ফুলদানির ফুল যেভাবে দীর্ঘসময় তরতাজা রাখবেন

ফুলদানির ফুল যেভাবে দীর্ঘসময় তরতাজা রাখবেন

ফুলদানিতে রাখা পানির মধ্যে অল্প পরিমাণ লবণ দিন। এ ছাড়া এক দিন পরপর ফুলাদনির পানি বদলে দিন। ফ্রেশ পানি পেলে ফুল বেশি দিন তরতাজা থাকবে।

ফুলদানিতে রাখা ফুল খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। সর্বোচ্চ এক থেকে দুদিন। তবে কিছু নিয়ম মানলে আরও বেশি সময় ফুল তাজা রাখা সম্ভব। চলুন নিয়মগুলো জেনে নিই।

ফুলদানিতে গোলাপ ফুল রাখার আগে কখনও ফুলের কাণ্ড ছোট করে কাটবেন না। তবে নরম কাণ্ডের ফুল হলে সেগুলোকে ছোট করে কাটা যাবে। খেয়াল রাখুন পুরো কাণ্ডটি যেন পানিতে ডুবে না থাকে।

ফুলে মাঝেমধ্যেই একটু পানি স্প্রে করে নিন। এতে ফুলগুলো অধিক সময় ফ্রেশ থাকবে।

অনেক ফুলের সঙ্গে পাতা থাকে। ফুলদানিতে রাখার আগে অবশ্যই সেগুলো বাদ দিয়ে রাখতে হবে।

ফুলদানিতে রাখা পানির মধ্যে অল্প পরিমাণ লবণ দিন। এ ছাড়া এক দিন পরপর ফুলদানির পানি বদলে দিন। ফ্রেশ পানি পেলে ফুল বেশি দিন তরতাজা থাকবে।

সূর্যের আলো পৌঁছায় এমন জায়গায় ফুলদানি রাখার চেষ্টা করুন। এতে অন্তত এক সপ্তাহ ফুল ফ্রেশ থাকবে।

যা করবেন না—

ফুলদানির পানিতে কোনো ধরনের কেমিক্যাল দেবেন না। দোকান থেকে ফুল কেনার আগে দেখে কিনুন। অর্ধেক ফুটেছে, এমন ফুল কিনুন। পুরোপুরি ফোটা ফুলদানিতে রাখলে এমনিতেই অল্প সময়ে নষ্ট হয়ে যায়।

আরও পড়ুন:
দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম
ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়
আয়ু বাড়াবেন যেভাবে
কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন
ব্লাড প্রেশার কমে গেলে যা করবেন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মোটর বাইকের যত্ন

মোটর বাইকের যত্ন

বাইকের এয়ার ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। একই এয়ার ফিল্টার বেশি দিন ব্যবহার করা উচিত না। একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর তা বদলে ফেলা ভালো।

শখের বসে হোক অথবা কাজের ক্ষেত্রে, মোটরবাইক যাতায়াতের অত্যন্ত জনপ্রিয় মাধ্যম। যেকোনো জায়গায় দ্রুত ও সাশ্রয়ী উপায়ে পৌঁছাতে এর জুড়ি নেই। তবে রক্ষণাবেক্ষণের দিকে খেয়াল না রাখলে দ্রুতই নষ্ট হয়ে যাবে আপনার প্রিয় বাইকটি।

কারণ মোটরবাইকের কিছু পার্টস খুবই সংবেদনশীল হয়। যা বিশেষ যত্ন না পেলে দ্রুত অকেজো হয়ে যায়। অনেকেই বুঝতে পারেন না কীভাবে বাইকের যত্ন নেবেন। ফলে মেকানিকের কাছে যেতে যেতে খরচ হয়ে যায় বাড়তি টাকা। স্টিড সাইকেলস-এর এক প্রতিবেদনে মোটরবাইক রক্ষণাবেক্ষণের কিছু সহজ ও ঘরোয়া উপায় জানা যায়। যা অনুসরণ করলে স্বাচ্ছন্দ্যে দীর্ঘদিন চালাতে পারবেন আপনার বাইক। চলুন জেনে নিই-

চেইন

বাইকের চেইন অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি পার্টস। অনেকেই চেইনের দিকে তেমন খেয়াল রাখেন না। এর অন্যতম কারণ সেটি সব সময় ঢাকা থাকে। চেইন নিয়মিত পরিষ্কার করতে হয়। কারণ এতে কাদামাটি এবং ধুলাবালি লেগে জ্যাম হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া খেয়াল রাখতে হবে, চেইন যেন বেশি ঢিলা কিংবা টাইট না থাকে। এতে অনেক সময় চেইন ছিঁড়ে যায়।

এয়ার ফিল্টার

বাইকের এয়ার ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। একই এয়ার ফিল্টার বেশি দিন ব্যবহার করা উচিত না। একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর তা বদলে ফেলা ভালো।

ব্যাটারি

ব্যাটারি বাইকের খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ। খেয়াল রাখতে হবে এটি পরিষ্কার আছে কি না। ব্যাটারিতে লিকেজ হলে দ্রুত বদলে ফেলতে হবে। নইলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আবার খুব বেশি চালানো হলে বাইকের ব্যাটারি চার্জ করার প্রয়োজন দেখা দেয়।

টায়ার

সব সময় দেখতে হবে, টায়ার কোন অবস্থায় আছে এবং এতে কতটুকু প্রেশার রয়েছে। ব্যাটারির স্টিল ব্যালেন্সিং নিয়মিত পরিষ্কার করতে হয়। গ্রিপ নেই এমন টায়ার ব্যবহার করা বিপজ্জনক।

ক্লাচ

ক্লাচের অ্যাডজাস্টমেন্ট ঠিক আছে কি না পরীক্ষা করতে হবে। ক্লাচ খুব বেশি টাইট রাখবেন না। এ ছাড়া বাইক চালানোর সময় বেশিক্ষণ ক্লাচ ধরে রাখা উচিত নয়।

ইঞ্জিন

ইঞ্জিন নিয়মিত সার্ভিসিং করাতে হবে। ইঞ্জিনের কার্বুরেটর আর ভাল্ব পরিষ্কার আছে কি না দেখতে হবে। এগুলো অপরিষ্কার রাখা বিপজ্জনক!

ইঞ্জিন অয়েল

সব সময় মানসম্পন্ন ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে। কারণ ইঞ্জিন অয়েল যত ভালো হবে, ততই ইঞ্জিনের কর্মক্ষমতা বাড়বে। ইঞ্জিনের আয়ু বাড়াতে ভালো মানের ইঞ্জিন অয়েলের বিকল্প নেই। নির্দিষ্ট সময় পার হলেই ইঞ্জিন অয়েল বদলাতে হবে।

আরও পড়ুন:
দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম
ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়
আয়ু বাড়াবেন যেভাবে
কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন
ব্লাড প্রেশার কমে গেলে যা করবেন

শেয়ার করুন

শীতকালে ঘর উষ্ণ রাখবেন যেভাবে

শীতকালে ঘর উষ্ণ রাখবেন যেভাবে

শীতকালে কখন ঘরের পর্দা খোলা ও বন্ধ রাখবেন এটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পর্দা শুধু সৌন্দর্যবর্ধকই নয়, ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও এর ভূমিকা আছে। দিনের বেলা যখন রোদ থাকবে, তখন ঘরের পর্দাগুলো মেলে দিন। এতে ঘরের ভেতর পর্যাপ্ত আলো ঢোকার সুযোগ পাবে।

শীতকাল চলে এসেছে। বছরের এ সময়টি অন্য সময়ের চেয়ে আলাদা। তাই দরকার হয় নানা রকম প্রস্তুতি। এই মৌসুমে ঠান্ডায় কাবু হয়ে পড়েন অনেকেই। শরীরে বাঁধে নানা রকম শীতকালীন অসুখ। বিশেষ কাজ ছাড়া তেমন কেউ বাইরে বেরোতে চান না। তাই ঘরটিও রাখতে হয় উষ্ণ।

ফ্যামিলি হ্যান্ডিম্যানের এক প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে শীতে ঘর উষ্ণ রাখার কিছু সহজ উপায়। চলুন জেনে নেয়া যাক-

ফয়েল পেপার

শীতের মৌসুমে ঘর ঠান্ডা রাখার অন্যতম মাধ্যম হলো ফয়েল পেপারের ব্যবহার। এই পেপারগুলো মূলত অ্যালুমিনিয়ামে তৈরি। আর অ্যালুমিনিয়াম খুব ভালো তাপ পরিবাহী। এ ছাড়া এটি তাপ প্রতিফলনও করে। রান্নাঘরের দেয়ালে কিছু ফয়েল পেপার সেঁটে দিন। চুলার আশপাশে হলে ভালো হয়। এতে তাপ প্রতিফলিত হয়ে ঘর উষ্ণ করে তুলবে।

পোড়ামাটির হিটার

ঘর উষ্ণ রাখার জন্য এটি অত্যন্ত সাশ্রয়ী উপায়। এটি করতে প্রথমে একটি মাটির তৈরি ফুলদানি বা এ রকম কোনো পাত্র নিন। এবার পাত্রটিকে একটি জ্বলন্ত মোমবাতির ওপর উল্টো করে বসিয়ে দিন। তবে পাত্রটির নিচের দিকে ফাঁকা রাখতে হবে যাতে মোমবাতি জ্বলার মতো পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায়। এই প্রক্রিয়ায় পাত্রটি উষ্ণ হয়ে উঠবে এবং সেই তাপে ঘর উষ্ণ থাকবে।

গরম পানির বোতল

শীতের রাতে বিছানা ঠান্ডা হয়ে যায়। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে কম্বল বা লেপের নিচে একটি গরম পানির বোতল রেখে দিন। তবে সাধারণ প্লাস্টিকের বোতল নয়। এ ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে হবে, বিশেষভাবে রাবারের তৈরি হট ব্যাগ। কেননা রাবার তাপ ধরে রাখে। কম্বল-লেপের নিচে এ ধরনের বোতল রেখে দেয়ার ফলে রাবার ও পানির তাপে বিছানা উষ্ণ হয়ে উঠবে।

বাবল র‍্যাপ

বাবল র‍্যাপ মূলত প্লাস্টিকের শিটে আটকে রাখা বাতাসের বুদবুদ। বাতাসের তাপ ধরে রাখার অসাধারণ ক্ষমতা আছে। ফলে ঘর উষ্ণ রাখতে বাবল র‍্যাপ অত্যন্ত কার্যকর। ঘরের জানালাগুলোতে বাবল র‍্যাপ ঝুলিয়ে রাখুন। এতে তাপ রোধ হবে এবং প্রাকৃতিকভাবে ঘরও উষ্ণ থাকবে।

পর্দার ব্যবহার

শীতকালে কখন ঘরের পর্দা খোলা ও বন্ধ রাখবেন এটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পর্দা শুধু সৌন্দর্যবর্ধকই নয়, ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও এর ভূমিকা আছে। দিনের বেলা যখন রোদ থাকবে, তখন ঘরের পর্দাগুলো মেলে দিন। এতে ঘরের ভেতর পর্যাপ্ত আলো ঢোকার সুযোগ পাবে। তবে সন্ধ্যার পরপরই পর্দা পুনরায় বন্ধ করে দিতে হবে। নইলে উষ্ণতা মিলিয়ে গিয়ে বাইরের ঠান্ডা এসে ঘর শীতল করে ফেলবে।

আরও পড়ুন:
দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম
ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়
আয়ু বাড়াবেন যেভাবে
কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন
ব্লাড প্রেশার কমে গেলে যা করবেন

শেয়ার করুন

স্মার্টফোনে ভালো ছবি তুলতে চান?

স্মার্টফোনে ভালো ছবি তুলতে চান?

রোদের আলো সরাসরি মুখে না পড়লে ছবি কালো আসে। তাই রোদে একটি সাদা কাগজ ধরুন। তারপর ছবি তুলুন। ছবি উজ্জ্বল আসবে।

ফোন ক্যামেরা দিয়ে এখন অনেকেই প্রফেশনাল ছবিও তুলছেন। তবে এমন প্রফেশনাল ছবিতে প্রয়োজন হয় দক্ষতা আর অভিজ্ঞতার। তবে আপনি যদি প্রফেশনালের বাইরেও ভালো মানের ছবি তুলতে চান তবে কিছু কৌশল মানতে হয়। ভুল এড়াতে কৌশলগুলো জেনে নেয়া যাক।

ভার্টিকাল প্যানোরামা

প্যানোরামা বলতে বোঝায় ওয়াইড অ্যাঙ্গেলের ছবি। এই ফিচার ব্যবহারে আশপাশের অনেকখানি দৃশ্য এক ফ্রেমে নেয়া যায়। তবে অনেকেই জানেন না, লম্বালম্বিও প্যানোরামা ছবি তোলা যায়। এ জন্য ক্যামেরা চালু করে ‘Option’ এ ক্লিক করলেই ‘panorama’ ফিচারটি পেয়ে যাবেন। এতে ক্লিক করলে দুটি অ্যারো চিহ্ন দেখা যাবে। এরপর ক্যামেরা বাটন চাপতে হবে। সবশেষে ফোনটি সোজাভাবে (হরাইজেন্টালি) ধরে অ্যারো বরাবর ঘোরাতে হবে। ব্যস, এতেই তোলা যাবে ভার্টিকাল প্যানোরামা। উঁচু কোনো স্থাপনার সামনে ছবি তুলতে কাজে দেবে ফিচারটি।

অ্যাকশন শট

ঢেউ সৈকতে আছড়ে পড়ছে- এমন ছবি তুলতে শুধু ক্যামেরা বাটনটি চেপে ধরে থাকুন। এতে সেকেন্ডে কয়েকটি ছবি উঠবে। এবার গ্যালারিতে গেলেই দেখতে পাবেন পারফেক্ট ঢেউ আছড়ে পড়ার ছবি।

সোজা হরাইজন

ল্যান্ডস্কেপ ছবি তুলতে গেলে অনেকেই বাঁকা ছবি তোলেন। এতে ছবি খারাপ আসে। সোজাভাবে ছবি তুলতে চাইলে যেতে হবে ‘Settings’ এ। স্ক্রল করে ‘App Settings’ সেকশন থেকে ‘System Apps’ এ যেতে হবে। এতে ক্লিক করে যেতে হবে ‘Camera’-তে। নতুন একটি পেইজ চালু হলে স্ক্রল করে ‘Show Gridlines’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এতে ছবি তোলার আগে চার স্তরে লাইন দেখা যাবে। লাইন মিলিয়ে ক্লিক করলে সোজা ছবি তোলা যাবে।

সেলফি

সেলফি তোলার সময় স্মার্টফোন ধরার ক্ষেত্রে কৌশলী হলে ভালো ছবি আসে। এ জন্য ভলিউম বাটনও কাজে লাগানো সম্ভব। ক্যামেরা চালু করে ভলিউম বাটনটি প্রেস করলেই সেলফি তোলা যাবে। তবে সাবধান, এতে ছবি ব্লার হবার আশঙ্কা বেশি থাকে। ব্লার ছবি এড়াতে ফোনের সঙ্গে কানেক্ট করুন হেডফোন। এরপর হেডফোনের বাটন প্রেস করলেই মিলবে পারফেক্ট সেলফি।

মনে রাখুন এই টিপসগুলো

. সমুদ্র বা নদীর পানিতে নেমে ছবি তুললে ক্যামেরা ভিজবেই। তাই একটি কাঁচের গ্লাসে ফোনটি রেখে ছবি তুলুন।

. রোদের আলো সরাসরি মুখে না পড়লে ছবি কালো আসে। তাই রোদে একটি সাদা কাগজ ধরুন। তারপর ছবি তুলুন। ছবি উজ্জ্বল আসবে।

. স্মার্টফোন দিয়ে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি সম্ভব নয়। তবে ডিটেলসের ছবি তোলা অসম্ভব কিছু নয়। আঙুলে করে এক ফোঁটা পানি ক্যামেরাতে দিন। এতে সব কিছুর ছবিই ম্যাক্রো আকারে উঠবে।

. ফিল্টার ছবি চাইলে সানগ্লাস সামনে রেখে ছবি তুলুন। ছবিতে ভিন্ন রং চলে আসবে।

. প্যানোরামা ছবিতে নিজেকে কয়েকবার করে দেখতে ক্যামেরার সামনে ঘুরে ঘুরে তিনবার পোজ দিন। এক ছবিতে তিনবার নিজেকে দেখতে পাবেন।

এসব কৌশল কাজে লাগান, দেখবেন আপনার তোলা ছবি অন্যদের চেয়ে কয়েক গুণ মানসম্মত ও প্রাণবন্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম
ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়
আয়ু বাড়াবেন যেভাবে
কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন
ব্লাড প্রেশার কমে গেলে যা করবেন

শেয়ার করুন

ঘুমের আগে যা খাবেন না

ঘুমের আগে যা খাবেন না

মিষ্টিজাতীয় খাবার অ্যানার্জি লেভেল বাড়িয়ে দেয়। ফলে চেষ্টা করলেও ঘুম আসে না। তাই ঘুমের আগে যেকোনো মিষ্টিজাতীয় খাবার পরিহার করা ভালো।

সারা দিনের ক্লান্তি শেষে শরীরটাকে পরের দিনের জন্য প্রস্তুত এবং কর্মক্ষম রাখার একমাত্র উপায় হলো রাতে পর্যাপ্ত ঘুম। একজন মানুষের সুস্থ থাকার জন্য অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। তা না হলে কাজ এবং স্বাস্থ্য উভয় ক্ষেত্রেই খারাপ প্রভাব পড়ে।

অনেকেই রাতে ঘুমের সমস্যায় ভোগেন। ঠিকমতো ঘুম না হওয়ায় ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বেনেনডেন হেলথের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এ সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন। ঘুমের আগে কিছু না খাওয়াই ভালো। তা ছাড়া এমন কিছু খাবার আছে যা ঘুমের আগে খাওয়া একেবারেই নিষেধ। চলুন জেনে নেই, সেগুলা কী কী।

চকলেট

ঘুমানোর আগে চকলেট খাবেন না। বিশেষ করে ডার্ক চকলেট। কারণ এসব চকলেটে প্রচুর পরিমাণে ক্যাফেইন আর অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা মস্তিষ্কের নিওরনগুলোকে উত্তেজিত রাখে। ফলে ঘুমের সমস্যা হয়।

কফি

কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলেও ঘুমানোর কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই খাওয়া বন্ধ করে দিন। কফি সব সময় স্নায়ু উদ্দীপিত করে রাখে। যার প্রভাব থাকে প্রায় ৮ থেকে ১৪ ঘণ্টা। এ ছাড়া এটি ‘র‌্যাপিড আই মুভমেন্ট’ এর কারণ। ফলে শরীর ক্লান্ত থাকলেও ঘুম আসবে না।

পনির

পনির যদিও হালকা খাবার হিসেবে পরিচিত, কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ঘুমাতে যাওয়ার আগে খাওয়ার জন্য সবচেয়ে নেতিবাচক খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম। কারণ এতে প্রচুর অ্যামিনো অ্যাসিড আর টিরামিন থাকে, যা ঘুমের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

মিষ্টিজাতীয় খাবার

মিষ্টিজাতীয় খাবার অ্যানার্জি লেভেল বাড়িয়ে দেয়। ফলে চেষ্টা করলেও ঘুম আসে না। তাই ঘুমের আগে যেকোনো মিষ্টিজাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো।

অ্যালকোহল

অনেকে মনে করেন অ্যালকোহল ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক। এটি ভুল ধারণা। অ্যালকোহল ঘুমে ব্যাঘাতের পাশাপাশি মাথাব্যথাও সৃষ্টি করে। এ ছাড়া অতিরিক্ত অ্যালকোহল লিভার নষ্ট করে ফেলে। তাই অ্যালকোহল এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

আইসক্রিম

আইসক্রিমে চিনি এবং ফ্যাট থাকে। ফ্যাট শরীরে অস্বস্তিভাব নিয়ে আসে। আর চিনি খেলে মস্তিষ্ক উত্তেজিত থাকে। দুটিই ঘুম তাড়াতে যথেষ্ট।

ঝাল

ঘুমের আগে অতিরিক্ত ঝাল কিছু খাবেন না। ঝাল দেয়া তরকারি, সস বা সরিষার তেল দিয়ে বানানো খাবার ঘুমানোর বেশ আগেই খেয়ে নিন। কারণ এসবে ক্যাপ্সাইসিন নামক এক ধরনের কেমিক্যাল থাকে, যা শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং ঘুমে সমস্যা তৈরি করে।

আরও পড়ুন:
দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম
ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়
আয়ু বাড়াবেন যেভাবে
কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন
ব্লাড প্রেশার কমে গেলে যা করবেন

শেয়ার করুন

কানের ব্যথায় যা করবেন

কানের ব্যথায় যা করবেন

ভিনিগারে এক ধরনের অ্যাসিড থাকে, যা কানের সংক্রমণ কমাতে কাজ করে। একটি পাত্রে সমপরিমাণ ভিনিগার ও রাবিং অ্যালকোহল নিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। সংক্রমিত কানে কয়েক ফোঁটা দিন।

বেশির ভাগ সময় কানে ব্যথার উৎপত্তি হয় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে। এ ছাড়া সর্দি-কাশি, জ্বর, গোসলের সময় পানি ঢুকে যাওয়া ইত্যাদির মতো নানা কারণে কানব্যথা হতে পারে। পরিস্থিতি খুব খারাপ হলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। তবে ব্যথার পরিমাণ কম হলে ঘরেই প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়া যেতে পারে।

ওয়েব এমডি ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে কানব্যথা নির্মূলের কিছু ঘরোয়া উপায় তুলে ধরা হয়েছে। চলুন জেনে নেই-

গরম অথবা ঠাণ্ডা সেঁক

কানে অনেক সময় পানি ঢুকে যায়, এমনকি পুঁজও হয়ে থাকে। ফলে যন্ত্রণা হয়। এ অবস্থায় করণীয় হলো, পুঁজ অথবা পানিটা বের করে নেয়া। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর উপায় গরম সেঁক। একটি নরম ও পরিষ্কার কাপড় প্রথমে গরম পানিতে ভিজিয়ে নিন। পানিটা নিংড়ে ফেলে ব্যথা হওয়া কানটির ওপর চেপে ধরে রাখুন। কিছুক্ষণ ধরে রেখে অন্যদিকে কাত হয়ে পুঁজ অথবা পানিটি বের করে নিন। এতে ব্যথা কমে যাবে। অনেকের ক্ষেত্রে অবশ্য ঠান্ডা পানিতেও কাজ হয়।

ভিনিগার

ভিনিগারে এক ধরনের অ্যাসিড থাকে, যা কানের সংক্রমণ কমাতে কাজ করে। একটি পাত্রে সমপরিমাণ ভিনিগার ও রাবিং অ্যালকোহল নিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। সংক্রমিত কানে কয়েক ফোঁটা দিন।

খোঁচাখুঁচি করবেন না

কানে ব্যথা হতে না হতেই অনেকের কটনবাড অথবা দেশলাই কাঠি দিয়ে খোঁচানোর প্রবণতা থাকে। এতে সংক্রমণের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়। ব্যথা অবস্থায় কোনোভাবেই কানে কোনো কিছু প্রবেশ করাবেন না।

চুইংগাম
অনেকের বিমানে উঠলে কানে ব্যথা হয়। এটি মূলত বাতাসের চাপের কারণে ঘটে থাকে। এ অবস্থায় চুইংগাম খেতে পারেন। এটি কানের মধ্যে বাতাসের চাপ কমাবে। ফলে ব্যথা হবে না।

সতর্কতা

ব্যথা হলে কান শুকনা রাখতে চেষ্টা করুন। গোসলের সময় যেন কোনোভাবেই কানের ভেতর পানি ঢুকতে না পারে। মাথা ভেজানোর আগে পেট্রোলিয়াম জেলি মাখানো তুলা গুঁজে নিতে পারেন। এ ছাড়া তুলে ধরা উপায়গুলো কান ব্যথায় সাময়িক আরাম দেবে। পুরোপুরি ব্যথামুক্ত হতে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

আরও পড়ুন:
দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম
ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়
আয়ু বাড়াবেন যেভাবে
কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন
ব্লাড প্রেশার কমে গেলে যা করবেন

শেয়ার করুন

সুগন্ধি ব্যবহারের নিয়ম

সুগন্ধি ব্যবহারের নিয়ম

সুগন্ধির ঘ্রাণ হালকা ও চড়া উভয়ই হয়। সময় অনুযায়ী দিনের বেলা চড়া এবং রাতের বেলা হালকা সুগন্ধি ব্যবহার করা ভালো। এতে ঘ্রাণে পরিমিতি থাকে।

শরীরের দুর্গন্ধ দূর করা থেকে মন-মেজাজ ফুরফুরে রাখা- সব কাজেই সুগন্ধির ব্যবহার জনপ্রিয়। পৃথিবীতে বিভিন্ন রকম সুগন্ধি রয়েছে। আর এসবের ব্যবহারে রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম। সেসব না জেনে সুগন্ধি মাখলে পুরোপুরি কার্যকারিতা পাওয়া যায় না। তাই অতিরিক্ত ব্যবহারের চাইতে নিয়ম মেনে পরিমাণমতো সুগন্ধি ব্যবহার করা উচিত। চলুন উইকিহাউ অবলম্বনে সুগন্ধি ব্যবহারের নিয়মগুলো জেনে নেয়া যাক-

গোসলের পর

গোসলের কারণে শরীর ভেজা থাকার ফলে শরীরের লোমকূপ উন্মুক্ত অবস্থায় থাকে। ফলে অন্যান্য সময়ের চেয়ে এই সময় সুগন্ধি স্প্রে করলে সুবাস দীর্ঘস্থায়ী হয়। তাই সুগন্ধি ব্যবহারের আগে গোসল করে নিতে চেষ্টা করুন।

পালস পয়েন্ট

শরীরে কিছু পালস পয়েন্ট থাকে। পালস পয়েন্ট হলো- যেখানে নারিস্পন্দন টের পাওয়া যায়। শরীরের এই জায়গাগুলো সব সময় উষ্ণ থাকার ফলে বেশি সুগন্ধ ছড়ায়। এ ছাড়াও এসব স্থান বেশির ভাগ সময় আবৃত থাকে। তাই সুগন্ধ একেবারে ছড়িয়ে না গিয়ে ধীরে ধীরে ছড়ায়। তাই পালস পয়েন্ট দেখে সুগন্ধি ব্যবহার করুন।

ঘষবেন না

সুগন্ধি ব্যবহারের পর অনেকেই ঘসে ফেলেন। অনেকেই মনে করেন এতে সুগন্ধ বেশি ছড়ায়। এটি একটি ভুল ধারণা। ঘষে ফেলার কারণে সুগন্ধির গঠন নষ্ট হয়ে যায়। তাই লাগানোর পর না ঘষে নাড়াচাড়া করার চেষ্টা করুন।

চুলে ব্যবহার

চুলে সুগন্ধি ব্যববহার করলে ঘ্রাণ দীর্ঘস্থায়ী হয়। বড় চুল হলে তো কথাই নেই। বেশির ভাগ সুগন্ধিতে অ্যালকোহল থাকে, যা চুল শুষ্ক রাখে। তাই কোথাও বের হওয়ার আগে চুলে অল্প পরিমাণ সুগন্ধি স্প্রে করে নিতে পারেন। তবে স্প্রে করার চেয়ে চিরুনিতে স্প্রে করে চুল আঁচড়ানো বেশি কার্যকর।

যেসব জায়গা আদর্শ

সুগন্ধি ব্যবহারের জন্য শরীরের কিছু আদর্শ জায়গা রয়েছে। সেগুলো হলো- হাতের কবজি, কনুইয়ের ভেতরের অংশ, কলার বোন, হাঁটুর পেছনে, পায়ের গোড়ালি, নাভির কাছে ও কানের পেছনে। এসব জায়গায় সুগন্ধি লাগালে ঘ্রাণ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়।

দিন ও রাত

সুগন্ধির ঘ্রাণ হালকা এবং চড়া উভয়ই হয়। সময় অনুযায়ী দিনের বেলা চড়া এবং রাতের বেলা হালকা সুগন্ধি ব্যবহার করা ভালো। এতে ঘ্রাণে পরিমিতি থাকে।

ময়েশ্চারাইজার

সুগন্ধি ব্যবহারের আগে হাত ও পায়ে ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন। কারণ খসখসে ত্বকে ঘ্রাণ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। ময়েশ্চারাইজারের ব্যবহারের ফলে ত্বক মশৃণ ও নরম হয়। যার ঘ্রাণ স্থায়ী করতে ভূমিকা রাখে।

কাপড় না ত্বক

কাপড়ের ওপর সুগন্ধি ব্যবহার করবেন না। কারণ এতে থাকে নানা রকম পদার্থ। যা কাপড়ে দাগ ফেলে দেয়। সুগন্ধি সব সময় ত্বকে ব্যবহার করুন।

আরও পড়ুন:
দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম
ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়
আয়ু বাড়াবেন যেভাবে
কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন
ব্লাড প্রেশার কমে গেলে যা করবেন

শেয়ার করুন

বিড়ালের আঁচড় বা কামড়ে কী করবেন

বিড়ালের আঁচড় বা কামড়ে কী করবেন

ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে তরল অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করুন। এ ক্ষেত্রে স্যাভলন ও ডেটল বেশি কার্যকর। তবে পভিসেপও ব্যবহার করতে পারেন। এরপর রক্তপাত বন্ধ করতে ব্যান্ড এইড বা গজ ব্যবহার করতে পারেন।

আঁচড় বা কামড় খাওয়ার অভিজ্ঞতা নেই এমন বিড়াল মালিক খুঁজে পাওয়া দায়। আদুরে প্রাণী হলেও নানা সময় দুর্ঘটনাবশত বিড়ালের নখের আঁচড়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কেটে যেতে পারে। এমনকি ক্ষেপে গেলে বিড়ালের কামড় খাওয়াও অস্বাভাবিক নয়।

তবে আঁচড় বা কামড় খাওয়ার পর অনেকেই বুঝতে পারেন না কী করবেন। অনেকে আবার জলাতঙ্কের আতঙ্কেও থাকেন। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের এক প্রতিবেদনে, এ ধরনের সমস্যায় পড়লে কী করবেন সে ব্যাপারে বলা আছে। দেখে নিন এমন অবস্থায় তাৎক্ষণিক কী করণীয়।

ক্ষতের গভীরতা দেখুন

মাঝেমধ্যে বিড়ালের আঁচড় লাগলেও তেমন ক্ষত তৈরি হয় না। এ ক্ষেত্রে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। জীবাণুনাশক দিয়ে ক্ষতস্থানটি ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। তবে ক্ষত গভীর হলে বা অতিরিক্ত রক্তপাতে অবহেলা করবেন না। বিশেষ করে যদি কামড়ে ক্ষত হয় তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সাবান পানি

র‍্যাবিস ভাইরাস বা জলাতঙ্কের জীবাণু রোধে সবচেয়ে কার্যকর হলো সাবান পানি। অনেক সময় অ্যান্টিবায়োটিক সল্যুশন এই জীবাণু ধ্বংস করতে পারে না। তাই ক্ষত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে জীবাণু সংক্রমিত হবে না।

অ্যান্টিবায়োটিক

ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে তরল অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করুন। এ ক্ষেত্রে স্যাভলন ও ডেটল বেশি কার্যকর। তবে পভিসেপও ব্যবহার করতে পারেন। এরপর রক্তপাত বন্ধ করতে ব্যান্ড এইড বা গজ ব্যবহার করতে পারেন।

রক্তপাত বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যান্ড এইড খুলে দিতে ভুলবেন না। কেননা বাতাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে ক্ষতস্থানে ধনুষ্টঙ্কারের জীবাণু সংক্রমিত হতে পারে। অ্যান্টিবায়োটিক মলম বা ক্রিম ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

সংক্রমণ

ক্ষত গভীর না হলেও এতে জীবাণু সংক্রমিত হতে পারে। ফলে হালকা ক্ষত দেখে অবহেলা করবেন না। দেখুন ক্ষতস্থান ফুলে গেছে কি না। এ ছাড়া লাল হয়ে গেলে, রক্তপাত বন্ধ না হলে বা তীব্র ব্যথা করলে বুঝবেন জীবাণু সংক্রমিত হচ্ছে। তখন দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

জ্বর

বেশির ভাগ সময় আঁচড়ের ফলে বয়স্কদের কিছু না হলেও ছোটদের জ্বর চলে আসে। এটি জীবাণুঘটিত কারণে হয়। একে বলে ক্যাট স্ক্র্যাচ ডিজিজ। জ্বর আসা, ফোসকা পড়া, পিঠ বা পেটব্যথার মতো লক্ষণ দেখলে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। এতে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন:
দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম
ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়
আয়ু বাড়াবেন যেভাবে
কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন
ব্লাড প্রেশার কমে গেলে যা করবেন

শেয়ার করুন