মন ভালো করতে চিৎকার করুন

মন ভালো করতে চিৎকার করুন

চিৎকার করার আরও অনেক উপকার আছে। এতে হৃদযন্ত্রও ভালো থাকে। অনেক ডাক্তার বাচ্চাদের কাঁদানোর পরামর্শ পর্যন্ত দিয়ে থাকেন। তাদের মতে এর ফলে বাচ্চাদের হার্টের জোর বাড়ে।

পৃথিবীর সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাগুলোর একটি হলো মন ভালো না থাকা। কারণে-অকারণে মানুষের মন খারাপ হয়। অনেকেই মন ভালো করতে নানা কিছু করেন। গান শোনা, মুভি দেখা, ঘুরতে যাওয়া, প্রিয় খাবার খাওয়ার মতো কাজগুলো করে চেষ্টা করেন মন খারাপ দূর করতে।

সম্প্রতি মনোবিজ্ঞানীরা মন ভালো করার নতুন একটি পদ্ধতির কথা জানিয়েছেন। এই পদ্ধতি অনুসারে চিৎকার করলে ভালো হয়ে যাবে মন। এই পদ্ধতির নাম ‘স্ক্রিম থেরাপি’। শেইপ ডটকমের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এই থেরাপির কথা। চলুন জেনে নিই বিস্তারিত।

স্ক্রিম থেরাপি

স্ক্রিম থেরাপি এত জটিল কিছু নয়। কেবল মনের সুখে চিৎকার করতে হবে। এতে মনের যেসব নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া আছে যেমন- রাগ, দুঃখ, অভিমান ইত্যাদি হালকা হয়ে যাবে। ফলে মন হবে শান্ত।

এভাবে চিৎকার করার আরও অনেক উপকার আছে। এতে হৃদযন্ত্রও ভালো থাকে। অনেক ডাক্তার বাচ্চাদের কাঁদানোর পরামর্শ পর্যন্ত দিয়ে থাকেন। তাদের মতে এর ফলে বাচ্চাদের হার্টের জোর বাড়ে।

তবে দুঃখ কিংবা যন্ত্রণাতেই চিৎকার করতে হবে এমন নয়। স্বাস্থ্য ভালো রাখতে বিনা কারণেও চিৎকার করা যেতে পারে। সে জন্য ভূতের সিনেমা দেখারও পরামর্শ দেন অনেক গবেষক। কারণ অনেকেই ভূতের সিনেমা দেখার সময় ভয়ে কেঁপে ওঠেন এবং চিৎকার করেন। এই চিৎকারের সঙ্গে মনের গভীরে জমে থাকা আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

বর্তমান সময়ে মানুষকে এমন পরিস্থিতিতে বাস করতে হয় যে, তাদের আবেগ প্রকাশ করার সুযোগ খুব কমই থাকে। এতে কিন্তু মানুষের মন থেকে আবেগ চলে যায় না। বরং ধীরে ধীরে সেসব আবেগ জমা হতে হতে মন ভারী করে ফেলে। বাড়তে থাকে নানা ক্ষতির আশঙ্কা।

এই আবেগের বোঝা থেকে হালকা হওয়ার অন্যতম মাধ্যম হলো চিৎকার করা। তাই যখনই সুযোগ পাবেন চিৎকার করুন। আবেগের বোঝা বাড়তে দেয়া মানে নিজের ক্ষতি করা। তবে চিৎকারের সময় শব্দদূষণের দিকটি খেয়াল রাখুন। আবেগের বহিঃপ্রকাশ যেন অন্যের সমস্যার কারণ হয়ে না দাঁড়ায়।

আরও পড়ুন:
সকালে জিরার পানি পানের উপকারিতা
মুখের দুর্গন্ধ দূর করার উপায়
শীতকালীন শ্বাসকষ্ট কমাবেন যেভাবে
স্ত্রীর মন ভোলাবেন যেভাবে
দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়লে যা খাবেন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কানের ব্যথায় যা করবেন

কানের ব্যথায় যা করবেন

ভিনিগারে এক ধরনের অ্যাসিড থাকে, যা কানের সংক্রমণ কমাতে কাজ করে। একটি পাত্রে সমপরিমাণ ভিনিগার ও রাবিং অ্যালকোহল নিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। সংক্রমিত কানে কয়েক ফোঁটা দিন।

বেশির ভাগ সময় কানে ব্যথার উৎপত্তি হয় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে। এ ছাড়া সর্দি-কাশি, জ্বর, গোসলের সময় পানি ঢুকে যাওয়া ইত্যাদির মতো নানা কারণে কানব্যথা হতে পারে। পরিস্থিতি খুব খারাপ হলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। তবে ব্যথার পরিমাণ কম হলে ঘরেই প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়া যেতে পারে।

ওয়েব এমডি ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে কানব্যথা নির্মূলের কিছু ঘরোয়া উপায় তুলে ধরা হয়েছে। চলুন জেনে নেই-

গরম অথবা ঠাণ্ডা সেঁক

কানে অনেক সময় পানি ঢুকে যায়, এমনকি পুঁজও হয়ে থাকে। ফলে যন্ত্রণা হয়। এ অবস্থায় করণীয় হলো, পুঁজ অথবা পানিটা বের করে নেয়া। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর উপায় গরম সেঁক। একটি নরম ও পরিষ্কার কাপড় প্রথমে গরম পানিতে ভিজিয়ে নিন। পানিটা নিংড়ে ফেলে ব্যথা হওয়া কানটির ওপর চেপে ধরে রাখুন। কিছুক্ষণ ধরে রেখে অন্যদিকে কাত হয়ে পুঁজ অথবা পানিটি বের করে নিন। এতে ব্যথা কমে যাবে। অনেকের ক্ষেত্রে অবশ্য ঠান্ডা পানিতেও কাজ হয়।

ভিনিগার

ভিনিগারে এক ধরনের অ্যাসিড থাকে, যা কানের সংক্রমণ কমাতে কাজ করে। একটি পাত্রে সমপরিমাণ ভিনিগার ও রাবিং অ্যালকোহল নিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। সংক্রমিত কানে কয়েক ফোঁটা দিন।

খোঁচাখুঁচি করবেন না

কানে ব্যথা হতে না হতেই অনেকের কটনবাড অথবা দেশলাই কাঠি দিয়ে খোঁচানোর প্রবণতা থাকে। এতে সংক্রমণের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়। ব্যথা অবস্থায় কোনোভাবেই কানে কোনো কিছু প্রবেশ করাবেন না।

চুইংগাম
অনেকের বিমানে উঠলে কানে ব্যথা হয়। এটি মূলত বাতাসের চাপের কারণে ঘটে থাকে। এ অবস্থায় চুইংগাম খেতে পারেন। এটি কানের মধ্যে বাতাসের চাপ কমাবে। ফলে ব্যথা হবে না।

সতর্কতা

ব্যথা হলে কান শুকনা রাখতে চেষ্টা করুন। গোসলের সময় যেন কোনোভাবেই কানের ভেতর পানি ঢুকতে না পারে। মাথা ভেজানোর আগে পেট্রোলিয়াম জেলি মাখানো তুলা গুঁজে নিতে পারেন। এ ছাড়া তুলে ধরা উপায়গুলো কান ব্যথায় সাময়িক আরাম দেবে। পুরোপুরি ব্যথামুক্ত হতে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

আরও পড়ুন:
সকালে জিরার পানি পানের উপকারিতা
মুখের দুর্গন্ধ দূর করার উপায়
শীতকালীন শ্বাসকষ্ট কমাবেন যেভাবে
স্ত্রীর মন ভোলাবেন যেভাবে
দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়লে যা খাবেন

শেয়ার করুন

সুগন্ধি ব্যবহারের নিয়ম

সুগন্ধি ব্যবহারের নিয়ম

সুগন্ধির ঘ্রাণ হালকা ও চড়া উভয়ই হয়। সময় অনুযায়ী দিনের বেলা চড়া এবং রাতের বেলা হালকা সুগন্ধি ব্যবহার করা ভালো। এতে ঘ্রাণে পরিমিতি থাকে।

শরীরের দুর্গন্ধ দূর করা থেকে মন-মেজাজ ফুরফুরে রাখা- সব কাজেই সুগন্ধির ব্যবহার জনপ্রিয়। পৃথিবীতে বিভিন্ন রকম সুগন্ধি রয়েছে। আর এসবের ব্যবহারে রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম। সেসব না জেনে সুগন্ধি মাখলে পুরোপুরি কার্যকারিতা পাওয়া যায় না। তাই অতিরিক্ত ব্যবহারের চাইতে নিয়ম মেনে পরিমাণমতো সুগন্ধি ব্যবহার করা উচিত। চলুন উইকিহাউ অবলম্বনে সুগন্ধি ব্যবহারের নিয়মগুলো জেনে নেয়া যাক-

গোসলের পর

গোসলের কারণে শরীর ভেজা থাকার ফলে শরীরের লোমকূপ উন্মুক্ত অবস্থায় থাকে। ফলে অন্যান্য সময়ের চেয়ে এই সময় সুগন্ধি স্প্রে করলে সুবাস দীর্ঘস্থায়ী হয়। তাই সুগন্ধি ব্যবহারের আগে গোসল করে নিতে চেষ্টা করুন।

পালস পয়েন্ট

শরীরে কিছু পালস পয়েন্ট থাকে। পালস পয়েন্ট হলো- যেখানে নারিস্পন্দন টের পাওয়া যায়। শরীরের এই জায়গাগুলো সব সময় উষ্ণ থাকার ফলে বেশি সুগন্ধ ছড়ায়। এ ছাড়াও এসব স্থান বেশির ভাগ সময় আবৃত থাকে। তাই সুগন্ধ একেবারে ছড়িয়ে না গিয়ে ধীরে ধীরে ছড়ায়। তাই পালস পয়েন্ট দেখে সুগন্ধি ব্যবহার করুন।

ঘষবেন না

সুগন্ধি ব্যবহারের পর অনেকেই ঘসে ফেলেন। অনেকেই মনে করেন এতে সুগন্ধ বেশি ছড়ায়। এটি একটি ভুল ধারণা। ঘষে ফেলার কারণে সুগন্ধির গঠন নষ্ট হয়ে যায়। তাই লাগানোর পর না ঘষে নাড়াচাড়া করার চেষ্টা করুন।

চুলে ব্যবহার

চুলে সুগন্ধি ব্যববহার করলে ঘ্রাণ দীর্ঘস্থায়ী হয়। বড় চুল হলে তো কথাই নেই। বেশির ভাগ সুগন্ধিতে অ্যালকোহল থাকে, যা চুল শুষ্ক রাখে। তাই কোথাও বের হওয়ার আগে চুলে অল্প পরিমাণ সুগন্ধি স্প্রে করে নিতে পারেন। তবে স্প্রে করার চেয়ে চিরুনিতে স্প্রে করে চুল আঁচড়ানো বেশি কার্যকর।

যেসব জায়গা আদর্শ

সুগন্ধি ব্যবহারের জন্য শরীরের কিছু আদর্শ জায়গা রয়েছে। সেগুলো হলো- হাতের কবজি, কনুইয়ের ভেতরের অংশ, কলার বোন, হাঁটুর পেছনে, পায়ের গোড়ালি, নাভির কাছে ও কানের পেছনে। এসব জায়গায় সুগন্ধি লাগালে ঘ্রাণ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়।

দিন ও রাত

সুগন্ধির ঘ্রাণ হালকা এবং চড়া উভয়ই হয়। সময় অনুযায়ী দিনের বেলা চড়া এবং রাতের বেলা হালকা সুগন্ধি ব্যবহার করা ভালো। এতে ঘ্রাণে পরিমিতি থাকে।

ময়েশ্চারাইজার

সুগন্ধি ব্যবহারের আগে হাত ও পায়ে ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন। কারণ খসখসে ত্বকে ঘ্রাণ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। ময়েশ্চারাইজারের ব্যবহারের ফলে ত্বক মশৃণ ও নরম হয়। যার ঘ্রাণ স্থায়ী করতে ভূমিকা রাখে।

কাপড় না ত্বক

কাপড়ের ওপর সুগন্ধি ব্যবহার করবেন না। কারণ এতে থাকে নানা রকম পদার্থ। যা কাপড়ে দাগ ফেলে দেয়। সুগন্ধি সব সময় ত্বকে ব্যবহার করুন।

আরও পড়ুন:
সকালে জিরার পানি পানের উপকারিতা
মুখের দুর্গন্ধ দূর করার উপায়
শীতকালীন শ্বাসকষ্ট কমাবেন যেভাবে
স্ত্রীর মন ভোলাবেন যেভাবে
দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়লে যা খাবেন

শেয়ার করুন

বিড়ালের আঁচড় বা কামড়ে কী করবেন

বিড়ালের আঁচড় বা কামড়ে কী করবেন

ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে তরল অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করুন। এ ক্ষেত্রে স্যাভলন ও ডেটল বেশি কার্যকর। তবে পভিসেপও ব্যবহার করতে পারেন। এরপর রক্তপাত বন্ধ করতে ব্যান্ড এইড বা গজ ব্যবহার করতে পারেন।

আঁচড় বা কামড় খাওয়ার অভিজ্ঞতা নেই এমন বিড়াল মালিক খুঁজে পাওয়া দায়। আদুরে প্রাণী হলেও নানা সময় দুর্ঘটনাবশত বিড়ালের নখের আঁচড়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কেটে যেতে পারে। এমনকি ক্ষেপে গেলে বিড়ালের কামড় খাওয়াও অস্বাভাবিক নয়।

তবে আঁচড় বা কামড় খাওয়ার পর অনেকেই বুঝতে পারেন না কী করবেন। অনেকে আবার জলাতঙ্কের আতঙ্কেও থাকেন। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের এক প্রতিবেদনে, এ ধরনের সমস্যায় পড়লে কী করবেন সে ব্যাপারে বলা আছে। দেখে নিন এমন অবস্থায় তাৎক্ষণিক কী করণীয়।

ক্ষতের গভীরতা দেখুন

মাঝেমধ্যে বিড়ালের আঁচড় লাগলেও তেমন ক্ষত তৈরি হয় না। এ ক্ষেত্রে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। জীবাণুনাশক দিয়ে ক্ষতস্থানটি ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। তবে ক্ষত গভীর হলে বা অতিরিক্ত রক্তপাতে অবহেলা করবেন না। বিশেষ করে যদি কামড়ে ক্ষত হয় তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সাবান পানি

র‍্যাবিস ভাইরাস বা জলাতঙ্কের জীবাণু রোধে সবচেয়ে কার্যকর হলো সাবান পানি। অনেক সময় অ্যান্টিবায়োটিক সল্যুশন এই জীবাণু ধ্বংস করতে পারে না। তাই ক্ষত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে জীবাণু সংক্রমিত হবে না।

অ্যান্টিবায়োটিক

ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে তরল অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করুন। এ ক্ষেত্রে স্যাভলন ও ডেটল বেশি কার্যকর। তবে পভিসেপও ব্যবহার করতে পারেন। এরপর রক্তপাত বন্ধ করতে ব্যান্ড এইড বা গজ ব্যবহার করতে পারেন।

রক্তপাত বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যান্ড এইড খুলে দিতে ভুলবেন না। কেননা বাতাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে ক্ষতস্থানে ধনুষ্টঙ্কারের জীবাণু সংক্রমিত হতে পারে। অ্যান্টিবায়োটিক মলম বা ক্রিম ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

সংক্রমণ

ক্ষত গভীর না হলেও এতে জীবাণু সংক্রমিত হতে পারে। ফলে হালকা ক্ষত দেখে অবহেলা করবেন না। দেখুন ক্ষতস্থান ফুলে গেছে কি না। এ ছাড়া লাল হয়ে গেলে, রক্তপাত বন্ধ না হলে বা তীব্র ব্যথা করলে বুঝবেন জীবাণু সংক্রমিত হচ্ছে। তখন দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

জ্বর

বেশির ভাগ সময় আঁচড়ের ফলে বয়স্কদের কিছু না হলেও ছোটদের জ্বর চলে আসে। এটি জীবাণুঘটিত কারণে হয়। একে বলে ক্যাট স্ক্র্যাচ ডিজিজ। জ্বর আসা, ফোসকা পড়া, পিঠ বা পেটব্যথার মতো লক্ষণ দেখলে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। এতে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন:
সকালে জিরার পানি পানের উপকারিতা
মুখের দুর্গন্ধ দূর করার উপায়
শীতকালীন শ্বাসকষ্ট কমাবেন যেভাবে
স্ত্রীর মন ভোলাবেন যেভাবে
দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়লে যা খাবেন

শেয়ার করুন

হাত-পায়ের তালু ঘামলে যা করবেন

হাত-পায়ের তালু ঘামলে যা করবেন

পানি শরীর ঠান্ডা রাখে। ফলে ঘাম নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই হাত ও পায়ের তালুর ঘাম রোধে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

ঘাম মানুষের স্বাভাবিক শরীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। এটি কোনো অসুখ নয়। তবে অতিরিক্ত ঘামানো নিয়ে অনেকেই অস্বস্তিতে ভোগেন। বিশেষ করে হাত ও পায়ের তালুতে ঘাম। এতে করে দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজ যেমন লেখালেখি, মোবাইল-কম্পিউটার চালানোতে অসুবিধা হয়। কেডস, বুট বা স্নিকার্স পরলে সৃষ্টি হয় দুর্গন্ধ। এই সমস্যাটি শীতকালে বেশি দেখা যায়। তবে গরমকালেও হতে পারে। হেলথলাইন ডট কমের এক প্রতিবেদন থেকে এই সমস্যা সমাধানের উপায় জানা যায়-

বেকিং সোডা

হাত ও পায়ের তালুর অতিরিক্ত ঘাম প্রতিরোধে অন্যতম ঘরোয়া উপায় হলো বেকিং সোডা। প্রথমে এক বোল কুসুম গরম পানি নিন। এতে দুই থেকে তিন চামচ বেকিং সোডা মেশান। সোডা মিশ্রিত পানিতে অন্তত ৩০ মিনিট হাত ও পা ডুবিয়ে রাখুন। পরে শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। এতে ঘামের সমস্যায় উপকার পাওয়া যাবে।

অ্যাপল সিডার ভিনেগার

অ্যাপল সিডার ভিনেগারে রয়েছে ন্যাচারাল অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট, যা রোমকূপ টানটান রাখে। ফলে অতিরিক্ত ঘাম বন্ধ হয়। এর মাধ্যমে উপকার পেতে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হাত ও পায়ের তালুতে ভিনেগার মালিশ করে ঘুমান এবং সকালে উঠে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।


গোলাপজল

ঘাম প্রতিরোধে গোলাপজল অত্যন্ত কার্যকর। এ ক্ষেত্রে বাজার থেকে কেনা কিংবা ঘরে বানানো উভয় গোলাপজলই ব্যবহার করা যাবে। প্রতিদিন অন্তত তিনবার তুলা বা সুতি কাপড়ের সাহায্যে হাত ও পায়ের তালুতে গোলাপজল ম্যাসাজ করুন।

পানি

পানি শরীর ঠান্ডা রাখে। ফলে ঘাম নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই হাত ও পায়ের তালুর ঘাম রোধে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন। নিয়মিত বিরতিতে হাত ও পা ধোয়ার চেষ্টা করুন।

লেবুর রস

লেবু প্রাকৃতিক ডিওডোরেন্ট হিসেবে কাজ করে। তিন থেকে চার ফোঁটা লেবুর রস হাতে মেখে ফেলুন কিংবা পায়ে ম্যাসাজ করুন। ত্বক সংবেদনশীল হলে পানি মিশিয়ে নিতে পারেন।

আরও পড়ুন:
সকালে জিরার পানি পানের উপকারিতা
মুখের দুর্গন্ধ দূর করার উপায়
শীতকালীন শ্বাসকষ্ট কমাবেন যেভাবে
স্ত্রীর মন ভোলাবেন যেভাবে
দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়লে যা খাবেন

শেয়ার করুন

ফোন পানিতে পড়লে যা করবেন

ফোন পানিতে পড়লে যা করবেন

ফোন তুলেই তা সুইচ অফ করে দিন। ফোন অন থাকলে সার্কিট বোর্ড নষ্ট হবার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই পরে ফোনটি কাজ নাও করতে পারে। তবে পানিতে ডোবার পর যদি বন্ধ হয়ে যায়, তবে তা অন হয় কি না তা পরীক্ষা করবেন। চালু হলে সঙ্গে সঙ্গেই ফোন আবার বন্ধ করে দিন।

ফোনের ধুলা বা পানি সহ্য করার ক্ষমতা কত তা আইপি রেটিং দিয়ে বোঝানো হয়। কোনো ফোনের অফিশিয়াল ইনগ্রাস প্রোটেকশন (আইপি) ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট রেটিং না থাকলে ধরে নিতে হবে ফোনটি পানিনিরোধী বা ওয়ার রেজিস্ট্যান্ট নয়।

সব পরিস্থিতিতে রেটিং কাজ নাও করতে পারে, তাই পানিতে ফোন ভেজানো উচিত নয়। যদি অসাবধানতাবশত ফোন পানিতে পড়েই যায়, তবে কয়েকটি কাজ করুন।

১. পানিতে ফোন পড়ে গেলে যত দ্রুত পারবেন তা তুলে ফেলুন। কারণ বেশি সময় ডুবে থাকলে ফোনের ক্ষতিও বেশি হবে।

২. ফোন তুলেই তা সুইচ অফ করে দিন। ফোন অন থাকলে সার্কিট বোর্ড নষ্ট হবার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই পরে ফোনটি কাজ নাও করতে পারে। তবে পানিতে ডোবার পর যদি বন্ধ হয়ে যায়, তবে তা অন হয় কি না তা পরীক্ষা করবেন। চালু হলে সঙ্গে সঙ্গেই ফোন আবার বন্ধ করে দিন।

৩. ফোনটির পানি মুছে দিলে শুধু ওপরটা শুকাবে। ভেতরে ঢোকা পানি শুকাতে একটি বাটিতে চাল নিয়ে তাতে ফোন রাখতে হবে। এমনভাবে ফোনটি চালের ভেতর রাখবেন যেন তা পুরোপুরি ঢেকে যায়। ফোনের ভেতরে থাকা সব পানি চাল শুষে নেবে।

৪. এ ছাড়া যদি ঘরে সিলিকা থাকে তাহলে একটি প্যাকেটে সিলিকা ভর্তি করে তাতে ফোন রেখে দিন। এতে ফোনের ভেতরে থাকা আর্দ্রতা টেনে নেবে সিলিকা।

৫. চাল বা সিলিকা যেটাই ব্যবহার করেন না কেন, একটানা ৩ দিন সেগুলোতে ফোন রেখে দিন। তা না হলে ফোন পুরোপুরি শুকাবে না। ৩ দিন পর ফোন অন করতে হবে। যদি অন না হয় তাহলে নিয়ে যান সার্ভিস সেন্টারে।

যা করবেন

সার্ভিস সেন্টারের টেকনিশিয়ানকে সব কথা খুলে বলুন। সার্ভিস সেন্টারে আনার আগে যদি নিজেই ফোন খোলার চেষ্টা করেন সেটাও বলুন। তা না হলে টেকনিশিয়ানের অজান্তেই আপনার ফোনের আরও বড় ক্ষতি হতে পারে।

যা করবেন না

১. ফোনে ঢোকা পানি শুকানোর জন্য হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না। কারণ হেয়ার ড্রায়ার ফোন গরম করে ফেলবে। এতে ফোনের সার্কিট গলে যেতে পারে।

২. পানি ঢুকলে ফোন ঝাঁকাঝাঁকি করবেন না। এতে হিতে বিপরীত হবে। পানি বের না হয়ে উল্টো সার্কিটের ভেতরে পানি চলে যেতে পারে।

৩. ব্যাটারিতে পানি ঢুকেছে কি না তা জানতে ফোন খুলবেন না। এমনকি ব্যাটারিও সরাবেন না।

এসব বিষয় একটু সতর্কতার সঙ্গে করুন, আপনার ফোনটি আবার আগের মতো কাজ করবে।

আরও পড়ুন:
সকালে জিরার পানি পানের উপকারিতা
মুখের দুর্গন্ধ দূর করার উপায়
শীতকালীন শ্বাসকষ্ট কমাবেন যেভাবে
স্ত্রীর মন ভোলাবেন যেভাবে
দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়লে যা খাবেন

শেয়ার করুন

শরীর সুস্থ রাখতে সাইকেলে চড়ুন

শরীর সুস্থ রাখতে সাইকেলে চড়ুন

দুই চাকার বাহন হওয়ায় সাইকেল পুরোপুরি ব্যালেন্স-নির্ভর। প্রতিদিন চালানোর ফলে শরীরে ব্যালেন্সিং ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে এটি হাই-ফোবিয়া আক্রান্তদের জন্যও কার্যকর।

শরীর সুস্থ রাখতে ব্যায়ামের বিকল্প নেই। বিশেষজ্ঞরা আবার নিয়মিত হাঁটার কথাও বলেন। তবে অনেকেই ব্যস্ততার কারণে ব্যায়াম কিংবা হাঁটার জন্য পর্যাপ্ত সময় পান না। এ ক্ষেত্রে উপায় কী? উপায় হলো সাইকেল চালানো। বেটার হেলথ ম্যাগাজিনের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, নিয়মিত সাইকেল চালানো শারীরিক ও মানসিক উভয় স্বাস্থ্যের জন্যই দরকারি। চলুন জেনে নেই, সাইকেল চালালে কী কী উপকার হয়।

মাসল ওয়ার্কআউট

মজবুত পেশি গঠনে সাইকেল চালানোর জুড়ি নেই। নিয়মিত সাইকেল চালানোর ফলে পায়ে পেশির ওপর চাপ পড়ে। ধীরে ধীরে নীতম্ব ও পায়ের পেশি আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। যাদের হাঁটতে সমস্যা হয় তারাও ব্যায়ামের জন্য সাইকেল চালাতে পারেন।

মেদ ঝরাতে

দৈনিক এক ঘণ্টা সাইকেল চালানোর ফলে শরীরের প্রায় ৫০০ ক্যালরি বার্ন হয়। অনেকেই অতিরিক্ত ওজন নিয়ে সমস্যায় ভুগছেন, তারা মেদ ঝরাতে সাইকেল চালাতে পারেন।

নিরাপদ

বেটার হেলথ ম্যাগাজিন থেকে জানা যায়, গবেষণা মতে সাইকেল চালানো অন্যান্য ব্যায়ামের চেয়ে বেশি নিরাপদ। সাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে খুব কমই দুর্ঘটনা ঘটে।

ব্যালেন্সিং

দুই চাকার বাহন হওয়ায় সাইকেল পুরোপুরি ব্যালেন্স-নির্ভর। প্রতিদিন চালানোর ফলে শরীরে ব্যালেন্সিং ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে এটি হাই-ফোবিয়া আক্রান্তদের জন্যও কার্যকর।

রোগ প্রতিরোধ

সাইকেল চালানো শুধু পায়ের ব্যায়াম নয়। এটি পুরো শরীরের ব্যায়াম। এতে নিয়মিত ক্যালরি বার্ন হতে থাকে, ফলে শরীরে মেদ জমতে পারে না। এ কারণে ওবেসিটি ও ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা দূরে থাকে। চিকিৎসকরা হার্টের সুস্থতার জন্যও সাইকেল চালাতে বলেন।

ঘুমের সমস্যা দূর হয়

সাইকেল চালাতে পরিশ্রম করতে হয়। এতে শরীরে ক্লান্তি আসে। ফলে দিনশেষে ভালো ঘুম হয়। যাদের ঘুমের সমস্যা আছে তারা সাইকেল চালাতে পারেন। অবসাদ কাটাতেও সাইকেল চালানো যেতে পারে।

সময়

ঢাকা শহর মানেই যানজট। বাস বা অন্যান্য গাড়িতে চড়ার কারণে দীর্ঘ সময় যানজটের ফলে নষ্ট হয়ে যায়। সাইকেল আকারে ছোটো বাহন হওয়ায় এতে যানজটের সমস্যা নেই। সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে সাইকেলে চড়ুন। এতে খরচও বাঁচে।

মানসিক চাপমুক্তি

সাইকেল চালানোর সময় শরীর মুক্ত বাতাসের ছোঁয়া পায়। খোলা পরিবেশে চলাচলের ফলে শুধু শরীরই ভালো থাকে না, পাশাপাশি মানসিক চাপও কমে এবং মস্তিষ্ক পরিষ্কার থাকে।

পরিবেশ রক্ষা

সাইকেল চলে কায়িক শ্রমে। এটি চালাতে কোনো তেল-গ্যাস বা ডিজেল-পেট্রল লাগে না। তাই এর দ্বারা পরিবেশ দূষিত হওয়ার আশঙ্কা নেই।

আরও পড়ুন:
সকালে জিরার পানি পানের উপকারিতা
মুখের দুর্গন্ধ দূর করার উপায়
শীতকালীন শ্বাসকষ্ট কমাবেন যেভাবে
স্ত্রীর মন ভোলাবেন যেভাবে
দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়লে যা খাবেন

শেয়ার করুন

ফোসকা পড়লে করণীয়

ফোসকা পড়লে করণীয়

নতুন বা শক্ত জুতা পরার আগে জুতার শক্ত জায়গাগুলোতে ভ্যাসলিন লাগিয়ে নিন। এতে শক্ত জায়গাগুলো খসখসে থাকবে না এবং ফোসকা পড়া অনেকটা রোধ হবে। এখানে নারিকেল তেলও ব্যবহার করা যাবে।

মানুষের ত্বক কয়েক স্তরবিশিষ্ট। এর মধ্যে সবচেয়ে ওপরের দুটি হলো- এপিডারমিস ও ডারমিস। কোনো আঘাত বা ঘর্ষণের ফলে প্রথমে এপিডারমিস পুরোপুরি ও ডারমিস আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হলে তখন সে জায়গাটিতে ফোসকা পড়ে যায়। এতে অসহ্য জ্বলুনি ও ব্যথা হওয়ার পাশাপাশি যদি ফোসকা ফেটে যায় তখন দগদগে ক্ষত তৈরি হয়। মাঝেমধ্যে সেই ঘা থেকে ইনফেকশনও হয়ে যেতে পারে। ওয়েব এমডি (https://www.webmd.com/first-aid/blisters-treatment) ম্যাগাজিন থেকে জানা যায়, ফোসকা পড়লে এর নিরাময়ের জন্য করণীয়-

টুথপেস্ট

টুথপেস্ট হলো ফোসকা পড়ার পর সবচেয়ে কার্যকর প্রাথমিক চিকিৎসা। ক্ষতস্থানে টুথপেস্ট লাগালে সঙ্গে সঙ্গে জ্বলুনি কমে যায়। এটি ফোসকার ভেতরে জমা পানিও শুকাতে সাহায্য করে।

ডিমের সাদা অংশ

ফোসকার ওপর যত দ্রুত সম্ভব ডিমের সাদা অংশ লাগিয়ে নিন। এতে যন্ত্রণা কমে যাবে। এমনকি ফোসকা পড়া রোধেও ডিমের সাদা অংশ কার্যকর।

মধু

দ্রুত ফোসকার ক্ষত সারাতে মধুর ব্যবহারও জনপ্রিয়। মধু দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষত সারাতে ভূমিকা রাখে।

গ্রিন টি

গ্রিন টিতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকে। এগুলো দ্রুত ফোলা কমানো ও প্রদাহ বন্ধ করতে সহায়ক। এ ক্ষেত্রে ব্ল্যাক টি দিয়েও কাজ চালানো যায়।

ভ্যাসলিন

নতুন বা শক্ত জুতা পরার আগে জুতার শক্ত জায়গাগুলোতে ভ্যাসলিন লাগিয়ে নিন। এতে শক্ত জায়গাগুলো খসখসে থাকবে না এবং ফোসকা পড়া অনেকটা রোধ হবে। এখানে নারিকেল তেলও ব্যবহার করা যাবে।

অ্যান্টিসেপটিক

ফোসকা পড়ামাত্রই ফাটিয়ে পানি বের করে ফেলবেন না। যদি কোনো কারণে ফেটে যায়, ক্ষতস্থানে অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম লাগিয়ে ফেলুন।

অ্যালোভেরা জেল

অ্যালোভেরা জেল থাকা উপাদানগুলো প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। এগুলো ক্ষত সারাতে ও টিস্যুর উত্তেজনা কমাতে ভূমিকা রাখে। জ্বলুনিও কমায়।

আটা

দুই চা চামচ আটা পানির সঙ্গে গুলিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ফেটে যাওয়া ফোসকার ক্ষত দ্রুত শুকাতে এই পেস্ট সহায়ক।

আরও পড়ুন:
সকালে জিরার পানি পানের উপকারিতা
মুখের দুর্গন্ধ দূর করার উপায়
শীতকালীন শ্বাসকষ্ট কমাবেন যেভাবে
স্ত্রীর মন ভোলাবেন যেভাবে
দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়লে যা খাবেন

শেয়ার করুন