পানিশূন্যতায় ভুগছেন বুঝবেন যেভাবে

player
পানিশূন্যতায় ভুগছেন বুঝবেন যেভাবে

পানিশূন্যতা দেখা দিলে শরীরে অবসন্নভাব চলে আসে। পানির অভাবে শরীর ঠিকমতো কাজ করতে পারে না বলেই এটা হয়।

আমাদের শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ পানি। কোনো কারণে যদি পানির এই পরিমাণ কমে যায়, তাহলে শরীরে দেখা দেয় নানা সমস্যা। দীর্ঘদিন পানিশূন্যতায় ভুগলে হতে পারে মৃত্যুও। পানিশূন্যতার লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট এনএইচএস

.

লক্ষণ

মাথাব্যথা

শরীরে পানির ঘাটতি হলে মাথাব্যথা হতে পারে। পানিশূন্যতা হলে মস্তিষ্কে অক্সিজেন ও রক্ত প্রবাহ কমে যায়। আর এ থেকে মাথাব্যথা হয়।

.

মনোযোগের অভাব

মানুষের মস্তিষ্ক ৯০ শতাংশ পানি দিয়ে তৈরি। তাই পানির ঘাটতি হলে মস্তিষ্কে এর প্রভাব পড়ে। পানিশূন্যতা স্মৃতি, মেজাজ ধরে রাখা ও সীদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব ফেলে।

.

মুখে দুর্গন্ধ হওয়া

পানিশূন্যতা হলে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। পানির ঘাটতি হলে শরীরে লালা কম উৎপাদন করে। এ কারণে মুখে ব্যাকটেরিয়া বেশি তৈরি হয় এবং মুখে দুর্গন্ধ হয়।

.

কোষ্ঠকাঠিন্য

মল ভালোভাবে হতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে পানি। পানিশূন্যতা হলে কোষ্ঠকাঠিন্য, বুক জ্বালাপোড়া ও হজমের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

.

প্রস্রাবের রঙের পরিবর্তন

প্রস্রাব ঠিকঠাকমতো হওয়া মানে শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি রয়েছে। প্রস্রাবের রং গাঢ় হলুদ এবং তাতে তীব্র দুর্গন্ধ থাকলে বুঝতে হবে শরীরে পানির ঘাটতি রয়েছে।

.

অবসন্নভাব

পানিশূন্যতা দেখা দিলে শরীরে অবসন্নভাব চলে আসে। পানির অভাবে শরীর ঠিকমতো কাজ করতে পারে না বলেই এটা হয়।

.

প্রতিরোধ

দিনে অন্তত দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করুন।

সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে পানি পান করে নিন। এটি অনেক সমস্যা কমাতে কাজ করবে।

সব সময় ব্যাগে পানির বোতল রাখুন।

খাদ্যতালিকায় রাখুন পানি জাতীয় সবজি ও ফল। যেমন : তরমুজ, শসা, টম্যাটো, বাঁধাকপি ইত্যাদি।

তবে কিডনি রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পানি পান করবেন।

আরও পড়ুন:
যানজটের সময়কে কাজে লাগাবেন যেভাবে
কুকুর পোষার আগে জেনে নিন
বাড়িতে আগুন লাগলে যা করবেন
পিঠের ব্যথা সারছে না?
বিমানযাত্রায় যত নিয়ম

শেয়ার করুন

মন্তব্য

চাকরির ইন্টারভিউয়ের আগে জেনে নিন

চাকরির ইন্টারভিউয়ের আগে জেনে নিন

চাকরির পদ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে তার সাথে নিজের যোগ্যতা ও দক্ষতা মিলিয়ে নিন। এর মাধ্যমে আপনি ওই পদে কাজ করার জন্য কতটুকু প্রস্তুত সে সম্পর্কে ধারণা পাবেন। ফলে ইন্টারভিউ বোর্ডে নিজেকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরা আপনার জন্য সহজ হবে।

প্রতিযোগিতাপূর্ণ চাকরির বাজারে সাফল্য পাওয়ার অন্যতম পূর্বশর্ত হলো একটি সফল ইন্টারভিউ। তবে এর জন্য প্রয়োজন পূর্বপ্রস্তুতির। ইউনিভার্সিটি অব নর্থ জর্জিয়ার এক আর্টিকেলে জানানো হয়েছে, ইন্টারভিউয়ের আগে কী কী করতে হবে। চলুন দেখে নিই।

প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানুন

যে প্রতিষ্ঠানে ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছেন সে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আগেই খোঁজখবর নিন। কোম্পানির ধরন, প্রতিষ্ঠাকাল, বর্তমান অবস্থা, প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের ধরন, বাজারমূল্য, পণ্য বা সেবার বাজার চাহিদা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, কর্মীসংখ্যা, কর্মীদের সম্ভাব্য মাসিক আয়, কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা নিন। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট, লিঙ্কডইন প্রোফাইল, প্রেস রিলিজ অথবা ইন্টারনেটের ওপেন সোর্স থেকে আপনি এ তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে পারেন। প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা থাকলে ইন্টারভিউর সময় অনেক প্রশ্নের যথাযথ তথ্যসহ উত্তর দিতে পারবেন।

সম্ভাব্য প্রশ্ন সম্পর্কে ধারণা নিন

ইন্টারভিউ বোর্ডে সাধারণত কিছু প্রচলিত প্রশ্ন করা হয়। যেমন: আপনার পছন্দের কাজ বা শখ নিয়ে প্রশ্ন। এ ছাড়া চাকরির ধরন, প্রতিষ্ঠানের ধরন আর কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে আপনাকে জিজ্ঞাসা করা হতে পারে। এসব সম্ভাব্য প্রশ্নের একটি তালিকা করে প্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর ইন্টারভিউর আগে তৈরি করে নিলে ইন্টারভিউর সময় সাবলীল ও গোছানো উত্তর দিতে পারবেন।

ইন্টারভিউ প্রস্তুতি নিতে অনুশীলন করুন

চূড়ান্ত ইন্টারভিউ বোর্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে নিজের বন্ধুবান্ধব কিংবা পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় একটি অনুশীলনমূলক ইন্টারভিউর আয়োজন করতে পারেন। এতে নিজের জড়তা কাটিয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে পারবেন। সাথে কোনো ভুল ধরা পড়লে শুধরে নেয়ার সুযোগ পাবেন।

পদের সাথে নিজের যোগ্যতা ও দক্ষতার তুলনা করুন

চাকরির পদ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে তার সাথে নিজের যোগ্যতা ও দক্ষতা মিলিয়ে নিন। এর মাধ্যমে আপনি ওই পদে কাজ করার জন্য কতটুকু প্রস্তুত সে সম্পর্কে ধারণা পাবেন। ফলে ইন্টারভিউ বোর্ডে নিজেকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরা আপনার জন্য সহজ হবে।

নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের কোনো প্রোডাক্ট ব্যবহার করুন বা সার্ভিস নিন

নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সম্পর্কে আপনার ধারণা আছে কি না, সে ব্যাপারে ইন্টারভিউ বোর্ডে আপনাকে প্রশ্ন করা হতে পারে। তাই সম্ভব হলে ইন্টারভিউর আগে প্রতিষ্ঠানটির প্রোডাক্ট ব্যবহার করুন বা সার্ভিস নিন।

নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলগুলো দেখে নিন

বর্তমানে বহু প্রতিষ্ঠান চাকরিপ্রত্যাশীদের ব্যক্তিত্ব যাচাইয়ের জন্য তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। তাই ইন্টারভিউর আগে আপনার সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলের দিকে নজর দিন।

মার্জিত পোশাক পরুন

পোশাক-পরিচ্ছদ আর অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে আপনার ব্যক্তিত্ব ফুটে ওঠে। তাই পরিষ্কার পোশাক পরে ও মার্জিত চেহারা নিয়ে ইন্টারভিউ বোর্ডে যান।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন

ইন্টারভিউ বোর্ডে যাওয়ার আগে অবশ্যই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে নিন। নির্দেশনা না থাকলেও সাধারণ কিছু ডকুমেন্ট রাখুন। যেমন: সব ধরনের অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট, কাজের অভিজ্ঞতার নমুনা, সিভি ও ছবি।

যথাসময়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উপস্থিত থাকুন

আপনার সময়নিষ্ঠতার একটি উদাহরণ হতে পারে ঠিক সময়ে ইন্টারভিউ বোর্ডে আপনার উপস্থিতি। হাতে কিছু বাড়তি সময় নিয়ে আপনার যাত্রা শুরু করুন।

আরও পড়ুন:
যানজটের সময়কে কাজে লাগাবেন যেভাবে
কুকুর পোষার আগে জেনে নিন
বাড়িতে আগুন লাগলে যা করবেন
পিঠের ব্যথা সারছে না?
বিমানযাত্রায় যত নিয়ম

শেয়ার করুন

শীতকালীন ভ্রমণের প্রস্তুতি নেবেন যেভাবে

শীতকালীন ভ্রমণের প্রস্তুতি নেবেন যেভাবে

শীতকালে গাঢ় রঙের মোটা তাপনিরোধক কাপড়ের তৈরি জামা পরিধান করুন। তবে খেয়াল রাখবেন শীতের কাপড়ের ওজন যত সম্ভব যেন কম হয়। তা না হলে আপনার ব্যাকপ্যাক ভারী হবে।

শীতকালে বেড়াতে যাওয়ার জন্য সবার মনটা ছটফট করে। কোথাও যাওয়ার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভ্রমণ প্রস্তুতি। এটার ওপর নির্ভর করবে ভ্রমণ কতটা আনন্দময় হবে। স্মার্ট ট্রাভেল ডটকমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভ্রমণ প্রস্তুতির আদ্যোপান্ত। চলুন দেখে নেই।

.

গন্তব্য

বেড়াতে যাওয়ার আগে প্রথমেই নির্ধারণ করতে হবে গন্তব্য। যেহেতু শীতে যাচ্ছেন, সেহেতু শীতকালে ভ্রমণের জন্য উপযোগী জায়গাগুলোতে গেলে ভালো হবে। কোথায় যাবেন এই সিদ্ধান্ত নিতে হলে যা মাথায় রাখতে হবে তা হলো, কত দিনের জন্য বেড়াতে যাবেন, আপনার বাজেট কত, সাগর, পাহাড়, বন, হাওর, নদী ঠিক কোন জায়গা আপনার বেশি পছন্দ, সঙ্গে কাদের নিয়ে যাবেন, যেখানে যাবেন সেখানের সুযোগ-সুবিধা কেমন। এগুলো চিন্তা করলেই আপনি পেয়ে যাবেন কোথায় যাওয়া উচিত।

.

কিভাবে যাবেন

ভ্রমণের জন্য পরিবহন খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাস, লঞ্চ, ট্রেন, প্লেন, প্রাইভেট কার কোনটায় যাবেন- এটা নির্বাচন করা জরুরি। ট্র্যাফিক জ্যাম এড়াতে স্থলপথে যাতায়াত না করাই ভালো। এ ক্ষেত্রে ট্রেন প্রথম পছন্দ হতে পারে। সামর্থ্যবান যারা, তারা বিমানে ভ্রমণ করতে পারেন। তবে যে পরিবহনই আপনি ব্যবহার করেন না কেন লক্ষ্য রাখবেন, আপনার জীবনের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার বিষয়টি।

.

কোথায় থাকবেন

বেড়াতে গেলে কোথায় থাকবেন তার ওপর আপনার ভ্রমণের অনেক আনন্দ নির্ভর করে। আপনার বাজেট, আপনার ভ্রমণ সঙ্গী কতজন, কেমন পরিবেশে থাকতে চান, নিরাপত্তাব্যবস্থা কেমন- এই বিষয়গুলো ভেবেই কোথায় থাকবেন তার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

যেখানেই যান না কেন, থাকার জায়গা আগে থেকে ঠিক করে যাওয়াই শ্রেয়। যদি আগে থেকে সম্ভব না হয় তাহলে ভালো মতো খোঁজখবর নিয়ে যাওয়া উচিত। ছুটির দিনগুলোতে ভিড় বেশি থাকে, হোটেল-মোটেলের ভাড়া বেশি হয়। এই জিনিসটা অবশ্যই মাথায় রাখবেন। সম্ভব হলে ছুটির দিনগুলো এড়িয়ে যাবেন। তাতে অনেক কিছুতেই খরচ কমে যাবে।

.

খোঁজখবর

যেহেতু ঘুরতে গেলে হাতে বেশি সময় থাকে না, তাই যেখানে যাবেন ঠিক করেছেন, সেখানে দেখার কী কী আছে, কোথায় কোথায় ঘুরতে যাবেন, কবে-কখন কী করবেন, তা আগেই খোঁজখবর নিয়ে একটি তালিকা করে ফেলুন। এতে আপনার সময় বাঁচবে যেমন, তেমনি ওই খানের ভ্রমণ স্থানগুলো দেখতে পারবেন ভালো করে।

সেখানকার আবহাওয়া ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে খরব নিয়ে যাবেন, পাশাপাশি সেখানকার জরুরি ফোন নম্বর এবং লোকেশন সম্পর্কে তথ্য আগে থেকে সংগ্রহ করে রাখুন। যেমন- নিকটস্থ থানা (পুলিশ), টুরিস্ট পুলিশের হেল্পডেস্ক নম্বর, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্র, আবাসিক হোটেল, ব্যাংক ইত্যাদি। যদি ওই এলাকার স্থানীয় কোনো পরিচিত কেউ থাকে তাহলে তার নম্বর নেবেন।

.

ব্যাগ প্যাকিং

সঙ্গে কী কী নেবেন তা নির্ভর করবে আপনি কোথায় বেড়াতে যাচ্ছেন, কত দিন থাকবেন তার ওপর। যেমন পাহাড়ে বেড়াতে গেলে অবশ্যই ব্যাগের ওজন যত কম রাখা সম্ভব তার দিকে মন দিতে হবে। তবে যেখানেই যান না কেন, ব্যাগ ভর্তি জিনিস না নিয়ে দেখেশুনে দরকারি জিনিস নেয়াই উত্তম।

একটা ভারী ব্যাগপ্যাক আপনার ভ্রমণ আনন্দ মাটি করে দিতে পারে। এ সময় একটি কিংবা দুটি জামা বেশি নিতে পারেন। টুথপেস্ট, ব্রাশ, আন্ডারওয়ার, গামছা বা তোয়ালে, ক্যাপ, জুতা, বেল্ট ইত্যাদি ছাড়াও আনুষঙ্গিক আর কী কী প্রয়োজন হতে পারে তার একটা লিস্ট করুন। লিস্ট ধরে ঠিক চিহ্ন দিয়ে একটি একটি জিনিস ব্যাগে ঢুকান, এতে করে দরকারি কোনো কিছু ভুলে ফেলে যাবেন না।

.

ভ্রমণের পোশাক

শীতকালে গাঢ় রঙের মোটা তাপনিরোধক কাপড়ের তৈরি জামা পরিধান করুন। তবে খেয়াল রাখবেন শীতের কাপড়ের ওজন যত সম্ভব যেন কম হয়। তা না হলে আপনার ব্যাকপ্যাক ভারী হবে। ঠান্ডা থেকে বাঁচার জন্য সঙ্গে করে মাফলার, মোজা, গ্লাভস, হুডসহ কাপড় পরিধান করতে পারেন।

.

দরকারি ডিভাইস

বেড়াতে যাওয়ার আগে দেখে নিন আপনার প্রয়োজনীয় ডিভাইসগুলো সঙ্গে নেয়া হয়েছে কি না। মোবাইল ফোন ছাড়া বর্তমানে জীবন কল্পনা করা যায় না, তাই শহর থেকে দূরে গেলেও সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে মোবাইল ফোন নিয়ে নিন। রওনা দেয়ার আগে পুরো চার্জ দিয়ে নিন। সঙ্গে করে ফোনের চার্জার নিতে ভুলবেন না। আপনার বেড়ানোর সুন্দর স্মৃতিগুলো ধরে রাখার জন্য চেষ্টা করবেন একটা ভালো ক্যামেরা সঙ্গে নিতে। আর তার সঙ্গে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেন ক্যামেরার ব্যাটারির চার্জ ফুল থাকে। সঙ্গে করে নিতে পারেন এক্সট্রা ব্যাটারি।

.

ওষুধ-পথ্য

শীতে সর্দি-জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি, নাকের প্রদাহ, চোখ ওঠা, ডায়রিয়া, আমাশয়, নিউমোনিয়া প্রভৃতি রোগ হয়ে থাকে। সম্ভব হলে প্রয়োজনমতো সঙ্গে ওষুধ রাখুন। জ্বর, পেট খারাপ, অ্যাসিডিটি, বমি, মাথা ধরার ওষুধ নিয়ে নিন। আরও নিন ব্যান্ড এইড, অ্যান্টিসেপটিক, পরিমাণ মতো তুলা ও গজ। এগুলো সঙ্গে থাকলে অনেক বড় বিপদ থেকেও রক্ষা পাওয়া সম্ভব। সঙ্গে নেয়া এসব ওষুধপত্রের একটি তালিকা আগেভাগেই তৈরি করে রাখতে পারেন। প্রেশার, ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো সমস্যা থাকলে প্রেসক্রিপশনের প্রয়োজনীয় ওষুধ পর্যাপ্ত পরিমাণে নিয়ে নিন।

.

টাকা-পয়সা

ভ্রমণে কত টাকা খরচ করবেন, সে ব্যাপারটি আগে থেকেই হিসাব করে ঠিক করে নিন। তারপর বাজেট অনুসারে খরচ করুন। পর্যাপ্ত টাকা-পয়সা নিয়ে যাওয়া ভালো। একটা আনুমানিক তালিকা করে ধারণাকৃত অঙ্ক থেকে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বেশি প্রস্তুতি থাকা ভালো। টাকা বহনে ভালো না লাগলে সাবধানতার সহিত কার্ড বহন করতে পারেন। বিকাশ অ্যাকাউন্ট বা মোবাইলে টাকা লেনদেন করা যায় এমন কোনো অ্যাকাউন্ট থাকলেও খুব কাজে লাগবে।

আরও পড়ুন:
যানজটের সময়কে কাজে লাগাবেন যেভাবে
কুকুর পোষার আগে জেনে নিন
বাড়িতে আগুন লাগলে যা করবেন
পিঠের ব্যথা সারছে না?
বিমানযাত্রায় যত নিয়ম

শেয়ার করুন

বয়স অনুযায়ী শিশুকে যৌন শিক্ষা দিচ্ছেন তো?

বয়স অনুযায়ী শিশুকে যৌন শিক্ষা দিচ্ছেন তো?

যৌন শিক্ষা দেয়ার ক্ষেত্রে প্রথমেই বাচ্চাকে শরীরের প্রতিটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে। অর্থাৎ প্রতিটা অঙ্গের সঠিক নাম জানাতে হবে। বাংলা শব্দ যদি শ্রুতিকটু শোনায়, তাহলে ইংরেজিতে শেখানো যেতে পারে। তবে সঠিক শব্দ শেখাতে হবে। এই সময় শরীরের কোন পার্টগুলো আমাদেরকে গোপন করে রাখতে হয় এবং কেন তা বুঝিয়ে বলতে হবে। সঙ্গে ভালো স্পর্শ এবং খারাপ স্পর্শ সম্পর্কেও যথাযথ ধারণা দিতে হবে।

টিভিতে সপরিবারে পছন্দের নাটক অথবা খেলা দেখতে বসে স্যানিটারি ন্যাপকিন কিংবা জন্মনিরোধক পিলের মতো যেকোনো কমার্শিয়াল চলা শুরু হলে রিমোর্ট নিয়ে যুদ্ধ একটা সাধারণ ব্যাপার। কারণ পরিবার নিয়ে আর যাই হোক এসব দেখা সম্ভব না। তবে দুই দিন পর বাচ্চার রুম গোছাতে যেয়ে অশালীন কিছু তোশকের নিচে পেলেই তখন চোখ আকাশে উঠে যায়। প্রশ্ন তখন একটাই, বাচ্চা এসব শিখল কীভাবে! নিশ্চয়ই সঙ্গ খারাপ! এরপর শুরু নানান রকম অযৌক্তিক আচরণ যা কিনা পরিস্থিতিকে হিতে বিপরীত করে তোলে। এ যেন স্বয়ং আগুনে ঘি ঢালছেন।

সব সময় আমাদের মূল উদ্দেশ্য থাকে বাচ্চাদের যেকোনো যৌনসংক্রান্ত ব্যাপার থেকে দূরে রাখা। হোক সেটা যৌন সচেতনতামূলক ব্যাপার, তবুও না! এর কারণ একটাই, আমরা নিজেরাও ছোটবেলা থেকে ব্যাপারটাকে পজিটিভলি নিতে শিখিনি। কাজেই এখনও পর্যন্ত যৌনসংক্রান্ত যেকোনো বিষয় আমাদের কাছে নিষিদ্ধ বলেই মনে হয়। যেহেতু আমরাও নিজের মা-বাবার কাছে এই শিক্ষাটা পাইনি। তাহলে কোথায় পেয়েছি? কোনো না কোনোভাবে তো জেনেছি? হয়তো বন্ধুবান্ধব নাহয় নানা রকম ক্ষতিকর ভিডিও থেকে যা আমাদের মস্তিষ্কে যৌনতা নিয়ে নোংরা এবং অস্বাস্থ্যকর তথ্যই প্রদান করেছে। তাহলে আপনার বাচ্চা কেন যৌনতা সম্পর্কে বাইরে থেকে জানবে না বলে আপনার ধারণা? বরং এখন চা-মুড়ির মতো অ্যাভেইলেবল ইন্টারনেটের যুগে এগুলো থেকে লুকিয়ে ছাপিয়ে রাখা মানে আপনার বাচ্চাকে নিজ ইচ্ছায় অন্ধকারে ঠেলে দেয়ার মতো হবে। এখন প্রধান প্রশ্ন যেটা মাথায় আসে তা হলো, ‘তাহলে নিজের এতবড় বাচ্চাকে পাশে বসিয়ে এসব নিয়ে আলাপ করব?’

আসলে জরুরি নয় যে কিশোর বয়সেই কেবল যৌন শিক্ষা দিতে হবে। কিশোর বয়সে হুট করে এসব নিয়ে ফ্রি হতে গেলে আপনার এবং আপনার বাচ্চার দুজনেরই অস্বস্তি লাগবে। কাজেই ব্যাপারটা শুরু করতে হবে মস্তিষ্কের উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে। অর্থাৎ হাতে খড়ি দিতে হবে অল্প বয়স থেকেই, ঠিক যেভাবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দেয়ার আগে আমরা বাসায় শিশুদের হাতে খড়ি দিয়ে থাকি সেভাবে। একটা ছোট্ট শিশুর বোঝার ক্যাপাসিটির সঙ্গে তাল মিলিয়ে তাকে শিক্ষাগুলো দিতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, বাচ্চাদের দুই থেকে তিন বছরের পর থেকেই আস্তে আস্তে যৌনসংক্রান্ত শিক্ষা দেয়া উচিত। এতে করে ছোট বয়স থেকেই তারা ব্যাপারটাকে পজিটিভলি নিতে পারে। তাদের এটা বোঝাতে হবে যে এটাও আমাদের নিত্যজীবনের বাকি দশটা ব্যাপারের মতোই স্বাভাবিক। যেটা আসলেও স্বাভাবিক, কিন্তু আমরাই শিখিনি স্বাভাবিকভাবে নিতে।

বয়স অনুযায়ী শিশুকে যৌন শিক্ষা দিচ্ছেন তো?

সব বুঝলাম কিন্তু প্রথমে কী দিয়ে এবং কীভাবে শুরু করব?

যৌন শিক্ষা দেয়ার ক্ষেত্রে প্রথমেই বাচ্চাকে শরীরের প্রতিটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে। অর্থাৎ প্রতিটা অঙ্গের সঠিক নাম জানাতে হবে। বাংলা শব্দ যদি শ্রুতিকটু শোনায় তাহলে ইংরেজিতে শেখানো যেতে পারে। তবে সঠিক শব্দ শেখাতে হবে। এই সময় শরীরের কোন পার্টগুলো আমাদেরকে গোপন করে রাখতে হয় এবং কেন তা বুঝিয়ে বলতে হবে। সঙ্গে ভালো স্পর্শ এবং খারাপ স্পর্শ সম্পর্কেও যথাযথ ধারণা দিতে হবে। যাতে অস্বাভাবিক কোনো আচরণ সে নিজেই বুঝতে পারে এবং তাৎক্ষণিক বাবা অথবা মাকে জানাতে পারে। বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের (BSAF) রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৯ সালে কমপক্ষে ১ হাজার ৩৮৩টি বাচ্চা যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে। কাজেই ছোট থেকেই যৌন শিক্ষা দেয়া বর্তমানে আবশ্যিক হয়ে উঠেছে।

এরপর কেন ছেলে আর মেয়েদের শারীরিক বৈশিষ্ট্য ভিন্ন সেটার সুন্দর এবং সত্য ব্যাখ্যা দিতে হবে। শেখানোর দরুন যা যা প্রশ্ন করবে প্রতিটা প্রশ্নেরই শালীন এবং সঠিক উত্তর দিতে হবে। যদি কোনো প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতে না পারেন তাহলে সময় চেয়ে নিন। একটু গুগল সার্চ করুন, তারপর উত্তর দিন। মনে রাখতে হবে, ওদের কোনো প্রশ্নকেই দমিয়ে রাখা যাবে না। নাহলে পরবর্তীতে প্রশ্নের উত্তরের জন্য অন্য কোনো আশ্রয়স্থল খুঁজবে এবং এটাই সব থেকে বিপজ্জনক।

একটি শিশুর চার-পাঁচ বছরের মধ্যে এই শিক্ষাগুলো আস্তে আস্তে দেয়ার চেষ্টা করতে হবে এবং পরবর্তী সময়ে এভাবেই পিরিয়ডসহ আরো নানা প্রাসঙ্গিক ব্যাপারগুলো বুঝিয়ে বলতে হবে। অবশ্যই প্রত্যেকবার ব্যাখ্যা দেয়ার সময় এটা মাথায় রাখতে হবে যাতে ওদের কাছে জিনিসগুলোর পরিচিতি খুবই স্বাভাবিক হয় এবং শব্দগুলো ওদের বোধগম্য হয়। প্রয়োজনে ইন্টারনেটে প্রাসঙ্গিক নানা ভিডিওর সাহায্য নেয়া যেতে পারে। এই প্রসঙ্গে বাচ্চাদের জন্য অনেক বই আছে সেগুলো একসঙ্গে পড়া যেতে পারে। আসলে এই পুরো ব্যাপারটা দীর্ঘমেয়াদি। হুট করে এক দিনে কিংবা মাসে নির্দিষ্ট এক দিন এটা নিয়ে আলোচনা করলে আশানুরূপ ফল পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। হয়তো রান্নাঘরে রান্নারত অবস্থায় কিংবা কোনো ফ্যামিলি গ্যাদারিংয়ে হুট করে অপ্রস্তুত কোনো প্রশ্নের সম্মুখীন হতে পারেন। তাৎক্ষণিক কোনো উত্তর দেয়া জরুরি নয়। জরুরি হলো পরিস্থিতিটাকে স্বাভাবিক করে নেয়া। আবারো সময় চেয়ে নিন, মানুষ প্রশ্নবোধক চাউনি নিয়ে আপনার দিকে তাকালে বাচ্চার আড়ালে তাদের বোঝান আপনি কী দারুণ প্যারেন্টিং করছেন। আপনাকে দেখে তারাও উৎসাহিত হতে পারেন কিংবা বিব্রতও হতে পারেন। তবুও নিজেকে এবং পরিস্থিতিকে সামলে নেয়া আপনার দায়িত্ব। কারণ আপনার বাচ্চার সঙ্গে খুব সেনসেটিভ একটা বিষয় নিয়ে আলোচনায় গিয়েছেন, হরেক রকম প্রশ্ন থাকবেই। এর মধ্যে সব গুরুদায়িত্ব আপনার, খুব খেয়াল দিয়ে তাদের জিনিসগুলো জানাতে হবে যাতে যৌনতাকে কোনোভাবে ভুলেও উসকে না দেয়া হয়।

যখন আপনার বাচ্চা যৌনসংক্রান্ত বিষয়গুলোকে নিত্যদিনের সঙ্গে একদম ডাল-ভাতের মতো বুঝে নেবে, তখন তাকে প্রশ্ন করুন। তার জানার পরিধি বুঝুন। তার কী ধারণা বাচ্চারা পৃথিবীতে কীভাবে আসে। তার জ্ঞানের পরিধি অনুযায়ী আবার তাকে কারেকশন করে দিন। ভিডিও দেখান এবং আপনার মতামত বলুন, আপনার বাচ্চারও মতামত গ্রহণ করুন। খোলামেলা আলোচনাকে সব সময়ই প্রাধান্য দেয়া হয়। এতে করে আপনার বাচ্চার মধ্যে নতুন বিষয়কে গ্রহণ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। আস্তে আস্তে দেখবেন কত সহজেই আপনার বাচ্চা যৌনসংক্রান্ত যে বিষয় যা আমাদের কাছে এখনও শ্রুতিকটু, তা কি সুন্দর আর সাবলীল করে গ্রহণ করে নেয়। প্রয়োজন শুধু একটু ধৈর্য আর মানসিক পরিবর্তনের।

সবশেষে এতটুক মাথায় রাখবেন, যৌন শিক্ষা দেয়ার ক্ষেত্রে ছেলে বা মেয়ে আলাদা কোনো বিষয় নয়। দুজনকেই একইভাবে বোঝানো প্রয়োজন। একজন ছেলে যখন তার মায়ের কাছ থেকে পিরিয়ড সম্পর্কে জানবে তখন স্বাভাবিকভাবেই রাস্তায় অন্য কোনো মেয়েকে অপ্রস্তুত অবস্থায় দেখলে সম্মানের সঙ্গে সাহায্য করবে। কারণ সে জানবে এটা একদম নিত্য একটা ব্যাপার। সুস্থ সমাজের জন্য অবশ্যই একটা সুস্থ পারিবারিক পরিবেশ প্রয়োজন। বাবা-মায়ের চিন্তাভাবনার সামান্য পরিবর্তনই কিন্তু সমাজের বড় রকম পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট। হোক সেটা ভালো কিংবা খারাপ। নতুন প্রজন্মের গুরুদায়িত্ব সফলভাবে পালন করলেই একটা সুস্থ সমাজ এবং একটা সুরক্ষিত দেশ কামনা করা সম্ভব।

আরও পড়ুন:
যানজটের সময়কে কাজে লাগাবেন যেভাবে
কুকুর পোষার আগে জেনে নিন
বাড়িতে আগুন লাগলে যা করবেন
পিঠের ব্যথা সারছে না?
বিমানযাত্রায় যত নিয়ম

শেয়ার করুন

সর্দি-কাশি নিরাময়ে তুলসীপাতা

সর্দি-কাশি নিরাময়ে তুলসীপাতা

নিয়মিত এক কাপ করে তুলসীপাতার পানীয় খেলে সর্দি-কাশির সমস্যা দূর হবে। বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। ভাইরাসের পাশাপাশি, ব্যাক্টেরিয়া আর ছত্রাকের সংক্রমণ রোধ করতেও কাজ করবে।

শীতকাল এলেই অনেকে ঠান্ডার সমস্যায় ভোগেন। বিশেষ করে শিশুদের সর্দি-কাশির সমস্যায় আক্রান্ত হতে দেখা যায় বেশি। পরিস্থিতি খুব খারাপ হলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। তবে সমস্যা কম মনে হলে তুলসীপাতা দিয়ে বানানো পানীয় ট্রাই করতে পারেন।

আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে তুলসীপাতা দিয়ে পানীয়টি বানানোর প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে। চলুন দেখে নেই।

.

উপাদান ও পরিমাণ

তুলসীপাতা: ১০টি

আদা কুচি: দুই টুকরা

গোটা গোলমরিচ: ৪টি

গুড়: ৩ টেবিল চামচ

জল: ৪ কাপ

.

প্রণালি

প্রথমে একটি পাত্রে চার কাপ পানি ফুটিয়ে নিন। ৪-৫ মিনিট ফোটার পর তাতে দিন আদা কুচি, গোলমরিচ আর তুলসীপাতা। আরও কিছুক্ষণ ফুটতে দিন।

এরপর আগুন থেকে নামিয়ে তাতে গুড় দিয়ে ভালোভাবে নাড়তে থাকুন। গুড় মিশে গেলে উষ্ণ থাকতে থাকতেই পান করুন। স্বাদ বাড়াতে এলাচ কিংবা দারচিনির গুঁড়াও দিতে পারেন। যোগ করতে পারেন লেবুর রসও।

নিয়মিত এক কাপ করে এই পানীয় খেলে সর্দি-কাশির সমস্যা দূর হবে। বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। ভাইরাসের পাশাপাশি ব্যাক্টেরিয়া আর ছত্রাকের সংক্রমণ রোধ করতেও কাজ করবে।

আরও পড়ুন:
যানজটের সময়কে কাজে লাগাবেন যেভাবে
কুকুর পোষার আগে জেনে নিন
বাড়িতে আগুন লাগলে যা করবেন
পিঠের ব্যথা সারছে না?
বিমানযাত্রায় যত নিয়ম

শেয়ার করুন

কোভিড থেকে সেরে উঠতে যা খাবেন

কোভিড থেকে সেরে উঠতে যা খাবেন

প্রোটিন ও ফাইবারযুক্ত খাদ্য বেশি করে খেতে হবে। ডালজাতীয় খাদ্যে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন থাকে। বিভিন্ন সবজি দিয়ে তৈরি স্যুপও খেতে পারেন।

করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ছড়াচ্ছে বেশ দ্রুত। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আক্রান্ত হতে পারে যে কেউ।

আক্রান্ত ব্যক্তির উপযুক্ত চিকিৎসার পাশাপাশি দরকার সঠিক খাদ্য ও পুষ্টি। সম্প্রতি ভারতের আয়ুষ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোভিড থেকে সেরে উঠতে কোন খাবারগুলো বেশি করে খেতে হবে। চলুন তালিকাটা দেখে নেই।

১। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে নিতে পারেন লেবু, মধু ও গুড়।

২। আমাদের পরিচিত মশলাগুলো রোগ প্রতিরোধে দারুণ কাজ করে। তাই নিয়মিত খেতে পারেন জিরা, হলুদ, লবঙ্গ, এলাচ ও দারচিনি।

৩। কম তেল ও স্নেহ পদার্থযুক্ত খাদ্য খেতে হবে। খাবারে যেন থাকে সঠিক ভারসাম্য, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।

৪। প্রোটিন ও ফাইবারযুক্ত খাদ্য বেশি করে খেতে হবে। ডালজাতীয় খাদ্যে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন থাকে। বিভিন্ন সবজি দিয়ে তৈরি স্যুপও খেতে পারেন।

৫। রঙিন সবজি খাওয়ার দিকে নজর দিন। তবে যে কোনো সবজি রান্নার আগে খুব ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। খেতে পারেন পাঁচমিশালি তরকারিও।

৬। যেসব খাবারে জিঙ্ক ও সেলেনিয়াম রয়েছে, সেসব খেতে হবে নিয়মিত। ওট্‌স, পালং শাক, বিন্‌স, দুধ, কাজু, মিষ্টি কুমড়ার বীজ- এ ধরনের খাবার।

৭। পেট ভালো রাখতে নিয়মিত টকদই খেতে পারেন।

আরও পড়ুন:
যানজটের সময়কে কাজে লাগাবেন যেভাবে
কুকুর পোষার আগে জেনে নিন
বাড়িতে আগুন লাগলে যা করবেন
পিঠের ব্যথা সারছে না?
বিমানযাত্রায় যত নিয়ম

শেয়ার করুন

কুকুর পোষার আগে জেনে নিন

কুকুর পোষার আগে জেনে নিন

পোষা কুকুরকে দিনের কিছুটা সময় বাইরে খেলাধুলা করাতে ও হাঁটাতে নিয়ে যেতে হয়। আকার অনুযায়ী আধাঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা সময় দিতে হয়। এই সময়টা দিতে পারবেন কি না তা বুঝে নিতে হবে।

উন্নত বিশ্বে পোষা প্রাণী হিসেবে কুকুর বেশ জনপ্রিয়। আমাদের দেশের গ্রামাঞ্চলে বেশির ভাগ বাড়িতেই দু-একটি পোষা কুকুর দেখা যায়। তবে শহরে কুকুর পোষার চল নেই। ইদানীং অনেকেই কুকুর পুষতে চাইছেন। সেটা করার আগে আপনাকে কিছু জিনিস অবশ্যই জানতে হবে। নিতে হবে পূর্ব প্রস্তুতি।

পেটস পাজামাস ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই বিষয়গুলো। চলুন জেনে নেই।

.

পরিবারের সদস্যদের মতামত নিতে হবে

কুকুর পোষার আগে পরিবারের সবার মতামত নেয়াটা জরুরি। কুকুরের ওপরে কারও কোনো ধরনের অ্যালার্জি আছে কি না, কুকুর পোষাটা পছন্দ করে কি না- এই বিষয়গুলো জেনে নিতে হবে। ভাড়া বাসায় থাকলে বাড়িওয়ালার কাছেও ব্যাপারটা শেয়ার করতে হবে। সবাই রাজি হলেই কুকুর পোষার দিকে আগানো ভালো।

.

সময় আছে তো?

পোষা প্রাণীর যত্ন নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত সময় আছে কি না, সেই বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। একটি শিশুর মতোই একটি কুকুরের যত্ন নেওয়া জরুরি। তাকে সময় দিতে হয় এবং প্রশিক্ষণ দিতে হয়। এর জন্য যে আলাদা সময় বের করতে পারবেন কি না, সেই বিষয়েও খেয়াল রাখতে হবে।

.

কুকুর পোষার আগে জেনে নিন

প্রশিক্ষণ দিতে হবে

একটি কুকুর ছানাকে নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে হয়। এর মধ্যে আছে নির্দিষ্ট জায়গায় বাথরুম করা, দরকারি জিনিস চিবিয়ে নষ্ট না করা, কাউকে কামড় না দেয়া ইত্যাদি। প্রশিক্ষণ দেবার আগে কীভাবে প্রশিক্ষণ দিতে হয়, সেটা শিখে নেওয়া জরুরি। এ জন্য কুকুরটির পেছনে বেশ কিছুটা সময় ব্যয় করতে হবে। এসব ব্যাপারে ধৈর্য আছে কি না, সেই বিষয়ও খেয়াল রাখতে হবে।

.

বাইরে নিয়ে যাওয়া

পোষা কুকুরকে দিনের কিছুটা সময় বাইরে খেলাধুলা করাতে ও হাঁটাতে নিয়ে যেতে হয়। আকার অনুযায়ী আধাঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা সময় দিতে হয়। এই সময়ও দিতে পারবেন কি না তা বুঝে নিতে হবে।

.

কুকুর পোষার আগে জেনে নিন

কুকুর পোষার মতো জায়গা আছে তো?

কুকুরের জন্য মোটামুটি বড় জায়গা দরকার। আপনার বাসায় সে রকম জায়গা আছে কি না, সেদিকে খেয়াল রাখুন। বড় আকারের কুকুরের জন্য প্রচুর জায়গা প্রয়োজন। তাই অ্যাপার্টমেন্টে পালার জন্য ছোট আকারের কুকুর বেছে নেওয়াই ভালো।

.

কুকুর পোষার আগে জেনে নিন

বাড়তি খরচের জন্য প্রস্তুত থাকুন

একটি কুকুর পালা অনেক ক্ষেত্রেই বেশ ব্যয়বহুল। ওর জন্য বিশেষ খাবার, খেলনা, ভ্যাকসিন এবং ডাক্তার দেখানো সব কিছুই বেশ খরচসাপেক্ষ। তাই এই ব্যয় বহন করতে আপনি সক্ষম কি না, সেটা আগেই উপলব্ধি করে নিন।

.

কুকুর পোষার আগে জেনে নিন

অন্যান্য বিষয়

বিশেষ প্রয়োজনে যদি দূরে যেতে হয়, তাহলে আপনার কুকুর কোথায় থাকবে, সেই ব্যবস্থাও আগে করে নিতে হবে। কারণ কুকুরটিকে তো আর একা ঘরে রেখে যাওয়া যাবে না।

কুকুরের ভ্যাকসিন দেওয়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। দিনে একবার এদের দাঁত মাজতে হবে এবং মাসে একবার নখ কেটে দিতে হবে। যতটা জলদি সম্ভব কুকুরের ‘নিউটার’ বা বন্ধ্যা করানোর ব্যবস্থাও নিতে হবে।

আরও পড়ুন:
যানজটের সময়কে কাজে লাগাবেন যেভাবে
কুকুর পোষার আগে জেনে নিন
বাড়িতে আগুন লাগলে যা করবেন
পিঠের ব্যথা সারছে না?
বিমানযাত্রায় যত নিয়ম

শেয়ার করুন

যানজটের সময়কে কাজে লাগাবেন যেভাবে

যানজটের সময়কে কাজে লাগাবেন যেভাবে

গাড়ির এফএম রেডিও চালিয়ে দিতে পারেন। বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম শুনতে শুনতে আপনার সময় এমনিতেই কেটে যাবে।

ট্র্যাফিক জ্যামে পড়ে আমাদের অনেক মূল্যবান সময়ের অপচয় হয়। তবে চাইলে এই সময়টা কাজে লাগাতে পারেন। পিটম্যান ওয়েবসাইটসহ আরও কিছু সাইটের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই সময়ে কী করা যেতে পারে। চলুন দেখে নেই।

বই পড়তে পারেন

জ্যামের কথা মাথায় রেখে গাড়িতে ওঠার আগে সঙ্গে বই নিয়ে নিন। জ্যামে আটকে থাকার সময়ে পড়তে পারেন সেই বই। সঙ্গে বই থাকলে নেটে সার্চ দিয়ে ফ্রিতে বিভিন্ন বইয়ের পিডিএফ ভার্সন পাবেন। পড়তে পারেন সেটাও। বই পড়ার ফলে আপনার মনের জানালা যেমনি খুলতে থাকবে তেমনি জ্যামের বিরক্তিকর সময়ও কেটে যাবে।

শুনতে পারেন রেডিও

গাড়ির এফএম রেডিও চালিয়ে দিতে পারেন। বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম শুনতে শুনতে আপনার সময় এমনিতেই কেটে যাবে।

গেমস খেলতে পারেন

সময় কাটাতে বিভিন্ন টাইপের গেমস খেলা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে ‘ব্রেইন ট্রেইনিং গেমস’গুলো খেলতে পারেন। এগুলো আপনার মানসিক দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করবে। স্মার্টফোনে এলিভেট, পিক, লুমোসিটি ইত্যাদি ব্রেইন ট্রেইনিং গেমসগুলো খেলুন। এগুলো আপনার ব্রেনকে শার্প করবে এবং চিন্তাশক্তি বাড়াবে। এ ছাড়া নিউজপেপার কিংবা ম্যাগাজিনের দেয়া কোনো মজার শব্দজট বা ধাঁধা সমাধানের চেষ্টা করতে পারেন।

পছন্দের প্রোগ্রাম দেখতে পারেন

সময়ের অভাবে হয়তো পছন্দের অনুষ্ঠান দেখতে পারছেন না। সে ক্ষেত্রে জ্যামে বসে ইউটিউবে তা দেখে নিতে পারেন। আজকাল প্রায়ই সবার হাতেই স্মার্ট ফোন। এ ছাড়া ল্যাপটপ কিংবা ট্যাব তো আছেই। সুতরাং পছন্দের যে কোনো টিভি সিরিজ দেখে নিতে পারেন।

সারা দিনের রুটিন সেট করতে পারেন

সময় কাটাতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভাবতে পারেন। সারা দিনের কাজের প্ল্যান, রুটিন কিংবা কোনো প্রোজেক্টের ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করা যেতে পারে। আর এর ফলে মাথায় নতুন কোনো আইডিয়া এলে তা ডায়েরি কিংবা নোটবুকে টুকে রাখলে সেটা পরবর্তী সময়ে কাজে দিবে। কখন কোন আইডিয়া কাজে লেগে যায় তা তো বলা যায় না। অনেক সময় হুটহাট করে আসা কোনো আইডিয়াই সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে পারে।

হোমওয়ার্ক বা অ্যাসাইনমেন্ট করতে পারেন

ট্র্যাফিক জ্যামের সময় শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় হোমওয়ার্ক করে নিতে পারেন কিংবা কোনো অ্যাসাইনমেন্ট থাকলে তাও রেডি করতে পারেন। এ ছাড়া চাকরি প্রার্থীরা বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার জন্য স্টাডি করতে পারেন। অনলাইনে বিভিন্ন শিক্ষামূলক সাইট আছে, যা থেকেও আপনি অনেক কিছু শিখতে পারবেন। ইউটিউবের বিভিন্ন শিক্ষণীয় টিউটরিয়াল দেখেও অনেক কিছু শেখা যায়। যেমন-ইউটিউব দেখে দেখে মাইক্রোসফট এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্টের কিংবা টুকটাক গ্রাফিক্সের কাজও শিখতে পারবেন।

নতুন ভাষা শিখতে পারেন

মাতৃভাষার পাশাপাশি বাড়তি একটা ভাষা শিখে রাখা যেতে পারে। এতে মানুষের কাছে আপনার গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়বে। গাড়িতে ভাষা শিক্ষার বই রাখুন। সাহায্য নিতে পারেন ইন্টারনেটেরও। বলা ও পড়তে পারার পাশাপাশি লিখতে পারাটাও এই সময়ে শিখে নিতে পারেন।

আত্মীয়স্বজনের খোঁজ নিতে পারেন

ব্যস্ততার কারণে হয়তো কাছের আত্মীয়স্বজনের খোঁজ নেয়া হয় না। জ্যামে আটকে থাকা সময়টা কাটাতে পারেন কাছের মানুষের খোঁজখবর নিয়ে। এ সময় ফোন করতে পারেন তাদের।

আরও পড়ুন:
যানজটের সময়কে কাজে লাগাবেন যেভাবে
কুকুর পোষার আগে জেনে নিন
বাড়িতে আগুন লাগলে যা করবেন
পিঠের ব্যথা সারছে না?
বিমানযাত্রায় যত নিয়ম

শেয়ার করুন