× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

জীবনযাপন
Benefits of using earthenware
hear-news
player
print-icon

যেসব কারণে ব্যবহার করবেন মাটির পাত্র

যেসব-কারণে-ব্যবহার-করবেন-মাটির-পাত্র
খাদ্যের পুষ্টিমান বজায় রেখে স্বাদ ও গন্ধ অক্ষুণ্ন রাখে বা বাড়িয়ে দেয় মাটির পাত্র। অন্যান্য উপাদানের তৈজস দিয়ে এটা সম্ভব নয়।

আগের দিনে খাবার রান্না এবং সংরক্ষণের জন্য মাটির পাত্র ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে আমরা কাচ, অ্যালুমিনিয়াম কিংবা লোহায় বানানো পাত্র ব্যবহার করি। সম্প্রতি গবেষকরা জানতে পেরেছেন, রান্নার জন্য ধাতব উপাদানে বানানো এসব পাত্রের তুলনায় মাটির তৈরি পাত্র অনেক স্বাস্থ্যকর। এসব পাত্রে রান্না করা হলে খাবারের আসল স্বাদ ধরে রাখে, ফলস্বরূপ খাবারটি আরও সুস্বাদু হয়ে ওঠে। তবে মনে রাখতে হবে, শুধু স্বাদের জন্যই মাটির পাত্র বেছে নেওয়ার একমাত্র কারণ নয়। আরও কিছু কারণ আছে। চলুন সেগুলো জেনে নেই।

.

খাবারকে স্বাস্থ্যকর করে তোলে

মাটির পাত্র তৈরিতে ব্যবহৃত কাদামাটি প্রকৃতিতে ক্ষারীয় বলে পরিচিত, যা খাবারের অ্যাসিডের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে এবং পিএইচ স্তরকে নিরপেক্ষ করে। ফলে খাবার সহজে হজম হয় এবং এর পুষ্টি অক্ষত থাকে।

যেসব কারণে ব্যবহার করবেন মাটির পাত্র

.

তেল লাগে কম

মাটির পাত্রে রান্নার সময় তেল কম লাগে। ধীরগতিতে রান্না ও তাপ নিরোধক হওয়ায় এটি খাবারের প্রাকৃতিক তেল ও আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

.

স্বাদ ও গন্ধ অটুট রাখে

খাদ্যের পুষ্টিমান বজায় রেখে স্বাদ ও গন্ধ অক্ষুণ্ন রাখে বা বাড়িয়ে দেয় মাটির পাত্র। অন্যান্য উপাদানের তৈজস দিয়ে এটা সম্ভব নয়।

.

দুগ্ধজাত খাবারের জন্য উপযুক্ত

মাটির পাত্র দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার সংরক্ষণের জন্য খুবই নিরাপদ। এর কারণ হলো মাটির একটি শীতল প্রভাব রয়েছে এবং এটি দুধকে টক হতে বাধা দেয়।

এ ছাড়া যখন মাখন এবং দইয়ের মতো খাবার মাটির পাত্রে রাখা হয়, তখন এটি একটি সুগন্ধ দেয়, যা তাদের সম্পূর্ণ তাজা করে তোলে। আজকাল অনেকেই কাপে চা-কফি পান করতে পছন্দ করেন, কারণ এটি তাদের স্বাদকে অনন্য করে তোলে।

.

তাপ প্রতিরোধী

উচ্চ তাপে মাটির পাত্র রাখলেও তা ভেঙে যায় না। মাটির পাত্রগুলো উচ্চতাপে পুড়িয়ে বানানো হয় বলে এটি অনেকটা তাপপ্রুফ হয়ে ওঠে। তা ছাড়া এটি তাপ প্রতিরোধী বলে পরিচিত। এগুলো আপনার খাবারকে দীর্ঘ সময়ের জন্য গরম রাখতে পারে।

যেসব কারণে ব্যবহার করবেন মাটির পাত্র

.

মাইক্রোওয়েভ প্রুফ

বেশির ভাগ মাটির পাত্রই মাইক্রোওয়েভে ব্যবহার করা যায়। মাইক্রোওয়েভে মাটির পাত্র রাখলে উচ্চ তাপমাত্রার সংস্পর্শে এলে কোনো ক্ষতিকর গ্যাস বের হয় না, যা প্লাস্টিকের ক্ষেত্রে ঘটে।

.

কাচের পাত্র থেকে ভালো

কাচের পাত্র ব্যবহারে অনেক বেশি সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। এটার পড়ে ভেঙে গেলে হাত-পা কাটার সম্ভাবনা থাকে। সেদিক দিয়ে মাটির পাত্র অনেক বেশি নিরাপদ। এটা থেকে শরীর কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম।

আরও পড়ুন:
কোভিড থেকে সেরে উঠতে যা খাবেন
পানিশূন্যতায় ভুগছেন বুঝবেন যেভাবে
যানজটের সময়কে কাজে লাগাবেন যেভাবে
কুকুর পোষার আগে জেনে নিন
বাড়িতে আগুন লাগলে যা করবেন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
How to reduce the use of oil in cooking

রান্নায় তেলের ব্যবহার কমাবেন যেভাবে

রান্নায় তেলের ব্যবহার কমাবেন যেভাবে
রান্নার সময় তেলের বোতল থেকে খাবারে সরাসরি তেল ঢালবেন না। এভাবে তেল বেশি পড়ে যায়। তাই টেবিল চামচ দিয়ে তেল মেপে খাবারে দিলে তেলের ব্যবহার কমাতে পারবেন।

তেল আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজন। তবে তেলের পরিমাণ বেশি হয়ে গেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই খাবারে তেল যত কম দেয়া যায় ততই ভালো। চলুন দেখে নেই, কীভাবে কম তেলে রান্না করা যায়।

-

ননস্টিক প্যান

ননস্টিক প্যানে রান্না করলে তেল কম দিলেও চলে। তেল না দিলে সাধারণ কড়াইতে খাবার যেভাবে লেগে যায়, ননস্টিক প্যানে সেটা হয় না। তাই কম তেল ব্যবহার করতে চাইলে ননস্টিক প্যানের বিকল্প নেই।

-

বোতল থেকে তেল ঢালা বারণ

রান্নার সময় তেলের বোতল থেকে খাবারে সরাসরি তেল ঢালবেন না। এভাবে তেল বেশি পড়ে যায়। তাই টেবিল চামচ দিয়ে তেল মেপে খাবারে দিলে তেলের ব্যবহার কমাতে পারবেন।

-

রান্না হোক ভাপ

সব ধরনের খাবারের পুষ্টিগুণ বজায় রাখতে ভাপে রান্না করতে হবে। ভাজার আগে ভাপিয়ে নিলে যেমন রান্না করতে কম সময় লাগে, তেমনি অতিরিক্ত তেলের খরচও কমে।

-

বেক করুন

খাবার বেক করতে তেল মসলার তেমন প্রয়োজন হয় না। তাই অল্প তেল ও মসলা ব্যবহার করে বেক করে নিতে পারেন খাবার।

-

দই দিয়ে ম্যারিনেট

দই দিয়ে মাছ-মাংস আগে থেকে ম্যারিনেট করে রাখুন। রান্নার সময় তাতে সামান্য তেল যোগ করুন। এতে একদিকে খাবার যেমন সুস্বাদু হবে, তেমনি তেলের ওপর চাপও কমবে।

আরও পড়ুন:
শিশু খাবার খেতে না চাইলে যা করবেন
পচা মুরগির মাংস চিনবেন যেভাবে
কতক্ষণ সিদ্ধে কেমন ডিম
পায়ের দুর্গন্ধ দূর করতে যা করবেন
ঈদের আগে শপিং স্ক্যাম থেকে নিজেকে রক্ষার টিপস

মন্তব্য

জীবনযাপন
Ways to recognize pure molasses

খাঁটি গুড় চেনার উপায়

খাঁটি গুড় চেনার উপায়
যদি গুড় একটু তেতো স্বাদের হয়, তবে বুঝতে হবে গুড় বহুক্ষণ ধরে জ্বাল দেওয়া হয়েছে। আর এই কারণেই একটু তিতকুটে স্বাদ নিয়েছে।

গুড় আমাদের সবার পছন্দ। সেমাই-পায়েস বানাতে কিংবা শুধু মুড়ির সঙ্গে গুড় খেতে অনেকেই পছন্দ করি। অন্যান্য অনেক খাবারের মতোই বাজারে নকল এবং ভেজাল গুড় পাওয়া যায়, যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। সম্প্রতি আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে খাটি গুড় চেনার কিছু টিপস দিয়েছে। চলুন দেখে নেই।

-

কেনার সময় একটু গুড় ভেঙে নিয়ে চেখে দেখবেন। যদি একটু নোনতা লাগে তবে বুঝতে হবে এতে ভেজাল মেশানো রয়েছে। তা ছাড়া পুরোনো গুড়ও স্বাদে খানিকটা নোনতা হয়। গুড় যত পুরোনো তাতে নুনের মাত্রা তত বেশি।

-

গুড় যদি একটু বেশি চকচক করে ঠিক স্ফটিকের মতো, তবে বুঝবেন গুড়টি যে খেজুর রস দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল তার স্বাদ এতটা মিষ্টি ছিল না। আর সেই কারণে ওই গুড় মিষ্টি করে তুলতে এতে প্রচুর পরিমাণে চিনি মেশানো হয়েছে।

-

গুড় কেনার সময় আপনি কি তা শুধু চোখে দেখেই কিনে নেন? তবে ভুলেও তেমনটি করবেন না। গুড়ের ধারটা দুই আঙুল দিয়ে চেপে দেখবেন। যদি নরম হয়, তবে বুঝবেন ওই গুড় ভীষণ ভালো। এই গুড়ে ভেজাল মেশানো নেই বললেই চলে।

-

যদি গুড় একটু তেতো স্বাদের হয়, তবে বুঝতে হবে ওই গুড়ে বহুক্ষণ ধরে জ্বাল দেওয়া হয়েছে। এ কারণেই একটু তিতকুটে স্বাদ নিয়েছে, যা ভালো হয়ে ওঠার নিরিখে ডাহা ফেল।

-

গুড় কেনার সময় তার রং অবশ্যই দেখে নেবেন। শুদ্ধ গুড়ের রং গাঢ় বাদামি হয়। রঙের হেরফের হলে বুঝতে হবে গুড়ে ভেজাল আছে। বিশেষ করে হলদে গুড় দেখলেই বুঝবেন তাতে রাসায়নিক মেশানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পচা মুরগির মাংস চিনবেন যেভাবে
কতক্ষণ সিদ্ধে কেমন ডিম
পায়ের দুর্গন্ধ দূর করতে যা করবেন
ঈদের আগে শপিং স্ক্যাম থেকে নিজেকে রক্ষার টিপস
পাকা তরমুজ চিনবেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
How to clean kitchen oil sticky tiles

রান্নাঘরের তেলচিটে টাইলস পরিষ্কার করবেন যেভাবে

রান্নাঘরের তেলচিটে টাইলস পরিষ্কার করবেন যেভাবে
টাইলসের ওপরে লেবুর রস ছড়িয়ে দিন। কিছুক্ষণ পর সেই জায়গায় বরফ ঘষুন। টাইলস পরিষ্কার হয়ে তেলচিটে ভাব চলে যাবে।

রান্নাঘরের টাইলসগুলো অল্প দিনেই তেলচিটে হয়ে যায়। নিয়মিত পরিষ্কার না করলে টাইলসের তেলে আরও ময়লা আটকে যায়। তখন দেখতেও খারাপ লাগে।

টাইলসের এই তেলচিটে দাগ পরিষ্কার করা খুব একটি কঠিন কাজ নয়। চলুন দেখে নেই, কীভাবে এটা পরিষ্কার করবেন।

-

১. টাইলসের ওপরে লেবুর রস ছড়িয়ে দিন। কিছুক্ষণ পর সেই জায়গায় বরফ ঘষুন। টাইলস পরিষ্কার হয়ে তেলচিটে ভাব চলে যাবে।

-

২. দুই কাপ পানিতে সমপরিমাণ ভিনেগার নিন। মিশ্রণ একটি বোতলে ভরে সরাসরি টাইলসে স্প্রে করুন। ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার সাবান পানি দিয়ে টাইলস পরিষ্কার করুন।

-

৩. তেল ময়লা পরিষ্কার করতে ব্লিচের তুলনা নেই। পানির সঙ্গে ব্লিচ মিশিয়ে টাইলসে ঘষলে তেল ময়লা উঠে যাবে। সবশেষে একটি কাপড় দিয়ে মুছে নিতে হবে।

আরও পড়ুন:
কতক্ষণ সিদ্ধে কেমন ডিম
পায়ের দুর্গন্ধ দূর করতে যা করবেন
ঈদের আগে শপিং স্ক্যাম থেকে নিজেকে রক্ষার টিপস
পাকা তরমুজ চিনবেন যেভাবে
ফ্রিজ পরিষ্কার করবেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
Some more uses of lemon peel

লেবুর খোসার আরও কিছু ব্যবহার

লেবুর খোসার আরও কিছু ব্যবহার
রান্নাঘরের সিঙ্ক থেকে দুর্গন্ধ আসছে? চিন্তার কিছু নেই। লেবুর খোসা দিয়ে ঘষে ঘষে সিঙ্কটা পরিষ্কার করুন। গন্ধ চলে যাবে।

লেবুর খোসা অনেক কাজের কাজি। এটাকে ফেলে না দিয়ে অন্য কাজেও ব্যবহার করতে পারেন। টেস্ট অব হোম ডটকমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে লেবুর খোসা আর কী কী কাজে ব্যবহার করা যায়। চলুন দেখে নেই।

-

একটা কাপে লেবুর খোসা নিয়ে তাতে ভিনিগার দিন। এভাবে রাখুন তুই সপ্তাহ। এবার এই মিশ্রণটা দিয়ে পরিষ্কার করতে পারবেন ঘরোয়া জিনিস। যেমন- হাঁড়ি পাতিল, আয়না, ঘরের মেঝে ইত্যাদি।

-

লেবুর খোসা ও দারুচিনি একটি পাত্রে নিয়ে তাতে পানি ঢালুন। রেখে দিন ঘরের কোণে। দারুণ সুবাস ছড়াবে সে। ঘর থাকবে ফ্রেশ।

-

রান্না ঘরের সিঙ্ক থেকে দুর্গন্ধ আসছে? চিন্তার কিছু নেই। লেবুর খোসা দিয়ে ঘষে ঘষে সিঙ্কটা পরিষ্কার করুন। গন্ধ চলে যাবে।

-

কফি বা চায়ের কাপে দাগ বসে গেছে? তাহলে লেবুর খোসা, বরফ এবং মোটা লবণ দিয়ে মগের মধ্যে ঘষুন। দাগ চলে যাবে।

-

পোষা বিড়াল অনেক সময় ঘরের টবগুলো নষ্ট করে। গাছ থেকে বিড়ালকে দূরে রাখতে গাছের গোড়ায় লেবুর খোসা রাখুন। লেবুর খোসা বিড়ালের জন্য ক্ষতিকর নয়। তবে ওরা লেবুর গন্ধ সহ্য করতে পারে না।

-

পেঁয়াজ রসুন কাটার পর হাতে গন্ধ থেকে যায়। এটা দূর করতে লেবুর খোসার সাহায্য নিতে পারেন। এক টুকরা লেবুর খোসা ঘষে নিন হাতে। গন্ধ চলে যাবে।

-

লেবুর খোসা কুচি করে পানীয় অথবা তরকারিতে মিশিয়ে নিতে পারেন। এর ফলে খাবারে আলাদা ধরনের স্বাদ পাবেন।

-

ওভেনের ভেতরে থাকা গন্ধ দূর করতে পারে লেবুর খোসা। একটি বাটিতে পানি ও লেবুর খোসা নিয়ে ওভেনে গরম করুন।

আরও পড়ুন:
পায়ের দুর্গন্ধ দূর করতে যা করবেন
ঈদের আগে শপিং স্ক্যাম থেকে নিজেকে রক্ষার টিপস
পাকা তরমুজ চিনবেন যেভাবে
ফ্রিজ পরিষ্কার করবেন যেভাবে
পিঁপড়ার হাত থেকে মুক্তি পাবেন যেভাবে

মন্তব্য

জীবনযাপন
The way to keep the nonstick pot good

ননস্টিক পাত্র ভালো রাখবেন যেভাবে

ননস্টিক পাত্র ভালো রাখবেন যেভাবে
তারজালি মাজুনি দিয়ে ননস্টিক পাত্র পরিষ্কার করা যাবে না। এতে ওপরের আবরণ উঠে যাবে। এই জটিলতা এড়াতে ফোম অথবা কাপড়ের মাজুনি ব্যবহার করতে হবে।

খাবারে কম তেল ব্যবহার করতে চাইলে ননস্টিক পাত্রে রান্নার বিকল্প নেই। এতে তুলনামূলক কম তেল লাগে। তেল না দিলেও তলায় লেগে যাওয়ার ভয় থাকে না।

ননস্টিক প্যান তৈরিতে ব্যবহার করা হয় অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন ও বিশেষ ধরনের লোহার উপাদান। এসবের ওপরে দেয়া হয় পলিটেট্রাফ্লুওরিথাইলিন নামের এক ধরনের পদার্থের আস্তর। ঠিকঠাক যত্ন না নিলে ননস্টিক পাত্রের এই আবরণটি উঠে যেতে পারে।

চলুন দেখে নেই ননস্টিক পাত্র দীর্ঘদিন ভালো রাখতে হলে কী করতে হবে।

-

১. তারজালি মাজুনি দিয়ে ননস্টিক পাত্র পরিষ্কার করা যাবে না। এতে ওপরের আবরণ উঠে যাবে। এই জটিলতা এড়াতে ফোম অথবা কাপড়ের মাজুনি ব্যবহার করতে হবে।

২. ক্ষারযুক্ত সাবান, বালু, ছাই ইত্যাদি দিয়েও ননস্টিক পাত্র পরিষ্কার করা ঝুঁকিপূর্ণ। এ সবের পরিবর্তে রিকুইড সাবান ব্যবহার করতে হবে।

৩. ননস্টিক পাত্রে লোহা, অ্যালুমিনিয়াম কিংবা অন্য কোনো ধাতব চামচ ব্যবহার করা যাবে না। এতে ননস্টিকে দাগ পড়ে যায়। কাঠ অথবা প্লাস্টিকের চামচ ব্যবহার করতে হবে।

৪. দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ননস্টিক পাত্রে দাগ পড়ে যায়। এ দাগ দূর করার জন্য অল্প পানির সঙ্গে সিরকা মিশিয়ে চুলার মৃদু আঁচে কয়েক মিনিট নাড়লে দাগ উঠে যাবে।

আরও পড়ুন:
ঈদের আগে শপিং স্ক্যাম থেকে নিজেকে রক্ষার টিপস
পাকা তরমুজ চিনবেন যেভাবে
ফ্রিজ পরিষ্কার করবেন যেভাবে
পিঁপড়ার হাত থেকে মুক্তি পাবেন যেভাবে
দুধ উপচে পড়া ঠেকাতে যা করবেন

মন্তব্য

জীবনযাপন
What do you understand by any behavior of the cat

বিড়ালের কোন আচরণে কী বুঝবেন

বিড়ালের কোন আচরণে কী বুঝবেন
বিড়াল প্রতিশোধ নেয়ার জন্য আসলে কিছু করে না। তার কোনো আচরণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ দেখা গেলে বুঝতে হবে, পোষা প্রাণী হিসেবে ও যতটুকু জানে তা দিয়েই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে।

শখ করে বিড়াল পোষেন অনেকেই, কিন্তু এর মন বোঝার মানুষ খুব কম। জিনিসপত্র এলোমেলো করা থেকে শুরু করে নানা রকম অদ্ভুত শব্দ ও আচরণে প্রায়ই বিভ্রান্তিতে পড়েন অনেকে। মন বুঝতে পারার অক্ষমতায় অনেক সময়ে ভালোবাসার প্রাণীটি হয়ে ওঠে রীতিমতো বিরক্তিকর।

এ অবস্থা বিড়াল কিংবা তার মালিক, কারও জন্যই স্বস্তিকর নয়। এই বিভেদের দেয়াল ভাঙতে হলে আগে আপনাকে বুঝতে হবে বিড়ালেরও মন বলে কিছু আছে। ওদের জীবনেও আসে ভালোলাগা কিংবা মন্দলাগার সময়। আর সেটা মানুষকে বোঝানোর কিছু কৌশল রয়েছে বিড়ালের। পোষা প্রাণীটি চায় সেসব কৌশল দেখে আপনি ওকে বুঝে নিন, ওকে আদরে কাছে টেনে নিন।

আর তাই হিংস্র চোখে তাকানো কিংবা লিটার বক্সের বাইরে মলত্যাগ করা দেখলেই পোষা বিড়ালকে ভুল বুঝবেন না। বরং ওকে বুঝতে শিখুন। বিড়ালের আচরণ বিশেষজ্ঞ রাচেল গেলার বলেছেন, বেশির ভাগ মালিক জানেনই না, তাদের পোষা প্রাণীর কী প্রয়োজন।

গেলার বলছেন, একটি বিড়াল প্রতিশোধ নেয়ার জন্য আসলে কিছু করে না। তার কোনো আচরণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ দেখা গেলে বুঝতে হবে, পোষা প্রাণী হিসেবে ও যতটুকু জানে তা দিয়েই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে।

বিড়ালের আচরণ নিয়ে গবেষণা করা আরেক বিশেষজ্ঞ অনিতা কেলসি। ‘লেটস টক অ্যাবাউট ক্যাটস’ নামে একটি বইও লিখেছেন তিনি। অনিতা বলছেন, বিড়াল আসলে সমমর্মিতার অনুরক্ত। সহযোগিতা পেতে ওরা মানুষের কৃপাপ্রার্থী।

গেলার বলেছেন, মনে কী ঘটছে সেটা প্রকাশের জন্য বিড়ালের নিজস্ব ‘ভাষা’ রয়েছে। তাকে পোষ মানানো মালিকের উচিত সেই ভাষাটি পড়তে পারার দক্ষতা অর্জন করা।

আসুন জেনে নেই বাসায় মিউ মিউ করে ঘুরে বেড়ানো বিড়ালটির মনের গভীরে আসলে কী ঘটছে।

মানুষের আশপাশে ঘুরঘুর করা

বিড়াল বিভিন্ন উপায়ে নিজের ভাবভঙ্গী প্রকাশ করে। তবে অনেক সময়েই তাদের ইতিবাচক প্রকাশভঙ্গি আমরা খেয়াল করি না।

বিড়ালের আচরণ এবং শরীর বিশেষজ্ঞ জ্যাকসন গ্যালাক্সি বলেছেন, একটি বিড়ালের রাজকীয় উপস্থিতিই তার ইতিবাচক আচরণের নির্দেশক হতে পারে। গ্যালাক্সি ব্যাখ্যা করেছেন, বিড়াল প্রায়ই এক ধরনের রাজকীয় ভাব নিয়ে বসে থাকে। যেমন- বুক উঁচিয়ে, কান খাড়া রেখে এবং স্বচ্ছ চোখে তাকিয়ে থেকে। এর অর্থ হলো সে তখন আশপাশের অঞ্চলের মালিকানা অনুভব করছে। এই ‘স্বাধীন অঞ্চলে’ সে স্বাধীনভাবে ঘোরাঘুরি করা বা ইচ্ছামতো শুয়ে-বসে থাকার অধিকার রাখে।

অনিতার মতে, আরেকটি ইতিবাচক লক্ষণ হলো যখন একটি বিড়াল আপনার মতো একই ঘরে থাকতে আরাম ও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। আপনার কোলজুড়ে বিড়ালের বসে থাকা বা এর পেট আপনার সামনে উন্মুক্ত করে দেয়াও আরাম উপভোগের লক্ষণ। তবে সাবধান, এ সময় বিড়ালের পেটে অযথা খোঁচাখুঁচি করবেন না। কারণ কিছু বিড়ালের একদম সেটি পছন্দ নয়, বিরক্ত হয়ে তারা কিন্তু আঁচড় দিয়ে বসতে পারে।

ঘ্রাণ নেওয়া

ঘ্রাণ নেয়া অথবা বিড়াল আপনার শরীরে বা কোনো বস্তুর ওপর মাথা ঘষলে ধরে নিন এটি তাদের ভালোবাসা প্রকাশের লক্ষণ। বিড়াল এভাবে গন্ধ ছড়িয়ে নিজের প্রিয় অঞ্চল চিহ্নিত করে থাকে। বিড়াল চেটেও এটি করতে পারে।

দলিত মথিত করা

অনেক সময়েই বিড়ালকে নরম কোনো বস্তু যেমন কম্বল বা চাদরকে দলিত মথিত করতে দেখা যায়। এটি বিড়ালের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য

গেলার বলেন, ‘বিড়াল ছোট থাকার সময়ে এই কৌশলে দুধ নিঃসৃত করতে মাকে প্ররোচিত করে। বড় হয়েও সে এই স্বভাবের মাধ্যমে নিজের মধ্যে নিরাপত্তা বোধের জন্ম দেয়। সে মনে করে, এভাবেই সে মায়ের সান্নিধ্যে নিরাপদ আছে। প্রশান্তি, ভালোবাসার মধ্যে থাকা বিড়াল এ কাজটি করে থাকে। এটি হলো ঘনিষ্ঠতা প্রকাশের একটি ভাষা।’

সোজা লেজ

গেলার বলছেন, ‘বিড়ালের লেজও তার খুশির একটি চিহ্ন হতে পারে। যেমন- একটি বিড়াল আপনার কাছে এসে লেজ সোজা করে রাখলে বা শেষের দিকটি সামান্য বাঁকানো থাকলে ধরে নিতে পারেন, এটি তার ভালোবাসা প্রকাশের চিহ্ন।’

চোখ দেখে বুঝুন ভালোবাসা

গেলার বলেন, ‘বিড়ালের আরও একটি ইতিবাচক আচরণ হলো, চোখে ধীর পলক। খোলা চোখ, ধীরে পলক ফেলা একটি বিড়াল মানেই সে সুখী ও মানসিকভাবে প্রশান্ত। অথচ পলক না ফেলে সরাসরি তাকিয়ে থাকা বিড়ালকে ভয় পান অনেকে।’

হিস হিস শব্দ করা

রাগ বা অস্বস্তি প্রকাশেরও নিজস্ব ধরন রয়েছে বিড়ালের। অনিতা বলেছিলেন, হিস হিস করা বা গর্জন করার অর্থ একটি বিড়াল কিছু বিষয় নিয়ে অখুশি। আর গেলার বলেছেন, ‘হিস হিস শব্দ সাধারণত অন্য ব্যক্তি বা প্রাণীর জন্য একটি সতর্কবার্তা। বিড়ালটি তাকে সরে যেতে বলছে।’

বিড়াল সাধারণত পরিচিত জিনিস পছন্দ করে, এটি তার মধ্যে নিরাপত্তা বোধেরও জন্ম দেয়। গেলার বলেন, ‘তাই কখনও কখনও বিড়ালের হিস হিস করার কারণ তাদের পরিচিত পরিবেশে একটি নতুন বস্তু দেখা যাচ্ছে (যেমন- একটি খেলনা বা আসবাবের টুকরা)।

এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে বিড়ালকে অভ্যস্ত করার জন্য বাড়িতে ধীরে ধীরে নতুন সামগ্রী আনার পরামর্শ দিচ্ছেন গেলার।

লিটার বক্সে অনাগ্রহ

কেলসি বলেন, লিটার ট্রের বাইরে বিড়ালের টয়লেট করার ঘটনা বিড়ালের কোনো একটি সমস্যা অথবা অসন্তুষ্টির চিহ্ন। গেলার বলছিলেন, এর সহজ অর্থ হতে পারে আপনি যে ধরনের লিটার ব্যবহার করছেন বিড়াল তা পছন্দ করছে না অথবা এটা বক্সের বেশ গভীরে রয়েছে।

সাধারণ ধারণাটি হলো, লিটার বক্স ব্যবহারের সময় বিড়াল গোপনীয়তা পছন্দ করে। তবে গেলার বলছেন, এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।

তার মতে, বিড়াল এ সময় তাদের চারপাশটি পরিষ্কার দেখতে চায়। আবৃত লিটার বক্স বিড়ালের একদমই পছন্দ নয়। এর কারণ হলো বিড়াল লিটার বক্স ব্যবহারের সময় খুব দুর্বল অবস্থানে থাকে। এ সময় প্রতিপক্ষ বা সম্ভাব্য আক্রমণকারীকে সে দূর থেকেই সরাসরি দেখতে চায়।

গ্যালাক্সি বলেছেন, লিটার বক্স ব্যবহার না করার আরেকটি কারণ হতে পারে বিড়াল তার নিজস্ব অঞ্চল নিয়ে উদ্বেগে ভুগছে অথবা যে জায়গায় সে আছে সেটি তার নিরাপদ মনে হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে লিটার বক্সগুলো বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন গ্যালাক্সি।

আঁচড় কাটা

পোষা বিড়ালের বিরুদ্ধে বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় আঁচড় কাটার অভিযোগ প্রায় সবার। গেলার বলছেন, বিড়াল অনেক কারণে আঁচড় দেয়। যেমন- উত্তেজনা প্রকাশ, উত্তেজনা কমানো, চাপ প্রশমন, নিজের অঞ্চল চিহ্নিত করতে এরা আঁচড় দিয়ে থাকে। আবার মরে যাওয়া নখ ফেলে দেয়া এবং থাবা ঠিকঠাক রাখতেও এটা করা প্রয়োজন। আঁচড়ানো কোনো খারাপ স্বভাব নয়, তবে বিড়াল শক্ত কাঠের মেঝেতে আঁচড় কাটতে শুরু করলে সমস্যা হতে পারে।

গেলারের পরামর্শ, বাড়ির যত্রতত্র আঁচড় কাটা পছন্দ না করলে আপনি বিড়ালের জন্য একটি উপযুক্ত পছন্দের জায়গা নির্ধারণ করে দিতে পারেন।

হামলে পড়ে সব খেয়ে নেয়া

গেলার বলছেন, বিড়ালের অতিরিক্ত ক্ষুধা বা খাবারের জন্য মালিকের পিছে পিছে ঘোরা দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে। কারণ এমন আচরণ হাইপারথাইরয়েডিজম বা টেপওয়ার্মের মতো স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। এ ধরনের লক্ষণ দেখা গেলেই মালিকদের সঠিক পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

সেরা জীবন উপহার দিন

মালিকদের জন্য গ্যালাক্সির পরামর্শ হলো, প্রিয় বিড়ালটিকে বুঝতে দিন ও ওর সেরা জীবনের মধ্যেই রয়েছে।

তিনি বলেন, বাইরের জীবনে থাকলে বিড়াল নিজের মতো করে তার এলাকা নির্ধারণ ও শিকার করতে পারত। এটি পোষা বিড়ালের মালিকদের মাথায় রাখতে হবে। আর তা হলেই একজন অভিভাবক হিসেবে বিড়ালকে সবচেয়ে ভালো রাখার উপায়গুলো আপনি বুঝতে পারবেন। ওর অভিভাবক হিসেবে বাইরের জীবনের মুক্তির স্বাদও ওকে দেয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে।

আরও পড়ুন:
মুরগি চুরির অপরাধে আটক, পরে মুক্তি
লাউয়াছড়ায় মা হারা তিন বনবিড়াল শাবকের মৃত্যু
তিন যুবক বাঁচালেন বিরল বনবিড়ালের ৫ ছানা
আপনার বিড়ালটিও কি সাইকোপ্যাথ?
বিড়ালের আঁচড় বা কামড়ে কী করবেন

মন্তব্য

জীবনযাপন
How to boil potatoes quickly

আলু দ্রুত সেদ্ধ করবেন যেভাবে

আলু দ্রুত সেদ্ধ করবেন যেভাবে
আস্ত আলু সেদ্ধ করবেন না। সেদ্ধ করার আগে ছোপ ছোট কিউব আকারে কেটে নিন। সম্ভব হলে আলুর কিউবগুলো কাঁটাচামচ দিয়ে ছিদ্র করে দিন। দ্রুত সেদ্ধ হবে আলু।

আলু আমাদের সবার প্রিয় সবজি। মোটামুটি সব তরকারিতেই আলু খাওয়া যায়। আলু সেদ্ধ হতে সাধারণত ১৫ থেকে ২৫ মিনিট লাগে। এনডিটিভি ডটকমের এক প্রতিবেদনে আলু দ্রুত সেদ্ধ করার পদ্ধতি জানানো হয়েছে। চলুন দেখে নিই।

-

খোসা ছাড়িয়ে নিন

খোসাসহ আলু সেদ্ধ করতে অনেক সময় লাগে। তাই আলু সেদ্ধ করার আগে খোসা ছাড়িয়ে নিন।

-

আলু কেটে টুকরা করুন

আস্ত আলু সেদ্ধ করবেন না। সেদ্ধ করার আগে ছোপ ছোট কিউব আকারে কেটে নিন। সম্ভব হলে আলুর কিউবগুলো কাঁটাচামচ দিয়ে ছিদ্র করে দিন। দ্রুত সেদ্ধ হবে আলু।

-

লবণ দিন

আলু যে পানিতে ফোটাবেন সেই পানি ফুটে উঠলে তাতে আধা চা চামচ লবণ দিন।

-

ওভেন ব্যবহার করুন

আলু ধুয়ে নিন খোসাসহ। কাঁটাচামচ দিয়ে ছিদ্র করে ওভেনে প্রতি পাশ ২ মিনিট ৩০ সেকেন্ড করে সেদ্ধ করুন।

আরও পড়ুন:
পাকা তরমুজ চিনবেন যেভাবে
ফ্রিজ পরিষ্কার করবেন যেভাবে
পিঁপড়ার হাত থেকে মুক্তি পাবেন যেভাবে
দুধ উপচে পড়া ঠেকাতে যা করবেন
পাকা কলা সংরক্ষণ করবেন যেভাবে

মন্তব্য

p
উপরে