অ্যাজমা বা হাঁপানিতে আক্রান্তদের জীবনে যন্ত্রণার শেষ নেই, অনেক ক্ষেত্রে এটি হতে পারে প্রাণঘাতী। আর তাই বিভিন্ন ধরনের নিয়ন্ত্রিত জীবনের মধ্যে থাকতে হয় অ্যাজমা রোগীদের।
মন খারাপ করা এসব তথ্য আমরা সবাই জানি। তবে এবার অ্যাজমার বিষয়ে কিছুটা ‘আশ্বস্ত’ হওয়ার খবর দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
তারা বলছেন, অ্যাজমা আক্রান্তদের মস্তিষ্কে টিউমারের ঝুঁকি অনেকটাই কম। এর কী কারণ, সেটিও খুঁজে পাওয়া গেছে গবেষণায়।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট লুইসের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিনের বিশেষজ্ঞদের গবেষণাপত্রটি সম্প্রতি নেচার কমিউনিকেশনস জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
অ্যাজমা রোগীদের মস্তিষ্কে টিউমার আক্রান্ত না হওয়ার প্রবণতা দেড় দশক ধরেই লক্ষ করছিলেন অনেক বিশেষজ্ঞ। তবে মগজের সঙ্গে শ্বাসতন্ত্রের এ সংক্রান্ত যোগসূত্রটি এতদিন শনাক্ত করা যায়নি।
এবার সেই রহস্যের সমাধান মিলেছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, মস্তিষ্কের টিউমার ও অ্যাজমার মধ্যে যোগসূত্রটি তৈরি করেছে রক্তের মধ্যে থাকা রোগপ্রতিরোধী কোষ- টি-সেল।
অ্যাজমার সময়ে সক্রিয় হয় এই টি-সেল। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, হাঁপানির ক্ষেত্রে টি-সেলের আচরণ ফুসফুসে প্রদাহ সৃষ্টি করে। তবে উল্টোদিকে টি-সেলের এই আচরণ মস্তিষ্কে টিউমারের বিস্তারে বাধা দেয়।
গবেষকেরা মনে করছেন, যোগসূত্রটি খুঁজে পাওয়ায় মস্তিষ্কের টিউমার চিকিৎসায় নতুন পথ খুলবে। অ্যাজমা রোগীর ক্ষেত্রে টি-সেল যেভাবে আচরণ করে সেটা মস্তিষ্কে টিউমার ঠেকাতেও ব্যবহার করা সম্ভব।
গবেষণাপত্রের এক লেখক স্নায়ুবিদ্যার অধ্যাপক ডেভিড এইচ গুটম্যান বলছিলেন, ‘আমরা অবশ্যই কারও মধ্যে অ্যাজমা ছড়িয়ে দিতে বলছি না। তবে মস্তিষ্কের টি-সেলগুলোকে বিশেষ কৌশলে অ্যাজমার সময়কার আচরণে উদ্বুদ্ধ করা গেলে এরা মস্তিষ্কে টিউমারের গঠন ও বৃদ্ধিকে প্রতিহত করবে।’
সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণায় অপটিক নার্ভ টিউমারের বিকাশে রোগপ্রতিরোধী কোষের ভূমিকা প্রমাণিত হয়েছে। আর সেখান থেকেই অ্যাজমা ও মস্তিষ্কের টিউমারের মধ্যে রোগপ্রতিরোধী কোষের সম্ভাব্য যোগসূত্র যাচাই করে দেখেছেন গুটম্যান ও তার দল।
গবেষক দলটি কিছু ইঁদুরের দেহের এনএফওয়ান জিনে একটি মিউটেশন ঘটান। মাস তিনেকের মধ্যেই এসব ইঁদুরের অপটিক নার্ভে টিউমার ধরা পড়ে।
এরপর এসব ইঁদুরের একাংশকে অ্যাজমাতেও আক্রান্ত করা হয়। বেশ কিছু দিন পর্যবেক্ষণের পর দেখা গেছে, যেসব ইঁদুরের অ্যাজমা হয়েছে তাদের মস্তিষ্কের টিউমার ছড়ায়নি। অন্যদিকে, যেসব ইঁদুরের অ্যাজমা হয়নি তাদের টিউমার ক্রমেই বড় হয়েছে।
পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা গেছে, টিউমার-প্রবণ ইঁদুরের অ্যাজমা হওয়ার পর এদের টি-সেলে আচরণগত পরিবর্তন আসে। অ্যাজমার পর টি-সেল ডেকোরিন নামের একটি প্রোটিন নিঃসরণ শুরু করে।
ডেকোরিন অ্যাজমার সময় শ্বাসনালিকে সংকুচিত করে এবং হাঁপানির উপসর্গ বাড়িয়ে দেয়। তবে এই প্রোটিন আবার মস্তিষ্কের জন্য উপকারী বলে প্রমাণ মিলেছে গবেষণায়।
ডেকোরিন মস্তিষ্কের রোগপ্রতিরোধী কোষ- মাইক্রোগ্লিয়ার সক্রিয়তা নিয়ন্ত্রণ করে। এই মাইক্রোগ্লিয়ার সক্রিয়তার কারণেই মস্তিষ্কে টিউমারের বিকাশ ও বিস্তার ঘটে থাকে।
গবেষণার ফলাফলে দারুণ উচ্ছ্বসিত গুটম্যান। তিনি বলছেন, ‘সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ অংশটি হলো, শরীরের টি-সেল এবং মস্তিষ্কের বিশেষ কোষের মধ্যে একটি স্বাভাবিক যোগসূত্র রয়েছে। মস্তিষ্কের এই বিশেষ কোষ টিউমার সৃষ্টি ও বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। প্রক্রিয়াটি বুঝতে পারার ফলে নতুন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি বের করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।’
বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বিজিডি ই-গভ সার্ট আয়োজিত “জাতীয় সাইবার ড্রিল ২০২৬”-এ দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাইবার বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় দুর্দান্ত সাফল্য অর্জন করেছে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি’র দল “CyberSavvy”।
তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের অইগ্রহণের মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তা দক্ষতা যাচাই করা হয়। সারাদিনব্যাপী অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার শেষে প্রকাশিত চূড়ান্ত স্কোরবোর্ড অনুযায়ী “CyberSavvy” দলটি ৫৭৫০ স্কোর অর্জন করে প্রথম স্থান অধিকার করে।
দলের সদস্যদের নিরলস প্রচেষ্টা, দ্রুত সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং সমন্বিত টিমওয়ার্ক এই সাফল্যের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। প্রতিযোগিতায় সাইবার আক্রমণ শনাক্তকরণ, ইনসিডেন্ট রেসপন্স, ডিজিটাল ফরেনসিকস এবং সিকিউরিটি অ্যানালাইসিসভিত্তিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
চূড়ান্ত স্কোরবোর্ড অনুযায়ী দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি’র “DBBL Cyber Squad” এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশের “CBBL Warrior” দল।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এই অর্জন দেশের ব্যাংকিং খাতে সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি প্রমাণ করে যে দক্ষ মানবসম্পদ, কার্যকর নেতৃত্ব এবং ধারাবাহিক প্রস্তুতির মাধ্যমে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক মানের সাইবার সক্ষমতা অর্জনে এগিয়ে যাচ্ছে।
টিমটির নেতৃত্বে ছিলেন মো. আশিকুর রহমান। দলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন— মো. মুশফিক উল আনাম, মো. নাহিদ ইসলাম চৌধুরী, মো. শাহীন কাদির এবং স্বরূপ সাহা।
প্রথম স্থান অর্জনের পর টিম লিডার মো. আশিকুর রহমান অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন,“দেশের সেরা সাইবার টিমগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে প্রথম স্থান অর্জন করা সত্যিই গর্বের ও আনন্দের। আমাদের পুরো টিম অত্যন্ত আন্তরিকতা, ধৈর্য ও টিমওয়ার্কের মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জন করেছে।”
এই সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান কার— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,“আমাদের সম্মানিত CISO স্যার মো: সানোয়ার হোসেন-কে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই। তিনি সবসময় তার জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, দিকনির্দেশনা এবং নিয়মিত শিক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে পুরো আইটি সিকিউরিটি টিমকে আপডেট ও অনুপ্রাণিত রাখেন। তার নেতৃত্ব ও অনুপ্রেরণাই আমাদের আত্মবিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে।”
জ্বালানি ছাড়াই শক্তি সঞ্চয়ের নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবনে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা। আকৃতি পরিবর্তনের মাধ্যমে শক্তি ধরে রাখা এবং প্রয়োজনের সময় তা ছাড়তে সক্ষম বিশেষ ধরনের অণু নিয়ে চলছে গবেষণা। এ প্রযুক্তিকে বলা হচ্ছে ‘মলিকুলার সোলার থার্মাল এনার্জি স্টোরেজ’।
বিজ্ঞানীরা কয়েক দশক ধরে এমন অণুর সন্ধান করছেন, যা সূর্যের শক্তি শোষণ করে গঠন পরিবর্তন করবে এবং পরে আবার আগের অবস্থায় ফিরে এসে সেই শক্তি মুক্ত করবে। এটি অনেকটা ফাঁদে আটকানো স্প্রিংয়ের মতো, যেখানে আগে শক্তি জমা থাকে, পরে প্রয়োজনমতো তা ব্যবহার করা যায়।
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, সান্তা বারবারার বিজ্ঞানী গ্রেস হান জানান, মানুষের ত্বকে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি পড়লে ডিএনএ অণু সাময়িকভাবে বিকৃত হয়। পরে তা আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াই নতুন শক্তি সঞ্চয় প্রযুক্তির অনুপ্রেরণা দিয়েছে।
তিনি বলেন, ত্বকের ডিএনএ অণুগুলো ওজনে খুবই হালকা হলেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শক্তি ধারণ করতে পারে। গবেষকরা সেই বৈশিষ্ট্য কাজে লাগিয়ে কৃত্রিম অণু তৈরির চেষ্টা করছেন।
এক গবেষণাপত্রে গ্রেস হান ও তার দল দেখিয়েছেন, তাদের উদ্ভাবিত অণুভিত্তিক সিস্টেম ছোট একটি পাত্রে রাখা পানিকে দ্রুত উত্তপ্ত করতে সক্ষম। হান বলেন, পরীক্ষায় দ্রবণটি দ্রুত ফুটতে দেখে তারা বিস্মিত হয়েছেন।
গবেষণায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লস এঞ্জেলসের অধ্যাপক কেন্ডাল হাউক ও তার দল কম্পিউটার বিশ্লেষণের মাধ্যমে অণুর কার্যকারিতা আগেই অনুমান করেছিলেন।
পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটি অব বার্সেলোনার গবেষক ক্যাসপার মথ-পলসেন জানান, এ পদ্ধতিতে প্রতি কেজিতে ১.৬৫ মেগাজুল পর্যন্ত শক্তি ঘনত্ব পাওয়া গেছে, যা বর্তমানে ব্যবহৃত অনেক লিথিয়াম ব্যাটারির চেয়েও বেশি।
তবে প্রযুক্তিটির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী জন গ্রিফিন বলেন, অণুকে সক্রিয় করতে খুব শক্তিশালী অতিবেগুনি রশ্মির প্রয়োজন হয়, যা সূর্যালোকে সীমিত পরিমাণে পাওয়া যায়। এছাড়া শক্তি মুক্ত করতে এখনো ক্ষয়কারী রাসায়নিক ব্যবহারের প্রয়োজন হচ্ছে।
ইউনিভার্সিটি অব ডুইসবার্গ-এসেনের বৈজ্ঞানিক পরিচালক হ্যারি হোস্টারের বলেন, প্রযুক্তিটি ব্যবহারিক পর্যায়ে নিতে কিছু জটিলতা আছে। তবে গবেষকরা এর কঠিন বা সলিড-স্টেট সংস্করণ তৈরিতে কাজ করছেন। ভবিষ্যতে এটি জানালার কাচের আবরণ হিসেবে ব্যবহার করে শীতে ঘর গরম রাখা বা কুয়াশা প্রতিরোধ করা সম্ভব হতে পারে।
সম্প্রতি দেশের বাজারে উন্মোচন করা হয়েছে স্যামসাংয়ের জনপ্রিয় গ্যালাক্সি ‘এ সিরিজের নতুন দুটি স্মার্টফোন—এ৫৭ ফাইভ-জি এবং এ৩৭ ফাইভ-জি। আধুনিক সব ফিচারসমৃদ্ধ এই ডিভাইসগুলো এখন দেশজুড়ে স্যামসাংয়ের অনুমোদিত আউটলেটগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে। নতুন এই শক্তিশালী স্মার্টফোন দুটি বাজারে আনার মাধ্যমে স্যামসাং তাদের সিগনেচার ‘অসাম ইন্টেলিজেন্স’ প্রযুক্তিকে সবার জন্য আরও সহজলভ্য করে তুলেছে।
স্যামসাংয়ের ‘অসাম ইন্টেলিজেন্স’ মূলত একগুচ্ছ এআই-চালিত ফিচারের সমন্বয়, যা গ্যালাক্সি ‘এ’ সিরিজের ব্যবহারকারীদের ফ্ল্যাগশিপ মানের অভিজ্ঞতা দেবে। এর মধ্যে থাকা ‘ভয়েস ট্রান্সক্রিপশন’ ফিচারের মাধ্যমে ভয়েস রেকর্ডার অ্যাপে ধারণ করা কথাকে সহজেই টেক্সটে রূপান্তর করা যাবে, যা মিটিংয়ের নোট তৈরিতে বিশেষ সহায়ক। এছাড়া এজ প্যানেলে থাকা ‘এআই সিলেক্ট’ ফিচারের ড্র্যাগ-অ্যান্ড-ড্রপ সুবিধা ব্যবহার করে দ্রুত টেক্সট কপি করা যাবে।
দৈনন্দিন কাজকে আরও সহজ করতে ফোনগুলোতে রয়েছে গুগলের ‘সার্কেল টু সার্চ’ ফিচার, যা একটি ছবির ভেতরে থাকা একাধিক বস্তুকে শনাক্ত করতে সক্ষম। এতে আরও আছে ‘অবজেক্ট ইরেজার’ ফিচার, যা ছবি থেকে অপ্রয়োজনীয় অংশ সরিয়ে ফেলতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি, চমৎকার ‘নাইটোগ্রাফি’ফিচারের সাহায্যে অপেক্ষাকৃত কম আলোতেও তোলা যাবে নিখুঁত ছবি।
সক্ষমতা ও পারফরম্যান্সের দিক থেকেও ডিভাইস দুটি বেশ শক্তিশালী। গ্যালাক্সি এ৫৭ ও এ৩৭—উভয় মডেলেই রয়েছে পানি ও ধুলোরোধী ‘আইপি৬৮’ রেটিং। এছাড়া দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহারের জন্য এতে ব্যবহার করা হয়েছে ৫,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি, যা একবার চার্জে টানা দুই দিন পর্যন্ত ব্যাকআপ দিতে সক্ষম।
নতুন ফোনগুলোর উন্মোচন সম্পর্কে স্যামসাং বাংলাদেশের মোবাইল বিজনেস বিভাগের হেড অব প্রোডাক্ট প্ল্যানিং অ্যান্ড আইএমসি স্ট্র্যাটেজি সৈয়দ মো. বদরুল আরিফিন বলেন, “বর্তমানে একটি স্মার্টফোনের প্রকৃত মূল্য কেবল এর দাম দিয়ে নয়, বরং এটি প্রতিদিনের কাজে ব্যবহারকারীকে কতটা সাহায্য করছে, তার ওপর নির্ভর করে।”
গ্রাহকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে দুই মডেলের স্মার্টফোনেই ‘নো কস্ট ইএমআই’ সুবিধা দিচ্ছে স্যামসাং । বাজারে গ্যালাক্সি এ৩৭ ফাইভ-জি-এর ৮/১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯,২৯৯ টাকা এবং ৮/২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৬৭,৭৯৯ টাকা। অন্যদিকে, গ্যালাক্সি এ৫৭ ফাইভ-জি-এর ৮/২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টের পাওয়া যাচ্ছে ৭৮,১৯৯ টাকায় এবং ১২/২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৮৬,৫৯৯ টাকা।
এছাড়া, মে মাসে লঞ্চিং অফারের অংশ হিসেবে ইবিএল কার্ডধারীরা ০% ইন্টারেস্টে ১২ মাস পর্যন্ত বর্ধিত ইএমআই সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি, ইউসিবিএল কার্ডধারীরা ইএমআই সুবিধা নিলে ৪,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন।
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) পেঁয়াজ ও সরিষার উৎপাদন এবং গুণাগুণ বৃদ্ধিতে সিলিকন প্রযুক্তির কার্যকর ভূমিকা শীর্ষক এক গবেষণা প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৯ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স রুমে বিএএস-ইউএসডিএ-এর অর্থায়নে পরিচালিত এই গবেষণা প্রকল্পের ফলাফল তুলে ধরা হয়। কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা জানান, সিলেট অঞ্চলের অম্লীয় মাটির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সিলিকন প্রযুক্তির ব্যবহার পেঁয়াজ ও সরিষার ফলন বৃদ্ধিতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিকৃবি ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম বলেন, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে কৃষিজমি সংকুচিত হওয়ায় আধুনিক ও টেকসই প্রযুক্তির ব্যবহার এখন সময়ের দাবি। তিনি উল্লেখ করেন যে, পেঁয়াজ দেশের একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় মসলা জাতীয় ফসল হওয়া সত্ত্বেও চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম হওয়ায় প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ আমদানি করতে হয়। সিলিকন প্রযুক্তির মাধ্যমে পেঁয়াজ ও সরিষা চাষের সম্প্রসারণ ঘটলে আমদানি ব্যয় হ্রাসের পাশাপাশি পতিত জমির সঠিক ব্যবহার ও কৃষকের আয় বৃদ্ধি পাবে, যা জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।
গবেষণা কার্যক্রম ও ফলাফল উপস্থাপনকালে প্রকল্পের প্রধান গবেষক প্রফেসর ড. মো: কামরুল হাসান এবং সহ-প্রধান গবেষক প্রফেসর ড. মো: শাহাদৎ হোসেন জানান, সিলেট অঞ্চলের মাটি অম্লীয় প্রকৃতির হওয়ায় এখানে সাধারণত পেঁয়াজ ও সরিষার আবাদ কম হয়। তবে তাঁদের গবেষণায় দেখা গেছে, এই দুই ফসলে সিলিকন ব্যবহারের ফলে গাছের বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বেড়েছে। বিশেষ করে এই প্রযুক্তি পেঁয়াজের আগাম পরিপক্বতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংগ্রহের পরবর্তী সময়ে বাল্বের সংরক্ষণক্ষমতা বৃদ্ধি করে পচন রোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, সিলিকন ব্যবহারের ফলে প্রতিকূল আবহাওয়াতেও ফসলের গুণগত মান অক্ষুণ্ণ থাকে। এই গবেষণা প্রকল্পটি মূলত বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই পরিচালিত হয়েছে। সিলেট অঞ্চলে এই প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ নিশ্চিত করা গেলে স্থানীয় পর্যায়ে তেলের চাহিদা পূরণে সরিষা এবং মসলার সংকট নিরসনে পেঁয়াজ চাষে কৃষকরা আরও আগ্রহী হবেন। এর ফলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত ফসল অন্য অঞ্চলেও সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
সাউরেসের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাহবুব ইকবালের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুল ইসলাম ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোঃ মোশাররফ হোসেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষকবৃন্দ এবং স্থানীয় কৃষকরা অংশ নেন। কর্মশালার সমাপনীতে উপস্থিত সকলে মাঠ পর্যায়ে এই আধুনিক প্রযুক্তির দ্রুত সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ সম্প্রতি ‘এআই অ্যান্ড সাইবার সিকিউরিটি ইন ইন্ডাস্ট্রি: হোয়াই অ্যাডভান্সড স্কিলস ম্যাটার’ শীর্ষক একটি বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুর এলাহী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে শিল্পক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং সাইবার নিরাপত্তার ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন এবং উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামস রহমান।
সেমিনারে প্যানেল বক্তা হিসেবে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞগণ অংশগ্রহণ করেন। আলোচকদের মধ্যে ছিলেন ‘নোঅটোমেশন’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ড. জুনায়েদ কাজী, এসিআই এআই বিজনেসের ডিরেক্টর ও সিওও মোহাম্মদ অলি আহাদ এবং গ্রামীণফোন লিমিটেডের তথ্য নিরাপত্তা প্রধান মুহম্মদ শওকত আলী ও বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন। এছাড়াও বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আহমেদ ওয়াসিফ রেজা এবং সিএসই বিভাগের চেয়ারপারসন ড. মাহীন ইসলাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করেন।
প্যানেল আলোচনায় বক্তারা আধুনিক বিশ্বে সাইবার নিরাপত্তার হুমকি মোকাবিলা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত দক্ষতা অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেন যে, দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে হলে কেবল নির্দিষ্ট সফটওয়্যার বা ‘টুলস’-এর ওপর নির্ভরশীল হওয়া চলবে না। বরং দীর্ঘমেয়াদী সফলতার জন্য কম্পিউটার সায়েন্সের মৌলিক কারিগরি জ্ঞানের ভিত্তি মজবুত করা অপরিহার্য। সমসাময়িক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার জন্য নিয়মিত নিজেকে আপগ্রেড করার কোনো বিকল্প নেই বলে তাঁরা মত প্রকাশ করেন।
ভবিষ্যৎ পেশাজীবীদের বৈশ্বিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ করে তুলতে অ্যাকাডেমিক পর্যায়ে উচ্চতর শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও সেমিনারে আলোচনা হয়। বিশেষ করে ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স অ্যান্ড মেশিন লার্নিং’ এবং ‘সাইবার সিকিউরিটি’-তে মাস্টার্স কোর্সের গুরুত্ব ও বর্তমান প্রেক্ষাপটে এর উপযোগিতা তুলে ধরা হয়। সেমিনারের শেষ অংশে সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হকের সঞ্চালনায় একটি প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিক্ষার্থীরা সরাসরি বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে ক্যারিয়ার ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন জিজ্ঞাসার উত্তর খুঁজে পান।
পহেলা বৈশাখের উৎসবকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পূর্ণ নতুন অপো এ৬কে উন্মোচন করেছে অপো। বাংলাদেশজুড়ে ব্যবহারকারীদের জন্য ‘স্মুথনেস উইদাউট লিমিট’-এর অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে এটি নিয়ে আসা হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অপো এ৬কের মূলে রয়েছে এর ৫০ মেগাপিক্সেল আলট্রা-ক্লিয়ার ক্যামেরা। এআই পোর্ট্রেইট রিটাচিং, ডুয়েল-ভিউ ভিডিও ও নাইট মোডের মতো ফিচার যুক্ত রয়েছে। স্মুথনেস নিশ্চিত করতে অপো এ৬কেতে স্ন্যাপড্রাগন ৬৮৫ মোবাইল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে। মাল্টিটাস্কিং, গেমিং ও প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য অপ্টিমাইজড এই প্রসেসরটি ল্যাগ-ফ্রি পারফরম্যান্স ও ধারাবাহিক দক্ষতা নিশ্চিত করে, যা স্মুথনেসকে এই ডিভাইসের একটি অন্যতম ফিচারে পরিণত করে।
অপো এ৬কেতে সুবিশাল ৬৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ৫ বছর পর্যন্ত দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি, এটিকে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী করে তুলতে রিভার্স চার্জিং সুবিধা নিয়ে আসা হয়েছে।
এতে ১২০ হার্জ আলট্রা ব্রাইট ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে, যা আলট্রা-স্মুথ স্ক্রলিং ও অনন্য ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। এছাড়াও, দীর্ঘমেয়াদী পারফরম্যান্স ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিতে এতে ৪ বছরের ফ্লুয়েন্সি গ্যারান্টির পাশাপাশি, এআই এডিটর ২.০, এআই গেমবুস্ট ২.০, এআই লিঙ্কবুস্ট ৩.০, থেফট প্রোটেকশন ও জেমিনির মতো সর্বাধুনিক এআই-চালিত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডেমন ইয়াং বলেন, “অপো এ৬কের মাধ্যমে আমরা এমন একটি অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে চাই যা স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের প্রতিদিনের প্রয়োজনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স, শক্তিশালী ব্যাটারি, স্মুথ ডিসপ্লে ও সর্বাধুনিক ক্যামেরার সমন্বয়ে এ ডিভাইসটি কাজ, বিনোদন ও কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।”
পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে ডিভাইসটি কিনলেই ক্রেতারা ৯০ দিনের নিশ্চিত রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি ও ২ বছরের ওয়ারেন্টি সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এছাড়াও, একটি বিশেষ লটারি ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ও’লাইক এয়ারবাডস, এলিট ব্যাকপ্যাক, অপো টিশার্ট ও অপো ক্যাপ জিতে নেওয়ার সুযোগ পাবেন ক্রেতারা। একইসাথে, টপপের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২০% ডাউন পেমেন্টে কার্ডলেস ইএমআই সুবিধাও পাবেন তারা।
ক্রিস্টাল ব্লু ও ক্রিস্টাল ভায়োলেটের মতো আকর্ষণীয় রঙে ৪ জিবি + ১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের এই ডিভাইসটি এখন সারাদেশে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৯,৯৯৯ টাকায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন আয়ের পথ খুঁজছে মেটা। এর অংশ হিসেবে কয়েকটি দেশে প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন সেবা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। যার নাম ‘ইনস্টাগ্রাম প্লাস’। এই সেবার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা পাবেন কিছু বিশেষ ফিচার। যা সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত নয়।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ‘ইনস্টাগ্রাম প্লাস’ নামের এই সাবস্ক্রিপশনের আওতায় ব্যবহারকারীরা স্টোরি দেখলেও সেটি পোস্টদাতার কাছে ধরা পড়বে না। অর্থাৎ গোপনে স্টোরি দেখার সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি নিজের স্টোরি কতজন একাধিকবার দেখেছেন সেই তথ্যও জানা যাবে।
এছাড়া স্টোরি শেয়ারের ক্ষেত্রে বাড়তি নিয়ন্ত্রণ পাবেন গ্রাহকেরা। এখন পর্যন্ত ‘ক্লোজ ফ্রেন্ডস’ তালিকার বাইরে আলাদা করে দর্শক নির্ধারণের সুযোগ সীমিত ছিল। নতুন এই ফিচারে একাধিক অডিয়েন্স তালিকা তৈরি করা যাবে। ফলে ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট গ্রুপ বেছে নিয়ে স্টোরি শেয়ার করতে পারবেন।
স্টোরির সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। সাধারণত ২৪ ঘণ্টা পর স্টোরি মুছে যায়। তবে সাবস্ক্রিপশন নিলে এটি আরও ২৪ ঘণ্টা বাড়ানো যাবে। একই সঙ্গে সপ্তাহে একবার স্টোরিকে ‘স্পটলাইট’ করার সুযোগ থাকবে। যা অনুসারীদের স্টোরি তালিকার শুরুতে প্রদর্শিত হবে।
ইনস্টাগ্রাম প্লাসে আরও যুক্ত হয়েছে ‘সুপারলাইক’ নামের একটি অ্যানিমেটেড প্রতিক্রিয়া। এছাড়া স্টোরি ভিউয়ার তালিকায় নির্দিষ্ট কোনো ব্যবহারকারীকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার সুবিধাও থাকছে।
যদিও মেটা আনুষ্ঠানিকভাবে কোন কোন দেশে এই পরীক্ষা চলছে তা জানায়নি। তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মেক্সিকো, জাপান এবং ফিলিপাইন-এ এটি পরীক্ষা করা হচ্ছে। দেশভেদে সাবস্ক্রিপশনের মূল্য ভিন্ন। মেক্সিকোতে এর মাসিক খরচ প্রায় ২ ডলার, জাপানে প্রায় একই আর ফিলিপাইনে এর চেয়েও কম।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই উদ্যোগ মেটার আয়ের নতুন উৎস তৈরি করতে পারে। তবে একই সঙ্গে ‘সাবস্ক্রিপশন ক্লান্তি’ বা অতিরিক্ত সাবস্ক্রিপশন সেবার কারণে ব্যবহারকারীদের অনাগ্রহও তৈরি হতে পারে।
প্রিমিয়াম ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা যাচাই করছে মেটা। এখন দেখার বিষয়, পরীক্ষার পর এই সেবা কতটা বিস্তৃতভাবে চালু করা হয়।
মন্তব্য