার দ্রুত পেট ভরার ইঙ্গিত দেয়। এ কারণে বেশি খাওয়ার ইচ্ছা কমে যায়।

মুলায় আছে পটাশিয়াম। এটা রক্তের প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে, রক্তচাপ কমায়। মুলার রস রক্তে শর্করার মাত্রাকে প্রভাবিত করে না। কারণ এতে গ্লাইসেমিক সূচক কম রয়েছে। মুলা রক্তপ্রবাহে শর্করার শোষণকে নিয়ন্ত্রণ করে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের সেবন করা নিরাপদ। মুলার মধ্যে অ্যান্টি-কনজারভেটিভ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা নাক, গলা ও ফুসফুসের জ্বালা রোধ করতে সহায়তা করে। এ জ্বালা মূলত সর্দি, ইনফেকশন, অ্যালার্জির কারণে হয়ে থাকে। মুলা শ্বসনতন্ত্রকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে।

আরও পড়ুন:
চাকরির ইন্টারভিউয়ের আগে জেনে নিন
বয়স অনুযায়ী শিশুকে যৌন শিক্ষা দিচ্ছেন তো?
সর্দি-কাশি নিরাময়ে তুলসীপাতা
যেসব কারণে ব্যবহার করবেন মাটির পাত্র
কোভিড থেকে সেরে উঠতে যা খাবেন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
A tourist was killed and seven others were injured when a microbus fell into a ditch in Thanchi

থানচিতে মাইক্রো খাদে পড়ে পর্যটক নিহত, আহত ৮

থানচিতে মাইক্রো খাদে পড়ে পর্যটক নিহত, আহত ৮ বান্দরবানের থানচিতে বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনার শিকার হয় পর্যটকবাহী একটি গাড়ি। ছবি: সংগৃহীত
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয়রা জানায়, জীবননগর সড়কের ঢালে পর্যটকবাহী একটি কালো রঙের এক্সনোয়াহ মাইক্রোবাস রাস্তার পাশে গভীর খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই এক পর্যটকের মৃত্যু হয়। এ সময় আরও ৮ পর্যটক আহত হন।

বান্দরবানের থানচিতে পর্যটকবাহী মাইক্রোবাস খাদে পড়ে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আটজন।

উপজেলার জীবননগরে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয়রা জানায়, জীবননগর সড়কের ঢালে পর্যটকবাহী একটি কালো রঙের এক্সনোয়াহ মাইক্রোবাস রাস্তার পাশে গভীর খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই এক পর্যটকের মৃত্যু হয়। এ সময় আরও ৮ পর্যটক আহত হন।

নিহত পর্যটকের নাম জানা যায়নি। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনকে থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের উদ্ধারে কাজ করছে বিজিবি ও স্থানীয়রা।

আহত পর্যটকদের মধ্যে হামিদুল ইসলাম নামের একজনের অবস্থা সংকটাপন্ন।

আহত আরেক পর্যটক মো. ওয়াহিদ বলেন, ‘ঢাকা থেকে বান্দরবান বেড়াতে এসেছিলাম। থানচিতে যাওয়ার পথে জীবননগর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি খাদে পড়ে গেছে। গাড়িতে আমরা ৯ জন ছিলাম চালকসহ।’

দুর্ঘটনায় হতাহতের বিষয়টি জানিয়ে থানচি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সত্যব্রত চাকমা জানান, গাড়িটি বান্দরবান থেকে থানচি যাচ্ছিল। আহত পর্যটকদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা সংকটাপন্ন।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার (এসপি) জেরিন আখতার বলেন, ‘আমরা দুর্ঘটনার খবর শুনেছি। আমাদের লোক ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।’

হতাহতের বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি পুলিশের এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
শায়েস্তাগঞ্জে আতঙ্ক এক কিলোমিটারে
তেলবাহী ট্রাকচাপায় গেল প্রাণ
দাঁড়িয়ে থাকা লরিতে অটোর ধাক্কা, যাত্রী নিহত
জরুরি বিভাগের সামনে অ্যাম্বুলেন্সচাপায় বৃদ্ধ নিহত
‘সড়ক দুর্ঘটনায়’ বিমান বাহিনীর সার্জেন্ট নিহত

মন্তব্য

জীবনযাপন
Old Dhaka is a vegetarian paradise

পুরান ঢাকায় নিরামিষের এক স্বর্গরাজ্য

পুরান ঢাকায় নিরামিষের এক স্বর্গরাজ্য  নিরামিষ খাবারের দোকান ‘জগন্নাথ ভোজনালয়’ এর টেবিলে সাজানো ছোট ছোট বাটিতে হরেক পদের নিরামিষ তরকারি ও ভর্তা। ছবি: নিউজবাংলা
টেবিলে সাজানো ছোট ছোট অসংখ্য বাটি। তাতে হরেক পদের নিরামিষ তরকারি ও ভর্তা। সঙ্গে স্টিলের থালায় ধোঁয়া ওঠা সাদা ভাত। ভাত প্রথম প্লেট ১৫ টাকা, পরবর্তী হাফ প্লেট ৫ টাকা করে। টেবিলে সাজানো বাটি থেকে নিজ ইচ্ছা মতো নিয়ে খাওয়া যায়।

কাচ্চি-লাচ্ছি আর বাকরখানির দোকানের পাশাপাশি পুরান ঢাকায় চোখ আটকে যায় একটি নিরামিষ খাবারের দোকানে। নাম জগন্নাথ ভোজনালয়। আমিষের কোনো ছিটে-ফোঁটাও নেই। তবু নিরামিষ খাবার যে কত বিচিত্র আর সুস্বাদু হতে পারে, তা সংকীর্ণ এ দোকানে খেলে বোঝা যায়।

পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারের শিবমন্দির থেকে ডান দিকে এগোলেই পড়বে নিরামিষের এই ভোজনালয়টি। গলির পাশের ভবনের দুই তলার সংকীর্ণ সিঁড়ি বেয়ে উঠতেই ছোট্ট একটি খাবার ঘর।

নিরামিষ ভোজনের এই স্বর্গে চার থেকে পাঁচটি টেবিল। প্রতি টেবিলে চার-পাঁচটি চেয়ার সংযুক্ত। টেবিলে ছোট ছোট অসংখ্য বাটি সাজানো। তাতে হরেক পদের নিরামিষ তরকারি ও ভর্তা। সঙ্গে স্টিলের থালায় ধোঁয়া ওঠা সাদা ভাত। ভাত প্রথম প্লেট ১৫ টাকা, পরবর্তী হাফ প্লেট ৫ টাকা করে। টেবিলে সাজানো বাটি থেকে নিজ ইচ্ছামতো নিয়ে খাওয়া যায়।

পুরান ঢাকায় নিরামিষের এক স্বর্গরাজ্য

নিরামিষ খাবারের দোকান ‘জগন্নাথ ভোজনালয়’-এ খাচ্ছেন অনেকে। ছবি: নিউজবাংলা

জগন্নাথ ভোজনালয়ে আট থেকে ১০ রকমের ভর্তা পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে আছে বেগুন ভর্তা, আলু ভর্তা, ধনে পাতা ভর্তা, শিম ভর্তা, সরিষা ভর্তা, কচুরলতি ভর্তা ইত্যাদি। তা ছাড়া হরেক রকমের শাক পাওয়া যায়। ডালেরও অনেক আইটেম: মটর ডাল, মুগ ডাল, বুটের ডাল, মাষকলাই ডাল। তাছাড়া তরকারি, ছানাবড়া, পনিরসহ রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক খাবার।

প্রতি বাটি ভর্তার দাম ১০ টাকা। ছোট বাটি তরকারি অথবা ভাজি ২০ টাকা এবং বড় বাটিতে ফুলকপি ভাজি ৩০ টাকা। বড় বাটি তরকারি ৪০ টাকা।

প্রতিদিন সকাল সাড়ে আটটা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খাবার পাওয়া যায় দোকানে। খাবার পরিবেশনের কাজে নিয়োজিত আট কর্মচারী।

পুরান ঢাকায় নিরামিষের এক স্বর্গরাজ্য

এখানে খেতে আসা ওমর ফারুক বলেন, ‘আমি নিয়মিত এখানে খেতে আসি, এখানকার খাবার গুণে ও মানে ভালো এবং দামও কম। আর এদের খাবার পরিবেশনটাও খুব ভালো লাগে। ১০০ টাকা দিয়ে যে কেউ দুপুরে পেট ভরে খেতে পারবে।’

জগন্নাথ ভোজনালয়ে বন্ধু রোহান রায়কে নিয়ে খেতে আসা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিপা রানী রায় নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখানকার পনির, সয়াবিন আর বড়াটা খুবই সুস্বাদু। আমি প্রায়ই এখানে খেতে আসি। আমার মুখে জগন্নাথ ভোজনালয়ের খাবারের কথা শুনে আমার বন্ধুও অনেক দিন ধরে আমাকে নিয়ে আসতে বলছিল। আজ তাকে নিয়ে এলাম।’

নারায়ণগঞ্জ থেকে ইসলামপুরে আসা কাপড় ব্যবসায়ী অনিমেষ রায় ঢাকায় পা রাখলেই দুপুরে খেয়ে যান এই নিরামিষ ভোজনালয়ে। নিউজবাংলাকে তিনি জানান, এখানে যে যে ধরনের নিরামিষ আইটেম পাওয়া যায় তা আশপাশে আর কোথাও পাওয়া যায় না। আর এখানকার খাবারে স্বাদও অনন্য।

পুরান ঢাকায় নিরামিষের এক স্বর্গরাজ্য

ভোজনালয়ের দায়িত্বে থাকা নিতাই পাল বলেন, ‘শীতকালে বেচাকেনা বেশি হয়, এখন বেচাকেনা একটু কম। আমরাও কম দামে ভালো খাবার দেওয়ার চেষ্টা করি।’

ভোজনালয়ের মালিক অশোক কবিরাজ বলেন, ‘আমাদের এখানে হিন্দু-মুসলমান থেকে শুরু করে সব ধরনের কাস্টমার আসে। স্থানীয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা সকাল-দুপুরের খাবার খেতে আসেন। কেউ কেউ রাতের খাবারও খান। কেনাকাটা করতে আসা মানুষজনও নিরামিষ খেতে ভালোবাসেন। সে জন্য এখন ভিড়টাও একটু বেশি।’

তিনি আরো বলেন, ‘এখানে খাবার সাশ্রয়ী। নিরামিষ খাবার স্বাস্থ্যকরও। যে কেউ নিশ্চিন্তে আসতে পারেন, খেতে পারেন। খরচ বেশি পড়ে না। তাই খাবারের বাড়তি দামও রাখার প্রয়োজন হয় না। অনেকেই খেয়ে আবার পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য পার্সেল নিয়ে যান।’

জগন্নাথ ভোজনালয়ের আরেক মালিক শিল্পী রানী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের হোটেলে কোনো ধরনের বাসি খাবার নেই, প্রতিদিনের খাবার প্রতিদিন বিক্রি করা হয়। আমাদের কোনো ফ্রিজ নেই। আমরা ফুড পান্ডা অ্যাপেও খাবারের অর্ডার নেই। হোটেলটি ছোট পরিসরের। আশপাশে বড় জায়গা পেলে সেখানে আমাদের জগন্নাথ ভোজনালয়টি করব।’

আরও পড়ুন:
রাতের খাবারে মাংস বাড়ায় মৃত্যুঝুঁকি
দুপুরের খাবার ১৫ টাকায়
দীর্ঘ অনশনে কী ঘটে শরীরে?
করোনাকালে শিশুদের খাবার
ওমিক্রন থেকে সতর্ক থাকতে খান এই পাঁচ খাবার

মন্তব্য

জীবনযাপন
Biman is launching web check in

ওয়েব ‘চেক-ইন’ চালু করছে বিমান

ওয়েব ‘চেক-ইন’ চালু করছে বিমান ওয়েব চেক-ইন সুবিধা চালু করল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
ওয়েব চেক-ইনের মাধ্যমে যাত্রীরা নিজেরাই তাদের পছন্দের আসন নির্ধারণ করতে পারবেন। পাশাপাশি, বের করতে পারবেন ডিজিটাল বোর্ডিং পাশ। এতে বিমানবন্দরে বোর্ডিং পাশ সংগ্রহের জন্য যাত্রীদের অপেক্ষার সময় কমে আসবে। 

প্রথমবারের মতো আভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীদের জন্য অনলাইনে ‘চেক-ইন’ সেবা চালু করতে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

আগামী ১ জুন থেকে সেবাটি চালু করা হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওয়েব চেক-ইনের মাধ্যমে যাত্রীরা নিজেরাই তাদের পছন্দের আসন নির্ধারণ করতে পারবেন। পাশাপাশি, বের করতে পারবেন ডিজিটাল বোর্ডিং পাশ। এতে বিমানবন্দরে বোর্ডিং পাশ সংগ্রহের জন্য যাত্রীদের অপেক্ষার সময় কমে আসবে।

বিমানের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ওয়েব চেক-ইনের জন্য নির্ধারিত অপশন থেকে ফ্লাইট ছাড়ার সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা আগে এবং সর্বনিম্ন ৩ ঘণ্টার মধ্যে ওয়েব চেক-ইন করা যাবে।

কোনো যাত্রী যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রিটার্ন ফ্লাইটে ভ্রমণ করেন সে ক্ষেত্রে প্রথম যাত্রা শেষের পর রিটার্ন যাত্রার জন্য পুনরায় ওয়েব চেক-ইন করতে হবে।

ওয়েবসাইট থেকে ওয়েব চেক-ইন শেষ করার পর সেখান থেকে পাওয়া ডিজিটাল বোর্ডিং পাশ বিমানবন্দরের ওয়েব চেক-ইন কাউন্টারে দেখিয়ে অথবা প্রিন্ট করে জমা দিয়ে বোর্ডিং কার্ডের হার্ডকপি সংগ্রহ করতে হবে।

ফ্লাইট ছাড়ার সর্বনিম্ন এক ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরের ওয়েব চেক-ইন কাউন্টারে ব্যাগেজ জমা দিতে হবে এবং বোর্ডিং কার্ডের হার্ডকপি নিতে হবে।

ওয়েবের পাশাপাশি সাধারণ প্রক্রিয়াতেও চেক-ইন ব্যবস্থা চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে বিমানের বিজ্ঞপ্তিতে।

অভ্যন্তরীণ রুটের পাশাপাশি আগামী ১ জুলাই থেকে পর্যায়ক্রমে আন্তর্জাতিক রুটেও ওয়েব চেক-ইন ব্যবস্থা চালু করা হবে বলে জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

আরও পড়ুন:
মধ্যরাত থেকে ২৪ ঘণ্টার ফ্লাইটে শাহজালাল
বিমানবন্দরে ঢুকতে পাস নিতে হবে
আকাশপথে দূরত্ব অনুযায়ী ভাড়া নয় কেন
ঈদে অতিরিক্ত ফ্লাইট চায় বেসরকারি এয়ারলাইনস
‘ভাড়া কমাতে এয়ারলাইন্সগুলোকে বাধ্য করার সুযোগ নেই’

মন্তব্য

জীবনযাপন
On Arrival Visa introduced in all categories

সব ক্যাটাগরিতে অন অ্যারাইভাল ভিসা চালু

সব ক্যাটাগরিতে অন অ্যারাইভাল ভিসা চালু সব ক্যাটাগরিতে অন অ্যারাইভাল ভিসা চালুর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
করোনার কারণে দেড় বছর বন্ধের পর দেশে ২০২১ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে শুধু বাংলাদেশি বংশদ্ভূত বিদেশি নাগরিক, কূটনৈতিক এবং ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে অন অ্যারাইভাল ভিসা চালু করা হয়। নতুন করে পরিপত্র জারির ফলে অনুমোদিত দেশগুলো থেকে আসা যাত্রীরাও এই সুবিধা পাবেন।

সব ক্যাটাগরিতে অন অ্যারাইভাল ভিসা চালুর নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. শাহরিয়াজের সই করা এক পরিপত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

পরিপত্রে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সুরক্ষা সেবা বিভাগের ২০২১ সালের ১ ডিসেম্বর জারি করা পরিপত্র বাতিল করে ২০১৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর জারি করা পরিপত্র মোতাবেক আগমনী ভিসা পুনরায় চালু করা হলো।

অন অ্যারাইভাল ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জারি করা নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করতে বলা হয়েছে পরিপত্রে।

দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ১৫ মার্চ অন অ্যরাইভাল ভিসা বন্ধ করা হয়। এর দেড় বছর পর ২০২১ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে শুধু বাংলাদেশি বংশদ্ভূত বিদেশি নাগরিক, কূটনৈতিক এবং ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে অন অ্যারাইভাল ভিসা চালু করা হয়।

নতুন করে পরিপত্র জারির ফলে অনুমোদিত দেশগুলো থেকে আসা যাত্রীরাও এই সুবিধা পাবেন।

আরও পড়ুন:
লকডাউনে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ভারতীয় ভিসা সেন্টার
চার শহরে মিলবে জরুরি ভারতীয় ভিসা
মালয়েশিয়ার ভিসা সাময়িক বন্ধ
ভুয়া ভিসা দিয়ে ‌প্রতারণা, গ্রেফতার ১
করোনার মধ্যেও ভারত যাওয়ার পথ খুলল

মন্তব্য

জীবনযাপন
This time I will stop the judges from traveling abroad

এবার বিচারকদের বিদেশ ভ্রমণে লাগাম

এবার বিচারকদের বিদেশ ভ্রমণে লাগাম অধস্তন আদালতের বিচারকদের বিদেশ ভ্রমণের আবেদন না করতে নির্দেশনা এসেছে। ছবি: সংগৃহীত
গত ১২ মে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর বন্ধের আদেশ জারি করা হয়। চার দিন পর রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বিদেশ সফরেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। করোনাভাইরাস মহামারির অভিঘাত এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের কারণে বিশ্বজুড়ে মন্দা ও দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে শঙ্কায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি কৃচ্ছ্রসাধনের পরামর্শ দিয়েছেন।

সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি এবার অধস্তন আদালতের বিচারকদের জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বিদেশ ভ্রমণের আবেদন না করতে নির্দেশনা এসেছে।

ভ্রমণে বিদেশি মুদ্রার খরচজনিত কারণে জাতীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ঠেকাতে বৃহস্পতিবার এই নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. বজলুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে যে অধস্তন আদালতের বিচারকদের বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বিদেশ ভ্রমণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিচারপ্রার্থী জনগণের দ্রুত বিচারিকসেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব এড়াতে অধস্তন আদালতের বিচারকদের প্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ পরিহার করতে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন প্রধান বিচারপতি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ অবস্থায় অতীব প্রয়োজন ব্যতীত অধস্তন আদালতের বিচারকদের বিদেশ ভ্রমণের আবেদন না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।’

সারা বিশ্বে করোনা পরিস্থিতির উন্নতির পর জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতি একটি বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। আগের চেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হওয়ায় দেশে রিজার্ভে টান পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিলাসদ্রব্যের আমদানি কমাতে চাইছে সরকার। আমদানিনির্ভর কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে দেখা দিয়েছে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা। ইউক্রেনের পক্ষ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা মিত্ররা। দুই পরাশক্তির এই লড়াইয়ে বিশ্বে খাদ্য ও জ্বালানির দাম নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে গত ১২ মে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর বন্ধের আদেশ জারি করা হয়।

চার দিন পর রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বিদেশ সফরেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

করোনাভাইরাস মহামারির অভিঘাত এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের কারণে বিশ্বজুড়ে মন্দা ও দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে শঙ্কায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এই পরিস্থিতিতে সরকার জোর দিচ্ছে কৃচ্ছ্রসাধনে। বিলাসপণ্য আমদানিতেও নিরুৎসাহিত করতে হচ্ছে। পাশাপাশি আমদানিনির্ভর প্রকল্পও বেছে বেছে করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, দেশের অর্থনীতির গতি সচল রাখতে যেসব প্রকল্প অতি প্রয়োজনীয়, সেগুলোই কেবল চালিয়ে যাওয়া হবে। যেসব প্রকল্প এখনই না করলেও চলে, সেগুলো বাস্তবায়নে ধীরে চলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণও বাতিল
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ যেতে ৩ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি লাগবে
বিদেশযাত্রা বন্ধ হওয়ায় ২ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়

মন্তব্য

জীবনযাপন
The park is full of lively pastures

পার্কে প্রাণবন্ত বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল

পার্কে প্রাণবন্ত বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল
নরসিংদী সদরের নজরপুর ইউনিয়নের বুদিয়ামাড়ায় গড়ে উঠেছে অস্থায়ী এই বিনোদন পার্ক। নিউজবাংলার নরসিংদী প্রতিনিধি খন্দকার শাহীনের পাঠানো ছবি নিয়ে ফটোস্টোরি।
পার্কে প্রাণবন্ত বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল
খোলা আকাশের নিচে সাজানো নানা রাইডস। তাতে শিশুদের পাশাপাশি চড়ছেন বড়রাও। খাবারের দোকান, হরেক পণ্যের ছোটখাট স্টলে জমজমাট পার্কটি। ছবি: নিউজবাংলা

পার্কে প্রাণবন্ত বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল

প্রতিদিনই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের আনাগোনা লেগে থাকে এই পার্কে। কেউ সন্তান নিয়ে আসেন, কেউ বড় পরিবার নিয়ে, আবার কেউ আসেন বন্ধুদের সঙ্গে। ছবি: নিউজবাংলা

পার্কে প্রাণবন্ত বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল
নরসিংদীর করিমপুর জিসি সড়কে মেঘনা নদীর ওপর তৈরি শেখ হাসিনা সেতু বদলে দিয়েছে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল নজরপুর ও করিমপুর ইউনিয়নের চিত্র। ছবি: নিউজবাংলা

পার্কে প্রাণবন্ত বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল
পৌর শহর থেকে সেতু পার হলেই নজর কাড়ে এই পার্ক। ছবি: নিউজবাংলা

পার্কে প্রাণবন্ত বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল
প্রিয়জনদের নিয়ে উপভোগ্য সময় কাটানোর দৃষ্টিনন্দন জায়গা পেয়ে খুশি দুই ইউনিয়নের বাসিন্দারা। ছবি: নিউজবাংলা

পার্কে প্রাণবন্ত বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল
সদরের পাশাপাশি অন্য উপজেলা থেকেও মানুষ এই পার্কে ঘুরতে আসে। তাদের অনেকেই দাবি জানিয়েছে সেতুর পাশে একটি স্থায়ী বিনোদনকেন্দ্র নির্মাণের। ছবি: নিউজবাংলা

আরও পড়ুন:
ঘাসে অতিরিক্ত নাইট্রেটের প্রভাবে গাজীপুরে জেব্রার মৃত্যু
সাফারি পার্কে ১১ জেব্রার মৃত্যু: হচ্ছে ফৌজদারি মামলা
প্রাণীর মৃত্যু: আরও ১ কর্মকর্তার বদলি
সাফারি পার্কে প্রাণীর মৃত্যু: তদন্তে বাড়ল সময়-সদস্য
সাফারি পার্কে মৃত প্রাণীর খাবারের নমুনা নিল সিআইডি

মন্তব্য

জীবনযাপন
Hani tourism opportunities in the Sundarbans with wildlife

বনজীবীদের সঙ্গে সুন্দরবনে হানি ট্যুরিজমের সুযোগ

বনজীবীদের সঙ্গে সুন্দরবনে হানি ট্যুরিজমের সুযোগ সুন্দরবনে প্রাকৃতিক মধু সংগ্রহ করছেন মৌয়ালরা।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক এমএ হাসান বলেন, ‘এই প্রথমবারের মত পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে হানি ট্যুরিজম চালু করা হয়েছে।

জীবন ও জীবিকার তাগিদে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল ওই অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের একটি বড় অংশ। তাদের অনেকেই বনের গভীরে গিয়ে মাছ শিকার ও মধু সংগ্রহ করেন।

পর্যটক ও গবেষকরা চাইলে এখন থেকে বনজীবী এসব মানুষের সঙ্গে বনের গভীরে যাওয়ার অনুমতি পাবেন। মূলত বিস্তৃত এই বনে প্রকৃতিকভাবে যে মধুশিল্প গড়ে ওঠেছে তা সচক্ষে দেখার সুযোগ পাবেন তারা। করতে পারবেন গবেষণাও।

সুন্দরবন প্রেমীদের জন্য পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্চে চালু করা হয়েছে এই হানি ট্যুরিজম। বুধবার বেলা ১২টায় পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্চ কার্যালয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

বনজীবীদের সঙ্গে সুন্দরবনে হানি ট্যুরিজমের সুযোগ
নৌপথ ধরে সুন্দরবনের গভীরে প্রবশ করছে মৌয়ালদের একটি দল

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক এমএ হাসান বলেন, ‘এই প্রথমবারের মত পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে হানি ট্যুরিজম চালু করা হয়েছে। বনবিভাগ থেকে অনুমতি নিয়ে মৌমাছি ও মধু বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহীরা এখন থেকে সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন। এ ছাড়া মৌয়ালরা কিভাবে মধু সংগ্রহ করেন, তা দেখার জন্যও বনের গভীরে যেতে পারবেন পর্যটকরা।’

তিনি জানান, উদ্বোধনের দিনেই ২০ জনের একটি গবেষক দল হানি ট্যুরিজমের আওতায় দুই দিনের জন্য অনুমতি নিয়ে সুন্দরবন প্রবেশ করেছেন। এদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, গবেষক ও মধু ব্যবসায়ীও রয়েছেন।

এমএ হাসান বলেন, ‘এবার মধু সংগ্রহ মৌসুম প্রায় শেষ পর্যায়ে। তাই আগামী মৌসুম থেকেই হানি ট্যুরিজমে ব্যাপক সাড়া পাওয়া আশা করছি আমরা।’

হানি ট্যুরিজম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক এমএ হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহসিন হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জ কর্মকর্তা আকমুল হোসেন মাহমুদ। উপস্থিত ছিলেন চট্রগ্রামের মধু গবেষক সৈয়দ মুহাম্মদ মঈনুল আনোয়ারসহ আরও অনেকেই।

আরও পড়ুন:
২৬ মার্চের ছুটিতে জমেনি কক্সবাজারের পর্যটন ব্যবসা
সুন্দরবন ও ষাটগম্বুজ মসজিদ ঘুরে দেখলেন ১৫ দেশের রাষ্ট্রদূত
কক্সবাজারে তিন দিনে ৫০ কোটির ব্যবসার আশা
ট্যুরিস্ট পুলিশের তৎপরতায় ‘নিরাপদ পর্যটন’
পর্যটন খাতে শুল্ক-কর ছাড়ের দাবি

মন্তব্য

p
উপরে