বিশ্বব্যাংকের গবেষণা

জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ

জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ

ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা। ফাইল ছবি

আবহাওয়া যেভাবে বদলে যাচ্ছে, তাতে ঢাকা, চট্টগ্রামের মতো বড় শহরগুলোতে বর্ষাকালে ডেঙ্গুর মতো বাহকনির্ভর রোগের প্রকোপ বাড়ছে। আবার শুকনো মৌসুমে এসব শহরে বাড়ছে শ্বাসতন্ত্রের রোগ, যাতে মূল ভূমিকা রাখছে বায়ুদূষণ।  

জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়াচ্ছে বলে বিশ্বব্যাংকের এক গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে।

বৈশ্বিক আর্থিক খাতের মোড়ল সংস্থাটি বলছে, এক ঋতুর সঙ্গে আরেক ঋতুর যে তফাৎ, বাংলাদেশে তা মুছে যাচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কায়। সেই সঙ্গে তৈরি হচ্ছে নতুন বিপদ। মৌসুম হোক বা না হোক, ডেঙ্গুর মতো বাহকনির্ভর রোগের প্রকোপ বাড়ছে শহর এলাকায়।

বিশ্বব্যাংকের গবেষণা বলছে, আর্দ্রতা কমে আসার পাশাপাশি তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের মাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভবিষ্যতে দেশের রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়তে পারে।

জলবায়ু যেভাবে বদলে যাচ্ছে, তাতে জনস্বাস্থ্যের ওপর এরই মধ্যে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। আগামী দিনগুলোতে তা আরও বাড়তে পারে বলে আভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৭৬ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে বাংলাদেশে গড় তাপমাত্রা বেড়ে গেছে শূন্য দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর তার ফলে ধীরে ধীরে লোপ পাচ্ছে ঋতুভেদে আবহাওয়ার বৈচিত্র্য।

প্রতি বছর গ্রীষ্মের সময়টা একটু একটু করে বেড়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে গরম। ক্যালেন্ডারে যে সময়টায় শীত থাকার কথা, তখনও তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি থাকছে।

সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে গড় বৃষ্টিপাত বেড়ে যাওয়ায় দীর্ঘ হচ্ছে বর্ষাকাল। অথচ যে সময়টায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হতো আগে, সেই জুন-আগস্ট মৌসুমে গড় বৃষ্টিপাত কমে যাচ্ছে।

এর ফল হচ্ছে অন্যরকম। এ সময়টায় যেসব রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়, তা আরও বেশি সময় ধরে ছড়ানোর মতো উপযুক্ত তাপমাত্রা ও বৃষ্টির পরিবেশ পাচ্ছে।

দেখা গেছে, ১৯৯০ সালের পর থেকে পুরো বিশ্বেই এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুর প্রকোপ প্রতি এক দশকে দ্বিগুণ হচ্ছে।

বর্ষাকালের তুলনায় শুকনো মৌসুমে সংক্রামক রোগের প্রবণতা ১৯.৭ শতাংশ কমে আসে। ডেঙ্গু বা ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের ক্ষেত্রে এটা আরও বেশি প্রযোজ্য।

এসব রোগে প্রতি বছর যতসংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হয়, তার ২৫ শতাংশ হয় বর্ষাকালে। আর শীতকালে হয় ১৪ শতাংশ। এর মানে হলো বর্ষাকালের দৈর্ঘ্য বাড়লে এসব রোগের মৌসুমও দীর্ঘ হবে।

বাংলাদেশে ডেঙ্গুর বড় প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল ২০১৯ সালে। ওই বছরের তথ্য তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়, সারা দেশে যত মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল, তার অর্ধেকই ঢাকায়। আর ঢাকায় ডেঙ্গুতে মৃত্যুর হার ছিল সারা দেশে মোট মৃত্যুর ৭৭ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংক বলছে, ওই বছরের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় ভারী বর্ষণের সঙ্গে পরের মাসগুলোর অনুকূল তাপমাত্রা আর আর্দ্রতা ডেঙ্গুর ব্যাপক বিস্তারে ভূমিকা রেখেছিল।

আবহাওয়া যেভাবে বদলে যাচ্ছে, তাতে ঢাকা, চট্টগ্রামের মতো বড় শহরগুলোতে বর্ষাকালে ডেঙ্গুর মতো বাহকনির্ভর রোগের প্রকোপ বাড়ছে। আবার শুকনো মৌসুমে এসব শহরে বাড়ছে শ্বাসতন্ত্রের রোগ, যাতে মূল ভূমিকা রাখছে বায়ুদূষণ।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব পড়ছে। গবেষণায় দেখা যায়, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের উদ্বেগে ভোগার প্রবণতাও বেড়ে যায়। আর গ্রামের তুলনায় শহরের মানুষের ওপর এর প্রভাব পড়ে বেশি। নারীদের তুলনায় পুরুষরা বেশি মাত্রায় উদ্বেগে ভোগেন।

জলবায়ু বদলে যাওয়ার প্রবণতা যত দ্রুত হচ্ছে, স্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাবও ততই বাড়ার শঙ্কা দেখা যাচ্ছে।

বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা ১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যেতে পারে। আর ২১০০ সাল নাগাদ তা বেড়ে যেতে পারে ২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত।

২০৪০ থেকে ২০৫৯ সালের মধ্যে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে ৭৪ মিলিমিটার।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ২০৩ জন, মৃত্যু ২
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৯২ রোগী, মৃত ২
ডেঙ্গু নিয়ে ঢাকায় ১৪৩, সারা দেশে ৫১ জন হাসপাতালে
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৮৮ জন
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৬৫ জন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

করোনায় আরও ৫ মৃত্যু, শনাক্ত ২৮৯

করোনায় আরও ৫ মৃত্যু, শনাক্ত ২৮৯

ফাইল ছবি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ৮৩৩টি ল্যাবে করোনার ২০ হাজার ৭৭৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার এক দশমিক ৩৯ শতাংশ। দেশে এ নিয়ে টানা ৩৩ দিন করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে আরও ২৮৯ জনের শরীরে।

সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, দেশে এ নিয়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ৯৮১ জনের শরীরে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৮২৮ জনের।

২৪ ঘণ্টায় দেশের ৮৩৩টি ল্যাবে করোনার ২০ হাজার ৭৭৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার এক দশমিক ৩৯ শতাংশ। দেশে এ নিয়ে টানা ৩৩ দিন করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে।

গত এক দিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছে ৪১৩ জন। এ পর্যন্ত হয়েছে সুস্থ ১৫ লাখ ৩১ হাজার ৭৪০ জন। সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ২ জন ও ৩ জন নারী। এর মধ্যে পঞ্চাশোর্ধ্ব ২, ষাটোর্ধ্ব ৩ জন।

বিভাগ অনুযায়ী ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ২ জন করে মারা গেছে। এছাড়া খুলনা বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

গত বছরের মার্চে ছড়ানো করোনা বছরের শেষে নিয়ন্ত্রণে আসার পর চলতি বছর এপ্রিলের আগে থেকে আবার বাড়তে থাকে। এর মধ্যে প্রাণঘাতী ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার পর এপ্রিলের শুরুতে লকডাউন এবং ১ জুলাই থেকে শাটডাউন দেয় সরকার।

সংক্রমণ কমে আসার পর আগস্টের মাঝামাঝি থেকে ধীরে ধীরে সব বিধিনিষেধ তুলে নেয়া শুরু হয়। এর অংশ হিসেবে ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ২০৩ জন, মৃত্যু ২
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৯২ রোগী, মৃত ২
ডেঙ্গু নিয়ে ঢাকায় ১৪৩, সারা দেশে ৫১ জন হাসপাতালে
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৮৮ জন
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৬৫ জন

শেয়ার করুন

বায়োপসি হয়েছে খালেদার

বায়োপসি হয়েছে খালেদার

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে বায়োপসি হয়েছে খালেদা জিয়ার। ফাইল ছবি

রোগ শনাক্তের অংশ হিসেবে দেহের কোনো অংশ থেকে টিস্যু নেয়াকে বায়োপসি বলা হয়। এ প্রক্রিয়ায় সুচের সাহয্যে ছোট্ট নমুনা টিস্যু সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। শরীরে সন্দেহজনক কোনো পিণ্ড বা টিউমারে ক্যানসার ছড়িয়েছে কি না, সেটি নিশ্চিতে বায়োপসি করা হয়ে থাকে।

রাজধানী এভারকেয়ার হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বায়োপসি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার চিকিৎসক দলের সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সোমবার বিকেলে তিনি এ কথা জানান।

এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন কার্যালয়ের প্রেস উইং সূত্র জানিয়েছিল, সোমবার দুপুরে খালেদা জিয়াকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়।

জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট্ট একটি অপারেশন হয়েছে। শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর চিকিৎসকরা দেখলেন, উনার একটা বায়োপসি করা দরকার। ছোট একটা লাম্প (পিণ্ড) আছে এক জায়গায়। যেহেতু লাম্প আছে, তার নেচার অফ ভিউ জানার জন্য লাম্পে বায়োপসি করা হয়েছে।

‘অপারেশনের পরে বেগম জিয়া সুস্থ আছেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলাপ করেছেন। এখন তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। তিনি সব ধরনের বিপদমুক্ত।’

বায়োপসির পর ফল পেতে কেমন সময় লাগতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে জাহিদ বলেন, ‘এটা ৭২ ঘণ্টাও লাগতে পারে। এ ধরনের অপারেশনের পর কখনো কখনো ১৫ থেকে ২১ দিনও সময় লাগে। আমেরিকার মতো জায়গায়ও এমন হয়। ফলে আজকেই বলা যাবে না নেচার অফ অরিজিন কী।’

ডা. জাহিদ বলেন, ‘বায়োপসি করার পরিপ্রেক্ষিতে রেজাল্ট পেতে সময় লাগে। উনি সুস্থ আছেন।’

এ চিকিৎসক বলেন, ‘অপারেশনের পর বেগম জিয়ার ভাইটাল প্যারামিটারগুলো স্ট্যাবল (স্থিতিশীল) আছে। এখন তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। বায়োপসি ডায়াগনস্টিক পার্ট। পরের চিকিৎসা কী হবে, সেটা ঠিক হবে পরে।’

দেশের বাইরে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে ডা. জাহিদ বলেন, ‘ডেডিকেটেড হাসপাতালে তার চিকিৎসার প্রয়োজন আছে। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন, তিনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং দেশের বাইরে চিকিৎসা নিশ্চিত করা যায়। সবাই যথাযথ ভূমিকা পালন করবেন।’

এক সাংবাদিক লাম্পটা কোন জায়গায় জানতে চাইলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন ডা. জাহিদ।

তিনি বলেন, ‘আপনি এ রকমভাবে কথা বলেন কেন? আমি বলেছি একটা ছোট লাম্প আছে। সেটার জন্য বায়োপসি করতে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়েছে। আর কিছু না।’

ওই সময় পাশে থাকা বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাকে শান্ত করে দিয়ে মাইক নিয়ে বলেন, ‘আপনারা মোরালিটির জায়গাটা দেখেন; এথিকসটা দেখেন। সে ব্যাপারে সহযোগিতা করে আমাদের পাশে থাকেন।

‘আমরা বলেছি কতটুক কী হয়েছে। একটা পেশেন্টের প্রাইভেসি থাকে। কোথায় কী হয়েছে, সেটা বলা যায় না।’

বায়োপসি কী

রোগ শনাক্তের অংশ হিসেবে দেহের কোনো অংশ থেকে টিস্যু নেয়াকে বায়োপসি বলা হয়। এ প্রক্রিয়ায় সুচের সাহয্যে ছোট্ট নমুনা টিস্যু সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। শরীরে সন্দেহজনক কোনো পিণ্ড বা টিউমারে ক্যানসার ছড়িয়েছে কি না, সেটি নিশ্চিতে বায়োপসি করা হয়ে থাকে।

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের কনসালট্যান্ট উম্মে নাজমিন ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মূলত ক্যানসার রোগ নির্ণয় করার জন্য বায়োপসি করা হয়। এই পরীক্ষার মধ্য দিয়ে মানবদেহের কোষ সংগ্রহ করা হয়। তাই এই পরীক্ষা দিয়ে কোনো কোনো টিউমার ক্যানসারের জন্য দায়ী না হলেও সেগুলো সম্পর্কে জানা যায়।

‘টিবি (যক্ষ্মা) নির্ণয় করতেও বায়োপসির প্রয়োজন হয়। এ ছাড়া রক্তনালিতে তৈরি টিউমার শনাক্ত করতেও বায়োপসি করা হয়।’

কোন ধরনের জটিলতায় ভুগছেন খালেদা জিয়া

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া অনেক বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাকে অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হচ্ছে।

তারা জানান, নতুন করে খালেদার কিডনি সমস্যা বেড়েছে; রক্তে হিমোগ্লোবিনের ঘাটতিও রয়েছে। এর মধ্যে আবার থেমে থেমে জ্বর আসায় একাধিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়।

জ্বর আসায় গত ১২ অক্টোবর খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে করোনাভাইরাসসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে টানা ৫৪ দিন একই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি।

বিদেশে চিকিৎসা প্রয়োজন: ফখরুল

বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেয়ার বিষয়ে তার মেডিক্যাল বোর্ড পরামর্শ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দলটির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ কথা জানান।

ফখরুল বলেন, ‘ম্যাডাম বিপদমুক্ত। যতগুলো পুরোনো ডিজিজ তার আছে, এ জন্য তার মাল্টি অ্যাডভান্স সেন্টারে চিকিৎসা প্রয়োজন। আমাদের দেশের হাসপাতালগুলোতে এ ব্যবস্থা নেই। এটা আমরা বারবার বলে আসছি।’

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ২০৩ জন, মৃত্যু ২
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৯২ রোগী, মৃত ২
ডেঙ্গু নিয়ে ঢাকায় ১৪৩, সারা দেশে ৫১ জন হাসপাতালে
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৮৮ জন
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৬৫ জন

শেয়ার করুন

হার্ট অ্যাটাকের কারণ

হার্ট অ্যাটাকের কারণ

কাওয়াসাকি রোগ থেকে থ্রম্বোসিসের সমস্যা হলে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সীরাও ঝুঁকিতে থাকেন। 

আজকাল বহু মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হচ্ছে হার্ট অ্যাটাক। বিশেষ করে ৪০ বছরের ওপর যারা আছেন তাদের ক্ষেত্রে এ ঝুঁকি যেন সবচেয়ে বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে হার্ট অ্যাটাকের কিছু বিশেষ কারণ রয়েছে। চলুন জেনে নেয়া যাক কারণগুলো।

১. অনেকেরই জন্মগতভাবে শরীরের বিভিন্ন শিরা বা ধমনির মাপ ছোট হয়ে থাকে। সেসব মানুষ যখন অতিরিক্ত শারীরিক কসরত করে, তখন তাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

২. কাওয়াসাকি রোগ থেকে থ্রম্বোসিসের সমস্যা হলে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সীরাও ঝুঁকিতে থাকেন।

৩. অতিরিক্ত ধূমপান সিগারেট, গাঁজা বা হুক্কার নেশা করলে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার মতো সমস্যা তৈরি হয়। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বেড়ে যায়।

৪. লিপিড মেটাবলিজমের সমস্যা থাকলে কম বয়সেই হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারে। এটি হৃদরোগের অন্যতম কারণ বলে বিবেচিত।

৫. কোনো কারণে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলেও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

৬. অতিরিক্ত ফাস্টফুড, তৈলাক্ত বা দুগ্ধজাত খাবার খেলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বাড়ে।

৭. অ্যালকোহলে আসক্ত এবং ডায়বেটিস আক্রান্ত মানুষেরও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি।

এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, কম বয়সে আচমকা বুকে সামান্য ব্যথা অনুভব করলে, তা এড়িয়ে না গিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসার সুযোগ আগে থেকেই পাওয়া যায়। ক্রান্তীয় পরিবেশে যেহেতু কোলেস্টেরল আর ডায়াবেটিসের প্রবণতা বেশি, সে ক্ষেত্রে আগাম সতর্কতা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ২০৩ জন, মৃত্যু ২
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৯২ রোগী, মৃত ২
ডেঙ্গু নিয়ে ঢাকায় ১৪৩, সারা দেশে ৫১ জন হাসপাতালে
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৮৮ জন
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৬৫ জন

শেয়ার করুন

অপারেশন থিয়েটারে খালেদা জিয়া

অপারেশন থিয়েটারে খালেদা জিয়া

দুপুরে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয় খালেদা জিয়াকে। ফাইল ছবি

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া অনেক বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাকে এন্টিবায়োটিক দেয়া হচ্ছে। নতুন করে খালেদা জিয়ার কিডনি সমস্যা বেড়েছে; রক্তে হিমোগ্লোবিনের ঘাটতিও রয়েছে। এর মধ্যে আবার থেমে থেমে জ্বর আসায় একাধিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপারসন কার্যালয়ের প্রেস উইং সূত্র জানিয়েছে, সোমবার দুপুরে খালেদা জিয়াকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া অনেক বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাকে এন্টিবায়োটিক দেয়া হচ্ছে।

তারা জানান, নতুন করে খালেদার কিডনি সমস্যা বেড়েছে; রক্তে হিমোগ্লোবিনের ঘাটতিও রয়েছে। এর মধ্যে আবার থেমে থেমে জ্বর আসায় একাধিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়।

গত ১২ অক্টোবর জ্বর আসায় খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বর্তমানে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এর আগে করোনাভাইরাসসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে টানা ৫৪ দিন একই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি।

‘পুত্রবধূর সঙ্গে সাক্ষাৎ’

এদিকে বিএনপির একটি সূত্র জানায়, গত রোববার লন্ডন থেকে ঢাকায় এসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে খালেদা জিয়াকে দেখে যান আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান সিঁথি।

ওই সূত্র জানায়, রাত সোয়া ৯টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে প্রবেশ করেন সিঁথি। এরপর বের হন রাত ১১টার দিকে। বর্তমানে তিনি খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় আছেন।

এ বিষয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন কার্যালয়ের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দেখা করার বিষয়ে আমি আসলে জানি না, তবে ম্যাডামের চিকিৎসার বিষয়ে আজ বিকেল ৪টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।’

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ২০৩ জন, মৃত্যু ২
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৯২ রোগী, মৃত ২
ডেঙ্গু নিয়ে ঢাকায় ১৪৩, সারা দেশে ৫১ জন হাসপাতালে
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৮৮ জন
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৬৫ জন

শেয়ার করুন

লাইসেন্সধারী ইউনানী কারখানায় ফের নকল ওষুধ

লাইসেন্সধারী ইউনানী কারখানায় ফের নকল ওষুধ

নকল ওষুধসহ গ্রেপ্তারকৃত জহির।

ওই কারখানা থেকে ২ হাজার ৫৫০ পিস ক্যাপসুল, ২৫০টি খালি কৌটা, ৫০ হাজার পিস খালি ক্যাপসুলের সেল ও এক হাজার কাগজের লেভেল জব্দ করা হয়েছে।

ইউনানী ওষুধ উৎপাদনের লাইসেন্স নিয়ে কারখানায় বানানো হয় নকল ওষুধ। এবার এমন আরও একটি কারখানার সন্ধান পেয়েছে গোয়েন্দারা।

শনিবার রাতে খিলগাঁও পূর্বনন্দী পাড়ার নেওয়াজবাগ এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধসহ কারখানার মালিককে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের লালবাগ বিভাগ।

রোববার গ্রেপ্তারকৃত ড্রাগ ফেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের মালিক মোহাম্মদ জহিরকে আদালতে পাঠানো হলে তাকে এক দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নকল ওষুধ বানানোর কথা স্বীকার করেছেন জহির। কীভাবে, কাদের মাধ্যমে এসব ওষুদ বাজারজাত করা হয়, এ ব্যাপারে তথ্য পেয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

ডিবি লালবাগের কোতয়ালী জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সাইফুর রহমান আজাদ জানান, গ্রেপ্তারের আগে জহির ওষুধ তৈরি ও বিক্রির জন্য ঔষধ প্রশাসনের কোনো কাগজ দেখাতে পারেননি।

বিপুল পরিমাণ নকল আয়ুর্বেদিক ওষুধ উদ্ধার সম্পর্কে ডিবি কর্মকর্তা বলেন, ‘তার কারখানা থেকে ২ হাজার ৫৫০ পিস ক্যাপসুল, ২৫০টি খালি কৌটা, ৫০ হাজার পিস খালি ক্যাপসুলের সেল ও এক হাজার কাগজের লেভেল জব্দ করা হয়েছে।’

এসব নকল ওষুধ ড্রাগ ফেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস (ইউনানী)-এর মোড়কে কার্ডোভিট মাল্টিভিটামিন অ্যান্ড মাল্টিমিনারেল নামে বাজারে সরবরাহ করা হয়। এগুলো তৈরির জন্য ঔষধ প্রশাসনের কোন অনুমোদন নেই।

ডিবি পুলিশের অভিযোগ, ইউনানি লাইসেন্সের আড়ালে নকল ওষুধ বানাচ্ছে একটি চক্র। জহিরও এই চক্রের সদস্য। এই বিপজ্জনক প্রতারণার সঙ্গে আরও যারা জড়িত তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ২০৩ জন, মৃত্যু ২
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৯২ রোগী, মৃত ২
ডেঙ্গু নিয়ে ঢাকায় ১৪৩, সারা দেশে ৫১ জন হাসপাতালে
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৮৮ জন
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৬৫ জন

শেয়ার করুন

ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৭৯ জন

ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৭৯ জন

ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে এক শিশু। ফাইল ছবি

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২২ হাজার ৪৯৮ জন। এর মধ্যে শুরুর ছয় মাসে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ২৭০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ১৭৯ রোগী। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ৪৯৮ জন।

চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৮৭ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে রোববার পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৫৪ জন। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৫ জন।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২২ হাজার ৪৯৮ জন। এর মধ্যে শুরুর ছয় মাসে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ২৭০ জন।

জুলাইয়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকে। সে মাসে রোগী শনাক্ত হয় ২ হাজার ২৮৬ জন; মৃত্যু হয় ১২ জনের। আগস্টে ডেঙ্গু রোগী ছিল ৭ হাজার ৬৯৮ জন। সে মাসে মারা যায় ৩৪ জন।

সেপ্টেম্বরে রোগীর সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৮৪১ জন, মৃত্যু হয় ২৩ জনের।

চলতি মাসে ৪ হাজার ৩০১ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছে ১৮ জন।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ২১ হাজার ৫৭১ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি ৮৪০ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৪৬টি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে ৬৮০ ডেঙ্গু রোগী।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, ডেঙ্গু উপসর্গ নিয়ে চলতি বছর ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ২০৩ জন, মৃত্যু ২
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৯২ রোগী, মৃত ২
ডেঙ্গু নিয়ে ঢাকায় ১৪৩, সারা দেশে ৫১ জন হাসপাতালে
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৮৮ জন
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৬৫ জন

শেয়ার করুন

করোনায় আরও ৯ মৃত্যু, শনাক্ত ২৭৫

করোনায় আরও ৯ মৃত্যু, শনাক্ত ২৭৫

প্রতীকী ছবি

২৪ ঘণ্টায় দেশের ৮৩২টি ল্যাবে করোনার ১৮ হাজার ৪৮৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এ নিয়ে টানা ৩৩ দিনে করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৮২৩ জনে।

গত এক দিনে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ২৭৫ জনের দেহে। এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ৬৯২ জনের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোববারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ৮৩২টি ল্যাবে করোনার ১৮ হাজার ৪৮৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এ নিয়ে টানা ৩৩ দিনে করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো দেশে পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে সেই দেশে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসছে বলে ধরা হয়। সেই অনুযায়ী বাংলাদেশ করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসছে। সরকারের লক্ষ্য এই হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা।

গত বছরের মার্চে ছড়ানো করোনা বছরের শেষে নিয়ন্ত্রণে আসার পর চলতি বছর এপ্রিলের আগে থেকে আবার বাড়তে থাকে। এর মধ্যে প্রাণঘাতী ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার পর এপ্রিলের শুরুতে লকডাউন এবং ১ জুলাই থেকে শাটডাউন দেয় সরকার।

সংক্রমণ কমে আসার পর আগস্টের মাঝামাঝি থেকে ধীরে ধীরে সব বিধিনিষেধ তুলে নেয়া শুরু হয়। এর অংশ হিসেবে ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত এক দিনে মৃতদের মধ্যে পুরুষ ৩ ও নারী ৬ জন। এর মধ্যে এক শিশু রয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে চল্লিশোর্ধ্ব ২, পঞ্চাশোর্ধ্ব ২ ও ষাটোর্ধ্ব ৪ জন।

বিভাগ অনুযায়ী সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এরপর চট্টগ্রামে ২ ও সিলেটে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত এক দিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩৮৬ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হলেন ১৫ লাখ ৩১ হাজার ৩২৭ জন। সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ২০৩ জন, মৃত্যু ২
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৯২ রোগী, মৃত ২
ডেঙ্গু নিয়ে ঢাকায় ১৪৩, সারা দেশে ৫১ জন হাসপাতালে
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৮৮ জন
ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৬৫ জন

শেয়ার করুন