গৃহিণীরা সুস্থ থাকবেন যেভাবে

গৃহিণীরা সুস্থ থাকবেন যেভাবে

বেশির ভাগ সময় গৃহিণীরা স্বামী, সন্তান কিংবা পরিবারের অন্য সদস্যদের পছন্দের খাবারই রান্না করেন। নিজেদের পছন্দ-অপছন্দের গুরুত্ব দেন না। কিন্তু ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের জন্য নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী খাবার খেতে হবে।

ঘরের কাজ সামলানো খুবই কঠিন বিষয়। যেটি একজন গৃহিণী প্রতিনিয়ত করে থাকেন। আর ঘর সামলাতে গিয়ে তারা নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি অমনোযোগী হয়ে পড়েন। অনেকে আবার স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেয়ার সময়ই পান না। ফলে নানা অসুখ-বিসুখে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। তবে খুব সহজ কিছু নিয়ম মেনে চললেই এসব সমস্যা এড়িয়ে চলা সম্ভব।

খাবার

প্রতিদিন কী খাবেন তা দিনের শুরুতেই ঠিক করে ফেলুন। খাবারের ক্ষেত্রে ব্যালেন্স রাখতে চেষ্টা করুন। যদি সকালে ভারী খাবার খান, তবে দুপুরে একটু কম, রাতে একেবারেই কম খাবেন। সারা দিন কত ক্যালরি খাবেন তা ঠিক করুন। সে অনুযায়ী সকাল, দুপুর এবং রাতের ডায়েট চার্ট ঠিক করুন।

পরিমাণমতো ক্যালরি গ্রহণ

শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী ক্যালরি গ্রহণ করুন। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ক্যালরি শরীরের ওজন বাড়ায়। তাই ক্যালরি গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যালেন্স রাখার চেষ্টা করুন।

পানি

প্রচুর পানি পান করুন। সকালে নাশতা করার আগে ২ গ্লাস পানি পান করবেন। দুপুর এবং রাতের খাবারের পরও পর্যাপ্ত পানি পান করুন। বেশিক্ষণ তৃষ্ণা নিয়ে থাকবেন না। এতে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখা যাবে। ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে থেকে খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিন।

একঘেয়েমি কাটাতে অতিরিক্ত খাবার খাবেন না

অনেকেই একঘেয়েমি কাটাতে অতিরিক্ত খাবার খেয়ে থাকেন। এটি গৃহিণীদের ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। বেশি ক্ষিধা পেলে সবজি, ফলমূল কিংবা চর্বিহীন প্রোটিনযুক্ত খাবার খেতে পারেন।

শরীরচর্চা

সারা দিন বাসায় থাকার ফলে শরীরে মেদ জমে যায়। ফলে অনেকেই স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলেন। তাই ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ কিংবা ইয়োগা করুন। এ ছাড়া সময় পেলেই হাঁটার চেষ্টা করুন। এতে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি পুড়ে যাবে।

পছন্দের খাবার

বেশির ভাগ সময় গৃহিণীরা স্বামী, সন্তান কিংবা পরিবারের অন্য সদস্যদের পছন্দের খাবারই রান্না করেন। নিজেদের পছন্দ-অপছন্দের গুরুত্ব দেন না। কিন্তু ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের জন্য নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী খাবার খেতে হবে।

পর্যাপ্ত ঘুম

যেকোনো মানুষের সুস্থ থাকার অন্যতম নিয়ামক হলো ঘুম। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবেও শরীরের ওজন বেড়ে যায়, দেখা দেয় অন্যান্য নানা সমস্যা। তাই প্রতিদিনের ঘুম যেন পর্যাপ্ত পরিমাণে হয়, সেদিকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে।

আরও পড়ুন:
শিশুদের বোঝার চেষ্টা করুন
মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে কী করবেন
অনলাইন মিটিংয়ে যে বিষয়গুলো মেনে চলবেন
ওজন কমার ছয়টি কারণ
কাপড় ধোয়ার নিয়মকানুন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কষ্ট পেলেও বিভা কেন হাসেন?

কষ্ট পেলেও বিভা কেন হাসেন?

মানুষ সব সময় আনন্দের কারণে হাসে না, শোক বা কষ্টের সময়েও হাসির ছাপ পড়তে পারে মুখে। ছবি: নিউজবাংলা

যতই লোকনিন্দা হোক, কঠিন চাপের মুহূর্তে হেসে ফেলা সব সময় কিন্তু খারাপ নয়। বরং কখনও কখনও এটি আমাদের ভালো থাকার জন্যই প্রয়োজন। কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ আলবার্টার কাইনসিওলজি, স্পোর্ট অ্যান্ড রিক্রিয়েশন অনুষদের অধ্যাপক বিলি স্ট্রিয়ান বলছেন, ‘আমার মনে হয় এমন অনেক কঠিন পরিস্থিতি রয়েছে যেখানে হালকা হওয়ার জন্য বেশি বেশি হাসা প্রয়োজন। এসব পরিস্থিতিতে হাসি এক ধরনের ওষুধ হিসেবে কাজ করতে পারে।’

কথায় কথায় হাসিতে ভেঙে পড়া নুসরাত জাবীন বিভাকে নিয়ে অফিসের সহকর্মীদের রসিকতার কোনো শেষ নেই। কাজের মাঝে বিভার এই হাসির দমক মাতিয়ে রাখে সবাইকে।

বিভাও চান আজীবন এভাবে হেসে যেতে, তবে এত হাসি নিয়ে খানিকটা দুঃখবোধও আছে এই তরুণীর। একবার পরিচিত এক নারী তার কষ্টের কথা বলছিলেন, সেই কথা কানে পৌঁছানোর আগেই বিভার মুখে ছড়িয়ে পড়ে স্বভাবসুলভ হাসি। কয়েক বছর আগের সেই ঘটনা মনে করে এখনও বিব্রত হন বিভা।

বিজ্ঞান বলছে, মানুষ সব সময় আনন্দের কারণেই হাসে না। তীব্র শোক বা কষ্টের সময়েও অট্টহাস্যে ফেটে পড়েন অনেকে। উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, বিভ্রান্তি, এমনকি বিব্রতবোধের অনুভূতি থেকেও হাসির ছাপ পড়তে পারে মুখে।

মৃত মানুষের দাফনের সময় শোকাবহ পরিবেশেও কেউ হেসে ফেলেছেন, এমন নজির অসংখ্য। তবে এই হাসি মোটেই আনন্দের নয়, বিজ্ঞানীরা বলছেন, দুঃখের হাসিও মানুষের একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া এবং এ ধরনের ঘটনা হরহামেশা ঘটে আশপাশে।

হাসিকে সাধারণভাবে একটি মানসিক প্রতিক্রিয়ার প্রকাশ হিসেবে ধরে নেয়া হয়। মানুষ জন্মের তিন মাস বয়সেই হাসতে শেখে। এমনকি কোনো কোনো গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, গর্ভের শিশুর মুখমণ্ডলেও হাসির রেশ ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।

নবজাতকের মুখে কথা ফুটতে শুরুর আগেই হাসির রেখা দেখা যায় কেন- তা নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছেন মনোবিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, হাসি সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে কথার চেয়েও বড় ভূমিকা রাখে। এটি এক জনের সঙ্গে আরেক জনের সম্পর্কের প্রাথমিক সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। গোমড়ামুখো মানুষের চেয়ে তাই হাস্যোজ্জ্বল ব্যক্তির গ্রহণযোগ্যতা সমাজে অনেক বেশি।

তবে হাসি অনেক সময়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিও তৈরি করতে পারে। শোকাবহ বা কষ্টের মুহূর্তেও কেন অনেকে হাসেন তা নিয়ে ১৯৬০ এর দশকে একটি গবেষণা করেছিলেন মনোবিজ্ঞানী স্ট্যানলি মিলগ্রাম। মিলগ্রাম অর্থের বিনিময়ে কিছু স্বেচ্ছাসেবক বেছে নিয়ে তাদেরকে ‘শিক্ষক’ মনোনীত করেছিলেন। এই শিক্ষকদের দায়িত্ব ছিল কিছু ‘শিক্ষার্থীকে’ প্রশ্ন করা। তবে শিক্ষার্থীরা আসলে ছিলেন একেকজন অভিনেতা, যা শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত স্বেচ্ছাসেবকদের অজানা ছিল।

গবেষণার সময় বলা হয়েছিল, শিক্ষার্থীরা প্রশ্নের ভুল উত্তর দিলে তাদের ১৫ থেকে ৪৫০ ভোল্টের বৈদ্যুতিক শক দেয়া হবে। তবে বাস্তবে বিদ্যুতের তারে কোনো বিদ্যুৎপ্রবাহ ছিল না। স্বেচ্ছাসেবক শিক্ষকেরা প্রশ্ন শুরুর পর একের পর এক ভুল উত্তর দিতে থাকেন শিক্ষার্থীরা (অভিনেতা)। এসব ভুলের জন্য তাদের দেহে শিক্ষকেরা বিদ্যুতের তার স্পর্শ করলে তারস্বরে অভিনেতারা চিৎকার শুরু করেন। এটি যে অভিনয় সেটি মোটেই বুঝতে পারেননি স্বেচ্ছাসেবকেরা।

এই গবেষণায় দেখা গেছে, ৪৫ ভাগ স্বেচ্ছাসেবক কিছুক্ষণ পরেই শিক্ষার্থীদের ‘বৈদ্যুতিক শক’ দিতে অস্বীকৃতি জানান, তবে ৬৫ ভাগ শকের মাত্রা বাড়াতে আগ্রহী ছিলেন। শিক্ষার্থীরা যখন আর্ত চিৎকারের অভিনয় করছিলেন, তখন অনেক স্বেচ্ছাসেবক ভয়ঙ্কর মানসিক চাপে ভুগলেও তাদের মুখ জুড়ে ছিল বিব্রতকর হাসি।

মজার বিষয় হল, কথিত শিক্ষার্থীদেরকে ‘শক’ দেয়ার মাত্রা যত বাড়ছিল শিক্ষকদের মানসিক চাপজনিত হাসিও তত বাড়ছিল। এই গবেষণার ভিত্তিতে স্ট্যানলি মিলগ্রাম সিদ্ধান্তে পৌঁছান, অপ্রতিরোধ্য আবেগ মানুষকে একটি বিশেষ শারীরবৃত্তীয় প্রতিক্রিয়ার দিকে পরিচালিত করে, আর সেই প্রতিক্রিয়া হলো- ‘হাসি’।

হাসি যতটা সহজ, ততটাই জটিল

হাসতে দেখলেই মানুষ আনন্দে আছেন, এমন ভাবনা মাথা থেকে একদম ঝেড়ে ফেলাই ভালো। একই ভাবে কান্নার ক্ষেত্রেও দুঃখের ধারণাও সব সময় ঠিক নয়। এ কারণেই প্রিয় মানুষকে কাছে পেয়ে ঝরঝর করে কেঁদে ফেলার উদাহরণ অসংখ্য, আবার প্রিয়জনকে হারিয়ে হাহাকারের ভুলে অট্টহাসির ঘটনাও বিরল নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক কষ্টের মাঝে হাসির কারণ নিয়ে গবেষণা করেছেন। সাইকোলজিক্যাল সায়েন্স জার্নালে ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয় তাদের নিবন্ধ

এই গবেষক দলটির দাবি, মানবীয় আবেগের সংঘাতপূর্ণ অবস্থা ‘নাটকীয় বাহ্যিক প্রতিক্রিয়া’র জন্ম দেয় অথবা শরীরে যে কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়ামূলক সংকেতকে (হাসি-কান্না) উসকে দিতে পারে। যেমন লটারিতে লাখ টাকা জয়ের আনন্দে যেখানে উচ্ছ্বসিত হওয়ার কথা সেখানে আপনি কখনও কখনও চোখ পানিতে ভাসিয়ে ফেলতে পারেন, আবার প্রেমিকার চলে যাওয়ার কষ্টের মাঝেও আপনি হো হো করে হেসে উঠতে পারেন।

ইয়েল ইউনিভার্সিটির গবেষক দল বলছেন, দৃশ্যত এই ‘অস্বাভাবিক’ প্রতিক্রিয়ার মূল কারণ হলো, অতিশক্তিশালী কিছু মানসিক উদ্দীপনা, যার প্রকাশ ঘটে অনিয়ন্ত্রিত ভঙ্গীতে।

স্নায়ুবিজ্ঞানী ভি.এস. রামচন্দ্রন তার ‘আ ব্রিফ ট্যুর অফ হিউম্যান কনসাসনেস’ এ দাবি করেছেন, সাধারণ হাসি আর মানসিক চাপ-যন্ত্রণার মধ্যে হাসির মধ্যে শারীরবৃত্তীয় কিছু আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তার মতে, কষ্টের মধ্যে আমরা যে হাসি দিয়ে থাকি সেটি বেরিয়ে আসে গলার ভেতর থেকে, আর সাধারণ হাসির দমক আসে পেট থেকে। যে কারণে আনন্দের হাসির তোড়ে পেটে ব্যথা অনুভব করেন অনেকে।

রামচন্দ্রন বলছেন, কষ্টের মধ্যে হাসিরও বেশ কিছু উপযোগিতা আছে। চাপের মধ্যে থেকেও এই এ ধরনের মৃদু বা অট্টহাসিতে আমরা অপরকে আশ্বস্ত হতে সংকেত দেই। আমরা অন্যকে জানাতে চাই- ‘ঘাবড়াবেন না, আমি ভালো আছি। নিজেকে সামলে নেয়ার চেষ্টা করছি।’

হাসি কি ভালো ওষুধ?


কঠিন পরিস্থিতিতে হাসিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ হিসেবে মনে করার সামাজিক প্রবণতা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে হাসি আটকানোর চেষ্টাও যথেষ্ট বিব্রতকর। এ অবস্থা দূর করতে মেডিটেশনের মাধ্যমে মন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা যেতে পারে। বিশেষ পরিস্থিতিতে গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে মনকে চাপমুক্ত রাখা সম্ভব। এর ফলে অনিয়ন্ত্রিত হাসির বিড়ম্বনাও এড়ানো যায়।

তবে যতই লোকনিন্দা হোক, কঠিন চাপের মুহূর্তে হেসে ফেলা সব সময় কিন্তু খারাপ নয়। বরং কখনও কখনও এটি আমাদের ভালো থাকার জন্যই প্রয়োজন।

কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ আলবার্টার কাইনসিওলজি, স্পোর্ট অ্যান্ড রিক্রিয়েশন অনুষদের অধ্যাপক বিলি স্ট্রিয়ান বলছেন, ‘আমার মনে হয় এমন অনেক কঠিন পরিস্থিতি রয়েছে যেখানে হালকা হওয়ার জন্য বেশি বেশি হাসা প্রয়োজন। এসব পরিস্থিতিতে হাসি এক ধরনের ওষুধ হিসেবে কাজ করতে পারে।

‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, হাসি প্রাকৃতিক চাপমুক্তকরণ উপায় হিসেবে কাজ করে। হাসির মনোজাগতিক সুবিধার মধ্যে রয়েছে এটি উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং চাপ কমায়।’

আমেরিকান জার্নাল অফ লাইফস্টাইল মেডিসিন জার্নালে ২০১৬ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণা নিবন্ধে দাবি করা হয়, হাসি বেশ কিছু শারীরবৃত্তীয় সুবিধাও দিয়ে থাকে। চিকিত্সকরা হাসিকে কীভাবে একটি প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন, সে বিষয়ে পরামর্শও দেয়া হয়েছে ওই নিবন্ধে। গবেষণায় বলা হয়, হাসির সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী ইমিউন সিস্টেম, পেশীর প্রশান্তি এবং বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি।

হাসি আমাদের শরীরে অক্সিজেন প্রবাহ বাড়ায় এবং এর ফলে প্রাকৃতিকভাবে মস্তিষ্কে এন্ডোরফিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে। এই প্রক্রিয়াটি হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের মতো অঙ্গগুলোকে উদ্দীপ্ত করে। মানসিক চাপের সঙ্গে দেহের দুর্বল ইমিউন সিস্টেমের সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। হাসি উদ্বেগ কমিয়ে দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকেও শক্তিশালী করে। গবেষণায় দেখা গেছে, অট্টহাসি রক্তের মধ্যে অ্যান্টিবডি এবং টি-কোষের সংখ্যা বাড়াতেও সহায়তা করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা মহামারির সময়ে বিশ্বব্যাপী বেড়েছে বিষণ্নতা, এ অবস্থা কাটাতে বে-হিসাবী হাসির উপযোগিতাও বেড়েছে অনেক। বিলি স্ট্রিয়ান বলছেন, ‘বিষণ্ন সময়ে আমরা যত বেশি জীবনের হালকা দিক খুঁজে পেতে পারি এবং হাসির সুযোগ তৈরি করতে পারি, তত আমরা ভালো থাকব। আপনি যদি হাসির সমস্ত সুবিধাগুলো একটি ট্যাবলেটে পুরে ফেলতে পারতেন, তবে নিঃসন্দেহে সেটি বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ওষুধের তালিকায় সবার ওপরে থাকত।’

আরও পড়ুন:
শিশুদের বোঝার চেষ্টা করুন
মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে কী করবেন
অনলাইন মিটিংয়ে যে বিষয়গুলো মেনে চলবেন
ওজন কমার ছয়টি কারণ
কাপড় ধোয়ার নিয়মকানুন

শেয়ার করুন

ফুলকপি কেন খাবেন

ফুলকপি কেন খাবেন

ফুলকপির মতো উচ্চ ফাইবারের সবজি ক্যানসার ও ডায়াবেটিস রোধেও কাজ করে। এতে প্রচুর পরিমাণে গ্লুকোজিনোলেটস এবং ইসোথিওসায়ানেটস নামক দুই ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা ক্যানসার সেল তৈরি হতে বাধা দেয়। এ ছাড়া এটি হৃদরোগ প্রতিরোধেও সহায়ক। বিভিন্ন ক্রনিক রোগ প্রতিরোধে ফুলকপির জুড়ি নেই।

শীত মৌসুমের জনপ্রিয় সবজি হলো ফুলকপি। এই সবজিটি স্বাদে যেমন, গুণেও তেমন অনন্য। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং সাইটো নিউট্রিয়েন্ট ক্যানসার প্রতিরোধ করে। এ ছাড়া হেলথলাইন ডটকমের প্রতিবেদন থেকে ফুলকপির নানা রকম উপকারিতার বিষয়ে জানা যায়। চলুন দেখে নেয়া যাক-

পুষ্টি উপাদান

ফুলকপিতে ক্যালরির মাত্রা কম থাকলেও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে। এক কাপ ফুলকপিতে প্রায় ৩ গ্রাম ফাইবার, ৭৭ শতাংশ ভিটামিন সি, ২০ শতাংশ ভিটামিন কে, ১১ শতাংশ ভিটামিন বি৬, ১৪ শতাংশ ফোলেট, ৯ শতাংশ পটাশিয়াম, ৮ শতাংশ ম্যাঙ্গানিজসহ যথেষ্ট মিনারেল থাকে।

বলা যায়, একজন মানুষের সুস্থ থাকার জন্য যেসব পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন এর প্রায় সবকিছুই ফুলকপিতে পাওয়া যায়।

ফুলকপি কেন খাবেন
ফুলকপিতে রয়েছে ফাইবার, যা ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক। ছবি: সংগৃহীত

ফাইবার

ফুলকপিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফাইবার পাওয়া যায়, যা শরীরের সার্বিক সুস্থতার জন্য সহায়ক। এক কাপ ফুলকপিতে প্রায় ৩ গ্রাম ফাইবার থাকে, যা একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক চাহিদার ১০ শতাংশ। ফাইবার দেহের উপকারী ব্যাকটেরিয়াদের খাদ্য জোগান দেয়। ফলে প্রদাহ ও হজমশক্তিতে উপকার পাওয়া যায়। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

ক্যানসার ও ডায়াবেটিস রোধ

গবেষণায় জানা যায়, ফুলকপির মতো উচ্চ ফাইবারের সবজি ক্যানসার ও ডায়াবেটিস রোধেও কাজ করে। এতে প্রচুর পরিমাণে গ্লুকোজিনোলেটস এবং ইসোথিওসায়ানেটস নামক দুই ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা ক্যানসার সেল তৈরি হতে বাধা দেয়। এ ছাড়া এটি হৃদরোগ প্রতিরোধেও সহায়ক। বিভিন্ন ক্রনিক রোগ প্রতিরোধে ফুলকপির জুড়ি নেই।

ওজন কমায়

ফুলকপিতে ওজন কমাতে সহায়ক এমন অনেক উপাদান রয়েছে। প্রথমত, এতে খুবই স্বল্পমাত্রায় ক্যালরি থাকে, ফলে পেট ভরে খেলেও ওজন বাড়ার আশঙ্কা থাকে না। এটি ভাত এবং গমের মতো উচ্চ ক্যালরিসম্পন্ন খাবারের বিকল্প হিসেবেও খাওয়া যায়।

দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়

ফুলকপিতে ভিটামিন এ থাকে। চোখের যত্নে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এই ভিটামিন। তাই দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে এবং চোখের বিভিন্ন সমস্যা রোধে ফুলকপি কার্যকর।

ত্বক ও চুল ভালো রাখে

শীতকালে ত্বক খসখসে হয়ে যায়। চুলের আঠালো ভাব এবং খুসকি হওয়াও আরেকটি সমস্যা, আর এই দুটি সমস্যা থেকেই মুক্ত থাকতে সহায়তা করে ফুলকপি। কেননা এতে থাকা বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেল উপাদান চুল ও ত্বক মসৃণ রাখে।

আরও পড়ুন:
শিশুদের বোঝার চেষ্টা করুন
মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে কী করবেন
অনলাইন মিটিংয়ে যে বিষয়গুলো মেনে চলবেন
ওজন কমার ছয়টি কারণ
কাপড় ধোয়ার নিয়মকানুন

শেয়ার করুন

সারা দিন অফিস করেও ফিট থাকার উপায়

সারা দিন অফিস করেও ফিট থাকার উপায়

অনেকেরই কাজের মধ্যে হালকা স্ন্যাকস খাওয়ার অভ্যাস আছে। এ সময় চিপস, চকলেট বা ফাস্টফুড খাওয়া বাদ দিন। এর পরিবর্তে বিভিন্ন ফল এবং লো ফ্যাট খাবার খান।

ব্যস্ত জীবনে দিনের বেশির ভাগ সময়টাই কেটে যায় অফিসে। কাজে ডুবে থাকার কারণে শরীর ও স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেয়ারও সময় থাকে না। ফলে অচিরেই নানা অসুখ-বিসুখে জর্জরিত হয়ে যেতে হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে অসুস্থতা। এসব সমস্যা থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হলো- ফিট থাকা। আর ফিট থাকার জন্য প্রয়োজন ব্যায়াম।

মন্সটার ডটকমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গড়পড়তা ব্যায়ামের বাইরেও শরীর ফিট রাখার কিছু উপায় আছে। চলুন দেখে নিই-

ঠিকমতো খাবার গ্রহণ

ছুটির দিন বাদে সপ্তাহের প্রতিটি দিনই সকাল মানে অফিস যাওয়ার তাড়া। আর তাড়াহুড়া করতে গিয়ে অনেকেই শরীরে কতটুকু খাবারের প্রয়োজন সেদিকে নজর দেন না। অথচ খাবারের দিক দিয়ে দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সকালের খাবার। এই খাবারই আপনার পুরো দিনের কাজের শক্তি জোগাবে। তাই খাবারে অবহেলা করবেন না। অন্যান্য সময়ের খাবারগুলোও ঠিকমতো গ্রহণ করুন।

বিরতি

একটানা কাজ করবেন না। এটি শরীরের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ক্ষতি করে। কাজের মধ্যে চেষ্টা করুন এক ঘণ্টা পরপর যেন অন্তত ১৫ মিনিট বিরতি নেয়ার। যতটুকু সম্ভব হাঁটতে চেষ্টা করুন। ফোনে কথার বলার সময়ও এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকবেন না।

বাইরের খাবারে না

বাইরে এটা-ওটা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে ত্যাগ করুন। বাসা থেকে খাবার নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। যদি এতে সমস্যা হয় তবে বাইরে যা খাচ্ছেন সেগুলো স্বাস্থ্যকর কি না সেদিকে খেয়াল রাখুন। রাস্তার হাবিজাবি খাবেন না।

হালকা ব্যায়াম

অনেক ব্যায়াম আছে যা বসে থেকেও করা যায়। এর মধ্যে স্ট্রেচিং অন্যতম। ডেস্কে বসে থেকেই কাজের ফাঁকে সেগুলো করতে পারেন। বসে বসে কোন কোন ব্যায়াম করা যায় তা জেনে নিন।

পর্যাপ্ত পানি পান

অনেকেরই কাজের মধ্যে হালকা স্ন্যাকস খাওয়ার অভ্যাস আছে। এ সময় চিপস, চকলেট বা ফাস্টফুড খাওয়া বাদ দিন। এর পরবর্তে বিভিন্ন ফল এবং লো ফ্যাট খাবার খান। সবচেয়ে জরুরি হলো- পরিমাণমতো পানি খাওয়া।

ফেরার পথে

অফিস শেষে সঙ্গে সঙ্গে গাড়িতে উঠে যাবেন না। কিছুক্ষণ হাঁটুন। সাইকেলে যাতায়াত করতে পারলে সবচেয়ে ভালো। যদি অফিসের গাড়িতে থাকেন, তাহলে গন্তব্যের আগেই নেমে যান। বাকি পথ হেঁটে ফিরুন। মাঝেমধ্যে লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করুন।

আরও পড়ুন:
শিশুদের বোঝার চেষ্টা করুন
মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে কী করবেন
অনলাইন মিটিংয়ে যে বিষয়গুলো মেনে চলবেন
ওজন কমার ছয়টি কারণ
কাপড় ধোয়ার নিয়মকানুন

শেয়ার করুন

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন কতটা বিপজ্জনক

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন কতটা বিপজ্জনক

সার্স কভ টু-এর নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ প্রথম শনাক্ত হয় বতসোয়ানায়। ছবি: সংগৃহীত

অত্যন্ত সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের চেয়েও ওমিক্রনের মিউটেশন হয়েছে চার গুণ বেশি। ফলে এটি দ্রুত মানুষকে আক্রান্ত করতে সক্ষম বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাইরাস দ্রুত সংক্রমিত হওয়া মানেই সেটি অন্য ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় বেশি প্রাণঘাতী- এমনটি বলার সময় এখনও আসেনি।

কোভিডের জন্য দায়ী করোনাভাইরাস সার্স কভ টু-এর নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ নিয়ে উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বে।

আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণের দেশ বতসোয়ানায় প্রথম শনাক্ত হওয়া এই ভ্যারিয়েন্টের শুরুতে নাম ছিল ‘বি.১.১.৫২৯’, তবে শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর নাম দেয় ‘ওমিক্রন’।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্পাইক প্রোটিনে ৩০ বারের বেশি মিউটেশনের মধ্যে দিয়ে সার্স কভ টু ভাইরাসের নতুন ধরনটি তৈরি হয়েছে। সামগ্রিকভাবে এই ধরনটির মিউটেশন হয়েছে ৫০ বারের বেশি।

অত্যন্ত সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের চেয়েও ওমিক্রনের মিউটেশন হয়েছে চার গুণ বেশি। ফলে এটি দ্রুত মানুষকে আক্রান্ত করতে সক্ষম বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

তবে একই সঙ্গে তারা বলছেন, ভাইরাস দ্রুত সংক্রমিত হওয়া মানেই সেটি অন্য ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় বেশি প্রাণঘাতী- এমনটি বলার সময় এখনও আসেনি। ‘ওমিক্রন’ নিয়ে গবেষণা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

নতুন ধরনটি নিয়ে এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বেশ কিছু প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। এর ভিত্তিতে ওমিক্রন নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব খুঁজেছে নিউজবাংলা।

নতুন ধরনটি কোথায়, কীভাবে প্রথম শনাক্ত হলো?

আফ্রিকার দেশ বতসোয়ানায় ১১ নভেম্বর প্রথম ‘বি.১.১.৫২৯’ ভ্যারিয়েন্টটি শনাক্ত হয়, যাকে এখন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ওমিক্রন’ বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। করোনার নতুন এই ধরনটি এরই মধ্যে সাউথ আফ্রিকাতেও শনাক্ত হয়েছে। দেশটির জোহানেসবার্গ ও প্রিটোরিয়াতে এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১২০০।

মিশর থেকে বেলজিয়াম ভ্রমণে যাওয়া একজনের দেহেও করোনার এই ধরনটি শনাক্ত হয়েছে। ইউরোপে বেলজিয়ামই প্রথম দেশ, যেখানে ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে।

সাউথ আফ্রিকা থেকে হংকং ভ্রমণে আসা এক ব্যক্তির দেহেও শনাক্ত হয়েছে ওমিক্রন। এ ছাড়া মালাউয়ি থেকে ইসরায়েলে যাওয়া একজনের দেহে পাওয়া গেছে এই ভ্যারিয়েন্টের ভাইরাস। আরও দুজনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

ডাচ সরকার শুক্রবার সাউথ আফ্রিকার সঙ্গে বিমান যোগাযোগে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পর দেশটি থেকে দুটি ফ্লাইটে আমস্টারডাম পৌঁছানো কয়েক শ যাত্রী করোনা পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় বিমানবন্দরে আটকে পড়েছেন।

নতুন ধরনটি কতটা বিপজ্জনক?

সার্স কভ টু ভাইরাসের নতুন ধরনটি নিয়ে গবেষকদের উদ্বেগের মূল কারণ, এর অনেকবারের মিউটেশন। মিউটেশন হলো এমন এক অভিযোজন কৌশল যার মাধ্যমে ভাইরাস বিরূপ বা নতুন পরিস্থিতিতেও অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারে।

বিজ্ঞানীরা ওমিক্রনের স্পাইক প্রোটিনে ৩২টি মিউটেশন খুঁজে পেয়েছেন। অন্যদিকে অত্যন্ত সংক্রামক হিসেবে বিবেচিত ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে মিউটেশন হয়েছে মাত্র আটবার।

স্পাইক প্রোটিনের বেশি মিউটেশন মানেই ভাইরাসটি বেশি প্রাণঘাতী, এমন মনে করার কোনো কারণ নেই। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, বহুবার মিউটেশনের কারণে ওমিক্রনের সঙ্গে মানুষের দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থার (ইমিউনিটি সিস্টেম) লড়াই করা কঠিন হতে পারে।

ওমিক্রনের স্পাইক প্রোটিন প্রচলিত করোনা ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনের তুলনায় অনেকটা বদলে যাওয়ায় দেহের ইমিউনিটি সিস্টেম দ্রুত একে শনাক্ত করতে পারে না, ফলে এটি সংক্রমণের হার বাড়াতে পারে। যেকোনো করোনাভাইরাস এদের স্পাইকের সাহায্যেই শ্বাসতন্ত্রের কোষে যুক্ত হয়ে কোষের ভেতরে প্রবেশ করে।

প্রাথমিক গবেষণা অনুসারে, নতুন ভ্যারিয়েন্টটি টিকার কার্যক্ষমতা ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে সক্ষম।

যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন ভ্যারিয়েন্টের দুটি মিউটেশন- আর ২০৩কে এবং জি ২০৪আর ভাইরাসটির দ্রুত প্রতিলিপি তৈরি করতে সক্ষম। এ ছাড়া তিনটি মিউটেশন- এইচ৬৫৫ওয়াই, এন ৬৭৯কে এবং পি ৬৮১এইচ ভাইরাসটিকে আরও সহজে মানব কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। তারা বলছেন, শেষ দুটি মিউটেশনের একসঙ্গে উপস্থিতি বিরল ঘটনা এবং এর ফলে ওমিক্রন টিকা প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে।

অস্ট্রিয়ার ভিয়েনার ইনস্টিটিউট অফ মলিকুলার বায়োটেকনোলজির আণবিক জীববিজ্ঞানী ডা. উলরিচ এলিংয়ের মতে, প্রাথমিক লক্ষণ থেকে মনে হচ্ছে করোনার নতুন রূপটি ডেল্টার চেয়ে ৫০০ শতাংশ বেশি সংক্রামক হতে পারে।

অবশ্য নতুন ভ্যারিয়েন্টটি সার্স কভ টুর আগের ধরনগুলোর তুলনায় বেশি প্রাণঘাতী- এমন কোনো প্রমাণ এখনও মেলেনি। তবে এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সক্ষমতার কারণে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে নতুন করে চাপে ফেলতে পারে।

নতুন ধরনটি কীভাবে তৈরি হলো?

ওমিক্রনের একসঙ্গে এত বেশি মিউটেশন নিয়ে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা। কেউ কেউ বলছেন, কোভিড আক্রান্ত কোনো রোগীর বিশেষ শারীরিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ভাইরাসটির একসঙ্গে এত মিউটেশন ঘটতে পারে।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের কম্পিউটেশনাল বায়োলজি সিস্টেম বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ফ্রাঁসোয়া ব্যালোক্স মনে করেন, এমনটি হতে পারে, ভাইরাসটি বিশেষ কোনো ব্যক্তির দেহে দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণের সুযোগ পেয়েছিল। ওই ব্যক্তি হয়তো এইচআইভি/এইডসে আক্রান্ত ছিলেন এবং চিকিৎসা না করানোর কারণে তার ইমিউন সিস্টেম বেশ দুর্বল ছিল। তবে বিষয়টি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ বিশেষজ্ঞদের হাতে নেই।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিক্রিয়া কী?

সার্স কভ টু-এর নতুন ধরনটি কতটা সংক্রামক বা বিপজ্জনক, সেটি সুনিশ্চিতভাবে বলার মতো যথেষ্ট তথ্য-উপাত্ত এখনও বিজ্ঞানীদের কাছে নেই। বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার জরুরি বৈঠক করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

ওই বৈঠকে ‘বি.১.১.৫২৯’ ভ্যারিয়েন্টকে ‘উদ্বেগজনক ধরন’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করে ডাব্লিউএইচও। এ ছাড়া গ্রিক বর্ণমালার ওপর ভিত্তি করে এর নাম দেয়া হয় ‘ওমিক্রন’, যেমন এর আগে ‘ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট’ নামকরণ হয়েছিল।

বেটা ভ্যারিয়েন্টের সঙ্গে নতুন ধরনটির কি কোনো সংযোগ আছে?

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পুরো আফ্রিকা মহাদেশ, বিশেষ করে সাউথ আফ্রিকাকে বিপর্যস্ত করেছে। দেশটিতে এরই মধ্যে ৩০ লাখ মানুষ কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন, এর মধ্যে মারা গেছেন প্রায় ৯০ হাজার মানুষ।

সাউথ আফ্রিকায় কোভিডে মৃত্যুর উচ্চ সংখ্যার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী করা হয় সি.১.২ বা বেটা ভ্যারিয়েন্টকে। সি.১.২ ভ্যারিয়েন্ট অত্যন্ত সংক্রামক এবং টিকাকে অনেকটা অকার্যকর করতে সক্ষম বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একে ‘উদ্বেগজনক ধরন’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে।

তবে এরপর বেটার চেয়েও বেশি সংক্রামক হিসেবে এসেছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। এটি সারা বিশ্বের পাশাপাশি সাউথ আফ্রিকাতেও বেটার চেয়ে বেশি সংক্রমণ ঘটিয়েছে।

ওমিক্রনের বিস্তার কি রোধ করা সম্ভব?

বাস্তবে সীমান্ত আটকে ভাইরাসের বিস্তার ঠেকানো প্রায় অসম্ভব। তবে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারের গতি ধীর করা যেতে পারে। হংকং ও ইসরায়েলে যে দুজনের দেহে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে তারা সাউথ আফ্রিকা থেকে এসেছিলেন। এ কারণে অনেক দেশ সাউথ আফ্রিকাসহ আফ্রিকার বেশ কিছু অঞ্চলের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭ সদস্য দেশ শুক্রবার সাউথ আফ্রিকাসহ আফ্রিকার দক্ষিণের সাতটি দেশ থেকে ইউরোপে সাময়িক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিতে সম্মত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সোমবার থেকে সাউথ আফ্রিকা এবং অন্য সাতটি দেশ থেকে আমেরিকান নন, এমন নাগরিকদের ভ্রমণ সীমিত করেছে।

এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা ভাইরাসের নতুন ধরনটির বিস্তার ধীর করতে সাহায্য করতে পারে। তবে মনে রাখা দরকার, বতসোয়ানায় ওমিক্রনের সংক্রমণ ধরা পড়ে নভেম্বরের মাঝামাঝিতে। এরপর অনেকটা সময় পেরিয়ে গেছে। ফলে এখন ফ্লাইট বন্ধ করলেও ধরে নেয়া যায়, ওমিক্রন এতদিনে আর আফ্রিকার সীমানায় আটকে নেই।

আরও পড়ুন:
শিশুদের বোঝার চেষ্টা করুন
মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে কী করবেন
অনলাইন মিটিংয়ে যে বিষয়গুলো মেনে চলবেন
ওজন কমার ছয়টি কারণ
কাপড় ধোয়ার নিয়মকানুন

শেয়ার করুন

ঘুমের আগে যা খাবেন না

ঘুমের আগে যা খাবেন না

মিষ্টিজাতীয় খাবার অ্যানার্জি লেভেল বাড়িয়ে দেয়। ফলে চেষ্টা করলেও ঘুম আসে না। তাই ঘুমের আগে যেকোনো মিষ্টিজাতীয় খাবার পরিহার করা ভালো।

সারা দিনের ক্লান্তি শেষে শরীরটাকে পরের দিনের জন্য প্রস্তুত এবং কর্মক্ষম রাখার একমাত্র উপায় হলো রাতে পর্যাপ্ত ঘুম। একজন মানুষের সুস্থ থাকার জন্য অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। তা না হলে কাজ এবং স্বাস্থ্য উভয় ক্ষেত্রেই খারাপ প্রভাব পড়ে।

অনেকেই রাতে ঘুমের সমস্যায় ভোগেন। ঠিকমতো ঘুম না হওয়ায় ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বেনেনডেন হেলথের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এ সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন। ঘুমের আগে কিছু না খাওয়াই ভালো। তা ছাড়া এমন কিছু খাবার আছে যা ঘুমের আগে খাওয়া একেবারেই নিষেধ। চলুন জেনে নেই, সেগুলা কী কী।

চকলেট

ঘুমানোর আগে চকলেট খাবেন না। বিশেষ করে ডার্ক চকলেট। কারণ এসব চকলেটে প্রচুর পরিমাণে ক্যাফেইন আর অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা মস্তিষ্কের নিওরনগুলোকে উত্তেজিত রাখে। ফলে ঘুমের সমস্যা হয়।

কফি

কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলেও ঘুমানোর কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই খাওয়া বন্ধ করে দিন। কফি সব সময় স্নায়ু উদ্দীপিত করে রাখে। যার প্রভাব থাকে প্রায় ৮ থেকে ১৪ ঘণ্টা। এ ছাড়া এটি ‘র‌্যাপিড আই মুভমেন্ট’ এর কারণ। ফলে শরীর ক্লান্ত থাকলেও ঘুম আসবে না।

পনির

পনির যদিও হালকা খাবার হিসেবে পরিচিত, কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ঘুমাতে যাওয়ার আগে খাওয়ার জন্য সবচেয়ে নেতিবাচক খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম। কারণ এতে প্রচুর অ্যামিনো অ্যাসিড আর টিরামিন থাকে, যা ঘুমের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

মিষ্টিজাতীয় খাবার

মিষ্টিজাতীয় খাবার অ্যানার্জি লেভেল বাড়িয়ে দেয়। ফলে চেষ্টা করলেও ঘুম আসে না। তাই ঘুমের আগে যেকোনো মিষ্টিজাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো।

অ্যালকোহল

অনেকে মনে করেন অ্যালকোহল ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক। এটি ভুল ধারণা। অ্যালকোহল ঘুমে ব্যাঘাতের পাশাপাশি মাথাব্যথাও সৃষ্টি করে। এ ছাড়া অতিরিক্ত অ্যালকোহল লিভার নষ্ট করে ফেলে। তাই অ্যালকোহল এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

আইসক্রিম

আইসক্রিমে চিনি এবং ফ্যাট থাকে। ফ্যাট শরীরে অস্বস্তিভাব নিয়ে আসে। আর চিনি খেলে মস্তিষ্ক উত্তেজিত থাকে। দুটিই ঘুম তাড়াতে যথেষ্ট।

ঝাল

ঘুমের আগে অতিরিক্ত ঝাল কিছু খাবেন না। ঝাল দেয়া তরকারি, সস বা সরিষার তেল দিয়ে বানানো খাবার ঘুমানোর বেশ আগেই খেয়ে নিন। কারণ এসবে ক্যাপ্সাইসিন নামক এক ধরনের কেমিক্যাল থাকে, যা শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং ঘুমে সমস্যা তৈরি করে।

আরও পড়ুন:
শিশুদের বোঝার চেষ্টা করুন
মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে কী করবেন
অনলাইন মিটিংয়ে যে বিষয়গুলো মেনে চলবেন
ওজন কমার ছয়টি কারণ
কাপড় ধোয়ার নিয়মকানুন

শেয়ার করুন

সেন্ট মার্টিন যেতে প্রস্তুত বে ওয়ান জাহাজ

সেন্ট মার্টিন যেতে প্রস্তুত বে ওয়ান জাহাজ

গত ডিসেম্বরে কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেডের তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রাম-সেন্ট মার্টিন রুটে বে ওয়ান চালু হলেও করোনা মহামারির কারণে গত মার্চে অপারেশন বন্ধ রাখা হয়। এবার নতুন উদ্যমে চালু হলেও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ভাড়া ১৭ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

চট্টগ্রাম-সেন্ট মার্টিন রুটে পর্যটকবাহী বে ওয়ান জাহাজ আবারও চলাচল শুরু হচ্ছে।

পতেঙ্গার ১৫ নম্বর ঘাট থেকে বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় পর্যটক নিয়ে বে ওয়ান জাহাজটি ছেড়ে যাবে সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে। ফিরবে শনিবার।

এরপর ডিসেম্বর থেকে শুক্র, শনি ও রোববার নতুন সূচিতে পুরোদমে জাহাজটি চলাচল করবে।

বে ওয়ানের মালিক কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আবদুর রশিদ এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিভিন্ন কাউন্টার ছাড়াও টিকিট অনলাইনে পাওয়া যাবে। জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৪ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকায় চেয়ার, কেবিন ও ভিভিআইপি স্যুটে পর্যটকরা আকর্ষণীয় সব সেবা পাবেন। এক ট্রিপে ১ হাজার ৮০০ পর্যটক নেয়ার সক্ষমতা আছে বে ওয়ানের।

তিনি বলেন, ‘আমাদের কর্ণফুলী এক্সপ্রেস নিয়মিত সেন্ট মার্টিন রুটে যাতায়াত করছে। আমাদের বে ওয়ান জাপান, সিঙ্গাপুরসহ বিদেশেও যেতে পারবে। এটি আরও তিন বছর চলতে পারবে। তবে চলাচলের বিষয়টি জাহাজের কন্ডিশনের ওপর নির্ভর করে। নতুন জাহাজের মতো কন্ডিশন আমাদের বে ওয়ানের।’

গত ডিসেম্বরে কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেডের তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রাম-সেন্ট মার্টিন রুটে বে ওয়ান চালু হলেও করোনা মহামারির কারণে গত মার্চে অপারেশন বন্ধ রাখা হয়। এবার নতুন উদ্যমে চালু হলেও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ভাড়া ১৭ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

আরও পড়ুন:
শিশুদের বোঝার চেষ্টা করুন
মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে কী করবেন
অনলাইন মিটিংয়ে যে বিষয়গুলো মেনে চলবেন
ওজন কমার ছয়টি কারণ
কাপড় ধোয়ার নিয়মকানুন

শেয়ার করুন

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘নারী নির্যাতন বন্ধ করি কমলা রঙের বিশ্ব গড়ি’

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘নারী নির্যাতন বন্ধ করি কমলা রঙের বিশ্ব গড়ি’

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, আইন জানা নাগরিকের জন্য একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী- এই শব্দগুলো নিয়ে একধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

সব ধরনের আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিতে নিউজবাংলার নিয়মিত আয়োজন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবারের বিষয়: নারী নির্যাতন বন্ধ করি কমলা রঙের বিশ্ব করি’। প্রচারিত হবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

শবনম ফারিয়ার সঞ্চালনায় শনিবার এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার হবে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

আলোচনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার মিতি সানজানা ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের আইন বিভাগের প্রভাষক মেহেরবা সাবরীন। অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করা হবে শাহ্‌ সিমেন্টের সৌজন্যে।

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, আইন জানা নাগরিকের জন্য একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী- এই শব্দগুলো নিয়ে একধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, নাগরিকের আইনি অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি সহজভাবে জানাতে কাজ করবে ‘আমার আইন, আমার অধিকার’। দেয়া হবে পরামর্শ। প্রয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরাসরি আইনি সহায়তাও দেয়া হবে।

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

অনুষ্ঠান চলাকালে ফোন করুন ০২৫৫০৫৫২৮৯ নম্বরে। এ ছাড়া সমস্যা জানাতে ০১৯৫৮০৫৬৬৬৮ নম্বরে ফোন করুন যেকোনো সময়। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন ভিডিও করেও পাঠাতে পারেন একই নম্বরে।

নিউজবাংলার ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/nwsbn24 এবং ই-মেইল [email protected]এ মেসেজ পাঠানোরও সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
শিশুদের বোঝার চেষ্টা করুন
মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে কী করবেন
অনলাইন মিটিংয়ে যে বিষয়গুলো মেনে চলবেন
ওজন কমার ছয়টি কারণ
কাপড় ধোয়ার নিয়মকানুন

শেয়ার করুন