বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জেব্রা পরিবারে নতুন শাবক

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জেব্রা পরিবারে নতুন শাবক

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তবিবুর রহমান বলেন, ‘জেব্রা পরিবারে এর আগে চলতি বছরেই আরও সাতটি জেব্রার জন্ম হয়েছে। নতুন শাবকটি বছরের অষ্টম শাবক।’

গাজীপুরের শ্রীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে এক জেব্রা দম্পতির ঘরে নতুন শাবকের জন্ম হয়েছে।

সোমবার দুপুরে নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক তবিবুর রহমান।

দুপুরে পার্কে গিয়ে শাবকটিকে তার মায়ের সঙ্গে ঘুরতে দেখা যায়। ভোরে জন্ম নেয়া শাবকটি পুরুষ।

এর আগে পার্কে ১৪টি পুরুষ ও ১৬টি মাদি জেব্রা ছিল। নতুন শাবক নিয়ে পার্কে জেব্রার সংখ্যা দাঁড়াল ৩১টিতে।

তবিবুর রহমান বলেন, ‘জেব্রা পরিবারে এর আগে চলতি বছর আরও সাতটি জেব্রার জন্ম হয়। নতুন শাবকটি বছরের অষ্টম শাবক। মা ও শাবক উভয়ই সুস্থ আছে।

‘শাবকটি তার মায়ের সঙ্গে পার্কের বেষ্টনীতে ঘোরাফেরা করছে। আফ্রিকান প্রজাতির পুরুষ জেব্রাগুলো চার ও মাদিগুলো তিন বছরে প্রজননের উপযোগী হয়। প্রাকৃতিক পরিবেশে এরা প্রায় ২০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে।’

সাফারি পার্কের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘মা জেব্রার স্বাস্থ্য বিবেচনায় রেখে খাদ্যে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ঘাসের পাশাপাশি একে দেয়া হচ্ছে ছোলা, গাজর ও ভুষি।’

পার্কের পরিবেশে জেব্রাসহ দেশি-বিদেশি অন্যান্য প্রজাতির পশু-পাখির বংশবৃদ্ধি হচ্ছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার পাটাগোনিয়ান মারা এখন বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে
বঙ্গবন্ধুর নামে তৃতীয় সাফারিপার্ক জুড়ীতে
জুড়ীর লাঠিটিলায় হবে সাফারি পার্ক
দর্শনাথীদের জন্য খুলল বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক
বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জেব্রা শাবকের জন্ম

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শিবির-জামায়াত বিএনপি করে তিনি এখন নৌকার মাঝি

শিবির-জামায়াত বিএনপি করে তিনি এখন নৌকার মাঝি

জামায়ত, শিবির ও বিএনপি পর বর্তমানে নৌকার মাঝি আলাউদ্দিন আলাল।

নৌকার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলাল মাস্টারও জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আগে আমি জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। বিএনপিকেও সমর্থন করতাম। এখন আমি আওয়ামী লীগ করি। আমি এবার নৌকার মাঝি। এই ইউনিয়নে নৌকাই জিতবে, এটা আমার বিশ্বাস।’

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আলাউদ্দিন আলাল ছিলেন শিবিরকর্মী। ১০ বছর আগেও সামলিয়েছেন ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারির দায়িত্ব। ছিলেন বিএনপিতেও।

সেই আলালই আওয়ামী লীগে যোগ দেয়ার এক বছরের মাথায় ২০১৬ সালে ১৭ নম্বর জগন্নাথপুর ইউনিয়ন থেকে নৌকা প্রতীকে হন চেয়ারম্যান। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রধান বিরোধী দুই দলে থাকা এই নেতা এবারও ইউপি নির্বাচনে পেয়েছেন নৌকা।

আলালের বিষয় নিয়ে একাধিকবার কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। দেশে চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে সেই আলালকেই ফের মনোনয়ন দেয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তারা।

জগন্নাথপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি দেবেশ চন্দ্র শর্মা জানান, আলাল মাস্টার একসময় সক্রিয় শিবিরকর্মী ছিলেন। ২০০৯ ও ২০১১ সালে তিনি ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারির দায়িত্বে ছিলেন। পরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ২০১২ সালের ইউপি নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন। ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির হয়ে ভোটকেন্দ্রে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগও করেন।

তিনি বলেন, ‘২০১৫ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে হঠাৎ তিনি আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক পেয়ে যান এবং নির্বাচিত হন। এর পর আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী নিয়ে আলোচনা শুরু হলে ২০১৯ সালে প্রকাশিত রংপুর বিভাগের ৩৮৯ জন অনুপ্রবেশকারীর তালিকায় তার নাম উল্লেখ করা হয়।’

জগন্নাথপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার রায় বলেন, ‘আলাল মাস্টার এমন লোক, যে দল ক্ষমতায় থাকে, সেই দলের হয়ে কাজ করে। তার ছোট ভাই জেনারুল ইউনিয়ন বিএনপির অর্থবিষয়ক সম্পাদক।

‘উনি এই মেয়াদে (চেয়ারম্যান) আওয়ামী লীগ কর্মীদের সব সুবিধা থেকে বঞ্চিত রেখে বিরোধীদের নিয়ে কাজ করেছেন। আবার উনি নৌকা প্রতীকে নির্বাচনে গেলে আওয়ামী লীগ এই ইউনিয়নটি হারাতে পারে।’

ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রাসেল রানা বলেন, ‘ইউনিয়নের যত সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন, সব পেয়েছে বিএনপি-জামায়াতের লোক। তিনি শিবিরকর্মী ছিলেন তারপরও কেন তাকে দুবার নৌকার মনোনয়ন দেয়া হলো? এতে আমাদের যে আওয়ামী লীগ কর্মীরা আছেন, তাদের মধ্যে কোন্দল সৃষ্টি হয়েছে। তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।’

জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল হাকিম জানান, আলাল মাস্টার ছাত্রজীবন থেকে শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে তাকে জগন্নাথপুর ইউনিয়নে সেক্রেটারির দায়িত্ব দেয়া হয়। পরে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন।

তিনি বলেন, ‘যত দূর খবর পাচ্ছি, যারা বিএনপি-জামায়াত থেকে আওয়ামী লীগে যোগদান করছেন, তারাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন পাচ্ছেন। সে জন্য হয়তো তিনি দল বদল করেছেন।’

নৌকার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলাল মাস্টারও জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আগে আমি জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। বিএনপিকেও সমর্থন করতাম। এখন আমি আওয়ামী লীগ করি। আমি এবার নৌকার মাঝি। এই ইউনিয়নে নৌকাই জিতবে, এটা আমার বিশ্বাস। আর যারা আমার নামে অভিযোগ দেয়, তারা আমার ভালো চায় না।’

ঠাকুরগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অরুণাংশু দত্ত টিটো বলেন, ‘আলাল মাস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি আমি জানি। যারা নৌকা প্রতীক চেয়ে পাননি তারাই এসব অভিযোগ নিয়ে ঘুরছেন।

তিনি এর আগেও নৌকার প্রতীকে নির্বাচন করে জয় পেয়েছেন। হয়তো সেই কারণেই কেন্দ্র থেকে তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এটা কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত, আমার কিছু করার নাই।

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার পাটাগোনিয়ান মারা এখন বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে
বঙ্গবন্ধুর নামে তৃতীয় সাফারিপার্ক জুড়ীতে
জুড়ীর লাঠিটিলায় হবে সাফারি পার্ক
দর্শনাথীদের জন্য খুলল বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক
বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জেব্রা শাবকের জন্ম

শেয়ার করুন

সাজেকে আগুনে ছাই রিসোর্ট-রেস্টুরেন্ট

সাজেকে আগুনে ছাই রিসোর্ট-রেস্টুরেন্ট

রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শেষ রাতের আগুনে পর্যটকদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভয়ে তারা ছোটাছুটি শুরু করেন। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।’

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে আগুনে চারটি রিসোর্ট, দুইটি রেস্টুরেন্ট ও একটি বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের দল দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির দাবি, আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ কোটি টাকা।

সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জেরি লুসাই নিউজবাংলাকে বলেন, বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৪টার দিকে অবকাশ নামে একটি রিসোর্ট থেকে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। অবকাশ রিসোর্ট, সাজেক ইকো ভ্যালী রিসোর্ট, মেঘ ছুট রিসোর্ট, মনটানা রিসোর্ট, মারুতি রেস্টুরেন্ট, জাকারিয়া লুসাইয়ের বাসাসহ নির্মাণাধীন একটি রিসোর্ট পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, দীঘিনালা থেকে সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের দল দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে এখন পর্যন্ত কোন ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, ‘শেষ রাতের আগুনে পর্যটকদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভয়ে তারা ছোটাছুটি শুরু করেন। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।’

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার পাটাগোনিয়ান মারা এখন বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে
বঙ্গবন্ধুর নামে তৃতীয় সাফারিপার্ক জুড়ীতে
জুড়ীর লাঠিটিলায় হবে সাফারি পার্ক
দর্শনাথীদের জন্য খুলল বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক
বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জেব্রা শাবকের জন্ম

শেয়ার করুন

কাউন্সিলর সোহেল হত্যা: ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত 

কাউন্সিলর সোহেল হত্যা: ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত 

কাউন্সিলর সোহেল হত্যা মামলার প্রধান আসামি শাহ আলম। ছবি:নিউজবাংলা

কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পরিমল দাস বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মধ্যরাতে চানপুরস্থ গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ধরতে জেলা ডিবি ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের একাধিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। পুলিশও আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি করে। উভয় পক্ষের গোলাগুলির একপর্যায়ে কয়েকজন সন্ত্রাসী পালিয়ে যায়। গোলাগুলি শেষে ঘটনাস্থলে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পিস্তল হাতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে শাহ আলম বলে শনাক্ত করে।’

কুমিল্লায় কাউন্সিলর সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি শাহ আলম পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।

সদর উপজেলার চানপুরস্থ গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় বুধবার রাত দেড়টার দিকে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ও থানা পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে।

শাহ আলম নগরীর ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সুজানগর পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এ সময় তার হাতে থাকা ৭.৬৫ মডেলের একটি পিস্তল উদ্ধার করেছে বলে দাবি পুলিশের।

বুধবার রাত ৩টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পরিমল দাস।

তিনি বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মধ্যরাতে চানপুরস্থ গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ধরতে জেলা ডিবি ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের একাধিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

‘পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। পুলিশও আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি করে। উভয় পক্ষের গোলাগুলির একপর্যায়ে কয়েকজন সন্ত্রাসী পালিয়ে যায়।’


তিনি আরও বলেন, ‘গোলাগুলি শেষে ঘটনাস্থলে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পিস্তল হাতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে শাহ আলম বলে শনাক্ত করে।

‘আহত শাহ আলমকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গোলাগুলিতে পুলিশের দুজন সদস্যও আহত হয়েছেন। আহত পুলিশ সদস্যদের পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শাহ আলমের মরদেহ কুমেক হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।’

এর আগে গত সোমবার মধ্যরাতে মামলার ৩ নম্বর আসামি নগরীর সুজানগর এলাকার মো. সাব্বির রহমান ও মামলার ৫ নম্বর আসামি নগরীর সংরাইশ এলাকার সাজন পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছিলেন।

গত ২২ নভেম্বর বিকেল ৪টার দিকে নগরীর পাথরিয়াপাড়া থ্রি স্টার এন্টারপ্রাইজে কাউন্সিলর কার্যালয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন কাউন্সিলর সোহেলসহ দুজন।

কাউন্সিলর সোহেল কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ও ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। নিহত হরিপদ সাহা নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য এবং সাহাপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

জোড়া খুনের ঘটনায় গত ২৩ নভেম্বর রাতে কাউন্সিলর সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার পাটাগোনিয়ান মারা এখন বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে
বঙ্গবন্ধুর নামে তৃতীয় সাফারিপার্ক জুড়ীতে
জুড়ীর লাঠিটিলায় হবে সাফারি পার্ক
দর্শনাথীদের জন্য খুলল বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক
বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জেব্রা শাবকের জন্ম

শেয়ার করুন

নীরবে চলে গেল বীরপ্রতীক তারামন বিবির মৃত্যুবার্ষিকী

নীরবে চলে গেল বীরপ্রতীক তারামন বিবির মৃত্যুবার্ষিকী

বীরপ্রতীক তারামন বিবি। ফাইল ছবি

বীরপ্রতীক তারামন বিবির ছেলে আবু তাহের বলেন, ‘আজ আমার মায়ের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। অথচ ঘরোয়াভাবে পালন করতে হচ্ছে আমাদের। সরকারি-বেসরকারি এমনকি কোনো সামাজিক সংগঠনও মায়ের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কোনো কর্মসূচি নেয়নি।’

বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মাত্র দুই নারীর একজন তারামন বিবির মৃত্যুবার্ষিকী ছিল বুধবার। ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর বার্ধক্যজনিত কারণে কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার নিজ বাড়িতে মৃত্যু হয় তার।

রণাঙ্গনের এই বীর মুক্তিযোদ্ধার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে সরকারি অথবা বেসরকারিভাবে কোনো আয়োজনই করা হয়নি। পারিবারিকভাবে মিলাদ মাহফিলেই শেষ হয়েছে তার মৃত্যুবার্ষিকী।

বীরপ্রতীক তারামন বিবির ছেলে আবু তাহের বলেন, ‘আজ আমার মায়ের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। অথচ ঘরোয়াভাবে পালন করতে হচ্ছে আমাদের। সরকারি-বেসরকারি এমনকি কোনো সামাজিক সংগঠনও মায়ের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কোনো কর্মসূচি নেয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০১৮ সালে রাজীবপুর উপজেলায় কাচারীপাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে মা মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ পারিবারিকভাবে সন্ধ্যায় দোয়া অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এতিমদের খাওয়ানো হয়েছে। এ ছাড়া কুড়িগ্রামের আরাজী পলাশবাড়ী এলাকার গুচ্ছপাড়া গ্রামের বাড়িতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।’

বীরপ্রতীক তারামন বিবির ভাই হাসান মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, ‘যখন বুবু বেঁচে ছিল, তখন সরকারের লোক, দলীয় লোক এবং মুক্তিযোদ্ধারা অনেক খোঁজখবর নিয়েছিল, কিন্তু আজ বুবুর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী হতে চললেও কেউ ফোন দিয়ে খবর নেয় না।

‘আমার নিজেরও অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো না। তাই তেমন কিছু করতে পারি না। সামর্থ্য যা হয় তাই দিয়ে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করি।’

তারামন বিবি ছিলেন রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নের শংকর মাধবপুর গ্রামের প্রয়াত আব্দুস সোবহানের সাত ছেলে-মেয়ের মধ্যে তৃতীয় কন্যাসন্তান। তিনি লেখাপড়ার সুযোগ পাননি। অন্যের বাড়িতে কাজ করতেন।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে রান্না করতেন ১৪ বছরের তারামন বিবি। রান্না করতে করতে অস্ত্র চালাতে শেখেন তিনি। তারপর রান্নার খুন্তি ফেলে রাইফেল হাতে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে অংশ নেন সম্মুখ সমরে।

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে বীরপ্রতীক খেতাব দেয়া হলেও সে কথা তিনি দীর্ঘ ২৫ বছর জানতে পারেননি।

ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বিমল কান্তি দে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান আলী এবং রাজিবপুর কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুস সবুর ফারুকীর সহায়তায় তাকে খুঁজে বের করেন। এরপর ১৯৯৫ সালের শেষ দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে বীরপ্রতীক খেতাবের পদক তুলে দেয়া হয়।

রাজীবপুরের সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হাই সরকার জানান, বীরপ্রতীক তারামন বিবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়নি।

রাজীবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত চক্রবর্তী জানান, বীরপ্রতীক তারামন বিবির তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সরকারি কোনো নির্দেশনা পাননি। তিনিসহ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরো, ওসি মজাহারুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেলাল হোসেন, সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুস সবুর ফারুকীসহ কয়েকজন তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার পাটাগোনিয়ান মারা এখন বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে
বঙ্গবন্ধুর নামে তৃতীয় সাফারিপার্ক জুড়ীতে
জুড়ীর লাঠিটিলায় হবে সাফারি পার্ক
দর্শনাথীদের জন্য খুলল বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক
বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জেব্রা শাবকের জন্ম

শেয়ার করুন

‘আপনার সঙ্গে কথা বলব, এটা আসলে ভাবি নাই তখন’ 

‘আপনার সঙ্গে কথা বলব, এটা আসলে ভাবি নাই তখন’ 

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বুধবার রাতে জরুরি অবতরণ করা বিমান। ছবি: নিউজবাংলা

চট্টগ্রামে জরুরি অবতরণ করা বিমানের যাত্রী ডা. নোমান খালেদ চৌধুরী জানান, শুরুতে তাদের কিছু বলা না হলেও পরে জানানো হয় বিমানে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তারা দেখেন বিমানটি একবার ওপরে উঠছে আবার নামছে। তীব্র ঝাঁকুনিও দিচ্ছিল। প্রায় ৪০ মিনিট অবিশ্বাস্য একটা পরিস্থিতির মধ্যে ছিলেন তারা। তবে পাইলট দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন।

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বুধবার রাতে জরুরি অবতরণ করা বিমানের যাত্রী ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক নোমান খালেদ চৌধুরী।

ঢাকার বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিউরো সার্জারির পরীক্ষা নিয়ে চট্টগ্রাম ফিরছিলেন তিনি। তাকে বহনকারী বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিমানটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়ায় রাত ৯টা ৪০ মিনিটে শাহ আমানতে জরুরি অবতরণ করে।

এর আগে প্রায় ৪০ মিনিট বিমানটি অবতরণের জন্য একাধিকবার চেষ্টা করে। শেষ পর্যন্ত নিরাপদে অবতরণ করলেও সেই সময়টি ছিল বিমানের ৪২ যাত্রীর জন্য ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। নিউজবাংলাকে সেই সময়ের কথা বলেছেন খালেদ।

তিনি বলেন, ‘শুরুতে কিছু বলেনি ওরা। কিছুক্ষণ পর বললেন যে একটু সমস্যা হচ্ছে। সমস্যার কারণ ওনারা বলেননি। এই ফাঁকে আমরা দেখতেছি যে বিমান ওঠানামা করতেছে। একবার ওপরে উঠতেছে, একবার নিচে নামতেছে।

‘ওপর থেকে নিচের দিকে নেমে হেভি ঝাঁকি দিতেছে। মনে হচ্ছিল পড়েই যাবে। আবার মনে হচ্ছে ওপরেই উঠতেছে। মানে টেকনিক্যালি ঘুরতেছে। তিনবার কী পাঁচবার ল্যান্ড করার চেষ্টা করছে। আবার উঠে গেছে, আবার নামছে। মোট ৪০ মিনিট অবিশ্বাস্য একটা পরিস্থিতি ছিল। বাট ক্যাপ্টেন অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ম্যানেজ করেছেন।’

খালেদ আরও বলেন, ‘বুঝতেই পারছেন, সবার একই অবস্থা। সবাই আল্লাহর নাম নিচ্ছিলেন। সম্ভবত আমরা সবাই আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করছিলাম। আপনার সঙ্গে কথা বলব, এটা আসলে ভাবি নাই তখন।’

নিরাপদ অবতরণের জন্য পাইলটের পরিস্থিতি মোকাবিলার ক্ষমতার প্রশংসা করেন এ চিকিৎসক। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমি এটুকুই বলব, পাইলট অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন। অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। এই ধরনের পরিস্থিতিতে যে কেউ পাগল হয়ে যেতে পারে। আমরাও জটিল কোনো অপারেশনের সময় পাগল হয়ে যাই।

‘আমি যা বলছি, একদম মন থেকেই বলছি। যেহেতু আমি এ-টু-এর যাত্রী ছিলাম, সামনে ছিলাম। ওনাদের অনেক কথোপকথনও আমি শুনেছি। সেসব বলা যাবে না। এটুকু বলি, ক্যাপ্টেন অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে, ধৈর্যের সঙ্গে, দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন। এই ক্রেডিট অবশ্যই আমি দেব। এটা না হলে আমরা হয়তো ল্যান্ড করতে পারতাম না।’

পাইলটের কথোপকথন শুনে কিছু আঁচ করতে পেরেছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা আঁচ করতে পেরেছিলাম বলতে, ওনারা ভয় পাচ্ছিলেন যে, কোনো বিপদ ঘটে যাবে কি না।

‘বিমান যখন ল্যান্ড করল, বেশ কিছু অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে ছিল। মানে ওনারা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য রেডি ছিলেন। হয়তো ওনারা আশঙ্কা করছিলেন, বাট সবকিছুর ওপরই তো আল্লাহ। আল্লাহর রহমত ছিল।’

ওই ফ্লাইটে একজন সংসদ সদস্যসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিমানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ছিলেন। একজন সংসদ সদস্য ছিলেন। সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও ছিলেন।

‘বাট এসব ক্ষেত্রে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আর ভূরুঙ্গামারির প্রেসিডেন্ট সেইম। কারণ আমরা সবাই একই সমস্যায় পড়েছিলাম, যার পরিণতি কেউ জানে না।’

যাত্রীদেরও প্রশংসা করেন তিনি। বলেন, ‘শুরুতে সবাই উদ্বিগ্ন ছিলেন, কিন্তু পরে সবাই পরিস্থিতি মেনে নিয়ে শান্ত হয়ে গেছেন। বাট ক্যাপ্টেনের কথা বলতেই হয়, তিনি অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।’

বুধবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ল্যান্ডিং গিয়ারে সমস্যা দেখা দেয়ায় চট্টগ্রামে জরুরি অবতরণ করে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বিমানটি। নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সেখানে বিমান বাংলাদেশের সহকারী ম্যানেজার ওমর ফারুক।

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার পাটাগোনিয়ান মারা এখন বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে
বঙ্গবন্ধুর নামে তৃতীয় সাফারিপার্ক জুড়ীতে
জুড়ীর লাঠিটিলায় হবে সাফারি পার্ক
দর্শনাথীদের জন্য খুলল বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক
বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জেব্রা শাবকের জন্ম

শেয়ার করুন

ভোট নিয়ে বিবাদে বাড়িঘরে আগুন গুলি, ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার

ভোট নিয়ে বিবাদে বাড়িঘরে আগুন গুলি, ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার

রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নে নির্বাচনি সংঘর্ষের সময় দেয়া আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত একটি বাড়ি। ছবি: নিউজবাংলা

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির হোসেন জানান, মামলার ২ নম্বর আসামি ও কায়েতপাড়া ইউনিয়নে সদ্য নির্বাচিত ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে জয়-পরাজয়কে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষ ও বাড়িঘরে আগুন দেয়ার ঘটনায় হওয়া মামলায় নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মোশারফ হোসেনের বোন সালেহা ভূঁইয়া বুধবার রাত ৮টার দিকে মামলাটি করেন। এতে ২৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে ২০০-৩০০ জনকে।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির হোসেন নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মামলার ২ নম্বর আসামি ও কায়েতপাড়া ইউনিয়নে সদ্য নির্বাচিত ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের নাউরা এলাকায় মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সংঘর্ষে জড়ায় জয়ী ও পরাজিত ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থকরা। এতে নারীসহ ২ জন গুলিবিদ্ধ ছাড়াও আহত হন অন্তত ১০ জন।

ওই সময় আওয়ামী লীগ নেতা মোশারফ হোসেনের বাড়িসহ পাঁচটি ঘরে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনার পর বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নাওড়া এলাকায় পুলিশের শক্ত অবস্থান দেখা গেছে। তারা ওই গ্রামের প্রবেশপথসহ বিভিন্ন স্থানে টহল দিয়েছেন। পুলিশ ছাড়াও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা সারা দিন সেখানে ছিলেন।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো জানায়, বাড়িগুলোতে অনেক আসবাবপত্র ছিল। পাশাপাশি অনেকের ঘরে টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালঙ্কার রাখা ছিল। আগুনে সব পুড়ে গেছে। এ ছাড়া হামলাকারীরা গোয়াল ঘর থেকে গরু ও ছাগলও নিয়ে গেছে।

এদিকে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ ও আহতদের আর্থিক সহযোগিতা দিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক। দুপুরে তিনি ২০টি পরিবারকে ৫০ হাজার করে টাকা অনুদান দেন।

এ সময় গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, ‘নির্বাচনে এ গ্রামের মানুষ যারা নৌকায় ভোট দিয়েছেন, তাদের ঘরে এ হামলা চালানো হয়েছে। প্রশাসন যদি শক্ত অবস্থান নিত, তাহলে এ ঘটনা ঘটার কথা ছিল না।

‘যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। নয়তো তাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ হবে না।’

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার পাটাগোনিয়ান মারা এখন বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে
বঙ্গবন্ধুর নামে তৃতীয় সাফারিপার্ক জুড়ীতে
জুড়ীর লাঠিটিলায় হবে সাফারি পার্ক
দর্শনাথীদের জন্য খুলল বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক
বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জেব্রা শাবকের জন্ম

শেয়ার করুন

ঠাট্টার ছলে যৌনাঙ্গে লাথিতেই বন্ধুর মৃত্যু

ঠাট্টার ছলে যৌনাঙ্গে লাথিতেই বন্ধুর মৃত্যু

বগুড়ার পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন জানান, গত ২৮ জুন শমসের ও মোস্তফা কাজ শেষে স-মিলে ফিরছিলেন। পথে মম ইন পার্কের পেছনে করতোয়া নদীর ধারে তাদের দেখা হয়। গল্পের এক পর্যায়ে ঠাট্টার ছলে শমসেরের যৌনাঙ্গে লাথি মারেন মোস্তফা। ঘটনাস্থলেই মারা যান শমসের। আতঙ্কে শমসেরের মরদেহ বেঁধে নদীর তীরে ফেলে পালিয়ে যান মোস্তফা।

বগুড়ায় প্রায় পাঁচ মাস আগের একটি হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই।

বাহিনীটি বলছে, যৌনাঙ্গে গুরুতর আঘাতের কারণে মৃত্যু হয়েছিল শমসের আলী নামে ওই ব্যক্তির। পরে তার মরদেহ বেঁধে করতোয়া নদীর তীরে ফেলে যায় শমসেরের বন্ধু মো. মোস্তফা।

বগুড়ার পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের এসব জানান।

তিনি বলেন, ‘সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলা থেকে মোস্তফাকে আটক করা হয়।’

মোস্তফার বরাতে এসপি জানান, শমসের ও মোস্তফা বগুড়াসহ বিভিন্ন জেলা ঘুরে ধানের জমিতে কাজ করতেন। তাদের দুজনের বাড়ি নীলফামারী জেলায়। গত জুনে মাটিডালীর একটি স-মিলে আরও সাত-আটজনের সঙ্গে থাকা শুরু করেন। দিনের বেলায় কৃষিজমিতে কাজ করতেন, রাতে স-মিলে ঘুমাতেন।

গত ২৮ জুন শমসের ও মোস্তফা কাজ শেষে স-মিলে ফিরছিলেন। পথে মম ইন পার্কের পেছনে করতোয়া নদীর ধারে তাদের দেখা হয়। গল্পের এক পর্যায়ে ঠাট্টার ছলে শমসেরের যৌনাঙ্গে লাথি মারেন মোস্তফা। ঘটনাস্থলেই মারা যান শমসের। আতঙ্কে শমসেরের মরদেহ বেঁধে নদীর তীরে ফেলে পালিয়ে যান মোস্তফা।

পরদিন স্থানীয়রা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। এ ঘটনায় সদর থানায় মামলা হলেও পিবিআই মামলাটির তদন্ত শুরু করে।

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার পাটাগোনিয়ান মারা এখন বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে
বঙ্গবন্ধুর নামে তৃতীয় সাফারিপার্ক জুড়ীতে
জুড়ীর লাঠিটিলায় হবে সাফারি পার্ক
দর্শনাথীদের জন্য খুলল বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক
বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জেব্রা শাবকের জন্ম

শেয়ার করুন