এডিস মশার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন

এডিস মশার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন

এডিস মশা দিনে কামড়ানোর প্রবণতা বেশি, তাই দিনের বেলা পায়ে মোজা ব্যবহার করুন। শিশুদের হাফপ্যান্টের বদলে ফুলপ্যান্ট বা পায়জামা পরান।

সাধারণত DEN-1, DEN-2, DEN-3 ও DEN-4 ভাইরাস থেকে ডেঙ্গু হয়। এই ভাইরাস বহনকারী এডিস অ্যাজিপ্টি মশা কামড়ালে এডিস জ্বরে আক্রান্ত হয় মানুষ। তবে এটি ছোঁয়াচে রোগ নয়। এই চারটি ভাইরাসকে বলা হয় সিরোটাইপ, কারণ এগুলো পৃথকভাবে শরীরের অ্যান্টিবডিকে প্রভাবিত করে। একজন ব্যক্তি এই চারটি ভাইরাস দ্বারা অন্তত চারবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

কখন এডিস মশা কামড়ায়

এডিস মশা সবচেয়ে বেশি কামড়ায় দুপুর বেলা। সূর্যোদয়ের ২ ঘণ্টা পর থেকে সূর্যাস্তের ১ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত এডিস মশা বেশি সক্রিয় থাকে। তাই বলে রাতে একেবারেই কামড়ায় না, এমন নয়। এডিস মশা রাতেও কামড়াতে পারে। বিশেষ করে যেসব অঞ্চলে রাতে উজ্জ্বল আলো থাকে, সেখানে এডিস মশার সক্রিয়তা বেশি। অফিস, শপিং মল, ইনডোর অডিটরিয়াম আর স্টেডিয়ামের মতো জায়গাগুলোতে এডিস মশার আনাগোনা বেশি। কেননা এসব জায়গায় উজ্জ্বল আলো থাকে।

সতর্কতা

১. দিন ও রাত উভয় সময়েই মশারি ব্যবহার করুন।

২. ফুল হাতার জামা পরতে চেষ্টা করুন।

৩. এডিস মশা দিনে কামড়ানোর প্রবণতা বেশি, তাই দিনের বেলা পায়ে মোজা ব্যবহার করুন।

৪. শিশুদের হাফপ্যান্টের বদলে ফুলপ্যান্ট বা পায়জামা পরান।

৬. মশা যেন না কামড়াতে পারে এ জন্য শরীরের খোলা স্থানে মশারোধী বিভিন্ন ক্রিম বা তেল ব্যবহার করুন।

৭. বাসার জানালায় স্থায়ী নেট ব্যবহার করুন। এতে মশা জানালা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।

৮. মশা তাড়াতে স্প্রে, লোশন, ক্রিম, কয়েল বা ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৯. ফুলদানি, অব্যবহৃত কৌটা, বাড়িঘরের আশপাশে যেকোনো পাত্রে পানি যেন জমে না থাকে, সেদিকে লক্ষ রাখুন।

১০. বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড়, জঙ্গল, জলাশয় ইত্যাদি পরিষ্কার রাখুন।

আরও পড়ুন:
ফুলদানির ফুল যেভাবে দীর্ঘসময় তরতাজা রাখবেন
দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম
ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়
আয়ু বাড়াবেন যেভাবে
কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পেঁয়াজের জুস কেন পান করবেন

পেঁয়াজের জুস কেন পান করবেন

পেঁয়াজের জুসের শারীরিক উপকারিতা অনেক। ছবি: সংগৃহীত

হৃদরোগজনিত বেশিরভাগ সমস্যা (যেমন: স্ট্রোক ও হাইপারটেনশন) হয় মূলত স্থূলতার কারণে। আর এই স্থূলতার ফলে হৃদরোগজনিত যে প্রদাহ সৃষ্টি হয়, তা কমাতে সাহায্য করে পেঁয়াজের জুস।

খাবার বা সালাদে পেঁয়াজের ব্যবহার দীর্ঘদিনের। খাবারের স্বাদ বাড়াতে এটি অতুলনীয়। মসলা হিসেবে নিত্য ব্যবহৃত পেঁয়াজ যে জুস করে খাওয়া যায়, তা হয়তো অনেকের অজানা।

জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট স্টাইল ক্রেজের প্রতিবেদনে বলা হয়, পেঁয়াজের জুস শুধু সুস্বাদুই নয়, এটি একই সঙ্গে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধও।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, পেঁয়াজে বিপুল পরিমাণে মিনারেল ও ভিটামিনের পাশাপাশি ফ্ল্যাভনয়েডস, পলিস্যাকারাইডস, স্টেরয়েড স্যাপোনিনস, এলিনস, এথোসিয়ানিনসসহ স্বাস্থ্যকর চিনি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকে। তাই চুল ও ত্বকের উপকারিতা ছাড়াও নানা রকম স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পেঁয়াজ কাজ করে।

পেঁয়াজের জুস পানে বেশ কিছু সুফল পাওয়ার কথা জানিয়েছে ওয়েবসাইটটি।

১. চুলের যত্নে

পেঁয়াজের জুসে প্রচুর সালফার থাকে, যা কোলাজেনের মাত্রা বাড়ায়। ইরাকের এক গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেঁয়াজের জুস নতুন চুল গজাতে সহায়তা করার পাশাপাশি অ্যালোপেসিয়া এরিয়াতা (আচমকা চুল পড়তে থাকা) রোধেও ভূমিকা রাখে।

সেই গবেষণায় আরও জানা যায়, যারা পেঁয়াজের জুস দিয়ে চুল ধুয়েছে, তাদের মাথায় নতুন চুল গজানোর মাত্রা বেশি। তা ছাড়া পেঁয়াজের জুস চুল আরও উজ্জ্বল করার পাশাপাশি মাথার তালুতে সংক্রমণ রোধে কাজ করে।

২. ওজন কমায়

পেঁয়াজ কোরেসটিন সমৃদ্ধ মসলা। এতে থাকা বিভিন্ন উপাদান লিপিড প্রোফাইল রক্ষণাবেক্ষণে সাহায্য করে। এ ছাড়া কোলেস্টেরলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে। প্রতিদিন অন্তত ১০০ মিলিলিটার করে পেঁয়াজের জুস টানা আট সপ্তাহ খেলে বাড়তি মেদ ও বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যাবে।

৩. ব্রণের সমস্যা দূর করে

ব্রণের সমস্যা দূর করতে পেঁয়াজ অত্যন্ত কার্যকর। গবেষণায় দেখা যায়, পেঁয়াজের নির্যাস আছে এমন একটি জেল কয়েকজনকে ব্যবহার করতে দেয়ার পর দেখা যায়, তাদের ব্রণ দ্রুত শুকিয়ে গেছে। এমনকি ব্রণ থেকে তৈরি দাগ মিলিয়ে গেছে। পেঁয়াজে ক্ষতিকর অণুজীব ও ফাঙ্গাসবিরোধী উপাদান থাকে, যা এসব সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

৪. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

হৃদরোগজনিত বেশিরভাগ সমস্যা (যেমন: স্ট্রোক ও হাইপারটেনশন) হয় মূলত স্থূলতার কারণে। আর এই স্থূলতার ফলে হৃদরোগজনিত যে প্রদাহ সৃষ্টি হয়, তা কমাতে সাহায্য করে পেঁয়াজের জুস। পেঁয়াজের জুস হোমোসিস্টাইনের মাত্রা কমাতেও সহায়ক, যা হৃদরোগের সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

৫. চোখের সমস্যা

গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁয়াজে বিদ্যমান অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান স্ট্রেপটোকোকাস নিউমোনিয়া প্রতিরোধ করে। চোখে ছানি পড়া ও ক্ষীণ দৃষ্টির মতো সমস্যা থেকেও রেহাই দেয় পেঁয়াজের জুস। চোখের নানা রকম সংক্রমণ রোধ করে।

৬. সর্দি-কাশি

সর্দি-কাশির মতো সাধারণ সমস্যাগুলোর জন্য সবচেয়ে কার্যকর ও ঘরোয়া নিরাময় হলো পেঁয়াজ। পেঁয়াজের রস ও মধুর মিশ্রণে তৈরি জুস শ্বাসযন্ত্রের ছোটখাটো সমস্যার থেকে সুরক্ষা দেয়। এ ছাড়া ব্রঙ্কাইটিস ও অস্বাভাবিক রক্ত জমা থেকেও বাঁচায়।

আরও পড়ুন:
ফুলদানির ফুল যেভাবে দীর্ঘসময় তরতাজা রাখবেন
দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম
ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়
আয়ু বাড়াবেন যেভাবে
কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন

শেয়ার করুন

ফোন চার্জ হতে বেশি সময় লাগছে?

ফোন চার্জ হতে বেশি সময় লাগছে?

চার্জিংয়ের গতি কমে যাওয়ার পেছনে অনেক ক্ষেত্রেই দায়ী চার্জিং কেবল। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে কেব্‌লের কার্যক্ষমতা কমে যায়। এ ছাড়া চার্জিং কেব্‌লের অগ্রভাগ ক্ষয়ে যাওয়া কিংবা মরিচা পড়তে পারে।

স্বাভাবিকের চেয়ে ফোন চার্জ হতে মাঝে বেশি সময় লাগে। কী কারণে ধীরগতিতে চার্জ হয় তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। ধীরগতিতে ফোন চার্জের কারণ ও সমাধানের কিছু উপায় দেখে নেয়া যাক।

চার্জিং কেব্‌ল যাচাই

চার্জিংয়ের গতি কমে যাওয়ার পেছনে অনেক ক্ষেত্রেই দায়ী চার্জিং কেব্‌ল। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে কেব্‌লের কার্যক্ষমতা কমে যায়। এ ছাড়া চার্জিং কেব্‌লের অগ্রভাগ ক্ষয়ে যাওয়া কিংবা মরিচা পড়তে পারে। তাই ত্রুটিপূর্ণ এমন কেব্‌লের কারণে স্মার্টফোনে চার্জে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগে। এমন হলে কেব্‌লটি পরিবর্তন করে নিন। দেখবেন ফোন আবার স্বাভাবিক গতিতে চার্জ হবে।

চার্জিং অ্যাডাপ্টর যাচাই

কিছু ক্ষেত্রে চার্জিং অ্যাডাপ্টরের সক্ষমতা কমে যায়। বর্তমান বাজার অনুযায়ী স্মার্টফোন নির্মাতারা স্মার্টফোনের সঙ্গে এক, দুই কিংবা তিন অ্যাম্পিয়ার সক্ষমতার চার্জার দেয়। সাধারণ হিসাবে, এক অ্যাম্পিয়ারের চার্জার গড়ে ৭০০-৮৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার হারে, দুই অ্যাম্পিয়ারের চার্জার গড়ে ১৫০০-১৬০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার হারে ও তিন অ্যাম্পিয়ারের চার্জার গড়ে ২৫০০-২৬০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার হারে স্মার্টফোনের ব্যাটারিকে চার্জ করে থাকে।

স্মার্টফোনে চার্জিংয়ের হার কেমন তা একটি অ্যাপ দিয়েও আপনি যাচাই করে নিতে পারবেন। ‘অ্যাম্পিয়ার’ নামের এই অ্যাপ গুগল প্লে স্টোর থেকে এই ঠিকানা ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। চার্জিং স্লো মনে হলে এই অ্যাপ দিয়ে চার্জের হার জেনে নিতে পারবেন। স্বাভাবিকের চেয়ে কম হারে চার্জ হলে চার্জারটি পরিবর্তন করে সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।

ব্যাটারি পরিবর্তন

চার্জার কিংবা কেবল ঠিক থাকলেও অনেক সময় ব্যাটারির সমস্যার কারণে চার্জ ধীরগতিতে হতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া, স্মার্টফোন গরম হয়ে যাওয়া কিংবা অস্বাভাবিক হারে চার্জের পরিমাণ বাড়া-কমার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব ক্ষেত্রে ব্যাটারি পরিবর্তন করলে সমস্যার সমাধান হয়।

চার্জিং পোর্টে সমস্যা

অনেক সময় চার্জিং পোর্টে সমস্যা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে চার্জার ঠিকভাবে সংযোগ না পাওয়ার কারণে চার্জিং প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। এ কারণে ফোন ধীরগতিতে চার্জ হলে অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টার থেকে চার্জিং পোর্ট সারিয়ে নিন।

চার্জে দেয়া অবস্থায় ফোন না ব্যবহার করা

অনেকেই চার্জে দেয়া অবস্থায় স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। এমনকি চার্জে দেয়া অবস্থায় হাই রেজুলেশনের গেইমও খেলেন। ফলে চার্জিং প্রক্রিয়া বিলম্ব হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এতে ব্যাটারিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই চার্জে দেয়া অবস্থায় স্মার্টফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

এসব পদ্ধতি মেনে চলুন, দেখবেন আপনার ফোনে চার্জ হতে আর বেশি সময় নিচ্ছে না।

আরও পড়ুন:
ফুলদানির ফুল যেভাবে দীর্ঘসময় তরতাজা রাখবেন
দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম
ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়
আয়ু বাড়াবেন যেভাবে
কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন

শেয়ার করুন

মোটর বাইকের যত্ন

মোটর বাইকের যত্ন

বাইকের এয়ার ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। একই এয়ার ফিল্টার বেশি দিন ব্যবহার করা উচিত না। একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর তা বদলে ফেলা ভালো।

শখের বসে হোক অথবা কাজের ক্ষেত্রে, মোটরবাইক যাতায়াতের অত্যন্ত জনপ্রিয় মাধ্যম। যেকোনো জায়গায় দ্রুত ও সাশ্রয়ী উপায়ে পৌঁছাতে এর জুড়ি নেই। তবে রক্ষণাবেক্ষণের দিকে খেয়াল না রাখলে দ্রুতই নষ্ট হয়ে যাবে আপনার প্রিয় বাইকটি।

কারণ মোটরবাইকের কিছু পার্টস খুবই সংবেদনশীল হয়। যা বিশেষ যত্ন না পেলে দ্রুত অকেজো হয়ে যায়। অনেকেই বুঝতে পারেন না কীভাবে বাইকের যত্ন নেবেন। ফলে মেকানিকের কাছে যেতে যেতে খরচ হয়ে যায় বাড়তি টাকা। স্টিড সাইকেলস-এর এক প্রতিবেদনে মোটরবাইক রক্ষণাবেক্ষণের কিছু সহজ ও ঘরোয়া উপায় জানা যায়। যা অনুসরণ করলে স্বাচ্ছন্দ্যে দীর্ঘদিন চালাতে পারবেন আপনার বাইক। চলুন জেনে নিই-

চেইন

বাইকের চেইন অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি পার্টস। অনেকেই চেইনের দিকে তেমন খেয়াল রাখেন না। এর অন্যতম কারণ সেটি সব সময় ঢাকা থাকে। চেইন নিয়মিত পরিষ্কার করতে হয়। কারণ এতে কাদামাটি এবং ধুলাবালি লেগে জ্যাম হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া খেয়াল রাখতে হবে, চেইন যেন বেশি ঢিলা কিংবা টাইট না থাকে। এতে অনেক সময় চেইন ছিঁড়ে যায়।

এয়ার ফিল্টার

বাইকের এয়ার ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। একই এয়ার ফিল্টার বেশি দিন ব্যবহার করা উচিত না। একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর তা বদলে ফেলা ভালো।

ব্যাটারি

ব্যাটারি বাইকের খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ। খেয়াল রাখতে হবে এটি পরিষ্কার আছে কি না। ব্যাটারিতে লিকেজ হলে দ্রুত বদলে ফেলতে হবে। নইলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আবার খুব বেশি চালানো হলে বাইকের ব্যাটারি চার্জ করার প্রয়োজন দেখা দেয়।

টায়ার

সব সময় দেখতে হবে, টায়ার কোন অবস্থায় আছে এবং এতে কতটুকু প্রেশার রয়েছে। ব্যাটারির স্টিল ব্যালেন্সিং নিয়মিত পরিষ্কার করতে হয়। গ্রিপ নেই এমন টায়ার ব্যবহার করা বিপজ্জনক।

ক্লাচ

ক্লাচের অ্যাডজাস্টমেন্ট ঠিক আছে কি না পরীক্ষা করতে হবে। ক্লাচ খুব বেশি টাইট রাখবেন না। এ ছাড়া বাইক চালানোর সময় বেশিক্ষণ ক্লাচ ধরে রাখা উচিত নয়।

ইঞ্জিন

ইঞ্জিন নিয়মিত সার্ভিসিং করাতে হবে। ইঞ্জিনের কার্বুরেটর আর ভাল্ব পরিষ্কার আছে কি না দেখতে হবে। এগুলো অপরিষ্কার রাখা বিপজ্জনক!

ইঞ্জিন অয়েল

সব সময় মানসম্পন্ন ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে। কারণ ইঞ্জিন অয়েল যত ভালো হবে, ততই ইঞ্জিনের কর্মক্ষমতা বাড়বে। ইঞ্জিনের আয়ু বাড়াতে ভালো মানের ইঞ্জিন অয়েলের বিকল্প নেই। নির্দিষ্ট সময় পার হলেই ইঞ্জিন অয়েল বদলাতে হবে।

আরও পড়ুন:
ফুলদানির ফুল যেভাবে দীর্ঘসময় তরতাজা রাখবেন
দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম
ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়
আয়ু বাড়াবেন যেভাবে
কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন

শেয়ার করুন

শীতকালে ঘর উষ্ণ রাখবেন যেভাবে

শীতকালে ঘর উষ্ণ রাখবেন যেভাবে

শীতকালে কখন ঘরের পর্দা খোলা ও বন্ধ রাখবেন এটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পর্দা শুধু সৌন্দর্যবর্ধকই নয়, ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও এর ভূমিকা আছে। দিনের বেলা যখন রোদ থাকবে, তখন ঘরের পর্দাগুলো মেলে দিন। এতে ঘরের ভেতর পর্যাপ্ত আলো ঢোকার সুযোগ পাবে।

শীতকাল চলে এসেছে। বছরের এ সময়টি অন্য সময়ের চেয়ে আলাদা। তাই দরকার হয় নানা রকম প্রস্তুতি। এই মৌসুমে ঠান্ডায় কাবু হয়ে পড়েন অনেকেই। শরীরে বাঁধে নানা রকম শীতকালীন অসুখ। বিশেষ কাজ ছাড়া তেমন কেউ বাইরে বেরোতে চান না। তাই ঘরটিও রাখতে হয় উষ্ণ।

ফ্যামিলি হ্যান্ডিম্যানের এক প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে শীতে ঘর উষ্ণ রাখার কিছু সহজ উপায়। চলুন জেনে নেয়া যাক-

ফয়েল পেপার

শীতের মৌসুমে ঘর ঠান্ডা রাখার অন্যতম মাধ্যম হলো ফয়েল পেপারের ব্যবহার। এই পেপারগুলো মূলত অ্যালুমিনিয়ামে তৈরি। আর অ্যালুমিনিয়াম খুব ভালো তাপ পরিবাহী। এ ছাড়া এটি তাপ প্রতিফলনও করে। রান্নাঘরের দেয়ালে কিছু ফয়েল পেপার সেঁটে দিন। চুলার আশপাশে হলে ভালো হয়। এতে তাপ প্রতিফলিত হয়ে ঘর উষ্ণ করে তুলবে।

পোড়ামাটির হিটার

ঘর উষ্ণ রাখার জন্য এটি অত্যন্ত সাশ্রয়ী উপায়। এটি করতে প্রথমে একটি মাটির তৈরি ফুলদানি বা এ রকম কোনো পাত্র নিন। এবার পাত্রটিকে একটি জ্বলন্ত মোমবাতির ওপর উল্টো করে বসিয়ে দিন। তবে পাত্রটির নিচের দিকে ফাঁকা রাখতে হবে যাতে মোমবাতি জ্বলার মতো পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায়। এই প্রক্রিয়ায় পাত্রটি উষ্ণ হয়ে উঠবে এবং সেই তাপে ঘর উষ্ণ থাকবে।

গরম পানির বোতল

শীতের রাতে বিছানা ঠান্ডা হয়ে যায়। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে কম্বল বা লেপের নিচে একটি গরম পানির বোতল রেখে দিন। তবে সাধারণ প্লাস্টিকের বোতল নয়। এ ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে হবে, বিশেষভাবে রাবারের তৈরি হট ব্যাগ। কেননা রাবার তাপ ধরে রাখে। কম্বল-লেপের নিচে এ ধরনের বোতল রেখে দেয়ার ফলে রাবার ও পানির তাপে বিছানা উষ্ণ হয়ে উঠবে।

বাবল র‍্যাপ

বাবল র‍্যাপ মূলত প্লাস্টিকের শিটে আটকে রাখা বাতাসের বুদবুদ। বাতাসের তাপ ধরে রাখার অসাধারণ ক্ষমতা আছে। ফলে ঘর উষ্ণ রাখতে বাবল র‍্যাপ অত্যন্ত কার্যকর। ঘরের জানালাগুলোতে বাবল র‍্যাপ ঝুলিয়ে রাখুন। এতে তাপ রোধ হবে এবং প্রাকৃতিকভাবে ঘরও উষ্ণ থাকবে।

পর্দার ব্যবহার

শীতকালে কখন ঘরের পর্দা খোলা ও বন্ধ রাখবেন এটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পর্দা শুধু সৌন্দর্যবর্ধকই নয়, ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও এর ভূমিকা আছে। দিনের বেলা যখন রোদ থাকবে, তখন ঘরের পর্দাগুলো মেলে দিন। এতে ঘরের ভেতর পর্যাপ্ত আলো ঢোকার সুযোগ পাবে। তবে সন্ধ্যার পরপরই পর্দা পুনরায় বন্ধ করে দিতে হবে। নইলে উষ্ণতা মিলিয়ে গিয়ে বাইরের ঠান্ডা এসে ঘর শীতল করে ফেলবে।

আরও পড়ুন:
ফুলদানির ফুল যেভাবে দীর্ঘসময় তরতাজা রাখবেন
দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম
ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়
আয়ু বাড়াবেন যেভাবে
কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন

শেয়ার করুন

স্মার্টফোনে ভালো ছবি তুলতে চান?

স্মার্টফোনে ভালো ছবি তুলতে চান?

রোদের আলো সরাসরি মুখে না পড়লে ছবি কালো আসে। তাই রোদে একটি সাদা কাগজ ধরুন। তারপর ছবি তুলুন। ছবি উজ্জ্বল আসবে।

ফোন ক্যামেরা দিয়ে এখন অনেকেই প্রফেশনাল ছবিও তুলছেন। তবে এমন প্রফেশনাল ছবিতে প্রয়োজন হয় দক্ষতা আর অভিজ্ঞতার। তবে আপনি যদি প্রফেশনালের বাইরেও ভালো মানের ছবি তুলতে চান তবে কিছু কৌশল মানতে হয়। ভুল এড়াতে কৌশলগুলো জেনে নেয়া যাক।

ভার্টিকাল প্যানোরামা

প্যানোরামা বলতে বোঝায় ওয়াইড অ্যাঙ্গেলের ছবি। এই ফিচার ব্যবহারে আশপাশের অনেকখানি দৃশ্য এক ফ্রেমে নেয়া যায়। তবে অনেকেই জানেন না, লম্বালম্বিও প্যানোরামা ছবি তোলা যায়। এ জন্য ক্যামেরা চালু করে ‘Option’ এ ক্লিক করলেই ‘panorama’ ফিচারটি পেয়ে যাবেন। এতে ক্লিক করলে দুটি অ্যারো চিহ্ন দেখা যাবে। এরপর ক্যামেরা বাটন চাপতে হবে। সবশেষে ফোনটি সোজাভাবে (হরাইজেন্টালি) ধরে অ্যারো বরাবর ঘোরাতে হবে। ব্যস, এতেই তোলা যাবে ভার্টিকাল প্যানোরামা। উঁচু কোনো স্থাপনার সামনে ছবি তুলতে কাজে দেবে ফিচারটি।

অ্যাকশন শট

ঢেউ সৈকতে আছড়ে পড়ছে- এমন ছবি তুলতে শুধু ক্যামেরা বাটনটি চেপে ধরে থাকুন। এতে সেকেন্ডে কয়েকটি ছবি উঠবে। এবার গ্যালারিতে গেলেই দেখতে পাবেন পারফেক্ট ঢেউ আছড়ে পড়ার ছবি।

সোজা হরাইজন

ল্যান্ডস্কেপ ছবি তুলতে গেলে অনেকেই বাঁকা ছবি তোলেন। এতে ছবি খারাপ আসে। সোজাভাবে ছবি তুলতে চাইলে যেতে হবে ‘Settings’ এ। স্ক্রল করে ‘App Settings’ সেকশন থেকে ‘System Apps’ এ যেতে হবে। এতে ক্লিক করে যেতে হবে ‘Camera’-তে। নতুন একটি পেইজ চালু হলে স্ক্রল করে ‘Show Gridlines’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এতে ছবি তোলার আগে চার স্তরে লাইন দেখা যাবে। লাইন মিলিয়ে ক্লিক করলে সোজা ছবি তোলা যাবে।

সেলফি

সেলফি তোলার সময় স্মার্টফোন ধরার ক্ষেত্রে কৌশলী হলে ভালো ছবি আসে। এ জন্য ভলিউম বাটনও কাজে লাগানো সম্ভব। ক্যামেরা চালু করে ভলিউম বাটনটি প্রেস করলেই সেলফি তোলা যাবে। তবে সাবধান, এতে ছবি ব্লার হবার আশঙ্কা বেশি থাকে। ব্লার ছবি এড়াতে ফোনের সঙ্গে কানেক্ট করুন হেডফোন। এরপর হেডফোনের বাটন প্রেস করলেই মিলবে পারফেক্ট সেলফি।

মনে রাখুন এই টিপসগুলো

. সমুদ্র বা নদীর পানিতে নেমে ছবি তুললে ক্যামেরা ভিজবেই। তাই একটি কাঁচের গ্লাসে ফোনটি রেখে ছবি তুলুন।

. রোদের আলো সরাসরি মুখে না পড়লে ছবি কালো আসে। তাই রোদে একটি সাদা কাগজ ধরুন। তারপর ছবি তুলুন। ছবি উজ্জ্বল আসবে।

. স্মার্টফোন দিয়ে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি সম্ভব নয়। তবে ডিটেলসের ছবি তোলা অসম্ভব কিছু নয়। আঙুলে করে এক ফোঁটা পানি ক্যামেরাতে দিন। এতে সব কিছুর ছবিই ম্যাক্রো আকারে উঠবে।

. ফিল্টার ছবি চাইলে সানগ্লাস সামনে রেখে ছবি তুলুন। ছবিতে ভিন্ন রং চলে আসবে।

. প্যানোরামা ছবিতে নিজেকে কয়েকবার করে দেখতে ক্যামেরার সামনে ঘুরে ঘুরে তিনবার পোজ দিন। এক ছবিতে তিনবার নিজেকে দেখতে পাবেন।

এসব কৌশল কাজে লাগান, দেখবেন আপনার তোলা ছবি অন্যদের চেয়ে কয়েক গুণ মানসম্মত ও প্রাণবন্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ফুলদানির ফুল যেভাবে দীর্ঘসময় তরতাজা রাখবেন
দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম
ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়
আয়ু বাড়াবেন যেভাবে
কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন

শেয়ার করুন

ঘুমের আগে যা খাবেন না

ঘুমের আগে যা খাবেন না

মিষ্টিজাতীয় খাবার অ্যানার্জি লেভেল বাড়িয়ে দেয়। ফলে চেষ্টা করলেও ঘুম আসে না। তাই ঘুমের আগে যেকোনো মিষ্টিজাতীয় খাবার পরিহার করা ভালো।

সারা দিনের ক্লান্তি শেষে শরীরটাকে পরের দিনের জন্য প্রস্তুত এবং কর্মক্ষম রাখার একমাত্র উপায় হলো রাতে পর্যাপ্ত ঘুম। একজন মানুষের সুস্থ থাকার জন্য অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। তা না হলে কাজ এবং স্বাস্থ্য উভয় ক্ষেত্রেই খারাপ প্রভাব পড়ে।

অনেকেই রাতে ঘুমের সমস্যায় ভোগেন। ঠিকমতো ঘুম না হওয়ায় ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বেনেনডেন হেলথের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এ সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন। ঘুমের আগে কিছু না খাওয়াই ভালো। তা ছাড়া এমন কিছু খাবার আছে যা ঘুমের আগে খাওয়া একেবারেই নিষেধ। চলুন জেনে নেই, সেগুলা কী কী।

চকলেট

ঘুমানোর আগে চকলেট খাবেন না। বিশেষ করে ডার্ক চকলেট। কারণ এসব চকলেটে প্রচুর পরিমাণে ক্যাফেইন আর অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা মস্তিষ্কের নিওরনগুলোকে উত্তেজিত রাখে। ফলে ঘুমের সমস্যা হয়।

কফি

কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলেও ঘুমানোর কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই খাওয়া বন্ধ করে দিন। কফি সব সময় স্নায়ু উদ্দীপিত করে রাখে। যার প্রভাব থাকে প্রায় ৮ থেকে ১৪ ঘণ্টা। এ ছাড়া এটি ‘র‌্যাপিড আই মুভমেন্ট’ এর কারণ। ফলে শরীর ক্লান্ত থাকলেও ঘুম আসবে না।

পনির

পনির যদিও হালকা খাবার হিসেবে পরিচিত, কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ঘুমাতে যাওয়ার আগে খাওয়ার জন্য সবচেয়ে নেতিবাচক খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম। কারণ এতে প্রচুর অ্যামিনো অ্যাসিড আর টিরামিন থাকে, যা ঘুমের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

মিষ্টিজাতীয় খাবার

মিষ্টিজাতীয় খাবার অ্যানার্জি লেভেল বাড়িয়ে দেয়। ফলে চেষ্টা করলেও ঘুম আসে না। তাই ঘুমের আগে যেকোনো মিষ্টিজাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো।

অ্যালকোহল

অনেকে মনে করেন অ্যালকোহল ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক। এটি ভুল ধারণা। অ্যালকোহল ঘুমে ব্যাঘাতের পাশাপাশি মাথাব্যথাও সৃষ্টি করে। এ ছাড়া অতিরিক্ত অ্যালকোহল লিভার নষ্ট করে ফেলে। তাই অ্যালকোহল এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

আইসক্রিম

আইসক্রিমে চিনি এবং ফ্যাট থাকে। ফ্যাট শরীরে অস্বস্তিভাব নিয়ে আসে। আর চিনি খেলে মস্তিষ্ক উত্তেজিত থাকে। দুটিই ঘুম তাড়াতে যথেষ্ট।

ঝাল

ঘুমের আগে অতিরিক্ত ঝাল কিছু খাবেন না। ঝাল দেয়া তরকারি, সস বা সরিষার তেল দিয়ে বানানো খাবার ঘুমানোর বেশ আগেই খেয়ে নিন। কারণ এসবে ক্যাপ্সাইসিন নামক এক ধরনের কেমিক্যাল থাকে, যা শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং ঘুমে সমস্যা তৈরি করে।

আরও পড়ুন:
ফুলদানির ফুল যেভাবে দীর্ঘসময় তরতাজা রাখবেন
দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম
ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়
আয়ু বাড়াবেন যেভাবে
কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন

শেয়ার করুন

কানের ব্যথায় যা করবেন

কানের ব্যথায় যা করবেন

ভিনিগারে এক ধরনের অ্যাসিড থাকে, যা কানের সংক্রমণ কমাতে কাজ করে। একটি পাত্রে সমপরিমাণ ভিনিগার ও রাবিং অ্যালকোহল নিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। সংক্রমিত কানে কয়েক ফোঁটা দিন।

বেশির ভাগ সময় কানে ব্যথার উৎপত্তি হয় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে। এ ছাড়া সর্দি-কাশি, জ্বর, গোসলের সময় পানি ঢুকে যাওয়া ইত্যাদির মতো নানা কারণে কানব্যথা হতে পারে। পরিস্থিতি খুব খারাপ হলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। তবে ব্যথার পরিমাণ কম হলে ঘরেই প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়া যেতে পারে।

ওয়েব এমডি ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে কানব্যথা নির্মূলের কিছু ঘরোয়া উপায় তুলে ধরা হয়েছে। চলুন জেনে নেই-

গরম অথবা ঠাণ্ডা সেঁক

কানে অনেক সময় পানি ঢুকে যায়, এমনকি পুঁজও হয়ে থাকে। ফলে যন্ত্রণা হয়। এ অবস্থায় করণীয় হলো, পুঁজ অথবা পানিটা বের করে নেয়া। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর উপায় গরম সেঁক। একটি নরম ও পরিষ্কার কাপড় প্রথমে গরম পানিতে ভিজিয়ে নিন। পানিটা নিংড়ে ফেলে ব্যথা হওয়া কানটির ওপর চেপে ধরে রাখুন। কিছুক্ষণ ধরে রেখে অন্যদিকে কাত হয়ে পুঁজ অথবা পানিটি বের করে নিন। এতে ব্যথা কমে যাবে। অনেকের ক্ষেত্রে অবশ্য ঠান্ডা পানিতেও কাজ হয়।

ভিনিগার

ভিনিগারে এক ধরনের অ্যাসিড থাকে, যা কানের সংক্রমণ কমাতে কাজ করে। একটি পাত্রে সমপরিমাণ ভিনিগার ও রাবিং অ্যালকোহল নিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। সংক্রমিত কানে কয়েক ফোঁটা দিন।

খোঁচাখুঁচি করবেন না

কানে ব্যথা হতে না হতেই অনেকের কটনবাড অথবা দেশলাই কাঠি দিয়ে খোঁচানোর প্রবণতা থাকে। এতে সংক্রমণের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়। ব্যথা অবস্থায় কোনোভাবেই কানে কোনো কিছু প্রবেশ করাবেন না।

চুইংগাম
অনেকের বিমানে উঠলে কানে ব্যথা হয়। এটি মূলত বাতাসের চাপের কারণে ঘটে থাকে। এ অবস্থায় চুইংগাম খেতে পারেন। এটি কানের মধ্যে বাতাসের চাপ কমাবে। ফলে ব্যথা হবে না।

সতর্কতা

ব্যথা হলে কান শুকনা রাখতে চেষ্টা করুন। গোসলের সময় যেন কোনোভাবেই কানের ভেতর পানি ঢুকতে না পারে। মাথা ভেজানোর আগে পেট্রোলিয়াম জেলি মাখানো তুলা গুঁজে নিতে পারেন। এ ছাড়া তুলে ধরা উপায়গুলো কান ব্যথায় সাময়িক আরাম দেবে। পুরোপুরি ব্যথামুক্ত হতে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

আরও পড়ুন:
ফুলদানির ফুল যেভাবে দীর্ঘসময় তরতাজা রাখবেন
দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম
ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়
আয়ু বাড়াবেন যেভাবে
কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন

শেয়ার করুন