বিড়ালের আঁচড় বা কামড়ে কী করবেন

বিড়ালের আঁচড় বা কামড়ে কী করবেন

ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে তরল অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করুন। এ ক্ষেত্রে স্যাভলন ও ডেটল বেশি কার্যকর। তবে পভিসেপও ব্যবহার করতে পারেন। এরপর রক্তপাত বন্ধ করতে ব্যান্ড এইড বা গজ ব্যবহার করতে পারেন।

আঁচড় বা কামড় খাওয়ার অভিজ্ঞতা নেই এমন বিড়াল মালিক খুঁজে পাওয়া দায়। আদুরে প্রাণী হলেও নানা সময় দুর্ঘটনাবশত বিড়ালের নখের আঁচড়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কেটে যেতে পারে। এমনকি ক্ষেপে গেলে বিড়ালের কামড় খাওয়াও অস্বাভাবিক নয়।

তবে আঁচড় বা কামড় খাওয়ার পর অনেকেই বুঝতে পারেন না কী করবেন। অনেকে আবার জলাতঙ্কের আতঙ্কেও থাকেন। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের এক প্রতিবেদনে, এ ধরনের সমস্যায় পড়লে কী করবেন সে ব্যাপারে বলা আছে। দেখে নিন এমন অবস্থায় তাৎক্ষণিক কী করণীয়।

ক্ষতের গভীরতা দেখুন

মাঝেমধ্যে বিড়ালের আঁচড় লাগলেও তেমন ক্ষত তৈরি হয় না। এ ক্ষেত্রে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। জীবাণুনাশক দিয়ে ক্ষতস্থানটি ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। তবে ক্ষত গভীর হলে বা অতিরিক্ত রক্তপাতে অবহেলা করবেন না। বিশেষ করে যদি কামড়ে ক্ষত হয় তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সাবান পানি

র‍্যাবিস ভাইরাস বা জলাতঙ্কের জীবাণু রোধে সবচেয়ে কার্যকর হলো সাবান পানি। অনেক সময় অ্যান্টিবায়োটিক সল্যুশন এই জীবাণু ধ্বংস করতে পারে না। তাই ক্ষত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে জীবাণু সংক্রমিত হবে না।

অ্যান্টিবায়োটিক

ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে তরল অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করুন। এ ক্ষেত্রে স্যাভলন ও ডেটল বেশি কার্যকর। তবে পভিসেপও ব্যবহার করতে পারেন। এরপর রক্তপাত বন্ধ করতে ব্যান্ড এইড বা গজ ব্যবহার করতে পারেন।

রক্তপাত বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যান্ড এইড খুলে দিতে ভুলবেন না। কেননা বাতাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে ক্ষতস্থানে ধনুষ্টঙ্কারের জীবাণু সংক্রমিত হতে পারে। অ্যান্টিবায়োটিক মলম বা ক্রিম ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

সংক্রমণ

ক্ষত গভীর না হলেও এতে জীবাণু সংক্রমিত হতে পারে। ফলে হালকা ক্ষত দেখে অবহেলা করবেন না। দেখুন ক্ষতস্থান ফুলে গেছে কি না। এ ছাড়া লাল হয়ে গেলে, রক্তপাত বন্ধ না হলে বা তীব্র ব্যথা করলে বুঝবেন জীবাণু সংক্রমিত হচ্ছে। তখন দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

জ্বর

বেশির ভাগ সময় আঁচড়ের ফলে বয়স্কদের কিছু না হলেও ছোটদের জ্বর চলে আসে। এটি জীবাণুঘটিত কারণে হয়। একে বলে ক্যাট স্ক্র্যাচ ডিজিজ। জ্বর আসা, ফোসকা পড়া, পিঠ বা পেটব্যথার মতো লক্ষণ দেখলে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। এতে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন:
স্তনে সংক্রমণ হলে যা করবেন
বেশি ঘামে অস্বস্তি, দূর করুন সহজেই

শেয়ার করুন

মন্তব্য

হালকা খাবারে মিটবে বেশি খিদে

হালকা খাবারে মিটবে বেশি খিদে

অল্প অল্প ক্ষুধায় হালকা খাবার দেবে স্বস্তি। ছবি: সংগৃহীত

অনেকের কিছুক্ষণ পর পরই হালকা খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকে। তাই তারা ক্ষুধা লাগলেও চিপস বা বিস্কুটজাতীয় খাবার খেয়ে ফেলেন। এসব খাবার বেশিক্ষণ পেটে থাকে না।

নানা ব্যস্ততায় মাঝেমধ্যে দেখা যায়, অনেকেই ঠিক সময়ে খাওয়ার সুযোগ পান না। পরে বেশি ক্ষুধা লাগলে হাতের কাছে যা পান তা-ই খেয়ে কাজ চালিয়ে নেন। এটি একেবারেই অনুচিত।

কিছু খাবার আছে, যা খেলে হয়তো সাময়িকভাবে পেট ভরবে, কিন্তু এতে শরীরের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হতে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজের প্রতিবেদনে এমন কিছু খাবারের কথা জানানো হয়েছে। চলুন সেগুলো কী কী জেনে নেয়া যাক-

ফল

খালি পেটে ফল খাওয়া উচিত নয়। ফল সহজলভ্য হওয়ায় অনেকেই ক্ষুধা লাগলে ফল খেয়ে ফেলেন। এতে ক্ষুধা তো মেটেই না, বরং আরও বেড়ে যায়। তাই ফলের পাশাপাশি সব সময় প্রোটিনজাতীয় কিছু খাওয়া উচিত। এর মধ্যে বাদাম, পিনাট বাটার, পনির বা যেকোনো কার্বোহাইড্রেট খেতে পারেন।

ঝাল খাবার

অনেক সময় দেখা যায়, স্বাভাবিক খাবার খেতে বিলম্ব হয়ে যায়। ফলে ক্ষুধা মেটানোর জন্য যেকোনো খাবারই খেয়ে ফেলেন অনেকে। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই ঝালজাতীয় খাবার বর্জন করা উচিত।

কারণ ঝাল মুখরোচক হলেও এ ধরনের খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করে। ঝালের জন্য যেসব মসলা ব্যবহার করা হয়, সেগুলো পাকস্থলীর আবরণের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই ঝাল খাওয়ার আগে অন্য কিছু খেয়ে নেয়া উচিত।

চা বা কফি

চা আর কফি ক্যাফেইনে পরিপূর্ণ থাকে, যা অ্যাসিডিটির সমস্যা তৈরি করে। স্বাভাবিক ক্ষুধায়ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এ ধরনের পানীয়। যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য খালি পেটে কফি পান করা অনুচিত। এ ক্ষেত্রে সালাদ, সিদ্ধ ডাল বা মুরগির মাংস খেতে পারেন। তবে মাংস কম মসলাদার হওয়াই ভালো।

চিপস বা বিস্কুট

অনেকের কিছুক্ষণ পর পরই হালকা খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকে। তাই তারা ক্ষুধা লাগলেও চিপস বা বিস্কুটজাতীয় খাবার খেয়ে ফেলেন। এসব খাবার বেশিক্ষণ পেটে থাকে না।

কারণ খাবারগুলোতে থাকা কার্বোহাইড্রেট দ্রুত হজম হয়ে যায়। ফলে ক্ষুধা দ্রুত ফিরে আসে। এ ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ক্যালরি পাওয়া যায়- এমন খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।

আরও পড়ুন:
স্তনে সংক্রমণ হলে যা করবেন
বেশি ঘামে অস্বস্তি, দূর করুন সহজেই

শেয়ার করুন

স্মার্টফোনের যেসব অ্যাপ-ফিচারে সহজ হবে জীবন

স্মার্টফোনের যেসব অ্যাপ-ফিচারে সহজ হবে জীবন

যারা অনেক ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন তাদের ভিন্ন ভিন্ন পাসওয়ার্ড মনে রাখা কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। তাদের জন্য এই অ্যাপটি খুবই কাজের হবে। একটি অ্যাপে অনেক ধরনের সেবা পাবেন নিশ্চিত।  

কথা বলার পাশাপাশি অনেকেই স্মার্টফোনকে খুব বেশি কাজে লাগায় না। আপনি কতটা কাজে লাগাতে পারেন? যদি না পারেন তবে চলুন জেনে নিই স্মার্টফোনকে কাজে লাগানোর কিছু অ্যাপ ও ফিচার সম্পর্কে।

আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যবহার বদলে দিয়ে জীবনকে আরও সহজ করে দিতে পারে এসব অ্যাপ ও ফিচার।

ক্লোনিং অ্যাপ

আপনার ফোনে যদি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে অ্যান্ড্রয়েড ওরিও থাকে, তাহলেই নামিয়ে নিতে পারেন ‘অ্যাপ ক্লোনার’। অ্যাপটির ফিচার আপনার যেকোনো অ্যাপকে নকল করতে পারে।

যারা অনেক ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন, তাদের ভিন্ন ভিন্ন পাসওয়ার্ড মনে রাখা কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। তাদের জন্য এই অ্যাপটি খুবই কাজের হবে। একটি অ্যাপে অনেক ধরনের সেবা পাবেন নিশ্চিত।

টিউব এম

ইউটিউবে ভিডিও দেখছেন, মনে হলো এটি সংরক্ষণ করা দরকার। কিন্তু ডাউনলোড করতে গিয়ে পড়লেন সমস্যায়। সরাসরি ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করতে গেলে কিছুটা সমস্যায় পড়তেও হয়। সেটার সমাধান দেবে থার্ডপার্টি অ্যাপ ‘টিউব এম’। অ্যাপটি ইনস্টল করে ইউটিউব অ্যাপ ওপেন করুন। এবার ওপরের ডান দিকে সবুজ একটি তীর চিহ্ন দেখতে পাবেন, যা ডাউনলোড বাটন ক্লিক করুন। ব্যস, আপনার পছন্দের ভিডিওটি ডিভাইসে জমা হয়ে যাবে।

স্মার্টফোন হয়ে যাবে ডিজিটাল স্কেল

জানেন কি আপনার স্মার্টফোন দিয়েই ছোট ছোট জিনিসের ওজন পরিমাপ করা যায়? কি অবাক হচ্ছেন? অবাক না হয়ে হাতে স্মার্টফোন নিন। গুগল প্লে স্টোরে যান আর ডিজিটাল স্কেল অ্যাপ ইনস্টল করে ফেলুন। আর প্রয়োজন হবে না ছোটোখাটো জিনিস ওজনের জন্য পাল্লা। কারণ আপনার হাতেই তো ডিজিটাল স্কেল।

দুই উইন্ডো মোড

ই-বুক পড়ছি। কিন্তু একটা শব্দের অর্থ জানি না। এখন সেটি জানতে ই-বুক বন্ধ করে নতুন উইন্ডো খুলে তাতে সার্চ করে অর্থ জানতে হবে। এমন ঝামেলা থেকে আপনাকে মুক্তি দেবে ফোনে থাকা মাল্টি উইন্ডো মোড। তখন ফোনের উইন্ডো দুটি ভাগে ভাগ হয়ে যাবে। এর জন্য আপনি যে ফিচারটি ব্যবহার করতে চান সেটি ওপেন করুন। এরপর মোবাইলে টাস্ক বাটনে ট্যাপ করে একটু ধরে থাকুন, দেখবেন স্ক্রিন দুটি উইন্ডোতে ভাগ হয়েছে। তবে দুঃখজনক হলো, এটি সব ফোনে কাজ নাও করতে পারে।

সুইচিং টু সেফ মোড

অনেক সময় ফোনে এত সব অ্যাপ ডাউনলোড করা হয় যে, কোনটি অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষতিকারক তা খুঁজে পাওয়া দায় হয়ে ওঠে। ফোন হয় অনিরাপদ। ফোনকে নিরাপদ রাখতে ও থার্ডপার্টি অ্যাপের লুকিয়ে রাখা সব ম্যালওয়ার ও তথ্য নেবার ফিচার মুছে দিতে সেফ মোড খুব কার্যকর হতে পারে আপনার জন্য। এটি চালু করতে স্মার্টফোনের পাওয়ার বাটন চেপে রাখুন। পাওয়ার অফ অপশন এলে সেটিতে ক্লিক করুন। এরপর ‘রিবুট টু সেফ মোড’ এলে ওকে করে দেবেন।

অফলাইন ম্যাপ ব্যবহার

ভ্রমণে বের হলে ম্যাপ দেখার দরকার পড়ে। কিন্তু অনেক দেশে বা দেশের ভেতরেও সিমের রোমিং খরচ বেশি হওয়ায় অনেকেই তা করতে চান না। এ ক্ষেত্রে ম্যাপ ওপেন করে বাম দিকের মেনু থেকে অফলাইন এরিয়া সিলেক্ট করে দিন। এরপর জিপিএস অন করে দিন। ব্যস, আপনি ম্যাপ অফলাইনে না অনলাইনে ব্যবহার করছেন, সেটি বোঝা দায়।

স্ক্যানার

পরিস্থিতিভেদে আপনার স্ক্যানার হতে পারে হাতে থাকা স্মার্টফোন। এ জন্য আপনাকে একটু কষ্ট করে প্লে স্টোর থেকে ক্যাম স্ক্যানার বা সিএস অ্যাপটি নামিয়ে নিতে হবে। এরপর চাইলে যেকোনো ডকুমেন্টস স্ক্যান করতে পারবেন সেটি দিয়ে। আর জমা করা যাবে ক্লাউডে।

আরও পড়ুন:
স্তনে সংক্রমণ হলে যা করবেন
বেশি ঘামে অস্বস্তি, দূর করুন সহজেই

শেয়ার করুন

শীতকালে ত্বকের যত্ন

শীতকালে ত্বকের যত্ন

এ ক্ষেত্রে হাতের নাগালে সব সময় ক্রিম বা লোশন পাওয়া যায় না। তাই কিছুক্ষণ পর পরই মুখে পানির ঝাপটা দেয়া যেতে পারে। এর ফলে ত্বকে জমে থাকা ময়লাও দূর হয়ে যাবে।

পুরো বছরের মধ্যে শীতকাল অনেকটাই ভিন্ন। আবহাওয়াজনিত কারণে এ সময় ত্বক স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি রুক্ষ হয়ে যায়। চেহারা দেখায় শুষ্ক ও অনুজ্জ্বল। ফলে ত্বক ভালো রাখতে প্রয়োজন হয় বাড়তি যত্ন। কিন্তু এ সময়টিতে ত্বকের যত্নে কী করবেন তা অনেকেই বুঝতে পারেন না।

হিন্দুস্থান টাইমসের এক প্রতিবেদন জানাচ্ছে, শীতকালে ত্বকের যত্ন নেয়ার কিছু সহজ উপায় রয়েছে।

সঠিক স্কিন প্রোডাক্ট ব্যবহার

সাধারণ সময়েও বিভিন্ন স্কিন প্রোডাক্ট অর্থাৎ লোশন বা বডি অয়েল ব্যবহার করা হয়। তবে শীতকালে সেগুলো বাছাইয়ের ক্ষেত্রে একটু সচেতন হতে হবে।

যেমন: অনেক লোশন থাকে তেলতেলে ত্বকের জন্য, আবার অনেক লোশন শুষ্ক ত্বকের জন্য। তাই আপনার ত্বক অনুযায়ী কোন পণ্য ব্যবহার করবেন সেটি জেনে নিন। নইলে হীতে বিপরীত হতে পারে। বাজারে নানা রকম পিল, মাস্ক এবং অ্যালকোহলভিত্তিক পণ্য পাওয়া যায়, সেগুলো ব্যবহার না করাই ভালো।

পানি

পর্যাপ্ত পানি না খেলে শরীর ডি-হাইড্রেটেড হয়ে যায়। ফলে অন্যান্য সমস্যার পাশাপাশি ত্বকেরও ক্ষতি হয়। এ ছাড়া শীতকালে ত্বক বেশি শুষ্ক থাকার ফলে আর্দ্রতা বজায় রাখার দিকে বিশেষ খেয়াল রাখা জরুরি।

এ ক্ষেত্রে হাতের নাগালে সব সময় ক্রিম বা লোশন পাওয়া যায় না। তাই কিছুক্ষণ পর পরই মুখে পানির ঝাপটা দেয়া যেতে পারে। ফলে ত্বকে জমে থাকা ময়লাও দূর হয়ে যাবে।

সানস্ক্রিন

সানস্ক্রিন সাধারণত গরমকালে বেশি ব্যবহার করা হয়। অনেকে শীতকালের রোদ আরামদায়ক বলে ব্যবহার করতে চান না। এটি উচিত নয়। শীতকালেও বাইরে বের হওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে এসপিএফ ১৫-৩০ সম্পন্ন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত।

ফেস প্যাক

অনেকেই চেহারার সৌন্দর্যে নানা রকম ফেস প্যাক ব্যবহার করে থাকেন। মনে রাখতে হবে, মুখের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই ফেস প্যাক ব্যবহারে মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। শীতকালের আবহাওয়া রুক্ষ্ম হওয়ায় এ সময় কোন ফেস প্যাকটি আপনার ত্বকের সঙ্গে খাপ খাচ্ছে, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

হাতের যত্ন

শীতকালে মুখের পাশাপাশি হাতের ত্বকও খসখসে হয়ে যায়। অনেক সময় অতিরিক্ত রুক্ষ্মতায় চামড়া ফেটেও যেতে পারে। তাই হাতের ত্বকের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। সব সময় ময়েশ্চারাইজার মেখে হাতের ত্বক আর্দ্র রাখুন। সম্ভব হলে গ্লাভস ব্যবহার করতে পারেন।

পায়ের যত্ন
শীতকালে বেশির ভাগ মানুষের পা ফেটে যায়। বিশেষ করে গোড়ালিতে এ সমস্যাটি বেশি দেখা দেয়। তাই সব সময় পেট্রোলিয়াম জেলি, গ্লিসারিন বা লোশন ব্যবহার করুন। সম্ভব হলে কিছুদিন পর পর পেডিকিওর করুন। বাইরে বের হওয়ার আগে অবশ্যই মোজা পরবেন।

বেশি গরম পানিতে গোসল এড়িয়ে চলুন
শীতকালে অনেকের গরম পানিতে গোসল করার প্রবণতা দেখা যায়। ঠান্ডা সহ্য করতে না পারার অজুহাতে গায়ে প্রতিদিন গরম পানি ঢালা ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকর। যতটা সম্ভব গরম পানি এড়িয়ে চলুন।

আরও পড়ুন:
স্তনে সংক্রমণ হলে যা করবেন
বেশি ঘামে অস্বস্তি, দূর করুন সহজেই

শেয়ার করুন

পেঁয়াজের জুস কেন পান করবেন

পেঁয়াজের জুস কেন পান করবেন

পেঁয়াজের জুসের শারীরিক উপকারিতা অনেক। ছবি: সংগৃহীত

হৃদরোগজনিত বেশিরভাগ সমস্যা (যেমন: স্ট্রোক ও হাইপারটেনশন) হয় মূলত স্থূলতার কারণে। আর এই স্থূলতার ফলে হৃদরোগজনিত যে প্রদাহ সৃষ্টি হয়, তা কমাতে সাহায্য করে পেঁয়াজের জুস।

খাবার বা সালাদে পেঁয়াজের ব্যবহার দীর্ঘদিনের। খাবারের স্বাদ বাড়াতে এটি অতুলনীয়। মসলা হিসেবে নিত্য ব্যবহৃত পেঁয়াজ যে জুস করে খাওয়া যায়, তা হয়তো অনেকের অজানা।

জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট স্টাইল ক্রেজের প্রতিবেদনে বলা হয়, পেঁয়াজের জুস শুধু সুস্বাদুই নয়, এটি একই সঙ্গে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধও।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, পেঁয়াজে বিপুল পরিমাণে মিনারেল ও ভিটামিনের পাশাপাশি ফ্ল্যাভনয়েডস, পলিস্যাকারাইডস, স্টেরয়েড স্যাপোনিনস, এলিনস, এথোসিয়ানিনসসহ স্বাস্থ্যকর চিনি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকে। তাই চুল ও ত্বকের উপকারিতা ছাড়াও নানা রকম স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পেঁয়াজ কাজ করে।

পেঁয়াজের জুস পানে বেশ কিছু সুফল পাওয়ার কথা জানিয়েছে ওয়েবসাইটটি।

১. চুলের যত্নে

পেঁয়াজের জুসে প্রচুর সালফার থাকে, যা কোলাজেনের মাত্রা বাড়ায়। ইরাকের এক গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেঁয়াজের জুস নতুন চুল গজাতে সহায়তা করার পাশাপাশি অ্যালোপেসিয়া এরিয়াতা (আচমকা চুল পড়তে থাকা) রোধেও ভূমিকা রাখে।

সেই গবেষণায় আরও জানা যায়, যারা পেঁয়াজের জুস দিয়ে চুল ধুয়েছে, তাদের মাথায় নতুন চুল গজানোর মাত্রা বেশি। তা ছাড়া পেঁয়াজের জুস চুল আরও উজ্জ্বল করার পাশাপাশি মাথার তালুতে সংক্রমণ রোধে কাজ করে।

২. ওজন কমায়

পেঁয়াজ কোরেসটিন সমৃদ্ধ মসলা। এতে থাকা বিভিন্ন উপাদান লিপিড প্রোফাইল রক্ষণাবেক্ষণে সাহায্য করে। এ ছাড়া কোলেস্টেরলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে। প্রতিদিন অন্তত ১০০ মিলিলিটার করে পেঁয়াজের জুস টানা আট সপ্তাহ খেলে বাড়তি মেদ ও বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যাবে।

৩. ব্রণের সমস্যা দূর করে

ব্রণের সমস্যা দূর করতে পেঁয়াজ অত্যন্ত কার্যকর। গবেষণায় দেখা যায়, পেঁয়াজের নির্যাস আছে এমন একটি জেল কয়েকজনকে ব্যবহার করতে দেয়ার পর দেখা যায়, তাদের ব্রণ দ্রুত শুকিয়ে গেছে। এমনকি ব্রণ থেকে তৈরি দাগ মিলিয়ে গেছে। পেঁয়াজে ক্ষতিকর অণুজীব ও ফাঙ্গাসবিরোধী উপাদান থাকে, যা এসব সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

৪. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

হৃদরোগজনিত বেশিরভাগ সমস্যা (যেমন: স্ট্রোক ও হাইপারটেনশন) হয় মূলত স্থূলতার কারণে। আর এই স্থূলতার ফলে হৃদরোগজনিত যে প্রদাহ সৃষ্টি হয়, তা কমাতে সাহায্য করে পেঁয়াজের জুস। পেঁয়াজের জুস হোমোসিস্টাইনের মাত্রা কমাতেও সহায়ক, যা হৃদরোগের সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

৫. চোখের সমস্যা

গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁয়াজে বিদ্যমান অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান স্ট্রেপটোকোকাস নিউমোনিয়া প্রতিরোধ করে। চোখে ছানি পড়া ও ক্ষীণ দৃষ্টির মতো সমস্যা থেকেও রেহাই দেয় পেঁয়াজের জুস। চোখের নানা রকম সংক্রমণ রোধ করে।

৬. সর্দি-কাশি

সর্দি-কাশির মতো সাধারণ সমস্যাগুলোর জন্য সবচেয়ে কার্যকর ও ঘরোয়া নিরাময় হলো পেঁয়াজ। পেঁয়াজের রস ও মধুর মিশ্রণে তৈরি জুস শ্বাসযন্ত্রের ছোটখাটো সমস্যার থেকে সুরক্ষা দেয়। এ ছাড়া ব্রঙ্কাইটিস ও অস্বাভাবিক রক্ত জমা থেকেও বাঁচায়।

আরও পড়ুন:
স্তনে সংক্রমণ হলে যা করবেন
বেশি ঘামে অস্বস্তি, দূর করুন সহজেই

শেয়ার করুন

ফোন চার্জ হতে বেশি সময় লাগছে?

ফোন চার্জ হতে বেশি সময় লাগছে?

চার্জিংয়ের গতি কমে যাওয়ার পেছনে অনেক ক্ষেত্রেই দায়ী চার্জিং কেবল। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে কেব্‌লের কার্যক্ষমতা কমে যায়। এ ছাড়া চার্জিং কেব্‌লের অগ্রভাগ ক্ষয়ে যাওয়া কিংবা মরিচা পড়তে পারে।

স্বাভাবিকের চেয়ে ফোন চার্জ হতে মাঝে বেশি সময় লাগে। কী কারণে ধীরগতিতে চার্জ হয় তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। ধীরগতিতে ফোন চার্জের কারণ ও সমাধানের কিছু উপায় দেখে নেয়া যাক।

চার্জিং কেব্‌ল যাচাই

চার্জিংয়ের গতি কমে যাওয়ার পেছনে অনেক ক্ষেত্রেই দায়ী চার্জিং কেব্‌ল। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে কেব্‌লের কার্যক্ষমতা কমে যায়। এ ছাড়া চার্জিং কেব্‌লের অগ্রভাগ ক্ষয়ে যাওয়া কিংবা মরিচা পড়তে পারে। তাই ত্রুটিপূর্ণ এমন কেব্‌লের কারণে স্মার্টফোনে চার্জে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগে। এমন হলে কেব্‌লটি পরিবর্তন করে নিন। দেখবেন ফোন আবার স্বাভাবিক গতিতে চার্জ হবে।

চার্জিং অ্যাডাপ্টর যাচাই

কিছু ক্ষেত্রে চার্জিং অ্যাডাপ্টরের সক্ষমতা কমে যায়। বর্তমান বাজার অনুযায়ী স্মার্টফোন নির্মাতারা স্মার্টফোনের সঙ্গে এক, দুই কিংবা তিন অ্যাম্পিয়ার সক্ষমতার চার্জার দেয়। সাধারণ হিসাবে, এক অ্যাম্পিয়ারের চার্জার গড়ে ৭০০-৮৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার হারে, দুই অ্যাম্পিয়ারের চার্জার গড়ে ১৫০০-১৬০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার হারে ও তিন অ্যাম্পিয়ারের চার্জার গড়ে ২৫০০-২৬০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার হারে স্মার্টফোনের ব্যাটারিকে চার্জ করে থাকে।

স্মার্টফোনে চার্জিংয়ের হার কেমন তা একটি অ্যাপ দিয়েও আপনি যাচাই করে নিতে পারবেন। ‘অ্যাম্পিয়ার’ নামের এই অ্যাপ গুগল প্লে স্টোর থেকে এই ঠিকানা ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। চার্জিং স্লো মনে হলে এই অ্যাপ দিয়ে চার্জের হার জেনে নিতে পারবেন। স্বাভাবিকের চেয়ে কম হারে চার্জ হলে চার্জারটি পরিবর্তন করে সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।

ব্যাটারি পরিবর্তন

চার্জার কিংবা কেবল ঠিক থাকলেও অনেক সময় ব্যাটারির সমস্যার কারণে চার্জ ধীরগতিতে হতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া, স্মার্টফোন গরম হয়ে যাওয়া কিংবা অস্বাভাবিক হারে চার্জের পরিমাণ বাড়া-কমার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব ক্ষেত্রে ব্যাটারি পরিবর্তন করলে সমস্যার সমাধান হয়।

চার্জিং পোর্টে সমস্যা

অনেক সময় চার্জিং পোর্টে সমস্যা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে চার্জার ঠিকভাবে সংযোগ না পাওয়ার কারণে চার্জিং প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। এ কারণে ফোন ধীরগতিতে চার্জ হলে অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টার থেকে চার্জিং পোর্ট সারিয়ে নিন।

চার্জে দেয়া অবস্থায় ফোন না ব্যবহার করা

অনেকেই চার্জে দেয়া অবস্থায় স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। এমনকি চার্জে দেয়া অবস্থায় হাই রেজুলেশনের গেইমও খেলেন। ফলে চার্জিং প্রক্রিয়া বিলম্ব হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এতে ব্যাটারিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই চার্জে দেয়া অবস্থায় স্মার্টফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

এসব পদ্ধতি মেনে চলুন, দেখবেন আপনার ফোনে চার্জ হতে আর বেশি সময় নিচ্ছে না।

আরও পড়ুন:
স্তনে সংক্রমণ হলে যা করবেন
বেশি ঘামে অস্বস্তি, দূর করুন সহজেই

শেয়ার করুন

মোটর বাইকের যত্ন

মোটর বাইকের যত্ন

বাইকের এয়ার ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। একই এয়ার ফিল্টার বেশি দিন ব্যবহার করা উচিত না। একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর তা বদলে ফেলা ভালো।

শখের বসে হোক অথবা কাজের ক্ষেত্রে, মোটরবাইক যাতায়াতের অত্যন্ত জনপ্রিয় মাধ্যম। যেকোনো জায়গায় দ্রুত ও সাশ্রয়ী উপায়ে পৌঁছাতে এর জুড়ি নেই। তবে রক্ষণাবেক্ষণের দিকে খেয়াল না রাখলে দ্রুতই নষ্ট হয়ে যাবে আপনার প্রিয় বাইকটি।

কারণ মোটরবাইকের কিছু পার্টস খুবই সংবেদনশীল হয়। যা বিশেষ যত্ন না পেলে দ্রুত অকেজো হয়ে যায়। অনেকেই বুঝতে পারেন না কীভাবে বাইকের যত্ন নেবেন। ফলে মেকানিকের কাছে যেতে যেতে খরচ হয়ে যায় বাড়তি টাকা। স্টিড সাইকেলস-এর এক প্রতিবেদনে মোটরবাইক রক্ষণাবেক্ষণের কিছু সহজ ও ঘরোয়া উপায় জানা যায়। যা অনুসরণ করলে স্বাচ্ছন্দ্যে দীর্ঘদিন চালাতে পারবেন আপনার বাইক। চলুন জেনে নিই-

চেইন

বাইকের চেইন অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি পার্টস। অনেকেই চেইনের দিকে তেমন খেয়াল রাখেন না। এর অন্যতম কারণ সেটি সব সময় ঢাকা থাকে। চেইন নিয়মিত পরিষ্কার করতে হয়। কারণ এতে কাদামাটি এবং ধুলাবালি লেগে জ্যাম হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া খেয়াল রাখতে হবে, চেইন যেন বেশি ঢিলা কিংবা টাইট না থাকে। এতে অনেক সময় চেইন ছিঁড়ে যায়।

এয়ার ফিল্টার

বাইকের এয়ার ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। একই এয়ার ফিল্টার বেশি দিন ব্যবহার করা উচিত না। একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর তা বদলে ফেলা ভালো।

ব্যাটারি

ব্যাটারি বাইকের খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ। খেয়াল রাখতে হবে এটি পরিষ্কার আছে কি না। ব্যাটারিতে লিকেজ হলে দ্রুত বদলে ফেলতে হবে। নইলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আবার খুব বেশি চালানো হলে বাইকের ব্যাটারি চার্জ করার প্রয়োজন দেখা দেয়।

টায়ার

সব সময় দেখতে হবে, টায়ার কোন অবস্থায় আছে এবং এতে কতটুকু প্রেশার রয়েছে। ব্যাটারির স্টিল ব্যালেন্সিং নিয়মিত পরিষ্কার করতে হয়। গ্রিপ নেই এমন টায়ার ব্যবহার করা বিপজ্জনক।

ক্লাচ

ক্লাচের অ্যাডজাস্টমেন্ট ঠিক আছে কি না পরীক্ষা করতে হবে। ক্লাচ খুব বেশি টাইট রাখবেন না। এ ছাড়া বাইক চালানোর সময় বেশিক্ষণ ক্লাচ ধরে রাখা উচিত নয়।

ইঞ্জিন

ইঞ্জিন নিয়মিত সার্ভিসিং করাতে হবে। ইঞ্জিনের কার্বুরেটর আর ভাল্ব পরিষ্কার আছে কি না দেখতে হবে। এগুলো অপরিষ্কার রাখা বিপজ্জনক!

ইঞ্জিন অয়েল

সব সময় মানসম্পন্ন ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে। কারণ ইঞ্জিন অয়েল যত ভালো হবে, ততই ইঞ্জিনের কর্মক্ষমতা বাড়বে। ইঞ্জিনের আয়ু বাড়াতে ভালো মানের ইঞ্জিন অয়েলের বিকল্প নেই। নির্দিষ্ট সময় পার হলেই ইঞ্জিন অয়েল বদলাতে হবে।

আরও পড়ুন:
স্তনে সংক্রমণ হলে যা করবেন
বেশি ঘামে অস্বস্তি, দূর করুন সহজেই

শেয়ার করুন

শীতকালে ঘর উষ্ণ রাখবেন যেভাবে

শীতকালে ঘর উষ্ণ রাখবেন যেভাবে

শীতকালে কখন ঘরের পর্দা খোলা ও বন্ধ রাখবেন এটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পর্দা শুধু সৌন্দর্যবর্ধকই নয়, ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও এর ভূমিকা আছে। দিনের বেলা যখন রোদ থাকবে, তখন ঘরের পর্দাগুলো মেলে দিন। এতে ঘরের ভেতর পর্যাপ্ত আলো ঢোকার সুযোগ পাবে।

শীতকাল চলে এসেছে। বছরের এ সময়টি অন্য সময়ের চেয়ে আলাদা। তাই দরকার হয় নানা রকম প্রস্তুতি। এই মৌসুমে ঠান্ডায় কাবু হয়ে পড়েন অনেকেই। শরীরে বাঁধে নানা রকম শীতকালীন অসুখ। বিশেষ কাজ ছাড়া তেমন কেউ বাইরে বেরোতে চান না। তাই ঘরটিও রাখতে হয় উষ্ণ।

ফ্যামিলি হ্যান্ডিম্যানের এক প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে শীতে ঘর উষ্ণ রাখার কিছু সহজ উপায়। চলুন জেনে নেয়া যাক-

ফয়েল পেপার

শীতের মৌসুমে ঘর ঠান্ডা রাখার অন্যতম মাধ্যম হলো ফয়েল পেপারের ব্যবহার। এই পেপারগুলো মূলত অ্যালুমিনিয়ামে তৈরি। আর অ্যালুমিনিয়াম খুব ভালো তাপ পরিবাহী। এ ছাড়া এটি তাপ প্রতিফলনও করে। রান্নাঘরের দেয়ালে কিছু ফয়েল পেপার সেঁটে দিন। চুলার আশপাশে হলে ভালো হয়। এতে তাপ প্রতিফলিত হয়ে ঘর উষ্ণ করে তুলবে।

পোড়ামাটির হিটার

ঘর উষ্ণ রাখার জন্য এটি অত্যন্ত সাশ্রয়ী উপায়। এটি করতে প্রথমে একটি মাটির তৈরি ফুলদানি বা এ রকম কোনো পাত্র নিন। এবার পাত্রটিকে একটি জ্বলন্ত মোমবাতির ওপর উল্টো করে বসিয়ে দিন। তবে পাত্রটির নিচের দিকে ফাঁকা রাখতে হবে যাতে মোমবাতি জ্বলার মতো পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায়। এই প্রক্রিয়ায় পাত্রটি উষ্ণ হয়ে উঠবে এবং সেই তাপে ঘর উষ্ণ থাকবে।

গরম পানির বোতল

শীতের রাতে বিছানা ঠান্ডা হয়ে যায়। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে কম্বল বা লেপের নিচে একটি গরম পানির বোতল রেখে দিন। তবে সাধারণ প্লাস্টিকের বোতল নয়। এ ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে হবে, বিশেষভাবে রাবারের তৈরি হট ব্যাগ। কেননা রাবার তাপ ধরে রাখে। কম্বল-লেপের নিচে এ ধরনের বোতল রেখে দেয়ার ফলে রাবার ও পানির তাপে বিছানা উষ্ণ হয়ে উঠবে।

বাবল র‍্যাপ

বাবল র‍্যাপ মূলত প্লাস্টিকের শিটে আটকে রাখা বাতাসের বুদবুদ। বাতাসের তাপ ধরে রাখার অসাধারণ ক্ষমতা আছে। ফলে ঘর উষ্ণ রাখতে বাবল র‍্যাপ অত্যন্ত কার্যকর। ঘরের জানালাগুলোতে বাবল র‍্যাপ ঝুলিয়ে রাখুন। এতে তাপ রোধ হবে এবং প্রাকৃতিকভাবে ঘরও উষ্ণ থাকবে।

পর্দার ব্যবহার

শীতকালে কখন ঘরের পর্দা খোলা ও বন্ধ রাখবেন এটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পর্দা শুধু সৌন্দর্যবর্ধকই নয়, ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও এর ভূমিকা আছে। দিনের বেলা যখন রোদ থাকবে, তখন ঘরের পর্দাগুলো মেলে দিন। এতে ঘরের ভেতর পর্যাপ্ত আলো ঢোকার সুযোগ পাবে। তবে সন্ধ্যার পরপরই পর্দা পুনরায় বন্ধ করে দিতে হবে। নইলে উষ্ণতা মিলিয়ে গিয়ে বাইরের ঠান্ডা এসে ঘর শীতল করে ফেলবে।

আরও পড়ুন:
স্তনে সংক্রমণ হলে যা করবেন
বেশি ঘামে অস্বস্তি, দূর করুন সহজেই

শেয়ার করুন