× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
Harmful aspects of eating broiler chicken
google_news print-icon

ব্রয়লার মুরগি খাওয়ার ক্ষতিকারক দিক

ব্রয়লার-মুরগি-খাওয়ার-ক্ষতিকারক-দিক
ব্রয়লার মুরগি কৃত্রিম উপায়ে বড় হওয়ার ফলে এতে প্রচুর চর্বি তৈরি হয়, যা কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত যারা ব্রয়লার মুরগি খেয়ে থাকেন, তাদের কোলেস্টেরলজনিত অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

আমিষের ঘাটতি মেটাতে আমাদের প্রথম পছন্দ মাছ-মাংস। মাংসের ক্ষেত্রে পুরো পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রয়লার মুরগি। নরম, সুস্বাদু এবং দামে কম হওয়ায় প্রায় সবাই এটি খেতে পারে। বাসা কিংবা রেস্তোরাঁ সব জায়গায়ই ব্রয়লার মুরগির ব্যবহার দেখা যায়। তবে নানা কারণেই এর কিছু ক্ষতিকর দিক রয়েছে।

দ্য ইস্টম্যান এগ ডটকমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমনই কিছু ক্ষতির কথা। চলুন জেনে নেই-

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হ্রাস

ব্রয়লার মুরগি বড় করা হয় পোলট্রিতে। আর এই মুরগিগুলোর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নানা রকম অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। ব্রয়লার মুরগির মাংসের সঙ্গে সেই অ্যান্টিবায়োটিক আমাদের শরীরেও ঢোকে। ফলে শরীরে যে নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স থাকে তা ধীরে ধীরে কমে যায়। তাই এসব মুরগির মাংস নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি খাওয়া উচিত নয়।

কেমিক্যালের ব্যবহার

তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে পোলট্রি মুরগিগুলোকে যে উপায়ে বড় করা হয় তা বিজ্ঞানসম্মত নয়। মুরগিগুলোকে দ্রুত বড় আর ভারী স্বাস্থ্যের করে তুলতে কেমিক্যাল পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়। এসব কেমিক্যাল আমাদের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে যাদের নানা রকম অসুখ-বিসুখ রয়েছে বা যারা সব সময় ওষুধ খান তাদের উচিত ব্রয়লার মুরগি পরিহার করা। কারণ কেমিক্যাল ওষুধের গুণমান কমিয়ে দেয়।

ফুড পয়জনিং

ব্রয়লার মুরগিতে ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়া থাকে। এই ব্যাকটেরিয়া ফুড পয়জনিংয়ের অন্যতম কারণ। বয়স্কদের পাশাপাশি বাচ্চারা বেশির ভাগ ফুড পয়জনিংয়ে আক্রান্ত হয় ব্রয়লার মুরগিতে তৈরি বিভিন্ন খাবার খেয়ে।

কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি

ব্রয়লার মুরগি কৃত্রিম উপায়ে বড় হওয়ার ফলে এতে প্রচুর চর্বি তৈরি হয়, যা কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত যারা ব্রয়লার মুরগি খেয়ে থাকেন, তাদের কোলেস্টেরলজনিত অসুখে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

পুরুষত্ব হ্রাস

পুরুষত্ব ঝুঁকির মুখে পড়ার অন্যতম কারণ হিসেবেও দায়ী করা হয় ব্রয়লার মুরগিকে। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব পুরুষ নিয়মিত ব্রয়লারের মাংস খান তাদের জন্মদান ক্ষমতা স্বাভাবিক পুরুষের চেয়ে কম।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
Bajimat Abdus Salam in Panionu Shingara

পেঁয়াজু শিঙাড়ায় বাজিমাত আবদুস সালামের

পেঁয়াজু শিঙাড়ায় বাজিমাত আবদুস সালামের দোকানে দুই ধরনের খাদ্যপণ্য বিক্রি করে রীতিমতো বাজিমাত করেছেন আবদুস সালাম। দূরদুরান্ত থেকে লোকজন আসছেন তার বানানো পেঁয়াজু ও শিঙাড়া খেতে। কোলাজ: নিউজবাংলা
বেশ দূর থেকে পেঁয়াজু খেতে আসা সামিউল বলেন, ‘আমি প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূর থেকে এখানে পেঁয়াজু, শিঙাড়া খেতে এসেছি। মূলত আমি এক ফেসবুক আইডিতে এ দোকানের পেঁয়াজুর স্বাদ সম্পর্কে জেনে ছিলাম। আর আজ এসে খেয়ে দেখলাম। এককথায় সত‍্যিই অসাধারণ। না খেলে হয়তো এর স্বাদ বোঝা সম্ভব হবে না।’

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামন্দী ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের বাসিন্দা আবদুস সালাম। পরিবারে সচ্ছলতা আনতে একসময় যেতে চেয়েছিলেন বিদেশে, তবে পেঁয়াজু ও শিঙাড়ার দোকানে ধীরে ধীরে ভোক্তা বাড়তে থাকায় তাকে আর যেতে হয়নি প্রবাসে।

দোকানে দুই ধরনের খাদ্যপণ্য বিক্রি করে রীতিমতো বাজিমাত করেছেন এ ব্যক্তি। দূরদুরান্ত থেকে লোকজন আসছেন তার বানানো পেঁয়াজু ও শিঙাড়া খেতে।

ক্রেতারা বলছেন, এখানকার পেঁয়াজু অন্যান্য স্থানের চেয়ে মচমচে ও বেশি সুস্বাদু। একবার খাওয়ার পর নিয়মিত আসেন অনেকে।

মেহেরপুর জেলা শহর থেকে শুরু করে বিভিন্ন এলাকার ভোজনরসিকরা দোকানটিতে আসেন পেয়াজু ও শিঙাড়ার স্বাদ নিতে।

সড়কের পাশেই চেয়ার-টেবিলে পরিবশেন করা হয় শিঙাড়া ও পেঁয়াজু। অনেকে আবার দাঁড়িয়ে খেতে থাকেন।

ক্রেতার কমতি না থাকায় বিকেল তিনটা থেকে শুরু হয়ে পেঁয়াজু ও শিঙাড়া বিক্রি চলে রাত ১০টা পর্যন্ত।

স্থানীয় ক্রেতাদের জন্য ছোট্ট দোকানটির মধ্যে চোকি দিয়ে বানানো হয়েছে বসার স্থান।

পেঁয়াজু শিঙাড়ায় বাজিমাত আবদুস সালামের

পেঁয়াজুতে বাজার থেকে কেনা বেসন ব্যবহার করেন না আবদুস সালাম। প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করে নিজেই মিল থেকে পিষে আনেন বেসন। পেঁয়াজের পরিমাণ বেসনের চেয়ে বেশি হওয়ায় বেশ মুখরোচক হয় পেঁয়াজু।

ব্যবসায় আবদুস সালামকে সহযোগিতা করছেন তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই পুত্রবধূ। বর্তমানে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকার পেঁয়াজু ও শিঙাড়া বিক্রি হয় দোকানটিতে।

যা বললেন আবদুস সালাম ও তার ছেলে

এ ব্যবসায়ী ও তার ছেলের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দোকানে শিঙাড়া ও পেঁয়াজু বিক্রি করে প্রতি মাসে গড়ে আয় হয় দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা।

আবদুস সালাম বলেন, ‘আমি ২৮ বছর ধরে এই ব‍্যবসার সাথে জড়িত। মূলত গ্রামের বিয়ে কিংবা খানা বাড়িতে রান্নাবান্নার জন‍্য দাওয়াত পেতাম, তবে রান্নার অনুষ্ঠান তো আর প্রতিদিন হয় না। সেই ফাঁকে গ্রামের বাজারে বড়া (পেঁয়াজু) ও শিঙাড়া ভাজা শুরু করি। বতর্মানে সেটাই পেশায় পরিণত হয়ে গেছে। প্রতিদিন আমার গড়ে ১৪০০ পিস শিঙাড়া ও ৪৫ কেজি করে পেঁয়াজ লাগে।

‘এই কাজে আমার দুই বেটার বউ, ছেলে ও আমার স্ত্রী সহযোগিতা করে থাকে। আমাদের পরিশ্রমটা একটু বেশিই হয়। কেননা খাবারের মান ভালো রাখার পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিছন্নতার জন‍্য বাড়তি সময় ব‍্যয় করা লাগে।’

তিনি বলেন, ‘একটা সময় আমি আয়ের জন‍্য বিদেশ যাওয়ার জন‍্যও প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। এখন আল্লাহ খুব ভালো রেখেছে। আয়-রোজগারও বেশ ভালোই হয়। ছেলেপিলে নাতিপুতি নিয়ে খুব ভালোই আছি।’

আবদুস সালামের বড় ছেলে জুয়েল বলেন, ‘আমাদের এ বড়ার দোকান বেশ ভালোই চলে। দুপুর থেকে শুরু করে রাত ৯টা পর্যন্ত আমাদের দম ফেলার সুযোগ থাকে না। ১৩০০-১৪০০ পিস করে শিঙাড়া তৈরি করা এবং এক-দেড় মণ করে বড়া ভেজে বিক্রি করাটা সহজ কথা না। মাথার ঘাম পায়ে পড়ে যায়। আমাদের প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।

‘আমাদের এখানে অনেক দূর থেকেও মানুষ বড়া, শিঙাড়া খেতে আসে। আব্বা তো মাঝে বড়া, শিঙাড়া ভাজার কাজ করতে করতে মাজার (কোমর) সমস‍্যায় দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। সে কারণে দীর্ঘদিন ব‍্যবসা বন্ধ রেখেছিলাম। দোকানটি এখন আমাদের পরিবারের সকলের আয়ের উৎস হিসেবে দাঁড়িয়েছে।’

পেঁয়াজু শিঙাড়ায় বাজিমাত আবদুস সালামের

ভোক্তাদের ভাষ্য

পেঁয়াজু খেতে আসা কৃষক আসমান আলী বলেন, ‘আমরা সারা দিন মাঠে কাজ করি। বিকেল হলেই সব কাজ সেরে সালাম ভাইয়ের পেঁয়াজুর দোকানে চলে আসি।

‘এলাকায় অনেক জায়গায় পেঁয়াজু ভাজে, তবে সালাম ভাইয়েরটার স্বাদ পুরাটাই ভিন্ন। এর স্বাদ কারোর সাথে মেলে না।’

বেশ দূর থেকে পেঁয়াজু খেতে আসা সামিউল বলেন, ‘আমি প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূর থেকে এখানে পেঁয়াজু, শিঙাড়া খেতে এসেছি। মূলত আমি এক ফেসবুক আইডিতে এ দোকানের পেঁয়াজুর স্বাদ সম্পর্কে জেনে ছিলাম।

‘আর আজ এসে খেয়ে দেখলাম। এককথায় সত‍্যিই অসাধারণ। না খেলে হয়তো এর স্বাদ বোঝা সম্ভব হবে না।’

গৃহবধূ জরিনা বলেন, “আমার মেয়ে বিকেল হলেই বলবে, ‘মা, শিঙাড়া খাব।’ আর না খেয়ে থামবে না। বাড়ির পাশে হওয়ায় আমি নিজেই এসে কিনে নিয়ে যাই।

“মেয়ের জন‍্য আমাদের খাওয়া হয়ে যায়। সত‍্যি বলতে এই দোকানের স্বাদ সব জায়গার থেকে আলাদা।”

আরও পড়ুন:
শঙ্কা কাটিয়ে গমের বাম্পার ফলন মেহেরপুরে, দামও ভালো
অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রি করায় কসাইয়ের নামে মামলা
গাংনীতে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ
মেহেরপুরে মৌমাছির আক্রমণে অন্তত ২৫ জন আহত
মেহেরপুরে মাদক মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার 

মন্তব্য

জীবনযাপন
First time travel to Saudi Things to keep in mind

সৌদিতে প্রথমবার ভ্রমণ: মাথায় রাখবেন যেসব বিষয়

সৌদিতে প্রথমবার ভ্রমণ: মাথায় রাখবেন যেসব বিষয় সৌদি আরবের দর্শনীয় কিছু স্থান। কোলাজ: নিউজবাংলা
সৌদি ভ্রমণে দীর্ঘদিন বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকলেও পর্যটকদের জন্য এখন সেটি অনেকটাই সহজ হয়ে গেছে। ভ্রমণকারীদের জন্য দেশটি দুয়ার খুলে দিয়েছে, যাতে করে পর্যটকরা সেখানকার সব আকর্ষণীয় ও ধর্মীয় স্থান ঘুরে আসতে পারেন। 

হজ ও ওমরাহ পালন করতে প্রতি বছর সৌদি আরবের পবিত্র নগর মক্কা ও মদিনায় যান বিশ্বের ধর্মপ্রাণ বিপুলসংখ্যক মুসলমান। এর বাইরেও সৌদিতে রয়েছে দর্শনীয় অনেক স্থান।

সৌদি ভ্রমণে দীর্ঘদিন বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকলেও পর্যটকদের জন্য এখন সেটি অনেকটাই সহজ হয়ে গেছে। ভ্রমণকারীদের জন্য দেশটি দুয়ার খুলে দিয়েছে, যাতে করে পর্যটকরা সেখানকার সব আকর্ষণীয় ও ধর্মীয় স্থান ঘুরে আসতে পারেন।

অবকাশযাপন, বোমাঞ্চ বা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উপভোগ করতে দূরদুরান্তের মানুষ এখন সৌদিতে ভিড় জমাচ্ছেন। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশি পর্যটকরাও, তবে আপনি যদি প্রথমবারের মতো সৌদি আরব বেড়াতে যেতে চান, তাহলে কিছু বিষয় জানা জরুরি।

সহজ ভিসা প্রক্রিয়া

বাংলাদেশিদের জন্য এখন সৌদিতে ওমরাহ, ট্যুরিজম বা স্টপওভার ভিসার আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। ফলে সৌদি ভ্রমণ হয়ে উঠেছে আগের তুলনায় অনেক সহজ। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও শেনজেন ভিজিট ভিসা আছে এমন বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা অন অ্যারাইভাল ভিসার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। তা ছাড়া সম্প্রতি চালু হওয়া ৯৬ ঘণ্টার স্টপওভার ভিসা ব্যবহার করে গন্তব্যে যাওয়ার আগে সৌদিতে ৯৬ ঘণ্টা সময় কাটানোর সুযোগ পাওয়া যায়। ফলে দেশটি স্টপওভার হিসেবে বাংলাদেশিদের জন্য চমৎকার গন্তব্য।

বাংলাদেশ থেকে সহজলভ্য ফ্লাইট

সৌদির বিমান চলাচল খাত বিশ্বে অন্যতম প্রধান স্থান অধিকার করে আছে। সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রবেশদ্বার হিসেবে এই খাত কাজ করে। নতুন নতুন এয়ারলাইনস সৌদির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।

সম্প্রতি দ্বিতীয় রুট হিসেবে চট্টগ্রামের সাথে যুক্ত হয়েছে সৌদিয়া। এর আওতায় সপ্তাহে চারবার ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। জেদ্দা, মদিনা ও রিয়াদ থেকে ঢাকার বিদ্যমান রুটের সাথে এটি যুক্ত হবে।

সৌদিয়ার এ নতুন ফ্লাইটের পাশাপাশি বর্তমানে চট্টগ্রাম থেকে জেদ্দা পর্যন্ত সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি ঘটাচ্ছে ফ্লাইনাসও। ফলে বাংলাদেশ-সৌদির মধ্যে সংযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।

পর্যটকদের কাছে সৌদির জনপ্রিয়তা

সৌদি ২০২৩ সালে ১০০ মিলিয়নেরও বেশি পর্যটককে স্বাগত জানিয়েছে, যা ২০১৯ সালের চেয়ে ১৫৬ শতাংশ বেশি। এর মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের সাত বছর আগেই ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ মিলিয়ন পর্যটক নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে।

ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম অর্গানাইজেশনের (ইউএনটিডব্লিউও) ২০২৪ সালের ব্যারোমিটার রিপোর্ট অনুযায়ী, পৃথিবীর অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল পর্যটন গন্তব্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে সৌদি।

নারীদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা

আন্তর্জাতিক সূচক অনুসারে, জি২০ দেশগুলোর মধ্যে সৌদি সবচেয়ে নিরাপদ। এ ছাড়া টানা তৃতীয়বারের মতো মদিনা সারা পৃথিবীর মাঝে একা ভ্রমণকারী নারীদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ দেশের রেটিং দিয়েছে ইনশিওরমাইট্রিপ।

ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য স্বীকৃতিপ্রাপ্ত স্থান

১০ হাজারের বেশি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান এবং ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সাতটি স্থান আছে সৌদিতে। স্থানগুলো হলো উরুক বানি মা’রিদ, হিমা সাংস্কৃতিক অঞ্চল, আল-আহসা মরুদ্যান, হাইল অঞ্চলের পাথর শিল্প, ঐতিহাসিক জেদ্দা, মক্কার প্রবেশদ্বার, আদ-দিরিয়াহ্‌র আত-তুরাইফ জেলা ও হেগরা প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।

ডাইভারদের জন্য স্বপ্নের জায়গা

সৌদি পৃথিবীর অন্যতম সেরা ডাইভিং স্পট। লোহিত সাগর উপকূল আর আরব সাগরের আদিম পানি, সাদা বালির সৈকত, সমৃদ্ধ প্রবাল প্রাচীর ও চমৎকার কিছু জাহাজের ধ্বংসাবশেষ দেখার মতো আছে অনেক কিছুই। সুন্দর ও দুর্লভ কিছু সামুদ্রিক প্রাণীর দেখাও পেতে পারেন ডাইভার।

পর্যটকদের হঠাৎ চোখে পড়ে যেতে পারে মিনিটে ১০৯ কিলোমিটার গতিতে চলা পৃথিবীর দ্রুততম মাছ ব্ল্যাক মার্টিন কিংবা বিপন্ন প্রজাতির নেপোলিয়ন ফিশ, যেটি কুইন অফ দ্য কোরাল রিফ নামেও পরিচিত।

লোহিত সাগর এলাকার আবহাওয়া রৌদ্রোজ্জ্বল এবং তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে থাকে। ফলে সাঁতারু ও ডাইভাররা বছরজুড়েই পাবেন উষ্ণ পানি।

আতিথেয়তা

আতিথেয়তাকে সৌদিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়। এটি এ দেশের সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিশেষত পর্যটকদের সঙ্গে উদার ও সদয় আচরণের জন্য সৌদির মানুষ পরিচিত। তাই ভ্রমণকারীরা স্থানীয়দের কাছ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পাওয়ার আশা করতেই পারেন। এ ছাড়া দেশটিতে সুনির্দিষ্ট পোশাক পরার বিধান অনেকটাই শিথিল করা হয়েছে। আর নারীরা চাইলেই গলায় রঙিন স্কার্ফ কিংবা দেশটির ঐতিহ্যবাহী ঢিলেঢালা লম্বা পোশাক আবায়াও পরতে পারেন।

ঐতিহ্যবাহী বাজার

নামকরা ফ্যাশন ও ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ব্র্যান্ড সংবলিত আধুনিক ও বিলাসবহুল অনেক শপিং মল সৌদিতে আছে। সেই সঙ্গে আছে সুন্দরভাবে সংরক্ষিত ঐতিহ্যবাহী বাজার বা সুউক। গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় আল বালাদের রাস্তাগুলো জীবন্ত হয়ে ওঠে।

ঐতিহাসিক নাইটস রুফটপ ক্যাফে থেকে উপভোগ করুন জেদ্দার আকাশ আর প্রদর্শিত শত শত প্রাচীন জিনিসপত্র। ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ‘ঐতিহাসিক জেদ্দা’ কিংবা পুরোনো শহর নামে পরিচিত জেদ্দার আল বালাদ জেলা।

সপ্তম শতকের প্রাচীন ভবনের দেখা মিলবে এ জায়গায়। এর অসাধারণ স্থাপত্য দেখে দর্শনার্থীদের মনে হতে পারে যে, তারা অনেকটা সময় পিছিয়ে গিয়েছেন। এ ছাড়া আগ্রহী ক্রেতাদের জন্য এর রাস্তায় রাস্তায় আছে অনেক পণ্য।

আল বালাদের ভিড়ে ভরা বাজারগুলোতে মিলতে পারে অনেক গুপ্তধনের দেখা। পুরোনো শহরেই আছে সাতটি সুউক। সুউক আল আলাউয়ি নামক জেদ্দার সবচেয়ে পুরোনো সুউকটিও এখানেই অবস্থিত। চামড়ার জিনিস, আরবীয় সুগন্ধি, গহনা, পোশাকসহ আরও অনেক পণ্যসম্ভারের কারণে স্যুভেনির কেনাকাটার জন্য স্থানটি দারুণ।

আরও পড়ুন:
সৌদিতে হজের নতুন আইন কার্যকর, ভাঙলেই সাজা
বাংলাদেশ থেকে ৩৪,৭৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন
ট্যুরিস্ট ভিসায় তিন দিন ভারতে যেতে পারবেন না বাংলাদেশিরা
চট্টগ্রাম থেকে বিমানের হজ ফ্লাইট উদ্বোধন
হজযাত্রীদের থেকে কোরবানির টাকা নিতে পারবে না এজেন্সি

মন্তব্য

জীবনযাপন
Sylhets tourism has been hit hard by floods

বন্যায় বড় ধাক্কা লেগেছে সিলেটের পর্যটনে

বন্যায় বড় ধাক্কা লেগেছে সিলেটের পর্যটনে বন্যার কারণে পর্যটক না আসায় ফাঁকা পড়ে আছে জাফলং পর্যটন কেন্দ্র। ছবি: নিউজবাংলা
সিলেটের হোটেল-মোটেল, রিসোর্টগুলো ফাঁকা পড়ে আছে। ঈদের মতো একটি বড় উপলক্ষ ঘিরেও পর্যটকরা না আসায় বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন এই খাতের উদ্যোক্তারা। বন্যায় সিলেটে পর্যটন খাতের ক্ষতি পাঁচশ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে জানিয়েছে সিলেট চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি।

ঈদের ছুটিতে প্রতিবছর পর্যটকের ঢল নামে সিলেটে। পর্যটকদের পদভারে মুখরিত থাকে সিলেটের পর্যটন কেন্দ্রগুলো। আর হোটেল-মোটেলগুলোতে কক্ষ ফাঁকা পাওয়া যায় না। আগাম সব বুকিং হয়ে যায়।

তবে এবার চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। এবার ঈদের দিন ভোর থেকে তীব্র বন্যা দেখা দেয় সিলেটে। ঝুঁকি বিবেচনায় ওইদিনই সিলেটের পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন।

পর্যটক না আসায় সিলেটের হোটেল-মোটেল, রিসোর্টগুলোও ফাঁকা পড়ে আছে। ঈদের মতো একটি বড় উপলক্ষ ঘিরেও পর্যটকরা না আসায় বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন এই খাতের উদ্যোক্তারা। সবমিলিয়ে বড় ধাক্কা এসে লেগেছে সিলেটের পর্যটন খাতে।

ক্ষতি বিবেচনায় রোববার থেকে কিছু পর্যটন কেন্দ্র খুলে দেয়া হলেও এখন পর্যন্ত তেমন পর্যটক আসেননি সিলেটে। বন্যায় সিলেটে পর্যটন খাতের ক্ষতি পাঁচশ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে জানিয়েছে সিলেট চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি।

বন্যায় বড় ধাক্কা লেগেছে সিলেটের পর্যটনে
সিলেটের পর্যটন স্পটগুলোর অন্যতম বিছানাকান্দি। ছবি: নিউজবাংলা

পর্যটক না আসায় বড় ক্ষতির কথা জানিয়ে নগরের জিন্দাবাজার এলাকার হোটেল সিটির মহাব্যবস্থাপক মৃদুল দত্ত মিষ্টু বলেন, ‘প্রতিবারই ঈদের সময় আমাদের বাড়তি প্রস্তুতি থাকে। নতুন করে এ সময় বিনিয়োগও করা হয়। ঈদের ছুটিতে প্রতিবারই ভালো ব্যবসা হয়। কিন্তু এবার খুবই খারাপ অবস্থা। ঈদের পর থেকে পুরো হোটেল প্রায় ফাঁকা। কোনো অতিথি নেই। অথচ অন্যান্যবার ঈদের সময় অতিথিদের জায়গা দিতে হিমশিম খেতে হয়।’

সিলেটের অন্যতম পর্যটক আকর্ষণীয় এলাকা গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং। সবসময়ই এখানে পর্যটকের ভিড় লেগে থাকে। আর ঈদের সময়ে তো পা ফেলারও জায়গা পাওয়া যায় না। তবে এবার ঈদের দিন থেকে এই পর্যটনকেন্দ্রও বন্ধ ঘোষণা করা হয়। রোববার থেকে এটি পুনরায় চালুর ঘোষণা দেয় উপজেলা প্রশাসন। তবে সোমবার জালফংয়ে গিয়ে দেখা যায় প্রায় ফাঁকা পুরো পর্যটন এলাকা। নেই কোনো পর্যটক।

জাফলং এলাকার গুচ্ছগ্রাম দিয়ে এখানকার মূল পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশ করেন পর্যটকরা। পর্যটকদের ওপর ভিত্তি করেই এই এলাকায় গড়ে উঠেছে শতাধিক স্থায়ী ও অস্থায়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

সোমবার ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দুই-একটি ছাড়া সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই বন্ধ। যেগুলো খোলা আছে সেগুলোতেও ক্রেতা নেই।

জাফলংয়ে ঘুরতে আসা পর্যটকদের ছবি তোলার কাজ করেন আব্দুর রহিম। তিনি বলেন, ‘এবার ঈদের মৌসুমটা একেবারে মন্দ গেছে। কোনো পর্যটক আসছেন না। পর্যটক না আসায় আমরা প্রায় বেকার হয়ে পড়েছি।’

এই এলাকার গ্রিন রিসোর্টের স্বত্বাধিকারী বাবুল আহমদ বলেন, ‘এবার ঈদের পর রিসোর্টে কোনো অতিথি আসেননি। করোনার সময় একবার এমন অবস্থা হয়েছিল। এছাড়া আর কখনোই এমন মন্দায় পড়তে হয়নি।’

জাফলং পর্যটন কেন্দ্র ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. হোসেন মিয়া বলেন, ‘পর্যটকদের ওপর আমাদের ব্যবসা নির্ভর করে। জাফলংয়ে প্রায় ৬০০ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। এগুলোর মালিক, কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

‘ঢলের পানিতে অনেকের দোকানপাট প্লাবিত হয়েছে। অনেকের মালামাল ভেসে গেছে। বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এই ভরা মৌসুমে ব্যবসা করতে না পারায় এই লোনের কিস্তি দিতেও আমরা হিমশিম খাচ্ছি।’

বন্যায় বড় ধাক্কা লেগেছে সিলেটের পর্যটনে
পর্যটক না থাকায় বন্ধ রয়েছে জাফলং পর্যটন কেন্দ্রের রাস্তার ধারের দোকানগুলো। ছবি: নিউজবাংলা

কেবল জাফলং নয়, সিলেটের সব পর্যটন কেন্দ্রেই এখন এই অবস্থা। সাদাপাথর, রাতারগুল, লালাখাল, বিছানাকান্দিসহ কোনো পর্যটন কেন্দ্রেই এবার ঈদ মৌসুমে পর্যটক আসেননি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্ষা মৌসুমে সিলেটে সবচেয়ে বেশি পর্যটক সমাগম হয়। এখানকার পাহাড়, ঝর্না, হাওর, জলাবরণ, নদী- বর্ষায় সবচেয়ে সুন্দর রূপ ধারণ করে। তাই এ সময়ে সিলেট অঞ্চলে পর্যটক সমাগম হয় সবচেয়ে বেশি। এবার ঈদ পড়েছে বর্ষা মৌসুমে। তাই এবার বিপুল পর্যটক সমাগমের আশা করেছিলেন এই খাতের উদ্যোক্তারা। তবে বন্যা তাদের সেই আশা‌ও ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।

পর্যটন খাতের ব্যবসায়ীরা জানান, করোনার কারণে দুই বছর একেবারে স্থবির ছিল পর্যটন খাত। করোনার দীর্ঘ মন্দা কাটিয়ে আবার চাঙ্গা হয়ে ওঠার মুহূর্তে ২০২২ সালের বন্যায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে এই খাত। সেই ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার আগেই আবারও বন্যার ধাক্কা লেগেছে পর্যটন খাতে।

সিলেটের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র বিছানাকান্দি। বর্ষা মৌসুমেই এখানকার নদী-ঝর্ণা-পাহাড় মোহনীয় রূপ নেয়। তবে এবার বর্ষায় পর্যটক নেই বিছানাকান্দিতে।

বিছানাকান্দি পর্যটন কেন্দ্রের ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন বলেন, ‘অন্যান্য বছর বর্ষায় এখানে পর্যটকের ভিড় লেগে থাকে। এবার একেবারেই পর্যটক আসছেন না। পুরো ফাঁকা পর্যটন কেন্দ্র।

তিনি বলেন, ‘বিছানাকন্দি পর্যটন কেন্দ্রে রেস্টুরেস্ট, কসমেটিকসসহ বিভিন্ন পণ্যের অর্ধশতাধিক দোকান রয়েছে। এই ভরা মৌসুমেও এগুলো বন্ধ রয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা বড় অংকের ক্ষতির মুখে পড়েছেন।’

বর্ষায় পর্যটকের ভিড় বাড়ে সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরেও। বর্ষায় হাউসবোট নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওরে রাতভর ঘুরে বেড়ানো সাম্প্রতিক সময়ে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে এবারের বন্যায় সেখানেও কোনো পর্যটক নেই।

সিলেট হোটেল-মোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, সিলেট জেলায় পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল রয়েছে। সেসবের বেশিরভাগই এখন পুরো ফাঁকা।

এই সমিতির সভাপতি সুমাত নুরী জয়েল বলেন, ‘বন্যার কারণে পুরো বিভাগজুড়েই পর্যটক শূন্যতা ও পর্যটন খাতে মন্দা দেখা দিয়েছে। অনেক বড় বড় হোটেল-রিসোর্ট ৬০/৭০ পার্সেন্ট ছাড়ের ঘোষণা দিয়েও অতিথি পাচ্ছে না।’

সিলেট চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি তাহমিন আহমদ বলেন, ‘কেবল হোটেল-মোটেল নয়, সিলেটের একজন রিকশাচালক, একজন কাপড় ব্যবসায়ীও পর্যটকের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। শ্রীমঙ্গল, জাফলংসহ কিছু এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য তো পুরোটাই পর্যটকদের ওপর নির্ভশীল। তার ওপর এখন সিলেটে পর্যটনের ভরা মৌসুম।’

তাহমিন বলেন, ‘বন্যা কমে গেলেও সিলেটে এখন পর্যটক ফেরানো যাবে না। কারণ বেশিরভাগ রাস্তাঘাট ভেঙে গেছে। অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া পর্যটকদের মনে বন্যা নিয়ে আতঙ্কও আছে। ফলে এই খাতে ক্ষতি আরও বাড়বে।’

প্রসঙ্গত, চলতি মৌসুমে টানা দ্বিতীয় দফা বন্যায় আক্রান্ত সিলেট। পাহাড়ি ঢলে ২২ মে প্রথম দফা বন্যা দেখা দেয়। এই পানি কমার আগেই অতিবৃষ্টি ও ঢলে ১৩ জুন থেকে ফের বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আর ১৭ জুন ঈদের দিন সকালে তলিয়ে যায় সিলেট নগরসহ জেলার বেশিরভাগ এলাকা। ওইদিনই সিলেটের প্রায় সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
সিলেটে নদীর পানি কমছে, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি
সিলেটে বন্যার জন্য অলওয়েদার সড়ক কতটা দায়ী?
সুনামগঞ্জে আট লাখ মানুষ পানিবন্দি

মন্তব্য

জীবনযাপন
Effect of rain and flood on Moulvibazar tourism

মৌলভীবাজারের পর্যটনে বৃষ্টি-বন্যার প্রভাব

মৌলভীবাজারের পর্যটনে বৃষ্টি-বন্যার প্রভাব টানা বৃষ্টি ও সিলেটের বন্যা পরিস্থিতির কারণে এবার মৌলভীবাজারের পর্যটনকেন্দ্রগুলো ফাঁকা। ছবি: নিউজবাংলা
কমলগঞ্জ অরণ্য নিবাস রিসোর্টের পরিচালক এহসান কবির সবুজ জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে এমনিতেই পর্যটন অনেক কম। আমাদের রিসোর্টসহ বেশিরভাগ রিসোর্টে প্রায় ৫০ শতাংশের কম রুম বুকিং হয়েছে। তার ওপরে ঈদের দিন থেকে বৃষ্টি হওয়ায় পর্যটকরা রিসোর্ট থেকে বের হচ্ছেন না। রিসোর্টেই সময় কাটাচ্ছেন তারা।

‘চায়ের রাজধানী’ খ্যাত মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জে ঈদের দিন থেকে টানা বৃষ্টি ও নদ-নদীর পানি বেড়ে সৃষ্ট বন্যার কারণে গত কয়েকদিন ধরে চা বাগানসহ পর্যটন স্থানগুলো একপ্রকার ফাঁকাই রয়েছে। প্রতিবার ঈদে পর্যটক ও স্থানীয়দের ভিড় লেগে থাকে যেসব স্থানে, সেকানে এবারের চিত্র পুরোপুরি উল্টো

টানা ৩ দিনের বৃষ্টিতে প্রায় ফাঁকা হয়ে রয়েছে এসব দর্শনীয় স্থানগুলো। এমনিতেই এবার পর্যটক কম এসেছে। তার ওপরে সারা দিন বৃষ্টি হওয়ায় পর্যটকরা হোটেল রিসোর্ট থেকেও বের হতে পারছেন না।

সোমবার (ঈদের দিন) সকাল থেকে বুধবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত এ রিপোর্ট লেখা অবধি টানা বৃষ্টি হচ্ছে চায়ের রাজ্যে।

এদিকে, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে সিলেটের বন্যার প্রভাব পড়েছে। আগাম বুকিং দেয়া অনেকেই সিলেটের বন্যার সঙ্গে শ্রীমঙ্গলকে মিলিয়ে সেসব বুকিং বাতিল করে দিচ্ছেন।

শ্রীমঙ্গলের কোথাও বন্যা নেই বলে জানিয়েছেন পর্যটন-সংশ্লিষ্টরা। তবে কমলগঞ্জে বন্যা দেখা দিলেও হোটেল-রিসোর্টে এর কোনো প্রভাব পড়েনি।

চারদিকে সবুজের সমারোহে সজ্জিত সারি সারি চা বাগানের নয়নাভিরাম দৃশ্য মুগ্ধ করে কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের। চা বাগান ছাড়াও বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই), টি মিউজিয়াম, বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন, হাইল হাওর, মৎস্য অভয়াশ্রম বাইক্কা বিল, নীলকণ্ঠ সাত রঙের চা কেবিন, বধ্যভূমি ৭১, চা-কন্যা ভাস্কর্যসহ নানা স্থান ঘুরে দেখেন দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা। শহর থেকে একটু দূরে লাল পাহাড়, শঙ্কর টিলা, গরম টিলা, ভাড়াউড়া লেক, নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী পল্লী, সুদৃশ্য জান্নাতুল ফেরদৌস মসজিদ ও হরিণছড়া গলফ মাঠ ঘুরে আনন্দ উপভোগ করেন তারা।

এ ছাড়াও কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, পদ্মা লেক, পাত্রখলা লেক, ক্যামেলীয়া লেক, বীরশ্রেষ্ট হামিদুর রহমান, মনিপুরী পল্লী, খাসিয়া পল্লী পর্যটকদের আকর্ষণ করে। প্রকৃতির টানে তাই পর্যটকরা ছুটে আসেন চায়ের রাজ্যে। তবে এবার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গলে ঘুরতে এলেও এসব পর্যটন স্থানগুলোতে যেতে পারেননি বেশিরভাগ পর্যটকরা।

মৌলভীবাজারের পর্যটনে বৃষ্টি-বন্যার প্রভাব

ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে শ্রীমঙ্গলে বেড়াতে এসেছেন আকাশ জামান। তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে, একবারও থামেনি। রিসোর্ট থেকেও বের হতে পারলাম না। রিসোর্টেই কাটতে হচ্ছে সময়। বৃষ্টি উপভোগ করলেও ভালো করে ঘুরতে পারিনি। বৃহস্পতিবার সকালে পরিবার নিয়ে চলে যাব। আবার ছুটি পেলে ঘুরতে আসব।’

শারমিন আনাম তান্নী নামের এক পর্যটক বলেন, ‘বুধবার সকালে সাতক্ষীরা থেকে কমলগঞ্জে এসেছি। নিজস্ব গাড়ি থাকায় ঘুরতে বেরিয়েছিলাম, কিন্তু টানা বৃষ্টির কারণে গাড়ি থেকেই নামতে পারিনি। গাড়ি থেকে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখলাম। প্রায় দুই ঘণ্টার মতো গাড়ি নিয়ে ঘুরে আবার রিসোর্টের দিকে এখন যাচ্ছি। এমন বৃষ্টি জানলে আসতাম না। হোটেল দুই দিন বুকিং দিয়েছিলাম। বৃহস্পতিবার সকালে চলে যাব।’

কমলগঞ্জ অরণ্য নিবাস রিসোর্টের পরিচালক এহসান কবির সবুজ জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে এমনিতেই পর্যটন অনেক কম। আমাদের রিসোর্টসহ বেশিরভাগ রিসোর্টে প্রায় ৫০ শতাংশের কম রুম বুকিং হয়েছে। তার ওপরে ঈদের দিন থেকে বৃষ্টি হওয়ায় পর্যটকরা রিসোর্ট থেকে বের হচ্ছেন না। রিসোর্টেই সময় কাটাচ্ছেন তারা।

শ্রীমঙ্গল শহরের গ্রীনলিফ গেস্ট হাউজের মালিক এস কে দাশ সুমন বলেন, ‌‘দিন দিন পর্যটকরা দেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ট্যুর কোম্পানিগুলো ঈদ কিংবা অন্যান্য ছুটির সময় ভারত, থাইল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশে যাওয়ার অফার দেয়। এখন বেশিরভাগ পর্যটকই বিদেশমুখি হয়ে যাচ্ছেন।

‘এবার ঈদুল আযহা উপলক্ষে আমরা হোটেল রিসোর্ট মালিকরা খুব কম আগাম বুকিং পাচ্ছি। মুলত যারা শ্রীমঙ্গলে রাত্রিযাপন করেন, তাদের ৮০ ভাগই আগাম বুকিং দিয়ে আসেন।’

তিনি বলেন, ‘সিলেটে বৃষ্টির কারণে এবার বন্যা হচ্ছে। অনেক পর্যটক ধারণা করছেন, শ্রীমঙ্গলেও বন্যা, কিন্তু শ্রীমঙ্গলে কখনোই বন্যা হয় না। অনেকে সিলেটের সঙ্গে সেটা গুলিয়ে ফেলছেন। এখন শ্রীমঙ্গলের প্রকৃতি অপরূপ সাজে সজ্জিত। সবুজে ভরে আছে সবকিছু।’

শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম আহমেদ বলেন, ‘সাধারণত ঈদের আগের দিন থেকে সপ্তাহব্যাপী পর্যটক শ্রীমঙ্গলসহ পুরো জেলায় ঘুরে বেড়ান। তাদের জন্য প্রতিটি হোটেল-রিসোর্টকে নতুন সাজে সজ্জিত করে রাখা হয়। পর্যটকদের জায়গা দিতে হিমশিম খেতে হয় প্রতিবার। বেশিরভাগ হোটেল-রিসোর্ট হাউসফুল থাকে, কিন্তু এ বছর ঈদের আগের দিন থেকে আজ অবধি খুবই কম বুকিং হয়েছে। বৃষ্টির কারণে পর্যটকরা এখানে এসেও ঘুরতে পারছেন না। এ কারণে এবার পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।’

মৌলভীবাজার সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) আনিসুর রহমান বলেন, ‘পর্যটক ও স্থানীয়দের নিরাপত্তার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। ঈদের ছুটিতে ঘুরতে আসা পর্যটকদের জন্য ট্যুরিস্ট পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিটি পর্যটন স্পটগুলোতে আমাদের পুলিশ ছিল। পর্যটকরা যেন ঈদের ছুটি কাটিয়ে নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারে, সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।’

আরও পড়ুন:
ঈদে আগাম বুকিং কম শ্রীমঙ্গলে, বললেন রিসোর্ট মালিকরা
পর্যটক-শূন্যতায় রুমা ও থানচির হোটেল রিসোর্ট ফাঁকা
ঈদ উপলক্ষে চাঙা সিলেটের পর্যটন খাত
ভরা মৌসুমে পর্যটকখরা শেরপুরে

মন্তব্য

জীবনযাপন
Make the perfect beef steak at home

ঘরে বানিয়ে ফেলুন ‘পারফেক্ট’ বিফ স্টেক

ঘরে বানিয়ে ফেলুন ‘পারফেক্ট’ বিফ স্টেক স্টেক অ্যান্ড ফ্রাইজ। ছবি: সংগৃহীত
রাইসা বলেন, মাংস যদি ভালো মতো সিয়ার হয় তাহলে মাংসের কাঁচা কোনো গন্ধ থাকবে না। কারণ মাংস যখন সিয়ার হচ্ছে তখন মাংসে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড, সুগার আর হিটের মধ্যে এক ধরনের রিঅ্যাকশন হয়। ফলে মাংসের গন্ধ ও স্বাদ পরিবর্তন হয়ে অনেক মজার স্বাদ ও ঘ্রাণ তৈরি করে।

স্টেক হলো মাংসের মোটা টুকরো করে কাটা অংশ। যা গ্রিল বা ভেজে খাওয়া হয়। স্টেক সাধারণত গরুর মাংসের হাড় ছাড়া কোমল অংশকে বোঝায়।

পারফেক্ট স্টেক তৈরির জন্য সবার আগে সঠিক মাংস নির্বাচন করা জরুরি। গরুর কোন অংশের মাংস নেয়া হচ্ছে তার ওপর স্টেকের স্বাদ নির্ভর করবে অনেকটা।

কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও সায়েন্টিস্ট ড. রাইসা খান তারেক জানিয়েছেন কীভাবে বাসায় সহজেই পারফেক্ট বিফ স্টেক বানানো যায়।

তিনি বলেছেন, ‘স্টেক করার জন্য গরুর দেহের এমন অংশটি প্রয়োজন যেই অংশের মাংসপেশী খুব বেশি কাজ করে না। ওই অংশটা খুব সফট আর টেন্ডার হয়। অর্থাৎ গরুর পেছনের পায়ের ওপরের অংশ থেকে সামনের পায়ের ওপরের অংশ পর্যন্ত (মেরুদণ্ডের জায়গা) স্টেকের জন্য সবচেয়ে ভালো। এ অংশের মাংসপেশী একদমই নড়াচড়া হয় না, কোনো কাজ করে না।’

প্রস্তুত প্রণালি

স্টেক বানাতে প্রয়োজন অল্প কিছু উপকরণ। মাংস সিজনিং করতে হবে শুধু লবণ আর গোলমরিচ দিয়ে। আর রান্নার সময় দিতে হবে একটু বাটার আর রসুন।

ভাবতে পারেন এত অল্প মসলায় মাংস খেতে ভালো হবে কি না, তবে বেস্ট কোয়ালিটি স্টেকের জন্য সিম্পল সিজনিং করা হয়। অতিরিক্ত মসলা স্টেকের স্বাদ নষ্ট করতে পারে।

স্টেক তৈরির জন্য প্রথমে লাগবে মোটা মেটালের পাত্র। খেয়াল রাখতে হবে গরম প্যানে মাংস দেয়ার পর যেন পাত্রের তাপমাত্রা হুট করে কমে না যায়। কারণ স্টেকটা সিয়ার করতে হবে, বয়েল বা সিদ্ধ না।

সিয়ারিং হলো উচ্চতাপে মাংসের উপরিভাগ খুব কম সময়ে সংকুচিত করে ফেলা, যাতে ভেতরের জুস বের না হয়ে আটকা পড়ে সেই ফ্লেভারফুল ক্রাস্ট তৈরি হয়।

পাত্র গরম হলে অল্প তেল দিতে হবে। এর পর স্টেকের মাংস দিতে হবে। পাত্র ভালো মতো গরম হলে মাংস দেয়ার পর ঝলসানোর মতো শব্দ হবে। মাংস সিয়ার করতে হবে ছয় থেকে আট মিনিটের মতো। প্রত্যেক মিনিটে স্টেক উল্টে দিতে হবে। তিন থেকে চার মিনিট পর দিতে হবে রসুন ও বাটার। রসুন হালকা ছেঁচে দিতে হবে। বাটার গলে গেলে একটি চামচ দিয়ে উঠিয়ে বার বার স্টেকের ওপরে দিতে হবে। বাটারের সঙ্গে হার্ব হিসেবে থাইম বা রোজমেরি দেয়া যায়।

ঘরে বানিয়ে ফেলুন ‘পারফেক্ট’ বিফ স্টেক
ছবি: সংগৃহীত

রাইসা বলেন, মাংস যদি ভালো মতো সিয়ার হয় তাহলে মাংসের কাঁচা কোনো গন্ধ থাকবে না। কারণ মাংস যখন সিয়ার হচ্ছে তখন মাংসে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড, সুগার আর হিটের মধ্যে এক ধরনের রিঅ্যাকশন হয়। ফলে মাংসের গন্ধ ও স্বাদ পরিবর্তন হয়ে অনেক মজার স্বাদ ও ঘ্রাণ তৈরি করে।

তাই স্টেকের স্বাদের জন্য মসলা নয়, বরং কুকিং কেমিস্ট্রিটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

স্টেক নামিয়ে পাঁচ থেকে ছয় মিনিট রেস্ট করতে হবে। স্টেকের স্বাদ পুরোপুরি পেতে হলে এই রেস্টিংটা খুব জরুরি। এতে স্টেক আরও বেশি জুসি হয়।

এবার স্টেকটি পরিবেশন করতে পারেন ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজ অথবা ম্যাশড পটেটোর সঙ্গে।

আরও পড়ুন:
শীতের সন্ধ্যায় উপভোগ করুন পালংশাকের স্যুপ
খুব সহজেই বানাতে পারেন হানি নুডলস উইথ ফ্রাইড রাইস
গরমে পান করুন ওটস ম্যাঙ্গোর মজাদার স্মুদি  
ঘরে বসে মজাদার শাহী জর্দা বানাবেন যেভাবে  
সরিষার তেলে পুরান ঢাকার বিফ তেহারি

মন্তব্য

জীবনযাপন
Buy Infinix smartphone on Eid and win a bike to visit Coxs Bazar

ঈদে ইনফিনিক্স স্মার্টফোন কিনে বাইক জেতা, কক্সবাজার ঘোরার সুযোগ

ঈদে ইনফিনিক্স স্মার্টফোন কিনে বাইক জেতা, কক্সবাজার ঘোরার সুযোগ ‘ঈদ বোনানজা’ নামের ক্যাম্পেইনে গ্রাহকদের জন্য থাকছে কক্সবাজার ট্যুর, মোটরসাইকেল, নিশ্চিত ক্যাশব্যাকসহ বেশ কিছু পুরস্কার। ছবি: ইনফিনিক্স
গ্রাহকদের উচ্চমানের উদ্ভাবনী স্মার্টফোনের পাশাপাশি মূল্যবান উপহার ও সুন্দর অভিজ্ঞতা দিয়ে পুরস্কৃত করতে এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইনফিনিক্স।

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। ঈদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তুলতে বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স।

‘ঈদ বোনানজা’ নামের এ ক্যাম্পেইনে গ্রাহকদের জন্য থাকছে কক্সবাজার ট্যুর, মোটরসাইকেল, নিশ্চিত ক্যাশব্যাকসহ বেশ কিছু পুরস্কার।

ইনফিনিক্সের নির্দিষ্ট কিছু স্মার্টফোন কিনে বিশেষ মূল্যছাড়সহ এসব পুরস্কার জেতার সুযোগ পাচ্ছেন গ্রাহকরা। ক্যাম্পেইনটি চলবে ৫ জুন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত।

ক্যাম্পেইনে ইনফিনিক্সের নোট ৩০ এবং ৪০ সিরিজ, হট ৩০ (৪+১২৮ এবং ৮+১২৮ জিবি সংস্করণ), হট ৪০ সিরিজ এবং স্মার্ট ৮ সিরিজের স্মার্টফোনগুলো কিনলেই কেবল এ পুরস্কার পাওয়া যাবে।

ক্যাম্পেইন চলাকালে অফিশিয়াল স্টোর থেকে ইনফিনিক্সের এ মডেলগুলোর যেকোনো একটি কিনলে বিশেষ পুরস্কার হিসেবে কক্সবাজার ভ্রমণ এবং একটি এক্সক্লুসিভ বাইক জেতার সুযোগ পাবেন ক্রেতারা।

বিশেষ পুরস্কার ছাড়াও ক্যাম্পেইনে অংশ নেয়া গ্রাহকরা সর্বনিম্ন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক জিতে নিতে পারবেন। আর স্মার্টফোন কিনলেই থাকছে ১০০ টাকার নিশ্চিত ক্যাশব্যাক।

এ ছাড়া স্টক থাকা সাপেক্ষে নিশ্চিত উপহার হিসেবে গ্রাহকরা পেতে পারেন নেক ব্যান্ড, টি-শার্ট ও ছাতা।

গ্রাহকদের উচ্চমানের উদ্ভাবনী স্মার্টফোনের পাশাপাশি মূল্যবান উপহার ও সুন্দর অভিজ্ঞতা দিয়ে পুরস্কৃত করতে এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইনফিনিক্স।

প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, ‘ঈদ বোনানজা’ ক্যাম্পেনইটির মূল লক্ষ্য আকর্ষণীয় সব পুরস্কার জেতার মাধ্যমে গ্রাহকদের ঈদ আনন্দ দ্বিগুণ করে তোলা।

ট্রেন্ডি ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স সম্প্রতি নোট ৪০ সিরিজে প্রথমবারের মতো ওয়্যারলেস ম্যাগচার্জ প্রযুক্তি চালু করেছে।

আরও পড়ুন:
পেশাদারদের নিত্যসঙ্গী হতে পারে ইনফিনিক্স ইনবুক এক্স২
সারা দেশে মিলছে ইনফিনিক্সের বাজেট ফোন স্মার্ট ৮ প্রো
ইনফিনিক্স ইনবুক ওয়াইটু প্লাস: নিত্যদিনের ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী পাওয়ারহাউজ
২ বছরের সফটওয়্যার আপডেটসহ দেশজুড়ে মিলছে ইনফিনিক্স নোট ৪০ সিরিজ
ম্যাগচার্জ প্রযুক্তি নিয়ে দেশের বাজারে ইনফিনিক্সের নোট ৪০ সিরিজ

মন্তব্য

জীবনযাপন
Travel fees for Bangladeshi tourists are low in Bhutan

বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য ভ্রমণ ফি কমাল ভুটান

বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য ভ্রমণ ফি কমাল ভুটান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক এবং রানি জেৎসুন পেমা। ছবি: সংগৃহীত
নতুন ভ্রমণ নীতি অনুযায়ী, বাংলাদেশি পর্যটকদের টেকসই উন্নয়ন ফি হিসেবে ১০০ ডলারের পরিবর্তে প্রতি রাতের জন্য এখন মাত্র ১৫ ডলার দিতে হবে। এটি ভারতীয় পর্যটকদের ওপর আরোপিত ফির সমতুল্য।

বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য টেকসই উন্নয়ন ফি (এসডিএফ) ১০০ ডলার থেকে কমিয়ে মাত্র ১৫ ডলার নির্ধারণ করেছে ভুটান। বোরবার থেকে এ নীতি কার্যকর হয়েছে।

সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে ।

নতুন ভ্রমণ নীতি অনুযায়ী, বাংলাদেশি পর্যটকদের টেকসই উন্নয়ন ফি হিসেবে ১০০ ডলারের পরিবর্তে প্রতি রাতের জন্য এখন মাত্র ১৫ ডলার দিতে হবে। এটি ভারতীয় পর্যটকদের ওপর আরোপিত ফির সমতুল্য।

নতুন নীতিমালার আওতায় বছরে ১৫ হাজার বাংলাদেশি পর্যটক এ ফি দিয়ে ভুটানে ভ্রমণ করতে পারবেন।

২০২২ সালের ২০ জুন পর্যটকদের জন্য টেকসই উন্নয়ন ফি (এসডিএফ) ৬৫ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২০০ ডলার আরোপ করে ভুটান সরকার। গত বছরের জুনে এই ফি কমিয়ে ১০০ ডলার করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কুড়িগ্রামের অর্থনৈতিক অঞ্চল ভীষণ পছন্দ হয়েছে ভুটানের রাজার
বিমানবন্দরে ভুটানের রাজাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা
ভুটানের রাজা ঢাকায় আসছেন সোমবার
কুড়িগ্রামে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়তে আসছে ভুটানের দল
বাংলাদেশ-ভুটান সম্পর্ক: থিম্পুতে স্থাপন হবে বিশেষ বার্ন ইউনিট

মন্তব্য

p
উপরে