× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জীবনযাপন
Which is better the letter of the book or the digital text
google_news print-icon

বইয়ের অক্ষর নাকি ডিজিটাল টেক্সট, কোনটি ভালো

বই
গবেষণায় দেখা গেছে, স্ক্রিন বা বই থেকে পড়ার প্রভাব সাধারণভাবে এক মনে হলেও আসলে বিষয়টি মোটেই তেমন নয়। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
আমেরিকান ইউনিভার্সিটির ব্যারনের মতে, “ডিজিটালি পড়ার সময়েও মনোযোগ দেয়া সম্ভব, কিন্তু সে জন্য আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে। নিজেকে বলতে হবে, ‘আমি শুধু পড়ার জন্য আধা ঘণ্টা সময় ব্যয় করব। কোনো মেসেজ বা ইনস্টাগ্রাম আপডেট চেক করব না।’ পড়ার সময় ফোন বা ট্যাবের নোটিফিকেশন বন্ধ করে রাখা যেতে পারে। পড়া শেষে সেটি আবার চালু করলেন।”

যেকোনো তথ্য তাৎক্ষণিক পেতে এখন প্রায় সবার ভরসা অনলাইন। ফেসবুক, টুইটার আসার পর জীবন আরও বেশি অনলাইনকেন্দ্রিক।

দিনে আমরা যতটুকু পড়ি, তার সবটাই প্রায় কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে। ফলে ছাপানো বইয়ের কদর এখন অস্তগামী, ছাপা পত্রপত্রিকাও করছে হাঁসফাঁস।

অনলাইনে পড়ার এই যে প্রবণতা তা কি বইয়ের মতো ছাপ ফেলছে আমাদের মগজে? ডিজিটাল মাধ্যম শেখার জন্য সত্যিই কি কাগজে ছাপা অক্ষরের চেয়ে ভালো?

গবেষণা কিন্তু এমনটা বলছে না। দেখা গেছে, কেউ যখন অনলাইনে বা স্ক্রিন থেকে কিছু পড়েন, তারা কী পড়েছেন সেটা ভালোভাবে বুঝতে পারেন না। এর থেকেও বাজে বিষয়টি হলো, ডিজিটাল মাধ্যমের পাঠকরা বুঝতেই পারেন না যে, তারা পঠিত বিষয়টি ঠিকঠাক বুঝতে পারেননি!

বই থেকে পড়া ও স্ক্রিনে পড়ার (ডিজিটাল রিডিং) তুলনা করে ৫৪টি গবেষণা করেছে স্পেন ও ইসরায়েলের গবেষক দল। ২০১৮ সালে তারা ১ লাখ ৭১ হাজারের বেশি পাঠকের ওপর গবেষণা চালায়।

এতে দেখা গেছে, মানুষ ডিজিটাল টেক্সটের চেয়ে যখন ছাপানো বই পড়েছে, তখন সামগ্রিকভাবে তাদের বোঝার ক্ষমতা বেশি ছিল। গবেষণা ফলাফলটি প্রকাশিত হয়েছে এডুকেশনাল রিসার্চ রিভিউয়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ ম্যারিল্যান্ডের মনোবিদ প্যাট্রিসিয়া আলেক্সান্ডার মানুষের শিখন পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা করেন। আলেক্সান্ডারের মতে, শিক্ষার্থীরা অনেক সময় ভাবেন, স্ক্রিন থেকে পড়লে সহজে শিখতে পারবেন। কিন্তু পরীক্ষায় দেখা গেছে, তারা বইয়ের তুলনায় স্ক্রিন থেকে কম শিখছেন।

বইয়ের অক্ষর নাকি ডিজিটাল টেক্সট, কোনটি ভালো
গবেষণায় দেখা গেছে, বই পড়ায় মনোযোগ থাকে বেশি

কারণ কী?

স্ক্রিন বা বই থেকে পড়ার প্রভাব সাধারণভাবে এক মনে হলেও আসলে বিষয়টি মোটেই তেমন নয়। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার নিউরোসায়েন্টিস্ট ম্যারিয়ান উলফ কাজ করেন মস্তিষ্কের কর্মকাণ্ড নিয়ে। তিনি বলেন, ‘পড়ার বিষয়টি মানুষের সহজাত বৈশিষ্ট্য নয়। আমরা মূলত আশপাশের মানুষের কথা শুনে কথা বলা শিখি। বিষয়টি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘটে। কিন্তু পড়তে শেখার জন্য অনেক চেষ্টা করতে হয়।’

উলফ তার গবেষণায় দেখেছেন, মানবমস্তিষ্কে পড়ার জন্য আলাদা কোনো কোষ নেই। এ জন্য পড়ার জন্য মস্তিষ্ক অন্য কাজে ব্যবহৃত স্নায়ু নেটওয়ার্ক থেকে কোষ ধার করে। যেমন, মস্তিষ্কের যে অংশটি অন্যের চেহারা চেনা ও মনে রাখার কাজ করে, সেটা ধার করা হয় পড়ার সময় অক্ষর চেনার কাজে।

এটি অনেকটা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করার মতো বিষয়। যেমন হ্যাঙ্গার দিয়ে আলমারিতে কোট ঝোলানো হয়, আবার সেটি দিয়ে ফ্রিজের নিচে চলে যাওয়া টেনিস বল বের করাও সম্ভব। পড়ার সময়ই আমাদের মস্তিষ্ক ঠিক এই কাজটিই করে।

গবেষণা বলছে, মস্তিষ্কের এই নমনীতার কারণে আমরা অনেক নতুন জিনিস করতে ও শিখতে পারি। তবে ভিন্ন ধরনের মাধ্যমে লেখাপড়ার ক্ষেত্রে এই নমনীয়তা সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে। স্ক্রিন থেকে পড়ার সময় আমাদের মগজ বই পড়ার চেয়ে ভিন্ন ধরনের কোষের সংযোগ তৈরি করে। ফলে স্ক্রিনে পড়ার কাজটি হলেও তথ্যগুলো মাথায় গেঁথে যায় ভাসা ভাসা ভাবে।

বিষয়টি অবশ্য শুধু ডিভাইসের ওপর নির্ভরশীল নয়। আপনি যা পড়বেন সে সম্পর্কে কী অনুমান করছেন, তার ওপরও পড়ার গভীরতার বিষয়টি নির্ভর করে। ওয়াশিংটন ডিসির আমেরিকান ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী নেওমি ব্যারন এ বিষয়টিকে বলছেন ‘মাইন্ডসেট’।

তিনি বলেন, ‘যে বিষয়টি পড়তে যাচ্ছি, সেটা কতটা সহজ বা কঠিন বলে আগেই আমরা ভেবে নিই তার ওপর নির্ভর করে মাইন্ডসেট। যদি মনে করি এটা সহজ হবে, তাহলে হয়তো খুব বেশি চেষ্টা করা লাগবে না।’

স্ক্রিনে আমরা যা পড়ি, তার অধিকাংশই টেক্সট মেসেজ ও সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট। এগুলো সহজেই বোঝা যায়।

আলেক্সান্ডার বলেন, ‘এ কারণে মানুষ যখন স্ক্রিনে কিছু পড়েন, তারা সেটা দ্রুত পড়েন। তাদের চোখ বই পড়ার চেয়ে দ্রুতগতিতে স্ক্রিনের পৃষ্ঠাগুলোকে স্ক্যান করে।’

তবে দ্রুত পড়ার সময় সবকিছুর ঠিকঠাক ধারণা আমরা না-ও পেতে পারি। তিনি বলেন, ‘স্ক্রিনে পড়ার সময় দ্রুতগতিতে স্কিমিং (ভাসা ভাসা ভাবে পড়া) একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। টিকটকের কোনো পোস্ট দেখার সময় মগজের যে অংশটা স্কিমিংয়ে ব্যবহৃত হয়, সেটি তখন সক্রিয় করে দেয় আপনার মস্তিষ্ক। তবে এই একই প্রক্রিয়া কোনো ক্ল্যাসিক বইয়ের ভাব বুঝতে সহায়ক নয়।’

ডিজিটাল পৃষ্ঠা মানেই গোলকধাঁধা

স্ক্রিনে পড়ার সময় দ্রুতগতি ছাড়াও স্ক্রলিংয়ের সমস্যাও আছে। ছাপা কোনো পৃষ্ঠা পড়ার সময় বা পুরো একটি বই পড়ার সময় আপনি জানেন যে, আপনি কোথায় আছেন। শুধু একটা পৃষ্ঠার কোনো নির্দিষ্ট জায়গা নয়, পুরো বইয়ের অসংখ্য পৃষ্ঠার মধ্যে নির্দিষ্ট ঘটনাটিও মনে রাখতে পারেন।

যেমন আপনি মনে রাখতে পারেন গল্পে একটি কুকুর মারা যাওয়ার কথা লেখা আছে বাম পৃষ্ঠার ওপরের দিকে। কিন্তু যখন ডিজিটাল স্ক্রিনে আপনার সামনে থাকে বিরাট একটি পৃষ্ঠা, এটি স্ক্রল করার সময় কোথায় কী আছে মনে রাখা কঠিন।

গবেষণায় দেখা গেছে, আমরা যখন কিছু শিখি তখন মনে মনে সেটির একটি মানচিত্র তৈরি করে ফেলি। কোনো বইয়ের পৃষ্ঠার এ ধরনের মানচিত্রের কোন অংশে কী তথ্য আছে, সেটি মনে রাখতে আমাদের সুবিধা হয়।

পাশাপাশি একটি স্থির পৃষ্ঠা পড়তে যতটুকু মানসিক পরিশ্রম হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি পরিশ্রম যায় একটি পৃষ্ঠাকে স্ক্রল করতে। আমাদের চোখ তখন নির্দিষ্ট কিছুর ওপর ফোকাস করে না। স্ক্রল করার সময় শব্দগুলোর ওপর নজর রাখতে চোখকে ওপর-নিচ করতে হয়।

বইয়ের অক্ষর নাকি ডিজিটাল টেক্সট, কোনটি ভালো
ডিজিটাল স্ক্রিনে পড়ায় বেশি পরিশ্রান্ত হয় মস্তিষ্ক

ইউনিভার্সিটি অফ সাদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার নিউরোসায়েন্টিস্ট ম্যারি হেলেন ইমোরদিনো-ওয়াং কাজ করেন কীভাবে আমরা পড়ি সেটা নিয়ে।
তিনি বলেন, ‘কোনো পৃষ্ঠা যখন স্ক্রল করছেন, তখন আপনার মস্তিষ্ককেও এর সঙ্গে ছুটতে হয়। তখন কী পড়ছেন, সেটা বুঝতে আপনার মস্তিষ্ক খুব বেশি রিসোর্স পায় না। বিশেষ করে আপনি যা পড়ছেন, সেটা যদি দীর্ঘ ও জটিল হয়।

‘স্ক্রল ডাউন করার সময় আপনার দৃষ্টিসীমায় শব্দগুলোকে রাখার জন্য মস্তিষ্ককে চেষ্টা করে যেতে হয়। যে কারণে আপনার পক্ষে একই সঙ্গে শব্দগুলো যে ধারণা দিচ্ছে তা বোঝা কঠিন হয়ে যেতে পারে।’

আলেক্সান্ডার দেখেছেন যে যা পড়ছেন তার দৈর্ঘ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনুচ্ছেদ ছোট থাকলে মানুষ বই বা স্ক্রিনে পড়ার পর সমান মাত্রায় বুঝতে বা শিখতে পারে। তবে অনুচ্ছেদগুলো ৫০০ শব্দের বেশি হয়ে গেলে স্ক্রিনের চেয়ে ছাপা বই থেকে বেশি শিখতে পারে।

যা পড়ছেন সেটার ধরনও (genre) গুরুত্বপূর্ণ। ধরন বলতে কী জাতীয় বই বা আর্টিকল পড়ছেন সেটা। গবেষণায় অংশ নেয়া অধিকাংশ মানুষ বলেছেন, তারা যখন ছাপার অক্ষরে নন-ফিকশন পড়েন, সেটা বুঝতে সুবিধা হয়। ফিকশনের তারা কতটুকু অনুধাবন করতে পারেন, সেটি অবশ্য গবেষণায় পরিষ্কার নয়।

ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির জেনি কন কাজ করেন শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে। ডিজিটাল রিডিং নিয়ে তার লেখা বই ‘স্কিম, ডাইভ, সারফেইস’ প্রকাশিত হয় গত জুনে।

তার মতে, স্ক্রিনের শব্দগুলো মূল সমস্যা নয়, বরং অন্যান্য যা কিছু পড়ার ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটায় সেটি সমস্যাজনক। কয়েক মিনিট পরপর কোনো কিছুর বাধা এলে পড়ায় মনোযোগ দেয়া কঠিন। ই-মেইল, মেসেজ, পপ-আপ অ্যাড বা টিকটকের আপডেটগুলোকে বাধা হিসেবে দেখছেন জেনি।

কোনো লেখার সঙ্গে যুক্ত থাকা লিংক বা বক্সও শেখার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে। এদের উদ্দেশ্য পড়ায় সহায়তা করা হলেও কিছু ক্ষেত্রে এগুলো মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নেয়।

পুরোটাই খারাপ নয়

ল্যাপটপ বা ট্যাব বন্ধ করে হাতে বই তুলে নিলেই যে স্কুলে ভালো করা যাবে, বিষয়টি এত সহজও নয়। স্ক্রিনে পড়ার পেছনে অনেক ভালো যুক্তিও আছে।

মহামারি আমাদের শিখিয়েছে, অনেক সময় আমাদের হাতে আর কোনো বিকল্প থাকে না। লাইব্রেরি, বইয়ের দোকান বন্ধ থাকলে বা সেখানে যাওয়া অনিরাপদ হলে ত্রাতা হয়ে উঠতে পারে ডিজিটাল বই।

খরচেরও একটি বিষয় আছে। ছাপা বইয়ের চেয়ে ডিজিটাল বইয়ের দাম সাধারণত কম। আর ডিজিটাল বইয়ের পরিবেশবান্ধব দিকটিতেও তাকানো দরকার। ডিজিটাল বইয়ের জন্য গাছ কাটতে হয় না।

ডিজিটাল বই পড়ার অন্যান্য সুবিধাও আছে। অন-স্ক্রিনে লেখার আকার, ব্যাকগ্রাউন্ডের রং ও টাইপফেইস বদলে নেয়া যায়। যারা চোখে ভালো দেখেন না, তাদের জন্য এটি বিরাট এক সুবিধা। যাদের প্রতিবন্ধকতা আছে তাদের ক্ষেত্রেও সহায়ক ডিজিটাল বই।

যাদের ডিসলেক্সিয়া আছে তাদের জন্য ‘ওপেন ডিসলেক্সিক’ নামের একটি টাইপফেইসে লেখা বই পড়া সুবিধাজনক। কম্পিউটার, ট্যাবলেট বা কিন্ডলের মতো ডিজিটাল রিডিং ডিভাইসে এ সুবিধা পাওয়া যায়। অনেক ই-রিডার অ্যাপ ট্যাবলেটেও ব্যবহার করা যায়।

অনলাইনে এডিটররা হাইপারলিংক বসাতে পারেন। এটি একজন পাঠককে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বুঝতে, এমনকি নতুন ও বিভ্রান্তিকর শব্দের সংজ্ঞা শিখতে বা মূল বিষয়ের আরও গভীরে যেতে সাহায্য করে।

কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের নিউ ক্যানান শহরের স্কুলের লাইব্রেরিয়ান মিশেল লুটালা ডিজিটাল কন্টেন্টের সর্বোচ্চ ব্যবহারে সাহায্য করেন। লুটালা ডিজিটাল রিডিং নিয়ে চিন্তিত নন। তার মতে, স্ক্রিনে পড়ার অনেক উপায় আছে।

তিনি বলেন, ‘স্কুলে পড়ানো হয় এমন অনেক ই-টেক্সটবুকে এমন সব টুল থাকে, যা পড়াশোনাকে অনেক সহজ করে তোলে। অনেক ই-বুকে অনুচ্ছেদ হাইলাইট করার ব্যবস্থা আছে, যা কম্পিউটার জোরে পড়ে শোনাবে। কয়েকটি টুল আছে যা আপনি যে অনুচ্ছেদটি পড়ছেন সেটির নোট রেখে দেয় এবং ই-বুকটি ফিরিয়ে দেয়ার পরও নোটটি আপনার জন্য রেখে দেয়। অধিকাংশ বইয়ে পপআপ সংযুক্ত থাকে। কোনোটিতে মানচিত্র, গুরুত্বপূর্ণ শব্দ ও কুইজ যোগ করা থাকে।

লুটালার মতে, এসব টুল ডিজিটাল রিডিংকে অনেক কাজের করে তুলেছে।

ডিজিটাল রিডিংকে আরও কার্যকর করা সম্ভব

বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত, ডিজিটাল রিডিং থেকে পিছিয়ে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই এ থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা নেয়ার উপায় খোঁজা উচিত।

এর একটি কার্যকর পদ্ধতি হতে পারে- যে অংশটুকু সাবধানে পড়তে হবে সেটি প্রিন্ট করিয়ে নেয়া।

আমেরিকান ইউনিভার্সিটির ব্যারনের মতে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ধীরেসুস্থে পড়া। এটি মানসিকতা বা মাইন্ডসেটের বিষয়। গুরুত্বপূর্ণ কিছু পড়ার ক্ষেত্রে ধীরে ও মনোযোগ দিয়ে পড়া উচিত।

তিনি বলেন, “ডিজিটালি পড়ার সময়েও মনোযোগ দেয়া সম্ভব, কিন্তু সে জন্য আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে। নিজেকে বলতে হবে, ‘আমি শুধু পড়ার জন্য আধা ঘণ্টা সময় ব্যয় করব। কোনো মেসেজ বা ইনস্টাগ্রাম আপডেট চেক করব না।’ পড়ার সময় ফোন বা ট্যাবের নোটিফিকেশন বন্ধ করে রাখা যেতে পারে। পড়া শেষে সেটা আবার চালু করলেন।”

ব্যারনের মতে, বই পড়াটি খেলাধুলা বা বাদ্যযন্ত্র বাজানোর মতো। তিনি বলেন, ‘একজন পিয়ানিস্ট বা অ্যাথলিট দৌড়ানোর আগে বা কনসার্টের আগে নিজেদের প্রস্তুত করে নেন। পড়ার ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার। কোনো কিছু পড়ায় মনোযোগ দিতে চাইলে আপনাকে মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে। কী পড়তে যাচ্ছেন এবং সেটা থেকে কী পেতে চান সে কথা ভাবুন।’

ব্যারনের পরামর্শ, কী পড়ছেন সেটা কাজে লাগানোর জন্য পৃষ্ঠার শব্দগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করুন। এর অন্যতম কৌশল হচ্ছে নোট নেয়া। আপনি যা পড়েছেন তার সারসংক্ষেপ লিখতে পারেন। মূল শব্দগুলোর তালিকা তৈরি করতে পারেন। যা পড়ছেন তার সঙ্গে যুক্ত থাকার সবচেয়ে দরকারী উপায়ের একটি হল প্রশ্ন করা। লেখকের সঙ্গে তর্ক করুন। যদি কিছু অর্থপূর্ণ না হয়, আপনার প্রশ্ন লিখুন। যদি একমত না হন, তবে কেনো সেটা লিখুন। আপনার দৃষ্টিভঙ্গির জন্য যুক্তি তৈরি করুন।

ছাপানো বই পড়লেও কাগজে নোট নিতে পারেন। বইটি আপনার নিজের হলে সরাসরি পৃষ্ঠায় লিখতে পারেন। যখন আপনার ফোন বা ট্যাবলেটে পড়ছেন, তখনও এমনটি করতে পারেন। পড়ার সময় কাছে কাগজের প্যাড রাখুন।

লুটালা বলেন, ‘অনেক অ্যাপ আপনাকে একটি ডিজিটাল ডকুমেন্টে সরাসরি ভার্চুয়াল নোট তৈরির অনুমতি দেয়। কিছু আপনাকে ভার্চুয়াল স্টিকি নোট যোগ করার অনুমতি দেয়। কোনো কোনো অ্যাপে আপনি মার্জিনে লিখতে পারেন ও ভার্চুয়ালি পৃষ্ঠার কোনা ভাঁজ করে রাখতে পারেন।’

স্ক্রিনে পড়ে কী পাচ্ছেন, সেটা নির্ভর করে আপনি কতটুকু মনে রাখার চেষ্টা করছেন তার ওপর।

আলেকজান্ডারের মতে, ছাপার বই বা ডিজিটাল স্ক্রিনের দুটি আলাদা জায়গা আছে। মনে রাখতে হবে, ভালোভাবে শিখতে তাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের ধরনটি ভিন্ন হতে পারে।

আরও পড়ুন:
কম স্মরণশক্তির মানুষ ‘বেশি বুদ্ধিমান’
প্রকাশ্যে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হত্যায় ২ জন রিমান্ডে
আলোর গতি কমানো গেলে জীবন কেমন হতো?
ভৌতিক কণ্ঠ কেন শোনা যায়
গ্রহে গ্রহে অদ্ভুত বৃষ্টি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জীবনযাপন
5 interesting features have been added to the development app

বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হলো আকর্ষণীয় ৫ ফিচার

বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হলো আকর্ষণীয় ৫ ফিচার ছবি: বিকাশ
এ পাঁচটি ফিচার হচ্ছে- ফেস আইডি ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট লগইন, গ্রুপ সেন্ড মানি, রিকোয়েস্ট মানি, সেভিংস মার্কেটপ্লেস এবং ডিফল্ট কার্ড সুবিধা।

গ্রাহকের প্রতিদিনের লেনদেন আরও সহজ ও নিরাপদ করতে বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হলো বায়োমেট্রিক ‘ফেস আইডি’ ও ‘ফিঙ্গারপ্রিন্ট’ লগইন সুবিধা। পাশাপাশি, ‘গ্রুপ সেন্ড মানি’, ‘রিকোয়েস্ট মানি’, ‘সেভিংস মার্কেটপ্লেস’ ও ভিসা কার্ড থেকে অ্যাড মানি করতে ‘ডিফল্ট’ কার্ড সেভ করার মতো আকর্ষণীয় সব নতুন ফিচারও যুক্ত হয়েছে ভার্চুয়াল অর্থ লেনদেনের জনপ্রিয় এই অ্যাপে।

বায়োমেট্রিক ‘ফেস আইডি’ ও ‘ফিঙ্গারপ্রিন্ট’ লগইন

এখন থেকে বারবার পিন বা গোপন নম্বর দিয়ে লগইন না করে বায়োমেট্রিক ‘ফেস আইডি’ বা ‘ফিঙ্গারপ্রিন্ট’ ব্যবহার করেও সহজ ও নিরাপদে লগইন করতে পারবেন বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারকারীরা। এতে পিন ভুলে যাওয়া কিংবা বেহাত হওয়ার বিড়ম্বনা যেমন থাকল না, তেমনি বাড়ল বিকাশ অ্যাপের নিরাপত্তাও।

গ্রাহকরা বিকাশ অ্যাপের লগইন স্ক্রিন অথবা প্রোফাইল থেকে এই সেবাটি চালু করতে পারবেন।

সেবাটি চালু করতে লগইন স্ক্রিন অথবা গ্রাহকের প্রোফাইল থেকে বায়োমেট্রিক অপশনে ক্লিক করে পরের ধাপে পিন দিয়ে বায়োমেট্রিক লগইন চালু করতে হবে। এরপর থেকে প্রতিবার লগইন করতে আর পিন দিতে হবে না। ডিভাইসে সেট করা ‘ফেস আইডি’ অথবা ‘ফিঙ্গারপ্রিন্ট’ ব্যবহার করেই গ্রাহকরা বিকাশ অ্যাপে লগইন করতে পারবেন। প্রয়োজনমতো গ্রাহক আবার অ্যাপের প্রোফাইল থেকে ‘ফেস আইডি’ বা ‘ফিঙ্গারপ্রিন্ট’ সেবাটি বন্ধও করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, বিকাশ অ্যাপের এই সেবাটি শুধুমাত্র ক্লাস ৩ বায়োমেট্রিক নিরাপত্তা সম্বলিত ডিভাইসে উপভোগ করা যাবে। নতুন কোনো ডিভাইস থেকে লগইন করলে, পিন পরিবর্তন করলে, বিকাশ অ্যাপে পিন লক হয়ে গেলে বা অ্যাপ আন-ইন্সটল করলে সেবাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে সেবাটি আবার চালু করতে হবে।

এ ছাড়া নিরাপত্তার স্বার্থে বায়োমেট্রিক লগইন চালু করার এক বছর পর আবার নতুন করে সেবাটি চালু করে নিতে হবে।

গ্রুপ সেন্ড মানি

এই সেবার মাধ্যমে গ্রাহকরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী কয়েকজনকে একসঙ্গে টাকা পাঠাতে পারবেন।

টাকা পাঠাতে প্রথমে অ্যাপের হোম স্ক্রিন থেকে ‘সেন্ড মানি’ অপশনে গিয়ে ‘গ্রুপ সেন্ড মানি’ আইকনে ক্লিক করতে হবে। এখানে গ্রুপের সদস্য যারা হবেন তাদের নম্বর বা নাম সিলেক্ট করে, গ্রুপের একটি নাম দিয়ে নতুন গ্রুপ তৈরি করতে হবে। এরপর টাকার পরিমাণ লিখে পরবর্তী ধাপে পিন দিয়ে সম্মতি দিলেই গ্রুপের সবার কাছে টাকা পৌঁছে যাবে।

গ্রুপে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে গ্রাহক চাইলে সবাইকে সমপরিমাণ টাকা পাঠাতে পারবেন অথবা কোন সদস্য কত টাকা পাবেন- সেটাও নির্ধারণ করে দিতে পারবেন। একটি গ্রুপে একসঙ্গে সর্বোচ্চ ৭ জন সদস্য রাখা যাবে। একবার গ্রুপ সেন্ড মানি করার কমপক্ষে ১০ মিনিট পর পরের লেনদেনটি করা যাবে।

গ্রাহকরা অ্যাপের সেন্ড মানি অপশন থেকে গ্রুপের নাম ও সদস্যদের তথ্য পরিবর্তন করতে পারবেন। ইনবক্সে গিয়ে ‘লেনদেনসমূহ’ অথবা বিকাশ মেন্যুর ‘স্টেটমেন্ট’ থেকে কে কত টাকা পেল- সেটা দেখা যাবে।

রিকোয়েস্ট মানি

বিকাশ গ্রাহক প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য যে কোনো বিকাশ গ্রাহকের কাছে টাকা চাইতে ইন-অ্যাপ রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারবেন।

গ্রাহকরা অ্যাপের হোম স্ক্রিন থেকে ‘রিকোয়েস্ট মানি’ আইকনে ট্যাপ করে সেন্ড মানি রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারবেন।

এক্ষেত্রে এক দিনে সর্বোচ্চ ১০ জনকে (ব্যক্তি রিকোয়েস্ট এবং গ্রুপ রিকোয়েস্ট মিলিয়ে) রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারবেন। এক দিনে সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা রিকোয়েস্ট করা যাবে। যে কোনো রিকোয়েস্টের সর্বনিম্ন পরিমাণ ১০০ টাকা হতে হবে।

রিকোয়েস্ট মানি-এর ক্ষেত্রে কোনো অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হবেনা।

সেভিংস মার্কেটপ্লেস

বিকাশ অ্যাপে সেভিংস স্কিম খোলা এবং সহজেই কিস্তি জমা দেয়ার সুবিধা পাওয়া যাবে এই নতুন সেবার মাধ্যমে।

নির্ধারিত তারিখে কিস্তির টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেয়ার পাশাপাশি এখন থেকে ঢাকা ব্যাংক ও আইডিএলসি-এর সেভিংস স্কিম নেয়া গ্রাহকরা তাদের মিস হয়ে যাওয়া কিস্তির টাকাও সহজে পরিশোধ করতে পারবেন। এ ছাড়া সেভিংসের পরিমাণ, কিস্তি জমা দেয়ার নোটিফিকেশন, মিস হয়ে যাওয়া কিস্তির তালিকা, সেভিংস ম্যাচিউর হওয়ার সময়সহ আরও বিভিন্ন সুবিধা থাকছে এ সেবায়।

‘ডিফল্ট’ কার্ড সুবিধা

ভিসা কার্ড থেকে বিকাশে অ্যাড মানি করার ক্ষেত্রে এখন আর বারবার কার্ডের তথ্য দেয়ার প্রয়োজন নেই। গ্রাহকরা নিজের পছন্দের ভিসা কার্ডটি ‘ডিফল্ট’ কার্ড হিসেবে নির্ধারণ করে রাখতে পারবেন।

ডিফল্ট কার্ড নির্ধারণ করতে অ্যাপের হোম স্ক্রিনের ‘অ্যাড মানি’ অপশন থেকে ‘কার্ড টু বিকাশ’-এ গিয়ে ‘ভিসা’ সিলেক্ট করতে হবে। পরের ধাপে অ্যাড মানি করার জন্য নম্বরটি প্রবেশ করাতে হবে বা কন্টাক্ট লিস্ট থেকে সিলেক্ট করতে হবে। এরপর কার্ডের তথ্য দিয়ে অ্যাড মানি করার পর কার্ডটি ডিফল্ট কার্ড হিসেবে নির্ধারণ করে নিতে হবে। তারপর থেকে অ্যাড মানি করার সময় ডিফল্ট কার্ডটি স্ক্রিনের নিচে দেখা যাবে।

গ্রাহক চাইলে অ্যাপ থেকেই কার্ডের তথ্য পরিবর্তন করতে পারবেন।

সর্বশেষ যুক্ত এই সেবা ও ফিচারগুলোর পাশাপাশি এই মুহূর্তে বিকাশ গ্রাহকরা সেন্ড মানি, মোবাইল রিচার্জ, ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, মার্চেন্ট পেমেন্ট, অ্যাড মানি, ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ফি পরিশোধ, ই-টিকেটিং, ডোনেশন, বিদেশ থেকে রেমিটেন্স গ্রহণ, ইন্স্যুরেন্স ও মাইক্রোফাইন্যান্সের পেমেন্ট, ডিজিটাল ন্যানো লোন ও সেভিংসসহ নানা সেবা ব্যবহার করছেন।

গ্রাহকবান্ধব সেবার মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল লাইফস্টাইল অ্যাপে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে নিরন্তর উদ্ভাবন অব্যাহত রেখেছে বিকাশ।

মন্তব্য

জীবনযাপন
Want to travel by autorickshaw at an affordable price in the capital?

রাজধানীতে সাশ্রয়ী মূল্যে অটোরিকশায় যাতায়াত করতে চান?

রাজধানীতে সাশ্রয়ী মূল্যে অটোরিকশায় যাতায়াত করতে চান? সিএনজিচালিত অটোরিকশা সার্ভিস চালু করেছে উবার। ছবি: সংগৃহীত
উবারের ভাষ্য, তাদের সিএনজিচালিত অটোরিকশা সার্ভিস অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী। ঘরে বসেই যেকোনো সময় রাইড বুক করা যায় বলে এ সেবা গ্রহণ সুবিধাজনক।

সীমিত বেতনের চাকরিজীবী রাজীব। অফিসে আসা-যাওয়ার জন্য গণপরিবহনই তার ভরসা, তবে পরিবার নিয়ে যাতায়াতের সময় ভিড়ে ঠাসা গণপরিবহনে উঠতে স্বস্তি বোধ করেন না তিনি।

ঢাকার রাস্তায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা পাওয়াও সবসময় সহজ নয়। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে পাওয়া গেলেও চালকরা যে ভাড়া হাঁকান, তা অনেক সময় যাত্রীর সাধ্যের বাইরে চলে যায়। এমন বাস্তবতায় স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে ঘুরতে বের হওয়ার জন্য সাশ্রয়ী ও সুবিধাজনক সমাধান খুঁজছেন রাজীব।

এ চাকরিজীবীর মতো অনেকেই এমনটি খুঁজছেন। তাদের জন্য সমাধান হতে পারে উবারের মতো রাইডশেয়ারিং সার্ভিস।

উবারের ভাষ্য, তাদের সিএনজিচালিত অটোরিকশা সার্ভিস অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী। ঘরে বসেই যেকোনো সময় রাইড বুক করা যায় বলে এ সেবা গ্রহণ সুবিধাজনক।

রাইড শেয়ারিং সার্ভিসটি জানায়, অটোরিকশা সার্ভিসের মাধ্যমে পরিবারের দুই-তিনজন সদস্য বা বন্ধুকে নিয়ে কম খরচে, আরামদায়কভাবে চলাফেরা করা যায়। আবার রাইডশেয়ারিং সার্ভিসের ইন-অ্যাপ সব সুবিধাও পাওয়া যায়।

নিরাপত্তাকে রাইডশেয়ারিং সার্ভিসগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকে উল্লেখ করে উবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, এসব সার্ভিস ব্যবহার করলে নিজের ও প্রিয়জনের নিরাপত্তা নিয়ে থাকা যায় নিশ্চিন্ত। এ ছাড়া সার্বক্ষণিক জিপিএস ট্র্যাকিং, লাইভ লোকেশন শেয়ারিং, চালকের নাম, ছবি, রেটিং ইত্যাদি জানানো, সেফটি টুলকিট, হটলাইন, ইন্স্যুরেন্স পলিসিসহ নানা ধরনের নিরাপত্তার ফিচার এখানে রয়েছে।

আরও পড়ুন:
নব্বই বছরের সুপেয় পানির সমস্যার সমাধান করলেন সেই ইউটিউবার
সিলেটে সিএনজি চালকদের অত্যাচার থামবে কবে?
সিএনজি স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা শনিবার থেকে
ঈদে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে সিএনজি স্টেশন
চুরি হওয়া অটো বিক্রি হতো গাইবান্ধায়

মন্তব্য

জীবনযাপন
Slow down broadband internet service due to bill arrears

বিল বকেয়ায় ডাউন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট, সেবায় ধীরগতি

বিল বকেয়ায় ডাউন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট, সেবায় ধীরগতি শুক্র-শনিবার ছুটির দিন হওয়ায় রোববারের আগে এ সমস্যা কাটবে না। ছবি: সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) ৫০০ জিবিপিএস (গিগাবিট পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইডথ সীমিত করে দেয়।

বকেয়া আদায় করতে না পেরে ১৯টি ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) অপারেটরের ব্যান্ডউইথ ডাউন (সীমিত) করে দিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি। এতে ব্রডব্যান্ড ও মোবাইল ইন্টারনেটে ধীরগতির কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা।

বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) ৫০০ জিবিপিএস (গিগাবিট পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইডথ সীমিত করে দেয়।

শুক্রবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে বিএসসিপিএলসি। সাপ্তাহিক ছুটির কারণে রোববারের আগে চলমান সমস্যার সমাধান হবে না বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ডিজিটাল বাংলাদেশে বর্তমানে ৩১ শতাংশ মানুষ তাদের ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক প্রয়োজনে ইন্টারনেট নির্ভর হয়ে পড়েছেন। আর এই সেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে গ্রাহককে দিতে কাজ করে ৩৪টি আইআইজি প্রতিষ্ঠান।

বিএসসিপিএলসি বলছে, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত আইপিলসি ও আইপি ট্রানজিট সেবা বাবদ বর্তমানে বিভিন্ন অপারেটরের কাছে সাবমেরিন কেবল কোম্পানির বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৮৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৯টি অপারেটরের কাছেই তারা পায় ১৮১ কোটি টাকা। বারবার তাগাদা দিয়ে টাকা আদায় করতে না পেরে ১৯টি প্রতিষ্ঠানের ৫৭২ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সীমিত করে দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।

তবে এত বড় সিদ্ধান্ত কেন সাপ্তাহিক ছুটির আগে নেয়া হলো- সেই প্রশ্ন তুলেছে মোবাইল অপারেটর আইআইজি ও আইএসপিগুলো।

বর্তমানে দেশে ব্রডব্যান্ড ও মোবাইল মিলিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৩ কোটির বেশি।

আরও পড়ুন:
৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর মানসিক সমস্যার জন্য দায়ী ইন্টারনেট
মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে বাংলাদেশ ১১৯তম
নিজের ইন্টারনেট প্ল্যান নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন গ্রামীণফোন গ্রাহকরা
দেশে ইন্টারনেট গ্রাহক সাড়ে ১২ কোটি, সিম ১৮ কোটি
ইন্টারনেট ব্যবসার দখল নিতে হাঙ্গামা

মন্তব্য

জীবনযাপন
Phone charger will charge laptop smartwatch earbuds

ফোনের চার্জারেই হবে ল্যাপটপ, স্মার্টওয়াচ, ইয়ারবার্ডসের চার্জ

ফোনের চার্জারেই হবে ল্যাপটপ, স্মার্টওয়াচ, ইয়ারবার্ডসের চার্জ প্রতীকী ছবি
ক্যাবলের ঝামেলা এড়াতে এখন আছে সর্বজনীন সমাধান। ইউএসবি-পিডি চার্জার দিয়ে চার্জ হবে টাইপ-সি পোর্টযুক্ত সব ডিভাইস। মাঝারি বাজেটে এ প্রযুক্তি নিয়ে সম্প্রতি বাজারে এসেছে ইনফিনিক্স নোট ৩০ সিরিজের স্মার্টফোন।

আমাদের জীবন এখন অনেকটাই প্রযুক্তিনির্ভর। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, নোটবুক, ইত্যাদিতেই কাটে দিনের বেশিরভাগ সময়। এ স্মার্ট ডিভাইসগুলো নির্ভর করে নিরবচ্ছিন্ন শক্তি সরবরাহের ওপর। দরকার হয় নির্দিষ্ট চার্জার আর ক্যাবলের।

কিন্তু এতো ক্যাবলের ঝামেলা এড়াতে এখন আছে সর্বজনীন সমাধান। ইউএসবি-পিডি চার্জার দিয়ে চার্জ হবে টাইপ-সি পোর্টযুক্ত সব ডিভাইস। মাঝারি বাজেটে এ প্রযুক্তি নিয়ে সম্প্রতি বাজারে এসেছে ইনফিনিক্স নোট ৩০ সিরিজের স্মার্টফোন।

ইউএসবি পাওয়ার ডেলিভারি বা পিডি প্রোটোকল সাধারণত ঠিক ততটুকু শক্তি সরবরাহ করে, যতটুকু প্রয়োজন। ল্যাপটপ, স্মার্টফোন বা যেকোনো ডিভাইসের জন্যই চার্জারটি এ কাজ করতে সক্ষম।

টাইপ-সি যুক্ত কোনো ডিভাইসে পিডি প্রযুক্তি থাকলে, সেটি যেকোনো চার্জার থেকে চার্জ নিতে পারবে। আবার, কোনো চার্জারে যদি এই প্রযুক্তি থাকে, তবে সেটি ইউএসবি-সি পোর্টযুক্ত যেকোনো ডিভাইস চার্জ করতে পারবে। বাজারে বর্তমানে পিডি ৩.০ ভার্সনের চার্জারই বেশি পাওয়া যাচ্ছে।

এর মাধ্যমে ল্যাপটপ, প্যাড, স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচ, ইয়ারবাড, ট্যাবলেট, অ্যাকশন ক্যামেরা এবং ইউএসবি-সি পোর্টসম্পন্ন অন্যান্য প্রায় সব ডিভাইস চার্জ করা যায়। মাঝারি বাজেটের স্মার্টফোন সিরিজ ইনফিনিক্স নোট ৩০ এবং এর চার্জার উভয়তেই এই চার্জিং প্রোটোকল আছে। এছাড়াও স্যামসাং, গুগল, অ্যাপল ও সনির ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোতেও এই প্রযুক্তি আছে।

ইনফিনিক্সের নোট ৩০ এবং নোট ৩০ প্রো যথাক্রমে ৪৫ ও ৬৮ ওয়াটে চার্জ নিতে পারে। পিডি প্রটোকল দিয়ে এখন পর্যন্ত ২৪০ ওয়াট পর্যন্ত শক্তি সরবরাহ করা যায়। নোট ৩০ সিরিজের পিডি-৩.০ সমর্থিত ৪৫ ওয়াট ও ৬৮ ওয়াট অ্যাডাপ্টারগুলো

ইউএসবি-সি পোর্টযুক্ত ল্যাপটপকেও চার্জ করতে পারে। যেমন ইনফিনিক্সের ল্যাপটপগুলো ৪৫ ওয়াটে চার্জ নেয়। একইভাবে, এইচপি, লেনোভো, আসুস এবং অন্য বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সাম্প্রতিক ল্যাপটপকেও এই অ্যাডাপ্টারগুলো দিয়ে চার্জ করা যাবে।

পিডি ৩.০ প্রোটোকল অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে ইনফিনিক্স নোট ৩০ সিরিজ দিচ্ছে অল-রাউন্ড ফাস্ট-চার্জিংয়ের অভিজ্ঞতা।

বাংলাদেশের বাজারে নোট ৩০ প্রো স্মার্টফোনের দাম ২৭,৯৯৯ টাকা। এর সঙ্গে ক্রেতারা বিনামূল্যে পাচ্ছেন ২,০০০ টাকা সমমূল্যের একটি ওয়্যারলেস চার্জার। নোট ৩০ ফোনের ৮ জিবি+১২৮ জিবি এবং ৮ জিবি+২৫৬ জিবি’র দুটি ভার্সনের দাম যথাক্রমে ১৮,৯৯৯ এবং ২৩,৯৯৯ টাকা। তবে, নভেম্বর মাস জুড়ে চলমান ইনফিনিক্সের উইন্টার ক্যাশব্যাক অফারে ক্রেতারা পাচ্ছেন ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক।

মন্তব্য

জীবনযাপন
Vivo is the smartphone sponsor at the Euro Championship

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে স্মার্টফোন স্পন্সর ভিভো

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে স্মার্টফোন স্পন্সর ভিভো
স্মার্টফোনে ক্যামেরা প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে এরইমধ্যে বিশ্বে সাড়া ফেলেছে ভিভো। সম্প্রতি বাংলাদেশে আসা ভিভো ভি২৯ ও ভি২৯ই তে আছে স্মার্ট অরা লাইট প্রযুক্তি। যা পোর্ট্রেইট ফটোগ্রাফিতে নিয়ে এসেছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা আরও নিখুঁতভাবে আকর্ষণীয় ছবি তুলতে পারবেন।

বিশ্ব ফুটবলের নজরকাড়া লড়াই উয়েফা ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হচ্ছে আগামী বছর। পুরুষদের ফুটবলে ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে লড়বে ২৪টি দল। ইউরোপের ওই লড়াই দেখতে মুখিয়ে থাকে সারাবিশ্ব। আর মর্যাদার ওই লড়াইয়ে অফিসিয়াল পার্টনার ও স্মার্টফোন স্পন্সর হিসেবে থাকছে গ্লোবাল স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিভো।

আগামী বছর ১৪ জুন থেকে ১৪ জুলাই জার্মানিতে অনুষ্ঠিত হবে উয়েফা ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ। ভিভোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ফুটবল ভক্তদের সাথে যোগ দিতে পেরে ভিভো রোমাঞ্চিত। অফিসিয়াল পার্টনার এবং অফিসিয়াল স্মার্টফোন হিসেবে, ভিভো বিশ্ব ফুটবলের মঞ্চে তার অত্যাধুনিক স্মার্টফোন প্রযুক্তি প্রদর্শন করবে। অফিসিয়াল পার্টনার হিসেবে ভিভো উয়েফা-এর সাথে প্রতিটি খেলার পরে "প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ" অনুষ্ঠান উপস্থাপন করবে।

স্মার্টফোনে ক্যামেরা প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে এরইমধ্যে বিশ্বে সাড়া ফেলেছে ভিভো। সম্প্রতি বাংলাদেশে আসা ভিভো ভি২৯ ও ভি২৯ই তে আছে স্মার্ট অরা লাইট প্রযুক্তি। যা পোর্ট্রেইট ফটোগ্রাফিতে নিয়ে এসেছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা আরও নিখুঁতভাবে আকর্ষণীয় ছবি তুলতে পারবেন।

ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের ওই আসরের বয়স তখন ছিল ৬০ বছর। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ওই আসরে শিরোপা জিতে নেয় ইতালি। মানসম্মত ও আকর্ষনীয় ছবি তুলতে ভিভো সব ধরনের উদ্যোগ নেয়। যাতে ব্যবহার করা হয় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। এসব উদ্যোগ আনন্দ বাড়িয়ে দেয় ফুটবলভক্তদের। ওই আসরে একজন ভক্ত ভিভোর উদ্যোগে সুযোগ পায় ফাইনাল উপভোগ করার। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য

জীবনযাপন
Infinix Smart 8 in Bangladesh market

বাংলাদেশের বাজারে ইনফিনিক্সের ‘স্মার্ট ৮’

বাংলাদেশের বাজারে ইনফিনিক্সের ‘স্মার্ট ৮’ ইনফিনিক্সের স্মার্ট ৮ মডেলের নতুন বাজেট স্মার্টফোন। ছবি: সংগৃহীত
সাধ্যের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশের সব প্রযুক্তিপ্রেমীর সব ধরনের প্রয়োজন মেটানোর উপযোগী করে স্মার্টফোনটি ডিজাইন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইনফিনিক্স।

স্মার্ট ৮ মডেলের নতুন বাজেট স্মার্টফোন বাজারে এনেছে ইনফিনিক্স।

সাধ্যের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশের সব প্রযুক্তিপ্রেমীর সব ধরনের প্রয়োজন মেটানোর উপযোগী করেই স্মার্টফোনটি ডিজাইন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্র্যান্ডটি।

বাজেটবান্ধব স্মার্ট ৮-এ আছে ৬.৬ ইঞ্চির ৭২০ x ১৬১২ পিক্সেলের এইচডি+ ডিসপ্লে। পাশাপাশি ফোনটি ব্যবহারে সুন্দর অভিজ্ঞতা দিতে ডিসপ্লেতে আছে ৯০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট এবং ১৮০ হার্টজের টাচ সেম্পলিং রেট। প্রসেসর হিসেবে স্মার্ট ৮ স্মার্টফোনে ব্যবহার করা হয়েছে ইউনিসকের ১.৬ গিগাহার্টজ টি৬০৬ অক্টাকোর প্রসেসর। আর মাল্টিটাস্কিংয়ের সুবিধা দিতে ফোনটিতে আছে ৪ জিবি র‌্যাম ও ১২৮ জিবি রম।

ছবি তোলার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে স্মার্ট ৮-এর পেছনে আছে ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। সামনের দিকে আছে ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। কম আলোতে ভালো ছবি ধারণ করতে ফোনটির পেছনের ক্যামেরায় ব্যবহার করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রিং এলইডি ফ্ল্যাশ লাইট।

যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ফোনটিতে ফোরজি ডুয়াল সিম ব্যবহার করা যাবে, ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা যাবে। এ ছাড়াও ফোনের সঙ্গে অন্যান্য ডিভাইস সংযুক্ত করতে ফোনটিতে ব্লুটুথ ৫ ব্যবহার করা হয়েছে।

অ্যান্ড্রয়েড ১৩-এর ওপর ভিত্তি করে চলা ইনফিনিক্সের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম এক্সওএস ১৩ আছে স্মার্ট ৮-এ। বাড়তি নিরাপত্তার জন্য ফোনটির পাশের দিকে আছে ফিঙ্গার প্রিন্ট সেন্সর। স্মার্ট ৮-এর ব্যাটারি সক্ষমতা ৫০০০ অ্যাম্পিয়ার এবং চার্জিংয়ের জন্য সঙ্গে থাকছে ১০ ওয়াটের চার্জার ও উন্নত সংস্করণের সি-পোর্ট।

পছন্দের রঙের ফোন বেছে নেয়ার জন্য টিম্বার ব্ল্যাক, গ্যালাক্সি হোয়াইট, ক্রিস্টাল গ্রিন ও শাইনি গোল্ড রঙে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে স্মার্ট ৮।

ফোনটির বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৪৯৯ টাকা, তবে অফিশিয়াল ওয়ারেন্টিসহ ১০ হাজার ৪৯৯ টাকায় স্মার্ট ৮ পাওয়া যাবে দারাজে। এ ছাড়াও ফোনটির ৪জিবি+৬৪জিবি ভার্সনও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ১০ হাজার ৪৯৯ টাকায়।

আরও পড়ুন:
দুর্গাপূজায় লাখ টাকা জেতার সুযোগ দিচ্ছে ইনফিনিক্স
প্রাইভেটকারের ভেতর ২৯৭টি স্মার্টফোন
টাইগারদের অনুপ্রাণিত করতে ইনফিনিক্সের ‘চার্জ-আপ বাংলাদেশ’ কনসার্ট
ভিভো ওয়াই২৭: চলছে প্রি-বুকিং, রয়েছে আকর্ষণীয় উপহার
দুর্দান্ত গেমিং অভিজ্ঞতা দিতে বাজারে ইনফিনিক্স হট-২০এস

মন্তব্য

জীবনযাপন
2023 is going to be the hottest in 100 million years

সোয়া লাখ বছরের মধ্যে উষ্ণতম ‘হতে যাচ্ছে’ ২০২৩

সোয়া লাখ বছরের মধ্যে উষ্ণতম ‘হতে যাচ্ছে’ ২০২৩ রোদে ফেটে চৌচির হয়ে যাওয়া মাঠে চলাচল। ফাইল ছবি
ইইউর কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস (সিথ্রিএস) জানায়, অক্টোবরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙে যায় গত মাসে। এর আগে ২০১৯ সালের অক্টোবর স্মরণকালের উষ্ণতম অক্টোবর ছিল বলে জানিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা।

বিশ্বে বিগত এক লাখ ২৫ হাজার বছরের মধ্যে ২০২৩ সালের উষ্ণতম বর্ষ হওয়া ‘দৃশ্যত নিশ্চিত’ বলে বুধবার জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বিজ্ঞানীরা।

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন নিয়ে প্রকাশিত ডেটা অনুযায়ী, চলতি বছরের অক্টোবর স্মরণকালের সবচেয়ে উষ্ণ অক্টোবর হওয়ার পর বিজ্ঞানীরা উল্লিখিত তথ্য জানিয়েছেন।

ইইউর কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস (সিথ্রিএস) জানায়, অক্টোবরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙে যায় গত মাসে। এর আগে ২০১৯ সালের অক্টোবর স্মরণকালের উষ্ণতম অক্টোবর ছিল বলে জানিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা।

সিথ্রিএসের ‍উপপরিচালক সামান্থা বুরগেস এ বছরের অক্টোবরের তাপমাত্রা ‘অতি চরমভাবাপন্ন’ আখ্যা দিয়ে বলেন, গত মাসে তাপমাত্রা দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হওয়ার মধ্য দিয়ে আগের রেকর্ড ভেঙে যায়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, মানবীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ফলে বায়ুমণ্ডলে অব্যাহত গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন, চলতি বছরে এল নিনোর প্রভাবে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণায়নের ফলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বেড়েছে।

সিথ্রিএস জানায়, চলতি বছরের অক্টোবরে ভূপৃষ্ঠে বায়ুর তাপমাত্রা ছিল ১৮৫০ থেকে ১৯০০ সাল নাগাদ একই মাসের তাপমাত্রার চেয়ে এক দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি।

ইইউর সার্ভিসটি জানায়, তাপমাত্রার রেকর্ডভাঙা অক্টোবরের অর্থ হলো ২০২৩ সাল যে স্মরণকালের উষ্ণতম বছর হতে যাচ্ছে, তা ‘দৃশ্যত নিশ্চিত’।

মন্তব্য

p
উপরে