স্ত্রীর মন ভোলাবেন যেভাবে

স্ত্রীর মন ভোলাবেন যেভাবে

ছোট ছোট কিছু বিষয় খেয়াল রাখলেই সম্পর্ক হয় মধুর। ছবি: সংগৃহীত

ঘরের ভেতর আপনি যে কাজই করেন, চেষ্টা করুন পরিচ্ছন্ন রাখতে। কাজ শেষে কাজের জিনিসপত্র ঠিক জায়গায় রেখে দিন। এমনকি বাথরুম, সিঙ্ক কিংবা ফ্লোর অপরিচ্ছন্ন দেখলে নিজেই পরিষ্কার করে ফেলুন। এগুলো স্ত্রীর কাজ, সে করবে- এভাবে ভাববেন না।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে খারাপ সম্পর্ক হলে দুজনের জীবনেই এর প্রভাব পড়ে। জীবন বিষিয়ে যায়। তাই যেকোনো মূল্যে সবাই চান সম্পর্কটা ভালো রাখতে। স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখতে কী কী করতে হবে, চলুন জেনে নেই।

ঠিকভাবে কথা বলা

স্ত্রী যখন আপনার সঙ্গে কথা বলবে, তার দিকে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিন। আপনার আগ্রহ না থাকলেও প্রথমে সে যা বলে মন দিয়ে শুনুন। তারপর কথা বলুন। এড়িয়ে যাবেন না। সে কোনো প্রশ্ন করলে কোনোভাবেই হ্যাঁ, হুম, ওহ বলে কাটিয়ে দেবেন না। যথাযথভাবে উত্তর না দিলে তার কাছে মনে হবে আপনি তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। এতে সে অপমানিত বোধ করবে। হতে পারে আপনি এভাবেই কথা বলেন, কিন্তু সম্পর্ক ভালো রাখতে এই অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

গুছিয়ে চলা

নারীরা সবচেয়ে বেশি অপছন্দ করে অগোছালো ঘর। সব সময় চেষ্টা করুন যতটা সম্ভব গুছিয়ে চলতে। কখনও কাপড়চোপড় এলোমেলো করে এদিক-ওদিক ফেলে রাখবেন না। যদি গোছানোর কেউ না থাকে, তাহলে নিজেই গুছিয়ে নিন। স্ত্রী গুছিয়ে রাখবে- এই আশায় বসে থাকবেন না। এতে তার বিরক্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। অগোছালো থাকার অভ্যাস থাকলে সেটি থেকে বেরিয়ে আসুন এক্ষুনি।

পরিচ্ছন্নতা

ঘরের ভেতর আপনি যে কাজই করেন, চেষ্টা করুন পরিচ্ছন্ন রাখতে। কাজ শেষে কাজের জিনিসপত্র ঠিক জায়গায় রেখে দিন। এমনকি বাথরুম, সিঙ্ক কিংবা ফ্লোর অপরিচ্ছন্ন দেখলে নিজেই পরিষ্কার করে ফেলুন। এগুলো স্ত্রীর কাজ, সে করবে- এভাবে ভাববেন না। ঘরের সব কাজ মিলেমিশে করার চেষ্টা করুন। স্ত্রীর ওপর অযথা কাজের চাপ বাড়াবেন না।

অন্যায় আবদার নয়

কোনো সমস্যায় পড়লে আমরা সবাই চাই কেউ আমাদের সান্ত্বনা দিক। আমাদের সঙ্গে ভালো করে কথা বলুক। তাই বলে খেয়াল রাখবেন যেকোনো কিছুতেই যেন অতিরিক্ত শিশুসুলভ না হয়ে যান। কারও মনোযোগ চাওয়াতে অপরাধ নেই। কিন্তু সেটি যেন এমন পর্যায়ে না যায়, যাতে অন্য কেউ আপনার ওপর বিরক্ত হয়। কখনও অন্যায় আবদার করবেন না।

অতীত নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি নয়

নিজের অতীত থেকে থাকলে সেটি অতীতেই ফেলে আসুন। আগের সম্পর্কের জের যেন বর্তমানে না থাকে। এটি কোনো নারীই মেনে নিতে পারে না। এতে সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি খারাপ হয়। পাশাপাশি আপনার স্ত্রীর অতীত নিয়েও ঘাঁটাঘাঁটি করবেন না।

আরও পড়ুন:
দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়লে যা খাবেন
শীতে ঠোঁটের যত্ন নেবেন যেভাবে
ডার্ক সার্কেল দূর করতে ঘরোয়া পদ্ধতি
পায়ের গোড়ালি ফাটা এড়াতে যা করবেন
শীতে উষ্ণ রাখবে এই পানীয়গুলো

শেয়ার করুন

মন্তব্য

স্মার্টফোনে ভালো ছবি তুলতে চান?

স্মার্টফোনে ভালো ছবি তুলতে চান?

রোদের আলো সরাসরি মুখে না পড়লে ছবি কালো আসে। তাই রোদে একটি সাদা কাগজ ধরুন। তারপর ছবি তুলুন। ছবি উজ্জ্বল আসবে।

ফোন ক্যামেরা দিয়ে এখন অনেকেই প্রফেশনাল ছবিও তুলছেন। তবে এমন প্রফেশনাল ছবিতে প্রয়োজন হয় দক্ষতা আর অভিজ্ঞতার। তবে আপনি যদি প্রফেশনালের বাইরেও ভালো মানের ছবি তুলতে চান তবে কিছু কৌশল মানতে হয়। ভুল এড়াতে কৌশলগুলো জেনে নেয়া যাক।

ভার্টিকাল প্যানোরামা

প্যানোরামা বলতে বোঝায় ওয়াইড অ্যাঙ্গেলের ছবি। এই ফিচার ব্যবহারে আশপাশের অনেকখানি দৃশ্য এক ফ্রেমে নেয়া যায়। তবে অনেকেই জানেন না, লম্বালম্বিও প্যানোরামা ছবি তোলা যায়। এ জন্য ক্যামেরা চালু করে ‘Option’ এ ক্লিক করলেই ‘panorama’ ফিচারটি পেয়ে যাবেন। এতে ক্লিক করলে দুটি অ্যারো চিহ্ন দেখা যাবে। এরপর ক্যামেরা বাটন চাপতে হবে। সবশেষে ফোনটি সোজাভাবে (হরাইজেন্টালি) ধরে অ্যারো বরাবর ঘোরাতে হবে। ব্যস, এতেই তোলা যাবে ভার্টিকাল প্যানোরামা। উঁচু কোনো স্থাপনার সামনে ছবি তুলতে কাজে দেবে ফিচারটি।

অ্যাকশন শট

ঢেউ সৈকতে আছড়ে পড়ছে- এমন ছবি তুলতে শুধু ক্যামেরা বাটনটি চেপে ধরে থাকুন। এতে সেকেন্ডে কয়েকটি ছবি উঠবে। এবার গ্যালারিতে গেলেই দেখতে পাবেন পারফেক্ট ঢেউ আছড়ে পড়ার ছবি।

সোজা হরাইজন

ল্যান্ডস্কেপ ছবি তুলতে গেলে অনেকেই বাঁকা ছবি তোলেন। এতে ছবি খারাপ আসে। সোজাভাবে ছবি তুলতে চাইলে যেতে হবে ‘Settings’ এ। স্ক্রল করে ‘App Settings’ সেকশন থেকে ‘System Apps’ এ যেতে হবে। এতে ক্লিক করে যেতে হবে ‘Camera’-তে। নতুন একটি পেইজ চালু হলে স্ক্রল করে ‘Show Gridlines’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এতে ছবি তোলার আগে চার স্তরে লাইন দেখা যাবে। লাইন মিলিয়ে ক্লিক করলে সোজা ছবি তোলা যাবে।

সেলফি

সেলফি তোলার সময় স্মার্টফোন ধরার ক্ষেত্রে কৌশলী হলে ভালো ছবি আসে। এ জন্য ভলিউম বাটনও কাজে লাগানো সম্ভব। ক্যামেরা চালু করে ভলিউম বাটনটি প্রেস করলেই সেলফি তোলা যাবে। তবে সাবধান, এতে ছবি ব্লার হবার আশঙ্কা বেশি থাকে। ব্লার ছবি এড়াতে ফোনের সঙ্গে কানেক্ট করুন হেডফোন। এরপর হেডফোনের বাটন প্রেস করলেই মিলবে পারফেক্ট সেলফি।

মনে রাখুন এই টিপসগুলো

. সমুদ্র বা নদীর পানিতে নেমে ছবি তুললে ক্যামেরা ভিজবেই। তাই একটি কাঁচের গ্লাসে ফোনটি রেখে ছবি তুলুন।

. রোদের আলো সরাসরি মুখে না পড়লে ছবি কালো আসে। তাই রোদে একটি সাদা কাগজ ধরুন। তারপর ছবি তুলুন। ছবি উজ্জ্বল আসবে।

. স্মার্টফোন দিয়ে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি সম্ভব নয়। তবে ডিটেলসের ছবি তোলা অসম্ভব কিছু নয়। আঙুলে করে এক ফোঁটা পানি ক্যামেরাতে দিন। এতে সব কিছুর ছবিই ম্যাক্রো আকারে উঠবে।

. ফিল্টার ছবি চাইলে সানগ্লাস সামনে রেখে ছবি তুলুন। ছবিতে ভিন্ন রং চলে আসবে।

. প্যানোরামা ছবিতে নিজেকে কয়েকবার করে দেখতে ক্যামেরার সামনে ঘুরে ঘুরে তিনবার পোজ দিন। এক ছবিতে তিনবার নিজেকে দেখতে পাবেন।

এসব কৌশল কাজে লাগান, দেখবেন আপনার তোলা ছবি অন্যদের চেয়ে কয়েক গুণ মানসম্মত ও প্রাণবন্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়লে যা খাবেন
শীতে ঠোঁটের যত্ন নেবেন যেভাবে
ডার্ক সার্কেল দূর করতে ঘরোয়া পদ্ধতি
পায়ের গোড়ালি ফাটা এড়াতে যা করবেন
শীতে উষ্ণ রাখবে এই পানীয়গুলো

শেয়ার করুন

ঘুমের আগে যা খাবেন না

ঘুমের আগে যা খাবেন না

মিষ্টিজাতীয় খাবার অ্যানার্জি লেভেল বাড়িয়ে দেয়। ফলে চেষ্টা করলেও ঘুম আসে না। তাই ঘুমের আগে যেকোনো মিষ্টিজাতীয় খাবার পরিহার করা ভালো।

সারা দিনের ক্লান্তি শেষে শরীরটাকে পরের দিনের জন্য প্রস্তুত এবং কর্মক্ষম রাখার একমাত্র উপায় হলো রাতে পর্যাপ্ত ঘুম। একজন মানুষের সুস্থ থাকার জন্য অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। তা না হলে কাজ এবং স্বাস্থ্য উভয় ক্ষেত্রেই খারাপ প্রভাব পড়ে।

অনেকেই রাতে ঘুমের সমস্যায় ভোগেন। ঠিকমতো ঘুম না হওয়ায় ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বেনেনডেন হেলথের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এ সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন। ঘুমের আগে কিছু না খাওয়াই ভালো। তা ছাড়া এমন কিছু খাবার আছে যা ঘুমের আগে খাওয়া একেবারেই নিষেধ। চলুন জেনে নেই, সেগুলা কী কী।

চকলেট

ঘুমানোর আগে চকলেট খাবেন না। বিশেষ করে ডার্ক চকলেট। কারণ এসব চকলেটে প্রচুর পরিমাণে ক্যাফেইন আর অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা মস্তিষ্কের নিওরনগুলোকে উত্তেজিত রাখে। ফলে ঘুমের সমস্যা হয়।

কফি

কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলেও ঘুমানোর কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই খাওয়া বন্ধ করে দিন। কফি সব সময় স্নায়ু উদ্দীপিত করে রাখে। যার প্রভাব থাকে প্রায় ৮ থেকে ১৪ ঘণ্টা। এ ছাড়া এটি ‘র‌্যাপিড আই মুভমেন্ট’ এর কারণ। ফলে শরীর ক্লান্ত থাকলেও ঘুম আসবে না।

পনির

পনির যদিও হালকা খাবার হিসেবে পরিচিত, কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ঘুমাতে যাওয়ার আগে খাওয়ার জন্য সবচেয়ে নেতিবাচক খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম। কারণ এতে প্রচুর অ্যামিনো অ্যাসিড আর টিরামিন থাকে, যা ঘুমের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

মিষ্টিজাতীয় খাবার

মিষ্টিজাতীয় খাবার অ্যানার্জি লেভেল বাড়িয়ে দেয়। ফলে চেষ্টা করলেও ঘুম আসে না। তাই ঘুমের আগে যেকোনো মিষ্টিজাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো।

অ্যালকোহল

অনেকে মনে করেন অ্যালকোহল ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক। এটি ভুল ধারণা। অ্যালকোহল ঘুমে ব্যাঘাতের পাশাপাশি মাথাব্যথাও সৃষ্টি করে। এ ছাড়া অতিরিক্ত অ্যালকোহল লিভার নষ্ট করে ফেলে। তাই অ্যালকোহল এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

আইসক্রিম

আইসক্রিমে চিনি এবং ফ্যাট থাকে। ফ্যাট শরীরে অস্বস্তিভাব নিয়ে আসে। আর চিনি খেলে মস্তিষ্ক উত্তেজিত থাকে। দুটিই ঘুম তাড়াতে যথেষ্ট।

ঝাল

ঘুমের আগে অতিরিক্ত ঝাল কিছু খাবেন না। ঝাল দেয়া তরকারি, সস বা সরিষার তেল দিয়ে বানানো খাবার ঘুমানোর বেশ আগেই খেয়ে নিন। কারণ এসবে ক্যাপ্সাইসিন নামক এক ধরনের কেমিক্যাল থাকে, যা শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং ঘুমে সমস্যা তৈরি করে।

আরও পড়ুন:
দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়লে যা খাবেন
শীতে ঠোঁটের যত্ন নেবেন যেভাবে
ডার্ক সার্কেল দূর করতে ঘরোয়া পদ্ধতি
পায়ের গোড়ালি ফাটা এড়াতে যা করবেন
শীতে উষ্ণ রাখবে এই পানীয়গুলো

শেয়ার করুন

কানের ব্যথায় যা করবেন

কানের ব্যথায় যা করবেন

ভিনিগারে এক ধরনের অ্যাসিড থাকে, যা কানের সংক্রমণ কমাতে কাজ করে। একটি পাত্রে সমপরিমাণ ভিনিগার ও রাবিং অ্যালকোহল নিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। সংক্রমিত কানে কয়েক ফোঁটা দিন।

বেশির ভাগ সময় কানে ব্যথার উৎপত্তি হয় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে। এ ছাড়া সর্দি-কাশি, জ্বর, গোসলের সময় পানি ঢুকে যাওয়া ইত্যাদির মতো নানা কারণে কানব্যথা হতে পারে। পরিস্থিতি খুব খারাপ হলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। তবে ব্যথার পরিমাণ কম হলে ঘরেই প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়া যেতে পারে।

ওয়েব এমডি ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে কানব্যথা নির্মূলের কিছু ঘরোয়া উপায় তুলে ধরা হয়েছে। চলুন জেনে নেই-

গরম অথবা ঠাণ্ডা সেঁক

কানে অনেক সময় পানি ঢুকে যায়, এমনকি পুঁজও হয়ে থাকে। ফলে যন্ত্রণা হয়। এ অবস্থায় করণীয় হলো, পুঁজ অথবা পানিটা বের করে নেয়া। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর উপায় গরম সেঁক। একটি নরম ও পরিষ্কার কাপড় প্রথমে গরম পানিতে ভিজিয়ে নিন। পানিটা নিংড়ে ফেলে ব্যথা হওয়া কানটির ওপর চেপে ধরে রাখুন। কিছুক্ষণ ধরে রেখে অন্যদিকে কাত হয়ে পুঁজ অথবা পানিটি বের করে নিন। এতে ব্যথা কমে যাবে। অনেকের ক্ষেত্রে অবশ্য ঠান্ডা পানিতেও কাজ হয়।

ভিনিগার

ভিনিগারে এক ধরনের অ্যাসিড থাকে, যা কানের সংক্রমণ কমাতে কাজ করে। একটি পাত্রে সমপরিমাণ ভিনিগার ও রাবিং অ্যালকোহল নিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। সংক্রমিত কানে কয়েক ফোঁটা দিন।

খোঁচাখুঁচি করবেন না

কানে ব্যথা হতে না হতেই অনেকের কটনবাড অথবা দেশলাই কাঠি দিয়ে খোঁচানোর প্রবণতা থাকে। এতে সংক্রমণের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়। ব্যথা অবস্থায় কোনোভাবেই কানে কোনো কিছু প্রবেশ করাবেন না।

চুইংগাম
অনেকের বিমানে উঠলে কানে ব্যথা হয়। এটি মূলত বাতাসের চাপের কারণে ঘটে থাকে। এ অবস্থায় চুইংগাম খেতে পারেন। এটি কানের মধ্যে বাতাসের চাপ কমাবে। ফলে ব্যথা হবে না।

সতর্কতা

ব্যথা হলে কান শুকনা রাখতে চেষ্টা করুন। গোসলের সময় যেন কোনোভাবেই কানের ভেতর পানি ঢুকতে না পারে। মাথা ভেজানোর আগে পেট্রোলিয়াম জেলি মাখানো তুলা গুঁজে নিতে পারেন। এ ছাড়া তুলে ধরা উপায়গুলো কান ব্যথায় সাময়িক আরাম দেবে। পুরোপুরি ব্যথামুক্ত হতে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

আরও পড়ুন:
দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়লে যা খাবেন
শীতে ঠোঁটের যত্ন নেবেন যেভাবে
ডার্ক সার্কেল দূর করতে ঘরোয়া পদ্ধতি
পায়ের গোড়ালি ফাটা এড়াতে যা করবেন
শীতে উষ্ণ রাখবে এই পানীয়গুলো

শেয়ার করুন

সুগন্ধি ব্যবহারের নিয়ম

সুগন্ধি ব্যবহারের নিয়ম

সুগন্ধির ঘ্রাণ হালকা ও চড়া উভয়ই হয়। সময় অনুযায়ী দিনের বেলা চড়া এবং রাতের বেলা হালকা সুগন্ধি ব্যবহার করা ভালো। এতে ঘ্রাণে পরিমিতি থাকে।

শরীরের দুর্গন্ধ দূর করা থেকে মন-মেজাজ ফুরফুরে রাখা- সব কাজেই সুগন্ধির ব্যবহার জনপ্রিয়। পৃথিবীতে বিভিন্ন রকম সুগন্ধি রয়েছে। আর এসবের ব্যবহারে রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম। সেসব না জেনে সুগন্ধি মাখলে পুরোপুরি কার্যকারিতা পাওয়া যায় না। তাই অতিরিক্ত ব্যবহারের চাইতে নিয়ম মেনে পরিমাণমতো সুগন্ধি ব্যবহার করা উচিত। চলুন উইকিহাউ অবলম্বনে সুগন্ধি ব্যবহারের নিয়মগুলো জেনে নেয়া যাক-

গোসলের পর

গোসলের কারণে শরীর ভেজা থাকার ফলে শরীরের লোমকূপ উন্মুক্ত অবস্থায় থাকে। ফলে অন্যান্য সময়ের চেয়ে এই সময় সুগন্ধি স্প্রে করলে সুবাস দীর্ঘস্থায়ী হয়। তাই সুগন্ধি ব্যবহারের আগে গোসল করে নিতে চেষ্টা করুন।

পালস পয়েন্ট

শরীরে কিছু পালস পয়েন্ট থাকে। পালস পয়েন্ট হলো- যেখানে নারিস্পন্দন টের পাওয়া যায়। শরীরের এই জায়গাগুলো সব সময় উষ্ণ থাকার ফলে বেশি সুগন্ধ ছড়ায়। এ ছাড়াও এসব স্থান বেশির ভাগ সময় আবৃত থাকে। তাই সুগন্ধ একেবারে ছড়িয়ে না গিয়ে ধীরে ধীরে ছড়ায়। তাই পালস পয়েন্ট দেখে সুগন্ধি ব্যবহার করুন।

ঘষবেন না

সুগন্ধি ব্যবহারের পর অনেকেই ঘসে ফেলেন। অনেকেই মনে করেন এতে সুগন্ধ বেশি ছড়ায়। এটি একটি ভুল ধারণা। ঘষে ফেলার কারণে সুগন্ধির গঠন নষ্ট হয়ে যায়। তাই লাগানোর পর না ঘষে নাড়াচাড়া করার চেষ্টা করুন।

চুলে ব্যবহার

চুলে সুগন্ধি ব্যববহার করলে ঘ্রাণ দীর্ঘস্থায়ী হয়। বড় চুল হলে তো কথাই নেই। বেশির ভাগ সুগন্ধিতে অ্যালকোহল থাকে, যা চুল শুষ্ক রাখে। তাই কোথাও বের হওয়ার আগে চুলে অল্প পরিমাণ সুগন্ধি স্প্রে করে নিতে পারেন। তবে স্প্রে করার চেয়ে চিরুনিতে স্প্রে করে চুল আঁচড়ানো বেশি কার্যকর।

যেসব জায়গা আদর্শ

সুগন্ধি ব্যবহারের জন্য শরীরের কিছু আদর্শ জায়গা রয়েছে। সেগুলো হলো- হাতের কবজি, কনুইয়ের ভেতরের অংশ, কলার বোন, হাঁটুর পেছনে, পায়ের গোড়ালি, নাভির কাছে ও কানের পেছনে। এসব জায়গায় সুগন্ধি লাগালে ঘ্রাণ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়।

দিন ও রাত

সুগন্ধির ঘ্রাণ হালকা এবং চড়া উভয়ই হয়। সময় অনুযায়ী দিনের বেলা চড়া এবং রাতের বেলা হালকা সুগন্ধি ব্যবহার করা ভালো। এতে ঘ্রাণে পরিমিতি থাকে।

ময়েশ্চারাইজার

সুগন্ধি ব্যবহারের আগে হাত ও পায়ে ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন। কারণ খসখসে ত্বকে ঘ্রাণ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। ময়েশ্চারাইজারের ব্যবহারের ফলে ত্বক মশৃণ ও নরম হয়। যার ঘ্রাণ স্থায়ী করতে ভূমিকা রাখে।

কাপড় না ত্বক

কাপড়ের ওপর সুগন্ধি ব্যবহার করবেন না। কারণ এতে থাকে নানা রকম পদার্থ। যা কাপড়ে দাগ ফেলে দেয়। সুগন্ধি সব সময় ত্বকে ব্যবহার করুন।

আরও পড়ুন:
দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়লে যা খাবেন
শীতে ঠোঁটের যত্ন নেবেন যেভাবে
ডার্ক সার্কেল দূর করতে ঘরোয়া পদ্ধতি
পায়ের গোড়ালি ফাটা এড়াতে যা করবেন
শীতে উষ্ণ রাখবে এই পানীয়গুলো

শেয়ার করুন

বিড়ালের আঁচড় বা কামড়ে কী করবেন

বিড়ালের আঁচড় বা কামড়ে কী করবেন

ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে তরল অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করুন। এ ক্ষেত্রে স্যাভলন ও ডেটল বেশি কার্যকর। তবে পভিসেপও ব্যবহার করতে পারেন। এরপর রক্তপাত বন্ধ করতে ব্যান্ড এইড বা গজ ব্যবহার করতে পারেন।

আঁচড় বা কামড় খাওয়ার অভিজ্ঞতা নেই এমন বিড়াল মালিক খুঁজে পাওয়া দায়। আদুরে প্রাণী হলেও নানা সময় দুর্ঘটনাবশত বিড়ালের নখের আঁচড়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কেটে যেতে পারে। এমনকি ক্ষেপে গেলে বিড়ালের কামড় খাওয়াও অস্বাভাবিক নয়।

তবে আঁচড় বা কামড় খাওয়ার পর অনেকেই বুঝতে পারেন না কী করবেন। অনেকে আবার জলাতঙ্কের আতঙ্কেও থাকেন। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের এক প্রতিবেদনে, এ ধরনের সমস্যায় পড়লে কী করবেন সে ব্যাপারে বলা আছে। দেখে নিন এমন অবস্থায় তাৎক্ষণিক কী করণীয়।

ক্ষতের গভীরতা দেখুন

মাঝেমধ্যে বিড়ালের আঁচড় লাগলেও তেমন ক্ষত তৈরি হয় না। এ ক্ষেত্রে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। জীবাণুনাশক দিয়ে ক্ষতস্থানটি ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। তবে ক্ষত গভীর হলে বা অতিরিক্ত রক্তপাতে অবহেলা করবেন না। বিশেষ করে যদি কামড়ে ক্ষত হয় তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সাবান পানি

র‍্যাবিস ভাইরাস বা জলাতঙ্কের জীবাণু রোধে সবচেয়ে কার্যকর হলো সাবান পানি। অনেক সময় অ্যান্টিবায়োটিক সল্যুশন এই জীবাণু ধ্বংস করতে পারে না। তাই ক্ষত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে জীবাণু সংক্রমিত হবে না।

অ্যান্টিবায়োটিক

ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে তরল অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করুন। এ ক্ষেত্রে স্যাভলন ও ডেটল বেশি কার্যকর। তবে পভিসেপও ব্যবহার করতে পারেন। এরপর রক্তপাত বন্ধ করতে ব্যান্ড এইড বা গজ ব্যবহার করতে পারেন।

রক্তপাত বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যান্ড এইড খুলে দিতে ভুলবেন না। কেননা বাতাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে ক্ষতস্থানে ধনুষ্টঙ্কারের জীবাণু সংক্রমিত হতে পারে। অ্যান্টিবায়োটিক মলম বা ক্রিম ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

সংক্রমণ

ক্ষত গভীর না হলেও এতে জীবাণু সংক্রমিত হতে পারে। ফলে হালকা ক্ষত দেখে অবহেলা করবেন না। দেখুন ক্ষতস্থান ফুলে গেছে কি না। এ ছাড়া লাল হয়ে গেলে, রক্তপাত বন্ধ না হলে বা তীব্র ব্যথা করলে বুঝবেন জীবাণু সংক্রমিত হচ্ছে। তখন দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

জ্বর

বেশির ভাগ সময় আঁচড়ের ফলে বয়স্কদের কিছু না হলেও ছোটদের জ্বর চলে আসে। এটি জীবাণুঘটিত কারণে হয়। একে বলে ক্যাট স্ক্র্যাচ ডিজিজ। জ্বর আসা, ফোসকা পড়া, পিঠ বা পেটব্যথার মতো লক্ষণ দেখলে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। এতে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন:
দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়লে যা খাবেন
শীতে ঠোঁটের যত্ন নেবেন যেভাবে
ডার্ক সার্কেল দূর করতে ঘরোয়া পদ্ধতি
পায়ের গোড়ালি ফাটা এড়াতে যা করবেন
শীতে উষ্ণ রাখবে এই পানীয়গুলো

শেয়ার করুন

হাত-পায়ের তালু ঘামলে যা করবেন

হাত-পায়ের তালু ঘামলে যা করবেন

পানি শরীর ঠান্ডা রাখে। ফলে ঘাম নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই হাত ও পায়ের তালুর ঘাম রোধে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

ঘাম মানুষের স্বাভাবিক শরীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। এটি কোনো অসুখ নয়। তবে অতিরিক্ত ঘামানো নিয়ে অনেকেই অস্বস্তিতে ভোগেন। বিশেষ করে হাত ও পায়ের তালুতে ঘাম। এতে করে দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজ যেমন লেখালেখি, মোবাইল-কম্পিউটার চালানোতে অসুবিধা হয়। কেডস, বুট বা স্নিকার্স পরলে সৃষ্টি হয় দুর্গন্ধ। এই সমস্যাটি শীতকালে বেশি দেখা যায়। তবে গরমকালেও হতে পারে। হেলথলাইন ডট কমের এক প্রতিবেদন থেকে এই সমস্যা সমাধানের উপায় জানা যায়-

বেকিং সোডা

হাত ও পায়ের তালুর অতিরিক্ত ঘাম প্রতিরোধে অন্যতম ঘরোয়া উপায় হলো বেকিং সোডা। প্রথমে এক বোল কুসুম গরম পানি নিন। এতে দুই থেকে তিন চামচ বেকিং সোডা মেশান। সোডা মিশ্রিত পানিতে অন্তত ৩০ মিনিট হাত ও পা ডুবিয়ে রাখুন। পরে শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। এতে ঘামের সমস্যায় উপকার পাওয়া যাবে।

অ্যাপল সিডার ভিনেগার

অ্যাপল সিডার ভিনেগারে রয়েছে ন্যাচারাল অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট, যা রোমকূপ টানটান রাখে। ফলে অতিরিক্ত ঘাম বন্ধ হয়। এর মাধ্যমে উপকার পেতে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হাত ও পায়ের তালুতে ভিনেগার মালিশ করে ঘুমান এবং সকালে উঠে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।


গোলাপজল

ঘাম প্রতিরোধে গোলাপজল অত্যন্ত কার্যকর। এ ক্ষেত্রে বাজার থেকে কেনা কিংবা ঘরে বানানো উভয় গোলাপজলই ব্যবহার করা যাবে। প্রতিদিন অন্তত তিনবার তুলা বা সুতি কাপড়ের সাহায্যে হাত ও পায়ের তালুতে গোলাপজল ম্যাসাজ করুন।

পানি

পানি শরীর ঠান্ডা রাখে। ফলে ঘাম নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই হাত ও পায়ের তালুর ঘাম রোধে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন। নিয়মিত বিরতিতে হাত ও পা ধোয়ার চেষ্টা করুন।

লেবুর রস

লেবু প্রাকৃতিক ডিওডোরেন্ট হিসেবে কাজ করে। তিন থেকে চার ফোঁটা লেবুর রস হাতে মেখে ফেলুন কিংবা পায়ে ম্যাসাজ করুন। ত্বক সংবেদনশীল হলে পানি মিশিয়ে নিতে পারেন।

আরও পড়ুন:
দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়লে যা খাবেন
শীতে ঠোঁটের যত্ন নেবেন যেভাবে
ডার্ক সার্কেল দূর করতে ঘরোয়া পদ্ধতি
পায়ের গোড়ালি ফাটা এড়াতে যা করবেন
শীতে উষ্ণ রাখবে এই পানীয়গুলো

শেয়ার করুন

ফোন পানিতে পড়লে যা করবেন

ফোন পানিতে পড়লে যা করবেন

ফোন তুলেই তা সুইচ অফ করে দিন। ফোন অন থাকলে সার্কিট বোর্ড নষ্ট হবার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই পরে ফোনটি কাজ নাও করতে পারে। তবে পানিতে ডোবার পর যদি বন্ধ হয়ে যায়, তবে তা অন হয় কি না তা পরীক্ষা করবেন। চালু হলে সঙ্গে সঙ্গেই ফোন আবার বন্ধ করে দিন।

ফোনের ধুলা বা পানি সহ্য করার ক্ষমতা কত তা আইপি রেটিং দিয়ে বোঝানো হয়। কোনো ফোনের অফিশিয়াল ইনগ্রাস প্রোটেকশন (আইপি) ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট রেটিং না থাকলে ধরে নিতে হবে ফোনটি পানিনিরোধী বা ওয়ার রেজিস্ট্যান্ট নয়।

সব পরিস্থিতিতে রেটিং কাজ নাও করতে পারে, তাই পানিতে ফোন ভেজানো উচিত নয়। যদি অসাবধানতাবশত ফোন পানিতে পড়েই যায়, তবে কয়েকটি কাজ করুন।

১. পানিতে ফোন পড়ে গেলে যত দ্রুত পারবেন তা তুলে ফেলুন। কারণ বেশি সময় ডুবে থাকলে ফোনের ক্ষতিও বেশি হবে।

২. ফোন তুলেই তা সুইচ অফ করে দিন। ফোন অন থাকলে সার্কিট বোর্ড নষ্ট হবার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই পরে ফোনটি কাজ নাও করতে পারে। তবে পানিতে ডোবার পর যদি বন্ধ হয়ে যায়, তবে তা অন হয় কি না তা পরীক্ষা করবেন। চালু হলে সঙ্গে সঙ্গেই ফোন আবার বন্ধ করে দিন।

৩. ফোনটির পানি মুছে দিলে শুধু ওপরটা শুকাবে। ভেতরে ঢোকা পানি শুকাতে একটি বাটিতে চাল নিয়ে তাতে ফোন রাখতে হবে। এমনভাবে ফোনটি চালের ভেতর রাখবেন যেন তা পুরোপুরি ঢেকে যায়। ফোনের ভেতরে থাকা সব পানি চাল শুষে নেবে।

৪. এ ছাড়া যদি ঘরে সিলিকা থাকে তাহলে একটি প্যাকেটে সিলিকা ভর্তি করে তাতে ফোন রেখে দিন। এতে ফোনের ভেতরে থাকা আর্দ্রতা টেনে নেবে সিলিকা।

৫. চাল বা সিলিকা যেটাই ব্যবহার করেন না কেন, একটানা ৩ দিন সেগুলোতে ফোন রেখে দিন। তা না হলে ফোন পুরোপুরি শুকাবে না। ৩ দিন পর ফোন অন করতে হবে। যদি অন না হয় তাহলে নিয়ে যান সার্ভিস সেন্টারে।

যা করবেন

সার্ভিস সেন্টারের টেকনিশিয়ানকে সব কথা খুলে বলুন। সার্ভিস সেন্টারে আনার আগে যদি নিজেই ফোন খোলার চেষ্টা করেন সেটাও বলুন। তা না হলে টেকনিশিয়ানের অজান্তেই আপনার ফোনের আরও বড় ক্ষতি হতে পারে।

যা করবেন না

১. ফোনে ঢোকা পানি শুকানোর জন্য হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না। কারণ হেয়ার ড্রায়ার ফোন গরম করে ফেলবে। এতে ফোনের সার্কিট গলে যেতে পারে।

২. পানি ঢুকলে ফোন ঝাঁকাঝাঁকি করবেন না। এতে হিতে বিপরীত হবে। পানি বের না হয়ে উল্টো সার্কিটের ভেতরে পানি চলে যেতে পারে।

৩. ব্যাটারিতে পানি ঢুকেছে কি না তা জানতে ফোন খুলবেন না। এমনকি ব্যাটারিও সরাবেন না।

এসব বিষয় একটু সতর্কতার সঙ্গে করুন, আপনার ফোনটি আবার আগের মতো কাজ করবে।

আরও পড়ুন:
দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়লে যা খাবেন
শীতে ঠোঁটের যত্ন নেবেন যেভাবে
ডার্ক সার্কেল দূর করতে ঘরোয়া পদ্ধতি
পায়ের গোড়ালি ফাটা এড়াতে যা করবেন
শীতে উষ্ণ রাখবে এই পানীয়গুলো

শেয়ার করুন