মেকআপ তোলার ঘরোয়া পদ্ধতি

মেকআপ তোলার ঘরোয়া পদ্ধতি

মাঠাযুক্ত দুধ ত্বক পরিষ্কার করতে দারুণ কাজ করে। খুব কড়া মেকআপ আলগা করতেও সক্ষম দুধ ও সর। ভালো করে লাগিয়ে আলতো হাতে ম্যাসাজ করুন। কুসুম গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে পানিটা বের করে দিন। তারপর মুখ মুছুন।

মেকআপের তুলতে বাজারের মেকআপ রিমুভার ব্যবহার করার চেয়ে ঘরে তৈরি রিমুভার ব্যবহার করা ভালো। কারণ মেকআপের রাসায়নিক পদার্থগুলো তুলতে গিয়ে আবার রিমুভারের কেমিক্যালের সাহায্য নিলে ত্বক ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

চাইলে বাড়িতে থাকা সাধারণ উপাদান দিয়েই মেকআপ তুলতে পারবেন। কী সেই উপাদান, চলুন দেখে নেই।


প্রাকৃতিক তেল

নারিকেল তেল, কাঠবাদামের তেল বা অলিভ অয়েলের মধ্যে যেটা আপনার ত্বক ভালোভাবে নিতে পারে, সেটি ভালো করে মেখে নিন। সঙ্গে হালকা ম্যাসাজ করুন। একটা নরম তোয়ালে কুসুম গরম পানিতে ডুবিয়ে আলতো করে মুছে তেলটা তুলে ফেলুন। তাতে মেকআপ আর তেল একই সঙ্গে উঠে যাবে। আই মেকআপ বা গাঢ় লিপ মেকআপ তুলতেও তেল ব্যবহার করা যায়।



বাষ্প

প্রথম ধাপে তেল লাগিয়ে নেয়ার পর মুখে গরম পানির ভাপ নিন। তাতে ত্বকের পোরগুলোর মুখ খুলে যাবে, ভেতর থেকে বেরিয়ে আসবে সব ময়লা। ক্রিম জাতীয় মেকআপ তোলার জন্যও প্রথমে বাষ্প নিন, তারপর তেল লাগিয়ে মুছে ফেলুন।



ফুলক্রিম দুধ

মাঠাযুক্ত দুধ ত্বক পরিষ্কার করতে দারুণ কাজ করে। খুব কড়া মেকআপ আলগা করতেও সক্ষম দুধ ও সর। ভালো করে লাগিয়ে আলতো হাতে ম্যাসাজ করুন। কুসুম গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে পানিটা বের করে দিন। তারপর মুখ মুছুন।


শসার রস

কড়া মেকআপ তোলার জন্য প্রথমে তেল লাগিয়ে যতটা সম্ভব তুলে ফেলুন। তার পর শসার রস লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ভেজা তুলো দিয়ে মুছে নিলেই ত্বক পরিষ্কার হয়ে যাবে।



মনে রাখতে হবে

আলতো হাতে মেকআপ তুলুন। জোরে ঘষাঘষি করা যাবে না। তোলার পর অবশ্যই ঠান্ডা গোলাপ জল মুখে লাগান। তারপর ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

আরও পড়ুন:
ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে
পিঠ ব্যথায় যা করবেন
হাত ও নখ থেকে হলুদের ছোপ তুলবেন যেভাবে
চামড়ার পণ্য ভালো রাখার উপায়
গরম মসলার অনেক গুণ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়

ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়

কলা খেয়ে খোসাটা ফেলে দেবেন না। তা ভালো করে ধুয়ে নিয়ে মুখে ঘষুন আলতো হাতে। তার পর পানির ঝাপ্টা দিয়ে ধুয়ে নিন এবং ক্রিম লাগান।

আমাদের ত্বকের ওপরের অংশে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে। ইংরেজিতে সেগুলোকে 'পোরস' বলে।

সাধারণভাবে এগুলো চোখে পড়ে না। তবে যাদের ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত এবং প্রচুর সিবাম উৎপন্ন হয়, তাদের পোরস বাইরে থেকে দেখা যায়।

তাছাড়া খাওয়াদাওয়া যদি ঠিকঠাক না হয়, তা হলে সমস্যা বাড়ে। ত্বক আরও বেশি করে সিবাম তৈরি করতে আরম্ভ করে, পোর ক্রমেই বড় হয়।

বাড়তি সিবাম আর ধুলাময়লা জমে তৈরি হয় ব্ল্যাকহেডস। বাড়ে ব্রণ, ফুসকুড়ির মতো সমস্যাও। এভাবে বেশি দিন চললে ত্বক আলগা হতে আরম্ভ করে। বয়সের ছাপ তাড়াতাড়ি পড়ে।

চলুন, জেনে নিন এই সমস্যার সমাধান কীভাবে মিলবে।

অ্যালোভেরা জেল

দিনে দুই বেলা তাজা অ্যালোভেরার পেস্ট দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করুন। লাগিয়ে রেখে দিন মিনিট দশেক। তাতে ত্বক আর্দ্র থাকার পাশাপাশি পোরসের আকারও ছোট থাকবে। দশ মিনিট পর আপনি যখন মাস্ক পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন, তখন সরে যাবে সব ময়লার পরত।

অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার

সম পরিমাণ অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার আর ফিল্টার করা পানির মিশ্রণ তুলায় করে লাগিয়ে নিন মুখে। তারপর স্বাভাবিকভাবে শুকাতে দিন। নিয়মিত টোনার হিসেবে এটি ব্যবহার করলে ত্বকের পোরস ক্রমেই ছোট হতে আরম্ভ করবে।

ডিমের সাদা অংশের মাস্ক

ডিমের সাদা অংশ, ওটমিলের গুঁড়া, আর সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করে নিন। তারপর তা মুখে লাগিয়ে অপেক্ষা করুন মিনিট দশেক। শুকিয়ে গেলে মাস্ক তুলে নিন চক্রাকারে হাত ঘুরিয়ে। তার পর লাগান ময়েশ্চারাইজার। ক্রমেই ত্বকের টানটান ভাব ফিরে আসবে।

ওপেন পোরস থেকে মুক্তির উপায়

বেসন, হলুদ আর দইয়ের প্যাক

সবটা মিশিয়ে প্যাক হিসেবে লাগান। শুকিয়ে গেলে তুলে ফেলুন। কিছুদিনের মধ্যে পোরস ছোট হওয়ার পাশাপাশি ত্বকের হারানো উজ্জ্বলতাও ফিরে আসবে।

কলার খোসা

কলা খেয়ে খোসাটা ফেলে দেবেন না। তা ভালো করে ধুয়ে নিয়ে মুখে ঘষুন আলতো হাতে। তারপর পানির ঝাপ্টা দিয়ে ধুয়ে নিন এবং ক্রিম লাগান। এক দিন পরপর এই পদ্ধতি ট্রাই করলে ত্বকের সমস্যা কমবে, ব্রণ হবে না, ছোট হবে পোরস।

আরও পড়ুন:
ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে
পিঠ ব্যথায় যা করবেন
হাত ও নখ থেকে হলুদের ছোপ তুলবেন যেভাবে
চামড়ার পণ্য ভালো রাখার উপায়
গরম মসলার অনেক গুণ

শেয়ার করুন

আয়ু বাড়াবেন যেভাবে

আয়ু বাড়াবেন যেভাবে

দুবেলা দাঁত ব্রাশেই মুখের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত হয় না। ব্রাশ করার পরও অনেক সময় দাঁতের ফাঁকে ক্ষতিকর জীবাণু থেকে যেতে পারে, যা পেটে গেলে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এমনকি আর্থ্রাইটিসের মতো রোগ তৈরি করে।

কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলে আর কিছু অভ্যাস আয়ত্তে আনতে পারলে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। আর স্বাস্থ্য ভালো হলে রোগব্যাধি বাসা বাঁধতে পারবে না। ফলে কমে যাবে মৃত্যুঝুঁকি।

বন্ধুত্ব

ভালো বন্ধু আশীর্বাদস্বরূপ। একজন মানুষের আশপাশে যত বেশি বন্ধু থাকবে তার জীবন তত স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়ে উঠবে। বন্ধুরা এক ধরনের সাপোর্ট নেটওয়ার্ক তৈরি করে। ফলে কঠিন কাজও সহজ মনে হয়। এ ছাড়া বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে থাকলে মানুষের শরীরে অক্সিটোসিন নামক হরমোন তৈরি হয়, যা ব্রেন ফাংশনকে শান্ত রাখে।

দাঁড়িয়ে কাজ

সারা দিন বসে কাজ করা অস্বাস্থ্যকর। বসে থাকার সময় শরীরের ব্লাড সারকুলেশন কমে যায় এবং খুব কম ক্যালোরি ক্ষয় হয়। সুগার মেটাবলিজমও প্রায় স্থির হয়ে যায়। ফলে যেসব এনজাইম শরীরের ফ্যাটগুলো ভাঙতে সাহায্য করে তা বন্ধ থাকে। তাই একটানা বসে কাজ করা উচিত নয়। সম্ভব হলে দাঁড়িয়ে কাজ করুন। নয়তো প্রতি ঘণ্টায় কাজের ফাঁকে অন্তত ৫ থেকে ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকুন।

ফ্লস

দুবেলা দাঁত ব্রাশেই মুখের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত হয় না। ব্রাশ করার পরও অনেক সময় দাঁতের ফাঁকে ক্ষতিকর জীবাণু থেকে যেতে পারে, যা পেটে গেলে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এমনকি আর্থ্রাইটিসের মতো রোগ তৈরি করে। তাই নিয়মিত ফ্লসিং অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত রোগের ঝুঁকি কমায়।

সবজি খান

প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় সবজি রাখুন। রান্না করা বা কাঁচা দুই ধরনের সবজিতেই প্রচুর পরিমাণে ফ্যাইটোকেমিক্যাল আর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। তবে রান্না করা সবজির চেয়ে কাঁচা সবজি বেশি কার্যকর। কারণ রান্নার পর খাদ্যগুণ কিছুটা কমে যায়।

ইতিবাচক চিন্তা

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখা এবং হাসি-খুশি থাকা বেশিদিন বাঁচতে সাহায্য করে। এটি ব্রেন ফাংশনকে ঠিক রাখতে সহায়ক। এ ছাড়া এতে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। ডিপ্রেশন ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমে।

ওজন ও উচ্চতা

ওজন ও উচ্চতার মাঝে ব্যালেন্স রাখা জরুরি। নিজের বডি ম্যাস ইনডেক্স (বিএমআই) হিসাব করুন। যদি ২৫ থেকে ৩০-এর মধ্যে হয় তাহলে মনে করতে হবে উচ্চতা ও ওজনে ব্যালেন্স নেই। আর ৩০-এর ওপরে হওয়া মানেই স্বাস্থ্যঝুঁকি আছে। অতিরিক্ত ওজন ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্ট্রোক ও কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

ব্যায়াম

অনেকে মনে করে ব্যায়াম শুধু মোটা মানুষের জন্য। কিন্তু এটি ভুল ধারণা। সবারই প্রতিদিন অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট ব্যায়াম করা জরুরি। ওজন কমানো ছাড়াও ব্যায়ামের আরও নানা উপকারিতা আছে। এটি মুড ভালো রাখে, হরমোন ব্যাল্যান্স করে, হাড় শক্ত করে, কোলেস্টেরল লেভেল ঠিক রাখে। সর্বোপরি একজন মানুষকে পুরোপুরি ফিট রাখে।

আরও পড়ুন:
ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে
পিঠ ব্যথায় যা করবেন
হাত ও নখ থেকে হলুদের ছোপ তুলবেন যেভাবে
চামড়ার পণ্য ভালো রাখার উপায়
গরম মসলার অনেক গুণ

শেয়ার করুন

কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন

কেন সুগন্ধি ব্যবহার করবেন

সুন্দর পোশাকের মতোই ভালো সুগন্ধি একজন মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে ভূমিকা রাখে। কেননা এর মাধ্যমে শরীরের দুর্গন্ধ বিষয়ে দুশ্চিন্তামুক্ত থেকে অনেক বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়ানো যায়।

বহুকাল থেকেই সুগন্ধি মানুষের মধ্যে জনপ্রিয়। অনেকেই পারফিউম বা ডিউডোরেন্টস ব্যবহার করতে ভালোবাসেন। তবে অনেকে আবার নিয়মিত সুগন্ধি ব্যবহার করেন না। তাদের জেনে রাখা ভালো, এগুলো শুধু শরীরের দুর্গন্ধ থেকেই মুক্তি দেয় না, এর সঙ্গে একজন ব্যক্তির মনোবলও বৃদ্ধি করে। আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। এছাড়াও সুগন্ধির রয়েছে নানা উপকারিতা। চলুন জেনে নেয়া যাক।

সুবাস

সুগন্ধি ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো শরীরের দুর্গন্ধ তাড়িয়ে শরীরকে সুবাসিত করে তোলা। শত শত বছর ধরেই মানুষ ঘামসহ শরীরের আরও নানা দুর্গন্ধ দূর করতে এটা ব্যবহার করত। শুধু কি তাই, একজন মানুষকে সতেজ থাকতেও সহায়তা করে সুগন্ধি।

মন প্রফুল্ল রাখা

সুগন্ধি ব্যবহারের অন্যতম সুবিধা হলো এটি সুঘ্রাণ ছড়ানোর পাশাপাশি মন ভালো রাখে এবং প্রফুল্লতা নিয়ে আসে। একজন মানুষ তার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মিল রেখে সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারে। এতে সবার সামনে আলাদাভাবে নিজের পার্সোনালিটির প্রকাশ ঘটে।

আত্মবিশ্বাস বাড়ায়

সুন্দর পোশাকের মতোই ভালো সুগন্ধি একজন মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে ভূমিকা রাখে। কেননা এর মাধ্যমে শরীরের দুর্গন্ধ বিষয়ে দুশ্চিন্তামুক্ত থেকে অনেক বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়ানো যায়।

আকর্ষণীয় করে তোলে

মানুষের ৫টি ইন্দ্রিয়ের গুরুত্বপূর্ণ একটি হলো ঘ্রাণেন্দ্রিয়। মাঝেমধ্যে এমনও হয় যে, শুধু সুগন্ধির ওপর ভিত্তি করেই একজন আরেকজনের প্রতি আকর্ষিত হয়। পারফিউম বা সেন্ট ফেরোমনস (Pheromones) সমৃদ্ধ। একজন মানুষকে আকর্ষণীয় করে তুলতে এর কোনো জুড়ি নেই।

অ্যাফ্রোডিজিয়াক বা কামোদ্দীপক

মাঝেমধ্যে অনেক সুগন্ধি প্রাকৃতিক কামোদ্দীপক বা অ্যাফ্রোডিজিয়াক হিসেবে কাজ করে। বিশেষ ধরনের সুগন্ধিতে কিছু ফেরোমনস বৈশিষ্ট্য থাকে, যা অ্যাফ্রোডিজিয়াক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটা ব্যাখ্যা করে যে আপনি যদি কারো প্রতি বিশেষভাবে আকৃষ্ট হন, তাহলে সেটা এই ফেরোমনস বৈশিষ্ট্যের জন্য।

স্বাস্থ্যের উন্নতি

সরাসরি স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সুগন্ধির ভূমিকা না থাকলেও এটি মানুষকে চনমনে থাকতে সহায়তা করে। নানা রকম মানসিক চাপ ও উদ্বেগ থেকেও মনকে মুক্ত রাখে। পছন্দের সুগন্ধি ব্যবহারে মন ভালো হয়ে যায়। আর মন ভালো থাকা মানে অনেকাংশেই শরীরও ভালো থাকা।

অনিদ্রা দূর করে

বিশেষ কিছু সুগন্ধির থেরাপিউটিক প্রভাব রাতে ভালো ঘুম আনতে সাহায্য করে। এছাড়া কিছু অ্যাসেনশিয়াল অয়েল বা প্রয়োজনীয় তেল ধারণকারী পারফিউম মনকে শিথিল করে। এতে ঘুম ভালো হয়।

সূত্র: স্টাইলক্রেজ

আরও পড়ুন:
ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে
পিঠ ব্যথায় যা করবেন
হাত ও নখ থেকে হলুদের ছোপ তুলবেন যেভাবে
চামড়ার পণ্য ভালো রাখার উপায়
গরম মসলার অনেক গুণ

শেয়ার করুন

ব্লাড প্রেশার কমে গেলে যা করবেন

ব্লাড প্রেশার কমে গেলে যা করবেন

প্রেশার কমে গেলে সঙ্গে সঙ্গে ৫ থেকে ৬টি কাঠবাদাম খেয়ে নিন। কাঠবাদাম না থাকলে ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদামও খেতে পারেন। বাদাম প্রেশার বাড়াতে সহায়তা করে।

উচ্চ রক্তচাপের মতোই নিম্ন রক্তচাপও অত্যন্ত বিপজ্জনক। হঠাৎ ব্লাড প্রেশার কমে গেলে হৃৎপিণ্ড আর মস্তিষ্কসহ শরীরের অন্যান্য অংশে রক্ত সঞ্চালনের পরিমাণ কমে যায়। ফলে শরীর দুর্বল লাগা, মাথাঘোরা, বমি ভাব, জ্ঞান হারানো, বুক ব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা এমনকি স্ট্রোকও হয়। এসব সমস্যা এড়াতে সব সময় শরীরের রক্ত চলাচলে ব্যালেন্স রাখা জরুরি। কমে যাওয়া ব্লাড প্রেশারের ব্যালেন্স ফেরাতে কিছু সহজ উপায় রয়েছে। চলুন জেনে নেই।

ক্যাফেইন

বিশেষজ্ঞদের মতে, হঠাৎ ব্লাড প্রেশার কমে গেলে চা অথবা কফি পান করা একটি কার্যকর উপায়। কফিতে বিদ্যমান ক্যাফেইন সাময়িকভাবে ব্লাড প্রেশার বাড়াতে ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া চা অথবা কফির মতো পানীয়গুলো শরীরের ক্লান্তভাবও দূর করে।

পানি

লো ব্লাড প্রেশারের সমস্যা রয়েছে এমন রোগীদের বেশি বেশি পানি পান করা জরুরি। প্রতিদিন অন্তত ২ থেকে ৩ লিটার পানি শরীরের রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা ঠিক রাখে।

ফলের রস

বেশি পানি খেতে সমস্যা হলে ফলের রস এর কার্যকর ব্যতিক্রম। তবে স্যুপজাতীয় খাবারও খাওয়া যেতে পারে। এতে শরীরের প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতি মেটানো যাবে। খেয়াল রাখতে হবে শরীর যেন কোনোভাবেই ডিহাইড্রেশনের কবলে না পড়ে।

তুলসীপাতা

হঠাৎ যাদের ব্লাড প্রেশার কমে যাওয়ার সমস্যা আছে তাদের জন্য উত্তম পথ্য হলো- প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ৫ থেকে ৭টি তুলসীপাতা চিবানো। তুলসীপাতায় উচ্চমাত্রায় পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন সি থাকে, যা ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়ক। এ ছাড়া এতে ইউজিনোল নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমায়।

ডায়েট প্ল্যান

লো ব্লাড প্রেশারের রোগীদের সঠিক সময়ে খাওয়াদাওয়া করা সবচেয়ে জরুরি। ভারী খাবারের পাশাপাশি অন্যান্য খাবারও খেতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনে ৩ বার ভারী খাবার খাওয়ার চেয়ে পাঁচবার অল্প অল্প করে খাওয়া বেশি উপকারী।

বাদাম

প্রেশার কমে গেলে সঙ্গে সঙ্গে ৫ থেকে ৬টি কাঠবাদাম খেয়ে নিন। কাঠবাদাম না থাকলে ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদামও খেতে পারেন। বাদাম প্রেশার বাড়াতে সহায়তা করে।

ডিম

দ্রুত ব্লাড প্রেশার বাড়াতে ডিম অনেক কার্যকর। একসঙ্গে দুটি ডিম খেয়ে নিলে হারানো প্রেশার ফিরে পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন:
ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে
পিঠ ব্যথায় যা করবেন
হাত ও নখ থেকে হলুদের ছোপ তুলবেন যেভাবে
চামড়ার পণ্য ভালো রাখার উপায়
গরম মসলার অনেক গুণ

শেয়ার করুন

তুলে রাখা শীতের পোশাক ব্যবহারের আগে জেনে নিন

তুলে রাখা শীতের পোশাক ব্যবহারের আগে জেনে নিন

শীতকালে কাঁথা ব্যবহারের আগে ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে নিন। এমনিতে শীত ছাড়াও অনেকে কাঁথা ব্যবহার করেন। তাই কিছুদিন পরপরই ডিটারজেন্টে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে তারপর কেচে রোদে শুকিয়ে ব্যবহার করুন। 

দরজায় কড়া নাড়ছে শীত। সময় এসেছে শীতের পোশাকগুলো আলমারি থেকে বের করার। তবে সেগুলো ব্যবহারের আগে দরকার কিছু প্রস্তুতির। চলুন জেনে নেই।

লেপ

আপনার লেপটি যদি শিমুল তুলার হয় তাহলে সেটি ধোয়া যাবে না। এমনকি ড্রাই ওয়াশও নিষেধ। তার চেয়ে লেপটি রোদে দিন। দুপুরের কড়া রোদে ঘণ্টা দুই রাখলেই চলবে। উল্টে-পাল্টে লেপের দুই পাশেই রোদ লাগান। এতে লেপে থাকা স্যাঁতসেঁতে গন্ধ দূর হয়ে যাবে।

কম্বল

কম্বলও লেপের মতোই রোদে দেয়া ভালো। তবে এটি পানি দিয়ে ধোয়া এবং ড্রাই ওয়াশও করা যায়। পানির সঙ্গে পরিমাণমতো ডিটারজেন্ট মিশিয়ে তাতে কম্বলটি অল্প কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। পরে রোদে শুকিয়ে নিন। তবে কম্বল সাধারণত ভারী হয়, তাই ঝামেলা এড়াতে লন্ড্রিতে দেয়াই ভালো।

কাঁথা

শীতকালে কাঁথা ব্যবহারের আগে ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে নিন। এমনিতে শীত ছাড়াও অনেকে কাঁথা ব্যবহার করেন। তাই কিছুদিন পরপরই ডিটারজেন্টে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে তারপর কেচে রোদে শুকিয়ে ব্যবহার করুন।

সোয়েটার/মাফলার

উলের তৈরি যেকোনো গরম কাপড় একটানা তিন থেকে চার দিন ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে ত্বকে নানা ধরনের অ্যালার্জি হয়। এসব কাপড় কাচার জন্য বাজারে বিশেষ ডিটারজেন্ট পাওয়া যায়। সেসব ব্যবহার করে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। ধোয়ার সময় পানিতে লেবুর রস বা ভিনেগার দিতে পারেন। এতে রং ঠিক থাকে। কাচার পর কড়া রোদে শুকাতে দেবেন না।

জ্যাকেট

চামড়ার পোশাক বাড়িতে না ধুয়ে লন্ড্রিতে দেয়াই ভালো। কারণ এগুলো সংবেদনশীল। এগুলো রোদে শুকাতে দেয়া উচিত নয়। জ্যাকেট ফোমের হলে ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে নিতে পারেন।

আরও পড়ুন:
ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে
পিঠ ব্যথায় যা করবেন
হাত ও নখ থেকে হলুদের ছোপ তুলবেন যেভাবে
চামড়ার পণ্য ভালো রাখার উপায়
গরম মসলার অনেক গুণ

শেয়ার করুন

শিশুদের বোঝার চেষ্টা করুন

শিশুদের বোঝার চেষ্টা করুন

একটা ব্যাপার মনে রাখতে হবে, ওদের সমস্যা যতই ছোট মনে হোক না কেন, এখন যদি ওরা এই ছোট ছোট সমস্যাগুলো আমাদের সঙ্গে শেয়ার  করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ না করে, তাহলে ভবিষ্যতে সিরিয়াস কোনো সমস্যাও শেয়ার করতে চাইবে না। মনে সংশয় কাজ করবে।

ধরুন খেলতে খেলতে হঠাৎ আপনার শিশুর সব থেকে পছন্দের খেলনাটা হাত থেকে পড়ে ভেঙে গেল, এরপর শুরু হলো বাড়ি মাথায় তুলে কান্না। অথবা রাস্তায় দাঁড়িয়ে বাইরের অস্বাস্থ্যকর কোনো খাবার খাওয়ার জন্য শুরু করল জেদ, যা আপনি হাজার চেষ্টার পরও কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছেন না। একটু চিন্তা করে দেখুন তো আপনার প্রথম পদক্ষেপ কী হবে?

হয়তো বোঝাবেন একটা খেলনা ভেঙে যাওয়াতে এত কাঁদতে হয় না। এমন আরও অনেক খেলনা আছে যেগুলো নিয়ে সে খেলতে পারবে কিংবা রাস্তার খাবারগুলো স্বাস্থ্যকর নয়। বাসায় তাকে আরও মজাদার খাবার বানিয়ে দেয়া হবে।

বারবার বোঝানোর পরও যদি তার জেদ না কমে তাহলে হয়তো একটু জোড় গলায় তাকে থামতে বলবেন। তবুও যদি কাজ না হয় তাহলে হয়তো একপর্যায়ে আপনি নিজেই বিরক্ত হয়ে যাবেন। হাল ছেড়ে দেবেন। ভাবতে থাকবেন আপনি একজন ব্যর্থ অভিভাবক যে কি না নিজের বাচ্চার অহেতুক জেদটা পর্যন্ত সামলাতে পারে না। কিন্তু একটু ভেবে দেখেছেন, শিশুরা যখন জেদ করে অথবা খুব বেশি কষ্ট পায় তখন তার ভেতরে ঠিক কী কাজ করে এবং কেনইবা কোনো ধরনের কথা দিয়ে তাদের শান্ত করা যায় না?

বৈজ্ঞানিকভাবে যদি এর ব্যাখ্যাটা খুঁজে দেখা যায় তাহলে ব্যাপারটা পানির মতো পরিষ্কার। আসলে মানুষের মস্তিষ্কের তিনটা ভাগ বা পার্ট আছে।

১. প্রিমিটিভ পার্ট

২. লজিক্যাল পার্ট

৩. ইমোশনাল পার্ট

আমরা যখন খুব রেগে যাই বা খুব কষ্ট পাই, তখন আমাদের ব্রেইনের প্রিমিটিভ পার্টটা সচল হয়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে আমাদের মস্তিষ্ক আর কিছু চিন্তা করতে চায় না। আমাদের চিন্তাশক্তি ঠিক তখন সচল হয় যখন আমাদের লজিক্যাল পার্ট সচল হয়। অর্থাৎ হুট করে রেগে গেলে, উত্তেজিত হয়ে গেলে কিংবা অত্যন্ত কষ্ট পেলে আমাদের চিন্তাশক্তি হ্রাস পায়।

প্রিমিটিভ পার্ট নিষ্ক্রিয় হওয়ার পর আমাদের লজিক্যাল পার্ট সচল হয়, সঙ্গে আমাদের চিন্তাশক্তিও ফেরত আসে। একইভাবে বাচ্চাদের ক্ষেত্রেও তাই। শিশু যখন খুব বেশি জেদ করা শুরু করে, কাঁদতে থাকে তখন তার মস্তিষ্ক আমাদের সহজ কথাগুলোও গ্রহণ করতে পারে না। তখন সে কেবল তার ভাঙা খেলনার জন্য কষ্ট পেতে থাকে অথবা বারবার রাস্তার সেই অস্বাস্থ্যকর খাবারটাই খেতে চায়। আমাদের হাজার বলার পরও সে বুঝতে পারে না কেন তাকে জেদ করতে মানা করা হচ্ছে। তাহলে সেই ক্ষেত্রে আমরা কী করবো? বাচ্চা যা চাইবে তাই দিয়ে দেব?

না! আমরা তাকে কাছে টেনে নেব। জড়িয়ে ধরে তাকে বলব ‘আসলেই তো খাবারটা অনেক টেস্টি মনে হচ্ছে’ কিংবা ‘ছোটবেলায় আমার খেলনা ভেঙে গেলে আমিও এভাবেই কাঁদতাম’। এর মাধ্যমে আমরা ওকে বুঝালাম যে আমরা ওর কষ্ট, রাগ কিংবা জেদটা অনুভব করতে পারছি। এখন ও নির্দ্বিধায় ওর মনের কথাটা আমাদের জানাতে পারে। এতে করে সে আমাদের বিশ্বাস করবে, তার মনের কষ্ট, রাগ বা জেদটা আমাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাইবে।

একটা ব্যাপার মনে রাখতে হবে, ওদের সমস্যা যতই ছোট মনে হোক না কেন, এখন যদি ওরা এই ছোট ছোট সমস্যা আমাদের সঙ্গে শেয়ার করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ না করে, তাহলে ভবিষ্যতে সিরিয়াস কোনো সমস্যাও শেয়ার করতে চাইবে না। মনে সংশয় কাজ করবে। আমাদের বিশ্বাস করতে পারবে না।

সাধারণত মস্তিষ্কের লজিক্যাল পার্ট সচল হতে ৫ মিনিট কিংবা ১ ঘণ্টা, আবার কখনও কখনও ১ দিনও লাগতে পারে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন, খেয়াল রাখুন, জড়িয়ে ধরে ওর মনের কথাগুলো শুনুন। যখন মনে হবে ও আপনার কথাগুলো গ্রহণ করার মতো অবস্থায় আছে, আস্তে আস্তে একটা-দুইটা কথা দিয়ে শুরু করুন। যদি দেখেন সে বোঝার চেষ্টা করছে, তাহলে এই সুযোগে কেন রাস্তার খাবারটা আপনি ওকে দিতে চাইছেন না, সেটা বোঝান। দেখবেন ও আপনাকে বোঝার চেষ্টা করছে, ঠিক সেভাবেই যেভাবে কিছুক্ষণ আগে আপনি ওকে বোঝার চেষ্টা করেছিলেন। দেখবেন যতটা সময় নিয়ে আপনি ওকে বোঝার চেষ্টা করবেন ঠিক ততটাই ও আপনার ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠবে।

শুধু শিশুদের আবেগকে ছোট করে দেখার কারণেই পরবর্তী সময়ে তারা তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে কিছু শেয়ার করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে না। এভাবেই আস্তে আস্তে তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে থাকে এবং আমরা এই দূরত্বকে নাম দিই ‘জেনারেশন গ্যাপ’!

কাজেই একটু সহানুভূতিশীলতার সঙ্গে ওদের আবেগকে বোঝার চেষ্টা করুন।

আরও পড়ুন:
ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে
পিঠ ব্যথায় যা করবেন
হাত ও নখ থেকে হলুদের ছোপ তুলবেন যেভাবে
চামড়ার পণ্য ভালো রাখার উপায়
গরম মসলার অনেক গুণ

শেয়ার করুন

মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে কী করবেন

মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে কী করবেন

মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে বা ছিনতাই হলে প্রথমেই আপনার অপারেটর সার্ভিসে ফোন করে সিম লক করে দিতে হবে।

যেকোনো সময় আমাদের ফোন হারিয়ে যেতে পারে। চুরি বা ছিনতাইয়ের মতো অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটতে পারে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে অনেক সময় ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। যেমন: চুরি বা ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোনটি কখনো কখনো অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে মোবাইল ও সিমের রেজিস্ট্রি মতে এর প্রকৃত মালিক গ্রেপ্তার বা হয়রানির স্বীকার হতে পারেন। তাই ফোন হারিয়ে গেলে যা করতে হবে জেনে নিন এখনই।

মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে বা ছিনতাই হলে প্রথমেই আপনার অপারেটর সার্ভিসে ফোন করে সিম লক করে দিতে হবে।

এর পর করতে হবে সাধারণ ডায়েরি। ফোন যেখানে হারিয়েছে তার নিকটস্থ থানায় উপস্থিত হয়ে সাধারণ ডায়েরি করতে পারবেন। এ সময় ফোনের আইএমইআই নম্বর, ফোনে ব্যবহৃত সিমের নম্বর প্রভৃতি উল্লেখ করে করতে হবে।

সাধারণ ডায়েরি করার সময় ফোন ক্রয়ের রসিদ, সিম রেজিস্ট্রেশন ডকুমেন্ট ইত্যাদির কপি দিতে হবে। মূল কপি নিজের কাছে যত্ন সহকারে রেখে দিবেন।

এরপর ডিউটিরত অফিসার আবেদনকারীকে একটি জিডি নম্বর প্রদান করবেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোবাইলটির আইএমইআই নম্বর দিয়ে ট্র্যাক করে সেটটি উদ্ধার করার চেষ্টা করবে।

পরবর্তী সময়ে যদি হারানো মোবাইল ফোনটি খুঁজে পাওয়া যায় তাহলে ওসির মাধ্যমে আবেদনকারী তা ফেরত পাবেন। খুঁজে না পেলেও ব্যবহারকারীকে থানা থেকে জানিয়ে দেয়া হবে। পুলিশের এই সেবা বিনা মূল্যে দেয়া হয়ে থাকে।

আপনার মোবাইল ফোনটি যদি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের হয়, তাহলে সেটি কোথায় আছে তা গুগলের মাধ্যমে শনাক্ত করতে পারবেন।

১. যেকোনো কম্পিউটার থেকে এই ঠিকানাটা (https://www.google.com/android/find) লিখুন। আপনার অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে যে জিমেইল ব্যবহার করছেন সেই আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। মনিটরে ফাইন্ড মাই ডিভাইস নামের একটি অপশন দেখাবে। সেটি একসেপ্ট করুন।

অথবা আপনার আইডি দিয়ে গুগলে ঢুকে Find my phone লিখে সার্চ দিন। গুগল মনিটরে আপনার ফোনের লোকেশন দেখাবে। নিচে রিং অপশনে ক্লিক করলে আপনার ফোনে রিংটোন বেজে উঠবে। সাইলেন্ট মুডে থাকলেও সমস্যা নেই। রিং বাজবে। আপনার ফোনটি যদি হারিয়ে না গিয়ে আশপাশে কোথাও পড়ে থাকে, তাহলে রিংটোন শুনে ফোন পেয়ে যাবেন।

মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে কী করবেন

২. রিং অপশনের পাশে রিকভার অপশনে ক্লিক করলে আপনার ডিভাইসের লোকেশন দেখাবে। তবে এই সেবাটি পাওয়ার জন্য ফোনে ইন্টারনেট সংযোগ চালু থাকতে হবে। সার্ভারে আপনার মোবাইলের ব্র্যান্ড ও মডেল নম্বরটি দেখে সেটি খুঁজে নেবে গুগল ম্যাপ। মোবাইল থেকে পাওয়া তথ্য সার্ভারের মাধ্যমে গুগল ম্যাপে দেখিয়ে দেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য কাছাকাছি লোকেশনই দেখানো হবে।

৩. মোবাইল যদি সত্যিকারেই হারিয়ে যায় এবং দ্রুত খুঁজে পাওয়ার সুযোগও যদি খুঁজে না পান, সে ক্ষেত্রে আপনি মোবাইল লক করে দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে পারেন। একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে লক করে দিতে পারবেন সেট। উদ্ধারের পর সে পাসওয়ার্ড দিয়ে সেট আনলক করে নিতে পারবেন।

৪. ফোনসেট উদ্ধারের কোনো আশাই যদি না থাকে, সে ক্ষেত্রে মোবাইলে থাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও ছবি যেন অন্য কারও হাতে না পড়ে, সে ব্যবস্থাও নিতে পারেন। ইরেজ ডাটা অপশনটি ব্যবহার করে, মোবাইলের সব ডাটা মুছে ফেলতে পারবেন। মোবাইল যদি অফলাইনে থাকে, তবে যখনই অনলাইনে আসবে, সঙ্গে সঙ্গে সব তথ্য মুছে যাবে। তবে এর ফলে গুগলের সাহায্য নিয়ে আর সেট খুঁজে পাওয়ার উপায় খোলা থাকবে না। তবে সেট খুঁজে পেলে জিমেইল আইডি দিয়ে আবারও ব্যবহার করতে পারবেন সেই ফোন।

আরও পড়ুন:
ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে
পিঠ ব্যথায় যা করবেন
হাত ও নখ থেকে হলুদের ছোপ তুলবেন যেভাবে
চামড়ার পণ্য ভালো রাখার উপায়
গরম মসলার অনেক গুণ

শেয়ার করুন