চামড়ার পণ্য ভালো রাখার উপায়

চামড়ার পণ্য ভালো রাখার উপায়

চামড়ার ব্যাগ ভাঁজ করে রাখা যাবে না। ব্যবহার না করে তুলে রাখলে অবশ্যই ব্যাগের ভিতরে কাগজ অথবা কাপড় ঢুকিয়ে রাখতে হবে। এতে ব্যাগের আকার ঠিক থাকবে।

চামড়ার তৈরি পণ্যের নিয়মিত যত্ন নেয়া জরুরি। বিশেষ করে চামড়ার ব্যাগ ও জুতার নিয়মিত যত্ন না নিলে দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

চলুন দেখে নিই, যত্নটা কীভাবে করবেন।

চামড়ার তৈরি পণ্য বিশেষ করে ব্যাগ ও জুতা পানি দিয়ে পরিষ্কার করা যাবে না। এগুলো পরিষ্কারের জন্য বাজারে বিভিন্ন ধরনের ক্লিনার পাওয়া যায়। সেগুলো ব্যবহার করলে চামড়ার পণ্য ভালো থাকবে।

চামড়ার তৈরি পণ্যের ওপরে পানি পড়লে তুলা অথবা সুতি কাপড় দিয়ে হালকা করে মুছে নিন। জোরে ঘষাঘষি করা একেবারেই নিষেধ। অ্যালকোহল কিংবা স্পিরিটজাতীয় দ্রব্য যেন চামড়ায় না লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এসব দ্রব্য চামড়ার ক্ষতি করে।

চামড়ার ব্যাগ ভাঁজ করে রাখা যাবে না। ব্যবহার না করে তুলে রাখলে অবশ্যই ব্যাগের ভিতরে কাগজ অথবা কাপড় ঢুকিয়ে রাখতে হবে। এতে ব্যাগের আকার ঠিক থাকবে।

চামড়ার পণ্য ভালো রাখার উপায়

চামড়ার ব্যাগ ও জুতা দীর্ঘদিন তুলে রাখলে ফাঙ্গাস ধরে। এই সমস্যা এড়াতে তুলে রাখা ব্যাগ ও জুতা মাঝে মাঝে রোদে দিতে হবে। তীব্র রোদে না দেয়াই ভালো। রোদ যখন হালকা থাকে যেমন সকালে কিংবা বিকেলে, তখন রোদে দেয়াই ভালো। আলো-বাতাস লাগলে ফাঙ্গাস ধরবে না।

ব্যাগের অথবা জুতার উজ্জ্বলতা হারিয়ে গেলে কন্ডিশনিং করুন। মুচির কাছে নিয়ে গেলে তারা এটা করে দেবে। বছরে অন্তত দুইবার কন্ডিশনিং না করলে চামড়া ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। মনে রাখতে হবে, উজ্জ্বলতা বাড়াতে তেল ব্যবহার করা যাবে না।

আরও পড়ুন:
গরম মসলার অনেক গুণ
আলুর উপকারিতা জেনে নিন
গাড়ির দাগ তুলবেন যেভাবে
আত্মবিশ্বাসী হবেন কীভাবে
ডাবের পানির উপকারিতা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পেশিতে টান লাগলে যা করবেন

পেশিতে টান লাগলে যা করবেন

হাত, পা, আঙুল বা কোমরে টান খেলে আক্রান্ত স্থান ও চারপাশে আঙুল দিয়ে ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করুন।

মাঝেমধ্যেই দেখা যায়, হঠাৎ শরীরের বিভিন্ন জায়গার মাংসপেশি বা শিরায় টান লাগে। এই সমস্যাটিকে বিশেষজ্ঞদের ভাষায় মাসলপুল, ক্র্যাম্প বা স্প্যাজম বলে। এটি জেগে থাকা কিংবা ঘুমন্ত যেকোনো সময় হতে পারে। এর ফলে ব্যথা হওয়ার পাশাপাশি ল্যাকটিক অ্যাসিড নিঃসরণের জন্য প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া করে।

মাংসপেশি বা শিরায় টান লাগার কারণ

সাধারণত পানিশূন্যতা ও রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটলে এটি হয়ে থাকে। এ ছাড়া মাংসপেশিতে অতিরিক্ত টান খেলে বা কোনো কারণে টিস্যু ছিঁড়ে গেলেও এটি হয়। আরও কিছু কারণ হলো-

১. শরীরের কোনো মাংসপেশি অনেকক্ষণ ধরে ব্যবহৃত হলে।

২. ব্যায়াম বা যেকোনো শারীরিক কাজের আগে শরীর ঠিকভাবে প্রস্তুত না থাকলে।

৩. ক্লান্ত পেশি আচমকা নড়াচড়া করলে।

৪. অনেক ভার ওঠালে।

৫. ক্লান্ত অবস্থায় অতিরিক্ত কাজ করলে।

৬. মানসিক চাপ ও অবসাদ।

৭. খাদ্যাভ্যাসে অনিয়ম

৮. শরীরে ভিটামিন এ, বি, সোডিয়াম, আয়রন ও পটাশিয়ামের অভাব হলে।

৯. দীর্ঘ সময় এক জায়গায় বসে কাজ করলে।

টান ধরলে যা করবেন

বিশ্রাম

সব ধরনের শারীরিক ব্যায়াম ও কাজ বন্ধ রাখুন। আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে চাপ নেয়া বা প্রেসার দেয়া যাবে না। পানি, স্যালাইন কিংবা ডাবের পানি পান করুন।

সেক

এ ক্ষেত্রে ঠান্ডা এবং গরম উভয় সেকই দেয়া যায়। একটি হট ব্যাগ বা বরফের ব্যাগ নিন। আঘাতপ্রাপ্ত জায়গাটিতে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পরপর অন্তত ২০ মিনিটের জন্য ব্যাগটি রেখে সেক দিন।

ব্যান্ডেজ

যেখানে টান খেয়েছে সে জায়গাটি বেশি নাড়াচাড়া করবেন না। এ জন্য একটি ব্যান্ডেজ দিয়ে মুড়িয়ে নিতে পারেন।

এলিভেট

যেখানে টান ধরেছে চেষ্টা করুন সে জায়গাটি উঁচু করে রাখতে। এ ক্ষেত্রে বালিশ ব্যবহার করতে পারেন।

ম্যাসাজ

হাত, পা, আঙুল বা কোমরে টান খেলে আক্রান্ত স্থান ও চারপাশে আঙুল দিয়ে ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করুন।

স্ট্রেচিং

পায়ের ক্ষেত্রে ম্যাসাজের পর জায়গাটা একটু স্বাভাবিক হলে হালকা চাপ দিয়ে ধীরে ধীরে স্ট্রেচিং করুন। যে পায়ে টান, সেই পায়ের হাঁটু ভাঙুন। অন্য পা পেছনে টান টান করে ছড়িয়ে দিন এবং টান ধরা পায়ের হাঁটুর ওপর শরীরের ভর রাখার চেষ্টা করুন। থাইয়ের পেশিতে টান লাগলে জায়গাটা নরম করে একটি শক্ত কিছুতে ভর দিয়ে দাঁড়ান। টান ধরা পা কোমর অবধি টানটান করতে চেষ্টা করুন।

হাঁটাচলা

কোমর ও পায়ের ক্ষেত্রে হাঁটাচলা কার্যকর। কোমরের টানের ক্ষেত্রে ভালো করে ম্যাসাজ করলে ব্যথা কমে।

তাৎক্ষণিক করণীয়

পা বা হাতে এটি হলে দেখা যায় একদিকে বেঁকে যেতে চাচ্ছে। তখন যেদিকে বেঁকে যেতে চাইছে তার বিপরীত দিকে চেপে ধরে আগের অবস্থায় নিয়ে গিয়ে পেশি শিথিল করতে চেষ্টা করুন। ভিটামিন এ এবং বি কমপ্লেক্স গ্রহণ করেও এই সমস্যার প্রভাব কাটানো এবং প্রতিরোধ সম্ভব।

সূত্র: হেলথলাইন

আরও পড়ুন:
গরম মসলার অনেক গুণ
আলুর উপকারিতা জেনে নিন
গাড়ির দাগ তুলবেন যেভাবে
আত্মবিশ্বাসী হবেন কীভাবে
ডাবের পানির উপকারিতা

শেয়ার করুন

সন্তানের সঙ্গে সম্পর্ক

সন্তানের সঙ্গে সম্পর্ক

আপনার সন্তান যখন কোনো ভালো কাজ করবে তার প্রশংসা করুন। কাজটি করতে ভালোবাসলে তাকে উৎসাহিত করুন। পারলে কাজের জন্য পুরস্কৃত করুন।

অনেক মা-বাবার অভিযোগ, সন্তান তাদের কথা শুনছে না। দিন দিন আয়ত্তের বাইরে চলে যাচ্ছে। আবার হঠাৎ করেই সন্তানের জেদ প্রচণ্ড বেড়েছে কিংবা মা-বাবার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে তাদের দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। এটি দুশ্চিন্তা করার মতোই ব্যাপার। কেননা এর ফলে শিশুরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তবে এর সমাধান রয়েছে। অভিভাবকরা যদি একটু সাবধানে সেগুলো খেয়াল করেন, তাহলে এই সমস্যার মুখে পড়তে হবে না।

নিজের ভুল বুঝতে শিখুন

অনেক মা-বাবাই বুঝতে চান না যে তাদের দ্বারাও ভুল হতে পারে। তারা মনে করেন সন্তানই সব সময় ভুল করে। কিন্তু এটি ঠিক নয়। কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে না। মা-বাবার উচিত তাদের ভুল বুঝতে শেখা এবং তা নিয়ে সন্তানের সঙ্গে কথা বলা।

আপনার ভুলের জন্য সন্তানের কাছে ক্ষমা চাইতে কার্পণ্য করবেন না। তাকে বোঝান ভুলটির জন্য আপনি অনুতপ্ত। এতে আপনার আর সন্তানের মধ্যে তৈরি হওয়া ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটে সম্পর্ক আরও সতেজ হয়ে উঠবে।

সবকিছু বয়স দিয়ে বিবেচনা করবেন না

অনেকে মনে করেন, বয়সে বড় বলেই তারা সব সময় সঠিক। এটি একেবারেই অনুচিত। সন্তানের মতামতকে গুরুত্ব দিতে শিখুন। সন্তানের ওপর সব সময় নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবেন না। তার মতামতটাও শুনুন। যেকোনো মতামতে যুক্তিকে প্রাধান্য দিন। বয়সে ছোটো হলেও যে কেউ সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে, এটি বুঝতে শিখুন। তাকে আলাদা সত্তার মানুষ হিসেবে মানতে শিখুন এবং তার পছন্দ-অপছন্দের গুরুত্ব দিন।

প্রশংসা করার অভ্যাস করুন

আপনার সন্তান যখন কোনো ভালো কাজ করবে তার প্রশংসা করুন। কাজটি করতে ভালোবাসলে তাকে উৎসাহিত করুন। পারলে কাজের জন্য পুরস্কৃত করুন। এর ফলে তার আত্মবিশ্বাস যেমন বাড়বে, তেমনি আপনার প্রতি শ্রদ্ধাও বাড়বে।

নিজের অবস্থান সম্পর্কে পরিষ্কার থাকার সুযোগ দিন

ছেলে-মেয়েরা বড় হতে হতে মিথ্যা বলা শিখবে, এটা স্বাভাবিক। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে মা-বাবার সঙ্গে দূরত্ব। সন্তান যখন আপনার সঙ্গে কোনো কিছু শেয়ার করতে সংকোচ বোধ করবে তখন মাঝেমধ্যে নিজের ভুলটি ঢাকতে সে মিথ্যা বলবে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগেই তাকে নিজের ভুল স্বীকার করতে শেখান। তার অবস্থান সম্পর্কে সব সময় পরিষ্কার থাকার সুযোগ দিন।

সঠিক-ভুল নিয়ে উগ্র হবেন না

সন্তান ভুল করলে তার ওপর ক্ষেপে যাওয়া অস্বাস্থ্যকর। সে কোনো ভুল করলে সময় নিন। তার সঙ্গে কথা বলুন। সে যা করেছে তা যে ভুল, সেটি বোঝাতে চেষ্টা করুন। এতে সে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে এবং পরবর্তী সময়ে একই ভুল করার আগে বুঝতে পারবে যে এটি করা ঠিক নয়।

পর্যাপ্ত সময় দিন

ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে সন্তানের কাছ থেকে মা-বাবার আদর-স্নেহ কেড়ে নেবেন না। তাকে পর্যাপ্ত সময় দিন। খেয়াল রাখুন সে কী করছে, কাদের সঙ্গে মিশছে। আপনার সময়ের অভাবে সে খারাপ পথে চলে যেতে পারে।

সন্তানের বন্ধু হয়ে উঠুন

সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চেষ্টা করুন। ছুটির দিনে একসঙ্গে বাইরে ঘুরতে যান। বাসায় নিজ হাতে রান্না করে খাওয়ান। মন দিয়ে তাদের কথা শুনুন। একসঙ্গে খেলাধুলা করুন। সন্তানকে আয়ত্তে আনতে হলে অবশ্যই তাদের বুঝতে হবে, বকাঝকা করে কঠোর হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না। এতে হীতে বিপরীত হয়।

আরও পড়ুন:
গরম মসলার অনেক গুণ
আলুর উপকারিতা জেনে নিন
গাড়ির দাগ তুলবেন যেভাবে
আত্মবিশ্বাসী হবেন কীভাবে
ডাবের পানির উপকারিতা

শেয়ার করুন

রান্নাঘরের ছোটখাটো সমস্যার সমাধান দেখে নিন

রান্নাঘরের ছোটখাটো সমস্যার সমাধান দেখে নিন

জিরা ফ্রেশ রাখতে সমস্যা হচ্ছে? জিরাগুলোকে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়ে ফ্রিজে রাখুন। দীর্ঘদিন জিরা ফ্রেশ থাকবে।

রান্নাঘরে নানা রকম সমস্যা লেগেই থাকে। পিঁপড়া, পাতিল পোড়া, মশলা সতেজ রাখা-এ রকম টুকটাক সমস্যাগুলোর সমাধান এক নজরে দেখে নিন।

১. পিঁপড়ার আক্রমণে বয়ামে চিনি রাখতে পারছেন না? বয়ামের মুখ খুলে চিনির ওপর ৩ থেকে ৪টি লবঙ্গ রেখে দিন। পিঁপড়ার সমস্যার সমাধান হবে।

২. বিস্কুট এনে রাখতে পারছেন না? নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? বয়ামের ভিতর এক টুকরা ব্লটিং পেপার রেখে তার ওপর বিস্কুট রাখুন। এতে বিস্কুট দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যাবে। মচমচে ভাবও নষ্ট হবে না।

৩. গরম তেল বা আগুনে কোথাও পুড়ে গেছে? পোড়া স্থানে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানি ঢালুন। তারপর একটা পাকা কলা চটকে সেখানে লাগিয়ে দিন। এতে জ্বলুনি বন্ধ হবে।

৪. ফ্রিজে কাটা আপেল রাখতে পারছেন না? লালচে হয়ে যায়? আপেলের টুকরাগুলোর ওপর হালকা লেবুর রস মেখে নিন। এতে আপেল লালচে তো হবেই না বরং অনেক দিন ফ্রেশ দেখাবে।

৫. বাজারের মাখন ব্যবহার করে করে নিশ্চয়ই শরীরের কোলেস্টেরল বেড়ে যাচ্ছে। লো স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত মাখন ব্যবহার করুন। এতে শরীরে কোলেস্টেরল বাড়বে না।

৬. কাজুবাদামের খোসা ছাড়াতে হিমশিম খাচ্ছেন? বাদামগুলোকে গরম পানিতে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। এতে খোসা নরম হবে এবং ছাড়াতে সুবিধা হবে।

৭. জিরা ফ্রেশ রাখতে সমস্যা হচ্ছে? জিরাগুলোকে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়ে ফ্রিজে রাখুন। দীর্ঘদিন জিরা ফ্রেশ থাকবে।

৮. করলার স্বাদ বাড়াতে চান? করলাগুলো ধুয়ে মাঝখান দিয়ে কেটে নিন। তারপর ভেতরে লবণ, ময়দা আর দইয়ের মিশ্রণ ঢুকিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। এরপর রান্না করুন। স্বাদ বেড়ে যাবে।

৯. পাতিলে খাবারের পোড়া দাগ লেগে গেছে? কীভাবে তুলবেন বুঝতে পারছেন না? চিন্তার কিছু নেই। কয়েকটা পেঁয়াজ কেটে নিন। এরপর পাতিলটিতে গরম পানির সঙ্গে পেঁয়াজগুলো ৫ মিনিট রেখে দিন। এবার ধুয়ে দেখুন। পোড়া দাগ সম্পূর্ণ উঠে যাবে।

১০. সবজি কাটতে প্লাস্টিকের চপিংবোর্ড ব্যবহার করবেন না। চেষ্টা করুন কাঠের বোর্ডে সবজি কাটতে। নইলে সবজির সঙ্গে প্লাস্টিকের কুচি মিশে যেতে পারে।

১১. রান্নাঘরে তেলাপোকার উপদ্রব বেড়ে গেছে? সিঙ্কের কোনাগুলোতে বরিক পাউডার ছড়িয়ে দিন। তেলাপোকা পালাবে।

আরও পড়ুন:
গরম মসলার অনেক গুণ
আলুর উপকারিতা জেনে নিন
গাড়ির দাগ তুলবেন যেভাবে
আত্মবিশ্বাসী হবেন কীভাবে
ডাবের পানির উপকারিতা

শেয়ার করুন

বাসে যাতায়াতের টিপস

বাসে যাতায়াতের টিপস

বাসে জানালার পাশের সিটে বসলে বাইরের বাতাস থেকে নিঃশ্বাস নিতে পারবেন। তাই চেষ্টা করুন জানালার পাশের সিটে বসতে।

করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমে আসায় সবকিছু স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে ভাইরাস কিন্তু এখনও পুরোপুরি চলে যায়নি। তাই সাবধানতা মেনে চলতে হবে।

বিভিন্ন প্রয়োজনে আমাদের বাসে যাতায়াতের প্রয়োজন পড়ে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, গাদাগাদি করে বাসে উঠলে কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা স্বাভাবিকের তুলনায় ৩০ গুণ বেশি।

তাই বাসে ওঠার আগে ও পরে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। চলুন সেগুলো দেখে নেই।

মাস্ক পরুন

বাসে ওঠার আগে তিন স্তরবিশিষ্ট মাস্ক পরে নিন। পথে-ঘাটে যে সার্জিক্যাল মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে, তা সাধারণত দুই স্তরবিশিষ্ট। এ ধরনের মাস্ক একসঙ্গে দুটি ব্যবহার করুন। লোকাল বাসে উঠলে মাস্কের পাশাপাশি ফেস শিল্ড ব্যবহার করলে আরও ভালো।

বাসে ভিড় এড়িয়ে চলুন

যথেষ্ট সময় হাতে নিয়ে বাসা থেকে বের হন। বাসে ওঠার আগে দেখে নিন সেটাতে ভিড় কেমন। বেশি ভিড় হলে এড়িয়ে চলাই উত্তম। সে ক্ষেত্রে পরের বাসের জন্য অপেক্ষা করুন।

জানালার পাশের সিটে বসুন

বাসে জানালার পাশের সিটে বসলে বাইরের বাতাস থেকে নিঃশ্বাস নিতে পারবেন। তাই চেষ্টা করুন জানালার পাশের সিটে বসতে।

নাকে-মুখে হাত না দেয়া

কোনো অবস্থাতেই নাকে, মুখে বা চোখে হাত দেবেন না। একান্ত দিতেই হলে হাত স্যানিটাইজ করে নিন। সে ক্ষেত্রে সঙ্গে স্যানিটাইজার রাখতে হবে।

আরও পড়ুন:
গরম মসলার অনেক গুণ
আলুর উপকারিতা জেনে নিন
গাড়ির দাগ তুলবেন যেভাবে
আত্মবিশ্বাসী হবেন কীভাবে
ডাবের পানির উপকারিতা

শেয়ার করুন

মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

মানসিক চাপ কমাতে মিষ্টি আলু উপকারী। এতে স্নায়ু শিথিল হয়।

বিভিন্ন কারণে আমরা সবাই কমবেশি মানসিক চাপে ভুগি। এর বাজে প্রভাব শরীরের ওপরেও পড়ে। যার ফলে অনিদ্রা, উচ্চ রক্তচাপ, হজমের সমস্যা এবং স্নায়ুর সমস্যার মতো শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয়।

এমনকিছু খাবার আছে, যা খেলে মানসিক চাপ কেটে যেতে পারে। আসুন সেসব খাবার সম্পর্কে জেনে নিই।

কাঠবাদাম

কাঠবাদামে ভিটামিন বি আর ই রয়েছে। এগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নত থাকলে মানসিক চাপ, বিষণ্নতা ও উদ্বেগের মতো সমস্যা কমে যায়। প্রতিদিন অন্তত ৫-৬টা কাঠবাদাম খেলে সুফল পাওয়া যাবে।

চিনি

তাৎক্ষণিকভাবে মানসিক চাপ কমাতে স্বল্প পরিমাণে চিনি খাওয়া একটি কার্যককরী উপায়। কেননা এতে মস্তিষ্কের উত্তেজিত পেশিগুলো শান্ত হয়। ফলে মানসিক চাপও কমতে শুরু করে। তবে অতরিক্ত চিনি খাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিসের সমস্যা রয়েছে, তাদের এই পদ্ধতি অবলম্বন না করাই ভালো। যাদের চিনিতে সমস্যা রয়েছে তারা মধু খেতে পারেন। এ ছাড়া মধুর অন্যান্য অনেক কার্যকারিতা রয়েছে।

মিষ্টি আলু

মানসিক চাপ কমাতে মিষ্টি আলু উপকারী। এতে স্নায়ু শিথিল হয়।

ডার্ক চকলেট

মানুষের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণে ডার্ক চকলেটের সুনাম আছে। চকলেট খাওয়ার ফলে অ্যান্ডোরফিন নামে একধরনের হরমোন নিঃসরণ ঘটে, যা মানসিক চাপ বা উদ্বেগ কমায়। তবে মিষ্টি চকলেট নয়। অতিরিক্ত মিষ্টি চকলেট স্বাস্থ্যহানি ঘটায়। ডার্ক চকলেটে সেই সমস্যা নেই।

সবুজ সবজি

শসা, ব্রকলির মতো সবুজ সবজিতে প্রচুর ফলিক অ্যাসিড আর ম্যাগনেসিয়াম থাকে। এসব উপাদান মস্তিষ্কে তৃপ্তির অনুভূতি সৃষ্টি করে। এসব খাওয়ার পর মানসিক চাপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

আরও পড়ুন:
গরম মসলার অনেক গুণ
আলুর উপকারিতা জেনে নিন
গাড়ির দাগ তুলবেন যেভাবে
আত্মবিশ্বাসী হবেন কীভাবে
ডাবের পানির উপকারিতা

শেয়ার করুন

নখকুনির যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে যা করবেন

নখকুনির যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে যা করবেন

এক চামচ নারিকেল তেলে দুই থেকে তিন ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি তুলা দিয়ে নখকুনি হওয়া অংশে লাগিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। দিনে দুই থেকে তিনবার এটি করতে পারলে দ্রুত সেরে যাবে নখকুনি।

নখকুনি একটি যন্ত্রণাদায়ক সমস্যা। হাত-পায়ের নখ কাটতে গিয়ে মাঝেমধ্যে নখের ক্ষুদ্র অংশ দেবে যায় ফলে নখকুনি হয়। এ ছাড়া নখে কোনো কিছুর খোঁচা লেগেও এটি হতে পারে। ফলে ত্বকে সৃষ্টি হওয়া ফাটল দিয়ে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করলে যন্ত্রণার পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। তবে সহজ কিছু উপায়ে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব-

রসুন

এক কাপ সাদা ভিনিগারের সঙ্গে কয়েক কোয়া রসুন কুচি করে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট নখকুনিতে লাগিয়ে পরিষ্কার সুতি কাপড় বা ব্যান্ডেজ দিয়ে বেঁধে রাখুন। পুরোপুরি সেরে ওঠার আগ পর্যন্ত এই পদ্ধতি মেনে চলুন। এতে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।

সাদা ভিনিগার

দুই কাপ কুসুম গরম পানিতে এক কাপ সাদা ভিনিগার মেশান। মিশ্রণটিতে অন্তত ১৫ মিনিট নখকুনি হওয়া আঙুলটি ডুবিয়ে রাখুন। শেষে টিস্যু অথবা নরম কাপড়ে মুছে নিন। এতে এক থেকে দুই দিনের মধ্যে নখকুনি সেরে যায়।

টি ট্রি অয়েল

এক চামচ নারিকেল তেলে দুই থেকে তিন ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি তুলা দিয়ে নখকুনি হওয়া অংশে লাগিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। দিনে দুই থেকে তিনবার এটি করতে পারলে দ্রুত সেরে যাবে নখকুনি।

অ্যাপল সিডার ভিনিগার

দুই কাপ পানির সঙ্গে দুই কাপ অ্যাপল সিডার ভিনিগার মেশান। মিশ্রণটিতে ৩০ মিনিট নখকুনি হওয়া আঙুলটি ডুবিয়ে রাখুন। পরে নরম কাপড় অথবা টিস্যু দিয়ে মুছে নিন। এ পদ্ধতিতে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে নখকুনি সেরে যাবে।

আরও পড়ুন:
গরম মসলার অনেক গুণ
আলুর উপকারিতা জেনে নিন
গাড়ির দাগ তুলবেন যেভাবে
আত্মবিশ্বাসী হবেন কীভাবে
ডাবের পানির উপকারিতা

শেয়ার করুন

বৃষ্টির পানির উপকারিতা

বৃষ্টির পানির উপকারিতা

বৃষ্টির পানির আরেকটি অন্যতম কার্যকারিতা হলো কানের সমস্যা দূর করা। কানের ব্যথা ও ইনফেকশন দূর করতে এই পানি উপকারী।

বৃষ্টিতে ভিজতে কার না ভালো লাগে। তবে অনেকেই মনে করেন এতে সর্দি-কাশি বাধে। কথাটি পুরোপুরি সত্য নয়। বৃষ্টির পানির রয়েছে নানান উপকারিতা। চলুন দেখে নেই-

চুলের সুস্বাস্থ্য

বৃষ্টির পানিতে আছে প্রাকৃতিক অ্যালকাইন, যা মাথার ত্বকে থাকা ব্যাকটেরিয়া এবং ময়লা দূর করে। এতে চুলের গোড়া হয় মজবুত। তাই বৃষ্টির পানি ব্যবহারের ফলে চুলের রুক্ষতা কমে এবং অধিক উজ্জ্বল দেখায়। এ ছাড়া এই পানি খুশকিও দূর করে।

অবসাদমুক্তি

বৃষ্টিতে ভেজার ফলে শরীরে এন্ডোরফিন ও সেরাটোনিন হরমোন ক্ষরণ হয়। এতে দূর হয় মানসিক অবসাদ। এ ছাড়া বৃষ্টির সময় পরিবেশে যে ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে তাকে বলা হয় পেট্রিকোর। এটি মানুষকে আরও চনমনে করে তুলতে সহায়তা করে।

ভিটামিন বি

বৃষ্টির পানিতে থাকে হালকা অ্যালকাইন ও বেশ কিছু অণুজীব। যেগুলো বিপাকের মাধ্যমে ভিটামিন বি-১২ তৈরি করে। ফলে বৃষ্টিতে ভিজলে ভিটামিন বি এর অভাব দূর হয়।

কানের সমস্যা

বৃষ্টির পানির আরেকটি অন্যতম কার্যকারিতা হলো কানের সমস্যা দূর করা। কানের ব্যথা ও ইনফেকশন দূর করতে এই পানি উপকারী।

চর্মরোগের সমাধান

বৃষ্টিতে ভিজলে বিভিন্ন চর্মরোগ দূর হয়। বিশেষ করে চুলকানি, ফুসকুড়ি ও ঘামাচি দূর করতে বৃষ্টির পানি কার্যকর। এ ছাড়া শরীরের খসখসে ভাব দূর করতেও এই পানি ভূমিকা রাখে।

ত্বকের সৌন্দর্য

ভারি বৃষ্টির সময় যে জলীয়বাষ্প উৎপন্ন হয় তা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কারণ এর ফলে পরিবেশে থাকা ক্ষতিকর জীবাণুদের কর্মক্ষমতা কমে যায়। এতে ত্বক আরও উজ্জ্বল ও কমনীয় হয়ে ওঠে।

শরীরের বিষাক্ত উপাদান

বৃষ্টির পানি পান করার ফলে দেহে থাকা বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যায়। উন্নতি ঘটে হজম ক্ষমতার। এই পানি রক্তের পিএইচ লেভেলকে স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসে। তাই অ্যাসিডিটির মাত্রাও কমে।

শেষ কথা

বৃষ্টির পানির অনেক উপকারিতা থাকলেও ১০ থেকে ১৫ মিনিটের বেশি সময় ভেজা উচিত নয়। এতে ঠাণ্ডা লেগে জ্বর চলে আসতে পারে। ভেজার পর সব সময় গোসল করে নিন। গোসলের পানি কুসুম গরম হলে ভালো হয়।

সূত্র: নিউজট্র্যাকলাইভ

আরও পড়ুন:
গরম মসলার অনেক গুণ
আলুর উপকারিতা জেনে নিন
গাড়ির দাগ তুলবেন যেভাবে
আত্মবিশ্বাসী হবেন কীভাবে
ডাবের পানির উপকারিতা

শেয়ার করুন