পানি বিশুদ্ধ করার পদ্ধতি

পানি বিশুদ্ধ করার পদ্ধতি

পানির জীবাণু ধ্বংস করতে ক্লোরিন ট্যাবলেট ব্যবহার করা যায়। ফোটানো এবং ফিল্টারিংয়ের উপায় না থাকলে এ পদ্ধতিতে পানি বিশুদ্ধ করা যেতে পারে।

পানি ছাড়া যেমন বেঁচে থাকা অসম্ভব, তেমনি দূষিত পানি পান করলে মৃত্যুও হতে পারে। বিশেষ করে যারা শহরে থাকেন, খাওয়ার পানি দূষণমুক্ত করা নিয়ে চিন্তাটা তাদেরই বেশি। জেনে নিন ঘরোয়া উপায়ে পানি বিশুদ্ধ করার কয়েকটি সহজ উপায়।

ফুটিয়ে নেয়া

পানি বিশুদ্ধ করার সবচেয়ে সহজ এবং উত্তম উপায় হলো ফুটিয়ে নেয়া। ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় কমপক্ষে ১৫ মিনিট ফোটালে পানিতে থাকা যেকোনো জীবাণু, পরজীবী, ডিম, লার্ভাসহ ক্ষতিকারক সবকিছু ধ্বংস হয়ে যায়। ফোটানোর পর পানি ঠান্ডা হলে ছেঁকে পরিষ্কার পাত্রে সংরক্ষণ করতে হয়। পাত্রটি স্টিল অথবা কাচের হলে ভালো। তবে দুই দিনের বেশি এভাবে সংরক্ষণ করে রাখা যাবে না। কারণ পরিষ্কার পানিও এই সময়ে পুনরায় দূষিত হতে পারে।

ফিল্টারিং

ফোটানোর মাধ্যমে জীবাণু আর পরজীবী ধ্বংস হলেও পানির রাসায়নিক উপাদান থেকে যায়। রাসায়নিকমুক্ত করতে ফোটানো পানি ফিল্টারিং করে নিতে হবে। অনেক ফিল্টার আছে, যা পানিতে থাকা জীবাণুর পাশাপাশি দুর্গন্ধও দূর করে। তবে খেয়াল রাখতে হবে ফিল্টারটি নিয়মিত পরিষ্কার করা হচ্ছে কি না। তা না হলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

ফিটকিরি

পাত্রে রাখা পানিতে অল্প পরিমাণ ফিটকিরি মিশিয়ে ৩ ঘণ্টা রেখে দিলে পানিতে থাকা ময়লা তলানিতে জমা হয়। এরপর নিচের পানিটা বাদ দিয়ে ওপরের পানি আরেকটা জায়গায় সরিয়ে নিলেই বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যায়। তবে এ ক্ষেত্রেও পানি আবার ছেঁকে নেয়া ভালো।

ক্লোরিন ট্যাবলেট

পানির জীবাণু ধ্বংস করতে ক্লোরিন ট্যাবলেট ব্যবহার করা যায়। ফোটানো এবং ফিল্টারিংয়ের উপায় না থাকলে এ পদ্ধতিতে পানি বিশুদ্ধ করা যেতে পারে। ৩ লিটার পানি বিশুদ্ধ করতে একটি ট্যাবলেটই যথেষ্ট।

আয়োডিন

এক লিটার পানিতে ২ শতাংশ আয়োডিন দ্রবণ মিশিয়ে আধা ঘণ্টার বেশি রাখলেই পানি জীবাণুমুক্ত হয়ে যায়। তবে যথাযথ দক্ষতা ছাড়া এ কাজ করতে যাওয়া উচিত নয়। কারণ পানি ও আয়োডিনের মাত্রায় ভারসাম্য ঠিক না থাকলে তা শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

আরও পড়ুন:
সহজেই চোখের যত্ন
চুল ঝরার কারণগুলো জেনে নিন
গ্রিন টির আরও ব্যবহার জেনে নিন
মেকআপ তোলার ঘরোয়া পদ্ধতি
ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ওজন কমার ছয়টি কারণ

ওজন কমার ছয়টি কারণ

প্রতীকী ছবি

হঠাৎ করে ওজন কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো টাইপ-ওয়ান ডায়াবেটিস। শিশু, যুবক ও ৩০ বছরের কম বয়সী মানুষের এ ধরনের ডায়াবেটিস হয়ে থাকে।

বিভিন্ন কারণে ওজন কমতে পারে, তবে ওজন কমার পেছনে ঘুরেফিরে ছয়টি কারণ সামনে আসে। চলুন সেগুলো জেনে নেই।

পর্যাপ্ত খাবার না খাওয়া

সুষম খাবার গ্রহণ করলে ওজন ঠিক থাকে, কিন্তু না করলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমে যায়। অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা, বুলেমিয়া নার্ভোসার মতো মানসিক রোগে যারা ভোগেন, তাদের ক্ষেত্রে ওজন কমে যেতে পারে। বিশেষত ২০ বছরের কাছাকাছি বয়সের মেয়েদের মধ্যে এ সমস্যা প্রকট। অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা হচ্ছে এমন ইটিং ডিসঅর্ডার, যাতে ব্যক্তি ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে খাদ্য গ্রহণ একদম কমিয়ে দেয়। বুলেমিয়া নার্ভোসা হচ্ছে অতিরিক্ত খেয়ে বমি করে ফেলা। এ দুটি সমস্যার কারণে শরীরের ওজন হঠাৎ করে অনেক কমে যায়। দুটি অবস্থাতেই মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে।

মানসিক চাপ ওজন কমায়

হঠাৎ ওজন কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো মানসিক চাপ ও উদ্বেগ। কাজের চাপ বা ব্যক্তিগত জীবনের চাপ থেকে বের হতে না পারলে ওজন কমাসহ নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। এর মধ্যে রয়েছে মাথাঘোরা, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা ইত্যাদি। বিষণ্নতায়ও হঠাৎ ওজন কমে যেতে দেখা যায়। এ ধরনের রোগীরা সবসময় বিষণ্ন ও উদ্বিগ্ন থাকেন। এদের ক্ষুধা কমে যায়; হজমে সমস্যা দেখা দেয়। ফলে ওজন কমতে থাকে।

হরমোনজনিত রোগ

থাইরয়েড গ্রন্থির রোগ ‘হাইপারথাইরয়েডিজম’ হলে ওজন কমে একদম শুকিয়ে যায় মানুষ। এসব রোগীর খাবারে রুচি ভালো থাকে এবং তারা বেশি খাওয়া সত্ত্বেও ওজন কমতে থাকে। থাইরয়েড হরমোন বেশি থাকার কারণে রোগীর শরীরের বিপাক ক্রিয়ার হার বেড়ে যায়। খাদ্য বেশি বিপাক হয়ে অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন করে। ওজন কমার পাশাপাশি ক্ষুধা বেশি লাগা, গরম অনুভূত হওয়া, হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয় হাইপারথাইরয়েডিজমে।

ডায়াবেটিস

হঠাৎ করে ওজন কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো টাইপ-ওয়ান ডায়াবেটিস। শিশু, যুবক ও ৩০ বছরের কম বয়সী মানুষের এ ধরনের ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। এ ডায়াবেটিসে ইনসুলিনের অভাবে শরীর শক্তি হিসেবে পর্যাপ্ত গ্লুকোজ নিতে পারে না। শরীর তখন শক্তির জন্য জমা থাকা চর্বি ও মাংশপেশি ভাঙতে থাকে। সে জন্য ওজন কমে যায়।

দীর্ঘস্থায়ী অসুখ

হজমে গোলমাল বা অন্ত্রের দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার কারণে ওজন কমে যেতে পারে। দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া বা আমাশয়, আইবিএস, সিলিয়াক ডিজিজ, অন্ত্রের প্রদাহ, যকৃতের রোগ, অগ্ন্যাশয়ের রোগ ওজন কমার কারণ। আমাদের দেশে যক্ষ্মা রোগের প্রকোপ অনেক বেশি। যক্ষ্মা ওজন কমার অন্যতম প্রধান কারণ। এ ছাড়াও কালাজ্বর, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, এইডস, ফুসফুসের নানাবিধ সমস্যা, পারকিনসন্স ডিজিজেও ওজন কমে যায়।

ক্যানসার

যেকোনো ক্যানসারের প্রধানতম লক্ষণ হতে পারে হঠাৎ ওজন কমা। ফুসফুস, পাকস্থলি, অন্ন নালি, যকৃতের ক্যানসার, রক্তের ক্যানসারে দ্রুত ওজন কমে যেতে পারে। ক্যানসার কোষের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য শরীর সাইটোকিন নামের এক ধরনের রাসায়নিক নিঃসরণ করে। এ কারণে খাদ্যে রুচি কমে যায়; মাংসপেশি ক্ষয় হয়। সর্বোপরি ওজন কমে যায় অনেক দ্রুত।

আরও পড়ুন:
সহজেই চোখের যত্ন
চুল ঝরার কারণগুলো জেনে নিন
গ্রিন টির আরও ব্যবহার জেনে নিন
মেকআপ তোলার ঘরোয়া পদ্ধতি
ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জেব্রা পরিবারে নতুন শাবক

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জেব্রা পরিবারে নতুন শাবক

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তবিবুর রহমান বলেন, ‘জেব্রা পরিবারে এর আগে চলতি বছরেই আরও সাতটি জেব্রার জন্ম হয়েছে। নতুন শাবকটি বছরের অষ্টম শাবক।’

গাজীপুরের শ্রীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে এক জেব্রা দম্পতির ঘরে নতুন শাবকের জন্ম হয়েছে।

সোমবার দুপুরে নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক তবিবুর রহমান।

দুপুরে পার্কে গিয়ে শাবকটিকে তার মায়ের সঙ্গে ঘুরতে দেখা যায়। ভোরে জন্ম নেয়া শাবকটি পুরুষ।

এর আগে পার্কে ১৪টি পুরুষ ও ১৬টি মাদি জেব্রা ছিল। নতুন শাবক নিয়ে পার্কে জেব্রার সংখ্যা দাঁড়াল ৩১টিতে।

তবিবুর রহমান বলেন, ‘জেব্রা পরিবারে এর আগে চলতি বছর আরও সাতটি জেব্রার জন্ম হয়। নতুন শাবকটি বছরের অষ্টম শাবক। মা ও শাবক উভয়ই সুস্থ আছে।

‘শাবকটি তার মায়ের সঙ্গে পার্কের বেষ্টনীতে ঘোরাফেরা করছে। আফ্রিকান প্রজাতির পুরুষ জেব্রাগুলো চার ও মাদিগুলো তিন বছরে প্রজননের উপযোগী হয়। প্রাকৃতিক পরিবেশে এরা প্রায় ২০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে।’

সাফারি পার্কের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘মা জেব্রার স্বাস্থ্য বিবেচনায় রেখে খাদ্যে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ঘাসের পাশাপাশি একে দেয়া হচ্ছে ছোলা, গাজর ও ভুষি।’

পার্কের পরিবেশে জেব্রাসহ দেশি-বিদেশি অন্যান্য প্রজাতির পশু-পাখির বংশবৃদ্ধি হচ্ছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
সহজেই চোখের যত্ন
চুল ঝরার কারণগুলো জেনে নিন
গ্রিন টির আরও ব্যবহার জেনে নিন
মেকআপ তোলার ঘরোয়া পদ্ধতি
ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে

শেয়ার করুন

অনলাইন মিটিংয়ে যে বিষয়গুলো মেনে চলবেন

অনলাইন মিটিংয়ে যে বিষয়গুলো মেনে চলবেন

বাসায় বসে মিটিং করলেও দেখা যায় অনেকেই ঠিক সময় মিটিংয়ে জয়েন করতে পারেন না। এটি উচিত নয়। এতে আপনি মিটিংয়ে বিঘ্ন ঘটানোর কারণ হয়ে উঠতে পারেন।

কোভিড পরিস্থিতির কারণে অনেক কাজই সারতে হচ্ছে অনলাইনে। অফিসের মিটিং, ট্রেনিংসহ অনেক কিছুই হচ্ছে জুম কিংবা গুগল মিট প্ল্যাটফর্মে। এসব অনলাইন মিটিংয়ে যোগ দেবার সময় কিছু বিষয় মেনে চলা জরুরি। চলুন সেগুলো জেনে নিই।

পোশাক

অনলাইন মিটিং মানে যানজট পেরিয়ে অফিসে যাওয়ার ঝামেলা নেই। কিন্তু বাসায় বসে অফিস করলেও তো সেটা অফিস। তাই আপনাকে অবশ্যই পোশাকের শিষ্টাচারের কথাটি মাথায় রাখতে হবে। খেয়াল রাখবেন শরীরের যতটুকু অংশ স্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে অন্তত সেটুকু যেন পরিপাটি হয়। অফিসে যে ধরণের পোশাক পরতে বলা হয়, অনলাইন মিটিংয়েও তাই পরবেন।

টুলসগুলোর ব্যবহার জানা

আমাদের মিটিংগুলো বেশির ভাগ জুম, সিসকো, ওয়েবএক্স আর গুগল মিটে হয়। মিটিং শুরু করার আগেই এগুলোর ব্যবহার ভালোভাবে জেনে নিতে হবে। তা না হলে মিটিং শুরুর পরে বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি যে কাজের জন্য মিটিং, তাতেও ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

পরিবেশ

বাসায় বসে মিটিং করলেও খেয়াল রাখবেন সেখানেও যেন অফিসের পরিবেশ ফুটে ওঠে। অফিসে থাকলে যে পরিবেশে কাজ করেন এখানেও সেটি নিশ্চিত করতে চেষ্টা করুন। মিটিং করার জন্য এমন জায়গা বেছে নিন, যেখানে শব্দ কম হয়। ব্যাকগ্রাউন্ড যেন পরিচ্ছন্ন থাকে। অতিরিক্ত শব্দদূষণের সমস্যা থাকলে নিজেকে মিউট করে রাখুন।

অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার

অনলাইন মিটিং চলাকালে পুরো মনোযোগ সেখানেই রাখার চেষ্টা করুন। এ সময় অন্য কাজ করবেন না। অনেকেই মোবাইল ফোন চেক করা, এদিক-ওদিক তাকানো, উঠে যাওয়া, কল রিসিভ করার মতো কাজ করেন। এগুলো পরিহার করুন।

সময়ানুবর্তিতা

বাসায় বসে মিটিং করলেও দেখা যায় অনেকেই ঠিক সময় মিটিংয়ে জয়েন করতে পারেন না। এটি উচিত নয়। এতে আপনি মিটিংয়ে বিঘ্ন ঘটানোর কারণ হয়ে উঠতে পারেন। নির্ধারিত সময়ে মিটিংয়ে জয়েন করতে চেষ্টা করুন। যেসব কাজ সাবমিট করতে বলা হয়, ঠিক সময়ে করে ফেলুন।

অঙ্গভঙ্গি

অনলাইন বলে শুয়ে, হেলান দিয়ে বা যেখানে খুশি বসে মিটিং করবেন না। একটা অফিশিয়াল মিটিংয়ে নিজেকে যেভাবে উপস্থাপন করেন, সেটি অনলাইনেও বজায় রাখার চেষ্টা করুন। তা না হলে যার সঙ্গে মিটিং করছেন তিনি অসম্মানিত বোধ করতে পারেন।

আরও পড়ুন:
সহজেই চোখের যত্ন
চুল ঝরার কারণগুলো জেনে নিন
গ্রিন টির আরও ব্যবহার জেনে নিন
মেকআপ তোলার ঘরোয়া পদ্ধতি
ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে

শেয়ার করুন

‘হাতে গোনা’ পদ্মে হতাশা

‘হাতে গোনা’ পদ্মে হতাশা

পদ্ম ফুল কমে যাচ্ছে বিলগুলোতে। ছবি: নিউজবাংলা

ঠাকুরগাঁওয়ের সীমান্তবর্তী উপজেলা হরিপুরের ভাতুরিয়া গ্রামের কৃষক লিয়াকত আলী বলেন, ‘এই ধূলিয়া বিল আগে পদ্মফুলে ভরে যেত। বহুদূর থেকে মানুষ ছুটে আসত এই ফুল দেখতে। এখন ফুল থাকলেও আগের মতো নাই। আশপাশের জমি ভরাট হয়ে বিল ছোট হয়ে গেছে। আবার মাছ চাষ করে জাল দিয়ে মাছ ধরে লোকজন। এসব কারণে পদ্মফুল নষ্ট হয়ে যায়।’

ঠাকুরগাঁওয়ের সীমান্তবর্তী উপজেলা হরিপুরের তিন গ্রামের জলাশয়ে বর্ষা থেকে ফুটতে শুরু করে পদ্মফুল। তবে এবার আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে পদ্ম। হাতে গোনা পদ্মে হতাশ দর্শনার্থী ও স্থানীয় লোকজন।

বেশির ভাগ মানুষের অভিযোগ, জলাশয়ে মাছ চাষের কারণে কমছে পদ্ম। স্থানীয় লোকজন এসব পদ্মকে চেনেন বোরল ফুল নামে। উপজেলার মাগুড়া, ভাতুরিয়া ও জাদুরাণী গ্রামের বিলে দেখা মেলে এই ফুলের।

উপজেলার মাগুড়া গ্রামের বিলটি ছেয়ে যেত পদ্মফুলে। একই দৃশ্য দেখা যেত ভাতুরিয়া গ্রামের ধূলিয়া বিলেও। এবার বিল দুটিতে চিরচেনা রূপ নেই। পদ্মের সংখ্যা হাতে গোনা।

কেবল জাদুরাণী গ্রামের তালুকদার বস্তি এলাকায় ‘সবার পুকুর’ নামে পুকুরে আশানুরূপ ফুটে আছে সাদা পদ্ম।

‘সবার পুকুরে’ গিয়ে দেখা গেল, শিশু-কিশোররা পানিতে নেমে তুলছে পদ্মফুল।

‘হাতে গোনা’ পদ্মে হতাশা

সবার পুকুরের একাংশের মালিক মোমিনুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগে পুকুরটির প্রায় তিন একর জমি পদ্মফুলে ভরপুর ছিল, কিন্তু বর্তমানে অংশীদার বেড়ে যাওয়ায় দিন দিন পুকুরটি বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে। সে কারণে পদ্মফুলের তেমন বিস্তার হতে পারছে না।’

উপজেলার তালুকদার বস্তির কৃষক জয়নুল ইসলাম বলেন, ‘সবার পুকুরে দীর্ঘদিন থেকে এই ফুল ফুটে আসছে। তবে এটা যে পদ্মফুল আমরা তা জানতাম না। স্থানীয়ভাবে বোরল নামে জানি পদ্মফুলকে। অনেক মানুষ দেখতে আসে। অনেকে ফুল তুলে নিয়ে যায়।’

‘হাতে গোনা’ পদ্মে হতাশা

মাগুরা ও ভাতুরিয়া গ্রামের বিল ঘুরে দেখা যায়, কিছু পদ্ম সেখানেও ফুটেছে।

সেখানকার লোকজন জানান, কয়েক বছর আগেও এসব বিলে বর্ষায় পদ্মের আড়ালে পানিই দেখা যেত না। এখন সেখানে আর তেমন ফুল ফোটে না।

ভাতুরিয়া গ্রামের কৃষক লিয়াকত আলী বলেন, ‘এই ধূলিয়া বিল আগে পদ্মফুলে ভরে যেত। বহুদূর থেকে মানুষ ছুটে আসত এই ফুল দেখতে। এখন ফুল থাকলেও আগের মতো নাই। আশপাশের জমি ভরাট হয়ে বিল ছোট হয়ে গেছে। আবার মাছ চাষ করে জাল দিয়ে মাছ ধরে লোকজন। এসব কারণে পদ্মফুল নষ্ট হয়ে যায়।’

ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী লাবণী পারভীন বলেন, ‘গত বছর হরিপুর উপজেলার মাগুরা গ্রামে একটি পুকুরে পদ্মফুল দেখেছি। এ বছরও গেছিলাম। তবে ওই পুকুরটিতে এবার মাছ চাষ হয়েছে। সে জন্য পদ্মফুল হয়নি। এবার পাশের গ্রাম তালুকদার বস্তি এলাকায় সবার পুকুরে পদ্মফুল দেখেছি। বইয়ে পড়েছি; বাস্তবে দেখে অনেক ভালো লাগছে।’

ঠাকুরগাঁওয়ের বিলগুলোতে এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দেখা দেয় পদ্ম। এর পাতা বেশ বড়, গোলাকার ও পুরু হয়ে থাকে। পদ্মফুল সাধারণত সাদা, গোলাপি, লাল ও নীল রঙের হয়।

একসময় গ্রামের হাট-বাজারে ঝোলাগুড়, মাংস বা ছোট মাছ ক্রেতাদের হাতে তুলে দেয়ার জন্য পদ্মের পাতা ব্যবহার করা হতো। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে থালা হিসেবে কলাপাতার বদলে পদ্মের পাতাও ব্যবহার হতো।

হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে পদ্ম পবিত্রতার প্রতীক। তাদের নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে এই ফুল ব্যবহার হয়।

‘হাতে গোনা’ পদ্মে হতাশা

ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রধান নাসরিন জাহান বলেন, ‘পদ্ম সাধারণত উষ্ণমণ্ডলীয় উদ্ভিদ। বাংলাদেশে সাদা, লাল ও নীল রঙের পদ্মফুল পাওয়া যায়। সম্প্রতি হলুদ রঙের পদ্মফুল দেখা গেছে কুমিল্লা জেলায়। এ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ গবেষণা চালাচ্ছে।’

নাসরিন জানান, শিল্পায়নের কারণে নদী-নালা ভরাট হয়ে যাচ্ছে। সরকারি জলাশয়গুলো বেদখল হয়ে সেখানে মাছ চাষ হচ্ছে। জলাশয়সংলগ্ন জমিতে কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব কারণে পদ্ম জন্মানোর পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দিনে দিনে কমে আসছে এই জলজ ফুল।

এই অধ্যাপক বলেন, ‘সাদা পদ্মের অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে। এর ফলের বীজ হৃদরোগ, চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগের ওষুধের উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ডায়রিয়া সারাতে এর বোটা কাঁচা খায় অনেকে। পদ্মের চাক, বীজ বা বোটা বেশ সুস্বাদু। পদ্মের পাতাতেও ওষধি গুণ আছে। এই পাতা দিয়ে চা-ও বানানো হয়।’

পদ্মফুলকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে সরকারের সচেষ্ট হওয়ার দরকার বলে মনে করেন তিনি।

নাসরিন বলেন, ‘সরকারি জলাশয় যেন বেদখলে না যায় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। পানির উচ্চতা ঠিক রাখতে হবে। পদ্মফুলের পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিষয়ে সরকারিভাবে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
সহজেই চোখের যত্ন
চুল ঝরার কারণগুলো জেনে নিন
গ্রিন টির আরও ব্যবহার জেনে নিন
মেকআপ তোলার ঘরোয়া পদ্ধতি
ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে

শেয়ার করুন

কাপড় ধোয়ার নিয়মকানুন

কাপড় ধোয়ার নিয়মকানুন

জিনস শার্ট এবং প্যান্টের মতো ভারী কাপড় ধোয়ার সময় উল্টো করে নেয়া ভালো। এতে ভিতরের ময়লাও পরিষ্কার হবে।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে আমাদের দেশে ধুলাবালি বেশি। তাছাড়া মানুষের শরীরও অতিরিক্ত ঘামে। তাই কাপড় ময়লা হয় বেশি। ফলে আমাদের নিয়মিত কাপড় ধুতে হয়।

কাপড় ধোয়ার আগে সাধারণ কিছু নিয়ম জেনে নিলে কাজটা আরও সহজ হয়ে যাবে। চলুন জেনে নেয়া যাক নিয়মগুলো।

১. বেশি ময়লা কাপড়ের সঙ্গে অপেক্ষাকৃত কম ময়লা কাপড় ভেজাবেন না। এতে সেই কাপড়গুলোতেও দাগ লাগার আশঙ্কা থাকে।

২. কোনো কাপড়ের ওপর সরাসরি ডিটারজেন্ট ব্যবহার করবেন না। প্রথমে কাপড় নিন, তারপর পানিতে ভেজান এবং সবার শেষে ডিটারজেন্ট দিন। ব্লিচ ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রথমে পানি, তারপর কাপড় এবং সবশেষে ব্লিচিং ডিটারজেন্ট দিতে হবে।

৩. সাদা কাপড় সব সময় আলাদা ধোয়ার চেষ্টা করুন। এতে করে অন্য কাপড়ের রং সাদা কাপড়ে লাগার আশঙ্কা থাকবে না।

৪. ডেনিমজাতীয় কাপড় যেমন জিনসের প্যান্ট, শার্ট, জ্যাকেট আলাদা ধোয়াই ভালো।

৫. উলের পোশাক কখনও গরম পানিতে ধোবেন না। এ ছাড়া এ ধরনের পোশাক বেশিক্ষণ ডিটারজেন্ট পাউডারে ভিজিয়ে না রাখাই ভালো। এতে উল নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৬. সাদা কাপড়ের উজ্জ্বলতা বাড়াতে চাইলে আধা কাপ ভিনেগারের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটি দিয়ে কাপড় ধুয়ে ফেলুন।

৭. কাপড় বেশিক্ষণ দড়িতে ঝুলিয়ে রাখলে কাপড়ের সাইজ নষ্ট হয়ে যায়। এ ছাড়া রঙিন কাপড় অতিরিক্ত রোদে শুকাতে দেবেন না। বাতাস চলাচল করে এমন ছায়াযুক্ত জায়গায় শুকাতে দিন। কেননা রোদে রং নষ্ট হয়ে যায়। শুকাতে দেয়ার আগে কাপড় উল্টে নিন।

৮. জিনস, শার্ট এবং প্যান্টের মতো ভারী কাপড় ধোয়ার সময় উল্টো করে নেয়া ভালো। এতে ভিতরের ময়লাও পরিষ্কার হবে।

৯. যেকোনো কাপড় ধুতে দেয়ার আগে এর ট্যাগ চেক করে নিন। বিশেষ করে দামি কাপড়ের ক্ষেত্রে এটি বেশি প্রয়োজন। ট্যাগে কাপড় ধোয়ার নিয়ম দেয়া থাকে।

১০. ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার করেন? ফিল্টার বছরে অন্তত একবার পরিষ্কার করুন। পরিষ্কারের পর শুকিয়ে নিতে হবে।

১১. কোনো কাপড় প্রথমবারের মতো ধোয়ার সময় অবশ্যই আলাদাভাবে ধুয়ে পরীক্ষা করে নেবেন। কারণ নতুন কাপড় থেকে রং ওঠার আশঙ্কা থাকে।

১২. সাদা সুতির কাপড় ধোয়ার জন্য গরম পানি ব্যবহার করা ভালো। হালকা গরম পানিতে ডিটারজেন্ট গুলে কিছুক্ষণ কাপড় ভিজিয়ে রাখুন।

আরও পড়ুন:
সহজেই চোখের যত্ন
চুল ঝরার কারণগুলো জেনে নিন
গ্রিন টির আরও ব্যবহার জেনে নিন
মেকআপ তোলার ঘরোয়া পদ্ধতি
ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে

শেয়ার করুন

‘টাঙ্গুয়ার হাওরে বন্ধ হবে ইঞ্জিনচালিত নৌকা’

‘টাঙ্গুয়ার হাওরে বন্ধ হবে ইঞ্জিনচালিত নৌকা’

সুনামগঞ্জে হাওর পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। ছবি: নিউজবাংলা

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘একসময় মিঠাপানির টাঙ্গুয়ার হাওরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যেতো। তবে এখন মাছ পাওয়া যায় না, কারণ হাওরে অবাধে ইঞ্জিনচালিত নৌকা চলে। তাই আগামী পর্যটন মৌসুম থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরে ইঞ্জিনচালিত নৌকা বন্ধ করা হবে।’

আগামী পর্যটন মৌসুম থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরে অবাধে ইঞ্জিনচালিত নৌকা চলাচল বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি)।

তাহিরপুর উপজেলার শহীদ সিরাজ লেকে (নীলাদ্রি লেক) শনিবার দুপুরে হাওর পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান ডিসি জাহাঙ্গীর হোসেন।

ডিসি বলেন, ‘একসময় মিঠাপানির টাঙ্গুয়ার হাওরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যেতো। তবে এখন মাছ পাওয়া যায় না, কারণ হাওরে অবাধে ইঞ্জিনচালিত নৌকা চলে। তাই আগামী পর্যটন মৌসুম থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরে ইঞ্জিনচালিত নৌকা বন্ধ করা হবে।

‘আমরা পর্যটকদের একটি নির্দিষ্ট জায়গা দেখিয়ে দেব। তারা লগি-বৈঠার নৌকা নিয়ে হাওরে ঘুরতে যাবেন। এটি কার্যকর হলে হাওরবাসীদের জীবনমান উন্নত হবে। তাদের কর্মসংস্থানও বাড়বে।’

উদ্বোধন শেষে ডিসি হাওর এলাকার প্লাস্টিক ও ময়লা আবর্জনা পরিচ্ছন্ন করেন এবং বিভিন্ন নৌকায় সচেতনতামূলক বিলবোর্ড টানান।

ডিসি জাহাঙ্গীর বলেন, ‘সুনামগঞ্জ হাওর বেষ্টিত একটি জেলা। টাঙ্গুয়ার হাওরকে কেন্দ্র করে বিগত সময়ে অনেক পর্যটক এসেছেন।

‘তবে সবচেয়ে দুঃখের বিষয় তাদের মধ্যে কেউ কেউ হাওরে প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের প্লেট, ময়লা-আবর্জনা ফেলে যান, যার কারণে এখানে পরিবেশদূষণ হচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে হাওরের জীববৈচিত্র্য। আমরা এগুলো আর মেনে নেব না। নৌকার মাঝি থেকে শুরু করে সব পর্যটকদের সর্তক করে দিতে চাই আমরা।’

জেলা প্রশাসক জানান, তাদের এ অভিযান চলতে থাকবে। এছাড়া হাওরের মাঝিদের তালিকা করে নিবন্ধনের আওতায় এনে মাঝিদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

এছাড়া এখন থেকে সব নৌকায় একটি করে ডাস্টবিন থাকা বাধ্যতামূলক করা হবে। যারা এ নির্দেশনা মানবেন না, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান ডিসি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রায়হান কবির, তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক অমল কর, হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাশমির রেজা, ইউপি চেয়ারম্যান খসরুল আলমসহ অনেকে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর ও তার আশপাশের হাওর এলাকার পরিবেশদূষণ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরই পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

আরও পড়ুন:
সহজেই চোখের যত্ন
চুল ঝরার কারণগুলো জেনে নিন
গ্রিন টির আরও ব্যবহার জেনে নিন
মেকআপ তোলার ঘরোয়া পদ্ধতি
ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে

শেয়ার করুন

রান্নাঘরের ছোটখাটো সমস্যার সমাধান দেখে নিন

রান্নাঘরের ছোটখাটো সমস্যার সমাধান দেখে নিন

জিরা ফ্রেশ রাখতে সমস্যা হচ্ছে? জিরাগুলোকে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়ে ফ্রিজে রাখুন। দীর্ঘদিন জিরা ফ্রেশ থাকবে।

রান্নাঘরে নানা রকম সমস্যা লেগেই থাকে। পিঁপড়া, পাতিল পোড়া, মশলা সতেজ রাখা-এ রকম টুকটাক সমস্যাগুলোর সমাধান এক নজরে দেখে নিন।

১. পিঁপড়ার আক্রমণে বয়ামে চিনি রাখতে পারছেন না? বয়ামের মুখ খুলে চিনির ওপর ৩ থেকে ৪টি লবঙ্গ রেখে দিন। পিঁপড়ার সমস্যার সমাধান হবে।

২. বিস্কুট এনে রাখতে পারছেন না? নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? বয়ামের ভিতর এক টুকরা ব্লটিং পেপার রেখে তার ওপর বিস্কুট রাখুন। এতে বিস্কুট দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যাবে। মচমচে ভাবও নষ্ট হবে না।

৩. গরম তেল বা আগুনে কোথাও পুড়ে গেছে? পোড়া স্থানে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানি ঢালুন। তারপর একটা পাকা কলা চটকে সেখানে লাগিয়ে দিন। এতে জ্বলুনি বন্ধ হবে।

৪. ফ্রিজে কাটা আপেল রাখতে পারছেন না? লালচে হয়ে যায়? আপেলের টুকরাগুলোর ওপর হালকা লেবুর রস মেখে নিন। এতে আপেল লালচে তো হবেই না বরং অনেক দিন ফ্রেশ দেখাবে।

৫. বাজারের মাখন ব্যবহার করে করে নিশ্চয়ই শরীরের কোলেস্টেরল বেড়ে যাচ্ছে। লো স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত মাখন ব্যবহার করুন। এতে শরীরে কোলেস্টেরল বাড়বে না।

৬. কাজুবাদামের খোসা ছাড়াতে হিমশিম খাচ্ছেন? বাদামগুলোকে গরম পানিতে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। এতে খোসা নরম হবে এবং ছাড়াতে সুবিধা হবে।

৭. জিরা ফ্রেশ রাখতে সমস্যা হচ্ছে? জিরাগুলোকে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়ে ফ্রিজে রাখুন। দীর্ঘদিন জিরা ফ্রেশ থাকবে।

৮. করলার স্বাদ বাড়াতে চান? করলাগুলো ধুয়ে মাঝখান দিয়ে কেটে নিন। তারপর ভেতরে লবণ, ময়দা আর দইয়ের মিশ্রণ ঢুকিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। এরপর রান্না করুন। স্বাদ বেড়ে যাবে।

৯. পাতিলে খাবারের পোড়া দাগ লেগে গেছে? কীভাবে তুলবেন বুঝতে পারছেন না? চিন্তার কিছু নেই। কয়েকটা পেঁয়াজ কেটে নিন। এরপর পাতিলটিতে গরম পানির সঙ্গে পেঁয়াজগুলো ৫ মিনিট রেখে দিন। এবার ধুয়ে দেখুন। পোড়া দাগ সম্পূর্ণ উঠে যাবে।

১০. সবজি কাটতে প্লাস্টিকের চপিংবোর্ড ব্যবহার করবেন না। চেষ্টা করুন কাঠের বোর্ডে সবজি কাটতে। নইলে সবজির সঙ্গে প্লাস্টিকের কুচি মিশে যেতে পারে।

১১. রান্নাঘরে তেলাপোকার উপদ্রব বেড়ে গেছে? সিঙ্কের কোনাগুলোতে বরিক পাউডার ছড়িয়ে দিন। তেলাপোকা পালাবে।

আরও পড়ুন:
সহজেই চোখের যত্ন
চুল ঝরার কারণগুলো জেনে নিন
গ্রিন টির আরও ব্যবহার জেনে নিন
মেকআপ তোলার ঘরোয়া পদ্ধতি
ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে

শেয়ার করুন